শরীয়তপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে যুবক নিহত
অনলাইন ডেস্ক: শরীয়তপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সুমন পাহাড় (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য, নিহত যুবক মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও গ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনাটি ঘটে। শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আবদুল মোমেন ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের ভাষ্য, নিহত সুমন পাহাড়ের বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার উত্তর বালুচরা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম স্কেন পাহাড়। সুমনের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১১টি মামলা রয়েছে। শরীয়তপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তাঁরা খবর পান মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগি করতে মাদক ব্যবসায়ীরা ছয়গাঁও গ্রামে এক জায়গায় জড়ো হচ্ছে। তখন সদর থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ সেখানে যৌথ অভিযান চালায়। মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বোমা ছোড়ে। পুলিশ এ সময় পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে সেখানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সুমনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তার লাশ সদর হাসপাতালে মর্গে রয়েছে। পুলিশে দাবি, তারা ঘটনাস্থল থেকে এক কেজি গাঁজা, ছয়টি ককটেল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাটির ঘর ধসে ২ ভাইয়ের মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে মাটির ঘরের দেয়ালধসে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন তাদের মা। সোমবার রাত ৯টার দিকে কাদিমাকাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শের আলী (৩) ও ইয়াসিন আলী (২) নামে একই এলাকার পুতন আলীর ছেলে। মা আলমাস খাতুনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পেকুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল করিম জানান, রাতে খাওয়ার পর দুই ভাই ও মা আলমাস খাতুন তৈরি ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ ঘরের মাটির দেয়ালধসে তাদের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শের আলীর মৃত্যু হয়। মা ও ভাইকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে ছোট ভাই ইয়াসিনের মৃত্যু হয়।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডে তোয়াজ উদ্দিন (৬২) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তোয়াজ উদ্দিন উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মান্দিয়া গ্রামের দরাপ আলী মন্ডলের ছেলে। সে ওই গ্রামের একটি বিল দেখাশোনা করতেন। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। হরিণাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আসাদুজ্জামার মুন্সী জানান, তোয়াজ উদ্দিন গ্রামের ভূমিহীন এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকতেন। সেই সাথে বাঁওড়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাতে কে বা কারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। পরে এলাকাবাসী সূত্রে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়।
গুণীজন সম্মাননায় ভূষিত হলেন অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান
চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের সংগ্রামী সভাপতি ও পাঠকপ্রিয় সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান অনলাইন সাংবাদিকদের সামাজিক স্বীকৃতি আদায় আন্দোলনে অগ্রনী ভূমিকা রাখায় তাকে গুণীজন হিসেবে সম্মাননা প্রদান করে প্রাইমারী চিকিৎসক সোসাইটি। গত ২৯ আগষ্ট ২০১৮, বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর লাভ লেইন মোড় সংলগ্ন মেট্রোপোল কমিউনিটি সেন্টারে ফরটিসের সহযোগীতায় আয়োজিত সায়েন্টিফিক সেমিনার ও গুনীজন সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে উক্ত সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রাইমারী চিকিৎসক সোসাইটির চেয়ারম্যান সাংবাদিক মাহাবুবুল আলমের উদ্বোধনী বক্তব্যে সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্ত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম ম্যাডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মেম্বার ও বাংলাদেশ ম্যাডিকেল অ্যাসোসিয়েশন- বিএমএ'র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজম। জানা গেছে- মুকতাদের আজাদ খান নেশার বশে সরাসরি সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে। ওই সময়ে তিনি সন্দ্বীপে একটি কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি দৈনিক আজাদী, আমার দেশ, এনটিভি ও দি গার্ডিয়ানে সন্দ্বীপ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। দৈনিক আজাদী-তে কাজ করেন প্রায় ১২ বছর। সন্দ্বীপ অঞ্চলে পাঠকপ্রিয় সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ তাঁর সম্পাদনায় পাঠকের হাতে আসে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে। সন্দ্বীপে প্রিন্ট-অনলাইন সাংবাদিকতা নবজাগরণে তাঁর ভূমিকা অনবদ্য। তিনি সন্দ্বীপে শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে যেমন দীর্ঘদিন কাজ করছেন তেমনি আলোকিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনেও রেখেছেন ভূমিকা। তিনি বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় সংগঠন 'নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন' চট্টগ্রাম জেলার নির্বাচিত সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক। এখন তিনি চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ- বিদেশে বহুল আলোচিত সন্দ্বীপ সীমানা রক্ষা আন্দোলনও সূচনা করেছিলেন মুকতাদের আজাদ খান। তবে, পরবর্তীতে আন্দোলনটি ছিনতাইয়ের শিকার হয়। গুপ্তচরা ঘাট ট্রাজেডিতে একমাত্র তিনিই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন। ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে তিনি অনলাইন আন্দোলনে সামনে থেকে কাজ করছেন। তিনি একাধিক অনলাইন নিউজ পোর্টালে সম্পাদক/ প্রধান সম্পাদক/ নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যুক্ত আছেন। মুকতাদের আজাদ খান চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবের অন্যতম উদ্যোক্তাও বটে। গুণীজন অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান বলেন- অনলাইন সাংবাদিকদের সামাজিক স্বীকৃতি আদায় আন্দোলনে আমি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে কাজ করছি। নানান বাধা-বিপত্তি হুমকির দুমকির পরও এই আন্দোলনে আছি। যতক্ষন না আবেদিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো নিবন্ধিত হবে ততক্ষণ চলমান এই আন্দোলনে থাকব ইনশাল্লাহ। তিনি অন্য এক প্রসঙ্গে বলেন- প্রকৃতপক্ষে গুণীজন সম্মাননা পাওয়ার সময় আমার এখনো হয়নি। কারণ, কাজ শুরু করলাম মাত্র। তারপরও আমাকে এই বিরল সম্মানে ভূষিত করায় প্রাইমারী চিকিৎসক সোসাইটিকে ধন্যবাদ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় পথচারী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুর সিটি কপোরেশনের জিরানী এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় নিরাঞ্জন সরকার (৩৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। নিহত নিরাঞ্জন বগুড়ার গাবতলী থানার হাতিবান্ধা এলাকার মলিন সরকারের ছেলে। রোববার দিবাগত রাতে চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাসুদেব সিনহা গণমাধ্যমকে জানান, রাতে জিরানী এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন নিরাঞ্জন। এ সময় একটি বাস ট্রানিং নেয়া একটি অ্যাম্বুলেন্সকে ধাক্কা দেয়। তখন অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারী নিরাঞ্জনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাভারে পিকআপ ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: সাভারে পিকআপ ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিন জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে অন্তত ৫ জন। সোমবার ভোরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে এঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মির আখতার গ্রুপের ডাবল পিকআপে করে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন ওই তিনজন। এসময় তাদের বহনকারী ডাবল পিকআপটি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে পৌছলে সামনে থাকা দ্রুত গতির একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায় ডাবল পিকআপটি। এসময় ঘটনাস্থলেই ডাবল পিকআপে থাকা মির আখতার গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার জহুরুল ইসলাম (৫৫), ড্রাইভার খলিলুর রহমান (৬৫) ও নুরন্নবীসহ তিন জন মারা যায়। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এদিকে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই আজগর আলী বলেন, এঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী আর নেই
অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরের বীরাঙ্গনা ও জননীখ্যাত লেখিকা রমা চৌধুরী আর নেই। সোমবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। রমা চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহচর ও তার বইয়ের প্রকাশক আলাউদ্দীন খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার সন্ধ্যায় রমা চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে রাতেই তাকে লাইফসাপোর্ট দেয়া হয়। সেখান থেকেই ভোর ৪টার দিকে দিদি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এদিকে রমা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চট্টগ্রামে। তার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। রমা চৌধুরী ১৯৩৬ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে- তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর (এমএ)ডিগ্রিধারী। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। রমা চৌধুরী ১৯৬২ সালে কক্সবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর্মজীবন শুরু করেন। পরে দীর্ঘ ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন। চার ছেলে সাগর, টগর, জহর এবং দীপংকরকে নিয়ে ছিল তার সংসার। কিন্তু একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীর গুলিতে দু'পুত্র নিহত ছাড়াও দৈহিক নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন তিনি। পুড়িয়ে দেয়া হয় তার ঘরবাড়ি। তবু জীবনযুদ্ধে হার মানেননি এ বীরাঙ্গনা। শুরু করেন নতুনভাবে পথচলা। লিখে ফেলেন একে একে ১৮টি বই। এসব বই বিক্রি করেই চলত তার সংসার। কোমরের আঘাত, গলব্লাডার স্টোন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রমা চৌধুরী ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এর পর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর