সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমযানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা গত ৭ জুন বিকেল ৫টায় সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল বাশার তালুকদারের সভাপতিত্বে নগরীর রীমা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ আলহাজ্ব নুর হোসেন ও যুগ্ন সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের পরিচালনায় এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সাধারণ এড. নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এড. মুজিবুল হক, সাবেক সভাপতি রতন কুমার রায়, চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইউনুস, মোঃ ইদ্রিস, আবদুল মালেক, আলহাজ্ব বদিউজ্জামান, এড. মোঃ ইলিয়াস, আলহাজ্ব মোঃ আখতার উদ্দীন, জয়শান্ত বিকাশ বড়ুয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. এম.এ. বারী, আলহাজ্ব নুর হোসেন, সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আসহাব উদ্দীন, নুরুল ইসলাম, তপন কান্তি দত্ত, কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সমন্বয় পরিষদ মনোনিত সভাপতি প্রার্থী মোঃ এনায়েত উল্লাহ, সাধারন সম্পাদক প্রার্থী আনিসুর রহমান, সহ সভাপতি প্রার্থী মঞ্জুরুল কাদের, যুগ্ন সম্পাদক প্রার্থী লিটন মিত্র, অর্থ সম্পাদক প্রার্থী মোঃ বাহার উদ্দীন, কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী এড. আনিস ইফতেখার, আবছারুল হক, সঞ্জীবন চন্দ্র সরকার, সুভাষ দত্ত, রজত সাহা রনি, হুমায়ুন কবির, হাসিবুল হাসান রাশেদ, আজমল হক মামুন প্রমুখ। ধর্মীয় আলোচনা করেন মাওলানা মহিউদ্দীন নেছারী। সভায় বক্তারা বলেন পবিত্র রমযান আমাদেরকে আতœত্যাগ ও আতœশুদ্ধি হতে শেখায়। এই মাসে আমরা নিজেদেরকে ধর্মীয় অনুশাসনের মাধ্যমে আতœত্যাগের শিক্ষা নিয়ে নিজেদেরকে মানবকল্যাণে আতœনিয়োগ করার সুযোগ পেয়ে থাকি। বক্তারা আরো বলেন আসুন আমরা সকল রকম হানাহানি, হিংসা বিভেদ ভুলে নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ মানুষ হয়ে সমাজের অবেহলিত মানুষের কল্যাণে কাজ করি। সভা শেষে দোয়া ও মুনাজাত করেন মাওলানা মহিউদ্দিন নেছারী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আল-হাসনাইন ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ
আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিপদজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়ে থাকি। নিজের জীবনকে নিরাপদ রাখতে হলে হযরত মহানবী (দ.) নির্দেশিত এপদ্ধতি পালন করার বিকল্প নেই। তাই নিঃস্ব মানুষের অন্নবস্ত্র বাসস্থানের যোগান দানে সকল বিত্তবানদের উদার হস্তে এগিয়ে আসতে হবে। এতিম অসহায়, অন্ন-বস্ত্রহীন মানুষের প্রতি সদয় হওয়ার জন্য রাসুলে করিম (দ.) উপদেশ দিয়েছেন- নিজে পেট পুরে খেয়ে পাড়া-প্রতিবেশী দরিদ্রের কোন খোঁজ খবর না নিলে কিয়ামতের ময়দানে কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। আল-হাসনাইন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছাত্রসেনা ৩৫নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড শাখার সহযোগিতায় গত ৭ জুন বৃহস্পতিবার নগরীর বাকলিয়া খাজা গরীবে নেওয়াজ কমপ্লেক্সে বাস্তুহারা সুবিধা বঞ্চিত এতিম অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আলমগীর ইসলাম বঈদী, খাজা গরীবে নেওয়াজ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোফাচ্ছল হোসেন, ছাত্রসেনা কোতোয়ালী থানার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাব্বির, ছাত্রসেনা ৩৫নং ওয়ার্ড শাখার সভাপতি মুহাম্মদ নুর রায়হান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম, আমির হোসেন সোহেল, মহিউদ্দিন সায়েম, নাছিফুল আলম, হাফেজ রিয়াজ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামস্থ সাতকানিয়া ছাত্র সমাজের ইফতার মাহফিল
৬ জুন বুধবার নগরীর প্রিয়া কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রামস্থ সাতকানিয়া ছাত্রসমাজের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ এর সভাপতিত্বে ও পুরানগড় ছাত্রলীগের আহবায়ক হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আজিজুর রহমান, সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা হারুনুর রশীদ, কোতোয়ালি থানা যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম শাহানুর, যুবলীগ নেতা সালা উদ্দিন, রিদুওয়ানুল হক সুমন, মোহাম্মদ শাহজাহান রুবেল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিকদার, মামুনুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মানিক ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহাবুদ্দিন জেলা ছাত্রলীগ নেতা মঞ্জুর আলম, নাহিয়ান মোরশেদ, মোহাম্মদ রাকিব, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আয়েছ, আজমীর শাহ, মোঃ মামুন, মোঃ আরিফ, নারায়ান দত্ত প্রমুখ। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে দূরবার গতিতে এগিয়ে চলেছে। তিনি সকল বেধাবেধ ভুলে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে দেশ বিরোধীদের মোকাবেলায় ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রতিদিন সাধারণ মানুষের সাথে ইফতার করেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম. মনজুর আলম
আলহাজ্ব মোস্তাফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিদিন ধনী গরীব সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সিটি গেইটস্থ নিজ বাসভবনে ইফতার করেন সাবেক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব এম. মনজুর আলম। গত ৫ জুনও যথারীতি মোস্তাফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম. মনজুর আলম। ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত করেন মাওলানা মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন আল কাদেরী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক মোঃ সালাউদ্দীন, শাহেদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। উল্লেখ্য আলহাজ্ব মোস্তাফা হাকিম ওয়েলফেয়ার দীর্ঘ কয়েকযুগ ধরে বিভিন্ন শিক্ষা, সমাজসেবা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনাসহ বিভিন্ন সমাজ উন্নয়ন মুলক কাজ করে যাচ্ছে নিরবে নিবৃত্তে। এছাড়া পবিত্র মাহে রমযানে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে ইফতার, সেহেরি সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা, মসজিদ, মাদ্রাসায় প্রতিদিন ইফতারি দিয়ে যাচ্ছে। আলহাজ্ব মোস্তাফা হাকিম ওয়েলফেয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এম. মনজুর আলমের সার্বিক পরিচালনায় এ সমাজসেবামুলক কার্যক্রম অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, দক্ষতার সাথে পালন করে যাচ্ছে। যা সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষের কাছে প্রশংসার যোগ্য। মোস্তাফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের এ সমাজসেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আওয়ামী পেশাজীবি লীগের ইফতার মাহফিলে বক্তারা , যাকাতের সুষম বন্টন ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে জাতি দার
বাংলাদেশ আওয়ামী পেশাজীবি লীগ চট্টগ্রাম মহানগর এর উদ্যোগে ৭জুন বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় জাকাতের সুষম বন্টন শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল নগরীর হোটেল ফেভারিন হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নগর সহ-সভাপতি মোঃ সাবের বাবুলের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আজম খান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মহিউদ্দিন মোহাম্মদ ইকবাল। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাইল ফরিদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রশান্ত কুমার বড়–য়া, কায়সার তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার মোক্তাদীর মাওলা, সদস্য হারুন রশিদ মুন্না, সাইফুল আলম ও মোঃ কামাল হোসেন প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি বলেন, রোজার এই মাস সিয়াম সাধনার মাস, এই একমাসের শিক্ষা আমাদের বাকী এগার মাস সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, জাকাতের সুষম বন্টন ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে ধনী গরীব বৈষম্য কমে আসবে, জাতি দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাবে। যাকাতের টাকা দিয়ে গরীব অসতায় শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষ্যে ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠ
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষ্যে দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল আজ ৭ই জুন বৃহস্পতিবার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এম.হাসান মুরাদের সভাপতিত্বে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ হাসানের সঞ্চালনায় তাঁর বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী। সভায় বক্তারা বলেন, ৭ই জুন বাঙ্গালী জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য আতœত্যাগে ভাস্বর একটি দিন। বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীর পরাধীনতার শৃংখল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এই ৬ দফা দাবি বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনকে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করে। ৬ দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তানের ঔপনিবেশিক শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙ্গালী আওয়ামী লীগের পক্ষে রায় দেয় এবং বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর বিজয় অর্জিত হয় এবং বিশ্বের বুকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। বক্তারা ঠিক একই ভাবে আগামী নির্বাচনেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে পূণরায় ক্ষমতায় আনার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান ও ঈদের পরে মহানগর আওয়ামী লীগ ঘোষিত সদস্য নবায়ন এবং সংগ্রহ কার্যক্রম বেগবান করার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম আবু তাহের, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন মেম্বার, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহেদ বশর, কার্যনির্বাহী সদস্য সালাউদ্দিন বাদশা, আব্দুল হাকিম মেম্বার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী আবু নাছের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন, হাজী হাসান মুন্না, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ মঈনু, জাহিদুল আলম মিন্টু, এস.এম বরকত উল্ল্যাহ, হাজী নুরুল হুদা, নজরুল ইসলাম টিটু, মোঃ সাগীর, মোঃ মঞ্জুর আলম, এলেম উদ্দিন, কামরুল হুদা চৌধুরী, সরওয়ার জাহান চৌধুরী, মোজাম্মেল চৌধুরী, মোজাম্মেল মেম্বার প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আদর্শিক রাজনীতির চর্চা করতে গিয়ে প্রতিহিংসার শিকার :রনি
বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষের করা মামলায় নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি মুক্ত হওয়ায় আনন্দ মিছিল ও তৎক্ষণাৎ সংবর্ধনার আয়োজন করে নগরীর কলেজ, থানা ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগ। বিকাল ৫টায় নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এই সংবর্ধনায় নুরুল আজিম রনি বলেন, “আদর্শিক রজানীতির চর্চা করতে গিয়ে সাধারণ ছাত্রদের পাশে দাড়াতে গিয়ে একটি প্রভাবশীল মাফিয়া চক্রের ষড়যন্ত্রের শিকার মিথ্যা মামলায় আমাকে কারাবরণ করতে হয়। আদালতের প্রতি পুর্ন শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই, একটি থাপ্পরের জন্য কখনোই চাঁদাবাজির মামলা হতে পারেনা। ঐদিন যদি আমি একটি থাপ্পর না মারতাম তাহলে ৯০০ জনেরও অধিক শিক্ষার্থী এইচ এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারত না”। তিনি আরো বলেন, যারা বন্দর নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে, খেলার মাঠ নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে তারাই সুস্থ রাজনীতির ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে আমার নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এসময় তিনি সকল কর্মী, শুভাকাংখী ও মিডিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আগামীতেও জামাত-শিবির-মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলন সংগ্রামে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এসময় উক্ত সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য গাজী জাফর উল্লাহ, মহানগর যুবলীগ নেতা শিবু প্রসাদ চৌধুরী, মো: সাজ্জাদ হোসাইন, ওয়াহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ইয়াসিন আরাফাত কচি, আমিনুল করিম, নগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম পাভেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আবদুল হালিম মিতু, আবু হানিফ রিয়াদ, কাজী মাহমুদুল হাসান রনি, মিজানুর রহমান মিজান, আবদুল বাসেত বাতেন, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা তোছাদ্দেক নূর চৌধুরী তপু, রাকিবুল ইসলাম সেলিম, শেখ তৌহিদ আরদিন, খোরশেদ আলম, এম ই এস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আশিকুন্নবী আশিক, তোফায়েল আহমেদ মামুন, কামরুল ইসলাম রাসেল, মামুন ইসলাম, সুলতান আহমেদ ফয়সাল, শরীফুল ইসলাম শাকিল, রুবেল সরকার, নুরুন্নবী শাহেদ, শাহাদাত হোসেন পারভেজ, রফিক হোসেন, ইয়াকুব রিজভী, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম, জাবেদুল ইসলাম জিতু, মনিরুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, শরফুল ইসলাম মাহি, মুহসীন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কাজী নাঈম, আনোয়ার পলাশ, মাইমুন উদ্দিন মামুন, পাঁচলাইশ থানা ছাত্রলীগ নেতা শাহজাদা চৌধুরী, নোমান চৌধুরী রাকিন, ১০নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ আলম মোমিন, ১৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মানিক, ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা জুবায়দেল আলম আশিক প্রমুখ। সংবর্ধনার পূর্বে কারাগার থেকে বের হয়ে নেতাকর্মী সমেত আমানত শাহ(রহ:) মাজার জিয়ারত করেন নুরুল আজিম রনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩ কালিহাতীতে
দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল নামক এলাকায় বুধবার সকাল সোয়া ৭ দিকে তিনজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো একজন। আহতকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টাঙ্গাইল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনার ফলে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাময়িক সময়ের জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়। বঙ্গবন্ধু সেতু থানার উপপরিদর্শক মো. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, সকাল সোয়া ৭টার দিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি পাথরবোঝাই ট্রাক (কুষ্টিয়া-ট ১১-২০৭৮) মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি খালি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ড-১২-০১১৪) সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই খালি ট্রাকের চালক ও হেলপার নিহত হন। আহত হয় আরো দুইজন। আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। নূরে আলম আরও জানান, দুর্ঘটনার ফলে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হলেও ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক দ্রুত অপসারণ করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সিলেট হকার্স লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সিলেট মহানগর হকার্স লীগ নেতা আব্দুর রকিবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নগরীর বন্দর বাজার ফাঁড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়াজ উদ্দিন ফয়েজ জানান, সোমবার বিকেলে সড়কে বসতে না দেওয়ায় তার নেতৃত্বে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) মেয়রের ওপর হামলার চেষ্টা ও নগর ভবনে হামলা করে হকাররা। ওই ঘটনায় পরের দিনই রকিবকে প্রধান করে সিটি করপোরেশনের আইন সহকারী শ্যামল রঞ্জন দেব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাতে ফাঁড়ির পাশে ঘোরাঘুরি করছিল রকিব। এ সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ মামলায় অজ্ঞাত আরো শতাধিক হকারকে আসামি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে বন্দরবাজার এলাকায় সড়কের প্রায় অর্ধেক পথ জুড়ে বসে হকাররা। এতে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মী সেখানে গিয়ে তাদেরকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে হকাররা তাদের ওপর হামলা করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সেখানে গেলে তাকে লক্ষ্য করে হকাররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। একইসাথে তারা সিটি করপোরেশনেও হামলা চালায় বলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রকিবের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হকাররা সিটি করপোরেশন কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে সিটি করপোরেশনের কর্মচারী আনসার আলী, সুমন আহমদ ও ইউসুফ মিয়া আহত হয়েছেন। এছাড়া, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন সিলেটের বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় হকারদের তাণ্ডব, নগর ভবনে হামলা এবং মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ওপর হামলার প্রচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। হামলাকারী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সোমবার রাতে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে নগরবাসীর ব্যানারে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি, সিলেট চেম্বার, সিলেট প্রেসক্লাব, বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীবৃন্দসহ নগরীর বিশিষ্টজনেরা অংশ নেন। সভায় হকারদের তাণ্ডবের চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় তিনি হকার উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিশিষ্টজনদের নিয়ে নগরীতে হকার উচ্ছেদে অভিযান চালান সিসিক মেয়র আরিফুল হক।

সারা দেশ পাতার আরো খবর