ম্যাক্স হাসপাতালের এমডিসহ চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
অনলাইন ডেস্ক :রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাক্স হাসাপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে চকবাজার থানায় মামলা করেছেন রাইফার বাবা দৈনিক সমকালের সিনিয়র সাংবাদিক ও বিএফইউজের নির্বাহী পরিষদের নব নির্বাচিত সদস্য রুবেল খান। ভুল চিকিৎসা, চিকিৎসায় অবহেলা, গাফেলতি, অদক্ষতা এবং আলামত নষ্ট করার অভিযোগ এনে গতকাল বুধবার বিকেলে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় আসামী করা হয়েছে রাইফার মৃত্যুর পর সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক ডা. বিধান রায় চৌধুরী, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ সেনগুপ্ত, ও ডা.শুভদেব এবং ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খানসহ ব্যবস্থাপনা পর্ষদকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, সিইউজের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বিএফইউজের নব নির্বাচিত সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক, লাইব্রেরী সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, দৈনিক আমাদের সমেয়র ব্যুরো প্রধান হামিদ উল্লাহ, দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান সরোয়ার সুমনসহ বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক। চকবাজার থানার ওসি আবুল কালাম মামলাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান। পরে সাংবাদিকদের সাথে বৈঠক করেন সিএমপি’র উপ–পুলিশ কমিশনার এস এম মোস্তাইন হোসেন। এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানান, রাইফার মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা: আজিজুর রহমান সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেতে দেরি হওয়ায় মামলা দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। সিভিল সার্জনের প্রতিবেদনে ম্যাঙ হাসপাতালে রাইফাকে ভর্তি করা থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি পদে পদে ভোগান্তি, অদক্ষ–অনভিজ্ঞ নার্স ও চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, গাফেলতিকে দায়ী করা হয়। এছাড়া প্রতিবেদনে শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বিধান চন্দ্র রায়, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবের বিরুদ্ধে শিশু কন্যা রাইফার চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসায় অবহেলারও অভিযোগ আনা হয়। এদিকে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব যৌথভাবে চট্টগ্রামের সাংবাদিক এবং সাধারণ জনতাকে সাথে নিয়ে ধারাবাহিক নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাইফার মৃত্যুর সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার থানায় মামলা হয়েছে। নেতৃবৃন্দ মামলায় অভিযুক্ত আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা ঘরে ফিরে যাবে না। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানানো হয়।দৈনিক আজাদী
ঝিনাইদহে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
ঝিনাইদহে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মৎস্য সপ্তাহ উৎযাপন কমিটির আয়োজনে বুধবার সকালে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলফাজ উদ্দিন শেখ, জেলা তথ্য অফিসার আবু বকর সিদ্দীক, প্রেসক্লাব সভাপতি এম রায়হান, সাধারন সম্পাদক নিজাম জোয়ারদার বাবলুসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মৎস্য সপ্তাহ সঠিক ভাবে উৎযাপন করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। বুধবার থেকে শুরু হয়ে এ মৎস্য সপ্তাহ চলবে আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এক সাথে ৩ পুত্র সন্তানের জন্ম,বইছে আনন্দের বন্যা
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে একসাথে জন্ম নিয়েছে ৩টি সন্তান, আর ৩টাই পুত্র সন্তান । তবে এতে ঐ কৃষক পরিবারের ঘর আলোকিত হলেও তাদের বাহিরে যেন অন্ধকার! চিকিৎসাভাব আর অপুষ্টিতে ভুগছে সদ্য ভূমিষ্ঠ ৩ নবজাতকই। শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল কাজী ও লিমা দম্পতি এই ৩ জমজ শিশুর জন্ম দিয়েছে। একটি নয় দুটি নয় তিন তিনটি জমজ পুত্র সন্তান নিয়ে হুলুস্থুলকান্ড ঝিনাইদহের শৈলকুপার রামচন্দ্রপুর গ্রামের দারিদ্র কৃষক দম্পতি মনিরুল ও লিমার বাড়িতে। তিন তিনটি নবজাতক কে ঘিরে তাদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা। দলে দলে হাসিমুখে দেখতে আসছে প্রতিবেশীরা, খুশী স্বজনেরাও । তাদের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হুসাইন ও ইউসুফ। তবে এসব আনন্দের মাঝে পরিবারের ঘর আলোকিত হলেও বাহিরে যেন অন্ধকার নেমে এসেছে। গত ৪ জুলাই রাজশাহী মেডিকেলে মা লিমা’র নরমাল ডেলিভারীতে ভ’মিষ্ট হয় এই তিন নবজাতক। তার আগ থেকেই গর্ভবতী মা কে নিয়ে চলছিল আর্থিক টানপোড়েন। বাড়ির গরু-ছাগল, আর কিছু নগদ টাকা দিয়ে মেটানো হয় হাসপাতালের খরচ। এ পর্যন্ত তাদের এসব শিশুর পেছনে দেড় লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। তবে জন্মের পর থেকে মা লিমা ও নবজাতকগুলো সুস্থ্য থাকলেও ক্রমেই তাদের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে চলেছে। মিলছে না মায়ের বুকের দুধ, চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়াতে হচ্ছে বাহির থেকে কেনা কৌটার দুধ, অর্থাভাবে জুটছে না পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা। এমন কথা জানান নবজাতক ৩টির বাবা মনিরুল কাজী ও মা লিমা খাতুন। পরিবারের সদস্যরা জানায়, ৩জমজ নবজাতকের গর্বিত পিতা-মাতা মনিরুল-লিমা দম্পতির বিয়ে হয় ৬ বছর আগে । তাদের প্রথম পুত্র সন্তানের বয়স ৪ বছর। কে কাকে করবে আদর যতœ, তাই প্রথম সন্তান লিমন কে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে নানা বাড়ী ! স্বজন আর প্রতিবেশীরা বলছে সামান্য আয়ের এই কৃষক পরিবারের জন্য ৩টি সন্তান পালন অনেকটাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বিত্তবান বা সরকারী-বেসরকারী কিছু সহযোগীতা পেলে নবজাতক তিনটি সুস্থ্যভাবে বেড়ে উঠতে পারবে। এলাকার একজন নারী জনপ্রতিনিধি মদিনা খাতুন। মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের এই নারী জনপ্রতিনিধি বলছিলেন এই দম্পতির দুরাবস্থার কথা, তিনিও দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে বললেন সরকারী সহযোগীতার। জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ । প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সুইড রতনপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক রেশমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মাসুদ আহম্মেদ, অভিভাবক সদস্য হাজী নিজাম উদ্দিন, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ও শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিহাব মলিøক, বিদ্যালয়টি সিনিয়র সহকারী শিক্ষক সাব্বির হোসেন রাজু। প্রধান অতিথি শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনি বিদ্যালয়টির নানা সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদাণ করেন। এসময় বক্তারা, অটিস্টিক শিশুদের মেধা বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষকদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহŸান জানান। আলোচনা সভা শেষে শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৮৭ জন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশু লেখাপড়া করছেন। আর পাঠদান করছেন ৭ জন শিক্ষক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক কর্মচারী-কর্মকর্তাদের আনন্দ র‌্যালী
অবশেষে জাতীয় মজুরী স্কেল ২০১৫ মন্ত্রী পরিষদে অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা করেছে ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক কর্মচারী-কর্মকর্তারা। সেক্টর কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সম্বয়ন পরিষদের উদ্যোগে ও মোচিক চিনিকল শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ব্যানারে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। সোমবার সকাল ৯টার সময় মোচিক মেইন গেট থেকে আনন্দ র‌্যালীটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এর পর মিলের গ্যারেজের সামনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইউসুফ আলী শিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান, পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মকছেদ আলী বিশ্বাস, মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক নাজমুল, কোষাধক্ষ্য নজরুল ইসলাম, মোচিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল, আব্দুস সাত্তার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কবি এবং শিল্পীরা সত্য ও সুন্দরের পূজারী :এড. মনজুর মাহমুদ খান
মোরা পত্র লেখক সমাজ (মোপলেস) চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ১৭ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে শ্রাবণ সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। গান, কবিতা, ছড়া ও কথামালা দিয়ে সাজানো এই অনুষ্ঠান বিশিষ্ট শিÿক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আসন অলংকিত করেন সাবেক সিনিয়র সহকারী জজ, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক এড. মনজুর মাহমুদ খান। উদ্বোধক ছিলেন নাট্য অভিনেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সজল চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা দীপংকর চৌধুরী কাজল, আলোকিত অতিথি ছিলেন অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী। বিশেষ আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাংবাদিক কাঞ্চন মহাজন, বিশিষ্ট সংগঠক ও প্রাবন্ধিক মো: আবদুর রহিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র ঘোষ ও সংগঠক জসীম উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোপলেস সভাপতি সজল দাশ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য কুমার দাশ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সংগঠক খোরশেদ আলম, সাংবাদিক তরুণ বিশ্বাস অরুণ, কবি আসিফ ইকবাল, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দিন গিফারী, সংগঠক সালাউদ্দিন লিটন, সাংবাদিক নাসির হোসাইন জীবন, সাংবাদিক রোকন উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক কামাল হোসেন, সংগঠক সুজিত দাশ অপু, সাংবাদিক রুজী চৌধুরী। এতে উপস্থিত ছিলেন শিÿক দুলাল বড়–য়া, তবলা শিল্পী কানুরাম দে, চিত্রশিল্পী সমীরণ পাল, সংস্কৃতিকর্মী নন্দন পুরোহিত, সাংবাদিক ইমরান সোহেল, অলক চক্রবর্ত্তী, রতন ভট্টাচার্য ও মো: জাফর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী কাজল দত্ত, শিল্পী কাকলী দাশগুপ্তা ও শিল্পী নারায়ণ দাশ। তবলায় ছিলেন দেবেন্দ্র দাশ দেবু। কবিতা আবৃত্তি করেন- ছিদ্দিকুল ইসলাম, অধ্যÿ রতন দাশগুপ্ত, আবৃত্তিকার শবনম ফেরদৌসী, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম ও সুমন চৌধুরী। প্রধান অতিথি এড. মনজুর মাহমুদ খান বলেন, শ্রাবণের অপরূপ দৃশ্য আমাদের বারে বারে মুগ্ধ করে। প্রকৃতি তখন নবসাজে সজ্জিত হয়। এই দিনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানগুলো হৃদয় ছুঁয়ে যায়। বিশেষ করে কবি এবং শিল্পীরা সত্য ও সুন্দরের পূজারী। মোপলেস এর শ্রাবণ সন্ধ্যার আজকের অনুষ্ঠান একটি অনিন্দ্য সুন্দর অনুষ্ঠান। তাদের ধারাবাহিক আয়োজনগুলো স্বল্প পরিসরে হলেও তা মানসম্পন্ন। শ্রাবণের অঝোর ধারায় সম¯Í অন্ধকার কেটে যায় এবং সবার মনে নিয়ে আসে শান্তির বারতা। উদ্বোধক সজল চৌধুরী বলেন, শ্রাবণ সন্ধ্যায় কবি ও শিল্পীরা মনের হরষে কবিতা ও সংগীত পরিবেশন করেন। যা মনে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। শ্রাবণের অঝোর ধারায় মনের গহিনে প্রফুলøতা বৃদ্ধি করে, অশান্ত মনকে শান্ত রাখে। শ্রাবণকে উপলÿ করে বিভিন্ন সংগঠক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকে। তিনি শ্রাবণ-সন্ধ্যা আয়োজনের জন্য সংগঠনের কর্মকর্তাদের সাধুবাদ জানান। প্রধান আলোচক দীপংকর চৌধুরী কাজল বলেন, গান ও কবিতা মানুষের মনকে পরিশুদ্ধ করে। যারা সংস্কৃতিচর্চা করে, তারা অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ, তাদের মধ্যে কখনও হিংসা-বিদ্বেষ জন্ম নেয় না। আলোকিত অতিথি অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী বলেন, সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে যুবসমাজের মাঝে আলোর জ্যোতি ছড়িয়ে দিতে হবে। আমাদের সবাইকে আলোকিত মানুষ হতে হবে। পৃথিবীতে একমাত্র সুন্দর মনের মানুষেরাই সংস্কৃতিচর্চায় রত থাকে। শ্রাবণ-সন্ধ্যা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে কিছু সময়ের জন্য হলেও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। যা সবার মনকে বিমোহিত করে। সভার সভাপতি বাবুল কান্তি দাশ মোপলেস এর শ্রাবণ-সন্ধ্যার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সাথে সাথে ভবিষ্যতে এই অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহŸান জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সজল দাশ। সভার এক প্র¯Íাবে মোপলেস এর পÿ থেকে ৩২নং আন্দরকিলøা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহর লাল হাজারীর মাতা স্বর্গীয়া পুতুল সিং হাজারীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, সৃষ্টিকর্তার কাছে তাঁর আত্মার সদ্গতি কামনা এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়ার মত বিশ্ব ও অভিভাবকতুল্য নেতা বর্তমানে বিরল : বক্তারা
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক উপদেষ্ঠা, গণপরিষদ ও সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্ঠা, মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক স্মরণ আলোচনা, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও এতিম ছাত্রদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ অনুষ্ঠান গত ১৭ জুলাই বিকেল ৫টায় সংগঠনের সহ সভাপতি ডাঃ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি লায়ন মোঃ জাফর উলøাহ এম,জে,এফ,সাতকানিয়ার পৌরসভার মেয়র কবি মোঃ জোবায়ের, চসিক কাউন্সিলর ও মহানগর যুবলীগনেতা আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব, তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানার তত্ত¡াবধায়ক হাফেজ মোঃ আমান উলøাহ, সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান শরফুদ্দীন আহমদ চৌধুরী রাজু, ফুলকলির মহাব্যবস্থাপক এম,এ,সবুর,মাহবুবুর রহমান, জামাল উদ্দীন হেজাজী, হাফেজ ফজলুল কাদের, মো: সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়া ছিলেন একজন মহৎ প্রাণ রাজনীতিবিদ। যার সমগ্র জীবন জুড়েই ছিল মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বা¯Íবায়নে মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়া আজীবন অবিচল ছিলেন। চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতিতে ইসহাক মিয়া সবসময় অভিভাবকের মত সকল আন্দোলন, সংগ্রাম ও দলের কর্মসুচী পালনে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বাংলাদেশের মহান সংবিধানে যার স্বাক্ষর রয়েছে। আওয়ামী রাজনীতির চরম দুঃসময় তথা ৭৫ পরবর্তী রাজনীতিতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। গণপরিষদ সদস্য, সংসদ, সদস্য চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২ বার উপদেষ্ঠা থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে তেমন কোন রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেনি। অত্যন্ত সাদামাটা জীবন ও কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি বলেন বলতে দ্বিধা নেই বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চসিক মেয়র আলহাজ্ব আ,জ ম,নাছির উদ্দীনকে আজকের অবস্থান তথা নেতত্বের আসনে বসাতে মরহুম ইসহাক মিয়া সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরো বলেন আমাদের একজন বিশ্ব¯Í নেতা ও অভিভাবক হিসেবে মরহুম ইসহাক মিয়া আজকে খুব প্রয়োজন। সামনে যে জাতীয় নির্বাচন সে নির্বাচনে ইসহাক মিয়ার শূন্যতা আমরা এখন থেকেই অনুভব করছি। রাজনীতির মাঠের, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ত্যাগী ও মহৎ মনের অসাধারণ নেতা ইসহাক মিয়া চট্টগ্রামবাসীর সর্ব¯Íরের মানুষের মণিকোঠায় শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবে। আজকে মরহুম ইসহাক মিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে এতিমছাত্রদের মাঝে বিভিন্ন মৌসুমী ফল বিতরণ একটি মহতি আয়োজন। সভায় মিলাদ, দোয়া ও মোনাজাত করেন হাফেজ ফজলুল কাদের। সভাশেষে এতিম ছাত্রদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে ছাত্র-শিÿক অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন
ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী শিÿার প্রাণকেন্দ্র এফ.এ. ইসলামিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ ও ইসলামী জগতের অনন্য মনীষা হযরত সৈয়্যদানা ইমাম বুখারী (রা:) ওরসে পাক উপলÿে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল মাদ্রাসা সুপার মাওলানা ফজলুল বারির সভাপতিত্বে আজ সকাল ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব এফ.এ ইসলামিক মিশন ওয়াক্ফ কমপ্লেক্স এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলøামা সৈয়দ মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। উদ্বোধক ছিলেন রাউজান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মুহাম্মদ। প্রধান বক্তা ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিÿানুরাগী মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। বিশেষ অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আলহাজ্ব ওসমান গণি, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন মারকাজ তাহফিজুল কোরআন ওয়াদারুল আইতাম হেফজ বিভাগের প্রধান আলহাজ্ব হাফেজ দিদারুল ইসলাম, মাওলানা কামরুল হুদা, মাওলানা আইযুব আনসারী, মাওলানা নঈমুল হক নঈমী, মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল, মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাস্টার মুহাম্মদ আলমগীর, মাস্টার মুহাম্মদ মাসুদ, মুহাম্মদ হায়দার, নানুপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সদস্য মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল মনসুর, আলহাজ্ব মুছা আহমেদ, ইলিয়াছ সওদাগর, হাফেজ মাওলানা আফাজ উদ্দিন, মাওলানা শাহাদাত হোসেন, হাফেজ মুহাম্মদ লোকমান, হাফেজ মুহাম্মদ মুহিবুলøাহ শায়ের মুহাম্মদ মনির উদ্দিন ও হাফেজ মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলøামা সৈয়দ মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির সময়ে ছাত্রছাত্রীদের সকল বিষয়ে জ্ঞানার্জনের লÿ্যে অত্র মাদ্রাসা যুগপোযোগী পদÿেপ গ্রহণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এÿেত্রে শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের স্কুল মাদ্রাসার শিÿক-শিÿিকাদের হাতে ছেড়ে না দিয়ে অভিভাবকদেরও এÿেত্রে ভূমিকা পালন করতে হবে। নচেৎ ছাত্রছাত্রীরা এলাকার বড় ভাই নামক বিপথগামীদের সাথে মিশে নিজেদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে ছাত্র-শিÿক অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি সকলকে হযরতে সৈয়্যদানা ইমাম বুখারী (রা:) এর আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিÿক মÐলী ও আলেম-ওলামাদের প্রতি উদাত্ত আহŸান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর