শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষে চট্টগ্রাম নগরীতে গোলটেবিল বৈঠক
আজ ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রাম অঞ্চলের আয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও তরুণ রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ ও অংশগ্রহণ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রাম অঞ্চলের তরুণ নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত ফেলোশীপ কার্যক্রমের আওতায় প্রাক্তন ও বর্তমান ফেলোবৃন্দ এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে রাজনীতিতে তরুন নেতৃত্বের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন। তাদের সুপারিশ সমূহের রাজনৈতিক দলের নির্বাহী কমিটিগুলোকে তরুন নেতৃত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আরো বেশি সংখ্যক তরুণ নেতাদের মনোনয়ন, দলগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট ছাত্র ও যুব সংগঠন সমূহকে সহনশীল রাজনীতি এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পায়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ফেলো ইঞ্জিনিয়ার সনাতন চক্রবর্ত্তী বিজয় ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ফেলো ইরফানুল হাসান রকির সঞ্চালনায় ও ডেমোক্রেসি ইন্টারশন্যাল চট্টগ্রাম সিনিয়র আঞ্চলিক সমন্বয়ক সদরুল আমিনের সভাপতিত্বে গোল টেবিল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক শেখ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হালিম শাহ আলম, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এম এ হালিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দিলোয়ারা ইউসুফ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ জোবায়ের, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আইন সম্পাদক এড. এরশাদুর রহমান রিপু, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম রিকু, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা এস.এম. ফারুখ, মোস্তফা আলম মাসুম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এম এ হাশেম, সেলিম হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব, সীতাকুন্ড থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা নাজমুন নাহার নেলী, সেক্টর কমান্ডার ফোরামের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এড. সাইফুন নাহার খুশি, সিআরসিডির নির্বাহী পরিচালক ইকবাল বাহার সাবেরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নছরুল কাদির চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিস আকতার টিটু, ইফতেখার আহমেদ জুয়েল, চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক ফেলো এড. বিবি আয়েশা, মাহমুদুল হাসান বাদশা, তাসরিফুল ইসলাম জিল্লু, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির ফেলো এড. ইমতিয়াজ আহমেদ জিয়া, মোঃ আরিফ সহ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম বাপ্পু, মোঃ রিয়াদ, কনিক বড়য়া, নন্দিতা বড়য়া, ইসরাতসহ অন্যান্য বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। আয়োজনে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দের আলোচনার মধ্যদিয়ে উঠে আসে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বয়সের সীমা বেধে দেয়া এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক তৃতীয়াংশ আসনে তরুণদের মনোনয়ন দেয়া, পরপর দুইবার নির্বাচনের পর কোন প্রার্থী পরবর্তী দুই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না, এরূপ বিষয়সহ আরও অনেক বিষয় এ অনুষ্ঠানে ইউএসএআইডি ও ইউকেএইড এর যৌথ অর্থায়নে Strengthening Political Landscape in Bangladeh শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য ইউএসএ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আরও বেশি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব অর্জনের লক্ষ্যে সক্রিয় নাগরিকবৃন্দ ও সংবেদনশীল সরকার সমূহকে সহায়তা প্রদান করছে এবং সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দল সমূহকে সাথে নিয়ে কাজ করছে। ২০১১ সাল থেকে ডিআই বাংলাদেশে অধিকতর অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ অর্জনের কাজ করছে। ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ২২৮জন তরুণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালে ফেলোশীপ কার্যক্রমের অংশগ্রহণ করেছে। তারা ১৫ হাজারেরও বেশি তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদেরকে গঠনমূলক কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আগৈলঝাড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সেমিনার ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের আয়োজনে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রযুক্ত মেলা ও দুদিন ব্যাপী সেমিনারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা সদরের শ্রীমতি মাতৃমঙ্গল বালিকা বিদ্যালয় হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনার ও দুদিন ব্যাপী প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সেলিম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিসিএসআইআরর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়বিাত সরকারী ডিগ্রী কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, ভাইস চেয়ারম্যান জসীম সরদার। দুদিন ব্যাপী সেমিনার ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন শেষে আগৈলঝাড়াবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধান অতিথি ড. মো. সেলিম খানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। সেমিনারে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিসিএসআইআর গবেষণা কেন্দ্রের প্রদর্শনী স্টলসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের ১৯টি স্টল প্রযুক্ত প্রদর্শনী মেলায় অংশগ্রহণ করে।
আগামীকাল রংপুর সিটি করোপোরেশন নির্বাচন,আজ কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে নির্বাচনী সরঞ্জাম
আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে রংপুর সিটি করোপোরেশন নির্বাচন। আজ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে নির্বাচনী সরঞ্জাম। বুধবার সকাল ১১টার দিকে, স্ব স্ব কেন্দ্রের পোলিং এজেন্টদের নির্বাচন কমিশন থেকে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনের সরঞ্জামাদি বুঝিয়ে দেয়া হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, ইতোমধ্যে নগরীতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এর আগে, গতকাল রাত পর্যন্ত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণা করেন। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে ২৮৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ড. আবু রেজা
(সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে প্রতিটি বাঙ্গালির মনে যেমন আনন্দ, তেমনি রয়েছে স্বজন হারানোর বেদনা। এই দিনে প্রতিটি বাঙ্গালির মনে যেমন বয়ে যায় পুলকের পরশ, তেমনি মনে পড়ে যায় পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতন, নিপীড়ন, খুন, ধর্ষণ, প্রতি ঘরে অগ্নিসংযোগ এর বীভৎস দৃশ্য। যেসব মুক্তিযোদ্ধারা সব পিছুটান ও জীবনবাজী রেখে দেশমাতৃকার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাঁদের ঋণ কোনদিন শোধ করার মত নয়। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির সূর্য সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সবসময় সংবেদনশীল মনোভাব নিয়ে তাঁদের স্বার্থ সংরক্ষণে ও কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ৪৭তম মহান বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হোক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনকের স্বপ্নের শোষন ও দারিদ্রমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িকসোনার বাংলা গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়। তিনি গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ এ কথা বলেন। সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবারেক হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা ও সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.এ মোতালেব সিআইপি, সাতকানিয়া পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এল.এম.জি তাহের, ডেপুটি কমান্ডার মিলন কুমার ভট্টাচার্য্য, প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মাবুদ মাষ্টার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মাষ্টার ফরিদুল আলম, সহ সভাপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।
২০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের আহুত ধর্মঘট স্থগিত
১২ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ নং চট্ট-১৪৪১) এর আহ্বানে আহুত সকাল সন্ধ্যা সিএনজি অটোরিকশা-অটোটেম্পো ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। সিএমপি কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অর্থ প্রশাসন ট্রাফিক) মাসুদ উল হাসানের সভাপতিত্বে ধর্মঘট আহ্বানকারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে ধর্মঘট স্থগিত করা হয়। আলোচনা সভায় ১২ দফা দাবীর উল্লেখযোগ্য দাবী বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চল কমিটির সভাপতি মৃণাল চৌধুরী। সভায় ১২ দফা দাবীর মধ্যে যে সমস্ত দাবী সিএমপি ট্রাফিক বিভাগের আওতাধীন, তাহা বাস্তবায়নের সিএমপি’র পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অন্যান্যদাবী বিশেষ করে যৌক্তিকতার ভিত্তিতে জনস্বার্থে নতুন সিএনজি ট্যাক্সি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান, শাহ আমানত সেতু, তৈলারদ্বীর সেতু, কালুরঘাট রেলওয়ের সেতু টোল আদয়ের বৈষম্য দূরীকরণ, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক অযথা হয়রানি বন্ধ করা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার জন্য আলাদা লেইন এর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে সুপারিশ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিএনজি চালকদের হয়রানিমূলক মামলা না দেওয়া ও লাইসেন্স জটিলতা দূরীকরণ সহ নো-পার্কিং মামলা দেওয়ার বিষয়ে সর্তকর্তার সহিত আইন প্রয়োগ করার জন্য সভায় অংশগ্রহনকারী ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হয়। বাস্তবসম্মত দাবীদাওয়া পূরণে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলায় সিএনজি অটোরিকশা ও অটোটেম্পো ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশিদ। আলোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) যানবাহন (পদোন্নতি প্রাপ্ত) অতিরিক্ত ডিআইজি সুযায়েতুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) যানবাহন মো: আবু সায়েম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর)যানবাহন ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম)যানবাহন চত্রধর ত্রিপুরা, এসি ট্রাফিক বন্দর মোশারফ হোসেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর প্রশাসন (উত্তর) মো: মহিউদ্দিন খান, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর প্রশাসন (বন্দর) মো: আবুল কাশেম সহ পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। শ্রমিক প্রতিনিধিদের পক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মুছা, সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ, চট্টগ্রাম অটোরিকশা অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মো: কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, সহ সম্পাদক মো: ওমর ফারুক, তাজুল ইসলাম, প্রমুখ। সড়ক পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলীর জানাযা ও দাফন সম্পন্ন
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি ও নগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর জানাযা সোমবার বাদ যোহর জমিয়াতুল ফালাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তৎমধ্যে বিএনপির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা: শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনি: সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর সহ নগর বিএনপির সহ সভাপতি যুগ্ম সম্পাদক সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জানাযায় অংশ নেন। এর পূর্বে মরহুমের মরদেহ দলীয় নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য দলীয় কার্যালয়ে রাখা হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে গরীবুল্লাহ শাহ মাজারে দাফন করা হয়।
বোয়ালখালীতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
মহান বিজয় দিবস ও বিশিষ্ট জনহিতৈষী ও দানবীর মরহুম হাজী নুরুল হক সওদাগরের ১ম মৃত্যু বাষির্কী উপলক্ষে গত ১৬ ডিসেম্বর রোজ শনিবার বোয়ালখালী চরখিজিরপুরে মরহুম হাজী নুরুল হক সওদাগর স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ও তারুণ্য নির্ভর আত্মোন্নয়ন ও আত্মশুদ্ধি মুলক সংগঠন তাজকিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও শীতবস্ত্র বিতরণ'১৭ অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক হাজী মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে তাজকিয়ার সাধারণ সম্পাদক আরেফিন রিয়াদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক জনাব জাহেদুল হক। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী হাজী ইউসুফ মিয়া, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারুণ্যের দীপ্তময় দৃষ্টান্ত, প্রেষনার বাতিঘর, সাবেক সাউদার্ণ ইউনিভার্সিটির প্রভাষক, স্যামসাং বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগীয় এরিয়া ম্যানেজার এম কপিল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিন শরীফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মীর হোসাইন, হাজী রুস্তম আলি, মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিস, তরুণ সংগঠক নুর হোসাইন, ফরিদ আহমদ, মঞ্জুরুল ইসলাম, আহমদ সাফা, সেলিম উদ্দিন, জাফর আহমদ, শফিউল আযম, নাসির উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম, আমির হোসেন, তাজকিয়ার অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন, তাজকিয়া কার্যকরি সদস্য সৈয়দ শরফ উদ্দিন রাসেল, তাজকিয়ান মনসুর আলি ফয়েজুল শেখ মহিউদ্দিন হাসান, নেজাম উদ্দিন, বেলাল হোসেন বাদশা, হান্নান, রিমন প্রমুখ। শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা শেষে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পাড়ে
বন্দরনগরীর আশকারদীঘির পাড়ে রিমা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুলখানি উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য রিমা কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের আয়োজন করা হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে ঘটনার পরই রিমা কমিউনিটি সেন্টারে ছুটে যান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার ইকবাল বাহার।এদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, অতিরিক্ত মানুষের চাপে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গেটটি ছোট হওয়ায় হুড়োহুড়ি করে অনেকেই এক সঙ্গে ভেতরে ঢুকছিলেন। এ সময় পড়ে গেলে পদদলিত হয়ে ১০ জন মারা যান। রিমা কমিউনিটি সেন্টারের পাশাপাশি নগরীর আরও ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়। এগুলো হচ্ছে- কিং অব চিটাগাং,স্কয়ার, কিশলয়, সুইস পার্ক, স্মরণিকা, এন মোহাম্মদ, কে বি কনভেনশন হল, ভিআইপি ব্যাংকুয়েট, গোল্ডেন টাচ, স্মরণিকা, সাগরিকা কমিউনিটি সেন্টার। গত ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ৩টার দিকে বন্দরনগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চট্টল বীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৪ সাল থেকে টানা তিনবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। জনপ্রিয় এই সাবেক মেয়রের বাড়ি চট্টগ্রামের ষোলশহরে।
নগরীর আরও ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবান অনুষ্ঠিত
নগরীর আরও ১৪টি কমিউনিটি সেন্টারে কুলখানি ও মেজবানের আয়োজন করা হয়। এগুলো হচ্ছে- কিং অব চিটাগাং,স্কয়ার, কিশলয়, সুইস পার্ক, স্মরণিকা, এন মোহাম্মদ, কে বি কনভেনশন হল, ভিআইপি ব্যাংকুয়েট, গোল্ডেন টাচ, স্মরণিকা, সাগরিকা কমিউনিটি সেন্টার। গত ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ৩টার দিকে বন্দরনগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চট্টল বীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৪ সাল থেকে টানা তিনবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। জনপ্রিয় এই সাবেক মেয়রের বাড়ি চট্টগ্রামের ষোলশহরে।