চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ স্মরণ সভায় বক্তারা গণমানুষের প্রিয় মানুষ ছিলেন ড. মাহম
চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নির্বাহী সদস্য ও মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মাহমুদ হাসানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেছেন গণমানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকে ড. মাহমুদ হাসান নিঃস্বার্থ রাজনীতিক হতে পেরেছিলেন। তিনি আরো বলেন রাজনীতির বাহিরে তিনি গরীব ও দুঃখী মানুষের জন্য দু’হাতে দান করেছেন। অবশ্যই তিনি গরীবের বন্ধু হয়ে থাকবেন। প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডীন ড. সেকান্দর চৌধুরী বলেন গুণী মানুষের ভীরে মাহমুদ হাসান অনন্য গুণীব্যক্তি ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন চট্টগ্রাম ফকিটছড়িতে ব্যাপক মসজিদ মাদ্রাসা ও স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রজন্মদের মেধার বিকাশ ঘটান। তাঁর অসম্ভব কৃতকর্মের জন্য ড. মাহমুদ হাসান অমর হয়ে থাকবেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন রাজনীতিতে দানশীল ব্যক্তির খুব অকাল কিন্তু মাহমুদ হাসান চট্টগ্রামে রাজনীতি ও সংস্কতি অঙ্গনকে ব্যাপক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পতাকাকে বহন করে ব্যাপক কাজ করেছেন। অবশ্যই মাহমুদ হাসান বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকার। ড. মাহমুদ হাসানের জ্যৈষ্ঠপুত্র ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ বলেন বাবার একটি হাসপাতাল করার স্বপ্ন রয়েছে এটি প্রতিষ্ঠা করে মাহমুদ হাসানকে চিরঞ্জীব করে রাখার জন্য কাজ করে যাব। গত ১০ এপ্রিল নগরী সুপ্রভাত স্টুডিও হলে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্বে করেন সংগঠনের সভাপতি লায়ন এ কে জাহেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ দিদার আশরাফী সঞ্চালনায় এতে সূচনা বক্তব্য রাখেন কার্যকরী সভাপতি আলি আহমদ শাহিন। বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, রাজনীতিক স্বপন সেন, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, এ্যাড. আশুতোষ দত্ত নান্টু, কবি এহসান মাহমুদ আলম, সংগঠক প্রণবরাজ বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস এম আবু তাহের, মুক্তিযোদ্ধা এস এম নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, আনোয়ার আজম, সিদ্দিক আহমদ সিদ্দিক, হাজী ইউনুস, নোমান উল্লাহ বাহার, শিল্পী কাজল দত্ত, লায়ন জানে আলম, সোমিয়া সালাম, লাবলু চক্রবর্ত্তী, মোঃ এজাহারুল হক, নাসির হোসাইন জীবন, ইঞ্জিনিয়ার কবি সঞ্চয় কুমার দাশ, জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু, পারভিন আক্তার চৌধুরী, জাকির হোসেন, রোজী চৌধুরী, রিমন মুহুরী, হারুনুর রশিদ, সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ইউনুস মিঞা, দীলিপ হোড়, ডা. ডি কে ঘোষ, ডা. উত্তর কুমার সরকার, ডা. আ ম ম নুরুল হক, হেদায়ত হোসেন সোহেল, মনজুরুল আলম, আনিছ আহমদ খোকন, সমীরন পাল, কবি নূর নাহার ইউনুস নিপা, কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, দিলিপ সেনগুপ্ত, বিপ্লব দাশগুপ্ত, সজল দাশ, মোঃ তিতাশ, নুরুন নবী জনি, মোকলেসুর রহমান, আসিফ ইকবাল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নিয়াজ মোর্শেদ এলিটকে 'চট্টল দূরবীন' নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা
বর্তমান তরুণ সমাজের আইকন চট্টগ্রাম খুলশী ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চট্টগ্রাম জুনিয়র চেম্বার এর সাবেক সফল প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সংগঠন 'চট্টল দূরবীন' নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন 'চট্টল দূরবীন' এর সভাপতি ও লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল আহ্বায়ক দিল মোহাম্মদ, চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সফল ভি.পি. ও 'চট্টল দূরবীন' এর সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ রায়হানুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম, মোহাম্মদ ওবায়েদ, মহিউদ্দিন বাপ্পী, এম সোহেল, মোহাম্মদ শওকত আলী, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ হোসাইন, মোহাম্মদ রিফাত, সাইফুল ইসলাম, আবু শাহাদাত মোঃ আদিল, আ.স.ম. হাসান ইমাম, সায়েম বিন নূর, মিজবাহ্ উদ্দিন, মাঈন উদ্দিন, মোহাম্মদ ইমরান, নুরুল উদ্দীন, মোহাম্মদ রিদুয়ান, খোরশেদুল ইসলাম, শেফাতুল ইসলাম, মোহাম্মদ মামুন প্রমুখ। এই সময় নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুনদেরকে অগ্রগণ্য হতে হবে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তরুণদেরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাণিত হয়ে নৌকা মার্কা সমর্থনে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফেনীতে ইউপি চেয়ারম্যানের নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ
ফেনীতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নির্যাতিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বজনরা জানান, বুধবার বিকেলে পারিবারিক কলহের জেরে সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক গৃহবধূকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম। নির্যাতিতা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের শাস্তি দাবি জানিয়েছেন তারা। নির্যাতিতা বলেন, আমার ভাগিনাকে নিয়ে গেছিলাম। আমার ভাগিনাকে সিগারেট আনার কথা বলে বের করে দেয়। পরে আমার সঙ্গে অনেক অসভ্যতা করেছে।' নির্যাতিতার স্বামী বলেন, সদর হাসপাতাল জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাহিরা খাতুন রোজী বলেন, 'নির্যাতিতা একজন নারী এসেছে। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সব কিছু নিয়েছি। পরে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জানানো যাবে।' এ ঘটনায় নির্যাতিতার শাশুড়ি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মানিকগঞ্জে
মানিকগঞ্জে বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, জেলার সাটুরিয়া উপজেলার জান্না গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আব্দুল গফুর (২৮) ও একই উপজেলার ধুইল্লা গ্রামের আব্দুর কাদের (৩০)। মানিকগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. বাচ্চু জানান, গফুর ও কাদের মোটরসাইকেলযোগে স্থানীয় তরা আড়তে মাছ কিনতে যাচ্ছিলেন। মানরা এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলের সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বাসটি পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনায় গফুর ও কাদের গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ হানিফ পরিবহনের বাসটি আটক করতে সক্ষম হলেও এর চালক ও সহযোগী পালিয়ে গেছে।
বৈসাবি উৎসব শুরু খাগড়াছড়িতে
বর্ণিল আয়োজনে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে বৈসাবি উৎসব। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের এ উৎসবকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে নানা আয়োজন। এরই অংশ হিসেবে জেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি রযালি বের করা হয়। র‌্যালি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে টাউন হলে এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা উপজাতীয় তরুণ-তরুণীরাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। উৎসবের আয়োজনে যেমন বৈচিত্র্য ছিল তেমনি বৈচিত্র্য ছিল তাদের পোশাকেও। নেচেগেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বৈসাবি উৎসবকে স্বাগত জানান তারা। মূলত ত্রিপুরার মারমা চাকমা সম্প্রদায় বৈসু, মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠী বিজু উৎসব পালন করে। আর এই উৎসব মিলে উদযাপন করা হয় 'বৈসাবি'। এদিকে, উৎসব নির্বিঘ্ন করতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা জানান, প্রতি বছর নববর্ষে আমাদের এই উৎসব আসে। এই উৎসবে আমরা অনেকই জড়ো হই, আনন্দ-উল্লাস করি। পুলিশ জানায়, উৎসবে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেইজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
শ্রমআইন বাস্তবায়নের দাবিতে পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল যশোরে
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মহান মে দিবসে স্ব-বেতনে ছুটি কার্যকরাসহ শ্রমআইন বাস্তবায়ন এবং নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে যশোর বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়ন-বি-২১২৬, যশোর সদর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি পাইপপট্টি মোড়স্থ সংগঠনের জেলা কার্যলয় থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে চিত্রামোড়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়ন-বি-২১২৬, যশোর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব হোসেন, সদর থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল রানা। বক্তারা বলেন, শ্রম আইনের আওতায় মহান মে দিবসে যশোর শহরের সকল হোটেল প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের স্ব-বেতনে ছুটি দিতে হবে। যশোর শহরের যে সকল হোটেল প্রতিষ্ঠানে পরিচয়পত্র প্রদান করেছে কিন্তু কাজে যোগদানের তারিখ সঠিকভাবে দেয়নি তা সংশোধন করাসহ কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে সরকার, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও মালিক সমিতিকে আহ্বান জানান বক্তারা।
বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীরা নববর্ষের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত
বৈশাখ মানেই বাংলা নতুন বছরের প্রাণসঞ্চার। তাই ১৪২৪ কে বিদায় জানিয়ে নববর্ষ ১৪২৫ কে স্বাগত জানাতে শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীরা। দিনটিকে রাঙিয়ে তুলতে রঙতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলছেন হরেক রকমের শিল্পকর্ম। সাংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, বৈশাখ বরণে মঙ্গলশোভাযাত্রায় বহন করার জন্য তৈরি করা হচ্ছে মুখোশ, পেচা, ফুল ও পাখিসহ বিভিন্ন প্রানীর প্রতিকৃতি। এ সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে বগুড়ার হারানো সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে। এতে অংশ নেবেন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরাসহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ। আর দিনটিকে উৎসবমুখর করে তুলতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সব ধরণের ব্যবস্থা।

সারা দেশ পাতার আরো খবর