সিএমপির নতুন কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে মাহবুবুর রহমান (পিপিএম/সেবা) দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর লালদিঘীর পাড়স্থ সিএমপি সদর দপ্তরে তিনি নগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার বুঝে নেন। এর আগে মাহবুবুর রহমান সকালে সিএমপি সদর দপ্তরে এসে পৌঁছালে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগমসহ সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। মাহবুবুর রহমান এর আগে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহারকে চট্টগ্রাম থেকে রাজারবাগ পুলিশ সদর দপ্তরে টেলিকম অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টে (টিঅ্যান্ডআইএম) বদলি করা হয়। গত বছরের ১৩ আগস্ট রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন মাহাবুবর রহমান। জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী মাহাবুবর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি ১৫তম বিসিএসে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এএসপি (সদর দপ্তর) হিসেবে নরসিংদী জেলা পুলিশে, সার্কেল এএসপি হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলার সদর সার্কেল ও বাজিতপুর সার্কেলে এবং এএসপি সদর সার্কেল হিসেবে নেত্রকোনা জেলায় দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ ছাড়াও মাহাবুবুর রহমান সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতয়ালী) হিসেবে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন। কমিশনার (সিও) হিসেবে মহালছড়ি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও বগুড়া এপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়াও উপপুলিশ কমিশনার (তেজগাঁও) হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুর রহমান। ২০০২-০৩ সালে কসোভো ও ২০০৫-০৬ সালে আইভরিকোস্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুবুর রহমান। ২০১৩ সালে তিনি প্রেসিডেন্সিয়াল পুলিশ মেডেল (পিপিএম-সেবা) পদক লাভ করেন।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় টর্নেডোর আঘাতে লণ্ডভণ্ড তিন গ্রাম
টর্নেডোর আঘাতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে ২৫টি ঘরবাড়ির ব্যাপক কষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার রাতের ওই ঘড়ে বাড়িঘরের সঙ্গে শতাধিক গাছপালার ভেঙ্গে গেছে।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী, তিল্লা ও নয়াভাংগুনি গ্রামে প্রবল বেগে টর্নেডোর আঘাত হানে। মাত্র ৪ মিনিটের ওই ঝড়ের আঘাতে বেশ কয়েকটি বসতঘর বিধ্বস্ত এবং বহু বাড়িঘরে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময় প্রায় শতাধিক গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ওই ইউনিয়নের চতলাখালী গ্রামের কাওসার মিয়া বলেন, হঠাৎ ঝড় এসে ঘরবাড়ি তছনছ করে দিয়েছে। এখন অনেক পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাই নেই। খোলা আকাশের নিচে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। ছোটবাইশদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এবিএম আব্দুল মান্নান বলেন, এ ইউনিয়নের তিন গ্রামে বেশকিছু বসতঘর এবং গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেয়া প্রয়োজন। এ ব্যাপারে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) তপন কুমার ঘোষ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা তৈরি হলে জেলায় পাঠিয়ে দেয়া হবে।
ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছাতে পারছেন উত্তরের পথে
উত্তরের পথে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের সড়ক পথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। প্রতিবছর ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যানবাহনের চাপে এই মহাসড়কে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রীরা। এবারও এই মহাসড়কে ঈদযাত্রায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা করলেও এখনো মঙ্গলবার ( ১২জুন) দুপুর পর্যন্ত কোনও যানজটের চিত্র দেখা যায়নি। ফলে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌঁছাতে পারছেন। জানা যায়, গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। ঈদের আগে এ প্রকল্পের আওতায় চার লেন ও কয়েকটি ব্রিজ খুলে দেওয়ার ফলে যানজট তেমনটা পড়বে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, ‘এখনো কোনও যানজটের চিত্র দেখা যায়নি। ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরছেন। ’ তিনি বলেন,‘এবার ঘরমুখো মানুষকে তেমনটা যানজটের কবলে পড়তে হবে না। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পাহাড় ধস ও গাছচাপায় প্রাণ হারালেন ২ জন
কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভারী বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ও উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাছচাপায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে মহেশখালীর পানিরছড়া এলাকা এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তেলিপাড়া এলাকায় এ ঘটে। নিহতরা হলেন- উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকার বাসিন্দা মো. বাদশা মিয়া (৩৫) এবং উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জামতলী এলাকার হোসেন আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আলী (২০)। মহেশখালীর ওসি প্রদীপ কুমার দাস বলেন, সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে মহেশখালীতে গত কয়েকদিন থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আজ সকালে হোয়ানক ইউনিয়নের পানিরছড়া এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সময় পাহাড় ধসে বাড়ির পেছনের অংশের ওপর এসে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে মাটিচাপা পড়ে বাদশা মিয়ার মৃত্যু হয়। এদিকে, উখিয়া থানার ওসি মো. আবুল খায়ের জানান, ভারী বৃষ্টিপাতে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জামতলী এলাকায় গাছচাপায় মোহাম্মদ আলী নামের একজনের মৃত্যু হয়।নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ক্যাম্পের স্থানীয় এক হাসপাতালে রাখা হয়েছে বলে জানান ওসি।
ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে নিহত ১০
ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে রাঙামাটির নানিয়ারচরে ১০ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বড়কূলপাড়া একই পরিবারের তিনজন, হাতিমারায় তিনজন ও শিয়াইল্লাপাড়া গ্রামে শিশুসহ চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তারা হলেন- নানিয়ারচরে বড়কূলপাড়ার একই পরিবারের তিনজন সুরেন্দ্র লাল চাকমা (৪৮), তার স্ত্রী রাজ্য দেবী চাকমা ও মেয়ে সোনালী চাকমা (০৯)। হাতিমারা গ্রামের রুমেল চাকমা (১২), রিতান চাকমা (২৫) ও রীতা চাকমা (১৭)। শিয়াইল্লাপাড়া গ্রামের ফুলদেবী চাকমা (৩২), ইতি চাকমা (২৪) ও শিশু অজ্ঞাত (২ মাস)। এ ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নানিয়ারচর থানার ওসি আবদুল লতিফ বলেন, নানিয়ারচরের তিন গ্রাম থেকে ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটা একটা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। পাহাড় ধসের পর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, এ ঘটনার পর থেকে উপজেলায় অধিকাংশ এলাকাই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
পানির ট্যাংকির দেয়াল ধসে মা-ছেলে নিহত সাভারের আশুলিয়ায়
সাভারের আশুলিয়ায় একটি বাড়ির পানির ট্যাংকির দেয়াল ধসে পোশাক শ্রমিক নারী ও তার ৭ বছরের ছেলে নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল মরদেহ দুইটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় আহত আরও একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাভারের আশুলিয়ার নরসিংহপুর বাংলাবাজার এলাকায় নরু মোহাম্মদ পালোয়ানের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিমা বেগম শিল্পাঞ্চলের নরসিংহপুর এলাকার হা-মীম গ্রপের পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ছেলে সিয়াম হোসেন ক্লাস ওয়ানে লেখাপড়া করতো। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার কামালিয়াপাড়া এলাকায়। প্রতিবেশীরা জানান, ভোরে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়। একটু পরেই দেখেন ঘরে ভিতরে উপচে পানি ঢুকছে। দৌড়ে বাইরে এসে দেখেন সেলিনা বেগমের ঘরে উপরে দেয়াল ধসে পড়েছে। দ্রুত টুটুল নামে একজনকে উদ্ধার করতে পেরেছে। কিন্তু মা ও ছেলে ছেলে বের করতে পারেনি। আশুলিয়া ডিইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ন কবির জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থল থেকে দেয়ালের নিচে চাপা পড়া মা ও ছেলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে র্দুবল ভাবে তৈরি কারনে পানির ট্যাকিং দেয়াল ধসে পড়ে। আর ধসে নেীচের টিনের চাল ভেঙ্গে সরাসরি ঘুমন্ত মা ও ছেলের উপর পড়ে। আশুলিয়া থানার এস আই আবুল কালাম আজাদ জানান, টিনশেড আধাপাকা কক্ষের সাথে থাকা পানির ট্যাংকির দেয়াল ভোর রাতের দিকে হঠাৎ করে একটি কক্ষের উপর ধসে পড়ে। এতে করে ঘটনাস্থলেই দেয়াল চাপা পড়ে মারা যান মা সেলিনা বেগমসহ ৭ বছরের ছেলে সিয়াম হোসেন। আহত হন টুটুল নামে নিহত ওই নারীর ভাই। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পিকআপ ও অটোরিক্সসায় সংঘর্ষে লুৎফর রহমান লুতু (৬০) নামের একজন নিহত হয়েছে। সোমবার রাত ১টার দিকে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যশোর মারা যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেজপাড়া নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লুৎফর রহমান উপজেলার বেজপাড়া গ্রামের মৃত ভোলাই মন্ডলের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেজপাড়া নামকস্থানে পিকআপ ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় লুতফর রহমান গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১টার দিকে মারা যায়। কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মানবসেবা মুলক সংগঠন হাসির পক্ষ হতে শিশুদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের ৩৩নং ওয়ার্ড ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের জাকির হোসেন দাতব্যচিকিৎসালয় অডিটোরিয়ামে ইসমাইল আজাদের সভাপতিত্বে ও শহীদুল ইসলামের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মহসিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বেসরকারী কারাপরিদর্শক আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, মোঃ মহিউদ্দিন, এড.মোঃ হোসাইন, মিজানুর রহমান মাদুদ (সোহাগ), মোঃ আব্দুল হালিম দিদার, আমিরুল কবির সুমন, এইচ.এম মনছুর, ইরফানুল আলম হিমেল সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মহসিন বলেন দেশহতে মাদক নির্মূলের সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি পারিবারিকভাবে সন্তানদের শিক্ষা দিতে হবে। মাদক সমাজের জন্য কত ক্ষতিকারক। হাসি সংগঠনের মত দেশের প্রতিটি সংগঠন মানবসেবা মূলক কাজে মানুষের পাশে থাকবে। এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোসলেহ উদ্দিন মুন্না প্রশংসা করে ওনার জন্য দোয়া কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলায় এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় আমিনুল ইসলাম , তোমাদের দিকে তাকিয়ে
জিপিএ-৫ প্রাপ্তি একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ করতে পারে না। সার্টিফিকেট যদি একজন মানুষকে পরিপূর্ণ মানুষ বানাতে পারতো তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাঁর ছাত্রীকে নাম্বার বেশি দেওয়ার প্রলোভনে কু-প্রস্তাব দিতে পারতো না। সার্টিফিকেট যদি মনুষ্যত্ব বিচারের মাপকাঠি হতো তাহলে একজন চিকিৎসক তার রোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন করতে পারতো না। আমরা সেই শিক্ষিত প্রজন্ম চাই না, যারা সমাজ ও দেশের জন্য কলঙ্ক। আমরা এমন আলোকিত মানুষ চাই যাদের আলোকছটায় বাংলাদেশ দ্যুতি ছড়াবে। সুন্দর বাংলাদেশ বির্নিমানে যাদের অংশগ্রহণ থাকবে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধা করবে না। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মকে সে শপথ নিতে হবে আজ। অদ্য শনিবার বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত ২০১৮ সালের এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এ কথা বলেন। রেডিসন ব্লুর মোহনা হলে অনুষ্ঠিত কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো: সাজ্জাত হোসেন। কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শিবু প্রসাদ চৌধুরী। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক পল্টন দাশর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক, বিশিষ্ট অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: নাছির, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য কে বি এম শাহজাহান, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য গাজী মো: জাফর উল্লাহ, নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুুরুল আজিম রনি, মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুশতারি মোরশেদ স্মৃতি। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন পলাশ। আলোচনা পর্বে সূচনা হয় কৃতি শিক্ষার্থী রাকিবুল করিম কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে। কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন মো: আরিফ উদ্দিন, সজীব চন্দ্র দাশ, সুমাইয়া প্রাচী, সাবিনা আফরিন ফার্সিয়া, সানিহা জারিন আভা, উম্মে ফাহিমা আজাদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া থানা আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মো: নাছির, সংগঠনের উপদেষ্টা সরফরাজ নেওয়াজ মাসুদ, ইঞ্জিনিয়ার এস এম মোরশেদ, এম শাহাদাত নবী খোকা, এড. প্রকৃতি চৌধুরী ছোটন, মোরশেদুল ইসলাম সিকদার, আবদুল্লাহ আল জোবয়ের হিমু, অলী রেজা পিন্টু, আবু সাঈদ সুমন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে নোবেল দে টিটু, তারেক আজিজ, আকাশ দে, খোরশেদুল আলম সোহান, সাজ্জাদ হোসেন সাকিব, নোমান বিন খুরশিদ, সুপন দেবনাথ, নাভিল হাসান, রিয়াজ মুহাম্মদ, রাজীব দাশ, তারেক খান, জাবেদুল ইসলাম জিতু, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন চারুতা নৃত্যকলা একাডেমীর শিক্ষার্থীরা। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন মুহাম্মদ ফজল আমিন শাওন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে আগামীর বাংলাদেশ। জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে পারলেই সত্যিকারের মানুষ হওয়া সম্ভব। তার জন্য সবাগ্রে দরকার নিজেকে জানো। নিজেকে চিনি না বলেই আমরা আমাদেরকে অনেক কিছুই ভাবি। যা উচিত না। নিজেকে জানলেই নিজের ভেতর কু-প্রবৃত্তি ধ্বংস করতে পারে না। কু-প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলেই নিজেকে সত্যিকারের মানুষ রূপে গড়া সম্ভব। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রোকেয়া প্রাচী বলেন শিক্ষক ও বাবা মাকে সম্মান করতে হবে। কারণ একজন সন্তান ভাল ফলাফল করার পিছনে রয়েছে শিক্ষক এবং মা-বাবার অক্লান্ত পরিশ্রম । তিনি আরো বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রমান করেছে শিক্ষা সুযোগ নই, শিক্ষা অধিকার। জানুয়ারীতে সবার হাতে বই পৌঁছিয়ে দিয়ে যে প্রজন্মকে গড়ার দীপ্ত শপথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে সেটিও সাধুবাদ হওয়ার যোগ্য। শিক্ষার্থীদের যে কাজটি করতে হবে মাদককে না বলা, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদকে না বলা ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে এগিয়ে আসা। এগুলো প্রতিটি বিবেকবান প্রজন্মকে দায়িত্ব নিয়ে করে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে, জানাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাত হোসেন বলেন, জীবনে সফল হওয়া বড় কথা নই, সার্থক হওয়াটা বড় কথা। জীবনটাকে সার্থক করা তোলা সফল হওয়ার চাইতেও কঠিন কাজ। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ, আইনজীবি হওয়াটা ব্যক্তিগত অর্জন এটা অনেকেই হবে। আর এই অর্জনটাকে পরিবার সমাজ, দেশ সর্বোপরি মানবতার জন্য কি করতে পারলাম সেটাই হচ্ছে সার্থকতা। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ সফল এবং সার্থক বাঙালির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি