নির্বাচন কমিশন এখন গৃহপালিত পশুর মতো
অনলাইন ডেস্ক :রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে নৌকায় সিলমারা ব্যালট ভোটকেন্দ্রে লুকিয়ে রাখা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনে ৯০ শতাংশ প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার ‘আওয়ামী ঘরানার’ লোক থেকে বাছাই করা হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তারা (ক্ষমতাসীনরা) করবেই। তারা চেষ্টা করছে ভোটের আগের দিন প্রিজাইডিং অফিসারদের দিয়ে ভোট কেটে বিভিন্ন জায়গায় সেটা লুকিয়ে রাখা হবে (স্কুলের) হেডমাস্টারের রুমে বা এসিসট্যান্ট হেডমাস্টারের রুমে।’ শুক্রবার সকালে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বুলবুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পোস্টার সন্ত্রাস থেকে আরম্ভ করে এখন পর্যন্ত, যে সন্ত্রাসগুলি করেছে, সমস্ত কিছু আমরা আপনাদের মাধ্যমে বলেছি জনগণের কাছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন গৃহপালিত পশুর মতো, জন্তুর মতো আচরণ করছে। এখানে সরকারের যে ভূমিকা বা নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা রাখা উচিত ছিল, অন্যান্য দেশে যেটা হয়, সে ভূমিকা এখানে নাই।’ সেনা মোতায়েনের দাবি বুলবুল বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, সেনাবাহিনী নিয়োগ করে রাজশাহীতে নিরপেক্ষ ভোটের অবস্থা সৃষ্টি করা হোক। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এটা জনগণের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ হয়ে থাকবে।’ বরিশাল ও সিলেটের সঙ্গে রাজশাহী সিটি করপোরেশনেও ৩০ জুলাই ভোট হবে। মেয়র পদে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।ইনকিলাব
সিলেটে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ও উলামা মাশায়েখ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান নিজের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সকাল ১১টায় বন্দরবাজার মহাজনপট্টি কাস্টঘরস্থ গাজী বুরহান উদ্দিন মার্কেটের ২য় তলায় প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে নির্বাচনী ২৩ দফা ইশতেহার ঘোষণার করা হয়েছে। ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি বলেন আপনারা যদি সুস্থ পরিবেশে বাঁচতে চান, শান্তি-সুখে থাকতে চান, তাহলে এ অশুভ কায়েমী স্বার্থবাদী সিন্ডিকেটকে অবশ্যই ভাংতে হবে। নোংরা রাজনীতির প্রভাব-দৌরাত্ম থেকে সিলেট সিটিকে রক্ষা করতে হবে। জনজীবনে স্বস্তি ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। সিলেট নগরকে শান্তির নগরীতে পরিণত করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন আমূল পরিবর্তনের। দরকার ব্যাপক সংস্কারের। প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগের। প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বের। শুধু মিথ্যার ফুলঝুরি নয় মেয়র নির্বাচিত হলে ইশতেহারের প্রত্যেকটি দফা শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে ইনশা আল্লাহ। ডা. মোয়াজ্জেম ঘোষিত ২৩ দফা ইশতেহার: ১ নগরীতে ন্যায়ের শাসন ও নাগরিক সেবা প্রতিষ্ঠা, ২ স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন, ৩ শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, ৪ সুপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ৫ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, ৬ নগর পরিকল্পনা ও প্রশাসন,৭ সমাজ সেবার পূর্ণ ব্যবস্থা, ৮ প্রযুক্তির সিলেট গঠন, ৯ দূর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠণ, ১০ বৃদ্ধাশ্রম তৈরী ও বয়স্ক ভাতা প্রদান, ১১ বিদ্যুতের সুব্যবস্থা, ১২ ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও বিনোদন, ১৩ ব্যবসা বান্ধব নগরী গড়ে তোলা, ১৪ নারী ও শিশুদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, ১৫ সুপরিকল্পিত নগরী গঠন, ১৬ গুনীজন ও নাগরিক সম্মাননা, ১৭ সহজলভ্য ও ভেজালমুক্ত খাদ্য সরবরাহ, ১৮ নিরাপদ সড়ক গঠন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ১৯ হোল্ডিং ট্যাক্স ও বাড়ি ভাড়া, ২০ পানি ও পয়ঃনিষ্কাষণ ও সুপেয় পানি সরবরাহ, ২১ মসজিদ ভিত্তিক সমাজ গঠন ও সকল ধর্মীয় শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, ২২ যানজট নিরসন ও পরিবহন ব্যবস্থার উনন্নয়ন, ২৩ সংখ্যালঘু ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মানোন্নয়ন সহ পূর্ণাঙ্গ ইশতেহার ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি নজির আহমদ, ইসলামী যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনে এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ আজমল হোসেন, সিলেট-৩ আসনের এমপি প্রার্থী এম.এ. মতিন বাদশাহ, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সিলেট জেলার সদর ও সুনামগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতি মোঃ ফখর উদ্দীন, নায়েবে সদর হাফিজ মাওলানা আসাদ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আহমদ, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলার সভাপতি মাওলানা নজির আহমদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কওমী মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আহমদ মনসুর, ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন, জেলা সভাপতি আবু তাহের মিসবাহ, সহ সভাপতি ফয়জুল হাসান চৌধুরী, নগর সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব সহ প্রমুখ।ইনকিলাব
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র পায়েল হত্যার মানববন্ধন জনস্রোতে পরিণত
২৭ জুলাই সকাল ১০টায় সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গত ২১ জুলাই রাতে হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার কর্তৃক নৃশংসভাবে সন্দ্বীপ হরিশপুরনিবাসী, কাতার প্রবাসী পিতার কনিষ্ঠ পুত্র, বর্তমান হালিশহর আই-ব্লকের বাসিন্দা, চট্টগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলের সাবেক কৃতি ছাত্র ও বর্তমানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মেধাবী শিক্ষার্থী মো: সাইদুর রহমান পায়েলকে হত্যার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর সভাপতি এ.কে.এম. বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ রিপন, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক সারওয়ার হাসান জামিল শামিম, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রোমানা নাসরিন, দৈনিক সমকাল এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সারওয়ার সুমন, সন্দ্বীপ মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মো: মিজানুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহেদ সরওয়ার শামিম। এতে বক্তারা বলেন, নৃশংসভাবে হত্যাকারী হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারসহ মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান, সকল পরিবহন সংস্থাকে সুস্থভাবে যাত্রী সেবা নিশ্চিতকরণ করা। আমরা সাইদুর রহমান পায়েলকে হারিয়েছি। এভাবে যেন আর কখনো চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের অবহেলায় কোন পায়েলকে এই পৃথিবী ছেড়ে অকাল মৃত্যু বরণ করতে না হয় সে ব্যাপার সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। উল্লেখ্য, শ্রাবণের মুষলধারে ঝমঝম বৃষ্টি উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজে হাজার হাজার জনতা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে একাত্মতা প্রকাশ করায় সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম ও নিহত পায়েল এর পরিবার উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। মানববন্ধনে বক্তারা নিন্মুক্তদাবীগুলো উপস্থাপন করেন- ১. হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি, ২. পরিবহন সেক্টরের অরাজকতার অবসান চাই, ৩. উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবী, ৪. দূর্ঘটনার নামে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা থেকে মুক্তি চাই, ৫. পরিবহন সেক্টরে সু-নির্দিষ্ট নীতিমালার (লাইসেন্স, ফিটনেস সহ সকল ইস্যু) ঘোষণা ও বাস্তবায়ন চাই। এছাড়াও নিহত পায়েল এর মামা মো: কামরুজ্জামান টিটু ২১ জুলাই রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হানিফ এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক নির্মমভাবে পায়েল এর হত্যার সেই লোমহর্ষক বিবরণ সকলের সামনে উপস্থাপন করেন। বক্তারা আরো বলেন, যতদিন পর্যন্ত পায়েল হত্যাকান্ডের বিচার ও কার্যকর না হবে ততদিন পর্যন্ত হানিফ এন্টারপ্রাইজকে বয়কট করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জিয়াউল হাসান শিবলুর সঞ্চালনায় ও প্রচার সম্পাদক কাজী জিয়াউদ্দিন সোহেল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মগধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম. আনোয়ার হোসেন, মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নাদিম, সন্দ্বীপ এডুকেশন সোসাইটির সভাপতি মো: হেলাল উদ্দিন, উত্তর জেলা জাসদের সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সন্দ্বীপ ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মারফী, সন্দ্বীপ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিকু। এছাড়াও যে সকল সংগঠন উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে তা হলো- লিও ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, সন্দ্বীপ জনকল্যাণ পরিষদ, ব্যান্ডিং ক্লাব হালিশহর, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ কাজী আফাজ উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, হালিশহর আই-ব্লকবাসী, হালিশহর থানা ছাত্রলীগ, ইয়ূথ ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, আলোকিত সংঘ, মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ, লিও ক্লাব অব চিটাগাং ইমার্জিন সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ স্টুডেন্ট এফিনিটি আইআইইউসি, সন্দ্বীপ ল’স্টুডেন্ট ফোরাম, সন্দ্বীপ কবি-লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, হালিশহর ও চট্টগ্রামের সকল সংগঠন, সর্বস্তরের জনসাধারণ, সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর অর্থ সম্পাদক মো: মজিবুল মাওলা, সহ-সভাপতি এস.এম. ইব্রাহিম, নির্বাহী সদস্য আ.ফ.ম ফোরকান উদ্দিন খান, মো: শাহজাহান, কাজী আবদুর রহিম সোহাগ, মমতাজুন নেছা সোমা, রেডিও টু ডে’র সাংবাদিক মো: সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাদের আজাদ খান, সন্দ্বীপ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মতবিনিময় সভায় ড.আবু রেজা নদভী এমপি,টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির যেকোন সংকট মোকাবেলায় সর্বাত্�
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি বলেন, ব্যবসায়ীরা দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি। তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকান্ডই পারে দেশের অর্থ ও সমাজ ব্যবস্থাকে উন্নত করতে। বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের অবদান অনস্বীকার্য। শুধুমাত্র মুনাফার উদ্দেশ্যে নয়, দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে ব্যবসায়ীদের। ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, চট্টগ্রামের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র টেরিবাজারের ব্যবসায়ীদের সিংহ ভাগই সাতকানিয়া লোহাগাড়ার অধিবাসী। তিনি যে কোন সংকটময় মুহুর্তে টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সমিতি জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে পারলে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে টেরিবাজার এলাকায় সুপরিসর মসজিদ নির্মাণ করে দেওয়া হবে। তিনি গতকাল ২৬ জুলাই ২০১৮ ইং বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে সমিতির কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আহমদ হোছাইনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর আন্জুমান আরা বেগম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ লিটন, দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, সাংসদের একান্ত সচিব ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এরফানুল করিম চৌধুরী। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব ওসমান গণি চৌধুরী, সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মুছা, ফরিদুল আলম, উপদেষ্টা বেলায়েত হোসেন, হাজী রফিকুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাঈল, ফজল আহমদ হারুন, নুরুল আবছার, ওসমান গণি, সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, সাতকানিয়া সমিতি-চট্টগ্রামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন। সমিতির কর্মকর্তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব গোলাম নবী, আবুল কালাম, মুহাম্মদ আলমগীর, ফজল আহমদ, আবুল মনছুর, এমরানুল হক সাঈদ, ইব্রাহিম পারভেজ, আবু তাহের, শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাহাদুর, সিরাজুল ইসলাম। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল মোস্তফা চৌধুরী, সাংসদের সহকারী একান্ত সচিব শাহাদত হোসাইন শাহেদ, যুবলীগ নেতা দিদারুল ইসলাম শিপন, দেলোয়ার হোসেন বেলাল প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আল-মরচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে বক্তারা, সামর্থ্যবান প
আল-মরচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’১৮ অনুষ্ঠান হাফেজ মুজিবুর রহমান ও হাফেজ মুমিনুল হকের কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে সূচিত হজ্ব প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান খলিফায়ে গারাঙ্গিয়া আলহাজ্ব শাহ মাওলানা আবদুল হালিম রশিদীর সভাপতিত্বে আজ ২৬ জুলাই সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম নগরীর একটি রেস্টেুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। কাফেলার উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মু: এফতেখার উদ্দীন চৌধুরীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’১৮ উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হজ্ব গ্র“পের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোরশেদুল আলম। হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হাবের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ আলম, মূল আলোচনা পেশ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন, পতেঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু ছালেহ মুহাম্মদ ছলিমুল্লাহ, বড়মিয়া জামে মসজিদের খতীব মাওলানা আকতার হোসেন, রসুলাবাদ ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা মহিউদ্দিন, আলহাজ্ব মাওলানা সরওয়ার আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাব চট্টগ্রাম অঞ্চলের সচিব আলহাজ্ব মাহমুদুল হক পেয়ারু, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ সরওয়ার কামাল, বেলাল মুহাম্মদ, মাহমুদুল হক, ডা. আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, হজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুকন। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের ওপর হজ্ব পালন করা ফরয। হজ্ব একটি শারীরিক, আর্থিক ও আতিœক ইবাদত। এ ইবাদতের মাঝে রূহ ও গভীর তাৎপর্যের বিষয় যেমন রয়েছে, তেমনি এতে দীর্ঘ সফর, হিজাযের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন আমল, আমলের নির্ধারিত সময়, ভীড় ও নিত্য নতুন ব্যবস্থাপনার বিষয়ও রয়েছে। আল্লাহ পাকের ইবাদত অনেক। কোনো ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের গোলামী প্রকাশ করা মাকছুদ, কোনো ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের প্রতি বান্দার ইশক ও মুহাববত প্রকাশ করা মাকছুদ। নামাযের দ্বারা পুরোপুরি আল্লাহ পাকের দাসত্ব ও গোলামী প্রকাশ করা মাকছুদ। আর হজ দ্বারা মকছুদ হল বান্দার পক্ষ থেকে আল্লাহ পাকের প্রতি ইশক ও মুহাববত প্রকাশ করা। বান্দা যখন মুমিন হয়, কালিমায়ে তাইয়্যবো পাঠ করে তখন কালিমার প্রথম অংশে দু’টি স্বীকারোক্তি তার পক্ষ থেকে করা হয়ে যায়। একটি হচ্ছে, মাওলা! আমি তোমার বান্দা, তোমার দাস। অপরটি হচ্ছে, মাওলা! তুমি আমার মাহবুব। আমি তোমার আশেক। কালিমার এ দু’টি দাবির মধ্য থেকে একটির প্রমাণ পেশ করে নামায। নামায আবদিয়্যাত বা দাসত্বের প্রমাণ পেশ করে। আর অপরটি অর্থাৎ ইশক ও মুহাববতের প্রমাণ পেশ করে হজ। আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলা আল্লাহর মেহমানদেরকে দীর্ঘ ষোল বছর ধরে এ সেবা দিয়ে আসছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় বাগমনিরাম ওয়ার্ড যুবদলের দোয়া মাহফিল
কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে ১৫ নং বাগমনিরাম ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আজ ২৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বাদে জোহর নগরীর মেহেদীবাগ জামে মসজিদে আয়োজন করা হয়। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মেহেদীবাগ জামে মসজিদের খতীব আলহাজ¦ মাওলানা গিয়াস উদ্দিন। বিশেষ মুনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। এছাড়াও বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ফয়েজ আসন্ন হজ¦ পালনের লক্ষে সৌদি আরবে সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পারেন তার জন্য দোয়া করা হয়। এতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে শরীক হন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, শিল্পবিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, নগর বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলম কুতুবী, সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক শফিক আহাম্মদ, সহ সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের মেম্বার, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ জাকির হোসেন, নগর ছাত্রদলের সহসভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চকবাজার থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, বাগমনিরাম ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু ফয়েজ, চকবাজার ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. মো. আনিসুজ্জামান সাইমুন, নগর যুবদল নেতা মো. আনোয়ার আনু, মো. আলাউদ্দিন, মো. ইলিয়াস, নগর ছাত্রদল নেতা ইকবাল হোসেন জিসান, যুবদল নেতা রাশেদ পারভেজ সুজন, মো. নাসির উদ্দিন, মো. সালাহউদ্দিন, মো. ইদ্রিস, মো. আবদুস সাত্তার, মো. জাহাঙ্গির আলম, মো. জাবেদ, মো. জাহেদ, মো. রবি, মো. সিরাজ, মো. আবুল হোসেন, মো. জালাল, মো. হারুন, মো. ইব্রাহিম, মো. হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শিক্ষার্থীদের মাঝে দূর্নীতি বিরোধী স্লোগান সম্বলিত খাতা, স্কেল ও ব্যাগ বিতরণ
ওয়ার্লেস ঝাউতলা কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরন বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমের শপথ নিয়ে দূনীতি মুক্ত দেশ গঠনের জন্য তৈরি করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি মানসিক ও শারিরীক সুস্থ্য রাখতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙ্গালী সাংস্কৃতি চর্চায় মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই শিক্ষাথীরা আদর্শ দেশ প্রেমিক সু-নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে তৈরি করতে সক্ষম হবে। শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে সকলকে সচেনত হতে হবে। দূনীতি বিরুধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দূর্নীতি দমন কমিশন সর্ম্পকিত জেলা কার্যলয় চট্টগ্রাম -১ কর্তৃক ওয়ার্লেস ঝাউতলা কলোনী উচ্চ বিদ্যলয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে দূর্নীতি বিরোধী স্লোগান সম্বলিত খাতা, স্কেল ও ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ত্যবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অদ্য ২৬ জুলাই দুপুর ১২.০০টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মহসীন এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় এর পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য মোঃ আব্দুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম, বাবু প্রদীপ কাননগো, শিক্ষক বাবু প্রতীকধর, রীনা চক্রবর্তী, মোঃ মুকবুল হোসেন, নাজমুছ সাকিব, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোছাঃ সাহীদা মমতাজ মোঃ আসরাফ উদ্দিন, মাহমুদা আক্তার , মোঃ ফরিদুল আলম, সনিয়া আহেম্মদ, রোজিনা আক্তার, ফারহানা গুলজার, মোঃ শামীম হোসেন, মোঃ রহিম উল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে দূর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা স্কেল ও ব্যাগ বিতরন করেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে সৈয়দ আহমদ শাহ্ সিরিকোটী (রহ.) এর স্মরণ সভা, নবীদ্রোহী,
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্টের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী বলেন, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আহমদ শাহ্ (রহ.) ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক। তিনি এ দেশে হানাফী মাযহাব ও সুন্নিয়ত প্রতিষ্ঠায় ছিলেন অগ্রনায়ক। নবীদ্রোহী, ধর্মদ্রোহী ও ইসলাম বিদ্বেষীদের ব্যাপারে সৈয়দ আহমদ শাহ্ ছিলেন আপোষহীন। তাঁর প্রতিটি কার্যকলাপে সুন্নাতই প্রকাশ পেত। শত বছরে উপনীত এ মহাপুরুষ কখনও ফরয ইবাদত ত্যাগ করেননি। তাকে নিকট থেকে যারা দেখেছেন তাদের মতে, তাঁর নিদ্রাটাও ছিল সুন্নত উপায়ে। রাত্রের বেশিরভাগ সময় তিনি থাকতেন ইবাদতের মাধ্যমে জাগ্রত। আল্লামা নূরী আরো বলেন, সুন্নাতের উপর অটল থাকা-ই প্রকৃত কারামত। আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটী (রহ)’র জন্ম পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে খাইবার পাখতুন খাওয়ার হলেও তাঁর পদচারণা স্বদেশ ছাড়াও সুদূর আফ্রিকা, মায়ানমার (বার্মা), ভারত ও বাংলাদেশে বিদ্যমান। এ সব দেশে তাঁর অবদান রেখে যান তিনি। আ’লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খাঁন (রহ.) সহ পূর্বেকার সকল সুন্নী ওলামা-মাশায়িখের রচনাসম্ভার মুসলমানদের হিদায়ত বা দিক নির্দেশনার জন্য এ পর্যন্ত তিনি যথেষ্ট মনে করেছিলেন। কিন্তু যুগে যুগে মতবাদগুলোর নানা রকম বিভ্রান্তি ঐ সকল রচনাবলীর আলোকে যথাযথ বিচারবিশ্লেষণে যে উপযুক্ত আলিম-এ দ্বীন ও পরিবেশ দরকার এবং তজ্জন্য প্রতিষ্ঠানের যে শূন্যতা মুসলিম সমাজে বিরাজ করছিল; তুলনামূলকভাবে সুন্নী জনগণ যে অনেক পিছিয়ে পড়েছিল, তা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণে গঠনমূলক কর্মপ্রয়াস পান আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রহ.)। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে হাজার হাজার বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করেন এবং লক্ষ লক্ষ মুসলমান সঠিক পথের সন্ধান লাভ করে। মূলত তিনি স্বীয় পীর-মুরশিদের ইচ্ছার বাস্তব রূপদানের মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট ছিলেন। গতকাল ২৫ জুলাই বুধবার বিকেলে সংগঠনের অক্সিজেনস্থ কার্যালয়ে আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্ট এর উদ্যোগে সৈয়দ আহমদ শাহ্ সিরিকোটী (রহ.) এর স্মরণে আলোচনা সভায় তিনি সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ট্রাস্টের নির্বাহী সদস্য শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারী আল্লামা আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজভী। স্মরণ সভায় আলোচনায় অংশ নেন ট্রাস্টের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট কলামিষ্ট অধ্যাপক মাসুম চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আবদুল কাদের রজভী, মো. আবু ছালেহ আঙ্গুর, মোহাম্মদ মিয়া জুনায়েদ, ডা. মো. কলিম উদ্দিন, জাহেদুল হাসান রুবায়েত, মাস্টার মুহাম্মদ ইসমাইল, মুহাম্মদ আবুল হাসান, মুহাম্মদ হাসান, মুহাম্মদ ওমর ফারুক, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, হাফেজ আবুন নুর মুহাম্মদ হাস্সান নূরী, এস.এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, হাফেজ আবু গালেব মুহাম্মদ রায়হান নূরী, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মো. রাশেদ প্রমুখ। শেষে মিলাদ কিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে স্মরণ সভা সমাপ্তি হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
র&যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত তিন
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রাম নগরীতে র&যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে জাকির হোসেন ও ডালিম শেখ নামে দু’জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলেও একজনের পরিচয় জানা যায়নি। জাকির ও ডালিমের বাড়ি বাগেরহাটের মোঘলগঞ্জে বলে জানা গেছে। গত মধ্যরাতে নগরীর খুলশী থানার রেলওয়ে ক্যান্টিন গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। র&যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার সিনিয়র সহকারি এসপি মিমতানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাত তিনটের দিকে রেলওয়ে ক্যান্টিন গেইট এলাকায় চেকপোস্টে একটি গাড়িকে থামার সংকেত দেয়া হয়। সে সময় গাড়ির ভেতর থেকে র&যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। আত্মরক্ষার্থে র&যাবও পাল্টা জবাব দেয়। পরে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উদ্ধার করা হয়েছে ২টি অস্ত্র, গুলি ও ১২০ কেজি গাঁজা। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় র&যাবের কয়েকজন সদস্যও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মিমতানুর রহমান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর