রাবি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের জন্য আগের রাতেই নগরের একটি চায়ের দোকানে পরিকল্পনা করা হয়। রিমান্ডে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রাবি ছাত্র মাহফুজুর রহমান সারদ এ তথ্য দিয়েছে। এর আগে একই তথ্য দিয়ে তার দুই সহযোগি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল। মতিহার থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, গত রোববার বিকেলে এ মামলার দুই আসামি জীবন ও জয় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাঁদের রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই করতে গত সোমবার মামলার মূল আসামি মাহফুজুর রহমান সারদকে দুই দিনের রিমান্ড নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতের কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়াও মঙ্গলবার আসামি প্লাবন তালুকদার ও রাফসানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারাও একই তথ্য দিয়েছে। মামলার ছয় আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় বিশাল এখনো পলাতক বলে জানান ওসি। আসামিদের মধ্যে মাহফুজুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর প্লাবন তালুকদার, তারেক মাহমুদ জয় ও রাফসান বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর জীবন ও বিশাল স্থানীয় তরুণ। মাহফুজুর রহমানের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম মাহবুবুর রহমান। প্লাবন তালুকদারের বাড়ি জয়পুরহাট সদরে। রাফসানের বাড়ি রাজশাহী নগরের বহরমপুরে। জয়, জীবন ও বিশালের বাড়ি রাজশাহীর মতিহারে। জানা যায়, মাত্র কয়েক মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজের সম্পর্ক হয়। ঘটনার আগে মাহফুজ মেয়েটিকে নিয়ে রাবি ক্যাম্পাসে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরাও করত। ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার ওই ছাত্রী তার কয়েকজন বান্ধবীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মির্জাপুর এলাকার হানুফার মোড়ের একটি মেসে থাকে। ওই মেসের বাইরে মাহফুজ মাঝে মাঝেই মেয়েটির সঙ্গে দেখা করত। মাঝে মাঝে ধারের নাম করে মেয়েটির কাছ থেকে টাকা-পয়সাও নিত মাহফুজুর। ৫/৬ মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজের সম্পর্ক হয়। মাহফুজ মেয়েটিকে নিয়ে রাবি ক্যাম্পাসে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরাও করত। ২৭ জানুয়ারি এ ঘটনায় ওই ছাত্রী মতিহার থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই মতিহার থানা-পুলিশ মাহফুজুর, প্লাবন ও রাফসানকে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি জীবন ও জয়কে গ্রেফতার করে। মতিহার থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, জয় ও জীবন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার সময় বলেছে, তারা ঘটনার আগের দিন রাজশাহী নগরের তালাইমারীর মোড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে পরিকল্পনা করেন। মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন- তারেক মাহমুদ জয়, জীবন, রাফসান ও প্লাবন তালুকদার। পরে তারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করে নেয় আসামি বিশালকে। মাহফুজুর তখন বন্ধুদের জানিয়েছিল ওই ছাত্রীটি তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু তিনি চান না। তাই তাঁকে (ছাত্রী) দূরে সরিয়ে দিতে ও তাঁর ধনী পরিবার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করার পরিকল্পনা সাজায়। মাহফুজুর রহমান দুই দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও একই তথ্য দিয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, পাঁচ মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজুর রহমানের বন্ধুত্ব হয়। গত ২৪ জানুয়ারি রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল স্কুলের পাশে বসে ওই ছাত্রী ও মাহফুজুর গল্প করছিলেন। এ সময় প্লাবন ফোনে মাহফুজুরকে তাঁদের ভাড়া বাসায় আড্ডা দিতে যেতে বলেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে মাহফুজুর ওই ছাত্রীকে নিয়ে প্লাবনের ভাড়া বাসায় যান। কিছুক্ষণ পর প্লাবন তাঁদের দুজনকে গল্প করতে বলে বাইরে চলে যান। তখন মাহফুজুর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় জীবন ও অজ্ঞাতনামা দুজন এসে তোরা অসামাজিক কাজ করেছিস বলে সাদা কাগজে তাঁদের দুজনের সই নেন এবং ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। তাঁদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় চার হাজার টাকা আদায় করেন। এ অভিযোগে এই ছাত্রী যাতে মামলা করতে না পারে সে জন্য তাঁরা তাঁদের দুজনকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন এবং সেগুলোর ছবি তোলেন ও ভিডিও করেন।- একুশে টেলিভিশন
আপত্তিকর অবস্থায় নারীসহ পুলিশ সদস্য আটক
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নাসির হোসেন নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে। এ সময় নাসির নামের ওই পুলিশ কনস্টেবল ও গৃহবধূকে মারধর করে পরিবারের অন্য সদস্যরা। এরপর কালীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবার বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সঙ্গে আমার পরিচয়। আজ নিয়ে উনি আমার বাড়িতে দুই দিন এসেছেন। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা করতে দেই। উনি নাস্তা করার সময় হঠাৎ কয়েকজন ঘরের মধ্যে ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন। তিনি আরও জানান, আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ্বশুরবাড়ির অনেকেই আমাকে দেখতে পারে না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন চক্রান্ত করছে। ওই পুলিশের সঙ্গে আমার শারীরিকভাবে কোনোকিছুই হয়নি। আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের বউ। আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে, দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে এখনও বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে দেখি দুইজনই উলঙ্গ। এরপর তাদের আমরা আটক করি। ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। এজন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু প্রিমিয়ার লীগ টি-২০ এর তৃতীয় আসর সম্পন্ন
০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,জান্নাতুল ফেরদৌস মৌ,সিরাজগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফাইনাল খেলার মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো বঙ্গবন্ধু সিরাজগঞ্জ প্রিমিয়ারলীগ টি-২০ এর তৃতীয় আসর। শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জের শহীদ সামসুদ্দিন ষ্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু সিরাজগঞ্জ প্রিমিয়ারলীগ টি-২০ এর ফাইনাল খেলা। সিরাজগঞ্জ টাইগার্স এবং সিরাজগঞ্জ সিক্সর্সাস এর মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ সিক্সর্সাস এর অধিনায়ক ট্রসে জয় লাভ করে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। সিরাজগঞ্জ টাইগার্স প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করে। জবাবে সিরাজগঞ্জ সিক্সর্সাস ১৭.২ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করে। খেলায় সিরাজগঞ্জ টাইগার্স টানা তৃতীয় বারে মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফাইনাল খেলায় পুরো ষ্টেডিয়াম দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়। খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি। খেলা শেষে তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে পানি সম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ার, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, বিপি এম, পৌর চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুর রউফ মুক্তা, চেম্বার অব কমার্স এর প্রেসিডেন্ট আবু উসুছুফ সূর্য সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মন্ত্রী খেলাধুলার উন্নয়নের সকল প্রকার সহযোগীতা প্রদানের কথা জানান। সিরাজগঞ্জ ক্রিকেটার্স এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে এ বছর ফ্রাঞ্জাইজ ভিক্তিক এই লীগে ৬ টি দল অংশগ্রহণ করে।
চাঞ্চল্যকর শিশু পরশ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের চাঞ্চল্যকর শিশু পরশ সাহা ওরফে পরশ (৪) হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরিফউদ্দীন আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন ঘোড়াঘাট উপজেলার কাদিমনগর গ্রামের এহিয়া হোসেনের ২ ছেলে জিল্লুর রহমান (২০) ও জুয়েল ইসলাম (২৭), কামাল উদ্দীন (৪৮) ও তার ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (২২) এবং ওয়াজেদ আলীর ছেলে ফেরদৌস আলী। মামলা থেকে খালাসপ্রাপ্ত চারজন হলেন- ঘোড়াঘাট উপজেলার বলদিয়াপাড়ার তারা মিয়া (৪৫), কাদিমনগর গ্রামের মোছা. অন্তরা (১৯), ফেরদৌস আলীর স্ত্রী নুর বানু (৪৫), এহিয়া হোসেনের স্ত্রী শেফালী বেগম (৪৮)। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর বিকেলে ঘোড়াঘাট কাদিমনগর মন্দিরের সামনে থেকে ওই গ্রামের কেশব রায় সাহার ছেলে শিশু পর্শ সাহা ওরফে পরশকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ ও নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে গলাটিপে হত্যা ও একটি চোখ উঠিয়ে নেয়। পরদিন ১১ নভেম্বর সকালে শিশু পরশের মরদেহ ঘোড়াঘাট কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পাশে লালবাবুর আমবাগান থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘোড়াঘাট থানায় নিহত শিশুর বাবা কেশব সাহা বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিসি) মেহবুব হাসান চৌধুরী লিটন ও আসামি পক্ষে পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম।
দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকচাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নাছিম আহম্মেদ,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই দুর্ঘটনায় নিহতের নাম মো. সাইদুল ইসলাম। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন নিউজ একাত্তরকে বলেন, সকালে মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম নিউজ একাত্তরকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।
টাকা না পেয়ে ছাগল নিয়ে যাওয়ায় দুই এএসআই ক্লোজড
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরুড়ার শাকপুর গ্রামের মৃত-আলী মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী ফরিদ আহমেদকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে বরুড়া থানা পুলিশের এএসআই ইব্রাহীম খলীল ও ইসমাইল হোসেন কে ক্লোজ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০শে জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে এ এসআই ইব্রাহীম খলীল ও ইসমাইল হোসেন ফরিদকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়। এ সময় শীপন নামের এক কিশোরকে আটক করে। রাতেই দালালের মাধ্যমে ফরিদকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। পরদিন কিশোরকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। পরে আরো ৩০ হাজার টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে, টাকা না পেয়ে কিশোরের বাড়ি থেকে একটি খাসি ছাগল নিয়ে যায়। পরে ফরিদ পুলিশ হয়রানী থেকে বাঁচতে গত ২২শে জানুয়ারি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে দুই এএস আইকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে বরুড়া থানার ওসি (তদন্ত) ইকবাল বাহার জানান, তাদেরকে প্রশাসনিক কারণে ক্লোজ করা হয়েছে।সূত্র মানবজমিন
মঞ্চ ভেঙ্গে পড়ে গেলেন আহমদ শফী
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী নারায়ণগঞ্জে ইসলামী মহাসম্মেলনের মঞ্চ ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেছেন। এ সময় মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনিও নিচে পড়ে যান। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভাঙা মঞ্চেই তারা আবার আলোচনা শুরু করেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্য নেতারা। ঘটনাস্থলে ছিলেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, মঞ্চ ভেঙে গেলেও কেউ গুরুতর আহত হননি। প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়, আহমদ শফী বিকাল চারটার আগে মঞ্চে ওঠেন। এ সময় আসরের নামাজের বিরতি দিলে বাহিরের ঈদগাহ মাঠে জায়গা না হওয়ায় অনেকে মঞ্চে উঠে নামাজ আদায় করে। কিন্তু পরবর্তীতে কেউ আর মঞ্চ থেকে নামেন নাই। ফলে কিছুক্ষণ পরই অতিরিক্ত ভারে মঞ্চটি ভেঙে পড়ে। এ সময় আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্যরা পড়ে যান। পরবর্তীতে আহমদ শফির বক্তব্যের মাধ্যমেই মাহফিলের কার্যক্রম শেষ হয়।- একুশে টেলিভিশন
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে টাকা আদায়,ডিবি পুলিশের ৭ সদস্যকে বরখাস্ত
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসায়ীকে ধরে হ্যান্ডকাপ পড়ানো হয়। চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। হুমকি দেয়া হয় হত্যার। ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করে ডিবি পুলিশ। টাকা আদায় করে তবেই ছেড়ে দেয়া হয় ওই ব্যবসায়ীকে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জড়িতদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ ঢাকা জেলার ডিবি পুলিশের সাত সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সর্দার জানান, একজন ব্যবসায়ীকে হয়রানি করার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। বরখাস্তকৃতরা হচ্ছে, ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক এবং পাঁচজন কনস্টেবল রয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সূত্রাপুর থানাধীন লালকুঠি নৌকাঘাট থেকে সোহেল আটক করা হয়। পাঁচ-ছয় জন ব্যক্তি নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে হাতকড়া পড়িয়ে, চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সোহেলের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এসময় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং মামলার ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দেয়া হয় সোহেলকে। একপর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে তাদের কথামতো টাকা দিতে রাজি হয় সোহেল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বসিলা ব্রিজের কাছাকাছি একটি স্থানে সোহেলের স্ত্রীর কাছ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। এরপর এ ব্যাপারে গতকাল সোহেল ঢাকা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে তদন্ত করা হচ্ছে।সূত্রে মানবজমিন

সারা দেশ পাতার আরো খবর