শেরপুরের পানাইতেবাড়ীপাড়ায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূণ্য
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূণ্য হয়ে পড়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানাইতেবাড়ীপাড়া। দিনের বেলা দুই-একজন পুরুষের দেখা মিললেও সন্ধ্যা নামলেই পুরুষশূণ্য হয়ে পড়ে ওই গ্রামটি। ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজনসহ অজ্ঞাত স্থানে আশ্রয় নেন তারা। আবার অনেকেই ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অজানা স্থানে। উল্লেখ্য, গত ২০ মে রবিবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১১৫ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করার ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু অপরাধীর কারণে গ্রামের প্রায় সব পুরুষদের আসামি করা হবে এবং গ্রেফতার আতঙ্কে পুরো গ্রাম পুরুষশূণ্য হয়ে যাবে এটা কোন সভ্য সমাজের চিত্র নয় বলে মন্তব্য করছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে শনিবার রাত ৯ টার দিকে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী পানাইতেবাড়ি মোড় বাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫৫ পিছ ইয়াবাসহ সুমন মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ খবর শুনে সুমনের চাচা ও ভাইয়েরাসহ বেশ কিছু লোকজন গোয়েন্দা পুলিশ দলের উপর হামলা চালিয়ে সুমনকে ছিনিয়ে নেয়। ওই হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং এএসআই হাবিবুর রহমানের ব্যবহৃত একটি এনড্রোয়েড মোবাইল ও ৪ হাজার ৩০০ টাকা এবং এএসআই শামীমের ২ হাজার ৫০০ টাকা খোয়া যায়। এদিকে মামলার আসামি শফিকুল ইসলাম ছুডু অভিযোগ করে জানান, এ মামলায় তার বাবা, ভাগ্নে উজ্বল, জুয়েল ও তাকে আসামি করা হয়েছে, অথচ ঘটনার সাথে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। তাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এখন গ্রেফতার এড়াতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অপর আসামি সফিকুল ইসলামের স্ত্রী মাসুরা জানান, ঘটনার সময় তার স্বামী তারাবীহ নামাযে ছিলেন। শিশু মেয়ে দোকানে বসা ছিল। হইচই শুনে নামাজ শেষ না করেই করে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে আসেন। শুভ নামের এক ডিভি পুলিশ সদস্য তাদের ঘরে আশ্রয় নেয়। পরে তারাই ডিভির সদস্য শুভ-কে কালিবাড়ী নামক স্থানে পৌঁছে দিয়ে আসে। অথচ তাদেরকেও আসামি করা হয়েছে। তারাও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এখন সফিকুল ইসলামের স্ত্রী মাসুরা ও তাদের শিশু মেয়েকে নিয়ে দোকান চালাতে হচ্ছে। এতে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে বলে তারা জানান। স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল্লাহ বলেন, ডিবি পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় কিছু নির্দোষ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এখন এলাকার ভিতরে একজন পুরুষ মানুষও নেই। গ্রাম পুরুষশূণ্য হয়ে গেছে। এমনকি মসজিদে নামায পড়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া এলাকার সব বয়সের মহিলা ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা আতঙ্কের মধ্যে বাস করছেন বলে তিনি জানান। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার এবং দ্রুত তদন্ত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের বিষয়েও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। তাছাড়া সাহরী, ইফতার কেনাকাটা করার মতো কোনো লোক না থাকায় খুব কষ্ট করে রোজা রাখতে হচ্ছে বলে অনেক মহিলা জানান। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সজীব খান বলেন, এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সুজন ও সাইফুল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এ ওই ঘটনায় কোন নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হবে না বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত
বগুড়ার শেরপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছে। আজ রোববার উপজেলার ছোনকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তিনজনই দিনমজুর। নিহতরা হলেন ছোনকা দক্ষিনপাড়া গ্রামের মৃত: শাবান আলীর ছেলে মহসিন আলী (৬০), মৃত ইমান আলীর ছেলে শাহ মাহমুদ (৫০) ও মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে সাদেক আলী (৫৫)। আরেকজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) স্থানান্তর করা হয়েছে। জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার ভোর ৬টার দিকে ছয়জন দিনমজুর দলবেঁধে পার্শ্ববর্তী আম্বইলে ওয়েস্টার্ন মিলে কাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে ছোনকা মজুমদার মোড়ে পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বগুড়াগামী কাভার্ড ভ্যান (যার নং ঢাকা মেট্রো ম ১১-৪০০৮) তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিন দিনমজুরের মৃত্যু হয়। পুলিশ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিহতদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি তদন্ত বুলবুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি ওই এলাকায় হওয়ায় সাথে সাথে তারা লাশ নিয়ে গেছে। কেউ এখনো থানায় অভিযোগ দাখিল করেনি।
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো : কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
চট্টগ্রামে সমর চৌধুরী নামে ষাটোর্ধ্ব এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে পুলিশ। লন্ডন প্রবাসী সঞ্জয় দাশের ইন্ধনে অস্ত্র ও ইয়াবা দিয়ে পুলিশ সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। জায়গা দখলে নিতে সঞ্জয় দাশ পুলিশের সঙ্গে ৮০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকার চুক্তির পর ইতোমধ্যে ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। সমর চৌধুরীকে ফাঁসানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ চট্টগ্রামের সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ন্যক্কারজনক এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন জেলা বার আইনজীবী সমিতিসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা। তবে সঞ্জয় সমর চৌধুরীকে চেনেন না দাবি করে তাকে ফাঁসানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সমর চৌধুরীকে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় চট্টগ্রাম আদালত অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুলিশের এমন কাজে বিস্মিত, বিরক্ত আইনজীবীরা। গত বুধবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের আদালতে সমর চৌধুরীর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সমর চৌধুরীর পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সমিতির সিনিয়র সদস্য রণাঙ্গ বিকাশ চৌধুরী, সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশীদ এবং সমর চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের সময়ে প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী জুয়েল দাশ, গৌতম চৌধুরী পার্থ, আরশাদুর রহমান রিটু জামিন শুনানিতে অংশ নেন। এ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক আইনজীবী জামিন শুনানিতে সমর চৌধুরীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। যদিও আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। চট্টগ্রাম জেলা বার আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল ভোরের কাগজকে বলেন, ‘একজন প্রবীণ লোকের পক্ষে অস্ত্র ও ইয়াবা রাখাটা বেমানান। উনাকে দেখলে অপরাধী বলে মনে হয় না। দৃষ্টিশক্তি নেই বললেই চলে। তিনি অস্ত্র দিয়ে কী করবেন? এলাকায় জায়গার বিরোধে উনাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আমরা সবসময় নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকি। উনি যেহেতু আমাদের এখানে শিক্ষানবিশ আইনজীবী। তাই আমরা সমর চৌধুরীর সঙ্গে আছি। সমর চৌধুরীর মেয়ে অলকানন্দা বলেন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সঞ্জয় দাশের সঙ্গে আমার বাবার বন্ধু স্বপন দাশের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে স্বপন দাশ আমার বাবার সহায়তা চাইলে তিনি একজন ভালো আইনজীবী দেখিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সঞ্জয় দাশ পুলিশকে দিয়ে আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। এর আগেও বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এবং সমর চৌধুরীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, মিছিল, সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, লোভের বশবর্তী হয়ে পুলিশ এক প্রবাসীর ইশারায় সমর চৌধুরীর মতো একজন সহজ-সরল বয়স্ক মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নগরী থেকে জোরপূর্বক তুলে এনে বোয়ালখালীর তার পরিত্যক্ত বাড়িতে অস্ত্র ও ইয়াবা দিয়ে আটক করেছে, যা কারো কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়। তারা সমর চৌধুরীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সারোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন ভোরের কাগজকে বলেন, ‘সমর চৌধুরী এলাকায় থাকেন না। তিনি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকতে পারেন না। জায়গা-জমি সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে সঞ্জয় দাশের সঙ্গে তার ঝামেলা চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সঞ্জয় এলাকায় এক ডিআইজির কাছের মানুষ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। তিনি বাড়িতে এলে পুলিশ তাকে এস্কর্ট দেয়। স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুরেশ চৌধুরী বলেন, ‘সঞ্জয় দাশের যোগসাজশে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলায় থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে আমার বাসায় গিয়ে আমাকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলা দিয়ে চালান করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। পুলিশের ভয়ে আমি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’ সুরেশ চৌধুরী বলেন, ‘সঞ্জয় দাশ তার চাচা স্বপন দাশের ছেলেকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে ১১ কানি জমি নিজের নামে লিখে নেয়। কিন্তু তার আগে আবু তাহের নামে একজনের নামে জায়গাটি রেজিস্ট্রি থাকায় ওই জমি সঞ্জয় দখল করতে পারছেন না।’ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মানুষটিকে ফাঁসানো হয়েছে। উনি আওয়ামী লীগের অন্তঃপ্রাণ একজন প্রবীণ নেতা। উনাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছিল বলে শুনেছি। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে উনাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ সমরকে ফাঁসানোর অভিযোগ নাকচ করে বোয়ালখালী থানার ওসি হিমাংশু দাশ রানা ভোরের কাগজকে বলেন, সঞ্জয় নামে কাউকে আমি চিনি না। কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে মামলা নেয়া বা ফাঁসানোর প্রশ্নই আসে না। টাকা লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। টাকা লেনদেনের প্রশ্নই আসে না। এসব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। রবিবার তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বাড়িতে অস্ত্র ও ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করলে তাকে নিয়ে অভিযানে গিয়ে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এখন বাঁচার জন্য তার পরিবার নানা ধরনের কথা বলবে, এটা স্বাভাবিক।সুত্র ভোরের কাগজ
চট্টগ্রামে ১৫ লাখ ইয়াবাসহ বিপুল মাদক ধ্বংস
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযানকালে আটককৃত প্রায় ১৫ লাখ ৩৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে। শনিবার নগরীর লালদিঘীস্থ পুলিশ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার, বিপিএম, পিপিএম, চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওসমান গনি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আব্দুল ওয়ারীশ, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস.এম. মোস্তাইন হোসেন, বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. ফারুক উল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) সৈয়দ আবু সায়েম, উপ-পুলিশ কমিশনার (এমটি ও সরবরাহ) মো. মারুফ হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. মোখলেছুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) হাসান মো. শওকত আলী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) ফাতিহা ইয়াছমিন, সকল অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার সময় পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশের শত্রু। মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাংবাদিকদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর অনুরোধ করেন পুলিশ কমিশনার। ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে ছিল ইয়াবা ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ পিস, গাঁজা ৯ কেজি ৮০০ গ্রাম।
রাজপ্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা
তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী আবদুর রহমানের বাড়িকক্সবাজারের টেকনাফে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িগুলোতে হানা দিয়েছে পুলিশের বিশেষ দল। শুক্রবার (১ জুন) সকালে টেকনাফের পৌরসভার তিনটি গ্রামে পুলিশ অভিযান চালায়। বৃহস্পতিবার (৩১ মে) অনলাইন পত্রিকা বাংলা ট্রিবিউনে ‘রাজপ্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছে ইয়াবা বাবারা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ এ অভিযানে নামে। পুলিশের ভাষ্যমতে, কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে বেশ কয়েকটি গ্রামে ইয়াবার টাকায় ‘রাজপ্রাসাদ’র মতো বাড়ি বানিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। মাদক ইয়াবা দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সরকারের নির্দেশে সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া ও পরিদর্শক রাজু আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়া, জালিয়াপাড়া, দক্ষিণপাড়া গ্রামে অভিযান চালানো হয়। তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হুদার বাড়িসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ সময় অর্ধশতাধিক বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তবে মাদক ব্যবসায়ীরা বাড়িতে না থাকায় তাদের কাউকেই আটক করা যায়নি। অভিযান চলাকালে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী ১১ মামলার পলাতক আসামি মো. জোবাইর, তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক, মো. সালমান, মো. হাসান আলী, রেজাউর করিম রেজা, মো. আবদুল্লাহ ও তার ভাই মো. জব্বারের বাড়িতে তল্লাশি করে পুলিশ। পুলিশের পরিদর্শক রাজু আহমদ বলেন, ‘ইয়াবার টাকায় টেকনাফে বেশ কয়েকটি গ্রামে রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি বানিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। তবে তারা সবাই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।’ চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজার জেলায় এ পর্যন্ত ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এরমধ্যে টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবার দাবি করেছে—‘একরামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’। টেকনাফে তালিকাভুক্ত এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ির গেট পুলিশের সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দুবাই, মালয়েশিয়া, ভারত ও ওমরা পালনের নামে সৌদি আরবে পালিয়ে গেছে। অনেকে ট্রলারযোগে সমুদ্রেপথে মিয়ানমারে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। আবার কেউ কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছে। জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িগুলো দেখতে অনেকটা ‘রাজপ্রাসাদ’-এর মতো। এসব বাড়িতে শুক্রবার সকালে অভিযান চালানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কোনও মাদক ব্যবসায়ীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত ইয়াবা বন্ধ না হবে, ততক্ষণ এ অভিযান চলবে।’
তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির ইফতার মাহফিল সপন্ন
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আজম নাছির বলেন রমজান মাস হচ্ছে প্রত্যেক মুসলমানের আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। এ মাসে সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে আমাদেরকে আত্মশুদ্ধি লাভ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরকে হালালভাবে ব্যবসা করে উপার্জন চালিয়ে যেতে হবে। এই ঐতিহ্যবাহী তামাকুমন্ডি লেইনের ব্যবসায়ীদের পাশে আমি সবসময় আছি এবং থাকব। জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক মিতির এই ইফতার মাহফিল দিয়ে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মত বিনিময় করার সুযোগ হয়েছে। কাজেই এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আমি সচেষ্ট হব। ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে আমার সহযোগীতা অব্যহত থাকবে। গতকাল তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য সিটি মেয়র ও বিশেষ আতিথির বক্তব্যে স্থানীয় এমপি জিয়া উদ্দিন বাবু এমপি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সামশুল আলম এর সভাপতিত্বে সাধারণ সপাদক আহমদ কবির দুলাল এর সঞ্চালনায় মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব এম এ মোতালেব সিআইপি, সাবেক এম পি সিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনিতীবিদ সামশুল আলম, ইয়াকুব হোসেন, চেম্বার পরিচালক অহিদ সিরাজ স্বপন, সাতকানিয়া সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, সমিতির উপদেষ্টা আলহাজ্ব আব্দুল মোতালেব চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা মাহমুদুল হক, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, আলহাজ্ব জামাল আহমদ, আলহাজ্ব ইকবাল শরীফ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সেলিমউল্লাহ, আলহাজ্ব মোহাম্মদ লোকমান। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম এর সভাপতি সালেহ আহমদ সোলেমান, রিয়াজউদ্দিন বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব সালামত আলী, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল হক আমিন ও সাধারণ সপাদক আহমদ হোছাইন, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি লায়ন ওসমান, তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ আলহাজ্ব এস এম ছমীর, সাবেক সাধরণ সপাদক আবুল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যাংকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী। বক্তাবৃন্দের আলোচনা শেষে ইফতার মহফিলের মোনাজাত পরিচালনা করে তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির ধর্মীয় সপাদক শওকত আজিজ। মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি সরওয়ার কামাল, সহ সভাপতি ফৌজুল কবির, যুগ্ন সাধারণ সপাদক মোহাম্মদ মনছুর আলম চৌধুরী, সহ সাধারণ সপাদক হাজী আবু তৈয়ব, সাংগঠনিক সপাদক মোজাম্মেল হক, অর্থ সপাদক আব্দুল আলিম, প্রচার সপাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, আইন ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সপাদক এডভোকেট আব্দুল জলিল, সাহিত্য ও পাঠাগার সপাদক মোস্তাক আহমদ, দপ্তর সপাদক মোহাম্মদ রফিক, সমাজ কল্যান সপাদক মোহাম্মদ রাসেল, ধর্মীয় সপাদক শওকত আজিজ, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন সোহেল, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ খালেদ হোসাইন সহ তামাকুমন্ডি লেইন বণিক সমিতির সাবেক কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাবৃন্দ এবং বিভিন্ন মার্কেটের সভাপতি ও সাধারণ সপাদকবৃন্দসহ অত্র এলাকার ব্যাবসায়ীবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায় বিএনপি-জামাত :সাবিহা নাহার বেগম
জাতীয় সংসদ সদস্য সাবিহা নাহার বেগম বলেছেন শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সাফল্য দেখে জামাত বিএনপি গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপশক্তিরা বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায়। তিনি বলেন, আগামীতে নৌকা মার্কা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ধারাকে চলমান রাখার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, গত ৯ বছরে সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য অনেক হয়েছে। এসব একমাত্র দেশরতœ শেখ হাসিনার পক্ষে সম্ভব হয়েছে কারণ তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। তিনি বলেন, সরকারের সাফলের পাশাপাশি এখন সারা দেশে মাদক অভিযান চলছে। মাদকের করাল আগ্রাসন থেকে তরুণ যুবকদের বাঁচানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিরোধ অভিযানে অগ্রসর হতে হবে। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ দিদার আশরাফী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আহমেদ শাহিনের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন চবি’র কলা ও মানব বিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিএমএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড. বাসন্তী প্রভা পালিত, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সভাপতি লায়ন এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, জাসদ নেতা ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী, এড. অশোক কুমার দাশ, অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, গীতিকবি লিয়াকত হোসেন খোকন, এড. আশুতোষ দত্ত নান্টু, কবি এহসান মাহমুদ আলম, কবি আরিফ চৌধুরী, নাট্যজন সজল চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম. নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, মোঃ সফর আলী, প্রণব রাজ বড়–য়া, নাসির হোসেন জীবন, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, হারুন উর রশিদ, হাজী সিদ্দিক আহমেদ, কাজী আইয়ুব, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী, মোঃ এজাহারুল হক, রোজি চৌধুরী, সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ইউনুছ মিয়া, দিলীপ হোড়, ইর্ঞ্জিনিয়ার সৈয়দুল হক, ব্যাংকার হেদায়ত হোসেন, আবৃত্তি শিল্পী তাহেরা খাতুন, এম বখতেয়ার আহমদ, দীলিপ সেন গুপ্ত, আনিস আহমেদ খোকন, কবি নুর নাহার ইউনুচ নিপা, ডা. আ.ম.ম নুরুল হক, ডা. উত্তম কুমার সরকার, নাদিম উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ তিতাস, নবুওয়াত আরা ছিদ্দিকী, মারজান আলো, সেলিনা সেলি, ফারুক হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন এর দুস্থ ও গরিবদের নিয়ে ইফতার
চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন মাহে রমজান ও সিয়াম সাধনার মাসে দুস্থ ও গরিব ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িতদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তিনি আজ বিকেলে মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’র চশমা হিলস্থ নিজ বাসভবনে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। আল্লাহপাকের অপার রহমত হিসেবে প্রতি বছর মাহে রমজান আসে। এই মাহে রমজানের রোজাকে সত্যিকার অর্থে পালনের মাধ্যমে একজন মানুষ মুক্তাকী, পরহেজগার তথা সত্যিকার ঈমানদারে পরিণত হয়। বলা বাহুল্য হচ্ছে সত্যিকার ধার্মিক ঈমানদার তারাই যারা জীবনে যে কোন সময়ে অসময়ে আল্লাহ ও রসুল (দ:) এর সন্তুটির জন্য কাজ করে এবং মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের কল্যাণে ব্রত থাকে। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের বিলকিস কলিম উল্লাহ চৌধুরী, আয়শা আলম চৌধুরী, শিল্পী আক্তার, সিমিয়ন মাসুদ অয়ন প্রমুখ। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মো: আনিছুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পাঠানপাড়া সমাজে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
গত ০১ জুন ২০১৮ইং রোজ শুক্রবার পাঠানপাড়া সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা হাজী আবদুল আলী জামে মসজিদ তৃতীয় তলায় আলহাজ্ব ইদ্রিস মুহাম্মদ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আলহাজ্ব হাশেম আলী মিয়া, আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আজিজুল হক, শ.ম জামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ রাজ্জাক খান, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন, এস.কে জামাল উদ্দিন, কে.এম রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, মুহাম্মদ ইউসুফ সওদাগর, এ.জে আজাদ রুবেল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মাহে রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। রমজানে আমরা নিজেদেরকে মহানুভব হওয়া ও মানুষের সেবা করার সুযেগ তৈরি হয়। এই মাসে আমরা ধর্মীয় চর্চা আর নৈতিক চরিত্র অর্জনের ঠিকানা পেয়ে থাকি। সর্বোপরি পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সকলকে নৈতিক, দেশপ্রেমিক এবং মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করে যেতে হবে। পরিশেষে মিলাদ ও কেয়াম বিশ্ব মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন আলহাজ্ব মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ সোলায়মান আল হাছানী সাহেব।প্রেস বিজ্ঞপ্তি