৭৫ পরবর্তী জনপ্রতিনিধিগণ সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়েছেন
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেন, বিগত সাড়ে চার বছর ধরে সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীর কল্যাণে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নির্বাচনের পূর্বে জনগণের কাছে দেয়া অধিকাংশ অঙ্গীকার এবং প্রত্যাশা পূরণের কথা উল্লেখ করে বাকী সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট অঙ্গীকার সমূহ বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বদান্যতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডের ফলে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ৭৫’র রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নির্বাচিত বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিগণ সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়েছেন। আগামী নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে উন্নয়নের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে সাতকানিয়া লোহাগাড়ায় চলমান ব্যাপক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট থাকবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ৩০ এপ্রিল ২০১৮ইং বিকেল তিনটায় স্থানীয় কানুরাম বাজার মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিরাট জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো তুলে ধরেন। প্রধান বক্তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং অসমাপ্ত কাজ শেষ করার মাধ্যমে বিংশ শতাব্দীর উপযুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় সফল করাই জননেত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র ব্রত। বিগত সাড়ে চার বছরে মাননীয় সংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপির নেতৃত্বে সাতকানিয়া লোহাগাড়ায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই আসন থেকে বারবার নির্বাচিত বিএনপি জামাতের প্রার্থীরা জনগণের আশা আকাঙ্কার প্রতিফলন ঘটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। তারা কেবল জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করেছে। কলাউজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ ওয়াহেদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তর উপ-কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবু বক্কর, লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সদর ইউপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচ এম গনি সম্রাট,সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আবদুল জব্বার, পদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য নুরুল আলম জিকু,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ জহির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম আহবায়ক মোরশেদুল আলম নিবিল। জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আবদুল জলিল, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল হক নুনু, আমিরাবাদ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এসএম ইউনুচ, আমিরাবাদ ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, চরম্বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ আসাহাব উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সাইফুল হাকিম, মোহাম্মদ জাফর আলম, সাংসদের একান্ত সহকারী সচিব ও সোনাকানিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম শাহাদৎ হোসাইন শাহেদ, উপজেলা যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সরওয়ার কামাল, কলাউজান ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ ফারুক, সাতকানিয়া যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বেলাল। এছাড়াও কলাউজান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,কৃষকলীগসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। জনসভার পুর্বে সাংসদ ড. নদভী এমপি কলাউজান ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ছয়টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নারীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে নির্বাচিত হলে
খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার কর্মক্ষেত্রে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। নারীদের জীবনমান উন্নয়নে আমারও বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। আমি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলে বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বুধবার সকালে নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তালুকদার আব্দুল খালেক এসব কথা বলেন।সকাল ৯টায় রায়ের মহল বড় মসজিদ রোড থেকে শুরু করে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতোবিনিময় করেন তিনি। এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, রায়ের মহল এলাকায় খেলাধুলার জন্য মাঠের ব্যবস্থা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে। এজন্য আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় মেয়র প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মনি, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদ, নগর আওয়ামী লীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ মোশাররফ হোসেন, রায়ের মহল (অনার্স) কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবুল কালাম আজাদ, সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এনায়েত আলী আলো কাজী, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান জমাদ্দার, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ ফারুক হাসান হিটলু, নগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মশিউর রহমান সুমন।
নড়িয়া উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়িয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বেপারীকে হাতুড়িপেটার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার রাতে নড়িয়া বাংলাবাজার এলাকায় নড়িয়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক উজ্জ্বল মালতের অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ আহতদের। গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীরকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি আর মনিরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে ও আহতদের কাজ থেকে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলমগীর ও উজ্জ্বলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারই জেরে হামলার সূত্রপাত। গত সোমবার রাতে আলমগীর ও মনির একটি মোটরসাইকেলে করে বাংলাবাজার থেকে কালিখোলার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক উজ্জ্বলের লোকজন তাদের পথরোধ করে। পরে এ দুই নেতাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। তখন মোটরসাইকেল নিয়ে তারা রাস্তার পাশে পানিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে তাদের পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা টের পেয়ে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আলমগীর ও মনিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে উজ্জ্বল মালত বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আলমগীর ও মনিরকে কে বা কারা মারধর করেছে জানি না। তবে আমার লোকজন তাদের উপর হামলা করেনি। নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আসলাম উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে কেউ অভিযোগ করতে আসেনি।
'পারলে রিপোর্ট লেখেন-কে কি করতে পারে দেখব'
ছেলের কাছ থেকে খাবার, চিকিৎসাসেবা তো পাননি, উল্টো তার দ্বারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং বধির বৃদ্ধ পিতা হাজি মিয়া চাঁন্দ প্রামাণিক (১১৫)। গত তিন মাস ধরে অত্যাচার ও জমি হাতিয়ে নেওয়ার ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে মেয়েদের বাড়িতে আশ্রয়ে নিয়েছেন তিনি।পিতার সব জমি (মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা) দলিল নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে উশৃঙ্খল ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউপির ৪নং ওয়ার্ড উদমারা ও বংশী গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায়। এ ঘটনা নিয়ে এলাকাবাসী ও স্বজনদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযুক্ত দেলোয়ার তার ৫ বোনের জমি দখল ও পিতার নগদ টাকা ছিনতাইসহ ফসলগুলো লাঠিয়ালদের দিয়ে ভোগদখল করছেন। বাধ্য হয়ে আদালতে ছেলের বিরুদ্ধে ওই বৃদ্ধ পিতা মামলা করায় সন্ত্রাসী দিয়ে স্বজনদের পিটিয়ে আহত করেন দেলোয়ার। অসহায় নিরীহ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) কার্যালয়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসলেও উশৃঙ্খল দেলোয়ার কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে অসহায় বৃদ্ধ হাজি মিয়া চাঁন্দ প্রামাণিক জানান- স্ত্রী, ৫ মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে তার সুখের সংসার চলছিল। ১৯৭৪ সালে তিনি হজ করেছেন। সৃজন ব্যবসা করে তিনি দুই কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। প্রায় চার মাস আগে তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর শারীরিকভাবে অসুস্থতার পাশাপাশি তার দুচোখও নষ্ট হয়ে যায়। বড় ছেলে দিন মজুর ও ছোট ছেলে বখাটেপনাসহ আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। দুই ছেলে বিবাহিত ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভালোভাবে দিন কাটছিল। তিনি বলেন, তিন মাস আগে তার অন্ধত্ব ও বধির অবস্থায় নিজ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। যে ঘরে বাস করেন সেখানে বিদ্যুতের আলো, খাবার, সুচিকিৎসা ও সেবা তো পাই-ই না, উল্টো এ অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে চোখের চিকিৎসার কথা বলে সাদা কাগজে দস্তখত নিয়ে প্রতারণা করে সব জমির দলিল ছোট ছেলে দেলোয়ার হোসেন তার কাছে নিয়ে যায়। পরক্ষণই দলিল চাইতে গেলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বধির বৃদ্ধের ওপর নেমে আসে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। এসব ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার চেয়ে না পেয়ে বৃদ্ধ বাদী হয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মোছলেহ উদ্দিন ও দেলোয়ার হোসেনের নামে ২৬ মার্চ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা করি (মিছ মামলা নং -২৯২/২০১৮)। গত ২৯ মার্চ আদালতের নির্দেশে সহকারী কমিশনার ভূমি গত ২৪ এপ্রিল তার সার্ভেয়ারকে দিয়ে ঘটনাস্থল তদন্ত করেন। ওই দিনেই তদন্ত দল ঘটনাস্থল থেকে ফিরে আসার পরই হাজি মিয়া চাঁন্দ ও তার নাতিকে পিটিয়ে আহত করে দেলোয়ার হোসেনসহ তার লোকজন। গত সোমবার দুপুরে ২০-৩০ জনের লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে ওই বৃদ্ধের ৪ শতাংশ জমির পাকা ধান লুট করে নিয়ে যায় দুলাল। এসব ঘটনায় দিনমজুর বড় ছেলেমেয়ে ও জামাতারা প্রতিবাদ করতে গেলেই তাদের ওপর নেমে আসে অত্যাচার। তারা দেলোয়ারসহ স্থানীয় কয়েক সন্ত্রাসীর অত্যাচার ও হত্যার হুমকির ভয়ে কারও কাছে বিচার চাইতে পারছে না। প্রতিদিন রাতে তাদের বসত ঘরের পাশে গিয়ে ঘরের চালে ঢিল ছুড়ছে ও অসভ্য ভাষায় গালাগাল দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন বলেন, এসব ঘটনা আমাদের নিজস্ব পারিবারিক ব্যাপার। আপনারা (সাংবাদিক) বেশি নাক গলাবেন না। পারলে রিপোর্ট লেখেন, কে কি করতে পারে দেখব। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোহ্তাসিম বিল্লাহ্ বলেন, অসহায় হাজি মিয়া চাঁন্দের প্রতি নিজ ছেলের অত্যাচার ও জমিদখলের চেষ্টা মামলার বিষয়ে গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু সিরাজগঞ্জে
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বজ্রপাতে ছানোয়ার হোসেন (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম নামে আরও এক কৃষক গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের চর ছিন্না গ্রামে ধানখেতে এ ঘটনা ঘটে। ওই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সোহেল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত ছানোয়ার হোসেন (২৯) মনসুরনগর ইউনিয়নের চর ছিন্না গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ও আহত রফিকুল ইসলাম (৪৫) একই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে কৃষক ছানোয়ার হোসেন ও রফিকুল বাড়ির পাশে ধান কাটতে মাঠে যান। এক পর্যায়ে সকাল ৮টার দিকে বজ্রপাতে তাদের শরীর ঝলসে যায়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছানোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে মঙ্গলবার সারাদেশে বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত পাঁচজন। বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- সুনামগঞ্জে চারজন, গাইবান্ধায় দুইজন, সিলেটে দুইজন, বগুড়ায় দুইজন ও শেরপুরে একজন।
শিক্ষক উধাও ছাত্রীর হাত ধরে
রাজশাহীর বাঘায় জাকির হোসেন নামের এক স্কুল শিক্ষক ছাত্রীর হাত ধরে নিরুদ্দেশ হয়েছেন। সোমবার থেকে নিরুদ্ধেশ হন তারা। মঙ্গলবার ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটি। অভিযুক্ত জাকির হোসেন উপজেলার মীরগঞ্জ মুছার ঈদগাঁবাজার বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। তিনি দশম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এঘটনায় শিক্ষক জাকির হোসেনের মোবাইল ফোনের কয়েক দফা চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক জানিয়েছেন, ঘটনা জানাজানি হলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার জরুরী সভা করে পরিচালনা কমিটি। সেখানেই ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, সাত দিনের মধ্যে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে পরিচালনা কমিটি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বিষয়টি জানিয়েছে। তিনি এনিয়ে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হাসান জানান, এনিয়ে এখনও থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।
শ্রমিক অধিকার আদায়ের দাবিতে প্রকম্পিত প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ
শ্রমিকদের দাবি ও অধিকার আদায়ের দাবিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন মিছিল, র্যালি, মানববন্ধন ও সমাবেশে করে দিবসটি পালন ও নিজেদের দাবি তুলে ধরছেন। ১ মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একের পর এক আসতে থাকে মিছিল।সরেজমিনে দেখা যায়, ১৫ থেকে ২০টি শ্রমিক সংগঠন প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীর প্রাইভেট কার ও ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার্স ইউনিয়ন, জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়ন, দি সিটি ব্যাংক কর্মচারী পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী মটরচালক লীগ, শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম, রেডিমেট গার্মেন্টস ওয়ার্কাস ফেডারেশন, জাগো বাংলাদেশ শিশু কিশোর ফেডারেশন, বাংলাদেশ ট্রাস্ট গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, কারিতাস সেফ প্রকল্প, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ, গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক, ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন। প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের (টাফ) সভাপতি ফায়জুল হাকিম বলেন,আজকে শ্রমিকরা সবচেয়ে বঞ্চিত শ্রেণি। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা মালিক দ্বারা নিগৃহীত হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে শ্রমিকরা সমাজকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রমিকের কর্মেই দেশ আজ উন্নত হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি বলেন,দেশকে আরও সমৃদ্ধশালী করতে হলে শ্রমিকদের উন্নতির বিকল্প নেই। এ সময় তিনি কয়েকটি দাবির কথা বলেন, এর মধ্যে রয়েছে- শ্রমিকদের সপ্তাহে দুই দিন ছুটি দিতে হবে, ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে, ২৪ এপ্রিল শ্রমিক গণহত্যা দিবস ও সব শ্রমিক হত্যার বিচার করতে হবে, শিল্প পুলিশ ও শিল্প গোয়েন্দা বাতিল করতে হবে। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি আব্দুল খালেক বলেন,হোটেল শ্রমিকরা কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে ভোক্তাদের সার্ভিস দেন। অথচ তাদের দাবির বিষয়টি অবহেলিত। আজও নির্ধারিত হয়নি তাদের শ্রমঘণ্টা। তিনি দৈনিক কাজের সময় ৮ ঘণ্টা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, অতিরিক্ত কাজের বিনিময়ে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক প্রদান, আইনি সুরক্ষা দিয়ে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা করতে হবে। অবাধ ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়ন ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবিসহ পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির ঐক্যবদ্ধ লাগাতার আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের র্যালি শেষে শ্রমিক সমাবেশে নাজমা আক্তার বলেন,শ্রমের বিনিময়ে গার্মেন্ট শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছেন না। ন্যুনতম ১৬ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন তিনি। মানববন্ধনে শ্রমিক গণতান্ত্রিক মোর্চার নেতৃবৃন্দ বলেন,পহেলা মে শ্রমিকদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিবসের অধিকার পুঁজিবাদী শ্রেণি ঘোষণা করলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। আজও শ্রমিকদের ১২/১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়, এটা নিঃসন্দেহে শ্রমিকদের উপর জুলুম। এ সময় তারা অবিলম্বে শ্রমিকদের দৈনিক ৮ কর্মঘণ্টা বাস্তবায়নের দাবি জানান।
বিএনপি সবসময় শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী নির্মাণ শ্রমিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালন করেন। এ উপলক্ষে আজ ১ মে সকাল ১০টায় নগরীর কাজীর দেউরী কাচাবাজার থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে নাছিমন ভবন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কর্যালয়ে এসে শেষ হয়। এত প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধাণ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবি মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ সালের মে মাসের আজকের এই দিনে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে গিয়ে আমেরিকার শিকাগো শহরে হে মার্কেটে জীবনদানকারী এবং এই আন্দোলনের জন্য আত্মদানকারী প্রতিবাদী শ্রমিকদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, মহান মে দিবস ঐতিহাসিকভাবে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। শ্রমজীবী মানুষের রক্তঝরা ঘামেই বিশ্ব সভ্যতার বিকাশ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বিএনপি সব সময় শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সম্মান ও শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে গেছে। বিএনপি সবসময় শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেকে সবসময় একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব ও স্বাচ্ছন্দবোধ করতেন। তিনি নিজেই শ্রমজীবি মানুষের সাথে কোদাল হাতে নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন, কাজ করেছেন। তিনি শ্রমিকদের দুটো হাতকে তিনি উন্নয়নের চাবিকাঠি ভাবতেন। এদেশের শ্রমজীবী ও পরিশ্রমী মানুষের কল্যাণে শহীদ জিয়া যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। আবুল হাশেম বক্কর আরও বলেন, শহীদ জিয়ার পদর্শিত পথ অনুসরণ করে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালিন সময়ে এদেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করেছিল। তারমধ্যে অন্যতম শ্রম আইন সংস্কার ও আধুনিকীকরণ, বেতন ও মুজুরী কমিশন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও তাদের বোনাস প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের সন্তানদের চিকিৎসা ও তাদের লেখা পড়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি এদেশের শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কোন কাজ করছে না। তারা শুধু নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। আজকের বাস্তবতায় শ্রমজীবি মানুষ অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটাচ্ছে। দেশে বিনিযোগ বন্ধ, কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে না বরং বিএনপি সরকারের সময় চালু হওয়া মিল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে নিত্যদিন বেকারত্ব বাড়ছে। তিনি বলেন, শ্রমিক তার শমশক্তি বিক্রি করে যে আয় করছে তার বিনিময়ে সে যে মজুরি পায়, তা দিয়ে তার সংকুলান হচ্ছে না। বর্তমান বাজারদর হিসেব করলে ১৫ হাজার টাকার নিচে মজুরি কোন ভাবেই ন্যায্য হতে পারে না। তিনি শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরী ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণের জোর দাবী জানান। চট্টগ্রাম মহানগর নির্মাণ শ্রমিক দলের সভাপতি মো. মনসুরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত র‌্যালী শেষে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নগর যুবদল নেতা সাইফুর রহমান চৌধুরী শপথ, নগর ছাত্রদল নেতা সৈয়দ সাফওয়ান আলী, নির্মাণ শ্রমিক দলের সহসভাপতি দিদারুল আলম, মো. জিয়া, আকবর হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, মো. বেলাল, মো. জাফর, মো. হানিফ, মো. জসিম, মো. মানিক, মো. আনোয়ার, মো. আলী ওয়াহাব, মো. রাজু, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. সাইফুল, মো. করিম, মো. নিজাম, মো. বাবু, মো. ইব্রাহিম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. জাকির, মো. বেলাল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় ডেমু ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাসলিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আখাউড়া থেকে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল কুমার দাস জানান, সকালে ঢাকা থেকে কুমিল্লাগামী ডেমু ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাসলিমা আক্তার নামের একজন গৃহবধূ নিহত হন। তার বাড়ি কসবা উপজেলা সদরের খার পাড়ায়। ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর সংসারে পারিবারিক কলহের জের ধরে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। রেলওয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।