চট্টগ্রামে ১৫ লাখ ইয়াবাসহ বিপুল মাদক ধ্বংস
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযানকালে আটককৃত প্রায় ১৫ লাখ ৩৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে। শনিবার নগরীর লালদিঘীস্থ পুলিশ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার, বিপিএম, পিপিএম, চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওসমান গনি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আব্দুল ওয়ারীশ, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস.এম. মোস্তাইন হোসেন, বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. ফারুক উল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) সৈয়দ আবু সায়েম, উপ-পুলিশ কমিশনার (এমটি ও সরবরাহ) মো. মারুফ হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. মোখলেছুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) হাসান মো. শওকত আলী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) ফাতিহা ইয়াছমিন, সকল অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার সময় পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশের শত্রু। মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাংবাদিকদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর অনুরোধ করেন পুলিশ কমিশনার। ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে ছিল ইয়াবা ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ পিস, গাঁজা ৯ কেজি ৮০০ গ্রাম।
রাজপ্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা
তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী আবদুর রহমানের বাড়িকক্সবাজারের টেকনাফে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িগুলোতে হানা দিয়েছে পুলিশের বিশেষ দল। শুক্রবার (১ জুন) সকালে টেকনাফের পৌরসভার তিনটি গ্রামে পুলিশ অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার (৩১ মে) অনলাইন পত্রিকা বাংলা ট্রিবিউনে ‘রাজপ্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছে ইয়াবা বাবারা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ এ অভিযানে নামে। পুলিশের ভাষ্যমতে, কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বেশ কয়েকটি গ্রামে ইয়াবার টাকায় ‘রাজপ্রাসাদ’র মতো বাড়ি বানিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। মাদক ইয়াবা দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সরকারের নির্দেশে সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া ও পরিদর্শক রাজু আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়া, জালিয়াপাড়া, দক্ষিণপাড়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হুদার বাড়িসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ সময় অর্ধশতাধিক বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তবে মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়িতে না থাকায় তাদের কাউকেই আটক করা যায়নি। অভিযান চলাকালে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী ১১ মামলার পলাতক আসামি মো. জোবাইর, তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক, মো. সালমান, মো. হাসান আলী, রেজাউর করিম রেজা, মো. আবদুল্লাহ ও তার ভাই মো. জব্বারের বাড়িতে তল্লাশি করে পুলিশ। পুলিশের পরিদর্শক রাজু আহমদ বলেন, ‘ইয়াবার টাকায় টেকনাফে বেশ কয়েকটি গ্রামে রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি বানিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। তবে তারা সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।’ চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজার জেলায় এ পর্যন্ত ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এরমধ্যে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবার দাবি করেছে—‘একরামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’। টেকনাফে তালিকাভুক্ত এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ির গেট পুলিশের সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দুবাই, মালয়েশিয়া, ভারত ও ওমরা পালনের নামে সৌদি আরবে পালিয়ে গেছে। অনেকে ট্রলারযোগে সমুদ্রেপথে মিয়ানমারে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। আবার কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছে। জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িগুলো দেখতে অনেকটা ‘রাজপ্রাসাদ’-এর মতো। এসব বাড়িতে শুক্রবার সকালে অভিযান চালানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কোনও মাদক ব্যবসায়ীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত ইয়াবা বন্ধ না হবে, ততক্ষণ এ অভিযান চলবে।’
তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির ইফতার মাহফিল সপন্ন
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আজম নাছির বলেন রমজান মাস হচ্ছে প্রত্যেক মুসলমানের আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। এ মাসে সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে আমাদেরকে আত্মশুদ্ধি লাভ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরকে হালালভাবে ব্যবসা করে উপার্জন চালিয়ে যেতে হবে। এই ঐতিহ্যবাহী তামাকুমন্ডি লেইনের ব্যবসায়ীদের পাশে আমি সবসময় আছি এবং থাকব। জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক মিতির এই ইফতার মাহফিল দিয়ে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মত বিনিময় করার সুযোগ হয়েছে। কাজেই এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আমি সচেষ্ট হব। ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে আমার সহযোগীতা অব্যহত থাকবে। গতকাল তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য সিটি মেয়র ও বিশেষ আতিথির বক্তব্যে স্থানীয় এমপি জিয়া উদ্দিন বাবু এমপি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সামশুল আলম এর সভাপতিত্বে সাধারণ সপাদক আহমদ কবির দুলাল এর সঞ্চালনায় মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এম এ মোতালেব সিআইপি, সাবেক এম পি সিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনিতীবিদ সামশুল আলম, ইয়াকুব হোসেন, চেম্বার পরিচালক অহিদ সিরাজ স্বপন, সাতকানিয়া সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, সমিতির উপদেষ্টা আলহাজ্ব আব্দুল মোতালেব চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা মাহমুদুল হক, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, আলহাজ্ব জামাল আহমদ, আলহাজ্ব ইকবাল শরীফ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সেলিমউল্লাহ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ লোকমান। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম এর সভাপতি সালেহ আহমদ সোলেমান, রিয়াজউদ্দিন বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব সালামত আলী, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল হক আমিন ও সাধারণ সপাদক আহমদ হোছাইন, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি লায়ন ওসমান, তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ আলহাজ্ব এস এম ছমীর, সাবেক সাধরণ সপাদক আবুল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যাংকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী। বক্তাবৃন্দের আলোচনা শেষে ইফতার মহফিলের মোনাজাত পরিচালনা করে তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির ধর্মীয় সপাদক শওকত আজিজ। মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি সরওয়ার কামাল, সহ সভাপতি ফৌজুল কবির, যুগ্ন সাধারণ সপাদক মোহাম্মদ মনছুর আলম চৌধুরী, সহ সাধারণ সপাদক হাজী আবু তৈয়ব, সাংগঠনিক সপাদক মোজাম্মেল হক, অর্থ সপাদক আব্দুল আলিম, প্রচার সপাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, আইন ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সপাদক এডভোকেট আব্দুল জলিল, সাহিত্য ও পাঠাগার সপাদক মোস্তাক আহমদ, দপ্তর সপাদক মোহাম্মদ রফিক, সমাজ কল্যান সপাদক মোহাম্মদ রাসেল, ধর্মীয় সপাদক শওকত আজিজ, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন সোহেল, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ খালেদ হোসাইন সহ তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাবেক কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাবৃন্দ এবং বিভিন্ন মার্কেটের সভাপতি ও সাধারণ সপাদকবৃন্দসহ অত্র এলাকার ব্যাবসায়ীবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায় বিএনপি-জামাত :সাবিহা নাহার বেগম
জাতীয় সংসদ সদস্য সাবিহা নাহার বেগম বলেছেন শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সাফল্য দেখে জামাত বিএনপি গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপশক্তিরা বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায়। তিনি বলেন, আগামীতে নৌকা মার্কা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ধারাকে চলমান রাখার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, গত ৯ বছরে সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য অনেক হয়েছে। এসব একমাত্র দেশরতœ শেখ হাসিনার পক্ষে সম্ভব হয়েছে কারণ তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। তিনি বলেন, সরকারের সাফলের পাশাপাশি এখন সারা দেশে মাদক অভিযান চলছে। মাদকের করাল আগ্রাসন থেকে তরুণ যুবকদের বাঁচানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিরোধ অভিযানে অগ্রসর হতে হবে। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ দিদার আশরাফী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আহমেদ শাহিনের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন চবি’র কলা ও মানব বিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিএমএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড. বাসন্তী প্রভা পালিত, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সভাপতি লায়ন এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, জাসদ নেতা ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী, এড. অশোক কুমার দাশ, অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, গীতিকবি লিয়াকত হোসেন খোকন, এড. আশুতোষ দত্ত নান্টু, কবি এহসান মাহমুদ আলম, কবি আরিফ চৌধুরী, নাট্যজন সজল চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম. নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, মোঃ সফর আলী, প্রণব রাজ বড়–য়া, নাসির হোসেন জীবন, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, হারুন উর রশিদ, হাজী সিদ্দিক আহমেদ, কাজী আইয়ুব, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী, মোঃ এজাহারুল হক, রোজি চৌধুরী, সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ইউনুছ মিয়া, দিলীপ হোড়, ইর্ঞ্জিনিয়ার সৈয়দুল হক, ব্যাংকার হেদায়ত হোসেন, আবৃত্তি শিল্পী তাহেরা খাতুন, এম বখতেয়ার আহমদ, দীলিপ সেন গুপ্ত, আনিস আহমেদ খোকন, কবি নুর নাহার ইউনুচ নিপা, ডা. আ.ম.ম নুরুল হক, ডা. উত্তম কুমার সরকার, নাদিম উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ তিতাস, নবুওয়াত আরা ছিদ্দিকী, মারজান আলো, সেলিনা সেলি, ফারুক হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন এর দুস্থ ও গরিবদের নিয়ে ইফতার
চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন মাহে রমজান ও সিয়াম সাধনার মাসে দুস্থ ও গরিব ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িতদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তিনি আজ বিকেলে মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’র চশমা হিলস্থ নিজ বাসভবনে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। আল্লাহপাকের অপার রহমত হিসেবে প্রতি বছর মাহে রমজান আসে। এই মাহে রমজানের রোজাকে সত্যিকার অর্থে পালনের মাধ্যমে একজন মানুষ মুক্তাকী, পরহেজগার তথা সত্যিকার ঈমানদারে পরিণত হয়। বলা বাহুল্য হচ্ছে সত্যিকার ধার্মিক ঈমানদার তারাই যারা জীবনে যে কোন সময়ে অসময়ে আল্লাহ ও রসুল (দ:) এর সন্তুটির জন্য কাজ করে এবং মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের কল্যাণে ব্রত থাকে। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের বিলকিস কলিম উল্লাহ চৌধুরী, আয়শা আলম চৌধুরী, শিল্পী আক্তার, সিমিয়ন মাসুদ অয়ন প্রমুখ। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মো: আনিছুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পাঠানপাড়া সমাজে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
গত ০১ জুন ২০১৮ইং রোজ শুক্রবার পাঠানপাড়া সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা হাজী আবদুল আলী জামে মসজিদ তৃতীয় তলায় আলহাজ্ব ইদ্রিস মুহাম্মদ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আলহাজ্ব হাশেম আলী মিয়া, আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আজিজুল হক, শ.ম জামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ রাজ্জাক খান, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন, এস.কে জামাল উদ্দিন, কে.এম রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, মুহাম্মদ ইউসুফ সওদাগর, এ.জে আজাদ রুবেল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মাহে রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। রমজানে আমরা নিজেদেরকে মহানুভব হওয়া ও মানুষের সেবা করার সুযেগ তৈরি হয়। এই মাসে আমরা ধর্মীয় চর্চা আর নৈতিক চরিত্র অর্জনের ঠিকানা পেয়ে থাকি। সর্বোপরি পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সকলকে নৈতিক, দেশপ্রেমিক এবং মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করে যেতে হবে। পরিশেষে মিলাদ ও কেয়াম বিশ্ব মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন আলহাজ্ব মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ সোলায়মান আল হাছানী সাহেব।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে ২ জন ভুয়া সাংবাদিক আটক
নগরীর জিইসি মোড়ে শুক্রবার রাত ১০ টায় হকারদের থেকে একাত্তর টিভির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় দুইজন ভূয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা। আটককৃতরা হলেন,মো: রেজাউল হক(৩৬) পিতা:মমিনুল হক,নাহার মন্জিল,সাগরিকা, চট্টগ্রাম। অন্যজন হলেন,জাকির হোসেন(৩০)পিতা:শফিক আলম লেবার কলোনী ফ্রি-পোর্ট,চট্টগ্রাম।এরা দু জনেই ভুইফোড় অনলাইনে কাজ করে বলে জানিয়েছে খুলশি থানা পুলিশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,চট্টগাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস,শফিক আহমেদ সাজিব প্রমুখ
আমার স্বামী নির্দোষ, কিন্তু র‌্যাব ঠাণ্ডা মাথায় তাকে গুলি করে খুন করেছে
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হলেও নিহতের স্ত্রীর দাবি করছেন তার স্বামীকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। একরামুল নিহত হওয়ার আগে স্ত্রী আয়েশা বেগমের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছিল। আয়েশার দাবি, তার স্বামী নির্দোষ, কিন্তু র‌্যাব ঠাণ্ডা মাথায় তাকে গুলি করে খুন করেছে। মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা ১৪ মিনিটের একটি কলের অডিও প্রকাশ হয়েছে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে, যেখানে একজন নারী তার স্বামীকে কাউন্সিলর হিসেবে উল্লেখ করে তার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। আরও শোনা যায় সাইরেনের শব্দ। এর মধ্যে কয়েকজনের ‘কুত্তার বাচ্চা’ ‘শুয়রের বাচ্চা’ বলে গালিগালাজও আছে ওই অডিওতে। ধারণা করা হচ্ছে যে নারী ‘আমার জামাই কিছু করে নাই’, ‘আমার জামাই কিছু করে নাই’ চিৎকার করছিলেন, সেটি আশেয়া বেগমের। আর তিনি একরামুলের কথাই বলছিলেন। গত ৩১ মে কক্সবাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন একরামুলের স্ত্রী আয়েশা এবং তার দুই কন্যা তাহিয়াত ও নাহিয়ান। তারা সেদিন বলেন, একরামুলেক হত্যা কোনো বন্দুকযুদ্ধ ছিল না। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায়। সংবাদ সম্মেলনে একরামের স্ত্রী আয়েশা বলেন, সেদিন রাত ১১টা ৩২ মিনিটের পর তার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আর সেটা যে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে,মোবাইলের ওই রেকর্ড যাচাই করলেই তা বোঝা যাবে। তিনি দাবি করেন, একরাম ইয়াবার কারবারে জড়িত ছিলেন না। তার ব্যাংক ব্যালেন্স বা সম্পদেও অস্বাভাবিক কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে আয়েশা তার দুই মেয়ের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেন সরকারপ্রধানকে। ওই সংবাদ সম্মেলনেই একরামুলের স্ত্রী মোবাইল ফোনে কথোপকথনের চারটি রেকর্ড দেন সাংবাদিকদের। আর চারটি রেকর্ড মিলিয়ে মোট ১৪ মিনিটের অডিওটি প্রকাশ করেছে।
মাদক বিরোধী অভিযানে নিরীহ লোক হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ঃ বর্তমানে সারাদেশে মরণ নেশা মাদক বিরোধী অভিযানে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে অভিনন্দন ও এই অভিযানে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে নিরীহ মানুষকে হত্যা এবং মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ হইতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নলিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ। গত ১লা জুন সংস্থার কার্যালয়ে সাংগঠনিক সচিব জুয়েল বড়–য়ার সঞ্চালনায় মোঃ লোকমান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তাগণ এই প্রতিবাদ জানান,বক্তাগণ বলেন বর্তমান দেশ মাদকের মরণ চোবল থেকে রক্ষা করতে এবং যুব সমাজকে বাঁচাতে সরকার যেই মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন তার জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয় কিন্তু মাদক বিরোধী অভিযানে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার কারণে নিরীহ মানুষ হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর ঘটনায় উক্ত মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে উদ্যেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।বক্তারা বলেন অভিযানে নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর ফলে বর্তমান সরকারের ভাবমুর্তী নষ্ট হচ্ছে এবং দেশের মানুষ এর প্রতিবাদ করছেন । বিচার বহিভুত হত্যাকে মানবাধিকার সংস্থা কখনো সমর্থন করে না। এই হত্যা কান্ড বন্ধ করা জরুরী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষ হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে উক্ত সংস্থা বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে। দোষীদের দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেনঃ- শ্রীমৎ স্বামী লক্ষীশ্বরানন্দ গিরি মহারাজ,মোঃ লোকমান আলী,এম এ নুরুন্নবী চৌধুরী,মৃদুল মজুমদার,নূরা বেগম,সাইফুল ইসলাম,জুয়েল বড়–য়া,পল্টু বড়–য়া,মাহাবুবুর রহমান,আবুল খায়ের,নিহার কান্তি দাশ,তছলিম কাদের চৌধুরী,আব্দুল মালেক,মিলি চৌধুরী প্রমুখ।

সারা দেশ পাতার আরো খবর