বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান থেকে নববধূ অপহরণ, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান থেকে নববধূ অপহরণ মামলার প্রধান আসামি ও ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিমসার এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ইসমাইল ও সহযোগী সাকিবের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি দল দেবিদ্বার উপজেলার সাহারপাড় গ্রামে বৌ-ভাত অনুষ্ঠান থেকে কনেকে তুলে নিতে এসে গণধোলাইয়ের শিকার হয়। ইসমাইল ও সহযোগী সাকিবের নেতৃত্বে বরের বাড়ি থেকে কনেকে অপহরণ করতে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীরা সন্ত্রাসীদের ঘেরাও করে গণধোলাই দেয়। এতে প্রায় ২৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইসমাইলের সাত সহযোগীকে আটক করে। কিন্তু ইসমাইল ও তার সহযোগী সাকিব পালিয়ে যায়। ওই দিন রাতে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল, সহযোগী সাকিব সহ আটক সাতজনের নাম উল্লেখ্য করে মোট ৩৯ জনকে আসামি করে নববধূর শ্বশুর ইউনুছ মাঝি বাদী হয়ে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করেন কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি।-ইউএনবি
বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই আটক লক্ষ্মীপুরে
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাই হান্নানকে তার ছোট ভাই মো. মান্নান কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত মান্নানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের আঠিয়া বাজার এলাকা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। মান্নান ও নিহত হান্নান ওই এলাকার আবুল কালামের ছেলে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছে স্থানীয় আবুল কালামের ছেলে মান্নান ও হান্নানের পরিবারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই ভাইয়ের বাকবিতন্ডা হয়। পরে গভীর রাতে হান্নানকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার ছোট ভাই মান্নান। লক্ষ্মীপুর সদর থানার এএসআই রানা দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বড় ভাইকে খুনের অভিযোগে তার ছোট ভাইকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সুনামগঞ্জে বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে আটক ৭
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। ফসল রক্ষা বাঁধ প্রথম কিস্তির নির্মাণের টাকা উত্তোলন করার পরে কাজ না করার অভিযোগে ৩৮, ৪৬, ৪৭ নং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চার সদস্য ও তিন সভাপতিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- মনসাদ মিয়া, সিরাজুল হক শাহ, হুমায়ূন কবির, মিজানুর রহমান, জামাল আখঞ্জি, তফাজ্জল হোসেন, মজনু শাহ। আটককৃতদের বাড়ি তাহিরপুর উপজেলার রতনশ্রী গ্রামে। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নন্দন কান্তি ধর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রথম কিস্তির টাকা উত্তোলন করার পরে কাজ না করায় তাদের আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। আটককৃতরা থানা হাজতে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
খাগড়াছড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দম্পতিসহ ৯ জন দগ্ধ
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাগড়াছড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে বিস্ফোরণে এক দম্পতিসহ ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। ফায়ার সার্ভিস জানায়, মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে খাগড়াছড়ি সদরের খবংপুড়িয়া এলাকার একটি দোকানে প্রচণ্ড শব্দে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে দোকানের দেয়াল ধসে আগুন ধরে যায়। আগুনে দগ্ধ হন পাশের মুদি দোকানে থাকা দম্পতিসহ ৯ জন। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে ফায়ার সার্ভিস। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. নয়নময় ত্রিপুরা বলেন, দগ্ধদের একজন মহিলা এবং অন্যরা পুরুষ। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল কাদের বলেন, দোকানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে আমরা এসে আহতদের উদ্ধার করি। দুর্ঘটনার পর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ী ডেলটন চাকমা পলাতক রয়েছে। দগ্ধদের অধিকাংশই স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালি।
গভীর বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ইয়াবাসহ ৪ মাদক বিক্রেতা আটক
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের গভীর বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ইয়াবাসহ চার মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে Rapid Action Battalion(Rab)। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গভীর বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ ওই চার মাদক বিক্রেতাকে আটক করেন কক্সবাজারে নবগঠিত Rab-15 এর সদস্যরা। এ সময় ইয়াবা পাচারকাজে ব্যবহৃত মাছ শিকারের একটি নৌকাও জব্দ করা হয়েছে। আটক চার মাদকবিক্রেতা হলেন- এনায়েতুল্লাহ (২৮), করিমুল্লাহ (৩২), রশিদুল্লাহ (২২) ও হামিদ (২০)। আটকদের নাম জানা গেলেও ঠিকানা পাওয়া যায়নি। Rab-15 এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. মেহেদী হাসান বলেন, গভীর সমুদ্র দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান টেকনাফ হয়ে কক্সবাজারের দিকে আসছে, এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে আমরা সাগরে অভিযান পরিচালনা করি। এক পর্যায়ে গভীর সাগরে মাছ শিকারের নৌকাগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি নৌকা থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে নৌকা থাকা চারজনকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা এসব ইয়াবার বাজার মূল্য ৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তিনি আরও বলেন, আটকদের থানায় হস্তান্তর ও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান মেজর মেহেদী হাসান।
রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্রমণে এসে ঢাকার শিক্ষা বোর্ডের সহকারী পরিচালকের মৃত্যু
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্রমণে এসে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সহকারী পরিচালক মো. রাসেদের (৪৩) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তার নেতৃত্বে ৩২ জনের একটি দল শিক্ষা সফরের জন্য খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্রমণে যায়। ২৫তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য রাসেদ ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাজেক থানার ওসি ইব্রাহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাজেকে সারা দিন বিভিন্ন স্থানে বেড়ানোর পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পর্যটন এলাকার রুইরাং রিসোর্টে রাসেদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লে তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি-গ্রামবাসী সংঘর্ষ: আড়াই শতাধিক গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে ২ মামলা
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিজিবি দুটি মামলা করেছে। বিজিবির ঠাকুরগাঁও ৫০ ব্যাটালিয়নের বেতনা সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার নায়েব সুবেদার জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে হরিপুর থানায় মামলা দুটি করেন। হরিপুর থানার ওসি মো. আমিরুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনকে আসামি করে একটি চোরাচালান মামলা করা হয়েছে। এতে আসামিরা চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত থেকে গরু আনেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিনজনের নাম প্রকাশ করা যাবে না বলে জানান ওসি আমিরুজ্জামান। অন্যদিকে, বিজিবির ওপর হামলার অভিযোগে নিহত দুজনসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করেছে বিজিবি। ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ বলেন, মঙ্গলবার বহরমপুর গ্রামে বিজিবির ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ওসি আমিরুজ্জামান বলেন, সরকারি কাজে বাধা, বিজিবি সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়া, অস্ত্র দিয়ে প্রাণনাশের চেষ্টা, সরকারি অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, অস্ত্রের ক্ষতিসাধন করা ইত্যাদি অভিযোগে বিজিবির গুলিতে নিহত শিক্ষক নবাব আলী ও সাদেকুল ইসলামসহ আরও ২৫০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, মামলা দুটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের নির্দেশ পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। বিজিবির দাবি, জব্দ করা গরু বিওপিতে নেয়ার সময় চোরাকারবারিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। প্রসঙ্গত, বহরমপুর গ্রামে ভারতীয় গরু তল্লাশিকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে স্থানীয় তিন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। সেই সাথে গুলিবিদ্ধ হন ১৬ জন।-ইউএনবি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ডাকবাংলোয় আটকে রেখে এক তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হচ্ছেন- সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম। ধর্ষণের শিকার ওই নারী রবিবার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ধর্ষণের শিকার ওই নারী প্রতিবেশি রহিমা বেগমের সাথে সাটুরিয়ায় আসে। এরপর সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেন থানার পাশে ডাকবাংলাতে তাদের নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আটকিয়ে রহিমা বেগমের সাথে আসা তরুণীকে জোরপূর্বক ইয়াবা ট্যাবলেট খাইয়ে নেশাগ্রস্থ করা হয়। এরপর এসআই সেকেন্দার ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। শুক্রবার বিকাল ৪টায় তাদের ছেড়ে দেয়ার আগ পর্যন্ত দু দিন তারা ওই তরুণীকে পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। রহিমা বেগম জানান, এসআই সেকেন্দার হোসেন তার পূর্ব পরিচিত। একসঙ্গে জমি কেনার বিষয়ে গত তিনবছর আগে তিনি সেকেন্দারকে এক লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকা নিতে তিনি তার প্রতিবেশি ওই তরুণীকে সাথে নিয়ে সাটুরিয়ায় আসেন। সেকেন্দার হোসেন তাদেরকে টাকার বিষয়ে কথা বলার জন্য থানার পাশেই সরকারি ডাকবাংলোতে নিয়ে যান। সেখানে পাওনা এক লাখ টাকার মধ্যে ১০ হাজার টাকা দিয়ে পাশের একটি কক্ষে তাকে আটকিয়ে রাখেন। আর অন্য কক্ষে প্রতিবেশি নারীকে নিয়ে সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তিনি আরও জানান, তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে বা মামলা-মোকদ্দমা না করতে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায় অভিযুক্ত পুলিশের দুই কর্মকর্তা। বিষয়টি ফাঁস করলে বিভিন্ন মামলায় জড়িত করে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, শনিবার বিকালে টেলিফোনে পাওনা টাকার বিষয়ে দুই পুলিশের সঙ্গে এক নারীর অপ্রীতিকর ঘটনার খবর জেনে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মানিকগঞ্জ পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর রবিবার ভিকটিম স্বশরীরের উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সদর সার্কেলের এএসপি হাফিজুর রহমানকে বিষয়টির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুলিশ সদস্য বলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।-ইউএনবি
ঝিনাইদহে এসএসসি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ১৪ শিক্ষার্থী ও ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার
৮ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ঝিনাইদহে এসএসসি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ১৪ শিক্ষার্থী ও ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের সিদ্দিকীয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাফর সাদিক চৌধুরী জানান, শহরের সিদ্দিকীয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন কক্ষে অনিয়ম দেখতে পান তিনি। কোথাও শিক্ষার্থীরা সেট কোড পরিবর্তন করে দিচ্ছে, কোথায় কক্ষ পরিবর্তন করে পরীক্ষা দিচ্ছে। এ সময় বিষয়টি নজরে এলে তদন্ত করে জড়িত থাকার দায়ে ১৪ শিক্ষার্থী ও ৪ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে পারবে না এবং শিক্ষকরাও দাখিল পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে পারবে না বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

সারা দেশ পাতার আরো খবর