ইয়াবাসহ মডেল গ্রেপ্তার কক্সবাজার বিমানবন্দরে
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ইয়াবাসহ এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার বিকেলে গ্রেপ্তার ওই তরুণী নিজেকে র‌্যাম্প শোর মডেল বলে পরিচয় দিয়েছেন বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। গ্রেপ্তার তরুণীর নাম কান্তা আক্তার (২৪)। তাঁর বাড়ি নারায়ণগঞ্জ সদরের নয়াপাড়া এলাকায়। কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোমেন মণ্ডল গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর কাছ থেকে ২০০ পিচ ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই তরুণী বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি হাত ব্যাগে করে কৌশলে এসব ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করছিলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় তল্লাশি ফটকে ধরা পড়েন ওই তরুণী। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখায়। সোমেন মণ্ডল জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার কান্তা আক্তারকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে- নিহত ১
অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সোনাচোরা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইব্রাহিম (৪২) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। এ সময় এসআই সাইয়াদুল, এএসআই ইলিয়াছ খানসহ পুলিশের ৩ সদস্য আহত হন। আজ মঙ্গলবার ভোরে এ 'বন্দুকযুদ্ধের' ঘটনা ঘটে। নিহত ইব্রাহিমের বাড়ি রূপগঞ্জ উপজেলায় বলে জানা গেছে। বন্দর থানার ওসি একেএম শাহীন মন্ডল গণমাধ্যমকে জানান, ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল বন্দরের সোনাচোরা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে ডাকাতরা পিছু হঠে। পরে ঘটনাস্থলে এক ডাকাতকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল ও ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয় ।
মোংলা সমুদ্রবন্দরে ট্রলারডুবি- ৩ জেলে নিখোঁজ
অনলাইন ডেস্ক:বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্রবন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় কার্গো জাহাজ এমভি নাসির-জাহানের ধাক্কায় এফবি স্বাধীন নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় তিন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস তুরাগ, মেঘনা, দুর্গম ও বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার অভিযান চালাচ্ছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মোংলার দিগরাজ ঘাঁটির গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ গতকাল সোমবার রাত ৮টায় ঘটনার বিষয়ে জানিয়েছেন। এদিন ভোরে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া জেলেদের উদ্ধৃতি দিয়ে নৌবাহিনী জানায়, মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে ক্লিঙ্কার বোঝাই করে কার্গো জাহাজ এমভি নাসির-জাহান বন্দরের শিল্প এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের মেঘনা সিমেন্ট মিলসে আসার সময় সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। এতেই ঘটনাস্থলে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ওই এলাকায় অবস্থানরত নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘তুরাগ’ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাসমান অবস্থায় থাকা নয় জেলেকে উদ্ধার করে। তবে এ দুর্ঘটনার পর থেকে এখনো তিন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি বরগুনার সদর উপজেলায়। ট্রলারটির মালিক বরগুনার রিয়াজ খান বলে জানা গেছে। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ট্রলারটির মালিক রিয়াজ খান ও মাঝি কালামসহ ১২ জন জেলে দুর্ঘটনাকবলিত ওই ট্রলারটিতেই ছিলেন। মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, নৌবাহিনীর পাশাপাশি তারাও উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন।
সিলেটে চিকিৎসকসহ ৩ যুবক নিখোঁজ
অনলাইন ডেস্ক: সিলেটে চিকিৎসকসহ তিন যুবক পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের দুজন রাস্তা থেকে নিখোঁজ হন এবং চিকিৎসককে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় নগরীর টিলাগড় থেকে কলেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সাজ্জাদ আহমদ (২২)। এর আগের সন্ধ্যায় টিলাগড় এলাকা থেকেই নিখোঁজ হন ইমাদ উদ্দিন (২৪) নামের এক যুবক। এ দুজন নিখোঁজের ঘটনায় তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে নগরীর শাহপরাণ থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। গতকাল সোমবার পর্যন্ত তাঁদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এ ব্যাপারে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমবার রাতে বলেন, ‘এ দুই যুবককে উদ্ধারে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। তবে তাঁদের অপহরণ করা হতে পারে—এমন কোনো আলামত আমরা পাইনি। হতে পারে তাঁরা নিজেরাই কোনো কারণে আত্মগোপন করেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ বের করতে সব ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছি।’ তবে এ দুই যুবকের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ পুলিশের দিকেই। পরিবার দুটির একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুলিশের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, তারা এদের সন্ধান জানে। পুলিশই হয়তো তাদের নিয়ে গেছে। এ দুই যুবক নিখোঁজ হওয়ার দিন রাতে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিচয়ে জকিগঞ্জ থেকে ডা. মাহফুজ আলম (৩০) নামের এক চিকিৎসককে তুলে নিয়ে যায় একদল যুবক। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত তাঁরও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ ডা. মাহফুজ কসকনকপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে। মাহফুজের মামা মোসলেহ উদ্দিন বলেন, একটি সোনালি রঙের হাইয়েস মাইক্রোবাসে করে ছয়-সাতজন লোক মাহফুজকে তুলে নিয়ে যায়। তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়। পরদিন বিকেলে জানা যায়, তাঁকে পুলিশের একটি বিশেষ বাহিনী আটক করেছে। তাঁকে প্রথমে মহানগর পুলিশের এক উপকমিশনারের কার্যালয়ে রাখা হয়। পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পুলিশের কেউ তাঁদের কাছে তা স্বীকার করেনি। সিলেট মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তাও এই তিন যুবককে ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী ধরে নিয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন। তবে মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব বলেছেন, ‘তাঁদের পুলিশের কোনো বাহিনী আটক করেছে বলে আমাদের জানা নেই। আমরা তাঁদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি। টিলাগড় থেকে নিখোঁজ ইমাদ উদ্দিন কমলগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মো. রমিজ মিয়ার ছেলে। আর এমসি কলেজের ছাত্র সাজ্জাদ হোসেনের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামে। তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী। স্বজনরা জানান, ইমাদ উদ্দিন গত বুধবার মৌলভীবাজারের ভানুগাছ থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে সিলেটে অবস্থানরত এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সন্ধ্যায় তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলার ১০ মিনিট পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। সিলেটের এমসি কলেজে যাওয়ার পথে বৃহস্পতিবার নিখোঁজ হন সাজ্জাদ হোসেন। টিলাগড় শাপলাবাগ এলাকার একটি ছাত্রাবাসে থাকেন তিনি। সাজ্জাদ এমসি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। সাজ্জাদের সন্ধান দাবিতে গত রোববার কলেজের সামনে মানববন্ধন করেছে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও হবিগঞ্জ জেলা ছাত্র সমন্বয় পরিষদ। সাজ্জাদ আলীর বড় ভাই সুজিদ সুজাহিদ আলী বলেন, এখনো সাজ্জাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো সদুত্তর দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর ভাই কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা নাশকতার কোনো কাজে জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন সুজাহিদ। শীর্ষনিউজ
শিশু আকিফার মৃত্যু: বাস মালিক গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়া শহরে বাসের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে এক বছরের শিশু আকিফা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় বাসের মালিককে ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপর রইসউদ্দিন জানান, ফরিদপুর শহরের বাসা থেকে রোববার সকাল ৭টার দিকে ফয়সাল গঞ্জেরাজ পরিবহনের মালিক ইউনুস মাস্টারকে তারা গ্রেপ্তার করেন। গত ২৮ অগাস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আকিফাকে কোলে নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস মোড় এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন তার মা রিনা খাতুন। এ সময় পেছন থেকে ফয়সাল গঞ্জেরাজ পরিবহনের বাসের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে আহত হয় আকিফা। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আকিফা ও তার মাকে বাসের ধাক্কার ঘটনাটি স্থানীয় একটি জুয়েলারির দোকানের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় রাজশাহী থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা গঞ্জেরাজ পরিবহনের বাসটি রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে যাত্রী তুলছিলেন চালক। অন্যান্য যানবাহন ওই বাসের পাশ কাটিয়ে সামনে নিয়ে চলে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে রাস্তার উল্টো দিক থেকে শিশু কোলে আসা এক নারীকে দাঁড়িয়ে থাকা ওই বাসের সামনে দিয়ে পার হতে দেখা যায়। ঠিক তখনই বাসটি চলতে শুরু করে এবং রিনা বেগমকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় আকিফার বাবা সবজি ব্যবসায়ী হারুনর রশিদ বৃহস্পতিবার রাতে ফয়সাল গঞ্জেরাজ পরিবহনের মালিক ইউনুস মাস্টার, চালক খোকন মিয়া ও তার সহকারী জয়নালকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ইউনুস ওই মামলার তিন নম্বর আসামি উল্লেখ করে র‌্যাব কর্মকর্তা রইস বলেন, গোপনে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ইউনুসকে আটক করা হয়েছে। বাকি দুই আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে কিশোরী খুন
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়ে খুন হয়েছে সিমা আক্তার নামে এক কিশোরী। পুলিশ ধারণা করছে, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিমার মামাতো ভাই সোহেল মিয়া পলাতক রয়েছে। নিহত সিমা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার রসুল্লাহবাদ এলাকার ফরিদ মিয়ার মেয়ে ছিল। শনিবার সকালে সিমার লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী গণমাধ্যমকে জানান, গত ৩০ আগস্ট টঙ্গীর শিলমুন এলাকায় বড় বোন তাসমিন আক্তারের ভাড়া বাসায় বেড়াতে যায় সিমা। ক’দিন বেড়ানোর পর গত শুক্রবার বিকেলে বাড়িটির ছাদে ওঠে সিমা। সেখান থেকে তার মামাতো ভাই সোহেল মিয়া সিমাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর সিমা বাসায় ফেরেনি। ওইদিন রাতে তাসমিন খবর পান, সিমাকে টঙ্গীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে ওই হাসপাতালে গিয়ে ছোট বোনের লাশ দেখতে পান তিনি। খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করে তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এসআই রমজান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সিমাকে ধর্ষণের পর খুন করে পালিয়ে গেছে সোহেল মিয়া।
কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির ভাই গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতনের মামলায় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির ভাই শাহারিয়ার আমান সানিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে সানিকে নেত্রকোনা শহরের সাতপাই এলাকার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন খান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন সানির স্ত্রী সামিউন্নাহার শানু। মামলায় সানি, ন্যান্সি ও ন্যান্সির স্বামী নাদিমুজ্জামান যায়েদকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে পারিবারিকভাবে সানি ও শানুর বিয়ে হয়। তাদের চার মাস বয়সী এক সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বেকার সানি তার স্ত্রীকে যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন সানি। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনের অভিযোগ আনা হয়েছে ন্যান্সি ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে।
পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে ২ ব্যক্তিকে হত্যা কক্সবাজারে
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজার শহরে পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তি খুন হয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে শহরের চাল বাজার এলাকায় ছুরিকাঘাতে আর অন্যজনকে আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪টা ও বিকাল ৫টার দিকে এই পৃথক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো, কামাল উদ্দিন (৬৫) ও আবু তাহের (৫০)। তাদের মধ্যে কামাল উদ্দিনকে জেলা আইনজীবী ভবনের সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী দক্ষিণ ডিকপাড়া এলাকার মৃত মো. নসিবের ছেলে। আর আবু তাহেরকে চাউল বাজার এলাকায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত আবু তাহের শহরের সমিতিপাড়া এলাকার মনসুর মিয়ার ছেলে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, পৃথক ঘটনায় দুই জনকে হত্যা করা হয়েছে। একজনকে আদালত চত্বরে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। উভয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের দাবি অনুযায়ী আদালত চত্বরে নিহত ব্যক্তির হামলাকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তির ওপর হামলাকারীদের বিষয়ে এখনও জানা যায়নি। পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
ক্লাসেই ব্যাগে রাখা ছুরি দিয়ে সহপাঠীকে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: স্কুলের ব্যাগের ভেতর বইয়ের সঙ্গে ধারালো ছুরি রেখে ক্লাস করছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মনোয়ার হোসেন। বেঞ্চের সামনে ও পেছনে বসাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সেই ছুরি দিয়েই সহপাঠী মাসুদুর রহমান মিরাজ আহমেদকে সে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গাজীপুর মহানগরের চান্দনা এলাকার এমএ রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসায় বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিরাজ স্থানীয় যোগীতলা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে। জানা যায়, সকাল পৌনে ৯টার দিকে ক্লাসে বেঞ্চে বসা নিয়ে সহপাঠী মনোয়ার হোসেন ও মিরাজের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ সময় মনোয়ার হোসেন চোখে আঘাত পায়। পরে মনোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তার ব্যাগ থেকে ছুরি বের করে মিরাজের বুকের বাঁ পাশে আঘাত করে। এ সময় ইমরান হোসেন নামে অপর এক সহপাঠী মনোয়ারকে সহায়তা করে। পরে অন্য সহপাঠীরা মিরাজকে ধরে সুপার রাকিবুল ইসলামের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মিরাজকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষণ দাস জানান, মিরাজের বুকের বাঁ পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের ক্ষত রয়েছে। জয়দেবপুর থানার এসআই লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যায় সহায়তাকারী ইমরানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর