অস্ত্র গুলি মাদকসহ আটক ২ যশোরে
যশোরের ঝিকরগাছায় পৃথক অভিযানে অস্ত্র গুলি মাদকসহ ২ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ। নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া বলেন, রোববার দুপুর ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাভারণ কলোনী বাজারে অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম রবি (২৭) নামে এক অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। সে ঝিকরগাছা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আজাহার ইসলামের ছেলে। প্রথমে তাকে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে আটক করে পকেটের একটি প্যাকেট থেকে ১৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসময় আরো তল্লাশীকালে তার শরীরের কোমরে হাত দিয়ে দেখি শক্ত কিছু। পরে কোমর থেকে ১টি ওয়ান শুটারগান ও ২রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে বাসে তল্লাশীকালে রোববার দুপুর দেড়টার সময় ময়না বেগম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ব্যাগে রক্ষিত অবস্থায় ২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করা হয়। আটক ময়না বেনাপোল কাগজপুকুর এলাকার সোহাগ রহমানের স্ত্রী। এব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
৪০ মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পন ঝিনাইদহে
ঝিনাইদহে মাদক বিক্রি ও মাদক সেবন না করার অঙ্গীকার করে ৪০ জন আত্মসমর্পণ করেছেন। রবিবার সকালে সদর থানা চত্বরে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ ও পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের কাছে তারা আত্মসমর্পণ করে। এসময় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সেই সাথে তাদের মিষ্টি মুখ করানো হয়েছে। মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীরা বলেন, কেউ সঙ্গদোষে বা কেউ হতাশা থেকে মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন। এতে করে তাদের পরিবারের সঙ্গে বিরোধ ও সমাজের মানুষ ঘৃনার চোখে দেখেন। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে থানা পুলিশের সহায়তা করার আহ্বানে সাড়া দিয়ে তারা আত্মসমপর্ণ করেছেন। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ঝিনাইদহকে মাদকমুক্ত করার জন্য জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। গতবছর ৯ শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা পুলিশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। যে কারণে মাদক বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের এই প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখার ধারাবাহিকতা রোববার সদর উপজেলার ৪০ জন আত্মসমর্পণ করে। এসময় ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস, সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম রায়হান, প্রবীন সাংবাদিক বিমল কুমার সাহা, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রোকনুজ্জামান রানু, ডিএসবি শাখার ওসি মীর শরিফুল হক, ডিবি ওসি জাহাঙ্গীর হোসেনসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতা খুন আলমডাঙ্গায়
জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় হেলালুল ইসলাম হেলাল নামে বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। শনিবার দিনদুপুরে ধানক্ষেতে সেচ দেয়ার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে খুন করা হয়। নিহত হেলালুল ইসলাম খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও আলমডাঙ্গা উপজেলার জুগিরহুদা গ্রামের মৃত একদিল বিশ্বাসের ছেলে। তিনি রূপালী ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহ তিনেক আগে একই গ্রামের হাসিবুল ইসলামের ছেলে মানিকসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ও গাঁজাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। তারা জামিন পাওয়ার পর হেলালকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। ওই মাদকব্যবসায়ীদের ধারণা হেলালই পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের ধরিয়ে দেন। শনিবার সকালে গ্রাম থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ধানক্ষেতে সেচ দিতে যান হেলাল। এসময় ওঁৎ পেতে থাকা অবস্থায় কয়েকজন এসে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হেলালকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকা ডা. শামীম কবির তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত হেলালের স্ত্রী স্কুলশিক্ষক রাজিয়া সুলতানা জানান, গ্রামের হাসিবুল ইসলামের ছেলে মানিকসহ কয়েকজন বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল স্বামীকে। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুল হক মালিক মজু জানান, হেলাল খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। হেলাল দুই মেয়ে ও এক ছেলের জনক ছিলেন। হেলালের ভাতিজা কায়রুল ইসলাম জানান, হেলাল পেশায় রূপালী ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন। গ্রামে চাষাবাদও ছিল তার। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদেন্তর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী প্রেমিকের আশ্বাসে
মোবাইল ফোনে সম্পর্ক করে প্রেমিকের বিয়ের আশ্বাসে স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী। পরে প্রেমিক বিয়ে না করায় প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ওই গৃহবধূ। মানিকগঞ্জের ওই গৃহবধূ শুক্রবার সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে। অভিযুক্ত প্রেমিক জসীম উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের পাল কান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিক পালের ছেলে। ভুক্তভোগী ময়না মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইড় উপজেলার বাসিন্দা কোমর আলী মণ্ডলের মেয়ে। শুক্রবার সকালে উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নে শফিক পালের বাড়িতে বিয়ের জন্য অনশনে বসেন ময়না। ভুক্তভোগী ময়না জানান, প্রায় ৩ মাস আগে মানিকগঞ্জের ময়নার সঙ্গে জসীমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জসীমের সঙ্গে সম্পর্কের এক মাস পরে বিয়ে করার আশ্বাসে নিজের স্বামী ও ২ বছর বয়সী মেয়েকে রেখে জসীমের কাছে চলে আসেন ময়না। পরে বিয়ে না হওয়ার বিষয়টি গোপন রেখে ময়নার কানের দুল, হাতের চুড়ি, গলার হার ও মোবাইল ফোন বিক্রি করে গাজীপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করতে থাকে ময়না ও জসীম। ময়না জসীমকে বিয়ে করার জন্য বারবার চাপ দিতে থাকলে ৩ দিন আগে ময়নাকে ঢাকায় রেখে পালিয়ে যায় জসীম। পরে জসীমের আলামিন নামে এক বন্ধুর সহযোগিতায় ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে জসীমের গ্রামের বাড়িতে আসেন ময়না। ময়না আক্তার বলেন, জসীমের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ফলে আমি ১ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছি। তার কারণে আমার স্বামী, সন্তান, মা-বাবা সব হারিয়েছি। এখন জসীম আমাকে গ্রহণ করছে না। তাই নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে এসেছি। তাকে না পেলে আমি আত্মহত্যা করব। এ বিষয়ে জানতে জসীমকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে জসীমের মা তাসলিমা বেগম বলেন, জসীম এখন ঢাকায় আছে। মোবাইল ধরছে না তাই যোগাযোগও করতে পারছি না। আমার মনে হয় সব ষড়যন্ত্র। এ বিষয়ে সখিপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
হাজীগঞ্জে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা বাবার
হাজীগঞ্জে স্বামীর দেয়া আগুনে আহত হননি মুন্নি। বরং গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আলোচিত সেই মুন্নির সৎবাবা। শুক্রবার সকালে মুন্নির সঙ্গে কথা বললে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসে। মুন্নি (১৮) উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহারা গ্রামের আবু বকরের মেয়ে। সে এখন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে (যার নং ৬৩০) ভর্তি রয়েছে। বুধবার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ায় সহযোগিতায় মুন্নিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে মুন্নিকে নির্যাতন করে আসছে তার সৎবাবা আবদুল লতিফ। বিষয়টি তার স্বামী সোহাগ দেখে ফেলে। এরপর সোহাগকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। ২৩ মার্চ বিকালে হাজীগঞ্জ বাজারের হকার্স মার্কেটের আলমগীরের ভাড়া বাড়িতে মুন্নিকে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আবদুল লতিফ। খবরটি মোবাইল ফোনে সোহাগকে জানানো হয়। সোহাগ ওই বাড়িতে গেলে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে আবদুল লতিফ ও মা লাইলি বেগমসহ হাজীগঞ্জ থানায় যায়। এ সময় আবদুল লতিফ পুলিশকে জানায়, যৌতুকের জন্য মুন্নিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সোহাগ। তখনই পুলিশ সোহাগকে আটক করে। পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম ও পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করে এবং অগ্নিদগ্ধ মুন্নির সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনা জানতে পারে। হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম জানান, মুন্নি ও তার স্বামী দুজনেই প্রতিবন্ধী। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। এমন একজন প্রতিবন্ধী মেয়ের উপর তার সৎবাবা দীর্ঘদিন ধরেই অত্যাচার করে আসছিল। ভয়ে মেয়েটি তা প্রকাশ করেনি।
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৮:ফেনী জেলায়
পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ফেনীতে জসিম উদ্দিন (২৫) নামে একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের লেমুয়ায় একটি ট্রাক বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গাড়িটির হেলপার জসিমের মৃত্যু হয়। ফেনী সদর হাসপাতাল এলাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানান, নিহত জসিম লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর নেয়ামত গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। অন্যদিকে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর স্টার লাইন ফিলিংস্টেশন এলাকায় সকাল ১০টার দিকে ফেনী ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লাগামী মদিনা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আটজন আহত হন। এ ঘটনায় আহতরা হলেন- কুমিল্লার চিওড়া এলাকার মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী সুলতানা হক(৪০), একইএলাকার ইয়াকুব হোসেনের মেয়ে তানি, ফেনীর দাউদপুল এলাকার নুর নবীর মেয়ে ফেরদৌস আরা, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জামপাড়া এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে মামুন, একই এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে শিপন, ফেনী সরকারি কলেজের শিক্ষক বোলায়েত হোসেন, সোনাগাজী উপজেলার পালগিরী এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মাহবুবুল হক এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকড়া এলাকার মো. হুমায়ুন। ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিদওয়ান জানান, আহতদের মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের মইজ্জারটেক এলাকায় এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
চট্টগ্রামের টেকনাফ থেকে আসা লবণ বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যান থেকে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) মো.শহিদুল্লাহ জানিয়েছেন, নগরীর কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। শহিদুল্লাহ বলেন, টেকনাফ থেকে আসা একটি লবণ বোঝাই কাভার্ডভ্যানে ইয়াবার বড় চালান যাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মইজ্জারটেক এলাকায় গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সকাল ৯টার দিকে লবণ বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যানে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রেসক্লাব চত্বরে আকবরশাহ এলাকাবাসীর মানববন্ধন,অভিযোগ থানার ওসি ও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে�
পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার পােস্টার নিয়ে নানা বয়সী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন থেকে আকবর শাহ থানার ওসি মাে.আলমগীর ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসীমের শাস্তি দাবি করেন। এর আগে এ ঘটনায় ২১ মার্চ ও ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেৰ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশ মহাপরিদর্শক ড.জাবেদ পাটোয়ারী এবং সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার। চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযােগ দিয়েছে আকবর শাহ এলাকাবাসী। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জমির মালিক নুর উদ্দিন, নুর বাহার, হাজী শহীদুল্লাহ, হুমায়ন কবির, রুস্তম আলী, আলী তাহের হাওলাদার প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আকবর শাহ থানাধীন ইস্পাহানী ১ নং গেইট এলাকায় পাহাড়িকা সিএনজি পাম্পের পূর্বপাশে দীর্ঘদিন ধরে নিত মৌৱশী সম্পত্তিতে নূর উদ্দিন গংরা বসবাস করে আসছে। গত ২-৩ বছর আগে এসব সম্পত্তির উপর কু নজর পড়ে স্থানীয় কাউন্সিলর জহুরুল আলম লীমের। সে এসব সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য মালিকদের উপর চাপ প্রয়ােগ করে। কিন্তু মালিকপক্ষ জমি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় কাউন্সিলর জলীম এলাকাবাসীকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। বক্তারা আরাে বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসব জায়গা দখলের ষড়যন্ত্র হিসেবে রতনপুর রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসীম ও আকবর শাহ থানার ওসি মাে. আলমগীর একটি ছোট করেন। রতনপুর রিয়েল। এস্টেট কোম্পানীকে জায়গাগুলাে দখল করে দিবে এমন শর্তে তাদের মধ্যে। আর্থিক লেনদেন হয়। এসব চFIন্তের পর গত ১২ মার্চ রাতের অন্ধকারে পুলিশ। ও সন্যাসীরা আমাদের মৌরশী সম্পদের উপর রতনপুর রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর সাইনবাের্ড লাগিয়ে দেয়। এ সময় আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেয় এবং আমাদেরকে বেধে রাখে। পরে ভােরে কাজ শেষ করে তারা এ এলাকা ত্যাগ করে এবং সেখানে রতনপুর রিয়েল এস্টেট কিছু নিরাপত্তাকর্মী রেখে যায়। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মার্চ একই কায়দায় পর্যায়+মে জায়গাগুলাে দল করতে থাকে। এ সময় কি মূলে জায়গাগুলাে দল করা হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তারা কোন কাগপত্র দেখাতে পারেনি। তারা বলেছে আমরা জাের করে এসব জায়গা দখল করবাে। ঘটনার পর আমরা আকবর শাহ থানার ওসি মাে. আলমগীরের সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাদের মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দেন এবং এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করতে বলেন। ওসি আরাে বলেন, জায়গা দখলের ঘটনা চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশনের মেয়রের নলেজে আছে। পরে এলাকাবাসী সিটি মেয়রের সাথে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবহিত করলে মেয়র ঘটনা জানেন না বলে জানান এবং তার বাবার একটি অভিযােগ দিতে বলেন। বক্তারা আরাে বলেন আমরা ১৫ মার্চ অভিযােগ দিয়েছি কিন্তু প্রতিদিন রাতে পুলিশ বাহিনী এসব কাজ করে যাচ্ছে। গত ২৫ মার্চ রাত থেকে তারা দখল কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এ সময় আকবর শাহ থানার এসআই শফিউল আলম মুন্সী আমাদের মা বােনদের ওড়না, শাড়ী টেনে শীলতাহানির চেষ্টা করে এবং তাদেরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর