শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯
নাটোর ও কুষ্টিয়ায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
অনলাইন ডেস্ক: নাটোর ও কুষ্টিয়ায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৪৬ জন। নাটোর: রোববার (২৫ নভেম্বর) সকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম থেকে রাজশাহীগামী যাত্রীবাহী বাস গুনাইহাটি এলাকায় পৌঁছালে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই লড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই লড়ি চালক নিহন হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত ২৬ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে আরো একজনের মৃত্যু হয়। কুষ্টিয়া: জয়পুরহাট থেকে ৬৪ জন যাত্রী নিয়ে বরিশালের চরমোনাই পীরের মাহফিলে যাচ্ছিল শাহজালাল পরিবহনের একটি বাস। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কের মির্জাপুরে পৌঁছালে সামনের চাকা খুলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় ২২ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে দু'জনের মৃত্যু হয়।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় গুলিতে মাদক কারবারি নিহত
অনলাইন ডেস্ক: টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে মাদক কারবারিদের গোলাগুলিতে জিয়াউর রহমান জিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়া সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের হাতে আটক ছিলেন। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, জিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মেরিন ড্রাইভ সড়কে অভিযানে গেলে মাদক কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই গুলিতে জিয়া আহত হন। পরে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। জিয়াকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ মর্গে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিনটি এলজি ২১ রাউন্ড গুলি, ২৩ রাউন্ড খালি খোসা ও ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গোলাগুলিতে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সুনামগঞ্জে সহকর্মীর ছোড়া ইটের আঘাতে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দিরাইয় উপজেলায় সহকর্মীর ছোড়া ইটের আঘাতে মারুফ আহমদ নামে এক রাজমিস্ত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ১০টায় পৌরসভার ভরারগাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মারুফ পূর্ব সুলতানপুর আবাসিক এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। ঠিকাদার নুরু মিয়া জানান, গত এক মাস ধরে ভরারগাঁও গ্রামের খালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের আওতাধীন ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে। মারুফ এখানে কাজ করতেন। শনিবার রাতে জনি নামে আরেক শ্রমিকের তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জনি মারুফের মাথায় ইট ছুড়ে মারলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের পুলিশ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ফটিকছড়িতে ইয়াবা ব্যবসায়ী মুন্না গ্রেফতার
সজল চক্রবর্ত্তী, ফটিকছড়ি : ফটিকছড়িতে অাফাজ উদ্দিন (প্রকাশ) দুবাই মুন্না(২৭) নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ। বুধবার রাতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশের টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ির বিবিরহাট বাজার থেকে এ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটকের পর তাকে তল্লাশি করে ছয়টি ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে তার তথ্য অনুযায়ী তার বাড়ির নিজ ঘর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই দেলোয়ার জানিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদ খলিফার বাড়ির শফিউল বশর তহসিলদার এর পুত্র। ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবুল আক্তার বলেন বুধবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। তাকে আজ সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ফটিকছড়িতে ইয়াবা ব্যবসায়ী মুন্না গ্রেফতার
সজল চক্রবর্ত্তী, ফটিকছড়ি : ফটিকছড়িতে অাফাজ উদ্দিন (প্রকাশ) দুবাই মুন্না(২৭) নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ। বুধবার রাতে ফটিকছড়ি থানা পুলিশের টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ির বিবিরহাট বাজার থেকে এ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটকের পর তাকে তল্লাশি করে ছয়টি ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে তার তথ্য অনুযায়ী তার বাড়ির নিজ ঘর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে ফটিকছড়ি থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই দেলোয়ার জানিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ী সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের নূর মোহাম্মদ খলিফার বাড়ির শফিউল বশর তহসিলদার এর পুত্র। ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবুল আক্তার বলেন বুধবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। তাকে আজ সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মিনি এভিয়ারির শুভ উদ্ধোধন
অনলাইন ডেস্ক :অদ্য ২১/১১/২০১৮ খ্রি. তারিখ বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারির (ছোট্ট পক্ষীশাল) শুভ উদ্ধোধন করেন চট্টগ্রাম জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মাদ ইলিয়াস হোসেন ।৬ প্রজাতির ৩৪২ টি পাখি নিয়ে যাত্রা শুরু এই এভিয়ারির (লাভ বার্ড ২০ জোড়া,লাফিং ডাভ ৫০ জোড়া, ফিজেন্ট ১০ জোড়া,রিংনেড পারোট ১০ ,কোকাটেইল ৫০,ম্যাকাও ১ জোড়া)।এভিয়ারির আয়তন দৈঘ্যে ৬০ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট এবং উচ্চতা ৩০ ফুট।উদ্ধোধনকালে উপ পরিচালক,স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ এবং প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে জোট নেতার আসনে আ. লীগের দলীয় প্রার্থীর আলোচনায় যারা
সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি: একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ৪টি আসনে মহাজোট নেতাদের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার এক প্রকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র প্রকাশ। এ চার আসনের মধ্যে উত্তরের দুটি, দক্ষিণের একটি এবং নগরের একটি আসন রয়েছে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ চার আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি থাকলেও জোটের সমিকরণ ও জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জোট নেতাদের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে, এসব আসনে আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। সূত্রমতে, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও তরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বর্তমান বন, পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যকরী সভাপতি মাঈনুদ্দীন খান বাদল এবং চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু। এসব আসনে আওয়ামী লীগ ডামি প্রার্থী ঘোষণা করবে। পরে, জোট প্রার্থীর পক্ষে ডামি প্রার্থীদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে নিদের্শ দেয়া হবে। একটি সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে নতুন মুখ ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ ও চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী বা উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মন্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে শিল্পপতি মুজিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।
চট্টগ্রামে জোট নেতার আসনে আ. লীগের দলীয় প্রার্থীর আলোচনায় যারা
সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি: একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ৪টি আসনে মহাজোট নেতাদের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার এক প্রকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র প্রকাশ। এ চার আসনের মধ্যে উত্তরের দুটি, দক্ষিণের একটি এবং নগরের একটি আসন রয়েছে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ চার আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি থাকলেও জোটের সমিকরণ ও জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জোট নেতাদের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে, এসব আসনে আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। সূত্রমতে, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও তরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বর্তমান বন, পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যকরী সভাপতি মাঈনুদ্দীন খান বাদল এবং চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু। এসব আসনে আওয়ামী লীগ ডামি প্রার্থী ঘোষণা করবে। পরে, জোট প্রার্থীর পক্ষে ডামি প্রার্থীদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে নিদের্শ দেয়া হবে। একটি সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে নতুন মুখ ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ ও চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী বা উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মন্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে শিল্পপতি মুজিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।
আজ লেলাং গণহত্যা দিবস
সজল চক্রবর্ত্তী,ফটিকছড়ি: আজ ২১ নভেম্বর ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক হানাদার বাহিনী তাদের এ দেশিয় দোসর রাজাকারদের সহযোগিতায় লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা ও শাহনগর গ্রামে হানা দিয়ে ২৯জন নিরপরাধ মানুষকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। সেদিন ছিল মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন। হানাদারদের আক্রমনে ঈদের আনন্দ মাটি করে দিয়ে এলাকায় নেমে আসে শোকের বিভীষিকা। দেশ মাতৃকার মুক্তির সোপানে যাঁরা সেদিন প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন,তাদের নামটিও শহীদের তালিকায় এখনো স্থান পায়নি। যা ভাবলে সেসব শহীদের স্বজনদের মনে আজো পীড়া দেয়। সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন সকাল ১০টার দিকে পাক বাহিনীর ২০/৩০ জনের একটি অস্ত্র সজ্জিত দল পার্শ্ববতী কর্ণফুলী চা বাগানের দিক থেকে প্রথমে গোপালঘাটা গ্রামে হানা দেয়। তখন মানুষ সবে মাত্র ঈদের নামাজ সেরে পরিবার পরিজনের সাথে কোলাকুলিতে ব্যস্ত। এমন সময় হানাদারের দল গোপালঘাটা গ্রাম থেকে বেশ কয়েকজনকে ধরে গোপালঘাটা আর পাশের গ্রাম শাহনগরের মাঝখানে মনাইছড়ি খালের পাড়ে নিয়ে আসে। অতপর শাহনগর গ্রাম থেকে আরো বেশ কয়েকজনকে ধরে খালের পাড়ে নিয়ে এসে সেখান থেকে বেছে বেছে ৩০ জনকে রেখে বাকীদের ছেড়ে দেয়। এ ৩০ জনকে মনাইছড়ি খালের পাড়ে হাত বেঁধে দাড় করিয়ে এক পাঞ্জাবী ক্যাপ্টেন ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে খালের পাশে একটি ডোবার মধ্যে ফেলে মাটি চাপা দিয়ে চলে যায়। হত্যাযজ্ঞ শেষ করে পাক আর্মিরা চলে গেলে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছৈয়দুল হক নামে একজনকে জীবিত পাওয়া যায়। তাকে গ্রামবাসী উদ্ধার করে গোপনে চিকিৎসা দিয়ে ভালো করে তোলে। এসব শহীদদের নাম শহীদি তালিকায় এখনো অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি। এদের জন্য হয় না কোন স্মরন সভা। শুধু চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। এদিকে, আজ ২১নভেম্বর গণহত্যা দিবস স্বরণে কোন কর্মসুচী পালনের উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সেদিন পাক বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন- মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউনুস, নুর আহমেদ, আফসার আহমেদ, নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ এয়াকুব, মুহাম্মদ নুরুল আলম,মুহাম্মদ রুহুল আমিন, মুহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ, ফয়েজ আহমদ, জগির আহমেদ, চিকন মিয়া, জনুর আহমেদ, মুহাম্মদ ইদ্রিস, মুহাম্মদ সোলেমান, বজল আহমদ, জমিল উদ্দিন, রফিকুল আলম, রমেশ চন্দ্র নাথ,সুরেশ লাল নাথ,গৌরহরি নাথ, কৃষ্ণহরি নাথ, সুধাংশু বিমল নাথ, হরিপদ নাথ, বিপিন চন্দ্র নাথ, নগরবাসী নাথ, হরিলাল নাথ, হরিধর নাথ, ক্ষেমেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য নাথ।