সারা দেশে প্রচারণায় সরগরম
অনলাইন ডেস্ক: ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ঘিরে প্রচার প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে সারা দেশের নির্বাচনী মাঠ। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পাড়া মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের প্রার্থীরা। চলছে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও উঠান বৈঠকসহ নানা কার্যক্রম। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইছেন তারা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ক্ষমতায় গেলে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢেলে সাজানোর ফুলঝুরি তাদের মুখে। তবে এলাকার উন্নয়নসহ সুখে-দুঃখে পাশে পাবেন এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা।
চিঠি দিয়ে শরীয়তপুরের ডিসিকে হুমকি
অনলাইন ডেস্ক: শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী আবু তাহেরকে চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। ডাকযোগে এ চিঠি পাঠানো হয় জেলা প্রশাসককে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসকের হাতে ওই চিঠিটি পৌঁছায়। চিঠিতে সরাসরি জেলা প্রশাসক আবু তাহেরকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, জেলা প্রশাসক আওয়ামী লীগ নেতার মতো কাজ করছেন। তবে টার্গেট আওয়ামী লীগ নন, টার্গেট তিনি (জেলা প্রশাসক)। একই সঙ্গে পরিবার-পরিজনদের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের সম্পত্তির ওপর হামলার হুমকিও দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, আমি এসব হুমকিতে ভীত নই। প্রশাসনের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য কোনো কৌশল হতে পারে। চিঠির একটি কপি পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করবে। শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণায় জমজমাট আ. লীগ
অনলাইন ডেস্ক: দিনভর জমজমাট ছিলো রাজধানীসহ সারাদেশের নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনের ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। বিগত সময়ের উন্নয়ন আর এবারের দলীয় ইশতেহারের বাইরেও স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ আবারো অন্ধকারে চলে যাবে। রাজধানীতে জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই প্রচারণার মাঠে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। শনিবার বিকেলে ঢাকা ২ আসনে গণসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ভোট চান তিনি। ঢাকা-৫ আসনে ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দেন হাবিবুর রহমান মোল্লা। ঢাকা ১১ ও ১৩ আসনে প্রচারণা চালান আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম রহমতউল্লাহ ও সাদেক খান। নোয়াখালীর কবিরহাটে নির্বাচনী প্রচারণা চালান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় সারাদেশে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। রাজধানীর বাইরে অন্যান্য জায়গায়ও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটারদের কাছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
জনতার ঢল মাশরাফির জন্য
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রচারণায় নিজ এলাকায় পৌঁছেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সড়কপথে নড়াইল পৌঁছান তিনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাশরাফি নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদরের আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। মাশরাফির সফরসঙ্গীসূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় ঢাকার বাসা থেকে নড়াইলের উদ্দেশে রওনা হন মাশরাফি। মাওয়া হয়ে তিনি কালনা ঘাটে পৌঁছান বেলা ১টায়। কালনা ঘাট অর্থাৎ, মধুমতী নদী পার হলেই মাশরাফির নির্বাচনী এলাকা শুরু। নদীর পাড় থেকে শুরু করে নড়াইল সদর পর্যন্ত রাস্তায় কয়েক হাজার ভক্ত ও দলীয় নেতা-কর্মী দুপুর থেকে তার অপেক্ষায় ছিলেন। মাশরাফি পৌঁছলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত জনতা। কালনা ঘাট থেকে ১৮ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে নড়াইল শহরে আসতে মাশরাফির সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। এসময় প্রায় ১৬টি পথসভায় বক্তব্য দেন মাশরাফি। এ সময় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে হিমশিম খেতে দেখা যায়। আওয়ামী লীগের নড়াইল জেলা শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং মাশরাফির নির্বাচনী প্রচারণার সমন্বয়ক সৌমেন বসু জানান, পথসভায় বক্তব্যের সময় মাশরাফি তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় রাখার জন্য তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। মাশরাফি বলেন,দেরিতে আপনাদের মাঝে পৌঁছানোর জন্য আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
বাস ও মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে শিশুসহ গোপালগঞ্জে নিহত ৯
অনলাইন ডেস্ক: গোপালগঞ্জে বাস ও মাহেন্দ্রর মধ্যে সংঘর্ষে শিশুসহ নয়জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার হরিদাসপুর নামক স্থানে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মাহেন্দ্রচালক রাজিব মোল্লা, হরিদাসপুর গ্রামের সাদ্দাম মোল্লা ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমদিয়া গ্রামের মোর্শেদ গাজীর নাম জানা গেছে। অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় বাস , মাহেন্দ্রযাত্রী ও পথচারী নিহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার হরিদাসপুর নামক স্থানে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোপালগঞ্জগামী গোল্ডেনলাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাহেন্দ্র থ্রি-হুইলারের সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুসহ নয়জন মারা যায়। আহত হয়েছে আরো ২০ জন। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
শিশুসহ আগুনে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ ফতুল্লায়
অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হকবাজার এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে শিশুসহ একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হয়েছে। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফতুল্লায় হকবাজার এলাকার চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- শ্রীনগর নাথ চন্দ্র বর্মণ (৩৫), তার স্ত্রী মতি অর্চনা (৩২) তাদের সন্তান অনামিকা (১৫), ছেলে অর্পিত (১০)। এছাড়া বর্মণের মা ছায়া রানী (৬০), তার মেয়ে সুমিত্রা (২৭), তার ছেলে প্রমিত (১৪), তার ছোট ভাই শাওন (১০), বর্মণের বোন জামাই নারায়ণ চন্দ্র (৪০)। বর্মণ জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মোবাইল ফোনের রিংটোনের শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যায়। পরে উঠে লাইটের সুইচ দিতেই রুমের মধ্যে আগুন লেগে যায়। এতে তিনিসহ ঘুমন্ত অন্যরা দগ্ধ হন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। পরে জানা যায়, বাড়ির গৃহকর্ত্রী ঘুম থেকে উঠে চুলায় আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করতেই পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে আগে থেকেই গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। ঢামেক পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এনা পরিবহনের সঙ্গে কৌশিক পরিবহন নামে আর এক বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আরও অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের কারোই পরিচয় জানা যায়নি। খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হোসেন সরকার জানান, রাতে ঢাকাগামী এনা পরিবহনের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা কৌশিক পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রচারণায় নীরব বিএনপি,ফেনীতে এগিয়ে আওয়ামী লীগ
অনলাইন ডেস্ক: প্রচলিত আছে ফেনী শহর যার জেলায় রাজনৈতিক মাঠে শক্তি তার। আর এই শক্তির লড়াইয়ে ফেনী-২ আসনে বরাবরের মতো এগিয়ে আওয়ামী লীগ। প্রচার প্রচারণায় তারা মাঠে এগিয়ে থাকলেও দৃশ্যমান প্রচারণায় মাঠে নেই বিএনপি। তারা প্রতিবন্ধকতার কথা বললেও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দাবি, কোনো অভিযোগ নেই তার কাছে। গত ১১ ডিসেম্বর প্রচারণার প্রথম দিন থেকে ফেনী-২ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয়দিনে ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে নির্বাচনী জনসভা করেছেন। বাকি সময়ে নির্বাচনী জনসভার ছক করে রেখেছেন পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে। চলছে তাদের মাইকিং। ঝুলছে পোষ্টার ব্যানার ফেস্টুন। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদিন ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে প্রথমদিন ফেনী শহরের আধ্যাত্মিক স্থপতি সৈয়দ আমির উদ্দিন প্রকাশ পাগলা মিয়ার মাজার জিয়ারত ও বিজয় দিবসে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া বিএনপির প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগের তেমন কোনো চিত্র দৃশ্যমান নয়। এদিকে প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ করে ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের দুষলেন সরকারি দলকে। তিনি বলেন, জনসংযোগ করতে পারছি না। সরকার দলের সন্ত্রাসীর আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। মিথ্যা মামলায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে। অবশ্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী জানিয়েছেন বিএনপি নিজেদের বিরোধ চাপা দিতে মিথ্যাচার করছে। ফেনী-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেন, তাদের মধ্যে অন্তঃকোন্দল আছে। বিএনপির মধ্যেই তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ। তবে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দাবি, প্রচার প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে এমন কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। এই আসনে দশম সংসদ নির্বাচনের পর ৪৭ হাজার ৯৭৪ জন নতুন ভোটার যোগ হয়ে এবার ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭১ জন।
চাঁদপুরে নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মধ্যে রয়েছে ওই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও দুই শিশু কন্যা। সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে দেবপুর গ্রামের বড়হুজুরের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীরা বড়হুজুরের ঘরে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিমউদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একই পরিবারের চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতরা হলেন, মাইনুদ্দীন (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৪), দুই শিশু কন্যা মিথিলা (৫) ও সিয়াম (১)। চাঁদপুর সদর পুলিশ সুপার সার্কেল মো. জাহেদ পারভেজ জানান, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ এসে ঘরের আড়ার সঙ্গে মাইনুদ্দীনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। বাড়ির পাশের পুকুরে ফাতেমা বেগমের মরদেহ ভাসছিল। ঘরে দুই শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি।