শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
১৯,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,ঝালকাঠি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝালকাঠির নলছিটিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার বৈচুন্ডি আড়াপোল এলাকার বাঘমারা মাঠে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে এ আয়োজন উপভোগ করেন এলাকাবাসী। হারিয়ে যাওয়া বাংলার এ ঐতিহ্য দেখতে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মানুষ। ঘোড়ার পিঠে উঠে চাবুক হাতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ঘোড়সওয়াররা। অংশগ্রহণকারী সবার জন্যই ছিল বিশেষ পুরস্কার। ঘোড়দৌড় উপলক্ষে মাঠে পসরা সাজিয়ে বসেন খাবারের দোকানিরা। নলছিটি শহর থেকে ঘোড়দৌড় দেখতে আসা সাইফুর রহমান সোহেল বলেন, ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা দেখে খুবেই ভালো লাগছে। এমন আয়োজনে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে আবেগ আপ্লুত হয়েছি। এ আয়োজন যেন মহামিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। বরিশাল বিএম কলেজের ছাত্রী আয়শা আক্তার বলেন, জীবনের প্রথম নিজ গ্রামে ঘোড়দৌড় দেখতে পেরে আনন্দিত। এ প্রতিযোগিতা দেখে হারিয়ে যাওয়া ঐহিত্যকে মনে পড়ে গেলো। তবে এমন আয়োজন প্রতিবছর হলেই ভালো হয়। পবন চন্দ্র নামে এক ঘোড়া মালিক বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অনেক প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজও তিনি বিজয়ী হয়েছেন। শারীরিক অবস্থা যতদিন ভালো থাকবে ততদিন তিনি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন বলেও জানান। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজনকারী ফোরকান হোসেন, নাইম হাওলাদার ও ইমরান হাওলাদার বলেন, ভালো লাগা আর গ্রামীণ ঐহিত্যবাহী টিকিয়ে রাখতে এমন আয়োজন করেছি। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন কাদের মির্জা, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
১৭,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার মূল ফটকের সামনে থেকে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অবস্থান ধর্মঘট সমাপ্তির আগে তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে বসুরহাট বাজারের পূর্বের ঘোষিত বুধবারের হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অবস্থান ধর্মঘটে কাদের মির্জা বলেন, আমাদের দাবি মানা না হলে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জে হরতাল এবং শুক্রবার থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এর আগে, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি, ওসি তদন্তকে প্রত্যাহার এবং উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ফখরুল ইসলাম সবুজকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কাদের মির্জা। জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ টেকেরবাজারে তার কিছু অনুসারীদের নিয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফখরুল ইসলাম সবুজকে আটক করলে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাকে পুলিশ ছেড়ে দেওয়ার খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কাদের মির্জা নিজেই থানার ফটক অবরোধ করে অবস্থান নেন এবং পৌর এলাকায় হরতালের ঘোষণা দেন। এছাড়া কর্মসূচি সফল করতে নেতা-কর্মীরা বসুরহাট-বাংলাবাজার সড়কের থানার দুই পাশে বাস-ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এছাড়াও বসুরহাট বাজারের সকল প্রবেশ পথ অবরোধ করে রাখে দলীয় নেতাকর্মীরা।
গদখালিতে ২৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা
১৩,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালিতে জমে ওঠেছে ফুলের বেচাকেনা। দেশের সর্ববৃহৎ ফুলের বাজারে এ বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ২৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম। আগামীকালের ভ্যালেনটাইন দিবস, সামনের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বাংলা নববর্ষ এবং আজকের বসন্ত উৎসব উপলক্ষে ফুল বেচা-কেনায় ব্যস্ত ফুলচাষী ও ক্রেতারা। করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ১০ মাস ফুলের বেচাকেনায় মন্দাভাব ছিল বলে জানান ফুলচাষিরা। তবে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ফুলের বেচাকেনা জমে ওঠেছে গদখালিতে। রাজধানী ঢাকা, চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি ফুল ক্রেতারা গদখালিতে এসে ফুল কিনছেন। সারাবছর ফুলচাষিরা ফুল বিক্রি করলেও তাদের মূল লক্ষ্য থাকে ফেব্রুয়ারি মাসের তিনটি উৎসব। এছাড়া বাংলা নববর্ষেও ফুলের জমজমাট বেচাকেনা হয়ে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গদখালি, পানিসারা ও মাগুরা এলাকায় সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কৃষক বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন রজনীগন্ধ্যা, গোলাপ, রডস্টিক, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, জিপসি, কেলেনডোলা, চন্দ্রমল্লিকাসহ ১২ ধরনের ফুল। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার ৩ উপজেলায় ফুল চাষ হয়ে থাকে। এবছর মোট ৬শ ৪০ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ঝিকরগাছা উপজেলায় ফুল চাষ হয়েছে ৬শ ৩০ হেক্টর জমিতে। ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, এ উপজেলার গদখালি, পানিসারা ও নাভারন ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ফুল চাষ হয়ে থাকে। এছাড়া আরও ৪টি ইউনিয়নসহ হাড়িয়া, নীলকন্ঠ নগর, চাওরা, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, চাঁদপুর, বাইশা, কুলিয়া, পাটুয়াপাড়া, নারানজালি গ্রামসহ প্রায় ৫০টি গ্রামে ফুল চাষ হয়েছে বলে জানান তিনি। জেলার শার্শা উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে এবং কেশবপুর উপজেলায় ফুল চাষ হয়েছে ১ হেক্টরের সামান্য বেশি জমিতে। দেশের ফুলের মোট চাহিদার ৭০ ভাগই যশোরের গদখালি ও শার্শা থেকে সরবরাহ হয়ে থাকে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়। গদখালি বাজারের ফুল ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এখানকার ফুল দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশে রপ্তানী হচ্ছে। ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ী সেলিম রেজা ও জাহিদুল ইসলাম জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ফুলের বাজার দর বেশ ভালো। চলতি মাসের বিভিন্ন উৎসবের আগে ফুলের দাম আরও বাড়বে। ফলে চাষিরা লাভবান হবে বলে তিনি জানান। গদখালি বাজারের ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৩ দিনে প্রায় ৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছে। গদখালি বাজারের ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, উৎসব এলে তিনি প্রতিদিন ঢাকা ও চট্রগ্রামে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি করে থাকেন। যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি, পানিসারা, নাভারন ও মাগুরা ইউনিয়নে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ হয়ে থাকে। এ চারটি ইউনিয়নের সাড়ে ৬ হাজারের বেশি চাষী ফুল চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন। ফুলের চাষ বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রদর্শনীসহ ফুলচাষীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে বলে জানান তিনি। সূত্র : বাসস
ঝিনাইদহে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১০
১০,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,মো.ইমাম,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝিনাইদহে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসময় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যশোর থেকে বাসটি কুষ্টিয়া অভিমুখে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে কালীগঞ্জের বারোবাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে ঘটনাস্থলেই ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
সুন্দরবনে আগুন, পুড়ে গেছে ৩ শতক বনভূমি
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,বাগেরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্চের ধানসাগর স্টেশনের টহল ফাড়ি এলাকায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এই আগুন লাগে। প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা পরে বিকেলে ৫টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনে প্রায় ৩ শতাংশ বনভূমি পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ধানসাগর স্টেশন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম। ধানসাগর স্টেশন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিপিজে সদস্য সোলায়মান হোসেন বনের মধ্যে ধোয়ার কুন্ডলী দেখে আমাকে ফোন করেন। পরে আমি সিপিজি সদস্য, স্থানীয় লোক ও বনরক্ষীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে স্থানীয়ভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই। তারা এসে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।তবে এতক্ষনে ধানসাগর স্টেশনের টহল ফাড়ির এক কিলেমিটার ভিতরে প্রায় তিন শতাংশ বনভূমি পুড়ে গেছে। তবে বড় ধরণের কোন গাছ পুড়েনি। আগুন লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি বিড়ি সিগারেটের অব্যবহৃত অংশ থেকে আগুন লাগতে পারে। আগুন লাগার কিছু আগে অল্প বয়সী কয়েকটি ছেলে বনের মধ্য থেকে বের হয়েছে এমন তথ্য পেয়েছি স্থানীয়দের কাছ থেকে।বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। শরণখোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ষ্টেশন কর্মকর্তা এস এম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বন বিভাগের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলে সম্পূর্ণ নেভানো সম্ভব হয়নি। বনের গাছের পাতা পড়ে মাটি প্রায় দেড় দুই ফুট উচু পাতার স্তর তৈরি হয়েছে। যার ফলে মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। ঝুটের কারখানায় আগুন লাগলে যেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় তেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ষ্টেশন কর্মকর্তা এস এম আব্দুল ওয়াদুদ আরও বলেন, দুপুরের দিকে কিছু উশৃঙ্খল ছেলে মেয়ে বনের মধ্যে প্রবেশ করেছিল। ধারণা করছি, তাদের কাছ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। পূর্ব সূন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা(ডিএফও)মোহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন বলেন, আগুন সম্পূর্ণ নিভে গেছে। এখন আর কোন সমস্যা নেই। তবে ওই এলাকায় বনরক্ষিদের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
হুইপ-এমপিসহ দিনাজপুরে টিকা নিলেন ৭১৭ জন
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরে প্রথম দিনে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম ও দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালসহ করোনা টিকা নিয়েছেন ৭১৭ জন। তবে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকা গ্রহণে তেমন আগ্রহ দেখা যায় নি। এদিন সকালে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে টিকা নেনহুইপ ইকবালুর রহিম এমপি। আর কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা নিয়েছেন মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি। জেলার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, জেলায় ১৪টি কেন্দ্রে ৭১৭ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বুথে ১০৬ জন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতাল বুথে ১১৭ জন, বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৯৯ জন, বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ২০ জন, কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৫২ জন, বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ২০ জন, থানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৩০ জন টিকা নেন। এছাড়া জেলার চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৩৯ জন, পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ১০ জন, ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৩৬ জন, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ১৭ জন, হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ১০১ জন, ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৪০ জন ও বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বুথে ৩০ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। ৭১৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৫৭৪ জন ও মহিলা ১৪৩ জন। টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, নার্স, ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন। দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেন, টিকা নেয়ার ৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও আমি কোনো সমস্যা বোধ করছিনা। নিজেকে বেশ উৎফুল্ল মনে হচ্ছে এবং নিরাপদ বোধ করছি। সেইসঙ্গে সবাইকে করোনার টিকা গ্রহণ করার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
চাঁদপুরে বাস খাদে পড়ে দুই নারী নিহত, আহত ৩০
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,চাঁদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বাস খাদে পড়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে শাহারাস্তি মৌতাবাড়ি এলাকায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-শাহরাস্তি উপজেলার নাওড়া গ্রামের ডা. রনজিত চন্দ্র দাসের স্ত্রী বিভা রানী দাস (৬৫) ও কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার নিমসার এলাকার মৃত সুবল চন্দ্র ভৌমিকের স্ত্রী গীতা রানী ভৌমিক (৬২)। তারা সম্পর্কে বেয়াইন। শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মান্নান জানান, বোগদাদ ট্রান্সপোর্টের বাসটি প্রায় ৪০ যাত্রী নিয়ে কুমিল্লা থেকে চাঁদপুর আসছিল।পথে মৌতাবাড়ি এলাকায় একটি কালভার্ট অতিক্রম করার সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খালে পড়ে যায়। এতে আহত হন আরও ৩০ যাত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ এবং শাহরাস্তি ও কচুয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশাপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। ওসি আবদুল মান্নান বলেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। স্বজনরা আসার পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
ফুটবল একদিন দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে : আমু
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ঝালকাঠি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, ফুটবল একদিন বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলাধুলার প্রতি সবসময় বিশেষ ভাবে নজর দিয়ে আসছেন। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াররা তৃণমুল থেকে উঠে এসেছে। সুতারাং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেকে ভালো মানের খেলোয়ার হিসেবে গড়ে উঠে জাতীয় পর্যায়ে খেলার টার্গেট নিতে হবে বলে রাজাপুরে ফুটবল খেলোয়ারদেরকে পরামর্শ দেন তিনি। ৭ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিকাল ৪টায় ঐতিহ্যবাহী রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে ফিরোজা আমু স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২১ এর উদ্বোধনী খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়া হায়দার খান লিটনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মোঃ মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বজলুল হক হারুন এমপি। তিনি ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির, সহ-সভাপতি এ্যাড.সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস, রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড এএইচএম খায়রুল আলম সরফরাজ ও সাংগাঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান ডেজলিং তালুকদার। রাজাপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে ঝালকাঠি, বরিশাল, পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলার ১৬টি টিম অংশ গ্রহণ করবে।
বাংলাবান্ধায় নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কয়ার
৫,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পঞ্চগড় জেলার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এটি চতুর্থ দেশীয় একটি স্থল বন্দর। এ স্থল বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল, ভুটান যাতায়াত করা যায়। এই বাংলাবান্ধায় নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কয়ার। এই টাওয়ার নির্মাণ করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। ভৌগোলিক কারণেই পঞ্চগড় একটি অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় একটি জেলা। টাওয়ার নির্মাণ হলে পঞ্চগড় একটি পর্যটন শহর হিসেবে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখবে। পঞ্চগড় থেকে নেপাল ৬১ কিমি, ভুটান ৬৮ কিমি, চীন ২০০ কিমি দূরত্বে অবস্থিত। এ কারণেই পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধার ওপর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য লোক ভারতে যায় ব্যবসা বাণিজ্য, চিকিৎসাসহ নানা কাজে। বাংলাদেশের মধ্যে পঞ্চগড়ই একমাত্র স্থলপথ। যার ভিতর দিয়ে সড়ক পথে অল্প খরচে, কম সময়ে ভারত, নেপাল, ভুটান, চীন হয়ে এশিয়া ইউরোপ যাওয়া যাবে। অর্থনৈতিক ভাবে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে পঞ্চগড়। তখন হিমালয় পর্বতমালা আরও কাছ থেকে দেখা যাবে। প্রতিদিন অসংখ্য লোক ভারতে চিকিৎসাসহ নানা কাজে যাতায়াত করেন আর ব্যবসা বাণিজ্যের দিক দিয়ে এ স্থলবন্দরটি দিন-দিন সফলতার মুখ দেখছে। পঞ্চগড় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদত সম্রাট বলেন, প্রতিবছর হাজার-হাজার পর্যটক পঞ্চগড় ঘুরতে আসেন। বিশেষ করে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধায় জিরো পয়েন্ট দেখতে যায়। কিন্তু সেখানে থাকা আর খাওয়ার জন্য কোন সুযোগ সুবিধা নাই। পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পকে আরো একধাপ এগিয়ে নেয়ার জন্য আমরা পঞ্চগড় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আশা করছি, এটি নির্মাণ করা শেষ হলে পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্পে আর একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে। ইতিমধ্যে ওয়াচ টাওয়ারের কাজ ২০ ভাগ শেষ হয়েছে। আমি নির্মাণ কাজ পরিদর্শনও করেছি। পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আব্দুল আলিম খান ওয়ারেশী বলেন, টাওয়ারটি মুলত হবে পাঁচ তলা বিশিষ্ট দুটি ভবন। মাঝখান দিয়ে থাকবে একটি সংযোগ সেতু। সে সেতু দিয়ে এক ভবন হতে অন্য ভবনে যাওয়া যাবে। একপাশের ভবনের নীচতলায় হবে একটি যাদুঘর। যেখানে মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিসহ ভারত- বাংলাদেশের সকল চুক্তির চিত্র থাকবে। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও পঞ্চগড়ের ইতিহাস ঐতিহ্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। উভয় পাশের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলা হবে আবাসিক হোটেল । ৫ম তলা হবে ওয়াচ টাওয়ার, কফি কর্ণার এবং রেস্টুরেন্ট। যা পর্যটকরা খাবার-দাবার করতে পারবেন। ২য় ভবনের সংযোগ সেতুটি হবে একটি শপিং মল, যেখানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান এই চারটি দেশের স্টল থাকবে। সম্পূর্ণ স্থাপনাটি হবে স্টিল স্ট্রাকচারের। এটি নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে ২০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ শেষ হলে পঞ্চগড় জেলার পর্যটন আকর্ষণ অনেক বৃদ্ধি পাবে। এটি নির্মাণের পর চারটি দেশের ভ্রমণ পিপাসু আর পর্যটকরা ভীড় জমাবে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আর বাংলাবান্ধায়। হাজির হবে হিমালয় পর্বতমালা আর কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে। দেখতে যাবে পঞ্চগড়ের চা বাগান। জেলা আমদানি ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা বলেন, এ টাওয়ারটি নির্মাণ করা হলে পঞ্চগড়ে পর্যটন শিল্পের প্রসার হবে এবং অর্থনৈতিক ভাবে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে পঞ্চগড়। সূত্র : বাসস

সারা দেশ পাতার আরো খবর