রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১১
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় আগুনে প্রায় ৪০ হাজার বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ১৫৫ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকাল ৫ টারদিকে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কার্যালয়ের সভাক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মহসিন। সচিব মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ঘটনায় শুধু ঘরবাড়ি নয় পুড়েছে আইওম ও তুর্কি সরকারের দুইটি বড় হসপিটালও পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দশ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাদের বসতঘর পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে দৌড়াদৌড়ি ও হুড়োহুড়িতে পড়ে হাজারো রোহিঙ্গা আহত হয়েছে। আগুনে সম্পুর্ণ বাড়ি ঘর পুড়ে যাওয়ায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহারা হয়েছে। তবে আগুনে দগ্ধ হয়ে দুই শিশু সহ এ পর্যন্ত ৭ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। অগ্নকান্ডের ঘটনায় দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে কক্সবাজার শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনারকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হরেছে বলে জানান চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন। অগ্নকান্ড পুড়ে যাওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প অজ সকালে পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সকালে জানিয়েছেন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত দুই শিশু সহ ৭ জন রোহিঙ্গা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত করা হলের পরে বিকালে এক প্রেসব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মহসিন আরও ৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন। এনিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১১ জনে দাড়িয়েছে। এদিকে আইএসসিজি এর কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ তাফহিম জানিয়েছে, কুতুপালং বালুখালী ক্যাম্প ভিত্তিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তৈরি একটি শিটের হিসাব অনুসারে বালুখালির ক্যাম্প ৮-ইতে ঘরের সংখ্যা ৬ হাজার ২৫০ আর লোকসংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭২ জন, ৮-ডব্লিউ ক্যাম্পে বাড়ি ৬ হাজার ৬১৩টি আর লোকসংখ্যা ৩০ হাজার ৭৪৩ জন, ক্যাম্প ৯-এ বাড়ি ৭ হাজার ২০০ টি আর লোকসংখ্যা ৩২ হাজার ৯৬৩ জন এবং ক্যাম্প ১০-এ বাড়ি ৬ হাজার ৩২০টি আর লোকসংখ্যা ২৯ হাজার ৭০৯ জন। তিনি উল্লেখ করেন অগ্নিকাণ্ডে এই চারটি ক্যাম্পের অধিকাংশ ঘর ক্ষতিগ্রস্হ হয়। এদিকে দীর্ঘ ৭ ঘন্টা অগ্নিকান্ডের ঘটনায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয়স্থল হারিয়ে এক কাপড়ে আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে। আশ্রয়হারা লোকজন হারিয়েছে তাদের ক্যাম্পের ঝুপড়ি ঘরের সব মালামাল। আশেপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্হানীয় গ্রামবাসীর বসতভিটাতে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা।
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে ৭ বসত ঘর, খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্তরা
২২,মার্চ,সোমবার,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর অঞ্চল অষ্টগ্রামে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে অন্তত সাতটি বসত ঘর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশপাশের আরও কিছু ঘর-বাড়ি। সবকিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। রোববার দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের জামালপুর হাটিতে এ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বাড়ির লোকজনের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরইমধ্যে পুড়ে যায় অন্তত সাতটি ঘর। সবকিছু হারিয়ে পথে বসেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮
২১,মার্চ,রবিবার,ফরিদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাঝকান্দি নামক স্থানে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন। অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলায় প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে আরও দুইজন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুইজন। আহত হয় মাইক্রোবাসের আরও ১৪ যাত্রী। তাদের মধ্যে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়। রোববার (২১ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদিকে রোববার ভোরে ভাঙ্গা সদরের চৌরাস্তা মোড়ে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয় ১ জন। নিহত দুইজন হলেন- মোটরসাইকেলের আরোহী সাকিল খান ও নাইমুর রহমান।
যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮
২০,মার্চ,শনিবার,বগুড়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন যাত্রী। শুক্রবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল নামক স্থানে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত চার জন হলেন- নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খদাখড়িবাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রেজাউল ইসলাম সাগর (২২), গয়াবাড়ী এলাকার মানিক মিঞার ছেলে মোস্তফা (২৫), পশ্চিম সাতনাই এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে বাবুল ইসলাম (৫০) ও সৃষ্টি গাড়ির চালক রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার কার্ফইখাল এলাকার রাজা মিঞার ছেলে রওশন হাবিব (৩৫)। শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাবিল পরিবহনের একটি বাস মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার দশমাইল এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সৃষ্টি পরিবহনের অপর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন যাত্রী নিহত হন। আর দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আটজনকে উদ্ধার করে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি মহাসড়কে পড়ে থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মহাসড়কের উভয়পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সড়কটিতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের দশমাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আলম আনাম জানান, দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানান চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার পর যান চলাচল বন্ধ থাকলেও কিছু সময় পরেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। বগুড়া ছিলিমপুর (মেডিক্যাল) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজিজ মণ্ডল জানান, শেরপুর উপজেলায় দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থলে দুইজন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় শজিমেক হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা
১৭,মার্চ,বুধবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবদ্বয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের নেতৃত্বে দলীয় সভাপতির পক্ষে ও পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ ও টুঙ্গিপাড়াসহ জেলাজুড়ে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
চকরিয়ায় আগুনে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু
১৬,মার্চ,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবাংয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) গভীর রাতে হারবাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- মো. জিহাদ (১১), তার দুই ছোট বোন ফৌজিয়া জন্নাত মিম (৯) ও আফিয়া জন্নাত মিতু (৭)। হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর জানান, রাতে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে আগুন লাগে। মুহুর্তেই আগুন ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে বয়স্করা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু ওই তিন শিশু ঘুমিয়ে থাকায় বের হতে পারেনি। ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়ে তিন সহোদদের মৃত্যু হয়। চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার সাইফুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের টিম পাঠানো হলেও ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়াতে গাড়ি সেখানে পৌঁছেনি। তবে আমাদের দমকল বাহিনী ও স্থানীয় লোকজন প্রায় এক ঘণ্টায় চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। খবর পেয়ে আমি গভীর রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। পরিবারটিকে সরকারি সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করতে প্রস্তুত যশোরেশ্বরী কালীমন্দির
১৬,মার্চ,মঙ্গলবার,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনে প্রস্তুত সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। নতুন সাজে সজ্জিত সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের এই পবিত্র তীর্থস্থান। মোদিকে স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নতুন সাজে সজ্জিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। পৌরাণিক গ্রন্থ মতে, পাক-ভারত উপমহাদেশে ৫১টি সতীপিঠকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এক একটি তীর্থস্থান, যার একটি যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। ১৫৮০ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রাজা লক্ষণ সেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরকালে ২৭ মার্চ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজার অর্ঘ্য নিবেদনের কথা রয়েছে তার। স্থানীয়রা বলছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের মন্দিরে আসবেন। এজন্য খুব গর্ববোধ করছি। এছাড়াও শ্যামনগরের সর্বস্তরের মানুষ বেশ উচ্ছ্বসিত। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই এলাকার কালীমন্দিরে আসবেন। নরেন্দ্র মোদির আগমন সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফজাল হোসেন নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ এবং ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করেছি আমরা। এছাড়াও আমাদের নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শেরপুরে গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষীরা
১৫,মার্চ,সোমবার,শেরপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কম খরচে ও স্বল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়ায় শেরপুর জেলায় ক্রমেই বাড়ছে গাজরের চাষ। উচ্চমূল্যের এ সবজির বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় নকলা সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ অন্যান্য উপজেলায় গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। উৎপাদিত গাজর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধুমাত্র ধান কিংবা পাট আবাদ ছাড়াও কৃষিকে অধিক লাভজনক বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে গাজরসহ বহুমুখী ফসল আবাদে চাষীদের সকল ধরনের সহায়তা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি বিভাগ। এছাড়া কৃষি বিভাগের সহযোগিতা, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেলে এ আবাদ জেলায় সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে আশাবাদী এলাকার প্রান্তিক চাষীরা। কৃষকরা জানান, কিছুদিন আগেও এলাকায় গাজর চাষ সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা ছিলো না স্থানীয় চাষীদের। তবে অল্প শ্রমে উৎপাদন বেশি ও ভালো দাম পাওয়ায় এখন ধীরে ধীরে গাজর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। নকলা উপজেলায় এবার প্রথমবারের মতো ৩৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল মোতালেব। গাজর চাষে মোতালেবের সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষক এ সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। উৎপাদন ভালো হওয়ায় আগামীতে গাজর চাষের পরিমাণ ও চাষীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। গাজর চাষী আব্দুল মোতালেব বলেন, এবার প্রথম ৩৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এতে আমার ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকা। শেরপুর নকলা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস জানান, স্বল্প আয়ুর এ সবজি চাষে কৃষকরা যতটা লাভবান হন, ধান বা অন্য কোনও ফসল আবাদে সেটি সম্ভব নয় বলে দিনদিন গাজর চাষের পরিমাণ ও চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, এই জমি থেকে ৬০ থেকে ৭০ মণ গাজর তুলতে পারবেন আব্দুল মোতালেব। প্রতি মণ গাজর বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। বাজার ভালো থাকায় তার মুখে ফুটেছে হাসি। সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ জেলায় এবার ১৬৫ হেক্টর জমিতে গাজরের আবাদ হয়েছে।
সাতকানিয়ায় দিন দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাই
১৪,মার্চ,রবিবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দিনদুপুরে গুলি করে ব্যবসায়ীর কাছ নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৪ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা মিঠাদিঘী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুলিবিদ্ধ মিজান সাতকানিয়া ঢেমশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিল্লাপাড়া এলাকার নুরুল হুদার ছেলে। নগরের জহুর হকার্স মার্কেটে শান্তি স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার। তিনি জানান, সকালে বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে পদুয়া থেকে আরও ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে সিএনজি নিয়ে সাতকানিয়ায় ফিরছিলেন। সাতকানিয়ার ছদাহা মিঠাদিঘী এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে আরেকটি সিএনজি গতিরোধ করে। ওই সিএনজিতে ৪ থেকে ৫ জন মুখে কালো কাপড় বাঁধা অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিল। তাদের মধ্যে একজন বাঁ হাতে গুলি করে ৫৫ হাজার টাকা ও একটি স্যামসাং মোবাইল ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন নিউজ একাত্তরকে বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা মিঠাদীঘিতে ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া না যাওয়াতে তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে। আমরা বিষয়টি দেখছি। এ পর্যন্ত কেউ থানায় কোন অভিযোগ করেনি, আমরা মৌখিকভাবে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসেছি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর