মাদক ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা নিহত
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পিচ্চি হান্নানের সহযোগী ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা (৪৫) নিহত হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত দেড়টার সময় পূর্ব গুপ্টি ইউনিয়নের বৈচাতরী এলকায় এই ঘটনা ঘটে। বাদশা ওই উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ছৈয়ালের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় ৭টি, চাঁদপুর সদরে ২টি, চট্টগ্রামে ১টিসহ মোট ১০টি মাদক মামলা রয়েছে। ফরিদগঞ্জ থানা থানা সূত্রে জানা যায়, রাত ১০টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে লাল বাদশাকে তার বাড়ির সামনে থেকে মাদক বিক্রির সময় ১১১পিস ইয়াবাসহ আটক করেন। তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি আরেক শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হেলালের নাম পুলিশকে জানায়। বাদশার তথ্যানুযায়ী তাকে নিয়ে রাতে পুলিশের একটি দল অভিযানে বের হয়। গুপ্টি ইউনিয়নের চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধের বৈচাতরী এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেলে গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টাগুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয় আবু সাঈদ ওরফে লাল বাদশা। পেরে আহত অবস্থায় তাকে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ আলম জানান, পুলিশ নিহতের কাছ থেকে ১১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ঘটনাস্থল থেকে ১টি একনলা বন্দুক, ৩টি ককটেল, ৪ রাউন্ডগুলি উদ্ধার করেন। মাদব ব্যবসায়ীদের গুলিতে পুলিশের এএসআই বাবুল, সুমন, সুমন চৌধুরী, কনস্টেবল আশরাফ ও দেলোয়ার আহত হন। লাশের প্রাথমিক সুরতহালের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম মাহফুজুর রহমান ও ইউএইচও জাহাঙ্গীর আলম শিপন। পরে লাশ চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় ১০ সাংবাদিক
বাংলাদেশে ইয়াবার ট্রানজিট পয়েন্ট কক্সবজারে। বিশেষ করে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সবচয়ে বেশি ইয়াবা প্রবেশ করা হয়। টেকনাফের জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মচারী, পুলিশ, বিজিবি সদস্য, রাজনৈতিবিদ সহ সব শ্রেণীর লোক ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। পিছিয়ে নেই টেকনাফে কর্মরত সাংবাদিকেরাও। বিভিন্ন সরকারী সংস্থার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় উঠে এসেছে টেকনাফের ১০ জন সাংবাদিকের নাম। এছাড়াও কক্সবাজারে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের আরো ৮ সাংবাদিকেরও ইয়াবা ব্যবসার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইয়াবা ব্যাবসার মুখোশ ঢাকতে বা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের রক্ষা করতেই সাংবাদিকতা পেশাটাকেই বেছে নিয়েছে অনেকে। অনেক বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ী নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিকদের ব্যবহার করছেন। মূলত আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতেই শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। দেশের এক নাম্বার ইয়াবা ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম। তিনি ৫ ভাই সহ পরিবারের ১২ জন সদস্য মিলে তৈরি করেছেন দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ইয়াবা নেটওয়ার্ক। আবার তাদের পরিবারেই রয়েছেন টেকনাফের প্রথম শ্রেণীর ৩ জন সাংবাদিক। এই সাংবাদিকরাই পুরো টেকনাফের সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে্ন। যার ফলে দেশের অধিকাংশ গণমাধ্যমে সাইফুল করিমের সংবাদ তেমন প্রকাশ পায় না বললেই চলে। উল্টো দেশের শীর্ষ অনেক গণমাধ্যম সাইফুল করিমের সামাজিক কর্মকান্ডের খবর প্রকাশ করে আসছে। টেকনাফের সাংবাদিকতার প্রধান নিয়ন্ত্রক হলো শীর্ষ ইয়াবা গডফাদার সাইফুল করিমের ছোটভাই রাশেদুল করিম। নানা কৌশলে ও পৃষ্ঠপোষকতা করে তিনি টেকনাফের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের ছাত্র রাশেদুল করিম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ সময় অনুপস্থিত থাকেন তিনি। সার্বক্ষণিক টেকনাফে অবস্থান করে পরিবারের ইয়াবা ব্যবসাকে সাংবাদিকদের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখেন। রাশেদুল করিম সিটিজিবার্তা২৪.কম নামের একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল পরিচালনার করে সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। সরকারী বিভিন্ন সংস্থার তালিকায় টেকনাফের কর্মরত কয়েকটি বেসরকারী টেলিভিশন, দেশের প্রথমসারীর কয়েকটি পত্রিকা, কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকা এবং অনলাইন ও কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত কয়েকটি স্থানীয় দৈনিকের প্রতিনিধির নাম এসেছে। সরকারী সংস্থার এসব প্রতিবেদনে ওই ১০ সাংবাদিকদের ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রামে বেসরকারী চ্যানেলে কর্মরত টেকনাফের এক সাংবাদিকও রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরর ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায়। এদিকে এক টেলিভিশন চ্যানেলের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ৩০ হাজার ইয়াবা সহ চট্টগ্রামে সস্ত্রীক আটক হয়ে এখনো কারাগারে আছেন। এছাড়াও কক্সবাজারে কর্মরত ৫ টি বেসরকারী চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি, ১ টি জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক, ৩টি স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক ও মহেশখালীর ২ সাংবাদিকেরও ইয়াবা ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টটা পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই সাংবাদিকেরা কৌশলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য সংগ্রহ করে তা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেন। আবার অনেক সময় সাংবাদিকতার পরিচয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচার করে আসছেন। কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক ও চ্যানেল আই এর স্টার্ফ রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক জানিয়েছেন, 'ইয়াবা ব্যববসায় সাংবাদিকদের নাম আসা খুবই লজ্জাজনক। এই ধরনের ব্যাক্তিকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।' কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল জানিয়েছেন, 'যেই সাংবাদিকদের নাম ইয়াবার তালিকায় এসেছে তা যাচাই বাছাই করা হোক। যদি কোন সাংবাদিকের ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।' টেকনাফ থানার ওসি রন্জিত বড়ুয়া জানান, 'অনেক সাংবাদিকের নাম ইয়াবার তালিকায় আছে। ইয়াবা বিরুদ্ধে অভিযানে কাউকেউ ছাড় দেয়া হবে না। কোন সাংবাদিক যদি ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাকে অইনের আওতায় আনা হবে।
হাটহাজারীর থানার নন্দীরহাট এশিয়া পেপার মিলে অগ্নিকাণ্ড
সজল চক্রবর্ত্তী,চট্টগ্রাম: হাটহাজারী থানার নন্দিরহাট এশিয়া পেপার মিলে আজ রবিবার বিকাল ৩টার দিকে মিলের একটি নির্মিতব্য সেডে ওয়েলডিংয়ের কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত হয়। সংবাদ পেয়ে দীর্ঘ দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে হাটহাজারী ও বায়েজিদ ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নির্বাপণ করে। হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার জাকের হোসেন জানান, তিনটি ইউনিটের দেড় ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেশী না হলেও দ্রুত ফায়ার সার্ভিস আসায় কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা পায় । এশিয়া পেপার মিলের জি এম ইঞ্জিনিয়ার আর. এম চৌধুরী বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৫০হাজার টাকা হবে গুদামের ছাদে বেলাল কন্ট্রাক্টরের কিছু লোক শেড ওয়েলডিংয়ের কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ দিকে খবর পেয়ে হাটহাজারী সার্কেলের এডিশনাল এস পি আব্দুল্লাহ আল মাসুম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার
চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে সালাহ উদ্দিন প্রকাশ দুলাল নামে তালিকাভুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। শনিবার ভোরে আসাদগঞ্জ আনসার ক্লাবের মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুলাল কোতোয়ালী থানাধীন খাতুনগঞ্জ রামজয় মহাজন লেইনের মৃত মফজ্জল আহম্মদের ছেলে। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ইয়াবাসহ সালাহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সালাহ উদ্দিন তালিকাভুক্ত কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী ও ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় ১৫টির বেশি মামলা আছে।
চট্টগ্রাম ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩
চট্টগ্রামের একটি দূরপাল্লার বাসে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের সামনে এ অভিযান চালানো হয়।তারা হলেন- চালক মাসুদ রানা (৪০), সহকারী জয়নাল আবেদিন (২০) ও সুপারভাইজার আবুল কালাম (৩৮)। লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামলী পরিবহনের একটি এসি বাসে তল্লাশি চালানো হয়। পরে বাস থেকে ইয়াবাসহ চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতারের পাশাপাশি বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তিনজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়-দীর্ঘ দিন ধরে তারা ইয়াবা পাচারের কাজ চালিয়ে আসছিল। তাদের মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
খুলশী ক্লাব লিঃ ইফতার মাহফিলে বক্তারা, সঠিক যাকাত বন্টন দারিদ্র বিমোচনে ভুমিকা রাখে
খুলশী ক্লাব লিঃ এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমযানে উপলক্ষে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে যাকাত প্রদান অনুষ্ঠান ক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব শামসুল আলমের সভাপতিত্বে গত ২৫মে বিকেল ৫টায় ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন তালুকদার, ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আহমদুল হক, ক্লাবের সম্মানিত পরিচালক দৈনিক পুর্বকোণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দীন চৌধুরী, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এম,এ,করিম,অর্থ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল কাদির, প্রেস ও মিডিয়া সম্পাদক সাংবাদিক হাসান আকবর, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাঃ শংকর কুমার ঘোষ, সাংস্কৃৃতিক সম্পাদক অমল চন্দ্র দাশ, অধ্যাপক আনিসুল আলম, রফিকুল ইসলাম, ফজলুর রহমান পারভেজ, ডাঃ আবদুর রহমান, ডাঃ নুরুল কিবরিয়া, আমির হোসেন, শওকত আলী তালুকদার, মীর্জা জামশেদুল আলম, আমিরুল হুদা কোরাইশী, ডাঃ কুতুব উদ্দীন, মোঃ ফিরোজ উদ্দীন, ডাঃ সাদেক, ডাঃ জসিম উদ্দীন, এড,এম,এ,ওয়াহেব, নুরুল আবছার চৌধুরী প্রমুখ। সভায় প্রধান আলোচক তার বক্তব্যে বলেন রমযান আমাদেরকে আতœশুদ্ধি ও আতœত্যাগের শিক্ষা দেয়। রমযানে আমরা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন ও মানুষকে সহযোগিতা করার সুযোগ পায়। এই রমযানে আমরা ধর্মীয় মুল্যবোধে আল কোরআনের শিক্ষা নিজে গ্রহণ ও অনুধাবন করার শ্রেষ্ঠ সুযোগ পেয়ে থাকি। তিনি বলেন কোরআন নিজে তেলওয়াত করে যে সওয়াব লাভ করা যায় অন্যের মাধ্যমে কোরআন খতম বরে ততটুকু সওয়াব কখনো লাভ করা সম্ভব না। যেমন ডাক্তার আমাকে রোগের জন্য যে ঔষধ দিয়েছে তা অন্যকে খাওয়ালে আমার অসুখ কখনো দুর হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। তিনি আরো বলেন এই পবিত্র রমযানে আমরা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমরা যদি সুষ্ঠু ও পরিকল্পনা এককালীন যাকাত প্রদান করি তবে সমাজের দারিদ্রতা নির্মুল করা অত্যন্ত সহজ হবে। সভার সভাপতি বলেন খুলশী ক্লাব প্রতিনিয়ত মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রস্তুত এবং নানা কল্যাণমুখী কাজ করে যাচ্ছে। আজকের ইফতার মাহফিল ছাড়াও এতিম শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাবের দরিদ্র তহবিল থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকার যাকাত প্রদান করা হয়। এ যাকাত প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে আর ক্লাবের সদস্যরা সামর্থ্য অনুযায়ী নিজেদের যাকাতের টাকা এই ফান্ডে জমা করতে পারবেন। সভা শেষে দেশ, জাতি সকল মুসলিম জাহানের উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত মাওলানা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন তালুকদার।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আদিবাসী দুই কিশোরী হত্যার বিচার দাবিতে মানব বন্ধন হিন্দু মহাজোটের
২৫শে মে শুক্রবার সকাল ১০ টায় সীতাকু- পৌরসভার জঙ্গল মহাদেবপুর পাহাড়ের ত্রিপুরা পাড়ায় সংখ্যালঘু দুই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত সকলকে অবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক দ্রুত বিচাওে ট্রইব্যুনালের মাধ্যমে ফাঁসীর দাবিতে চট্টগ্রাম এর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম। হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ সুজিত ঘোষের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন হিন্দু মহাজোট চটগ্রাম মহানগরের সভাপতি অধ্যাপক ঋতেন দাশ, চট্টগ্রাম জেলার সহ সভাপতি মিলন শর্মা, সুজিত সরকার, চট্টগ্রাম মহানগরের সহ সভাপতি অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুদীপ্ত বিশ্বাস, সহ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দাশ রানা, রিপন দাশ, জুয়েল নাথ, দেবাশীষ ত্রিপুরা, প্রেম ত্রিপুরা প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন গত ১৮ মে সীতাকু-ে সুখলতি ত্রিপুরা(১৫) ও ছবি রানী ত্রিপুরা(১১) নিজ বাড়িতে ধর্ষণ ও হত্যার পর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন জড়িত সকলকে এখনো গ্রেফতার করেনি। শুধু তাই নয় সারা দেশে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হিন্দু নির্যাতন হচ্ছে। হিন্দুদের বাড়ীঘরে হামলা, জমি দখল, অগ্নি সংযোগ, লুঠপাট, মঠ মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর এদেশে এখন নিত্য ঘটনা। কোন ঘটনারই আজ পর্যন্ত কোন বিচার পায়নি হিন্দুরা। আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবী “সংখ্যালঘু সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন” হলে সুখলতি, রাণী দের এইভাবে মরতে হত না। এদেশ থেকে নির্বিচারে হিন্দুদের পালিয়ে যেতে হত না। অথচ সংখ্যালঘু ইস্যুতে সরকার এবং প্রশাসন বরাবরই উদাসীন ও সাম্প্রদায়িক বৈষম্যমূলক আচরণ করে চলেছে। অবিলম্বে এই ধর্ষন ও হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার পূর্বক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসীর দাবী জানাই। বক্তারা আরো বলেন আজ এদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে আমেরিকা ও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আলোচনা হলেও আজ পর্যন্ত আমাদের জাতীয় সংসদে এ নিয়ে কোন আলোচনা হয়নি। জাতীয় সংসদে সংখ্যালঘুদের পক্ষে কথা বলার কোন লোক না থাকায় আমরা পৃথক নির্বাচন বাস্থবায়নের মাধ্যমে ৬০টি সংরক্ষিত আসনের দাবী জানাই। ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা, চট্টগ্রাম মহানগর ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরাম, জাগো হিন্দু পরিষদ, শারদাঞ্জলী ফোরাম উক্ত প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে সংহতি প্রকাশ করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ২৪ মে, সীতাকু- ২ নং বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নে দুস্থ অসহায়দের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সীতাকু-ের এমপি আলহাজ্ব দিদারুল আলম। অনুষ্ঠানে দিদারুল আলম এমপি বলেন, দুস্থ ও অসহায়দের কল্যাণে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে দুস্থদের মাঝে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। প্রতিবছরের মত এবারও এই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করা হয়। দিদারুল আলম আরো বলেন এই ধরনের সমাজ সেবা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ২নং বারৈয়ারঢালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেহান উদ্দিন রেহান, পৌর কাউন্সিলর জুলফিকার আলী শামীম, থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ ইসহাক, সমাজ সেবক হারাধন বাবু, মফিজুর রহমান, নুর মোস্তফা, আনোয়ার ভুইয়াসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঈদের আগে ও পরে ৮দিন সিএনজি স্টেশন খোলা
ঈদ-উল-ফিতরের আগের চারদিন এবং পরের চারদিন সারাদেশের সিএনজি স্টেশনসমূহ দিনরাত খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। মন্ত্রী বুধবার মেঘনা সেতুর গজারিয়া প্রান্তে সেতুর নির্মাণ সাইটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সকল স্টেক-হোল্ডারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় একথা জানান। এসময় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভুঁইঞা, সেলিম ওসমান, নজরুল ইসলাম বাবু ও লিয়াকত হোসেন খোকা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামী ৮ জুনের মধ্যে সারাদেশের চলমান জরুরি সড়ক মেরামতকাজ শেষ করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া মহাসড়কে উল্টোপথে যেকোন ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ঈদের সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দ্রুত সরিয়ে নিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ রেকার সংগ্রহে রাখারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসময় মন্ত্রী বলেন, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সকল সরকারি সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। তিনি গাড়ি চালকদের অতিরিক্ত ট্রিপ না দিয়ে যাত্রাশেষে বিশ্রামের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পরিবহন মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান। যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোল প্লাজার ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা হবে বলে মন্ত্রী সভায় জানান। সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, হাইওয়ে পুলিশ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, বিকেএমইএ, বিজিএমইএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্টেক-হোল্ডারগণ অংশ নেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর