ময়মনসিংহে মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে এক পরিবারের ৮ জন নিহত
১৮,আগস্ট,মঙ্গলবার,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহের ফুলপুরে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে শিশুসহ এক পরিবারের ৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো ছয় জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, পাঁচ নারী ও দুই জন পুরুষ রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমারত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় যাওয়ার পথে ফুলপুরের বাশাতি নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায় মাইক্রোবাসটি। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। এ সময় শিশুসহ ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ছয় জনকে। ওই মাইক্রোবাসে মোট ১৪ জন যাত্রী ছিলেন। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
সিনহা হত্যা : তদন্ত কমিটির গণশুনানি চলছে
১৬আগস্ট,রবিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা রাশেদ হত্যা মামলায় তদন্ত কমিটির গণশুনানি চলছে। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জের কার্যালয়ে এই গণশুনানি শুরু হয়েছে। গণশুনানীতে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শুনছেন কর্মকর্তারা। গণশুনানীতে যারা বক্তব্য দিচ্ছেন তাদের সবাইকে নিবন্ধন করতে হয়েছে। শুনানী বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও অংশ নিয়েছেন। গণশুনানীতে স্থানীয়দের বক্তব্য শুনছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালেয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান, সদস্য চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোহা. শাজাহান আলী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাজ্জাদ। এর আগে শনিবার শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেন, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম। সেখানে তিনি বিভিন্ন জনের সাতে কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোঃ রাশেদ খান। এ ঘটনায় নিহতের বোন শাহরিয়ার শারমিন ফেরদৌস বাদী হয়ে গত ৫ আগস্ট টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক। এর মধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে Rab। যাদের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে তারা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ। এর আগে একই ঘটনায় টেকনাফ থানায় দুইটি, রামু থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ। এই ৩টি মামলায় আসামি করা হয়েছে সিনহার সঙ্গি সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রাণী দেবনাথকে। তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধুকে বরগুনা জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা
১৫আগস্ট,শনিবার,ইসরাফিল ইসলাম,বরগুনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় শোক দিবসে মৃত্যুঞ্জয়ী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। আজ শনিবার সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ প্রথম শ্রদ্ধা জানান। পরে পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন ও বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে রাসেল স্কয়ারে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতেও পুস্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এদিকে, মুজিববর্ষ ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরগুনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। দিনব্যাপী এই কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সিনহা হত্যা: চার পুলিশ তিন স্বাক্ষী Rab হেফাজতে
১৪আগস্ট,শুক্রবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেনাবাহিনীর অবসরগ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডের আদেশপ্রাপ্ত আসামি চার পুলিশ সদস্য এবং ওই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য Rab হেফাজতে নেয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জেলা কারাগার থেকে Rabর হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে গত বুধবার (১২ আগস্ট) এসব আসামিদের বিরুদ্ধে ৭দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের যাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে তারা হলেন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া। অপরদিকে, পুলিশের দায়েরকৃত মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ। সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন জানান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় আটক কারাগারে থাকা পুলিশের ৪ সদস্য ও অপর একটি মামলার (স্বাক্ষী) তিন আসামীসহ মোট ৭ আসামিকে কারাগার থেকে Rab হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের আগে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথা রয়েছে। গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত ৫ আগস্ট ওসি প্রদীপ ও দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ জনকে আসামি করে সিনহার বোন কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ৯ পুলিশ সদস্যকেই বরখাস্ত করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে কক্সবাজার Rab-15 মামলায় ওসি প্রদীপসহ ৩ জনকে ৭ দিনের রিমান্ড ও অন্য আসামিদের দুদিন করে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত। ওসি প্রদীপসহ ৭ আসামি এখনও কারাগারে রয়েছে। একই ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় ৯ আগস্ট সিনহার সহযোগী শিপ্রা দেবনাথ ও ১০ আগস্ট সাহেদুল ইসলাম সিফাত জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তবে পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন স্বাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ, পুলিশের চার সদস্য ও ওসি প্রদীপসহ মোট ১০জন কারাগারে রয়েছে।
নোয়াখালীর কৃষক হত্যার প্রধান আসামি ফজলুকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,মো.ইসমাইল,নোয়াখালি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষক আব্দুল মান্নানের হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক ফজলুকে দ্রুত গ্রেফতার এবং হত্যার সাথে জড়িত সকলের ফাঁসি দাবি করে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার এবং এলাকাবাসী। বুধবার সকালে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ভাই সফিকুর রহমান, স্থানীয় মনির মেম্বার, মোস্তফা মাঝি, দিদার হোসেন প্রমূখ। বক্তারা বলেন, হত্যাকারি ফজলুল হক ফজলু চরজব্বার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের প্রভাব খাটিয়ে দির্ঘদিন ধরে সুবর্ণচরে মাদক ব্যবসা, খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি, ভূমিদখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত রয়েছে। ফজলুর এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করলে ফজলু তার নিয়ন্ত্রিত বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ইউনিয়নের কাঞ্চন বাজারে কৃষক আব্দুল মান্নানকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে এবং আরো ৩ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এর মধ্যে আহত কাশেমের অবস্থা আশংকা জনক। বর্তমানে কাশেম ঢাকার একটি হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন। ঘটনার পরদিন পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করলেও হত্যার প্রধান আসামি ফজলুল হক ফজলুকে এখনো গ্রেফতার করেনি পুলিশ। কৃষক আবদুল মান্নানকে হত্যাকারী ফজলুল হক ফজলুসহ হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ফাঁসির দাবি জানান বক্তারা । উল্ল্যেখ, গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের কাঞ্চন বাজারে আহত কাশেমের জননী ফার্মেসীতে পশ্চিম চরজব্বার গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক ফজলু ও ইউপি সদস্য নেতৃত্বে বাহার উদ্দিনের নেতৃত্বে সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা কৃষক আবদুল মান্নানকে হত্যা করে। এ ঘটনায় ফার্মেসীর মালিক কাশেমসহ ৩জন গুরুত্বর আহত হয়। এদিকে ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক ফজলু গ্রেফতার না হওয়ায় ফুঁষে উঠেছে এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।
প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় প্রদানকারী প্রতারক গ্রেফতার
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একেক সময় একেক পরিচয় তার। প্রধানমন্ত্রীকে ডাকেন ফুফু। আবার কখনো পরিচয় দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সচিব, কখনো উপ সচিব। আবার নিজেকে দাবি করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক। নাম বলেন, আকাশ আহমেদ শরীফ, বাড়ি গোপালগঞ্জ। এমনই এক প্রতারক শরীফ উদ্দিনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। বুধবার দুপুরে বিসিক শিল্পনগরী কুমিল্লা ইটিল্যাব (ইউনানী) ফ্যাক্টরী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।প্রতারক শরীফ উদ্দিন নেত্রকোনা জেলার ওয়াজেদ আলীর পুত্র। সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, শরীফ কখনো পরিচয় দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সচিব, কখনো উপ সচিব। আবার নিজেকে দাবি করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক। বাড়ি গোপালগঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীকে ডাকেন ফুফু। পরিচয় দেন তার আত্মীয়। দুইটি ফেইসবুক আইডিতে ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত প্রতারণা করে আসছিলেন তিনি। এমনকি মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে নিজের ছবি এডিট করে ফেসবুকে তা প্রদর্শন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছিলেন তিনি। তিনি বলেন -শরীফ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আউট সোর্সিংয়ের কর্মী হিসেবে ৩ মাস পিয়নের কাজ করতে গিয়ে বহিস্কার হয় বলে জানিয়েছেন। পুলিশ সুপার বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে শরীফের সাথে পরিচয় হয় কুমিল্লার অধিবাসী হাবীবা ইসলাম খান এবং তার স্বামী ডা. বদরুল ইসলাম খানের। পরবর্তীতে শরীফ নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সচিব পরিচয় দিয়ে কুমিল্লায় আসবেন বলে জানান। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুরে একটি মাইক্রোযোগে প্রতারক শরীফ তার সঙ্গীয় চারজনকে নিয়ে কুমিল্লায় হাজির হন এবং বিসিক এলাকায় ওই দম্পতির ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন। কিন্তু সরাসরি তাকে প্রথম দেখেই পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয় তাদের। পরবর্তীতে বিকেল ৩টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আনোয়ারুল আজিম, এলআইসি পরিদর্শক ইখতিয়ার উদ্দিন, উপপরিদর্শক পরিমল চন্দ্র দাস সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে চার সঙ্গীসহ শরীফকে আটক করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শরীফ ও তার সহযোগীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। তার প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসানুল আজিম, তানভীর সালেহীন ইমান, শাহরিয়ারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে ফেইসবুক আইডির লিংক ধরে বিষয়টি কুমিল্লা জেলা পুলিশের সাইবার ইউনিট পর্যবেক্ষণ করে ওই ফ্যাক্টরী থেকে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।- একুশে টেলিভিশন
কারাবন্দি মোস্তফার পরিবারের খোঁজখবর নিতে কক্সবাজার যাচ্ছেন সাংবাদিক নেতারা
০৯আগস্ট,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের সীমাহীন বর্বরতায় স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার ১১ মাস ধরে কারাগারে । তাঁর পরিবারের খোঁজ খবর নিতে ৫ সদস্যের সাংবাদিকদের একটি টিম কক্সবাজার যাচ্ছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে তাঁরা ফরিদুল মোস্তফার পরিবারের সাথে স্বাক্ষাৎ শেষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও জেলা প্রশাসক সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানাযায়। এ ছাড়াও নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করবেন। এতে নেতৃত্ব দিবেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আহমেদ আবু জাফর। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার ও ক্রাইম ইনভেষ্টিগেশন সেল প্রধান সাঈদুর রহমান রিমন, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) সভাপতি মোঃ খায়রুল আলম রফিক, অনলাইন এডিটরস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ ও ডেইলি ইন্ডাষ্ট্রি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নান্টু লাল দাস । টিমের সহযোগি সদস্য হিসেবে বিভিন্ন জেলার আরো ২৫ জন সাংবাদিক সেখানে যোগ দেবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন । বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে রবিবার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকনাফের তৎকালীন ওসি প্রদীপ দাসের নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার ফরিদুল মোস্তফা প্রাণভয়ে ১১ মাস ধরে কক্সবাজার কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই ওসি ও তার সহযোগীদের নানা অপকর্ম গেপ্তার বানিজ্য, মাদক কারবারিদের সাথে সু-সম্পর্ক থাকার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ কুমার এবং তাঁর সহযোগীদের সীমাহীন আক্রোশে ফরিদুল মোস্তফাকে ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ধরে টেকনাফ থানায় নিয়ে তাঁর ওপর অমানষিক বর্বরতা চালায়। সে সময় তাঁর চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করায় বর্তমানে দুটি চোখই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত-পা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এতেও ক্ষ্যান্ত হননি ওই বর্বর ওসি ইয়াবা ব্যবসায়ি সাজিয়ে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওই মামলায় জামিনের ক্ষেত্রেও সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার নানা প্রভাব ও কুটকৌশল খাটিঁঁয়ে বাধাঁর সৃষ্টি করে ছিলেন । নজিরবিহীন নির্মমতার শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার ঘটনা জানতে বিএমএসএফ এর উদ্যোগে সাংবাদিক, আইনজীবি, মানবাধিকারকর্মীর সমন্বয়ে একটি টিম কক্সবাজারে যাচ্ছেন। তারা ঘটনার আদ্যপ্রান্তর পাশাপাশি আইনি সহায়তা প্রদানের যাবতীয় পদক্ষেপ নিবেন। জেলগেটে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয়াসহ উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার পদক্ষেপও নিবেন তারা। উল্লেখ্য, চরম অসুস্থ অবস্থায় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা দীর্ঘ ১১ মাস যাবত কারাগারে মানবেতর জীবন এবং তাঁর পরিবারও অনাহারে জীবনযাপন করছেন ।
অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে সমাবেশ
০৯আগস্ট,রবিবার,মো.ইয়াসির,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঠাকুরগাঁও জেলার দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে এবং জেলার প্রকৃত দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে বিতরণের দাবিতে শনিবার প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলা উদীচীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। শনিবার জেলা শহরের চৌরাস্তা মোড়ে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে উদীচী জেলা সংসদ, আদিবাসী সাংস্কৃতিক জোট, শাহী বাউল গোষ্ঠী ও নিক্কন সংগীত বিদ্যালয়ের শিল্পীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে উদীচী জেলা সংসদের সভাপতি সেতারা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, আদিবাসী সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে ডমিনী তিগ্যা, শাহী বাউল গোষ্ঠীর পক্ষে বাউল আব্দুল মজিদ, বয়াতী হানিছ মিয়া, নিক্কন সংগীত বিদ্যালয়ের পক্ষে রাজন চন্দ্র, উদীচীর পক্ষে এমএস রাজু, অমল টিক্কু, সুচরিতা দেব প্রমূখ। বক্তাগণ অভিযোগ করে বলেন, সারাদেশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে সংস্কৃতিসেবীদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। গত ২০১৯-২০ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরসহ গত কয়েক বছর ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে যেসব সাংস্কৃতিক শিল্পী ও সংগঠনের বিপরীতে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দসহ বিতরণ করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুইজন মৃত ও অসংখ্য ভুয়া শিল্পী এবং বেশ কয়েকটি ভুইফোর, নিস্কৃয় সংগঠনের নামে মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং একটি চক্র তা আত্মসাতসহ কমিশন ভোগ করে আসছে।ভবিষ্যতে জেলার প্রকৃত দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দ প্রদানের দাবিসহ ৭ দফা দাবি জানান। উল্লেখ্য, একই দাবিতে জেলার উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কালকিনিতে বেরি বাঁধ কেটে দেয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা
০৮আগস্ট,শনিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নবগ্রাম এলাকার শশিকর গ্রামে বালাবাড়ি নামক স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি স্থায়ী বেরি বাঁধ কেটে দেয়াকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধের উত্তর পাড়ের লোকদের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেয়ার নামে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁধটি কেটে দেয় কালকিনি উপজেলা প্রশাসন। এতে বাঁধের দক্ষিণ পাড়ের শত শত একর জমির মৎস্য ঘের ও ফসলী জমি তলিয়ে যায় এবং চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়ে পল্টি খামারীরা। এনিয়ে আজ(শুক্রবার) দুপুরে ভূক্তভোগীরা মানববন্ধন করতে গেলে এতে বাঁধা দেয় বাঁধের উত্তর পাড়ের গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক। তিনি বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চালায়। তবে এব্যাপারে ভূক্তভোগী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু বলেন আমার ৮একর জমিতে মাছের ঘের ও ৪হাজার পেঁপে গাছ রয়েছে। বাঁধ কেটে দেয়ায় পানি ঢুকে তা তলিয়ে গেছে। আমার মত শত শত মৎস্য ঘের মালিক ও কৃষকের ক্ষতি সাধন হয়েছে আমরা এর ক্ষতি পূরণ চাই।

সারা দেশ পাতার আরো খবর