কাভার্ড ভ্যানে ইয়াবা
চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে কাভার্ড ভ্যানের ভিতরে বিশেষ কায়দায় নির্মিত কুঠুুরী হতে এক লক্ষ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। রোববার রাত দেড়টায় কোতোয়ালী থানাধীন ফিশারী ঘাট এলাকা হতে কাভার্ড ভ্যানটি (ঢাকা মেট্টো-ট-২০-৭২৫৮) আটক করা হয়। এতে ১৩০টি ককসিটের বরফযুক্ত মাছভর্তি কার্টুনও ছিল। সূত্র জানায়, মহানগর ডিবি গোপন সূত্রে সংবাদ পায় যে, কক্সবাজার টেকনাফ হতে ০১টি মাছ ভর্তি কাভার্ড ভ্যানে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় (মাদকদ্রব্য) ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকায় পাচার করার উদ্দেশ্যে বহন করছে।এ প্রেক্ষিতে নতুন ব্রীজ পুলিশ বক্সের সামনে চেকপোষ্ট করাকালীন সময়ে জব্দকৃত ইয়াবা বহনকারী কাভার্ড ভ্যানটিকে থামানোর জন্য সংকেত প্রদান করিলে দ্রুত গতিতে চেকপোষ্ট অতিক্রম করিয়া মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডিবি টিমের সদস্যরা গাড়ি যোগে ধাওয়া করে নতুন ফিশারীঘাট বাজারে কাভার্ড ভ্যানটি আটক করতে সমর্থ হয়। অভিনব কায়দায় (মাদকদ্রব্য) ইয়াবা পাচারের জন্য কাভার্ড ভ্যানের ভিতরে গোপনীয় স্থান তৈরী করা ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো : ১। মোঃ মামুন বেপারী (ড্রাইভার)(৩৩), পিতা- সরোয়ার বেপারী, মাতা-নুর জাহান সাং- টেরবাগডি (বেপারী বাড়ি) থানা- সদর, জেলা-মাদারীপুর, ২। মোঃ শাহাজাহান(৩২), পিতা- মৃত আব্দুল সালাম সাং-পূর্ব পানখালী, হ্নীলা বাজার, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার, ৩। মোঃ আনোয়ার(২২), পিতা- আব্দুস সালাম সাং- পূর্ব পানখালী, হ্নীলা বাজার, থানা- টেকনাফ জেলা- কক্সবাজার। পুলিশ জানায়, সংঘবদ্ধ ইয়াবা পাচারকারী সদস্যরা ইয়াবা পাচারের কৌশল পরিবর্তন করে নিজেরা ২/১টি কাভার্ড ভ্যান ক্রয় করে ট্রান্সপোর্টের মালিক হিসেবে পরিচয় প্রদান করে। কাভার্ড ভ্যান গুলোর বডি তৈরি করার সময় ইয়াবা পাচার করার জন্য মিস্ত্রি দ্বারা গোপন চেম্বার তৈরি করে। টেকনাফ কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ও অন্যান্য শহরে কৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট পরিবহনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য পচনশীল দ্রব্য মাছ বহন করে। এ ব্যাপারে বাকলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।