বৈসাবি উৎসব শুরু খাগড়াছড়িতে
বর্ণিল আয়োজনে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে বৈসাবি উৎসব। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের এ উৎসবকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে নানা আয়োজন। এরই অংশ হিসেবে জেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি রযালি বের করা হয়। র‌্যালি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে টাউন হলে এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে অংশ নেন খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা উপজাতীয় তরুণ-তরুণীরাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। উৎসবের আয়োজনে যেমন বৈচিত্র্য ছিল তেমনি বৈচিত্র্য ছিল তাদের পোশাকেও। নেচেগেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বৈসাবি উৎসবকে স্বাগত জানান তারা। মূলত ত্রিপুরার মারমা চাকমা সম্প্রদায় বৈসু, মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠী বিজু উৎসব পালন করে। আর এই উৎসব মিলে উদযাপন করা হয় 'বৈসাবি'। এদিকে, উৎসব নির্বিঘ্ন করতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা জানান, প্রতি বছর নববর্ষে আমাদের এই উৎসব আসে। এই উৎসবে আমরা অনেকই জড়ো হই, আনন্দ-উল্লাস করি। পুলিশ জানায়, উৎসবে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেইজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
শ্রমআইন বাস্তবায়নের দাবিতে পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল যশোরে
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মহান মে দিবসে স্ব-বেতনে ছুটি কার্যকরাসহ শ্রমআইন বাস্তবায়ন এবং নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র প্রদানের দাবিতে যশোর বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়ন-বি-২১২৬, যশোর সদর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি পাইপপট্টি মোড়স্থ সংগঠনের জেলা কার্যলয় থেকে বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে চিত্রামোড়ে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়ন-বি-২১২৬, যশোর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব হোসেন, সদর থানা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল রানা। বক্তারা বলেন, শ্রম আইনের আওতায় মহান মে দিবসে যশোর শহরের সকল হোটেল প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের স্ব-বেতনে ছুটি দিতে হবে। যশোর শহরের যে সকল হোটেল প্রতিষ্ঠানে পরিচয়পত্র প্রদান করেছে কিন্তু কাজে যোগদানের তারিখ সঠিকভাবে দেয়নি তা সংশোধন করাসহ কেন্দ্র ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে সরকার, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও মালিক সমিতিকে আহ্বান জানান বক্তারা।
বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীরা নববর্ষের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত
বৈশাখ মানেই বাংলা নতুন বছরের প্রাণসঞ্চার। তাই ১৪২৪ কে বিদায় জানিয়ে নববর্ষ ১৪২৫ কে স্বাগত জানাতে শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীরা। দিনটিকে রাঙিয়ে তুলতে রঙতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলছেন হরেক রকমের শিল্পকর্ম। সাংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, বৈশাখ বরণে মঙ্গলশোভাযাত্রায় বহন করার জন্য তৈরি করা হচ্ছে মুখোশ, পেচা, ফুল ও পাখিসহ বিভিন্ন প্রানীর প্রতিকৃতি। এ সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে বগুড়ার হারানো সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে। এতে অংশ নেবেন বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরাসহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ। আর দিনটিকে উৎসবমুখর করে তুলতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সব ধরণের ব্যবস্থা।
আমি কোটার পক্ষে না :জাফর ইকবাল
জনপ্রিয় লেখক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাফর ইকবাল বলেন, আমি কোনোভাবেই কোটার পক্ষে না। একটা কোটা একবার ব্যবহার করা যায়। ৪/৫বার ব্যবহার কোনোভাবেই ফেয়ার না। তিনি এ অবস্থার অবসান দাবি করেন। এটা মোটেই যুক্তিপূর্ণ না, কোনোভাবেই না। এছাড়া কোটা প্রথার সুযোগে মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সোমবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়, স্বচ্ছ নয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই কোটা রয়েছে। কিন্তু সেটা যুক্তিপূর্ণ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এটা অনেক বেশি হয়ে গেছে। যতটুকু শুনলাম মেধাবীর চেয়ে কোটার সংখ্যা বেশি। এটা কেমন কথা। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা এত ভালোবাসি কিন্তু এখন বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে যে মুক্তিযোদ্ধাদের বাচ্চাকাচ্চাদের জন্যে মেধাবীরা চাকরির সুযোগ পাচ্ছে না। কোটা যদি ভিজিবল একটা জায়গায় থাকতো তবে এভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের সুযোগ তৈরি হতো না। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন জায়গায় পুলিশি হামলা প্রসঙ্গে জাফর ইকবাল বলেন, ছাত্রদের ওপর এ হামলা বাড়াবাড়ি। এটা যেন বিস্ফোরণের পর্যায়ে না যায়। এ হামলার ঘটনায় আমি সত্যিই মর্মাহত। ছাত্রদের গায়ে হাত দেয়া খুবই খারাপ।
জনগণকে শতভাগ শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সরকার শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে :ড.
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, সামষ্টিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার সেই বিষয়টি উপলব্ধি করে উন্নয়নের সিঁড়ি হিসেবে শিক্ষাকে বেঁচে নিয়েছে এবং তদানুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সরকার জনগণকে শতভাগ শিক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এ উদ্যোগের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। তিনি আরও বলেন, কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলে টেকসই উন্নয়ন হবেনা যদি সঙ্গে শিক্ষাসহ অন্যান্য মানবসম্পদের উন্নয়ন না ঘটানো হয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার সেই অভীষ্ট লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে অবিরাম। তিনি গত ৮ এপ্রিল ২০১৮ইং সাতকানিয়া উপজেলার গাটিয়াডেঙ্গা আলহাজ্ব সাফিয়া মমতাজুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা হাবিবুল উলুম ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট শিল্পপতি আবুল বশর আবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবারক হোসেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর, চেয়ারম্যান লায়ন ওসমান গনি চৌধুরী, নলুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ মিয়া, সহ-সভাপতি আ.জ.ম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক অমল দাস মানিক, পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের জিন্নাহ, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি এটিএম সাইফুল, দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগে সভাপতি মোহাম্মদ নুর হোসেন, আরটিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ সরোয়ার আমিন বাবু, অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম ফারুকী, প্রধান শিক্ষক প্রমোথুস বসু, স্থানীয় সাংসদ সহকারী সচিব এস এম সাহেদ, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চেরাগী পাহাড় চত্ত্বরে ইসলামী ছাত্রসেনার মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর আজ ৯ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম চেরাগী পাহাড় চত্ত্বরে কোটা সংস্কার দাবীতে আন্দোলনরত মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর ঢাকার শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মানববন্ধনে চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ছাত্রসেনার সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, দেশের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছে কোটা সংষ্কারের জন্য। ১% মানুষের জন্য ৫৬% কোটা আর ৯৯% সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪% কোটা। এটা অন্যায় ও চরম বৈষম্য। কোটা সংস্কারের আন্দোলন যৌক্তিক আন্দোলন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে অধিকার রক্ষার আন্দোলন। তিনি আরো বলেন, অবিলম্বে অদ্ভুত কোটা প্রথা বাতিল করুন না হয় সংস্কার করুন এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী চাকুরীতে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী। তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ। জোর জুলুমের রাজত্ব কায়েম করতেই তারা মেধাবীদের আন্দোলন দমন করতে চাচ্ছে। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ (১), ২৯ (১) ও ২৯ (২) অনুচ্ছেদ সমূহে চাকুরির ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের সমান সুযোগের কথা বলা হয়েছে। আমরা সাংবিধানিক অধিকার চাই। কিন্তু বর্তমানে ৫৬ শতাংশ কোটা ব্যবস্থার কারনে সাধারণ মেধাবীরা চাকরিতে স্থান পাচ্ছে না। ফলে বেকার বাড়ছে। মানসিক হতাশাগ্রস্থ যুবকরা খুন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। তাই এ মুহূর্তে বৈষম্যমূলক কোটা প্রথার সংস্কার করা দরকার। আশা করি, সরকার এ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে কোটা প্রথার সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ ইদ্রিস, চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সহ সভাপতি ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মাসুম, ছাত্রনেতা মুহাম্মদ শাহজালাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ রিদুয়ান হোসেন তালুকদার পাপ্পু। সভাপতির বক্তব্যে ছাত্রনেতা মাছুমুর রশিদ বলেন, কোটা সংস্কার বিরোধীরা স্বার্থান্ধ ও বিকারগ্রস্থ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন শুধু নিজেরাই ভালো থাকতে নয় বরং দেশের মানুষকে বৈষম্য থেকে মুক্ত করে স্বাধীন ও স্বচ্ছল জীবন দিতে। আজ মুক্তিযুদ্ধের দোহাই দিয়ে যারা কোটা সংস্কারের বিরোধিতা করছে তারা প্রকারান্তে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করছে। মানববন্ধনে বক্তারা গতকাল ঢাকার শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত সাধারণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশী নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। হামলায় অংশ নেয়া অতি উৎসাহী আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। পাশাপাশি হামলায় আহত মেধাবী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারী তহবিল থেকে পরিচালনার জোর দাবী জানান। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চেরাগী পাহাড় চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, মুহাম্মদ আদনান তাহসিন আলমদার, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, মুহাম্মদ কাওসার খান, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, আবু সায়েম মুহাম্মদ কাইয়ূম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, এস এম ফরিদ, মুহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের, মুহাম্মদ সাইফুল হক চৌধুরী, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, মুহাম্মদ ওসমান গণি, মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ, গাজী ইকবাল, ফয়সাল কাউসার, হাফেজ মোহাম্মদ তামজীদ, সৈয়দ আবরার উল্লাহ সমরকন্দি, আশিক উর রহমান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কথা সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়য়
মানুষের প্রকাশ করার প্রবনতা সবচেয়ে বেশি। নিজেকে প্রকাশ করতে কে না চায়। সবাই চায় নিজেকে সবচেয়ে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে। বাহ্যিক সৌন্দর্য্যরে একটি অন্যতম উপাদান হচ্ছে সুন্দর করে কথা বলা, ভাব প্রকাশে সৌন্দর্য্য। গত ৭ এপ্রিল শনিবার থিয়েটার ইন্সটিটিউটে কথা সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, সংগীতানুষ্ঠান ও নাটক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইউএসটিসির ভিসি অধ্যাপক ডা. প্রভাত কুমার বড়য়া এ কথাগুলো বলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট মেম্বার ও সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর উল আমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিইউজের সাবেক সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সেক্রেটারী কবি এজাজ ইউসূফী, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট এর রাজস্ব কর্মকর্তা রুখসানা বেগম ও এডভোকেট শিমুল নাথ। সংবর্ধিত অতিথি কবি এজাজ ইউসুফী বলেন, সুন্দর কথা বলার জন্য নিজের চেষ্টা আর সামান্য কিছু গাইডলাইন-ই যথেষ্ট। কথা সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনের এই আয়োজন তারই বহি:প্রকাশ। আলোচনা প্রসঙ্গে ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল বলেন, যুব সমাজের অবক্ষয় রোধে কথার এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংবর্ধিত অতিথি রুখসানা বেগম বলেন, বর্তমান সময়ে নারীরা অনেকটা এগিয়ে এসেছে। তাদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরার মাধ্যমে নারী জাতির সম্মান অক্ষুন্ন থাকবে। কথাসংগঠন সেই ভূমিকায় রাখছে। এডভোকেট শিমুল নাথ বলেন, কিশোর, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ এই সংগঠন সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নাট্য অঙ্গনে নতুন ধারার সৃষ্টি করবে। সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানেন সভাপতি সমাজবিজ্ঞানী ড. মনজুর উল আমিন চৌধুরী, বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাংস্কৃতিক বিপ্লব দরকার। কথার এই আয়োজন সত্যিকার অর্থেই অপূর্ব। বিশেষ করে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে কথা নতুন মাত্রা সৃষ্টি করেছে। সংগঠনের সভাপতি সজল কুমার নাথের স্বাগত বক্তব্যের পর এতে বক্তব্য রাখেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ কর্ম ও গবেষণা ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান অভিজিৎ চক্রবর্তী, কবিতা পাঠ করেন অধ্যক্ষ ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী। সংবর্ধিত অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদানের পর নৃত্য ও সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশন করে সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ। এরপরই সজল কুমার নাথ রচিত ও নির্দেশিত দুটি নাটক ২১ আমার অহংকারও সমস্যা নাই মঞ্চস্থ হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সারমেধ মহাস্থবিরের জীবন কর্ম নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে ড. দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান সংঘরাজ সারমেধ ম
বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম অগ্রদূত, পূণ্য পুরুষ সংঘরাজ সারমেধ মহাস্থবির। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুন:উদ্ধার করেন। তাঁকে সেজন্য বলা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের সংস্কারক। এতদঞ্চলের বৌদ্ধ সমাজ নিজেদের ধর্মকর্ম ভূলে গিয়ে যখন বিপদগামী হয়ে পড়েছিল ও ত্রিরত অর্থাৎ বুদ্ধ, ধর্ম এবং সংঘের প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে অজ্ঞছিল ঠিক এই সময়ে ধর্ম সংস্কারক হিসেবে আবির্ভাব হলেন সংঘরাজ মহাস্থবির। সংঘরাজ সারমেধ মহাস্থবিরের নেতৃত্বে ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ফল হল চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সমাজকে থেরবাদে রূপান্তর করা। এই অবদানের কারণে তিনি কালজয়ী। বিশিষ্ট লেখক ও ব্যাংকার বাবু দুলাল কান্তি বড়য়ার বৌদ্ধ ধর্ম সংস্কারক সারমেধ মহাস্থবির মানুষ ও মণীষী গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের শিক্ষক ড. দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান বড়য়া উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ৭ এপ্রিল বিকেলে বহদ্দারহাটস্থ মেরিট বাংলাদেশ কলেজ অডিটরিয়ামে বৌদ্ধ ধর্ম সংস্কারক সারমেধ মহাস্থবির মানুষ ও মণীষী গ্রন্থের প্রকাশনা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীনের সভাপতিত্বে ও বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রাবন্ধিক এ.কে.এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় এই প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের শিক্ষক ড. দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান বড়য়া। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী কধুরখীল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল কান্তি দাশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক প্রভাস কুসুম বড়য়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার শিশির বড়য়া, অধ্যাপক জীতেন্দ্রলাল বড়য়া, অধ্যক্ষ ইউনুছ কুতুবী, অধ্যাপক ভবতোষ সরকার, বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রাবন্ধিক জামাল উদ্দিন, চকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অমর কান্তি দত্ত, শিক্ষক তরুণ বড়য়া, নাট্যকার অশোক বড়য়া, প্রকৌশলী সজীব বড়য়া, এডভোকেট অর্জুন বড়য়া, ডাঃ লিটন বড়য়া, লায়ন আবু তাহের, সাংবাদিক সৈয়দ শিবলী ছাদিক কফিল, সাংবাদিক অনুতোষ দত্ত প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর