বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় মেয়র নাছির ও ব্যারিস্টার নওফেল
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জিত হলেও এখনো অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হয়নি। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তির দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীল শিবির তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের সূচনা করে। তিনি মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন থেকে রক্ষা করেছেন। বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে অর্থবহ করার জন্য দেশে নজিরবিহীন উন্নয়ন কর্মকা- অব্যাহত রেখেছেন যার সুফল এদেশের সাধারণ মানুষ পেতে শুরু করেছে। প্রধান অতিথির ভাষণে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতাকর্মীদের অধিকতর ভাবে দেশ ও জাতির জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। মনে রাখতে হবে ভোগবাদিতা ব্যক্তি স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়। রাজনীতিক হিসেবে এই মানুসিকতা থাকা আমাদের উচিত নয়। তিনি দলকে সংগঠিত করে আগামীদিনে আবারও নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে অর্থনৈতিক মুক্তিই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে বার বার বিজয়ী করবে। তিনি তাঁর প্রয়াত পিতা আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’র প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি গণমানুষের রাজনীতি করেছেন। আমৃত্যু তিনি লোভ-লালসার উর্ধ্বে থেকেছেন। তাঁর জানাজায় অভূতপূর্বভাবে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের শ্রেণী পেশার মানুষ যোগ দেয়ায় আমি অবিভূত হয়েছি। এ জন্য আমি জানাজায় শরিক হওয়ায় লাখো লাখো চট্টগ্রামবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের অন্যতম সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহামুদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, উপ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, দপ্তর সম্পাদক জহরলাল হাজারী, নির্বাহী সদস্য ও কোতোয়ালী থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর, পশ্চিম মাদারবাড়ী ওয়ার্ড সভাপতি আলহাজ্ব আলী বক্স, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি। এছাড়া সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.এ. রশিদ, মহানগরের উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফর আলী, শেখ মো: ইসহাক, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, এড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, মো: হোসেন, হাজী জহুর আহমেদ, দেবাশীষ গুহ বুলবুল, আবদুল আহাদ, আবু তাহের, জোবায়দা নার্গিস খান, ডা: ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য নুরুল আবছার মিয়া, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, গাজী শফিউল আজিম, বখতিয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, জাফর আলম চৌধুরী, মোহব্বত আলী খান, নেছার উদ্দিন মনজু, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, মো: ইলিয়াছ, বিজয় কিষান চৌধুরী, থানা আওয়ামীলীগের আলহাজ্ব সাহাব উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক আলম, আনসারুল হক, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের মোজাহেরুল ইসলাম, আবুল হাশেম বাবুল, জামাল উদ্দিন, হাজী ইউনুছ কোম্পানী, ইকবাল চৌধুরী, আবদুল মান্নান, মো: ইসকান্দর মিয়া, আবদুর শুক্কুর ফারুকী, মোরশেদুল আলম, শেখ সরওয়ারদী, নিজাম উদ্দিন নিঝু, এরশাদ মামুন প্রমুখ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দারুল ফজল মার্কেট দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং সকাল সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
নেতাকর্মী সৃষ্টির নিপুণ কারিগর ছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী
বীর চট্টলার গণ মানুষের নেতা, চট্টগ্রামবাসীর প্রাণপ্রিয় অবিভাবক, অধিকার আদায়ের আপোষহীন নেতা, নগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে লালদিঘী মাঠে জানাযায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে বুঝা যায় চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ের মণিকৌটায় ছিলেন এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ, ৭৫‘এ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধে রাজনীতি, পরবর্তীতে নগর আওয়ামী লীগের দায়িত্বে এবং সর্বোপরি নাগরকি সেবায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত। এসব দায়িত্বগুলো তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। একটি উদাহরণস্বরূপ নগরীতে পোর্ট কানেক্টিং রোড, আগ্রাবাদ এক্সসেস রোড, জাকির হোসেন রোড এ তিনটি রাস্তা প্রশস্থকরণে নগরীতে ৬০% যানজটমুক্ত শহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্যে অভূতপূর্ব সাফল্যে নগরবসী আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চিরদিন স্মরণ করবে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নগরবাসীর খেদমতে খাজা গরীবউল্লাহ শাহ (রহ.) মাজার এবং মসজিদ আধুনিকায়ন, চকবাজার অলি খাঁ বেগ মসজিদ আধুনিকায়ন, চশমা হিল শেখ ফরিদ জামে মসজিদ আধুনিকায়ন, মেয়র হজ্ব কাফেলায় হাজ্বী সাহেবদের খেদমতে উল্লেখযোগ ভূমিকা রাখেন। রাজনৈতিক এর পাশাপাশি তিনি সমাজসেবায় সাফল্যে বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত প্রিয় নেতার পথ অনুসরণ করে আজ অনেক নেতাকর্মী সমাজসেবায় অবদান রাখছেন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর কর্মপ্রন্থাগুলো সাফল্যের শিক্ষা নিতে পারলে নেতাকর্মীরা সমাজ বা রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন হিসেবে মহিউদ্দিন চৌধুরী অত্যন্ত সফলতার সাথে রণাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে ঘোষণার পর থেকে দেশী-বিদেশী রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দায়িত্বে পালনে মহিউদ্দিন চৌধুরীর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। আজ নগরীর কাজির দেউড়ীস্থ সমাদর কমিউনিটি সেন্টারে নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর আস্থার প্রতীক, বিশিষ্ট কলামিষ্ট, সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদের নির্দেশনায় আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় পবিত্র খতমে কোরআন ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর নগর যুবলীগের সদস্য শেখ নাছির আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন নগর যুবলীগ সদস্য নেছার আহমদ, এস এম সাঈদ সুমন, ওয়াহিদ হাসান, মহানগর যুবলীগ নেতা আশরাফুল গণি, বখতেয়ার ফারুক, নগর যুবলীগ সদস্য দেলোয়ার হোসেন দেলু, হাজী মো: ইব্রাহিম, কাজী রাজেশ ইমরান, হোসেন সরওয়ার্দী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সরওয়ার আলম মনি, সাহেদ মুরাদ সাকু, ১৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ আহ্বায়ক মো: সেলিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, ২১নং জামালখান ওয়ার্ড যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল হান্নান, মহানগর যুবলীগ নেতা জহির উদ্দিন সুমন, শেখ বশির আহমেদ, এম এ হাসেম বাবু, আলহাজ্ব জাবেদ হোসেন, দুলাল আবরাহ, নজরুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ আলম, রাশেদ চৌধুরী, মো: দেলোয়ার, রহিমদাদ খান বাদশা, ইমরান আলী রাজু, জাহিদুল ইসলাম সুমন, আশরাফ উদ্দিন টিটু, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য নাজমুস সাকিব, নগর ছাত্রলীগ সহ সভাপতি নাজমুল হাসান রুমি, ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলম শহিদ, যুবনেতা ইয়াছিন ভূইয়া, মো: সালাউদ্দিন, মঞ্জুরুল আলম রিমু, আমিনুল ইসলাম আজাদ, মো: আলমগীর, মো: নুরুজ্জামান, আবু বক্কর সিদ্দিকী পলাশ, মাকসুদ জামিল মারুফ, শেখ মহিউদ্দিন, এস এম তানভীর হাসান, রিমন পাটান, আশরাফুল আলম সিদ্দিকী, আবদুল মুকিত, ওমর ফারুক ফয়সাল, বন্ধন সেন, আশেক ইলাহী , মো: রকি, মো: রুবেল, এনামুল হক। বাদ মাগরিব হইতে ১১ জন হাফেজগণের মাধ্যমে পবিত্র খতমে কোরআন এবং মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত পরিচালনা করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলী মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র ঝাউতলা রেলওয়ে জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আলহাজ্ব আবুল হাসান।
বোয়ালখালীতে আশেকানে আউলিয়া মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত
বোয়ালখালী উপজেলার খিতাপচর রহমানিয়া দরবার শরীফের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিল্লাদুন্নবী (সা.) ও আশেকানে আউলিয়া মহা সম্মেলন, খিতাপচর হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) রহমানিয়া ইসলামিয়া হেফজখানা এবং এতিম খানার সালনা জলসা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদে এশা খিতাপচর রহমানিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহ্ ছুফি সৈয়দ শাহ্ নজরুল ইসলাম খিতাপচরী আল্ হাছানী আল্ মাইজভান্ডারী (ম.) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন গোমদন্ডী সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি জসিম উদ্দিন আলকাদেরী। প্রধান বক্তা ছিলেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের সহকারি পেশ ইমাম মাওলানা আহমদ রেজা আলকাদেরী। সৈয়দ নুরুল আবচারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পীরজাদা মাওলানা মুফতি সৈয়দ আসহাব উদ্দিন খিতাপচরী আল্ হাছানী ওয়াল হোছাইনী, মো. শাহেদুল ইসলাম আলকাদেরী, মৌলানা আবদুল খালেক, মৌলানা ইলিয়াছ আমেরী, মৌলানা সোহরাব, মৌলানা শোয়াইব, মৌলানা সাখাওয়াত হোসেন গরিবী, মৌলানা ফরিদ উদ্দিন রুহানী। বক্তারা বলেন, যুগে যুগে মানব কল্যাণে আউলিয়া কেরামগণ কাজ করে যাচ্ছেন। নবী করিম (সা.)র নির্দেশিত পথই হচ্ছে আউলিয়া কেরামগণের পথ। এর আগে সকালে পবিত্র মিল্লাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
চট্টল বীর আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ও মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জিয়ারত এবং মুনাজাত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো: মহিউদ্দিন বাচ্চু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুল হক সুমন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য এড. আনোয়ার হোসেন আজাদ, আকবর হোসেন, সাইফুল ইসলাম, একরাম হোসেন, মাহাবুব আলম আজাদ, আবু সাঈদ জন, হেলাল উদ্দিন, নুরুল আলম, আসহাব রসুল জাহেদ, সোহেল রানা, শেখ নাছির আহমেদ, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, নাজমুল হাসান সাইফুল, সনত বড়য়া, হাজী ইব্রাহিম, আলমগীর আলম, আজিজ উদ্দিন, ইকবাল ইকরাম শামীম, সরওয়ার খান, কাজী রাজেশ ইমরান, কফিল উদ্দিন, হোসেন সরওয়ারদী প্রমুখ।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন, ১৬ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান ক
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেলের সভাপতিত্বে স্বাধীনতা মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য ১৬ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার (প্রচার) আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ,মো. লিটন , জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পিয়ারা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, জসীম সরদার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা, গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব ইমতিয়াজ লিমন, বাকাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিপুল দাস, রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, বাগধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ। এর আগে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম সম্পাদিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত পত্রিকা সবার মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জেলা আওয়ামীলীগের যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। শনিবার সকালের প্রথম প্রহরে থানা প্রশাসনের তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়ে সকাল আটটায় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য প্রদান, নিরবতা পালন ও বিজয় দিবসের আনন্দ র্যা লী অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সরকারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিজয় দিবসের সালাম গ্রহন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবু তাহের মিয়া। পরে কুচকাওয়াজ প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা ও বিশেষ সন্মাণনা প্রদান, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামণায় মন্দির-মসজিদ-গীর্জা-প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থণা ও দোয়া, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে সকল অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নয়নাভিরাম আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। শনিবার সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠের স্বাধীনতা বিজয় মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেলের সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার (প্রচার) আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ মো. লিটন, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পিয়ারা বেগম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরুর রাজ্জাক মোল্লা।
কেক কাটা সহ নানা আয়োজনে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতিতে বিজয় দিবস উদজ্জাপন
আজ আমরা স্বাধীন, আজ আমরা নিজেদের বাঙ্গালি ও বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতে পারি। এ বিজয় এমনি এমনি অর্জিত হয় নি। লক্ষ লক্ষ বাঙ্গালি ভাই বোনের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয়। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধেকরে প্রানের বিনিময়ে এ বিজয় এসেছে। যখন পূর্ব পাকিস্তান ছিলো আমাদের এ দেশের নাম তখন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সেই একমাত্র দল যে দল ৫২'র ভাষা আন্দোলন ৭১'এর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে ভাষা, স্বাধীনতা ও বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। জাতির জনক বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ যখন গোটা পৃথিবীতে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিতি পেতে চলেছে, যখন বিশ্বে নেতৃত্বদানে সক্ষমতা অর্জন করতে চলেছে। তখন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ৭১'এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ৭৫'এ জাতির জনক হত্যাকারি সেই পরাজিত শক্তি পাকিস্তানি দালাল, রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। জঙ্গী, নাশকতা ও পেট্রোল বোমা মেরে নিরিহ জনগনকে হত্যাকারিরা দেশের জনগন ও স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশকে নিয়ে নানা চক্রান্তে লিপ্ত। মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল কে একতাবদ্ধ হতে হবে। জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে আর কখনোই ক্ষমতা দখল করতে দেয়া যাবে না। যে কোন মুল্যে প্রতিহত করতে হবে। মাদার অফ হিউমেনিটি বাংলাদেশ তথা বিশ্বনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। শনিবার ১৬'ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের ৪৬'তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়নামতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মোঃ তারিক হায়দার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের জন্য দোয়া ও মিলাদ, বিজয় মিছিল, কেক কাটা সহ বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতিতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দিবসটি পালন করা হয়। বুড়িচং উপজেলা এবং ময়নামতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের শতশত নেতাকর্মী এতে অংশ গ্রহন করেন। ময়নামতি ইউ যুব ও ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ অলিউল্লাহ অলি। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা মোঃ গোলাম আব্বাস গনি, জহিরুল ইসলাম বাচ্চু, রতন দেবনাথ, আবুল কালাম আজাদ, দেলোয়ার হোসেন মেম্বার, আবুল বাশার মেম্বার, আবুল হাশেম শান্ত, খোকন মৃধা, তোফায়েল, মনি মৃধা, রবিউল। ছাত্রলীগ নেতা ফয়জুল হাসান বাবু, হাবিব, মনির, আরমান হোসেন রাজু, মাসুম, ইকবাল । শ্রমিকলীগ নেতা জাভেদ হোসেন, সোহেল, শাহিন প্রমুখ সহ আরো বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে বাংলাদেশের ৪৬তম বিজয় দিবস পালন করা হয়।
নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত
জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (ﷺ) উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার থিয়েটার হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় রাসূল (ﷺ) এর শিক্ষাঃ সমকালিন বিশ্বে বাস্তবতা শীর্ষক সেমিনার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে আয়োজন করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান আল্লামা প্রফেসর ড. আব্দুর রশীদ, প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আল্লামা ড. শাহ কাউসার মোস্তফা আবুলউলায়ী, বিশেষ আলোচক ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতীব আল্লামা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দীন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর মিরপুর ফকিরবাড়ী দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা ফকির মুসলেম উদ্দীন হানাফী কাদেরী উলুভী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার আল্লামা এস.এম মাসুম বাকি বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জননেতা অধ্যাপক এম এ মোমেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক জননেতা আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক যুবনেতা অধ্যক্ষ আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ছাত্রনেতা আবুল কালাম আযাদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছাত্রনেতা সাখাওয়াত হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর মাসুমিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা মুখতার রেজা মাসুমী ও এক্সপো গ্রুপের হেড অব কমপ্লায়েন্স জনাব আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সমন্বয়ক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা আহমদ রেজা ও মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ সিদ্দিকী। বক্তারা বলেন, আজ আমরা কোনো জায়গাই শান্তিতে নেই, যেখানে মুসলমান সেখানেই ইসলাম বিদ্বেষী সকল শক্তি এক হয়ে মুসলমানদের উপর নির্যাতন করছে দিবারাত। মুসলমানরা ছিল বীরের জাতি শাসন করার জাতি, আজ এ অবস্থার একটাই কারণ আমরা ও আমাদের পরিবার ইসলামের প্রকৃত ও মূল শিক্ষা নবীপ্রেম ও সূফীবাদ থেকে দূরে সরে গিয়েছি।নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ,Press Release
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমাদেরকে দৃঢ় ইস্পাত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে :আ.জ.ম. নাছির
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ যুবমহিলা লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল ১৩ ডিসেম্বর সংগঠনের আহবায়িকা অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনীর সভাপতিত্বে নগরীর মুসলিম ইন্সিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। যুবমহিলালীগ চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন আহবায়ক মমতাজ বেগম রুজির পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছাবের হোসেন সওদাগর, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বেলাল আহমদ, জামালখান ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম চৌধুরী,সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও কেন্দ্রীয় যুবমহিলালীগের সদস্য রেহেনা বেগম রানু ছড়াকার আ.ফ.ম. মোদাচ্ছের আলী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগনেতা সুমন দেবনাথ, সংগীত শিল্প অশোক সেন, ডাঃ আর. কে. রুবেল, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, কবি সজল দাশ, সেলিম আকতার পিয়াল, আসিফ ইকবাল, জাহানারা বেগম, লিপি আকতার সহ আরো অনেকে। সংবর্ধনা প্রদান করা হয় মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সরকারি কর্মকর্তা জাহানারা বেগম ও পুল্লুরাণী দাশকে। সভায় প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন মুক্তিযুদ্ধের শানিত চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও দেশপ্রেমের শিক্ষা আমাদের প্রজন্মকে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যে অভাবনীয় সাফল্য তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে অবশ্যই নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য এখন থেকে যুবমহিলালীগকে ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন আজকের যুবমহিলালীগ চট্টগ্রামের বিজয় দিবসের যে ঝাকযমকপুর্ণ বিশাল আয়োজন তাতে সত্যিকার অর্থে আমি আনন্দিত। সভার শুরুতে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। উদ্ভোধনশেষে প্রধান অতিথিসহহ সকলে সমবেতকন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।Press Release