পুলিশবাহী মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলে পুলিশবাহী একটি মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক কিশোরীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। নিহত কিশোরী জান্নাতুল ফেরদৌস বর্ণা (১৯) নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণ হওয়ার পর রাজশাহী থেকে উদ্ধারের পর ফেরার পথে শহরের কুমুদিনী কলেজ মোড়ে মঙ্গলবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অপর দু’জন হলেন তার খালাতো ভাই ফারুক (৪১) এবং মামা সিরাজুল ইসলাম (৫৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার এসআই তানভীর (৩৩), এএসআই হাবিব (৩০), কনস্টেবল আজাহার (৪৫) ও মাইক্রোবাসের চালক আকতার (৩৫)। আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার ভাটি বন্দর এলাকায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানা পুলিশের একটি দল অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে রাজশাহীর বাগমারায় গিয়েছিল। তাদের সঙ্গে ওই কিশোরীর স্বজনরাও ছিলেন। মেয়েটিকে উদ্ধার করে সোমবার রাতে তারা নারায়ণগঞ্জে ফেরার পথে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী কলেজ মোড়ে পৌঁছলে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয় এবং গাড়িতে আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুদফায় বিকাশ প্রতারক চক্রের ১০ সদস্য আটক
অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিকাশ প্রতারক চক্রের আরো ৫ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এ পর্যন্ত গত দুদিনে ১০ জনকে আটক করা হলো। এসময় তাদের কাছ থেকে সাত হাজার টাকা এবং বিপুল পরিমান মোবাইল সেট ও বিভিন্ন কোম্পানীর সিম উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ফরিদপুর র‌্যাব-৮ ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম ও আজিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঈশ্বর্দী গ্রামের মোঃ বাহার তালুকদার (২৬), মিলন তালুকদার (১৯), ফয়সাল তালুকদার (১৯), আরিফ মাতুব্বর (১৯) ও পার্শবর্তী চান্দ্রা ইউনিয়নের সলিলদিয়া গ্রামের লিয়াকত মাতুব্বর (৩৩)। ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে ভাঙ্গার মালিগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ প্রতারক চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার অসাধু বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে ভুয়া বিকাশ একাউন্ট খুলে প্রতারণা করে আসছে। রইছ উদ্দিন জানান, গত কয়েক দিন আগে ঢাকার জনৈক এরফানুল ইসলামের ব্যাক্তিগত বিকাশ একাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে র‌্যাব-৮ অফিসে অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে র‌্যাব। দীর্ঘদিন ধরে প্রতারক চক্রের সদস্যদের উপর নজরদারীর পর প্রথমে মালিগ্রাম বাজারের বিকাশ এজেন্ট আল মদিনা কসমেটিক্স এন্ড ভ্যারাইটিস স্টোরের সত্বাধিকারী লিয়াকতকে আটক করা হয়। এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর সদস্যদের আটক করা হয় বলে জানান র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সিইউজের স্মারকলিপি
অনলাইন ডেস্ক : রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক এবং ম্যাঙ হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তিন দফা দাবিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি দেয়া হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান। এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, শিশু কন্যা রাইফা’র মৃত্যুর পর চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি রাইফার মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকের অদক্ষতা, দায়িত্ব অবহেলাকে দায়ী করে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। একইভাবে বেসরকারি হাসপাতাল ম্যাঙ’র বিরুদ্ধেও চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ তুলেন। একই ভাবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠিত তদন্ত কমিটিও ঘটনাটি তদন্ত করে ম্যাঙ হাসপাতালের বিরুদ্ধে ১১টি অনিয়ম চিহ্নিত করেন। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা হলেও তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযোগী। সরকার জনগণের দৌঁরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কতিপয় চিকিৎসক এবং ব্যাঙের ছাতার মত বেআইনি প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল–ক্লিনিক বাধাগ্রস্ত করছে। এর মধ্যে ম্যাঙ হাসপাতালটি অন্যতম। ওষুধ প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেও তা স্পষ্ট হয়েছে। ম্যাঙ হাসপাতালকে ১৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল বলা হলেও হাসপাতালটিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিয়োগকৃত কোন চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং প্যাথলজিস্ট নেই। হাসপাতালে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের জন্য বৈধ কোন ড্রাগ লাইসেন্স নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর, ওষুধ প্রশাসন এবং র‌্যাবের পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার, অশিক্ষিতদের দিয়ে প্যাথলজি চালানো, অন্য প্যাথলজি ল্যাব থেকে টেস্ট করে এনে নিজেদের প্যাড ব্যবহার করে রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পেয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এতসব অনিয়ম থাকা সত্ত্বেও ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ না করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত তিন দফা দাবি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধিন সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন চট্টগ্রামের সকল সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিকদের সাথে নিয়ে রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত চিকিৎসক, ম্যাঙ হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া ও সাংবাদিকদের সাথে অশোভন আচরণকারী ডা. ফয়সাল ইকবালের বিচার দাবিতে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে বলে নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন। এসময় অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বিএফইউজের নব নির্বাচিত সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিইউজের সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম ইফতেখারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ কুতুব, নির্বাহী কমিটির সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত, আজাদী ইউনিট প্রধান খোরশেদ আলম, কর্ণফুলী ইউনিট প্রধান মোহাম্মদ আলী পাশা, প্রিয় চট্টগ্রাম ইউনিট প্রধান বিশু রায় চৌধুরী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ক্রসফায়ারে দিতে চেয়েছিলেন ওসি : সমর চৌধুরী
অনলাইন ডেস্ক: ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার চেষ্টাও চালিয়েছিল বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রামের শিক্ষানবিশ আইনজীবী সমর কৃষ্ণ চৌধুরী। সদ্য জামিনে মুক্ত ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তি এই দাবি করার পাশাপাশি বোয়ালখালী থানা হাজতে তার উপর নির্যাতনের অভিযোগও তুলেছেন। বোয়ালখালীর ওসি হিমাংশু দাশ রানাসহ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তার। সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ওসি হিমাংশু দাশ। গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে সোমবার রাতে হিমাংশু দাশের মোবাইলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আমিও পেয়েছি। মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন সমর চৌধুরী। অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত এসপি (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) এবং অতিরিক্ত এসপি (পটিয়া সার্কেল)কে দায়িত্ব দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমর চৌধুরী চট্টগ্রাম শহরে থাকলেও তার বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে। ওই গ্রামের লন্ডনপ্রবাসী সঞ্জয় দাশের সঙ্গে তার কাকা স্বপন দাশের জমি নিয়ে বিরোধ আছে। স্বপন দাশকে আইনগত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছিলেন সমর চৌধুরী। ওই ঘটনার জের ধরে সঞ্জয় দাশের প্ররোচনায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি মনির উজজামানের নির্দেশে সমরকে গত ২৭ মে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলার আসামি করা হয়। সমর চৌধুরীর ঘটনাটি প্রকাশ পেলে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এর মধ্যেই ডিআইজি মনির উজজামানকে চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে দুই মামলায় জামিন নিয়ে গত ১২ জুলাই কারাগার থেকে মুক্তি পান সমর চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম শহরের বাসায় সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তিনি জানান, গত ২৭ মে সন্ধ্যায় কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে আদালত ভবনের নিচে একটি হোটেলে ছিলেন তিনি। ওই সময় বোয়ালখালী থানার এসআই আরিফুর রহমান ও এসআই আতিক উল্লার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে ধরে নিয়ে যায়। প্রথমে থানায় নিয়ে পুলিশ তার হাতে থাকা একটি স্বর্ণের ও একটি রুপার আংটি, মোবাইল সেট, নগদ ১২ হাজার টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে হাজতে আটকে রাখে বলে জানান তিনি। সমর অভিযোগ করেছেন, ওই সময় তার কয়েকজন স্বজন থানায় গেলেও তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, রাতের বেলায় আমি ওসি হিমাংশু দাশকে দেখে তার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করি। তাকে বলি, তার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী স্বপন দাশের সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখিনি। এসময় ওসি হিমাংশু আমাকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলে মাথা ফেটে যায়। ওসি কবে স্বপন দাশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে মানা করেছিলেন, জানতে চাইলে সমর বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ওসি থানায় যোগদান করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় একটি কাগজ দেখিয়ে বলে,ডিআইজি আপনার নাম, স্বপন দাশ ও বাপন দাশের নাম দিয়েছে। সেখানে আপনার নাম লাল কালি দিয়ে দাগ দিয়েছে। আপনার নাম প্রথমে আছে। ২৭ মে রাত ১টার পর থানা হাজত থেকে তাকে বের করে নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে সমর বলেন, প্রথমে গামছা দিয়ে তার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে গালাগালি করা হয় তাকে। ওসি হিমাংশু বলে,শালাকে ফেলে দিয়ে আয়। এরপর হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়। ওইসময় আমি আমার মেয়ে ও স্ত্রীর কী হবে বলে আকুতি করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। গাড়িতে করে তাকে চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান সমর। চোখ বাঁধা অবস্থায় কী করে চরণদ্বীপ বুঝলেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,ড্রাইভার কোথায় যাবে জানতে চাইলে তাকে বলেছিল, চরণদ্বীপ নিয়ে যেতে।ওই গাড়িতে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ছিলেন বলে জানান তিনি।আমি হ্যান্ডকাফটা একটু হাল্কা করে দিতে বললে একজন বলে,আর দুই/তিন মিনিট আছে। তারপর তোকে তো বেহস্তে পাঠিয়ে দেব। চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে গিয়ে আমার চোখ খুলে দিয়ে চলে যেতে বলে। ওই সময় আমার মনের মধ্যে ভয় চলে আসে। আমি না গিয়ে তাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকি এবং ঠাকুরের নাম জপ করতে থাকি। না যাওয়ায় তখন এক পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করেন বলে জানান সমর। হাঁটুতে সেই জখমের চিহ্নও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেখান তিনি। সমর বলেন, ওই সময় এসআইর মোবাইলে একটি ফোন আসলে তিনি আমার কাছ থেকে দূর সরে গিয়ে ফোনে কথা বলেন। কথা শেষ করে এসে আবার চোখ বন্ধ করে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে গাড়িতে তোলেন। সেখান থেকে সরোয়াতলী এলাকায় বাড়িতে নিয়ে পুলিশ ইয়াবা উদ্ধারের গল্প সাজায় বলে সমর জানান। বাড়ি থেকে আবার থানায় নেওয়া হয় তাকে। সমর বলেন, থানা হাজতে নেওয়ার পর তিনি পানি চাইলে এক এসআই তাকে প্রস্রাব খাওয়াতে চেয়েছিলেন। হাজতে থাকা আরেকজন পানি দিতে চাইলে তাকেও মারধর করা হয় । থানায় নিয়ে যাওয়ার পরদিন বিকাল পর্যন্ত আদালতে না পাঠানোতে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওসিকে ফোন করে দ্রুত আমাকে চালান করার কথা বলেন। না করলে আইনজীবীরা থানায় যাবেন বলায় ওসি তড়িঘড়ি করে আমাকে চালান করে, বলেন তিনি। আদালতে নেওয়ার আগে হাজত থেকে বের করে একটি টেবিলে কিছু লাল রঙের ট্যাবলেট সাজিয়ে রেখে ছবি তোলা হয়েছিল বলে দাবি করেন সমর চৌধুরী। তিনি বলেন, এক যুবক সাংবাদিক পরিচয়ে ঢুকে তার ক্যামেরা দিয়ে এক এসআইকে ছবি তুলতে বলেন। এরপর অস্ত্র হাতে ধরিয়ে ছবি তোলা হয়। আমি পুলিশের কথা মতো হাতে অস্ত্র নিতে অপারগতা জানালে এক পুলিশ সদস্য আমাকে পায়ে লাথি পারে। তখন পাশে দাঁড়ানো দুই কনস্টেবল আমার হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার পর সে ছবিটি পুনরায় তোলে। পকেটে কলম, হাতে অস্ত্র নিয়ে সমর কৃষ্ণের ছবি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়ে আসছিল চট্টগ্রামজুড়ে। অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় জামিন পেলেও সমর চৌধুরীর পুরো পরিবার এখন নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তার দুই মেয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সমর্থন থাকায় এখনও পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ভবিষ্যত নিয়ে তারা শঙ্কিত। আজাদী
চট্টগ্রামে একজন ব্যবসায়ী সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ
রাজীব চক্রবর্তী ,চট্টগ্রাম :জুট কর্পোরেশন ও ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বেআইনী কার্যকলাপে এবং অবৈধ হস্তক্ষেপে চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট এর ৩১৩ রেলি কাঁচা কলোনী,স্ট্রান্ড রোড এর একজন ব্যবসায়ী ও গবেষক ক্ষতিগ্রস্ত ও সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আজ দুপুর ১ টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত জুট কর্পোরেশনের ভূমি ইজারা গ্রহণ করে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ইজারা বলবৎ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেআইনি ও অন্যায় ভাবে ভূমি অন্যজনকে ইজারা দেয়। এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরবর্তীতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়। হাইকোর্ট স্থিতি অবস্থা বজায় থাকার জন্য উভয়পক্ষকে জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে পরিকল্পিতভাবে আমার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কর্মকাণ্ডের প্রায় চার কোটি টাকার সম্পত্তি নিমিষেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে কান্নাজড়িত কন্ঠে আরো বলেন, বর্তমান সরকার সংখ্যালঘু বান্ধব সরকার হওয়ার পরেও প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু দুষ্কৃতকারী সংখ্যালঘু নির্যাতন ও তাদের ভূমি দখল করে সরকারের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমি একজন গবেষক হিসেবে বাতাস চালিত ইঞ্জিন আবিষ্কারের গবেষণায় নিয়োজিত। গবেষণাগারের মেশিনারি যন্ত্রপাতি সহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম খরিদ করতঃ এযাবত ৪ কোটি টাকা খরচ করে প্রায় ৯৫শতাংশ গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছি এবং সুযোগের কারণে আমার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফসল গবেষণা কর্মকাণ্ড থেমে যাওয়ার পথে। এ ব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ১১ই জুলাই দুপুর ২ টার সময় ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে সরকারের কিছু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে হাইকোর্টের রিট অমান্য করে বেআইনিভাবে জায়গা দখল পূর্বক আমাকে উচ্ছেদ করে এবং কারখানা ও গবেষণা কর্মকান্ডে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিমিষেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এতে আমার প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সুবিচার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দোর্দণ্ড প্রভাব খাটিয়ে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে কিভাবে ধ্বংসযজ্ঞ কর্মকাণ্ড করতে পারে জাতি আজ তা জানতে চায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দ্রুত তার ক্ষতিপূরণ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান এবং এ ব্যাপারে তার সুদৃষ্টি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন এর চট্টগ্রাম শাখা কমিটির মহাসচিব মৃদুল মজুমদার, মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলী, রতন সেনগুপ্ত, জিকু দত্ত, সুপ্রিয়া চৌধুরী,জয়ন্তী মজুমদার সহ আরো অনেকে।
মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় নিহত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে মহাসড়কে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ফাহিমা আক্তার (০৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফাহিমা উপজেলার মেখল ইউনিয়নের জাফর তালুকদার বাড়ির মো. সালাউদ্দিনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকা দিয়ে অটোরিকশায় মায়ের কোলে বসে হাটহাজারীর দিকে যাচ্ছিল শিশু ফাহিমা আক্তার। অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যায় ফাহিমা। এ সময় রিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফাহিমার মৃত্যু হয়। তবে ঘাতক বাসটিতে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমির হোসেন বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি গাড়ি করে যাওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে একটি শিশু মহাসড়কে পড়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা বাসচাপায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়। শীর্ষ নিউজ
পেশাদার খুনি দিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড
অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের খুলশীতে মা ও মেয়েকে হত্যা করে পানির রিজার্ভ ট্যাংকে ফেলে দেয়ার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত ও পেশাদার হাতের কাজ বলে ধারণা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রাথমিক তদন্ত শেষে সম্পত্তির লোভে পরিচিতজনদের হাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডটিকে গুরুত্বে নিয়ে কাজ শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রোববার (১৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর খুলশী থানাধীন ফ্লোরা আটার মিল এলাকার নির্মাণাধীন একটি ভবনের পানির রিজার্ভ ট্যাংক থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মা মনোয়ারা বেগমকে (৯৭) গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চিহ্ন দেখা গেছে। মেয়ে শাহ মেহেরুন নেছা বেগম (৬৭) এর মাথার পেছনে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. নাসির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু চুরি বা ডাকাতির জন্য এ ঘটনা ঘটেছে- তা বলা যাবে না। এমনটা হলে লাশ গুম করার চেষ্টা হতো না, খুন করে লাশ পানির ট্যাংকে ফেলে দিত না। এর সঙ্গে অবশ্যই অন্য বিষয় জড়িত আছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঠান্ডা মাথার খুনিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সম্পত্তির বিরোধের কারণে সাধারণত এ ধরনের ঘটনা ঘটে।’ এদিকে ঘটনাস্থল ঘুড়ে আসা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘মাকে শ্বাসরোধ এবং মেয়েকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর খুনিরা মেয়ে মেহেরুন নেছার দুটি মোবাইল সেট নিয়ে গেলেও রেখে গেছে সিম দুটি। এমনটা শুধু পেশাদার অপরাধীরাই করে থাকে। সিম নিয়ে গেলে তারা সহজে ধরা পড়বে, এটা তারা জানে।’ নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আবদুল ওয়ারিশ জানান, ঘটনার সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনাস্থল থেকে মেহেরুনের ব্যবহৃত দুইটি সিমকার্ড ও বাড়ির ছাদ থেকে একটি শাবল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া খুনিরা বাড়ির সামনের দরজা ব্যবহার করেনি। বাসায় দুটি দরজা আছে। একটি মূল দরজা অপরটি ছাদের। ছাদের দরজা দিয়ে ছাদ থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে বাসার ভেতরে আসা যায়। সম্পত্তির জন্য মা-মেয়ে খুন! মেহেরুন নেসার বোনের ছেলে বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। আমার খালা মেহেরুন নেসা ও নানু মনোয়ারা বেগম দুইজনেই বাসায় একা থাকতেন। তিন গন্ডা (৩.৬৩ কাঠা) জায়গার ওপর নিমার্ণাধীন চারতলা ভবনটি আমার খালার নামে। এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহল জায়গাটা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছে। সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার জন্য খালা-নানুকে হত্যা করেছে ওরা।’ ২০০৬ সালে বাড়ি তৈরির সময় থেকেই স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছিলেন বলেও জানান বেলাল উদ্দিন। পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তার নাম না প্রকাশের শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে এ ঘটনা ঘটতে পারে। এবং তা পূর্বপরিচিত অথবা নিকট আত্মীয়দের হাতেই। খুব ঠান্ডা মাথায় মা ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।’ স্থানীয়রা জানান, মা-মেয়ে অনেক বছর ধরে এখানে থাকলেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের তেমন কোনো সম্পর্ক ছিল না। মনোয়ারা বেগমের পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলে। এর মধ্যে দুই ছেলে মারা গেছেন। দুই মেয়ে ও এক ছেলে দেশের বাইরে থাকেন। এক ছেলে থাকেন ঢাকায়, এক মেয়ে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে ও অন্য মেয়ে থাকেন ময়মনসিংহে। নয় ছেলেমেয়ের মধ্যে মেহেরুন নেছা বিয়ে করেননি। তিনি মাকে নিয়ে এই ভবনে থাকতেন। তারা আরও জানান, আটার মিল এলাকায় একটি পাহাড়ের ওপর দুটি বাড়ি। স্থানীয়দের কাছে এটি আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। নির্জন ইটের পথ পেরিয়ে প্রবেশ করতে হয় ভবন দুটিতে। এই দুটি ভবনের একটির মালিক মেহেরুন নেছা। মা মনোয়ারা বেগমকে নিয়ে নিজের ভবনের নিচতলায় থাকতেন তিনি। পুরো ভবনটি চারতলার কাঠামো হলেও কেবল নিচতলার কাজই শেষ হয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর