কৃষি-প্রযুক্তি মেলা যশোরে আজ শুরু হচ্ছে
যশোরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা। কৃষক ও কৃষি উদ্যোক্তাদের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে এ মেলা আয়োজন করা হয়েছে। এসিআই এগ্রিবিজনেসের পৃষ্ঠপোষকতায় যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ মেলা বাস্তবায়ন করছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ক্রসওয়াক কমিউনিকেশন্স লিমিটেড। এর আগে গত মার্চ মাসে খুলনা ও ঝিনাইদহে একই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় মেলা উদ্বোধন করবেন যশোর জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী হাবিবুর রহমান। আগামী ১০, ১১ ও ১২ মে শহরের কালেক্টরেট চত্বরে এ মেলা চলবে। প্রতিদিন সকাল দশটায় মেলা শুরু হবে। এতে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও র‌্যাফেল ড্র থাকছে।
নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় রোহিঙ্গাদের জন্য হচ্ছে মাচান ঘর
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের জন্য সেখানে মাচান ঘর তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। বর্ষার সময়ে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়িগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ কমাতে এসব মাচান ঘর তৈরী করে দিচ্ছেন ঢাকার কিছু ব্যবসায়ী। প্রথম পর্যায়ে সেখানে ৪৫ পরিবারের জন্য ৯টি শেড তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে আরো ৬০ ঘর তৈরী করে দেয়া হবে জিরো লাইনে। বর্তমানে তুমব্রু সীমান্তের জিরো লাইনে এক হাজার সাত পরিবারের প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ অবস্থান করছেন। জায়গাটি তুমব্রু খাল সংলগ্ন হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে এলাকাটি পানিতে তলিয়ে যায়। আর এতে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন রোহিঙ্গারা। গত বছরের আগষ্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক সহিংসতায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তের জিরো লাইনে ৬ হাজারেও বেশি রোহিঙ্গা এসে অবস্থান নেন। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের অন্য সব রোহিঙ্গাদের উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে সরিয়ে নেয়া হলেও শুধুমাত্র তুমব্রু সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা এখনো সেখানেই রয়ে গেছেন। মিয়ানমার বেশ কয়েকবার জিরো লাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দিলেও তাদেরকে স্বদেশে ফিরিয়ে নেয়া হয়নি। গত ৮ মাসের বেশি সময় ধরে এসব রোহিঙ্গা জিরো লাইনে কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। রোহিঙ্গাদের স্থানীয় নেতা দিল মোহাম্মদ পরিবর্তন ডটকমকে জানান, জিরো লাইনের পশ্চিম পাশে যেসব জায়গা ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে সেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ৯টি বড় মাচান ঘর তৈরী করে দেয়া হচ্ছে। প্রতি শেডে ৫ পরিবার করে ৪৫ পরিবার থাকতে পারবে। তবে পর্যাক্রমে সব রোহিঙ্গার জন্য শেড তৈরী করা হবে। ঢাকার কিছু ব্যবসায়ী শেড নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বলে জানান তিনি। ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ পরিবর্তন ডটকমকে জানান, বর্ষায় রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ নিয়ে প্রশাসন, বিজিবি, ইউএনএইচসিআর, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ সব কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তবে ঢাকার কিছু ব্যবসায়ীর সহায়তায় বাঁশ, বেড়া, টিন দিয়ে সেখানে কিছু মাচান ঘর তৈরী করা হচ্ছে। ফলে কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে। জিরো লাইনে ঘরবাড়িগুলো নির্মাণে প্রশাসন ও বিজিবি সহযোগিতা করছে। মঙ্গলবার তুমব্রু সীমান্তের জিরো লাইন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সেখানে রোহিঙ্গারা তুমব্রু খালের পাড়ে নতুন মাচান ঘর নির্মানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বিজিবি সদস্যদের পাহারায় রাত-দিন ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। মাটি থেকে ৫ ফুট উঁচু করে মাচান ঘরগুলো তৈরী করছেন রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গা নুরুল আমিন পরিবর্তন ডটকমকে জানান, গত বছর আগষ্টে জিরো লাইনে আসার পর কয়েকবার এই এলাকা তুমব্রু খালের পানিতে তলিয়ে যায়। তখন রোহিঙ্গারা চরম কষ্টের মধ্যে পড়েন। এবার কিছু মাচান ঘর তৈরী করে দেয়ায় রোহিঙ্গাদের জন্য সুবিধা হবে। এদিকে জিরো লাইনে নতুন করে ঘরবাড়ি নির্মাণে মিয়ানমারের বিজিপির পক্ষ হতে এখনো কোনো প্রতিবাদ বা বাধা দেয়া হয়নি। তবে সোমবার রাতে জিরো লাইনের কাছে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলির আওয়াজ শোনা গেছে। এতে রোহিঙ্গারা আতংকিত হয়ে পড়েন। এ বিষয়ে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান জানান, জিরো লাইনের রোহিঙ্গারা এখন নিরাপদে রয়েছেন। নতুন করে ঘরবাড়ি নির্মাণে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তিনি আরো জানান, রাতে যেসব গুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে তা তাদের দেশের অভ্যন্তরে। সীমান্তে পরিস্থিতি এখন শান্ত।
গলদা-বাগদা চিংড়ির পোনা আহরণ মেঘনায় !
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে অবাধে চলছে গলদা-বাগদা চিংড়ির পোনা আহরণ। এতে ধ্বংস হচ্ছে নদী ও সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা। ফলে মেঘনায় দিন দিন অস্থিত্বের সংকটে পড়েছে গলদা-বাগদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। জেলেরা প্রকাশ্যে গলদা-বাগদা চিংড়ি পোনা আহরণ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ২০০০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে দেশের উপকূলীয় এলাকায় মাছের পোনা আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুর সদরের বুড়ির ঘাট এলাকা থেকে কমলনগরের মতিরহাট, সাহেবের হাট, লুধুয়া ঘাট এলাকা ও রামগতি উপজেলার চরগজারিয়ায় মেঘনার নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে এভাবেই চলছে গলদা-বাগদা চিংড়ি পোনা ধরার মহোৎসব। এ পোনা অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় তা ধরতে যে জাল ব্যবহার করা হয় তাতে ধ্বংস হয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনাও। এ জন্য নদীতে চিংড়ি পোনা শিকার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে সে নিষেধাজ্ঞা মানছে না জেলেরা। বাজারে প্রতিটি গলদা-বাগদা চিংড়ি পোনা বিক্রি হয় ১/২ টাকা করে। এক এক জেলে প্রতিদিন বিক্রি করছে ২শ’ থেকে ৩শ’ পোনা। মহাজনরা অগ্রিম ঋণ দেয়ায় পোনা শিকারে উৎসাহী উঠছে জেলেরা। রেনু পোনা শিকারীরা জানান, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই রেনু পোনা শিকার করতে হচ্ছে তাদের। রেনু ব্যবসায়ীরা জানান, জেলেদের কাছ থেকে তারা এক টাকা দরে রেনু পোনা কিনে খুলনা, আলায়পুর ও ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন জেলার গলদা ও বাগদা চিংড়ির ঘের মালিকদের কাছে বিক্রি করেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম মহিব উল্যাহ্ গলদা পোনা ধরার কথা স্বীকার করে মেঘনার অভয়াশ্রমে চিংড়ি পোনা শিকারিদের নিবৃত করার জন্য ঝটিকা অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানালেন।
সাক্ষী না থাকায় খালাস পেল গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামিরা
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে হত্যার পর লাশ পুড়ে ফেলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা থেকে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে চট্টগ্রামের একটি আদালত। ঘটনার ‘আলামত ও চাক্ষুষ সাক্ষীর’ অভাবে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্র্যাইব্যুনালের জজ বেগম রোখসানা পারভীন এ রায় দেন। চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্র্যাইব্যুনালে কর্তব্যরত রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী (পিপি) এডভোকেট জেসমিন আক্তার এই তথ্য পরিবর্তনকে জানান। বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান, নিরপেক্ষ সাক্ষী দ্বারা মামলাটি প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু আদালত আসামিদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। একই সাথে আলামত (ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন) ও চাক্ষুষ সাক্ষীর অভাবে আসাসিদের বিরুদ্ধে আনা হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন আদালত। রায়ের কপি পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান জিয়া হাবীব আহসান। আদালত সূত্রে জানাগেছে, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি আনোয়ারার বারশত ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে গৃহবধূ সুপর্ণা শীলকে যৌতুকের জন্য হত্যা করে স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। পরে তড়িঘড়ি করে লাশ দাহ করেন তারা। এই ঘটনায় নিহতের মা রমা শীল বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি হত্যা মামলা (নম্বর ১৪৮/২০১২) দায়ের করেন। মামলায় সপর্ণা শীলের স্বামী কৃষ্ণপদ শীল, দেবর পলাশ শীল, শাশুড়ি রেণুবালা শীল এবং ভাসুর সুনীল কান্তি শীলকে আসামি করা হয়। তবে লাশ পুড়ে ফেলায় (ময়নাতদন্ত করা যায়নি) আলামত নষ্ট হয়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় প্রদান করেন আদালত।
লেখক-সাংবাদিক ফোরামের অনুষ্ঠানে ড. মাসুম চৌধুরী:চট্টগ্রাম বাঁচলে, দেশ বাঁচবে
চট্টগ্রাম লেখক-সাংবাদিক ফোরামের ফ্যামিলি ডে ও প্রীতি সমাবেশ সম্প্রতি স্বাধীনতা কমপ্লেক্স-এ সংগঠনের সভাপতি ও শিক্ষা অন্বেষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লায়ন মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের অর্থ সম্পাদক লায়ন কাজী এম. হাবিব রেজার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড. মাসুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ এম. মহসিন চৌধুরী, ডা. পরিতোষ বড়য়া ও এবি ব্যাংকের ম্যানেজার মো. নুরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি লেখক নুর মোহাম্মদ ও অধ্যক্ষ এম. সোলাইমান কাসেমী, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু নাসের, দপ্তর সম্পাদক ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, সহ-সম্পাদক নুর মোহাম্মদ তালুকদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রওশন আক্তার চৌধুরী মিনু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী, সদস্য মাসুম খান, দিল্ আফরোজা জসীম, শিক্ষক সমীর গুপ্ত, আলী আকবর চৌধুরী সেলিম, সাবেক সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন চৌধুরী ও এস.এম আবুল ফজল প্রমুখ। প্রধান অতিথি ড. মাসুম চৌধুরী বলেন, লেখক-সাংবাদিকরাই জাতির বিবেক। তাঁরাই সমাজের অসংগতি প্রকাশের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি দেশের উন্নয়নে চট্টগ্রামের ভূমিকা তুলে ধরে আরো বলেন,চট্টগ্রাম বাঁচলে, দেশ বাঁচবে এ সত্যকে মনে প্রাণে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সত্যিকারের লেখক-সাংবাদিক তৈরীতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি লেখক-সাংবাদিক ফোরামের অগ্রযাত্রায় সহযোগিতার ঘোষণা দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাঙ্গুনীয়া শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের পরিচিতি সভা
গত ৪ মে শুক্রবার শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ বাংলাদেশর রাঙ্গুনীয়া জন্মাষ্টমী পরিষদের কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা পরিষদের সভাপতি বাবু বিজয় কুমার সেন এর সভাপতিত্বে সৈয়দবাড়ী নিরিবিলি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি মাস্টার নির্মল কান্তি দাশ। প্রধান বক্তা ছিলেন রাঙ্গুনীয়া উপজেলা পূজা পরিষদের সভাপতি বাবু বিভূতি ভূষণ সেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৩নং স্বনির্ভর রাঙ্গুনীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাণীতোষ সাহা (ভাস্কর), রাঙ্গুনীয়া পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য রিটন কান্তি দে, কাঞ্চন মহাজন, ডা. উৎপল নাথ, মাস্টার অমলেন্দু বিকাশ ধর। রাঙ্গুনীয়া জন্মাষ্টমী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদীপ কুমার সাহার সঞ্চালনায় গীতা পাঠ করেন প্রবীর মহাজন হৃদয়। বক্তব্য রাখেন রবি শংকর মহাজন, অঞ্জন দাশ, সমীর মহাজন, ডা. দীপক শীল, নিক্সন সাহা, ডা. নিপন পাল, মাস্টার বিধান দেওয়ানজী, টিটু সেন, স্বপন দে, দিবস দাশ, ইউপি সদস্য লাভলু চক্রবর্ত্তী, বিমল চন্দ্র দে আকাশ, মুন্না চৌধুরী, মাস্টার সুনীল শ্যাম, সুদীপ দাশ, নারায়ন দে, অপু দেব, সেবুব্রত চৌধুরী, জয় দাশ, মতিলাল দাশ, অভিজিৎ কুমার দে অভি, বাবুন বিশ্বাস, রবীন্দ্র লাল দাশ, রতন দাশ, আশুতোষ দে, মাস্টার কেতন সাহা, দিপায়ন সুশীল, শ্রীকান্ত দে প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের উপর হামলা ও হুমকির প্রতিবাদে মানবন্ধন
সুজন আচার্য্য,চট্টগ্রাম: সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির বিবেক। জাতির দুঃসময়ে ও সংকটে সাংবাদিকদের সাহসীকতাপূর্ণ ভূমিকা। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী যেমন ছিল ঠিক তেমনি স্বাধীনতা পরবর্তী থেকে আজ অবধি সমুজ্জ্বল। সাংবাদিকরা সমাজ দেশ ও জাতির উন্নয়নে এবং দেশের নানা সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রি মহল সাংবাদিকদের সুনাম নস্যাতে নানা ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারই অংশবিশেষ সাগর রুনি হত্যাকান্ড, হুমায়ুন কবির বালু হত্যাকান্ড, সুমন হাসানের উপর হামলা, বোয়ালখালীতে নারী সাংবাদিক আয়েশা ফারজানাকে নির্যাতন এবং কক্সবাজারে সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের উপর হামলা ও প্রাণ নাশের হুমকি সব একসূত্রে গাঁথা। বক্তারা বলেন একজন সাংবাদিককে হামলা করে ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে ১৮ মামলার আসামী, দুধর্ষ ডাকাত সর্দার সৈয়দ নুর কিভাবে প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় জাতি আজ তা জানতে চায়। বক্তারা আরো বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের দায়েরকৃত মামলা রেকর্ড পূর্বক হামলা কারী ডাকাত সর্দার সৈয়দ নুর কে গ্রেফতার এবং সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জোরালো দাবি জানান। বক্তারা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আরো বলেন আব্দুর রাজ্জাকের উপর হামলাকারী ডাকাত সর্দার সৈয়দ নুরকে গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব কঠোর কর্মসূচি দিবে বলে হুমকি দেন। প্রতিবাদ সভা পরবর্তীতে মানববন্ধন চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খানের সভাপতিত্বে ও অনলাইন কাজী টিভির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সিনিয়র রিপোর্টার রাজিব চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জিত দাশ শুনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম লেয়াকত হোসেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও রাজনীতিবিদ মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী, দেশ বিদেশ ২৪ ডট কম সম্পাদক কাজী জিয়া উদ্দিন সোহেল, সিটিজি রিপোর্ট সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম মুজাহিদুল ইসলাম বাতেন, সিটিজি পোস্ট সম্পাদক স.ম জিয়াউর রহমান, অপরাধ তালাশ ডট কমের সম্পাদক মাইন উদ্দিন, অনলাইন দৈনিক দেশ বার্তার প্রকাশক হাজী জসিম উদ্দিন, ক্রাইম ডায়রি বিডি ডট কমের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান মো: হোসেন মিন্টু, অনলাইন নিউজ একাত্তর ২৪ ডট কম এর রিপোর্টার সুজন আচার্য্য, অনলাইন সৃষ্টি টিভি রিপোর্টার যথাক্রমে সালাউদ্দিন কবির ও উজ্জ্বল, কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, দৈনিক সকালের আলো ২৪ ডট কমের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান কুতুব উদ্দিন রাজু, অনলাইন দৈনিক দেশ বার্তার সহ সম্পাদক তরুণ বিশ্বাস অরুন, সিটিজি পোস্টের মহেশখালী প্রতিনিধি প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান খান, এটিএম নিউজ টিভির রিপোর্টার মায়মনা খানম, বিজয় চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোসলেম উদ্দিন ইমন, অভিযাত্রী সম্পাদক এস এম সোহেল, দৈনিক ভোরের কাগজের রাউজান প্রতিনিধি মো: রমজান আলী, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এইচ এম মুবিন সিকদার, আরিফুল ইসলাম রুবেল, কবি স্বপন বড়য়া প্রমুখ।
যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে চট্টগ্রাম ডিসি ট্রাফিক (উত্তর)
নব নিযুক্ত চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের ডিসি ট্রাফিক (উত্তর) হারুন উর রশীদ হাজারী বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরী ছোট হলেও জনবসতি অনেক বেশী। নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরো সুন্দর করে সাজানো হবে এবং যানজট মুক্ত নগরী গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। অদ্য দুপুর ২টায় ডিসি ট্রাফিক উত্তর অফিসে নবনিযুক্ত ডিসি ট্রাফিক মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গেলে অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন ১৪৪১এর নেতৃবৃন্দকে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ডিসি ট্রাফিকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং নব নিযুক্ত ডিসি মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় অন্যান্যদের মাধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোলায়মান, লাইন সম্পাদক মোঃ সিরাজ, মোঃ ইমরান, অফিস সম্পাদক মোঃ হারুন, চকবাজার থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মোঃ শফিকুল ইসলাম, মাঝিরঘাট শাখা সভাপতি মোঃ বশির, জাকির ও ফিরিঙ্গীবাজার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ হাসান এবং সদরঘাট শাখার কামাল উদ্দিন ভান্ডরী প্রমুখ। সৌজন্যে সাক্ষাতের সময় ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত ডিসি ট্রাফিক (উত্তর) হারুন উর রশীদ হাযারীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর