জননেতা আলহাজ্ব সোলায়মান আলম শেঠকে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সংবর্ধনা
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার অনারারি কনসুল জননেতা আলহাজ্ব সোলায়মান আলম শেঠ বলেছেন, চট্টগ্রামের মানুষের জন্য আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি। এই অঞ্চলে শিক্ষা-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে আমি দেশের সম্মান ও মর্যাদা বিদেশের মাটিতে বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি চট্টগ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে সাংবাদিকদের সন্তানদেরকে দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। জননেতা সোলায়মান আলম শেঠ দক্ষিণ আফ্রিকার অনারারি কনসুল নিযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উক্ত সংবর্ধনা সভা বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সভাপতি মনজুরুল আলম মনজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি কুতুব উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া আলতাফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: গোলাম মর্তুজা আলী, অর্থ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন সিকদার, সহ-অর্থ সম্পাদক মো: হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক মো: রাশেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক শেখ মোরশেদুল আলম, প্রচার সম্পাদক সাইদুল আজাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মো: আখতার হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য হায়দার আলী, এরশাদ আলী, মাসুমুল ইসলাম, সদস্য এম.এ. হান্নান কাজল, মো: হানিফ, আকমাল হোসেন, আনোয়ারুল আজিম, ইমাম হোসেন রাজু, রাজু দীক্ষিত, মো: আবুল হাশেম, ইব্রাহিম মুরাদ, মো: জাহাঙ্গীর প্রমুখ Press Release
উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ আবদুল ওয়ারীশ, কুরআনের আলোকে ও রাসুলের আদর্শে আমাদের সামগ্রিক জীবন প
গত ৬ ডিসেম্বর বুধবার বিকেল ৫টায় নগরীর সেগুনবাগান তালীমুল কুরআন মাদরাসায় দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক, চট্টল দরদী, স্থপতি তসলিম উদ্দিন চৌধুরীর রূহের মাগফিরাত কামনা ও আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইকবাল বাহার বিপিএম, পিপিএম-এর প্রতিনিধি উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ আবদুল ওয়ারীশ বলেন পরিবার, সমাজ এমনকি গোটা বিশে^ শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য কুরআনের আলোকে ও রাসুলুল্লাহর (সা.) আদর্শে আমাদের সামগ্রিক জীবন পরিচালিত করতে হবে। বিশ^নবী মুহাম্মদ সা. কেবল মুসলমানদের জন্য বা মানবজাতির জন্য নয় বরং পুরো সৃষ্টিজগতের জন্য রহমতস্বরূপ আবির্ভূত হয়েছেন। সিনিয়র সাংবাদিক, সমাজসেবক, চট্টল দরদী, পূর্বকোণ সম্পাদক, স্থপতি তসলিম উদ্দিন চৌধুরীর রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি, তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলন সংস্থার সভাপতি, আলহাজ্ব হাফেজ মুহাম্মদ তৈয়্যব। অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলন সফল করার জন্য সর্বস্তরের মুসলমানদের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ আলহাজ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সহসভাপতি, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, মাওলানা ইসমাইল মনজুর আশরাফী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা আজিজুল হক আল মাদানী, মাওলানা কারী জহিরুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, আলহাজ হায়দার হোসেন বাদল, সাবেক আরওআই নূর আহমদ, মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার এম. এ জাহের, মাওলানা কারী সাইফুল্লাহ, এড. গোলাম কিবরিয়া, ইমাম ও খতিব ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুফতি মোরশেদুল আলম, মাওলানা আলাউদ্দিন সাবেরী, আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলনের সমন্বয়ক মাওলানা আজহার উদ্দিন, চিটাগাং প্রাইভেট মাদরাসা এসোসিয়েশন এর সাংগঠনিক সম্পাদক, মাওলানা হাফেজ এনামুল হক, মাওলানা মানযারুল হালিম বুখারী, হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি, মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ আলম, হাফেজ যাকারিয়া খালেদ, আলহাজ হাবিবুর রহমান, মাওলানা কারী ফজলুল করিম, মাওলানা ইউনুস, মাওলানা জুনাইদ জওহার, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা করিমুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনারের পক্ষে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ আবদুল ওয়ারীশ। সেগুনবাগান তালীমুল কুরআন মাদরাসার পরিচালক , চিটাগাং প্রাইভেট মাদরাসা এসোসিয়েশন, ইমাম ও খতিব ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম ও হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। Press Release
৪ হাজার গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন ও পুলিশী হয়রানী বন্ধসহ ১২দফা দাবী বাস্তবায়নে ২০ডিসেম্বর সর্বাত্মক ধ
চট্টগ্রাম অটোরিকশা অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন-১৪৪১ এর সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেছেন, চট্টগ্রামের জন্য সিএনজি চালিত অটোরিকশা পরিচালনা সংক্রান্ত আলাদা নীতিমালা বা সার্ভিস রুলস প্রণয়ন করা, ৪হাজার নতুন গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন প্রদান, পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নো-পার্কিং মামলা বন্ধ করা, সহজ শর্তে চালকদেরকে লাইসেন্স প্রদান, মালিকের জমা ৬০০টাকা ও মান সম্মত মিটার প্রদান করার মাধ্যমে নগরীতে যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা ১২ দফার দাবীতে ১বছর আগে পরিবহন ফেডারেশনের সাথে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলাম প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা ধর্মঘট স্থগিত করেছিলাম। দীর্ঘ ১বছর অতিবাহিত, ৬মাস আগে প্রশাসনকে স্মরকলিপি দিয়েছি তারপরও আমাদের দাবী বাস্তবায়ন করেনি। প্রশাসনের এ ব্যর্থতার জন্য আগামী ২০ডিসেম্বর চট্টগ্রাম নগরী ও জেলা গুলোতে সবার্ত্মক ধর্মঘট পালন করা হবে। তিনি বলেন, এই ধর্মঘটের মাধ্যমে যদি দাবী আদায় না হয়, তাহলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য থাকব। অদ্য সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর অক্সেজেন মোড়ে এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে হারুনুর রশীদ উপরোক্ত কথা বলেন। বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা অক্সিজেন শাখার সভাপতি মো: সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ-সভাপতি ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল নবী লেদু। শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকদের করুন অবস্থা বিরাজ করছে। একদিকে মালিকে অতিরিক্তি দৈনিক জমা আদায় অন্যদিকে পুলিশের হয়রানী ও যত্রতত্র মামলার ভারে চালকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন অটোরিকশা গুলোকে যে কোন মামলায় ৩০০টাকার বেশী জরিমানা করা যাবে না। মামলা হামলা দিয়ে চালকদের যেন তেন দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। তিনি দ্রুত ১২দফা দাবী বাস্তবায়ন করে শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান। প্রধান বক্তা হারুনুর রশীদ আরো বলেন, আগামী ১৯ ডিসেম্বর শহীদ মিনার চত্তরে স্মরনকালে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে। এর আগে প্রতিটি থানা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শ্রমিকদের সমাবেশ করা হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে ২৬হাজার শ্রমিক ১৩হাজার গাড়ী সময় ভাগ করে চালিয়ে কোন মতে জীবন যাপন করছে। চট্টগ্রামের মতো একটি বাণিজ্যিক রাজধানীতে ২০০২সালে সর্বশেষ গাড়ীর রেজিষ্ট্রেশন দিলেও সেই গাড়ীর অনেক গুলো এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কিন্তু নগরীর পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে তারপরও সরকার চট্টগ্রামের জন্য নতুন করে গাড়ীর রেজিষ্ট্রেশন দিচ্ছে না। অথচ অনুমোদন দিয়ে ৪হাজার গাড়ী আন রেজিষ্ট্রেশন হিসেবে চলাচল করছিল দীর্ঘদিন বর্তমানে সেই গাড়ী গুলোও বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি অবিলম্বে নগরীরতে ৪হাজার গাড়ীর অনুমোদনসহ অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ১২ দফা দাবী মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, রফিকুল ইসলাম, কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন, আমান বাজার শাখা সভাপতি আলী আকবর, সেক্রেটারী মো: শাহীন, টেক্সটাইল সভাপতি মো: কবীর সেক্রেটারী মো: আজম, শেরশাহ সভাপতি হানিফ, সেক্রেটারী বেলাল, রুবী গেইট শাখার সভাপতি খোকন ও বাবুল, কাপ্তাই রাস্তার মাথা শাখার আজাদ, জাফর মেহেদী, চবি’র সভাপতি শামসু সেক্রেটারী হারুন ও খোরশেদ, মুরাদপুর সভাপতি মোধ সেলিম, কামরুল ও আলাউদ্দিন প্রমুখ |Press Release
প্রতিবারের ন্যায় এবারও বিজয় র;্যালী হবে সর্ববৃহৎ ও আকর্ষনীয়
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কার্যালয়ে ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় বিজয় শিখার পাদদেশ থেকে বর্নাঢ্য বিজয় র-২০১৭ সফল করার জন্য বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব মোহাম্মদ ইউনুছের সভাপতিত্বে ও র;্যালী উপ-পরিষদের আহবায়ক শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তাগণ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ২৯ তম বিজয় র;্যালী জাতিকে উদ্দীপ্ত করবে এই লক্ষ্য অর্জনকে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা, প্রশাসন ও মুক্তিকামী বীর জনতার অংশগ্রহণে প্রদীপ্ত করতে হবে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের এই বিজয় র;্যালীতে যুক্ত করে তাদের মনে দেশপ্রেমের শিখা প্রজ্জ্বলিত রাখতে হবে। বক্তারা বলেন, এবারের বিজয় র;্যালী ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগে সুশৃংখলভাবে সম্পন্ন হবে। নির্দিষ্ট রোড ম্যাপ অনুযায়ী এই বিজয় র;্যালী এম.এ. আজিজ স্টেডিয়ামস্থ বিজয় শিখা প্রজ্জ্বলন চত্বর থেকে আরম্ভ হয়ে চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিজয় মঞ্চে এসে সমাপ্ত হবে। সভায় বক্তাগণ আরো বলেন, নতুন প্রজন্মকে বিজয় মেলার মধ্যে দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে চাই, সেই লক্ষ্যে আমাদের এই প্রয়াস বিজয় র;্যালী। সভায় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় র;্যালীতে সরকারী বাহিনী ও বেসরকারী সংস্থা, ছাত্র-যুব জনতা, শ্রমিক, মহিলা ও মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বমহলকে বিভিন্ন সাজে অংশগ্রহণ করার আহবান জানানো হয় । মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান অমল মিত্র, মহাসচিব পান্টু লাল সাহা, মুক্তিযোদ্ধা ডা: ছালেহ আহমেদ, বিজয় মেলা পরিষদের কর্মকর্তা চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, ফরিদ মাহমুদ, র;্যালী উপ-পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুল আলম, এস.এম. সাঈদ সুমন প্রমুখ। Press Release
কোন সৈরাচারের শেষ রক্ষা এই দেশে হয়নাই, এই স্বৈরাচারেরও শেষ রক্ষা হবে না:ডা. শাহাদাত হোসেন
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই সরকার নব্য স্বৈরাচার সরকারে পরিণত হয়েছে। এই নব্য স্বৈরাচার সরকারের নীপিড়ন নির্যাতন অতীতের স্বৈরাচার এরশাদ সরকারকেও হার মানিয়েছে। এই নব্য স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তি পেতে হলে কঠিন আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে। এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নয় বলেই তারা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা ফ্যাসিস্ট কায়দায় জনগণের উপর জুলুম-নির্যাতন, নীপিড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু কোন সৈরাচার সরকারের শেষ রক্ষা এই দেশে হয়নাই তাই এই স্বৈরাচারেরও শেষ রক্ষা হবে না। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আশির দশক শেষে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণ আন্দোলনে শহীদ নুর হোসেন, শহীদ মোজাম্মেল, জিহাদ, ডা. মিলনের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র আজ ভুলন্টিত। হারানো গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে আজ মহান বিজয় মাসে আমাদের শপথ নিতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ার প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি অদ্য ৬ ডিসেম্বর দলীয় কার্যালয় নাছিমন ভবন মাঠে নগর বিএনপির উদ্দ্যেগে স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, ৯০এর স্বৈরাচার আন্দোলনে যেভাবে সরকারকে পালাতে হয়েছে ঠিক সেই ভাবেই এই স্বৈরাচার সরকারকেও পালাতে হবে। নেতাকর্মীদের আন্দোলনের জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম.এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আলাহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দীন, ইসকান্দার মির্জা, আর.ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মঞ্জুরুর রহমান চৌধুরী, কমিশনার আজম উদ্দীন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নুর হোসেন, নগর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দীন মুবিন, সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মিটু, ডা. সরোয়ার আলম, এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক আব্দুল হালিম স্বপন, আরিফ মেহেদী, নগর মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদিকা জেলি চৌধুরী, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। Press Release
রাবিতে আন্তঃকলেজ অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ৪০তম আন্তঃকলেজ অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে বেলুন-ফেস্টুন ও কবুতর উড়িয়ে দুদিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এম আব্দুস সোবহান। বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক মো. আব্দুর রোকনের সঞ্চালনায় এবং অ্যাথলেটিকস্ ও অ্যাকুয়াটিকস্ সাবকমিটির সভাপতি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধিকর্তা প্রফেসর শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতি এ্যাথলেট শিরিন ও মাহফুজ মশালসহ মাঠ প্রদক্ষিণ ও অগ্নি প্রজ্বলন করেন। উল্লেখ্য, দুদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় ৪১টি ইভিন্টে এবং প্রায় ২৬০ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৬দফা দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীদের মানববন্ধন
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা ৬দফা দাবিতে গতকাল বুধবার দুই ঘন্টা ব্যাপী খনি এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। আগামী ৪৮ঘন্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে মানববন্ধন থেকে। কয়লাখনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ১৩গ্রাম সমন্বয়ক কমিটির উদ্যোগে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দুই ঘন্টাব্যাপী ফুলবাড়ি-বড়পুকুরিয়া সড়কের দুই পার্শ্বে সহ¯্রাধিক নারী-পুরুষ ও যুবক-যুবতিরা ৬দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ৬দফা দাবির মধ্যে রয়েছে ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের ফলে ফাটল ধরা ঘরবাড়ির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো থেকে যোগ্যতা অনুসারে কয়লাখনিতে চাকরির ব্যবস্থা করা, চাকরির ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কোঠা প্রথা চালু করা, ফুলবাড়ী থেকে খয়েরপুকুরহাট ও চৌহাটি হয়ে ধূলা উদাল পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করা, বড়পুকুরিয়া বাজার সংলগ্ন রাস্তার বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করা, মসজিদ, কবরস্থান, ঈদগাহ মাঠসহ পূর্বে অধিগ্রহণকৃত ৬২৭ একর জমির সকল বকেয়া পরিশোধ করা, ২০০৭ সালের মে সরকার কর্তৃক নির্দেশিত পেট্রোবাংলা কয়লাখনি ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর মধ্যে স্বাক্ষরিত ১০দফা চুক্তি বাস্তবায়ন করা এবং আন্দোলনকারি নেতাকর্মী নামে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করা। মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন ক্ষতিগ্রস্ত ১৩গ্রাম সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মশিউর রহমান বুলবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ারুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, জাহিদুল ইসলাম রতন, আলী হোসেন, গোলজার হোসেন পান্না প্রমূখ। ক্ষতিগ্রস্ত ১৩গ্রাম সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মশিউর রহমান বলেন, খনিতে ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের ফলে ভূকম্পন ও ভূমি ধ্বসের কারণে খনি সংলগ্ন মোবারকপুর, বৈগ্রাম, কাশিয়াডাঙ্গা, রসুলপুর, কালুপাড়া, মহেশপুর, পাতরাপাড়া, বাঁশপুকুর, বৈদ্যনাথপুর, কাজিপাড়া, হামিদপুর, চৌহাটি ও জব্বরপাড়া গ্রামের প্রায় প্রতিটি ঘরবাড়িতে ফাটলসহ মাটি ফেটে ও দেবে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পরেছেন গ্রামবাসী। ঘরবাড়িতে ফাটলের কারণে আতংক আর উৎকন্ঠার মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে গ্রামবাসিকে। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতির বিষয় নিয়ে ক্ষতি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন নিবেদন করা হলেও তারা বিষয়টি কোন কর্ণপাত করছেন না। ফলে আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া দাবি আদায়ের বিকল্প পথ নেই এলাকাবাসী। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন গ্রামবাসী।
আগৈলঝাড়ায় কারিতাসের সুফল-২ প্রকল্পের আমন ধান কর্তন ও মাঠ দিবস উদযাপিত
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আমন ধান কর্তন ও মাঠ দিবস উদযাপিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের নওপাড়া কিশোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কারিতাস এনজিওর স্থায়ীত্ব খাদ্য ও জীবিকায়ন নিরাপত্তা (সুফল-২) প্রকল্পের আমন ধান কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে কারিতাস বরিশাল অঞ্চল পরিচালক ফ্রান্সিস বেপারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান জসীম সরদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায়, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্মকর্তা ওয়াসিক ফয়সাল, সিআরএস প্রকল্পের টেকনিক্যাল এডভাইজার ড. কমল, কারিতাসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সঞ্জিত কুমার মন্ডল। আমন ধান কর্তন ও মাঠ দিবসের উপর বক্তব্য রাখেন নওপাড়া কিশোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শোভা রানী মন্ডল, নওপাড়া গ্রামের কৃষক শংকর রায়, কৃষাণী পুতুল রায় প্রমুখ। পরে অতিথিবৃন্দ সুফল-২ প্রকল্পের আওতায় আমন ধান কর্তন উদ্বোধন ও মাড়াই পরিদর্শন করেন।Press Release
ঝিনাইদহে অটিজম বিষয়ক সচেতনতা ও ক্রীড়া আনন্দ উৎসব
ঝিনাইদহে অটিজম বিষয়ক সচেতনতা ও ক্রীড়া আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের ফজর আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ উৎসবের আয়োজন করে জেলা ক্রীড়া অফিস। ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচীর আওতায় অনুষ্ঠিত এ উৎসবে ফজর আলী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জয়া রানী চন্দর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আছাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আয়ুব হোসেন, মুসা মিয়া বুদ্ধি বিকাশ (অটিস্টিক) বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু, সুইড বাংলাদেশ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: মুন্সী রেজা সেকেন্দার। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র। আলোচনা সভার শুরুতে ৩০ জন প্রতিবন্ধি শিশু গান, নাচ পরিবেশন করে। পরে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।