চট্টগ্রামের অলংকার মোড় আবারো হকারদের দখলে
নিজেস্ব প্রতিবেদক : যানজট নিরসন ও সাধারণ মানুষের যাতায়ত সুবিধা শহরের সোর্ন্ধয্য বর্ধনের জন্য এবং হকারদের শৃংক্ষলিত করার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়ন আ.জ.ম নাজির উদ্দিন নগরীর ফুটপাত গুলো হকার মুক্ত রাখতে বিভিন্ন উদ্যেগ নেয়, হকারদের তালিকাভুক্তকরন, আইডি কার্ড বিতরন, অফিস সময় ব্যতীত অন্যান্য সময়ে ব্যবসা করার সময়বৃদ্ধি নির্ধারন, পূর্ণবাসন সহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে। যার ফলশ্রুতিতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো এখন প্রায় হকারমুক্ত থাকে। এতে যানজট ও অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু কিছুদিন যাতে না যেতেই চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা অলংকার মোড় আবারো হকারদের দখলে নিয়ে যায় চট্টগ্রাম হইতে ঢাকা, নোয়াখালী, রাজশাহী, সিলেট, কুমিল্লা সহ সকল এলাকার গাড়ীর যাতায়ত ও টিকেট কাউন্টার ও সাগরিকা শিল্প এলাকার অবস্থান সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান এই অলংকার মোড়, চসিকের নিয়ম না মেনে স্থানীয় স্থাপন নিমার্ণ করে হকারেরা ফুটপাত দখল করে এই অলংকার মোড়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনার কারনে একাদিকে যেমন প্রচুর যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে তেমনী অন্যদিকে বিভিন্ন অপরাধিরা নির্বিঘে তাহাদের অপরাধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সেইসাথে বিগ্ন হচ্ছে নগরীর সুন্দরের বর্ধনের উদ্দ্যেগ, ক্ষমতাসীন সরকারের নাম ভাংগীয়ে কিছু ব্যক্তি ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ট্রাফিক পুলিশ বিভাগের ক্ষতিপয় কিছু অসাদু ব্যক্তির সহায়তা হকারেরা আবার ফুটপাত দখল করে বলে অভিযোগ রয়েছে। নগরীর কয়েকজন ভুক্ত ভোগী ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের নেতী বৃন্দরা এই হকারদের দ্রুত উচ্ছেদ পূর্বক ফুটপাত দখলমুক্ত করিতে চসিকের মেয়র সহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
হযরত শাহছুফি এম.কে.ঈছা, আহমদ নকশাবন্দ (রহঃ) ওরশ শরীফের সেমিনারে বক্তারা, মানুষের মনে বিশ্বাস ও শান
হযরত শাহছুফি আলহাজ্ব মৌলানা এম.কে. ঈছা, আহমদ নকশাবন্দী (রহঃ) এর ১৬তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে ভক্তির বিকাশ ও সদসঙ্গ এর বিষয়ভিত্তিক সেমিনার গত ২৭ নভেম্বর সন্ধা ৭টায় মাজার প্রাঙ্গনে পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভক্তির বিকাশ ও সদসঙ্গ বিষয়ে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট লেখক অধ্যাপক মোঃ আফাজুর রহমান। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক শামসুল আরেফিন। পরিচালনা কমিটির সদস্য সংগঠক শওকত আলী সেলিমের পরিচালনায় এতে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন শওকত আলম, মাওলানা নুরুল ইসলাম, লেখক মোঃ আবদুর রহিম, সমাজসেবক দিদারুল আলম, লেখক মোঃ আসিফ ইকবাল, আবুল খায়ের, মাওলানা মোঃ ইউছুপ, মোঃ লিটন প্রমুখ। সভায় প্রধান আলোচক তার বক্তব্যে বলেন সুফিবাদ পৃথিবীতে যুগ যুগ ধরে শান্তিু ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের মনে বিশ্বাস স্হাপন আর মানবতা প্রতিষ্ঠায় শান্তির ধর্ম ইসলাম আলোকবর্তি হিসেবে আমাদেরকে পথ দেখাচ্ছে। তিনি আরো বলেন আজকের বিষয়বস্তু ভক্তির বিকাশ ও সদসঙ্গ একটি সময়োপযোগী বিষয়। আমাদেরকে ঈমাণী শক্তিতে অধিকতর বিশ্বাসী, আল্লাহতালার প্রতি পরম আনুগত্য স্বীকার ও রাসুলে (সঃ) এর প্রতি ভক্তি প্রকাশের মাধ্যমে আমরা মুলত মনুষ্যত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা অর্জন করতে সক্ষম হব। বক্তারা আরো বলেন সুফিবাদের আদর্শ মানুষের মধ্যে শান্তি আর বিশ্বাসের বীজ বপন ইহকাল ও পরকালের জন্য সওয়াবের মালিক হতে আমাদেরকে সাহায্যকরে। মাওলানা এম.কে. ঈছা আহমদ নকশাবন্দী (রহঃ) এর লেখনি ও আধ্যাতিœক সাধনা বোয়ালখালী ছড়িয়ে আজ সমগ্র দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বক্তারা আরো বলেন আসুন আমরা বিশ্বাসের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজেদের মানবতার কল্যাণে একজন আদর্শিক মানুষ হিসেবে কাজ করি। সভা শেষে দোয়া ও মোনাজাত করেন মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম। সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা আগত শিল্পী সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা,দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন হযরত মাওলানা এম,কে,ঈছা আহমদ নকশাবন্দী (রহঃ) মাজার পরিচালনা কমিটির নিজস্ব শিল্পীবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাসূল পাক (স.) এর মর্যাদা আল্লাহ তায়ালা নিজেই সমুন্মত করেছেন :বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব
বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কর্তৃক পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উদ্যাপন উপলক্ষে ৪ দিন ব্যাপি ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উপলক্ষে পাখ-পাখালীর আসর, শানে মোস্তফা (স.), গুণীজন সংবর্ধনা ও আজিমুশশান ওয়াজ মাহফিলের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান ২৯ নভেম্বর রোজ বুধবার সকাল ৯ টায় বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব বাহরুল উলুম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম.জি.আ) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল (এম.এ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষক ড. মাওলানা সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শায়খুল হাদীস আল্লামা জয়নুল আবেদীন, বায়তুশ শরফ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম, মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মামুনুর রশিদ নুরী, মাওলানা কাজী জাফর আহমদ, মুহাদ্দিস মাওলানা ফজলুর রহমান, বায়তুশ শরফ আন্জুমনে ইত্তেহাদের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফল করিম, ঈদে মিলাদুন্নবী স. উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মীর আনোয়ার আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, এ.বি.কে মহিউদ্দিন শামীম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা ফরহাত আলম, মাওলানা আবদুল খালেক, মাওলানা সিরাজুল হক নদভী, মাওলানা মোহাম্মদ মূসা, আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক, হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, দৈনিক নয়া দিগন্ত চট্টগ্রাম ব্যুরোচীফ নুরুল মোস্তফা কাজী, মাওলানা ছালাহ উদ্দিন বেলাল, হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মাওলানা আবদুশ শাকুর, এহছানুল হক মিলন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন- মাসিক দ্বীন-দুনিয়ার সম্পাদক- আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ। সভাপতির ভাষণে বায়তুশ শরফের পীর ছাহেব বাহরুল উলুম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম.জি.আ) মহান আল্লাহ তায়লার ভাষায় উপস্থাপন করে বলেন-কুরআনের বাণী-নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বিশ্বজগতের রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি, বিশ্বনবী (সঃ) এর মর্যাদা অন্যান্য সবকিছুর উর্ধ্বে, তার মত আর কেউ সম্মানিত ও মর্যাদাবান হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে কুরআনের বাণীর উদ্বৃতি দিয়ে বলেন- হে ঈমানদারগণ তোমাদের কণ্ঠস্বরকে হুজুর (সঃ) এর সামনে উচু করো না অর্থাৎ বড় আওয়াজে কথা বলো না। তিনি আরো বলেন- আল্লাহ পাক রাসূলের এমন কোন দিক বাকি রাখেননি, যেটি নিয়ে তিনি আলোচনা করেননি। যেখানেই আল্লাহ পাকের আলোচনা হয়, যিকির হয়, আজানে, ইক্বামতে, নামাযে সব জায়গায় আল্লাহ পাক রাসূলের মর্যাদাও তাঁর সাথে উন্নীত করেছেন। সারা পৃথিবী জুড়েই প্রতিটি মুহূর্তে, প্রতি সেকেন্ডে আমার নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সঃ) কে নিয়ে আলোচনা হয়, হচ্ছে এবং আগামীতে হবে। এ বছর বায়তুশ শরফ আন্জুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে যে চারজন বিশিষ্ট গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা ও বায়তুশ শরফ স্বর্ণপদক প্রদান করবেন তারা হলেন- ১) কর্মজীবনের সূচনালগ্ন হতে দীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসার, ইলমে হাদীস চর্চা ও শিক্ষা প্রদান এবং গবেষণার মাধ্যমে স্বীয় ধর্ম প্রস্ফুটিত করার ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জনাব আলহাজ্ব মাওলানা মাহমুদুল হক, অধ্যক্ষ সীতাকু- কামিল মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম। ২) কর্মজীবনের সূচনালগ্ন হতে একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সৎকর্ম কৌশলী ও সুদক্ষ প্রশাসক হিসেবে দেশ ও জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির অনন্য অবদানের স্বীকৃতির স্বরূপ প্রফেসর আবদুল মন্নান, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি), আগাঁরগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। ৩) চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে দুস্থ মানবতার কল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জনাব ডা. আনোয়ার হোসাইন খান, পরিচালক লাইফ কেয়ার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম। ৪) সমাজ সেবার মাধ্যমে অগণিত মানুষের কল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জনাব আলহাজ্ব আবুল বশর আবু, চেয়ারম্যান, আই.এম.এস গ্রুপ, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম। উল্লেখ্য যে, আগামীকাল ৩০ নভেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার (১) শিশু বিভাগ- শিশু থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সকাল ৯ টায় ক) ক্বেরাত প্রতিযোগীতা, সকাল ১০.৩০ এ খ) হাম্দ নাত প্রতিযোগীতা, সকাল ১১.৩০ এ গ) ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা (২) কিশোর বিভাগ- চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত দুপুর ১২.৩০ এ ক) ক্বেরাত প্রতিযোগীতা, দুপুর ২.৩০ এ খ) হাম্দ ও নাত প্রতিযোগীতা, বাদে আছর গ) কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা এবং বাদে মাগরিব রাসূল স. এর উপর নিবেদিত কবিতা,গজল, ও নাতের আকর্ষনীয় অনুষ্ঠান শানে মোস্তফা স. চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স এ অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে সর্বস্থরের মুসলিম ভাইদের প্রতি দাওয়াত রহিল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এনইউবিটি খুলনার CSE FEST-2017 -২০১৭ অনুষ্ঠিত
নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা এর কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যেগে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটেডিয়ামে জমকালো এক অনুষ্ঠনের মাধ্যমে ÒCSE FEST-2017” এর আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এ্যাডভাইজর এ.টি.এম. জহির উদ্দীন, সে সময় তিনি বলেন, বর্তমান পৃথিবী খুব ছোট ও হাতের মুঠোর মধ্যে। আর এই হাতের মুঠোর মধ্যে পৃথিবী নিয়ে আসার নেপথ্যের কারিগর হলেন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এ.এইচ.এম.মনজুর মোরশেদ,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. প্রফেসর ইব্রাহীম, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব এস.এম. মনিরুল ইসলাম সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও প্রক্টর জনাব মো. রবিউল ইসলাম সে সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন করেন,পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে এই বিভাগ একদিন বাংলাদেশের পুরো আইটি বিভাগকে নেতৃত্ব দেবে। এরপর কেককাটার মাধ্যমে অতিথিরা জমকালো সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে CSE বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা মনমাতানো পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ মহিম উদ্দিন মহিম’র ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বেসরকারী বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রল
২৯ নভেম্বর সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক উপ পাঠাগার সম্পাদক ও ওমরগণি এম.ই.এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি শহীদ মহিম উদ্দিন মহিম’র ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গরীব উল্লাহ্ মাজারস্থ কবরস্থানে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া ও মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শফিউল আজম জিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলাম রিপন, অসীম মহাজন, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ছাত্রলীগ নেতা সাকিব চৌধুরী, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাপ্পী, সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিন ফাহিম, সাদ্দাম হোসেন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা জাহেদুল ইসলাম রাফী, রিদুয়ানুল ইসলাম, এম.এপ্রু চাক্, সোহেল রানা, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন রাজু, নাজিম উদ্দিন, শাহ মোয়াজ্জেম রুবেল, প্রবাল শীল, ১৭নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা সাঈদ আনোয়ার তোহা, মো: সেলিম, শেখুল রহমান, মকসুদুর রহমান মুকুল, মো: হারুন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সমাজের বিত্তশালীদের মসজিদের উন্নয়ন কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান
নগরীর খুলশী থানাধীন দক্ষিণ খুলশীস্থ সরদার বাহাদুর নগর জামে মসজিদের পুন:নির্মান কাজে সমাজের বিত্তশালীদের মসজিদের উন্নয়ন কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান করেন মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মসজিদ পরিষদের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানান। ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরনের সার্বিক সহযোগীতায় পুনঃনির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি নছর উল্লাহ, সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন, আহমদ হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান প্রধান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সার মালিক, ঝাউতলা বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হায়দার হোসেন বাদল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মৌফিজুর রহমান, মো: আকতার হোসেন আলমগীর, সমাজ সেবক সিরাজুল ইসলাম কন্টাকটর, ফারহান খান, জাকির হোসেন তালুকদার, জাহিদ হোসেন বাবু, শাহ আলম দিলীপ, মোস্তাক আহম্মেদ বাদল, শহীদ আহমেদ চৌধুরী, শাহজাহান মিন্টু, শাহাবুল ইসলাম বাচ্চু, আবুল হাশেম মাস্টার, শামীম রেজা টিপু, আলহাজ্ব প্রকৌ. শাহ আলম, সাইফুল আলম চৌধুরী, মাস্টার শাহজাহান খান, ইদ্রিস মিয়া, মসজিদ পরিচালনা কমিটির অর্থসম্পাদক শাহজাদ মাজিদ, সদস্য মো: ইউনুছ মুন্না, শরিফুল ইসলাম আলম, শামীম, মো: জসিম উদ্দীন, শামসুর রহমান, যুবনেতা দেলোয়ার হোসেন বাবুল প্রমুখ। উদ্বোধন শেষে মসজিদের নির্মাণ কাজের সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা বেলাল হোসেন। মসজিদ পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তশালীদের মসজিদের উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার জন্য “এক্সিম ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, বিজিএমইএ শাখা ব্যাংক একাউন্ট নং- ০৬৩১২১০০০৭৯৩২৬ এই নম্বরে যেকোন দান অনুদান পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কবি সুফিয়া কামাল সম্মাননায় ভূষিত এনামুল হাসান
সমাজসেবা ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য মাসিক পুষ্প বার্তার সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হাসান কবি বেগম সুফিয়া কামাল সম্মাননা ২০১৭তে ভূষিত হয়েছেন। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু একাডেমী চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. এস.এম মনির-উজ-জামান বিপিএম, পিপিএম। প্রধান বক্তা ছিলেন চ.বির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. বাসন্তী প্রভা পালিত, সিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি নাজিম উদ্দিন শ্যামল, আবদুল লতিফ টিপু, এম.এ সবুর, ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ প্রমূখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাবেক মন্ত্রী এম মঞ্জুর মোর্শেদ খানের নেতৃত্বেই আমি মৃত্যুরআগ পর্যন্ত কাজ করে যাব :-এরশাদ উল্লা
২৭ নভেম্বর রাত ৭.৩০ মিনিটের সময় চান্দগাঁওস্থ শহীদ সরাফত উল্লাহর বাড়ির সম্মুখস্থ মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ ও বোয়ালখালী থানার সম্প্রতি-ঐক্য পুনঃমিলন অনুষ্ঠান নগর বি.এন.পি’র সহ-সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম নগর বি.এন.পি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বি.এন.পি’র উপদেষ্টা প্রবীন রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বি.এন.পি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বি.এন.পি’র যুগ্ম সম্পাদক আর.ইউ চৌধুরী শাহীন, নগর বি.এন.পি’র অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব সৈয়দ মোহাম্মদ সিহাব উদ্দিন আলম। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি, জিয়া শিশু-কিশোর ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান এম.এ. হাশেম রাজু। বক্তব্য রাখেন, চান্দগাঁও থানা বি.এন.পি’র নবনির্বাচিত সভাপতি কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন খান, বোয়ালখালী থানা বি.এন.পি’র আহবায়ক মোহাম্মদ শওকত-উল আলম, সদস্য সচিব নুরুল করিম নুরু, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ সরোয়ার আলমগীর, শফিকুল ইসলাম শাহীন, নগর বি.এন.পি’র সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, চান্দগাঁও ওয়ার্ড বি.এন.পি’র সভাপতি মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল কবির রানা, মোহরা ওয়ার্ড বি.এন.পি’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফিরোজ খান, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সদস্য মোহাম্মদ ইদ্রিস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বি.এন.পি’র সভাপতি দোস্ত মোহাম্মদ, নগর বি.এন.পি নেতা আলহাজ্ব জাকির হোসেন, চান্দগাঁও থানা যুবদল আহবায়ক জাফর আহমদ, চান্দগাঁও থানা বি.এন.পি নেতা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বি.এন.পি নেতা মোহাম্মদ ইউসুফ, বি.এন.পি নেতা আবুল বশর কন্টাক্টর, নগর যুবদল নেতা মোহাম্মদ আবু, যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলমগীর, নগর ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইসমাইল, গোটা অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন বি.এন.পি নেতা মোহাম্মদ ইস্কান্দার, চান্দগাঁও থানা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ আরিফ, তারেক ও রুবেল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশ আজ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে গভীর সংকটে নিমর্জিত। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আজকের এই সম্প্রতি-ঐক্য পুনঃমিলন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বি.এন.পি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার রাজনীতির গুরু সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম. মঞ্জুর মোর্শেদ খানের নেতৃত্বেই দলের স্বার্থে কাজ করে যাব। দেশ এবং জাতির এই ক্লান্তিকালে আমাদের ঐক্য মিলন আগামী দিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে ঐহিতাসিক ভূমিকা রাখবে। আজ সবাইকে সকল ভেদাবেদ ভুলে গিয়ে দেশের স্বাধীন-সার্বভৌম মাটি ও মানুষকে রক্ষা করার লক্ষ্যে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-জননেতা তারেক রহমান ও এম. মঞ্জুর মোর্শেদ খানের নেতৃত্বেই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ আহবান জানান। প্রধান বক্তা এম.এ হাশেম রাজু বলেন, লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে আজ ভারতীয় তাবেদার শেখ হাসিনা সরকার একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। এইভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। মানুষের ভোটের অধিকার, সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগামী দিনে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার শপথ গ্রহনের আহবান জানান। সমাবেশে নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনা সরকার পতনের লক্ষ্যে কাফনের কাপড় পড়ে আগামী দিনে আন্দোলন করার লক্ষ্যে শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করে সাবেক ছাত্রনেতা এম.এ হাশেম রাজু। বি.এন.পি নেতা কর্মীরা উভয় কোলাকুলি একে অপরকে ফুলেল মালা দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠান শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঈদে মিলাদুন্নবীতে (সাঃ) বাংলাদেশে ৩ লাখ মাহফিল জনমত গঠনে বড় শক্তি
পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে দেশে কমপক্ষে ৩ লাখ মাহফিল হচ্ছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেছেন, এসব মাহফিল বাংলাদেশে জনমত গঠনে বড় শক্তি। মাহফিল থেকেই দেশ-জাতির আশা আকাক্সক্ষা চিন্তা-চেতনার ভিত্তিতে জনমত গঠিত হয়। আর লাখ লাখ মাহফিলের উদ্যোক্তারা হলেন জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নেতাকর্মী ও সমর্থক। জমিয়াতুল মোদার্রেছীন এই দেশের মাটি থেকে তৈরী উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সংগঠন সুফি দরবেশদের দোয়ায় প্রতিষ্ঠিত। যারা ক্ষমতায় আছেন আর যারা ক্ষমতায় আসতে চান তারা এই সংগঠনকে সহযোগিতা দিয়ে নিজেরা লাভবান হতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় দূরদর্শী মন্তব্য করে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে ব্যবস্থা নিন। আমরাও আপনাকে সহযোগিতা করবো। তিনি গতকাল (বুধবার) বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর ২নং গেইটস্থ জিন্নুরাইন কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলন মিরসরাই থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৫ জেলার মাদরাসা শিক্ষকদের বর্ণাঢ্য এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। ইনকিলাব সম্পাদক বলেন, মূল্যবোধ ও নৈতিক সমাজ ব্যবস্থা চালু রাখতে এদেশের মাদরাসা শিক্ষক ও আলেম-মাশায়েখগণ কাজ করে যাচ্ছেন। জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত সমাজ কায়েমে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। আগামীদিনে একটি সুন্দর সমাজ তথা ইসলামী সমাজ কায়েমে আলেমদের এগিয়ে আসতে হবে। মাদরাসা শিক্ষা কারিকুলাম তথা পাঠ্য বই নিয়ে কোন গবেষণা না করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, পাঠ্য বইয়ে কোন পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে হলে জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে তা করতে হবে। কোন কিছু চাপিয়ে দেওয়া যাবেন না। চলমান বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটে আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরীতে মাদরাসা শিক্ষকদের আরও বেশি গবেষণা ও অধ্যয়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জীবন মান উন্নয়নের সাথে সাথে শিক্ষকদের মানও বাড়াতে হবে। মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের বলিষ্ঠ ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তার হাত দিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় যে প্রকল্প অনুমোদন পায় সেটিই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পায়। সর্বস্তরের মাদারাসা শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে দেশব্যাপী জনমত গঠনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন জমিয়াতের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী। তিনি বলেন, শিক্ষক কর্মচারীদের জাতীয়করণের এ দাবিও জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের সভাপতি এ এম এম বাহাউদ্দীনের দূরদর্শী নেতৃত্বে আদায় করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাবান্ধব এবং মাদরাসা শিক্ষার প্রতি তিনি বিশেষভঅবে আন্তরিক। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা হাসান মাসুদ, ফেনী জেলা জমিয়াতের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমেদ ও কক্সবাজার জেলা জমিয়াতের সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা কামাল উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা জমিয়াতের সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মোখতার আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহানগর জমিয়াতের সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা কাযী আবুল বয়ান হাশেমী। মহানগর সেক্রেটারী প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইলের সঞ্চালনায় সম্মেলনে কাগতিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল পীরে কামেল আল্লামা ছৈয়দ মুনির উল্লাহ আহমদ (ম.জি.আ.)সহ এ অঞ্চলের শীর্ষ আলেম-মাশায়েখ, বিভিন্ন মাদরাসার প্রিন্সিপালগণ উপস্থিত ছিলেন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সোবহানিয়া আলিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল আল্লামা মুফতি হারুনুর রশিদ, দারুল উলুম আলিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহবুবুল আলম সিদ্দিকী, প্রিন্সিপাল মাওলানা বদিউল আলম রেজভী, খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি আ ন ম আবদুল করিম, বান্দরবান জেলার সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা জাফর উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ সাদাত উল্লাহ, প্রিন্সিপাল আহমদ হোসাইন আলকাদেরী, মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, উপাধ্যক্ষ ড. লিয়াকত আলী, মাওলানা মহিউদ্দিন হাশেমী, প্রিন্সিপাল মাওলানা সাজেদ উল্লাহ আজিজি, অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ ইলিয়াছ, প্রিন্সিপাল মাওলানা মোঃ একরাম হোসাইন, প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা আবু জাফর, প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল নুরুল আলম প্রমুখ। সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহবুবুল আলম সিদ্দিকী। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাদরাসা প্রধান, শিক্ষক-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এ সম্মেলন প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি