বিএনপির ৪৫৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রামে সহিংসতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ৪৫৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। বুধবার এই তিনটি অভিযোগপত্র চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমানের আদালতে দাখিল করে নগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখা। আদালত অভিযোগপত্রগুলো নথিভুক্ত করে নির্ধারিত তারিখে তা উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী। ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবন এলাকায় বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। প্রায় সাড়ে তিন বছর তদন্তের পর এসব মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, তিন বছরেরও বেশি সময় তদন্তের পর পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণসহ তিনটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছি। এই ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের ৩ ও ৪ ধারায়, একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং আরেকটি ধারায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়ছে। এসব অভিযোগপত্রের প্রত্যেকটিতে ৪৫৩ জন করে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধরীসহ বেশিরভাগই বিএনপি জামায়াতের শীর্ষ নেতাকর্মী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।আরটিভি
একটি ব্রিজের অভাবে সন্দ্বীপ মুছাপুর ৪ নং ওয়ার্ড বাসিন্দাদের দুর্ভোগের শেষ নেই
কেফায়েতুল্লাহ কায়সার :পুরুষ মহিলা মিলে ১৪০০ ভোটারসহ প্রায় ছয় হাজার লোকের বসবাস সন্দ্বীপ মুছাপুর ৪নং ওয়ার্ডে। ধুপের খালের উপর নির্মিত অন্তত ৬০ ফিটের ব্রিজটি ভেঙ্গে গেছে ১৫ বছর আগে। সরকারী গুরুদাস প্রাইমারী স্কুলের পাশে অবস্থিত সাঁকোটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে স্কুলের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন। সাঁকোটির পশ্চিম পাড়ের মানুষগুলোকে প্রতিনিয়ত বাজার, সন্দ্বীপ টাউন, স্কুল ও কলেজ সহ যাতীয় কাজের জন্য যাতায়াত করতে হয় এই সাঁকো দিয়ে। বর্ষা মৌসুমে পানি ও জোয়ার বেশি থাকায় সাঁকোটি প্রায় ডুবে থাকে। এর ফলে এই সাঁকো দিয়ে স্থানীয় লোকজন এখন মোটেও যাতায়াত করতে পারে না। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মেম্বার ফরিদ উদ্দিন ও চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নাদিম এর সাথে ইউনিয়ন পরিষদ এর এ ব্যাপারে কোন বাজেট আছে কিনা জানতে ফোন দিয়ে তাঁদেরকে পাওয়া যায়নি। তবে মহিলা মেম্বার কুলসুমা বেগম বলেন, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে স্থানীয় সাংসদ অত্র এলাকায় উঠান বৈঠক করতে এলে তিনি সাঁকোটিকে ব্রিজ করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ মাহফুজুর রহমান মিতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি চেষ্টা করেছিলাম। পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় তা আর হয়নি। তবে আগামী নির্বাচনে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হলে প্রথমে এই কাজটি করবেন বলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রতিদিন ঝুকি নিয়ে পারাপার, নাজিরহাট হালদা নদীতে ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ
সজল চত্রবর্ত্তী, ফটিকছড়ি, চট্রগ্রাম :বন্যা আর পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ি - হাচহাজারী উপজেলার সিমান্ত বর্ত্তী নাজিরহাট হালদা নদীর উপর নির্মিত মহান মুক্তিযুদ্ধের সৃতি বিজরিত শতবর্ষী পুরাতন হালদা ব্রিজের মাঝখানে দেবে যাওয়া ব্রিজটি চরম ঝুঁকিপূর্ন আকার ধারন করেছে। যে কোন সময় ভেঙ্গেপরে বড় ধরনের দৃঘটনা ঘটতে পারে। এ দিকে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও নাজিরহাট পৌরসভা কতৃপক্ষের নির্দেশ মোতাবেক মানুষ চলাচল বন্ধের সাইন বোর্ড টাকিয়ে দিলে ও জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার করছে হাজার হাজার মানুষ। সুএে জানা যায়, বৃটিশ সরকার ১৯১৯ সালে তৎকালীন ডিস্টিক বোর্ড ফটিকছড়ি - হাটহাজারী উপজেলার নিমান্ত এলাকা নাজিরহাটে এ সেতু নির্মান করে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদার বাহিনী ডিমাইট দিয়ে সেতুটির একাংশ ধ্বংশ করে দেয়। পরবর্ত্তীতে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে সেতুটি মেরামত করে পুন য়োগাযোগ ব্যাবস্হা সচল করে। এরপর ২০০৫ সালে সেতুটি পুন মেরামত কাজ হলেও ২০০৮ সালে সওজ কতৃপক্ষ ঝুকিপূর্ন সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেয়। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বর্তমান ব্রিজটির একাংশ ও মধ্যের অংশ নিচে দেবে যাওয়ায় আসা যাওয়া বন্ধ রয়েছে। তারপর ও প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার হাজারো ছাএ/ ছাএী সহ ফটিকছড়ি হাটহাজারীর লক্ষাধিক জনসাধারন জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করছেন। যে কোন সময় উক্তব্রিজ ভেঙ্গে,গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নাজিরহাট পৌরসভা মেয়র এস, এম সিরাজদৌল্লাহ জানান, ইতিমধ্যে ব্রিজটি ঝুকিপূর্ন হওযায় চলাচল বন্ধের নির্দেশ মূলক সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিয়েছি। এ ব্যাপারে সওজ উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সেবুল বড়ুয়া জানান, দেবে যাওয়া ব্রিজটি সংস্কারের জন্য কাজ করা হবে। নতুন ব্রিজের ব্যপারে এখনো কোন রকম সিদ্ধান্ত হয়নি। ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী আবদুস সালাম জানান, যেহেতু ব্রিজটি সওজ' র তবুও আমরা একটি প্রস্তাব ইতিমধ্যে উধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট পাটিয়েছি সওজ' র কোন আপর্ত্তি না থাকলে এলজিইডি থেকে অনুমোদন পেলে এখানে একটিনতুন ব্রিজ হবে।
ফটিকছড়িতে এক প্রবাসীর আত্নহত্যা
সজল চক্রবর্ত্তী,ফটিকছড়ি :ফটিকছড়িতে সৌদি আরব প্রবাসী শহিদুল আলম(৩৪)নামের এক সন্তানের জনক গলায় রশি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্নহত্যা করেছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।সে ফটিকছড়ি পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের নুর আহম্মদ সুফির বাড়ীর জনৈক নুরুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,পারিবারিক কলহের জেরধরে সে গত ২ জুলাই পৌর সদর (৮ নং ওয়ার্ডস্থ)বাস ষ্টেশনস্থ সাকিব আবাসিক বোডিং এর ৪র্থ তলায় ১৫ নং রুম ভাড়া নিয়ে রুমে প্রবেশ করে। সে রুম থেকে বের না হওয়ায় বোডিং কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশকে জানায়। পরে গতকাল ( ৩ জুলাই) থানা পুলিশ রুমের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ রুম হতে শহিদুলের একটি চিঠি উদ্ধার করে। থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, আত্নহত্যাকারীর রুম একটি চিঠি পাওয়া গেছে। চিঠিতে তার আত্নহত্যার জন্য স্ত্রী ও স্ত্রী'র বড় বোনকে দায়ী করে। লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ৪ জুলাই লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়।
গাজীপুরে বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ
অনলাইন ডেস্ক :গাজীপুর জেলা শহরের রাজবাড়ী রোডের পাশে অবস্থিত গাজীপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকজন যুবক জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এসময় কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিলসহ আসবাবপত্রে দাহ্য পদার্থ ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায় তারা। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো কার্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।আগুনে ওই কার্যালয়ের দেয়ালে বাঁধানো বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলনের ছবিসহ ওয়ালমেট ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। সদ্য ঘোষিত গাজীপুর মহানগর যুবদল থেকে পদবঞ্চিত হওয়ায় গাজীপুর ছাত্রদল নেতা মাহমুদ হাসান রাজুর নেতৃত্বে এ ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ ব্যাপারে বিএপির কোনও নেতা নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারেনি।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল জানান, বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে এটা ঠিক। তবে ঘটনাটি কে বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করে জানা যায়নি।বিএনপির কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকৃত ঘটনা জানতে একটি টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়। আগুনে ওই কার্যালয়ের আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
সিডিএ-জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, আগ্রাবাদ-হালিশহরে জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত
আগ্রাবাদ-হালিশহর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার যথাযথ কারন চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে জলাবদ্ধতার কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নুরুল আলম মিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জলাবদ্ধতা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেঃ কর্ণেল রেজাউল করিমসহ সিডিএ, জেলা পুলিশ এবং প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএস (CEGIS)--এর প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পুলিশ সুপার বলেন ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পুলিশ লাইনটির জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয় ১৯৭৮ সালে। সেই থেকে ধীরে ধীরে এই পুলিশ লাইনের বিভিন্ন স্থাপনা গুলো নির্মান করা হয়েছে। পুলিশ লাইনটি রামপুরা খাল নামে খ্যাত মহেশখালের শাখা খালটির পাড়ে অবস্থিত হওয়ায় হালিশহর এলাকার সব ড্রেনের পানি পুলিশ লাইনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রামপুর খালে গিয়ে পড়ে। অতিবৃষ্টির সময় বা জোয়ারের সময় উক্ত খালটি উপচিয়ে পুলিশ লাইন ডুবে যায়। পুলিশ লাইনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অস্ত্রাগারসহ অফিস এবং পুলিশ ব্যারাক রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ হতে অনেকবার চেষ্টা করা হলেও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সিডিএ চেয়ারম্যানের সহায়তা কামনা করেন। সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, জলাবদ্ধতার এ সমস্যা দীর্ঘদিনের। হালিশহর, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক এলাকার জনসাধারনের সাথে জেলা পুলিশের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধানকল্পে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃক গৃহীত জলাবদ্ধতা প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্র্র্তৃক জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এখন সমাধান হবে। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক এবং প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে উক্ত এলাকার ড্রেনেজ লে-আউট ও ডিজাইন তৈরি করে পুলিশ লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ড্রেনগুলো পরিষ্কার এবং প্রশস্থকরনের পাশাপাশি রামপুর খালটি পরিষ্কার করে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করা আহবান জানান। এতে করে জেলা পুলিশ লাইন, হালিশহর, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক, গোসাইলডাঙ্গা, ছোটপুল এলাকার জনসাধারণ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। সভা শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনী প্রতিনিধি এবং পুলিশ সুপার, প্রকল্পের পরামর্শক পুরো এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম আরো বলেন, আগ্রাবাদ ছোটপুল পুলিশ লাইনের পাশের কালভার্টের নিচ দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে মহেশ খাল। কালভার্টের উপর দাঁড়ালে উভয় পাশে থাকালে বোঝার উপায় নেই নিচে একটি খাল রয়েছে। একসময় এই খালটি যথেষ্ট প্রবাহমান ছিল। কয়েক বছর আগেও বাঁশ ব্যবসায়ীরা এই খালটি দিয়ে বাঁশের মাচা নিয়ে আসতেন। কিন্তু গার্মেন্টেসের নিক্ষিপ্ত বর্জ্য, পলিথিন, ফোম, প্লাস্টিকসহ নানা ধরণের আবর্জনায় খালটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। খনন না করায় এবং পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খালের উপর গাছ গাছড়ায় ভরে গেছে। তাছাড়া খাল দখল করে বেশকিছু স্থায়ী স্থাপনা গড়ে তুলেছেন দখলদারেরা। বৈঠকে আরো জানানো হয়, পুলিশ লাইনের কালভার্টে বাধের কারণে পুলিশ লাইন রক্ষা হলেও হালিশহর, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক, গোসাইলডাঙ্গা, ছোটপুল এলাক পানিতে তলিয়ে যায়। এখন বৃষ্টি হলেই পানি উঠে। কিন্তু নামতে চায় না। তিনি এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, দ্রুত এসমস্যা সমাধানের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ শুরু করবে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, প্রকল্পের পরিচালক আহমেদ মঈনুদ্দিন, সহকারী প্রকল্প পরিচালক কাজী কাদের নেওয়াজ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আল্লামা নূরী, যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এ
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী বলেন, যৌতুক ও মাদকাসক্তি সমাজের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যাধি। যৌতুকের কারণে যেভাবে একটি পরিবার নষ্ট হয়, ঠিক মাদকের কারণে ধ্বংস হয় একটি সমাজ ও দেশ। তিনি আরো বলেন, গত দশ বছর যাবত আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া যৌতুকের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে সেমিনার, সমাবেশসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করে আসছে। আগামীতে যৌতুক বিরোধী মহাসমাবেশের পাশাপাশি মাদকাসক্তির বিরোদ্ধেও সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি জানান। সাথে সাথে যৌতুক ও মাদকের বিরুুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। গতকাল ২ জুলাই সোমবার বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া কাতার শাখার সভাপতি আলহাজ কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা স্বদেশ গমন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। রজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ মিয়া জুনায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, দপ্তর সচিব মাওলানা আব্দুল কাদের রেজভী, উত্তর জেলা প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ মিনহাজ সিদ্দিকী, মুহাম্মদ জাহেদ, মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মুহাম্মদ বরাত, মুহাম্মদ রুহুল আমিন প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর