ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে গোলাম হোসেন (৫৭) নামে এক সার ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের নিথক অচিনতলা গ্রামে নিজ শয়নকক্ষে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত গোলাম হোসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় সীমান্ত সিনেমা হল মার্কেটের সার ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে প্রতিদিনের মত খাবার খেয়ে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন গোলাম হোসেন। রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে বিছানায় রক্তাক্ত লাশ দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহত গোলাম হোসেনের দুই মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তার নামপরিচয় যায়নি। লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জানান, ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে সব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসা ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে ইয়াবা উদ্ধার-পাহারাদার আটক
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া হাফেজনগর এলাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বাসা থেকে প্রায় ১৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় পু্লিশ কর্মকতার ইয়াবা পাহারাদার নাজিম উদ্দিন মিল্লাত (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের কর্মকতারা জানান, সোমবার (৩০ জু্লাই) দিবাগত রাত ১২ টার দিকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাবের কর্মকতারা আরও জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পশ্চিম বাকলিয়ার হাফেজ নগর এলাকার হাজী গোফরান উদ্দিন মুন্সীর বাড়ির একটি ভাড়া বাসা থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বাকলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক খন্দকার সাইফুদ্দিন বাসায় বিক্রির উদ্দেশে ইয়াবাগুলো মজুদ করেছিলেন। বাসাটি তিনি ভাড়া নিয়েছিলেন। র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মিমতানুর রহমান বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তার বাসাটিতে অভিযান চালানো হয়। তার পরিবারের সদস্যরা এই বাসায় থাকেন না। ইয়াবা ব্যবসার জন্য সাইফুদ্দিন বাসাটি ভাড়া নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। অভিযানের সময় সাইফুদ্দিন বাসাটিতে ছিলেন তিনি বলেন, নাজিম উদ্দিন মিল্লাত নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার দেখানো মতে আমরা আরও একটি বদ্ধ বাসার সন্ধান পেয়েছি। সেখানে অভিযান চলছে। অালোকিত বাংলাদেশ
চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ
অনলাইন ডেস্ক: পূর্ব-শত্রুতার জেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৮ ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) পাঠানো হয়েছে। বাকিদের চবি মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শাহ আমানত ও এ এফ রহমান হলে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিবাদমান দুটি পক্ষ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী ‘বিজয়’ ও ‘সিএফসি’ গ্রুপ। আহতরা হলেন- বিজয় গ্রুপের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আজিজুল হক মামুন, আরবি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের জোবায়ের আহমেদ, রাজনীতি বিজ্ঞান ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের সাইমুন ইসলাম ও ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ইমাম। সিএফসির ইতিহাস বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের আপন ইসলাম মেঘ, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাহাদাত হোসেন প্রদীপ, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের হাবিব ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের রিংকু দাশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পূর্ব-শত্রুতার জেরে চাকসুর সামনে সিএফসি গ্রুপের কর্মী রিংকু দাশকে বিজয় গ্রুপের কর্মীরা চড়-থাপ্পড় মারে। এর সূত্র ধরে এএফ রহমান হলে বিজয় গ্রুপের কর্মীদের ওপর চড়াও হয় সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এছাড়া হলের দোতলার ৩টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার রেশ ধরে শাহ আমানত হলেও সংঘর্ষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। বর্তমানে ক্যম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ বিষয়ে বিজয় গ্রুপের নেতা ও সাবেক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়ছে। আমরা সিনিয়ররা বসে মীমাংসা করে ফেলব। একই সুরে কথা বলেন সিএফসি গ্রুপের নেতা ও চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নাসির উদ্দীন সুমন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, চাকসুর সামনে থেকে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে দুইটি হল তা ছড়িয়ে পড়ে। আমরা পরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। হাটহাজারি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দীন জাহাংগীর বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আমরা প্রস্তুত। ওয়ান নিউজ বিডি
আরিফের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক :সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর মিরবক্সটুলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বলেন, রাতের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে জরুরী সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন মেয়র প্রার্থী আরিফ। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেন, আব্দুর রাজ্জাকের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া একটি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামীও তিনি। এ কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই আব্দুর রাজ্জাকের বাসায় পুলিশ তল্লাশী করে তার ছেলে রুমান রাজ্জাককে আটক করে নিয়ে যায়।
তেলের ট্যাঙ্কারে ৩৬ হাজার পিস ইয়াবা
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মেঘনা পেট্রোলিয়ামের তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার থেকে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব-৭। আটক হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল (৩০)। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমিরাবাদ বটতলী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মিমতানুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে এই খবর জানান। রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সোর্সের মাধ্যমে গোপন সংবাদ পেয়ে রাত ৮টার দিকে আমিরাবাদ বটতলী এলাকায় অবস্থান নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ফেরা মেঘনা পেট্রোলিয়ামের তেলবাহী ট্যাঙ্ক থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। ওই সময় তেলবাহী ওই টেঙ্কের এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদকালে তিনি স্বীকার করেন- ট্যাঙ্কের ভেতরে কৌশলে ৩৬ হাজার ইয়াবা আনা হয়েছে। পরে তার দেখানো ইয়াবার চালান জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, ইয়াবা বহনকারী মেঘনা পেট্রোলিয়ামের স্টিকারযুক্ত (ভাড়ায় চালিত) তেলের ট্যাঙ্কারটি জব্দ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
চট্টগ্রামে নিউজ টোয়েন্টিফোরের তৃতীয় বর্ষে পদার্পন অনুষ্ঠান
অনলাইন ডেস্ক :সংকীর্ণতা-ই বড় সংকট। জাতীয় উন্নয়নে সংকীর্ণতার উর্ধ্বে ওঠে কাজ করতে পারলেই অগ্রযাত্রা সম্ভব। আর এমন বোধ তৈরি করতে পারে গণমাধ্যম। শনিবার (২৮ এপ্রিল) চট্টগ্রামে স্যাটেলাইট টেলিভিশন নিউজ টোয়েন্টিফোরের তৃতীয় বর্ষে পদার্পন অনুষ্ঠানে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন এসব কথা বলেন। নগরের কাজির দেউড়ী কর্ণফুলী টাওয়ারস্থ নিউজ টোয়েন্টিফোর স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত প্রীতি সমাবেশে সিটিমেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন টেলিভিশনটির দ্রুত এগিয়ে চলার পথে গণমূখীতার ভূয়শী প্রশংসা করেন। মনোমুগ্ধ এ অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানসহ কর্তৃপক্ষ এবং নিউজ টোয়েন্টিফোর, রেডিও ক্যাপিটালের সিইও ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজামের পক্ষে সমবেতদের শুভেচ্ছা জানান অনুষ্ঠান সভাপতি নিউজ টোয়েন্টিফোর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে কথামালা মিষ্টান্ন বিতরণ, যাদু প্রদর্শনী, আড্ডা, আলোচনায় প্রীতিময় পরিবেশ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগরে কোতোয়ালী আসনের সংসদ সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মোস্তাইন হোসেন, নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল হক শাহ, বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি মঈনুদ্দিন আহমদ মিন্টু চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. বেণু কুমার দে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাবেক সভাপতি এজাজ ইউসুফী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আবদুচ সামাদ, চট্টগ্রাম রির্পোটাস ফোরামের সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, বিজিএমইএ পরিচালক মাহমুদ হাসান জুয়েল ও সাইফুল্লাহ মনসুর, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য রুবেল খান ও আজাহার মাহমুদ, পটিয়ার সাবেক পৌর মেয়র শামসুল আলম মাস্টার, বিএফইউজের সাবেক নির্বাহী সদস্য শামসুল হুদা মিন্টু, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মান্নান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, হাসান মুরাদ বিপ্লব ও আবিদা আজাদ, যুবনেতা ফরিদ মাহমুদ, সুমন দেবনাথ, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্টের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রুনা, চট্টগ্রাম ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দিদারুল আলম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমান, জহুর আহম্মেদ চৌধরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রাজু, বনিকবার্তার ব্যুরো চীফ রাশেদুল হক চৌধুরী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির নির্বাহী সদস্য সাইদুল ইসলাম, আরটিভির ব্যুরো প্রধান সরোয়ার আমীন বাবু, কবি লুলুল বাহার ও মানবাধিকার সংগঠক এডভোকেট টুটুল বাহার, এক্স কাউন্সিলর ফোরামের সমন্বয়কারী জামাল হোসেন, চট্টগ্রাম আবৃত্তি জোটের সহ-সভাপতি ফারুক তাহের, যাদু শিল্পী রাজিব বসাক, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাবু প্রমুখ।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
কপিরাইট আইনে লক্ষ্মীপুরে ২৫ ব্যবসায়ী গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: নকল সিনেমা, অশ্লীল ভিডিও ও সঙ্গীত কপিরাইট করে বাণিজ্য করার অপরাধে লক্ষ্মীপুরে ২৫ টেলিকম ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় ১৮টি কম্পিউটার ও সাতটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। শনিবার (২৮ জুলাই) রাতে র‌্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করা হয়। আগে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা শহর ও মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটকেরা হলেন- জাহিদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন সোহাগ, মো. জহির আলম ভূঁইয়া বেলাল, ইব্রাহিম মাহিম ও রথিন সুরসহ ২৫ ব্যবসায়ী। তাদের সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব-১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক নরেশ চাকমা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, টেলিকম ও মোবাইল মেরামত ব্যবসার আড়ালে অশ্লীল ভিডিও ডাউনলোড করে মেমোরিতে লোড দিয়ে বাণিজ্য চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর পৌর মার্কেট, সুপার মার্কেট ও মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ২৫ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার এবং ১৮টি কম্পিউটার ও সাতটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও কপিরাইট আইনে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।
মন্ত্রীর ছেলেকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস, ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি'র সম্মানহানি করার অভিযোগে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওই ছাত্রলীগকর্মীর নাম মোহাইমিনুল ইসলাম রাহিম। শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর হামজারবাগ এলাকার নিজ বাসা থেকে চান্দগাঁও থানা পুলিশ মোহাইমিনুলকে গ্রেফতার করে। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফেসবুকে মন্ত্রীর ছেলেকে জড়িয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে মন্ত্রীর সম্মানহানির পাশাপাশি ওই ছাত্রলীগ কর্মী মন্ত্রীর প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন বলে ওসি জানান। গ্রেফতার ছাত্রলীগ কর্মী মোহাইমিনুল চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের ডিগ্রি পাস কোর্সের শেষ বর্ষের ছাত্র। ওসি আবুল বাশার বলেন, ‘প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন করে ফেসবুকে দেয়া একটি স্ট্যাটাসের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মোহাইমিনুল ইসলাম রাহিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন হাজেরা তজু কলেজের কর্মকর্তা আব্দুল করিম। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করার পর শনিবার মোহাইমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২৮ জুন দুপুরে মোহাইমিনুলসহ ১০-১২ জন অনধিকার চর্চা করে কলেজে প্রবেশ করেন। ওই দিন তারা অধ্যক্ষকে না পেয়ে উপাধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি নিয়ে জিজ্ঞেস করেন এবং কলেজের ভেতরে উত্তেজনামূলক স্লোগান দেন। পরে এ ঘটনায় মোহাইমিনুল মন্ত্রীর ছেলে মুজিবকে জড়িয়ে স্ট্যাটাস দেন। গত ৩০ জুন হাজেরা তজু কলেজের কর্মকর্তা আব্দুল করিম ফেসবুকে তার এই স্ট্যাটাস দেখতে পান। পরে এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ধারায় অভিযোগ এনে তিনি (আব্দুল করিম) মামলাটি দায়ের করেন। শীর্ষনিউজ
অপহরণের পর মারধর করা হয়নি, অজ্ঞান করা হয়েছিল
অনলাইন ডেস্ক: অপহরণের পর দুর্বৃত্তরা মারধর করেনি, তবে অজ্ঞান করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রাজধানীর লালমাটিয়া থেকে অপহৃত হওয়ার পর পূর্বাচলে উদ্ধার পাওয়া কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ হোসেন সরকার। তিনি বলেন, ‘অপহরণের পর আমাকে মারধর করা হয়নি, তবে অজ্ঞান করা হয়েছিল। আমাকে সহযোগিতা করায় আমি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও দেশের গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানাই।’ শনিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে লালমাটিয়ার সি ব্লকে নিজের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান পারভেজ হোসেন সরকার। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ করে বাসায় ফেরার সময় এক লোক এসে আমাকে সালাম দেয়, ঠিক ওই সময় পেছন থেকে আরেকজন এসে ধাক্কা দিয়ে আমাকে গাড়িতে উঠিয়ে নেয়। এরপর মুখে কাপড়ের মতো কিছু একটি ধরে অজ্ঞান করে ফেলে।’ পারভেজ বলেন, ‘জ্ঞান ফেরার পর গাড়ির ভেতরেই দুই সেট তিনশ টাকার খালি স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর নেয়। এরপর দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে করে ঘুড়িয়ে আনুমানিক রাত ১০টার দিকে রূপগঞ্জ কাঞ্চন ব্রিজের আগে একটি উন্মুক্ত স্থানে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।’ অপহরণের বিষয়ে সাংবাদিকদের পারভেজ বলেন, ‘আমি কিছুই বুঝতেছি না। আমার সঙ্গে কারও ব্যবসায়িক বিরোধ নেই। তবে এলাকাতে রাজনৈতিক বিরোধ আছে। আমি একবছর ধরে আমার এলাকাতে যাই না। কারণ আমার ওপর আগে হামলা হয়েছিল। তবে এজন্য আমাকে অপহরণ করা হয়েছে, এটা আমি এখনই বলতে চাই না। কারণ সে আমার একই দলের। আমরা এক সঙ্গে রাজনীতি করি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, তারাই বিষয়টি বের করুক।’ এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে পারভেজ হোসেন সরকারকে রাজধানীর লালমাটিয়া থেকে অপহরণ করা হয়। এর প্রায় ৯ ঘণ্টা পর খিলক্ষেতের তিনশ’ ফুট রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় তাকে পাওয়া যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি স্ত্রীকে ফোন করে নিজের অবস্থান জানান। এরপর স্বজনরা গিয়ে পারভেজকে সেখান থেকে লালমাটিয়ার বাসায় নিয়ে আসেন। আলোকিত বাংলাদেশ

সারা দেশ পাতার আরো খবর