অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে ঠেকালো ইউএনও, বরসহ আটক তিন
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্কুলপড়ুয়া কিশোরীকে জোর করে বিয়ে দেয়ার সব আয়োজনই সম্পন্ন করে মেয়ের মা-মামা। মেয়ের কোনো আবদারই শুনতে চায়নি পরিবার। মেয়ের আবদার উপেক্ষা করে বিয়ের সব আয়োজনও প্রস্তুত। বরও এসে হাজির। এমন সময় কনের বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ফলে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রেহাই মিলে কিশোরী কলির। আটক করা হয় বরসহ তিনজনকে। সোমবার রাতে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারস্থ ২নং পাথরঘাটায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শহীদ আবদুল আলী একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী কলি আকতারের সাথে বনরূপার আবদুল আলীর ছেলে দীন ইসলামের সাথে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হয়। কিন্তু কনে কলি পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে অভিভাবকদের বারবার বিয়ে না দেয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তার কথায় গুরুত্ব না দিয়ে কলির মা নাজমা আকতার ও মামা সেলিম বরপক্ষের সাথে কথাবার্তা বলে সবকিছু ঠিক করে। সোমবার রাতেই বিয়ের সব আয়োজন করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ করা হয়। ১ ও ২নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী এম এ মুস্তফা হেজাজী জানান, মদন নামের একজন তাঁকে সকালে ফোন করে একটি বিয়ে পড়ানোর কথা বলেন। তখন তিনি মেয়ের বয়স ঠিক আছে কিনা, জন্ম নিবন্ধন আছে কিনা জানতে চান। জবাবে মদন বলেন, সব ঠিক আছে। কাগজপত্র ঠিক না থাকলে এবং মেয়ের বয়স ১৮বছর পূর্ণ না হলে বিয়ে রেজিস্ট্রি করবেন না বলে কাজী জানান। এশার নামাজের পর মদন কাজী সাহেবকে ফোন করে জানান, জন্ম নিবন্ধনের কাগজ এখনো হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই একটু দেরী হচ্ছে। কাগজ হাতে আসলে কাজীকে ফোন করবেন বলে জানান। রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্য বিয়ের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কনের অমতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। তাছাড়া মেয়ের বয়স এখনও ১৮ হয়নি। বিয়ে আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত মেয়ের মামা মো. সেলিম, বর দীন ইসলাম ও বরের বাবাকে আটক করে থানা হাজতে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, বাল্য বিয়ের মতো অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।-আরটিভি
কক্সবাজারে দুই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী সহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার ও টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী সহ এক ইয়াবা ব্যবাসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর রাতে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন শামলাপুর মেরিনড্রাইভ ও কক্সবাজার কাটাপাহাড় এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত রোহিঙ্গারা হলেন- শামলাপুর ২৩ নম্বর ক্যাম্পের আব্দুর রহিমের ছেলে আজিম উল্লাহ (২০) ও উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর ক্যাম্পের মৃত রহিম আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৫২)। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দুজন রোহিঙ্গাই মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন এএসআই জহিরুল ইসলাম,কনস্টেবল মোবারক হোসেন, খায়রুল ও মানিক মিয়া। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোর রাতে কতিপয় দালাল বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন শামলাপুর মেরিনড্রাইভ এলাকায় পাচারের উদ্দেশে রোহিঙ্গাদের জড়ো করছিল। খবর পেয়ে টেকনাফ পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, নিহতরা রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত। এদিকে কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে কক্সবাজার শহরের কাটা পাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ৪০০ পিস ইয়াবা, একটি এলজি, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ছয়টি খালি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার জহির হাজির ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানিয়েছেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলুকে নিয়ে কাটাপাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দরজা ভেঙে বের করা হলো মা-মেয়ে-ছেলের অর্ধগলিত লাশ
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর উত্তরখানের ময়নারটেক এলাকার একটি বাসা থেকে মা, ছেলে ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাত আটটার পরে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা লাশের মধ্যে মায়ের নাম জাহানারা খাতুন ওরফে মুক্তা (৪৮), ছেলে কাজী মুহিব হাসান (২৭) এবং মেয়ের নাম মীম (১৯)। ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, রোববার রাত ৮টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ উত্তরখানের ময়নারটেক এলাকার ওই বাসায় যায়। নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, ভেতর থেকে দরজা আটকানো ছিল। দরজা ভেঙে তিনজনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যুটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন: এখনো এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ তাদের ঘরের ভেতর ছিটকিনি দেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। মনে হচ্ছে তিন-চারদিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বোঝা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার নুরুর
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে স্বর্ণলতা বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু। শনিবার (১১ মে) রাতে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে হাজির করা হলে তিনি তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান।রোববার (১২ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ অফিসে এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এর আগে বুধবার (৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন রিমান্ড শুনানি শেষে পাঁচ আসামির প্রত্যেকের আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রিমান্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন-গাজীরপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার সালুয়াটেকি গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বাসচালক নূরুজ্জামান নূরু (৩৯), একই উপজেলার বীরউজলী গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে বাসের হেলপার লালন মিয়া (৩২) একই উপজেলার লোহাদী গ্রামের নজর আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক (৩০), কটিয়াদী উপজেলার ভোগপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া (৩৮) এবং বাজিতপুর উপজেলার নীলক্ষি গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদ ভূঁইয়ার ছেলে বকুল মিয়া ওরফে ল্যাংড়া বকুল (৫০)।মঙ্গলবার (৭ মে) দিনগত রাতে নিহত তানিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন বাজিতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
নুসরাত হত্যায় শাস্তি পাচ্ছেন ফেনীর এসপিও
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ফেনী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শিগগিরই বরখাস্ত করা হবে। শাস্তির অংশ হিসেবে ২-১ দিনের মধ্যে তাকে পুলিশের একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বদলি নয় শিগগিরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশের একটি ইউনিটে শাস্তিমূলক সংযুক্ত করা হবে। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ফেনীর পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকেও একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। বিষয়টি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে অভিযুক্ত এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। বদলি ও সংযুক্তের বিষয়টি ভিন্ন উল্লেখ করে মো. সোহেল রানা বলেন, তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দূরবর্তী বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। সংযুক্তি কোনো বদলি নয়। এটি শাস্তি প্রক্রিয়ার একটি অংশ। সংযুক্তিকালে তাদের কোনো দায়িত্ব প্রদান করা হয় না। উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকালে নুসরাত জাহান রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। সে সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে- এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় যান। সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। ওই ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে সোনাগাজী থানায় অভিযোগ নিয়ে যাওয়া নুসরাতের সঙ্গে ওসি মোয়াজ্জেমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। নুসরাতের মৃত্যুর পরদিন নুসরাতের পরিবারকে অসহযোগিতার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয় ওসিকে। এরপর পুলিশ সদরদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।-আলোকিত বাংলাদেশ
গভীর রাতে ব্যবসায়ীর স্ত্রী নিরুদ্দেশ
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর গ্রামের হাজীবাড়ি থেকে ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস মিনা বুধবার গভীর রাতে টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী স্বামী ইসমাইল হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় মেম্বারকে আসামি করে থানায় এজাহার করেছে। সূত্র জানায়, উপজেলার লামচর গ্রামের হাজীবাড়ির মুক্তিযোদ্ধা আবু নাসেরের পুত্র ইসমাইল হোসেন ব্যবসায়ীর কাজে ঢাকা যাওয়ার সুযোগে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস মিনা বুধবার রাত ১২টার দিকে স্বামীর ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। স্বামী ইসমাইল হোসেন বলেন, পারিবারিক কলহের সুযোগে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. আলম আমার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। বুধবার রাত ১২টার দিকে আলম মেম্বার বসতঘর থেকে মিনাকে বাহির করে নিয়ে গ্রামের চৌধুরী বাড়ির পলাসী বেগমের বাসাতে রাখে এবং ভোর বেলায় অন্যত্র নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আলম মেম্বার বলেন, ইসমাইল হোসেন প্রতিনিয়ত স্ত্রীকে মারধর করতো। এতে অতিষ্ঠ হয়ে রাতের বেলা বসতঘর থেকে চলে যায়। আমার সঙ্গে যাওয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।থানার এস.আই কাউছার হোসেন বলেন, স্বামী ইসমাইল হোসেনের দায়ের করা এজাহারটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দশম শ্রেণীর এক মাদ্রাসাছাত্রী (১৫) কে তুলে নিয়ে মাঠের মধ্যে রাতভর ধর্ষণ করেছে আল-আমিন নামে এক বখাটে ও তার সহযোগিরা। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আজ সকালে মাঠ থেকে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। ধর্ষক আল আমিন একই উপজেলার কোলা ইউনিয়নের বৃত্তি পাড়া গ্রামের আবদুর রউফ এর ছেলে।ছাত্রীটির বাবা জানায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পাশের বাড়িতে মোবাইল ফোনের চার্জার আনতে যায় তার মেয়ে। সে সময় চার্জার নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎপেতে থাকা আল-আমিন ও তার সহযোগীরা তার মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আল-আমিন ও তার সহযোগীরা।শুক্রবার রাতে পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায় না।পরদিন সকালে গ্রামের এক কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে দেখতে পান, মেয়েটি হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। খবর পেয়ে পরিবার ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যাপরে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইউনুস আলী জানান, খবর পেয়ে দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেরপুরে ২ শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেরপুরের নকলায় এবার হতদরিদ্র পরিবারের ২ শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে শামীম মিয়া (১৮) নামে এক লম্পট নির্মাণ শ্রমিক। এ ঘটনায় নকলা থানায় মামলার পর রাতেই ধর্ষক শামীম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ধর্ষণের শিকার ৬ ও ৭ বছর বয়সী ওই ২ শিশু উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ভুরদি নয়াপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু ও প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আর ধর্ষক শামীম স্থানীয় নওশেন আলীর ছেলে ও পেশায় রাজমিস্ত্রির যোগালী (নির্মাণ শ্রমিক)।আজ সকালে ওই ২ শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে আদালতে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক শামীমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে ওই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে নকলা উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ভুরদি নয়াপাড়া গ্রামের লম্পট নির্মাণ শ্রমিক শামীম মিয়া দিনমজুর পরিবারের প্রতিবেশী পরস্পর চাচাতো-জ্যাঠাতো বোন ওই ২ শিশুকে খাবার দেওয়াসহ নানা প্রলোভনে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি কাঠগাছের বাগান নিয়ে যায়।এরপর তাদের পরনে থাকা হাফপ্যান্ট খুলে একে একে ২ শিশুকেই ধর্ষণ করে লম্পট শামীম। এরপর নানা ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।ওই সময় তারা ঘটনাটি চেপে গেলেও রাতে ব্যথা শুরু হওয়ায় একজন তার দাদিকে ঘটনাটি জানায়। এরপর শুক্রবার সকালে বিষয়টি এলাকায় তা জানাজানি হয়। এরপর ওই ২ শিশুর একজনের বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় নকলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হলে তাৎক্ষণিক ওই ২ শিশুকে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে রাতেই এসআই শরিফ আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শামীমকে।এ ব্যাপারে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাহনেওয়াজ জানান, ওই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত একমাত্র আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ধর্ষণের শিকার ২ শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা ও জবানবন্দি গ্রহণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় লরির গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেলের লরির সিলিন্ডার মেরামতের সময় গ্যাস বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলার সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে দগ্ধদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। কুলিয়ারচর থানার ওসি আবদুল হাই তালুকদার জানান, সকালে কুলিয়ারচর উপজেলায় জ্বালানি তেলের লরির সিলিন্ডার মেরামতের সময় গ্যাস বিস্ফোরণে পাঁচজন দগ্ধ হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে বাজিদপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর