ভাঙ্গায় আ-লীগ নেতাকর্মিদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক অবরোধ
অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মিদের নামে থানায় মিথ্যা মামলা নেওয়ার প্রতিবাদে ওসির অপসারণ চেয়ে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছসেবক লীগ। রবিবার সকালে ভাঙ্গা ঈদগাহ মাঠ থেকে নেতাকর্মিরা বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হয়ে থানার মেইন ফটকের সামনে কিছুক্ষণ বিক্ষোভ করে এবং ওসির অপসারণসহ বিভিন্ন প্রকার শ্লোগান দেয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ। তখন থানার মেইন গেট বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পরে মিছিলটি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরসভার সামনের সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপি অবরোধ করে রাখে। এ সময় সড়কের দুপাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। পরে পৌর মেয়রের অনুরোধে মহাসড়কের উপর অবরোধসহ সকল কর্মসূচি তুলে নেওয়া হয়। এ সময় এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আবু রেজা মোঃ ফয়েজ বলেন, আমাদের নেতাকর্মিদের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলা নেওয়াসহ প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর নির্দেশে অবরোধসহ সকল কর্মসূচি পালন করেছি এবং থানা পুলিশ আমাদের দাবি মেনে নেওয়ায় কাজী জাফর উল্লাহর নির্দেশে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) গাজী মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, থানা ঊভয় পক্ষের মামলা নিয়েছে তবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আলোকিত বাংলাদেশ
ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে মাটিতে পুতে ফেললো পার্টনাররা
অনলাইন ডেস্ক: পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ হোসেন (৪০) নামের এক শেয়ার বাজার ব্যবসায়ীকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুতে ফেলে ব্যবসায়িক পার্টনাররা। নয়দিন আগে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটলেও পুলিশ লাশের সন্ধান পেয়েছে বুধবার দিনগত রাত ১১টার দিকে। চট্টগ্রাম মহানগরের ইপিজেড থানার নিউমুরিং বোবা কলোনীর বড়মাঝি প্রকাশ মাসকট প্রবাসি জসিম উদ্দীনের সাততলা ভবনের পাশের পরিত্যক্ত জমি থেকে ওই অর্ধগলিত লাশটি উত্তোলন করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উৎপল বড়ুয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হত্যার শিকার সাঈদের ব্যবসায়িক পার্টনার এরফান উদ্দিন কবির ও আরমান কবির নামের দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওসি আরো বলেন, নিহত সাঈদ নগরের গোসাইল ডাঙা এলাকার আজিজ মিয়ার বাড়ির আজমল হোসাইনের ছেলে। স্ত্রী ফরিদা আকতারকে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানার লালখান বাজারের হিলসাইড আবাসিক এলাকার দি ম্যাগনেফিসেন্ট বিটিআইয়ে ফ্ল্যাটে থাকতেন। ওসি উৎপল বড়ুয়া আরো বলেন, লাশ উদ্ধার করে রাতেই মর্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরকেও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। নিহতের স্ত্রী ফরিদা আক্তার জানান, পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে পার্টনাররা বাসা থেকে ডেকে নেয় গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে। ফরিদার ধারণা সে রাতেই সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার পর পর তিনি কিছু পরিচিত ও স্বজনকে নিয়ে সেই ভবনে যান এবং সাঈদের ব্যবসায়ীক পার্টনারকে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু তারা প্রথমে কোনো সদুত্তর দিতে না পারলেও পরে বলেন- সাঈদকে পাওনা টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। আর সেই টাকা নিয়ে ফেরার পথে ভবন থেকে বের হতেই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের কবলে পড়েছেন। ওই সময় ওই সন্ত্রাসীরা সাঈদকে ধাওয়া করে নিয়ে গেছে। এরপর আর কিছুই জানেন না তারা। ফরিদা আকতার বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর এরফান ও আরমান পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে সাঈদকে পতেঙ্গা নিউমুরিং বোবা কলোনীর জসিম বিল্ডিংয়ের সেই ভবনে যেতে বলেন। ফরিদার ভাষ্য অনুযায়ী, সাঈদ সেই দিন পূর্বপরিচিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক হেলাল উদ্দিনকে ডাকেন সেই জসিম বিল্ডিংয়ে যেতে। তবে হেলাল দূরে থাকার কারণে তার আরেক পরিচিত চালক মাঈন উদ্দিনকে পাঠান সাঈদের লালখান বাজারের বাসায়। সেখান থেকে সেই অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন সাঈদকে নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে নিউমুরিংয়ের সেই জসিম বিল্ডিংয়ে যান। সেখান চালক মাঈন উদ্দিনকে বাসার সামনে রাস্তায় দাঁড় করে রেখে সাঈদ একাই সেই বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করেন এবং রাত আটটার দিকে স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে সেখানে পৌঁছানোর কথা মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করেন। এদিকে দীর্ঘ প্রায় দুই ঘণ্টা পরও সাঈদ ওই ভবন থেকে বের না হওয়ায় অস্থির হয়ে পড়েন সাঈদকে বহন করে নিয়ে যাওয়া সেই চালক মাঈন উদ্দিন। এরপর সাঈদের পরিচিত সেই চালক হেলালকে মোবাইল ফোনে মাঈন উদ্দিন তার উদ্বেগের কথা জানান। সেই সময় থেকে হেলাল সাঈদের মোবাইলে বার বার ফোন করে মোবাইল বন্ধ পাচ্ছিলেন। পরে হেলাল ফরিদা আক্তারকে জানালে ফরিদা আক্তারও মোবাইলে কল করা শুরু করেন। তিনি মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় বাসার কর্মচারী রুবেল দত্ত ও চালক হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে রাত ১২টার দিকে সেই নিউমুরিং ভবনে যান ফরিদা। সেখানে গিয়ে এরফান ও আরমানকে সাঈদের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে প্রথমে তারা বলেন, সাঈদ আসেনি। পরে সিএনজিও চালক মাঈন উদ্দিন ও জসিম বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকার সাঈদ বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করতে দেখেছেন তবে বের হতে দেখেননি এমন সাক্ষি দেয়ার পর এরফান ও আরমান কোনো সদুত্তর দিতে পারছিলেন না। পরে তারা বলেন, পাওনা টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা দেয়ার পর সাঈদ রাত আটটা বিশ মিনিটের দিকে সেই ভবন থেকে বেড়িয়ে গেছে, তবে বিল্ডিংয়ের নিচে নামার সাথে সাথে ৩ থেকে ৪ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাকে ধাওয়া করে নিয়ে গেছে। তাদের এমন অসংলগ্ন কথাবাত্রায় পর তারা সেখান তেকে বেড়িয়ে যান। পরের দিন ১৮ সেপ্টেম্বর সাঈদ ওই ভবনে পাওনা টাকার জন্য গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি অবহিত করে পতেঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। ফরিদা আক্তার আরও জানান, সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশ এরফান ও আরামানকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, কিন্তু তারা কোনো ভাবেই সাঈদের অবস্থান স্বীকার করেননি। থানায় সাধারণ ডায়েরি করার কারণে উল্টো ফরিদাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় তারা দু’ভাই। এ ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর ওই জিডির সূত্রে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সাঈদের স্ত্রী ফরিদা আক্তার। সেই মামলায় আসামী করা হয়, এরফান উদ্দিন কবির (২৬), আরমান কবির (২৪), সুরাইয়া বেগম হিনা (২৩), নাজমুন নাহার (৪৫), মোহাম্মদ জিকু (২২) ও পিয়া আকতারকে (১৮)। জানাগেছে, মামলার আসামী সুরাইয়া বেগম হিনা ও পিয়া আকতার সম্পর্কে ফরিদা আক্তারের চাচাতো বোন। আর এরফান উদ্দিন কবির সুরাইয়ার স্বামী এবং জিকু প্রিয়া আকতারের স্বামী। নাজমুন নাহার ওই প্রবাসি জসিম ভবনের মালিক জসিমের স্ত্রী এবং এরফান ও আরমানের বড় বোন। তবে ভগ্নিপতি জসিম মাসকটে থাকার কারণে এরফান ও আরমান বড় বোন নাজমুন নাহারের সাথেই থাকেন। আর সেই জসিম ভবনের নিচ তলায় ব্যবসায়ীক অফিস তৈরি করেছেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এরফান সম্পর্কে চাচাতো বোনের স্বামী ও আরমান তার ভাই হওয়ার কারণে এবং আত্মীয়তার সুবাধে পার্টনারশিপের ভিত্তিতে শেয়ার ব্যবসা করার জন্য প্রথমে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছেন। আর ওই টাকা জসিমের স্ত্রী নাজমুন নাহারের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমেই নিয়েছেন তিনি। পরে ব্যবসা আরো বৃদ্ধি করবে বলে টাকা চাইলে এরফানকে নাজমুন নাহারের একাউন্টের মাধ্যমে আরো ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এরপর সাঈদের কাছ থেকে ব্যবহারের কথা বলে আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে একটি মটরবাইক কিনেন এরফান। এদিকে আত্মীয়তার সুবাধে জিকু ও তার স্ত্রী পিয়া আকতার ব্যবসা করার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা ধার নেয় সাঈদের কাছ থেকে। পরে ওই টাকা ফেরত চাইলে তারা টাকা না দিয়ে ছলচাতুরী শুরু করে। এরপর টাকা না দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে হত্যা করে বলে ফরিদা আক্তার অভিযোগ করেন। এদিকে ব্যবসায়ী সাঈদের লাশ উদ্ধারের আগেই ওই জসিম ভবনের জসিমের স্ত্রী নাজমুন নাহার, সুরাইয়া বেগম হিনা, জিকু ও প্রিয়া বাড়ি ফেলে আত্মগোপনে চলে গেছে। পরিবর্তন
বাড়ি থেকে ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুরল ইউনিয়নে রুবেল (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মামা তাকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে মহিবুল্লাপুর গ্রাম থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুবেল ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মহিবুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোবারকের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪২) ও নুরুল সেলামের ছেলে মো. মজিব (৪০) এবং রুবেল একই সঙ্গে এলাকায় চলাফেরা করতেন। জাহাঙ্গীর সম্পর্কে রুবেলের মায়ের চাচাতো ভাই। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রুবেলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন জাহাঙ্গীর। পরে তাদের বাড়ী থেকে কিছুদূর সামনে গিয়ে রুবেলের ওপর হামলা করে জাহাঙ্গীর ও মজিবের লোকজন। এসময় তারা রুবেলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এসময় রুবেলের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রুবেলের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা জানায়, রুবেল, জাহাঙ্গীর ও মজিবসহ এলাকার আরও কয়েকজন অস্ত্র ও মাদকের কারবারি করতেন। মাদক কারবারির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আলম মোল্লা জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল আসামি জাহাঙ্গীর ও মজিব পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: ঢাকাটাইমস
প্রেমিকের কাছে ধর্ষিত, সুযোগ নিলেন দুলাভাইও
অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে তার প্রেমিক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রেমিকের নাম রাব্বি। এ ঘটনাটি জেনে তা ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীর আপন ভগ্নিপতিও তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সাত নম্বর চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের সবজিপাড়া এলাকায়। রাব্বির বাড়ি একই গ্রামে আর ভগ্নিপতি রিপন মিয়া পার্শ্ববর্তী চর ঝাউগাড়া গ্রামের কালীবাড়ি গ্রামে মৃত সালাম মিয়ার ছেলে। অন্তঃসত্ত্বা ওই কিশোরী বলেন, রাব্বির সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রাব্বি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। বর্তমানে আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পাঁচ মাস আগে আমাকে না জানিয়ে রাব্বি আমারই খালাতো বোনকে বিয়ে করেছে। এক পর্যায়ে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারে আমার আপন ভগ্নিপতি রিপন। তিনি বিষয়টি ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার আমার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক করে। ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবার অভিযোগ, প্রেমের অভিনয় করে মিথ্যা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রাব্বি আমার মেয়েকে ধর্ষণ করায় সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এদিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার আপন মেয়ে জামাইও তাকে ধর্ষণ করেছে। আমি এই দুই নরপিশাসের বিরুদ্ধে শিগগির আইনের আশ্রয় নেব। অভিযুক্ত রিপনের স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার স্বামী এত বড় লম্পট তা কল্পনাও করতে পারিনি। ঘটনার শোনার পরপরই আমি বাবার বাড়িতে চলে আসি। আমি লম্পট স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এদিকে ঘটনার পর থেকে রিপন পলাতক রয়েছেন। তার রাব্বির মা বলছেন তার ছেলেকে ফাঁসাতে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: ঢাকাটাইমস
বরিশালে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা- আটক ৫
অনলাইন ডেস্ক: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একই ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টুকে (৪৪) গুলি করে হত্যার করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় ইউপির কারফা বাজারের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নান্টুকে গুলি করে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা। তাকে ওই রাতেই শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চেয়ারম্যান নান্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান নান্টু হত্যায় উত্তাল হয়ে উঠেছে জল্লা ইউনিয়ন। সেখানে শনিবার দিনভর বিক্ষোভ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লাশ নিয়ে মিছিল করেছে হাজার হাজার জনতা। বিক্ষুব্ধরা নান্টু হত্যার জন্য এমপি ইউনুস ও তার পিএসসহ অনুসারীদের দায়ী করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোটা এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃংখলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ এ পর্যন্ত ৫ জনকে আটকের পাশাপাশি দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করেছে। বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির বলেন, ইউপি সদস্য নান্টু খুনের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে ঘটনাস্থলের পাশের পুরুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্তব্যরত এসআই মিজানুর রহমান ও এসআই এবি ইউসুফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা সুখলাল হালদার হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সিরাজ সিকদার, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য তাইজুল ইসলাম পান্না, আইয়ুব আলী, হরষিদ রায়সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে কারফা বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান তার কাপড়ের দোকানে বসা ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেলে করে দক্ষিণ দিক দিয়ে কয়েকজন তার দোকানের সামনে নামেন। খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে বাজারের পূর্বদিক দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার ও তার সহযোগী কারফা গ্রামের নীহার হালদার (৩৫) গুলিবদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া। সেখানে রাত ১০টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে শেবাচিম হাসপাতালে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস গেলে উত্তেজিত কর্মীরা ঘটনার জন্য সাংসদকে দায়ী করেন। একপর্যায়ে উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবালের সঙ্গে সাংসদ ইউনুসের এ নিয়ে তর্কবিতর্ক ঘটে। তখন জল্লার শতাধিক নেতাকর্মী ইকবালের পক্ষ নিয়ে সাংসদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। পরে রাত ১২টার দিকে পুলিশের সহযোগিতায় সাংসদ শেবাচিম হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এদিকে শনিবার সকাল থেকে ইউপি চেয়ারম্যান হত্যার জেরে জল্লার সাধারণ মানুষ কারফা বাজারে জড়ো হন। তারা বাজারের সকল দোকান বন্ধ করে খুনিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। আজ দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান নান্টুর লাশ বরিশাল থেকে জল্লা আইডিয়াল কলেজমাঠে নেয়া হয়। সেখানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি কারফা বাজারে পৌঁছান। বিক্ষুব্ধরা খুনিদের বিচারের দাবিতে সমাবেশ করছিল। তারা এমপি হাসানাতের কাছে খুনিদের বিচার দাবি করেন। এমপি হাসানাত খুনিদের বিচারের আশ্বাস দেন। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে ভেবে শনিবার সাংসদ ইউনুস জল্লায় যাননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কারফা বাজারে বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল বলেন, গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ স্থানীয় সাংসদ ইউনুসের ব্যক্তিগত সহকারী। দলীয় কোন্দলের কারণে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান নান্টুকে খুন করা হয়েছে। হত্যার ১৫ দিন আগে থেকে ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ইকবাল। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, দুর্বৃত্তদের হাতে চেয়ারম্যান নান্টু নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। অবশ্য একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিপদে ফেলতেই খুনের ব্যাপারে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। তিনি দাবি করেন তারা হত্যার রাজনীতি করেন না।
চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকায় কার-মাইক্রো-সিএনজির ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামে নগরের পাঁচলাইশ থানা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার, নোহা মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ ভোরে দি কিং অব চিটাগং ক্লাবের সামনে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- প্রাইভেটকারে থাকা মো. ফারদিন (১৮) ও সিএনজি অটোরিকশার চালক মো. হানিফ (৪০)। ফারদিন নাসিরাবাদ বাটাগলি এলাকার আবুল বশর মিলনের ছেলে ও হানিফ হালিশহরের ব্রিকফিল্ড এলাকার মো. মুস্তফার ছেলে। জানা যায়, পাহাড়চূড়ার ওই ক্লাব থেকে নোহা মাইক্রোবাসটি নামছিল আর প্রাইভেটকারটি ঢুকছিল। সিএনজি অটোরিকশাটি ওই দুই পরিবহনের পাশে ছিল। এমন সময় ত্রিমুখী সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুজনকে চমেক হাসপাতালে রাত দুইটার দিকে ভর্তি করা হয়। পরে দুজনই ভোরের দিকে মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার।
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নেশার টাকা না পেয়ে ছেলের আত্মহত্যা
অনলাইন ডেস্ক: পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মায়ের কাছ থেকে নেশার টাকা না পেয়ে বিপুল (২৯) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর সদরের বড়াল আদর্শ গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহত বিপুল ওই মহল্লার মৃত আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত বিপুল দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াবাসহ নানা নেশায় আসক্ত ছিল। নেশার টাকার জন্য বেশ কিছু দিন ধরেই তার মাকে চাপ দিতে থাকে। মা দেলোয়ারা খাতুন (৫৫) টাকা জোগাড় করে দিতে না পারায় শুক্রবার বিকেলে নিজ বসতঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় বিপুল। সন্ধ্যা অবধি ঘরের দরজা না খোলায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান বিপুল ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ভাঙ্গুড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ওই যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে। সকালে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১- আহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে সাঁথিয়া উপজেলার সমাসনারী মাদ্রাসা নামক স্থানে সিএনজি- লেগুনা সংঘর্ষে তারিন (৫) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে নিহত তারিনের বাবা আনিস মোল্লা (৫৫), মা রাহিমা খাতুন (৪০) বড় বোন আফরিন (১০)। প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২১ সেপ্টোম্বর)) সকাল সাড়ে ৯টার সময় বেড়া উপজেলার নলভাঙ্গা গ্রামের মোঃ আনিস মোল্লা দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে চাকলা মোল্লা বাড়ি থেকে একটি সিএনজি ভাড়া করে নগরবাড়ি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছিল। এ সময় পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে উপজেলার সমাসনারী মাদ্রসা নামক স্থানে পৌছালে একটি লেগুনা পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিলে সিএনজি রাস্তার উপর উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তারিন মারা যায়। আহত আনিস মোল্লা, রাহিমা খাতুন, আফরিনকে পার্শ্ববর্তী বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
২ জেলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ও আ.লীগ নেতাকে জখম
অনলাইন ডেস্ক: টুয়াখালীর দশমিনায় বেতাগী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বুধবার রাতে বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের সানকিপুর গ্রামের মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একই পরিবারের শিশুসহ তিনজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। আহতদের দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা জানান, একই গ্রামের মাওলানা আ. সাত্তার মৃধা ও আ. রব মৃধাদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে বুধবার রাতে সত্তার মাওলানার ছেলে রাকিব হোসেনকে (২৪) একা পেয়ে রব মৃধাসহ অজ্ঞতনামা আরো চার-পাঁচ জন হামলা করেন। এ সময় রাকিবের চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাকিবকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সুরমা বেগম, শিশু রিসান ও আইরিন আক্তারকে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন কৃষ্ণ রায় চৌধুরী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। বরিশাল: বরিশাল নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আব্দুল আজিজ (৪৪) নামে এক নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে ভাটিখানা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটলে তাকে আহত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আব্দুল আজিজ (৪৪) নগরের পলাশপুরের বৌ-বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুস ছত্তারের ছেলে ও ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। আহত আব্দুল আজিজের দাবি, তিনি ইট-বালু ও সিমেন্টের ব্যবসা করেন। স্থানীয় কতিপয় যুবক তার কাছে বেশ কিছুদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। যা দিতে অপারগতা জানালে তার ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আব্দুল আজিজের স্বজনরা।

সারা দেশ পাতার আরো খবর