ঝিনাইদহে ২৭০ জন অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ
মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ঝিনাইদহে অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। জেলা পরিষদের অর্থায়নে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পরিষদের চত্বরে এ সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আছাদুজ্জামান। এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল, হিলারী, আশরাফুন্নাহার শিখা, ফুরসন্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল মালেক মিনা। এসময় বক্তারা বলেন, নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্যই এই সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছে। আপনাদের মনে রাখতে হবে, এই সেলাই মেশিনগুলো তোমাদের প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। এই মেশিন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি আরো নারীদের সেলাই কাজ শিখিয়ে তাদেরও স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবেন। আলোচনা সভা শেষে জেলার ৬৭ টি ইউনিয়নের অস্বচ্ছল নারী সদস্যদের মাঝে ২৭০ টি সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
শুরু হয়েছে মেট্রোরেলের কাজ
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় শুরু হয়েছে মেট্রোরেলের কাজ। মিরপুরের পর খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেটের দিকে আসার সড়কটিতে কাটা হচ্ছে সড়ক। ক্রেনের সাহায্যে কালো পিচ, ইট, বালি ও মাটি তুলে লম্বালম্বি গর্ত করা হচ্ছে। আর মেট্রোরেল কার্যক্রমের জন্য আপাতত ওই সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। ইউলিটি লাইন সরানোর জন্য ফার্মগেটের এ সড়কে সোমবার গভীর রাত থেকে কাটাকাটি শুরু হয়। চলছে সড়কে গর্ত করার কাজও। আর নির্মাণ কাজ চলায় ওই রাস্তায় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাইনবোর্ডে ঝুলানো হয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন জানান, মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দুটি প্যাকেজ (সিপি ৫ এবং ৬) এর ইউলিটি শিফটিং শুরু হলো। এ সড়কটি খুবই ব্যস্ত থাকে বলে রাতেই বেশিরভাগ কাজ করা হবে। এ কারণে ১২ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা। সোমবার রাত সাড়ে ১০ টায় একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কাজ শুরু হয়েছে। পরে রাত ১২ টা থেকে কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের তথ্যে দেখা গেছে, প্যাকেজ-৫ ও ৬-এর আওতায় আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ভায়াডাক্ট ও স্টেশন নির্মাণ কাজ। এ কাজের মেয়াদ ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। এ প্যাকেজ দুটির শুরুতেই মেট্রোরেলের এলাইনমেন্ট বরাবর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রাস্তায় মাটির ওপরে ও নিচে থাকা বিভিন্ন পরিষেবা স্থানান্তর করা হবে। এ সময় রাস্তা খনন, মিডিয়ানের গাছপালা, বৈদ্যুতিক তার, খুঁটি, সিগন্যাল বাতি, পানির পাইপ, ভূ-গর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন, টেলিফোন/ইন্টারনেট লাইন ইত্যাদি স্থানান্তর করা। মেট্রোরেল প্রকল্প সূত্র জানায়, মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের রুটে মাটির নিচে ও ওপরে যেসব সঞ্চালন লাইন রয়েছে, সেগুলো সরানোর কাজ দ্রুত গতিতে হবে। কারণ ঢাকার সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক ব্যস্ততা এ সড়কে। এর আগে পল্লবী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এমন কাজ করা হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে লম্বালম্বি ও আড়াআড়িভাবে বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের তার, পাইপসহ নানা সরঞ্জাম ও লাইন স্থানান্তর করা হয়। প্রকল্প এলাকায় ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি), তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (তিতাস), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি (বিটিসিএল), ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি (ওয়াসা), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), গ্রামীণফোন, এমইএস, এসসিএল, এফঅ্যান্ডএইচ ও ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নানা ইউটিলিটি লাইন পাওয়া গেছে। এ সড়কে নিচে ১৫ টির বেশি ইউটিলিটি লাইন আছে। উত্তরা-পল্লবী-রোকেয়া সরণির পশ্চিম পাশ দিয়ে খামারবাড়ি হয়ে ফার্মগেট-হোটেল সোনারগাঁও-শাহবাগ-টিএসসি-দোয়েল চত্ত্বর-তোপখানা রোড হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত যাবে ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল। মেট্রোরেলের স্টেশন সংখ্যা মোট ১৬টি। সেগুলো হচ্ছে-উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১,মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, টিএসসি, প্রেসক্লাব এবং মতিঝিল। রুটের মোট দৈর্ঘ্য ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার, রোলিং স্টক ২৪ সেট। প্রতি সেটে ৬টি করে কার থাকবে। ঘণ্টায় গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার এবং ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহনে সক্ষম।
চট্টগ্রাম নগরীর মিয়াখান নগরের নিহত এক
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানাধীন মিয়াখান নগরের লতিফ সওদাগর কলোনিতে গ্যাসের চুলা নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে জামাল উদ্দিন (৪০) নিহত হয়েছেন। নিহত জামাল হোসেন একই এলাকার ফরিদ আহমদের ছেলে বলে পুলিশ জানায়।মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, গ্যাসের চুলার রান্না নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জামাল হোসেনকে ছুরি মারলে তিনি গুরুত্বর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরী বিভাগে নেয়ার পর সকাল পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তরুণ আইনজীবী বাপ্পীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে আইনজীবীদের মিছিল
তরুণ আইনজীবী ওমর ফারুক বাপ্পী হত্যার প্রতিবাদে আদালত ছেড়ে রাজপথে এসে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন সহকর্মীরা। সর্বস্তরের আইনজীবীদের মিছিল-স্লোগানে এসময় উত্তাল হয়ে উঠে পুরো চট্টগ্রাম আদালত অঙ্গন। বাপ্পীর হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রোববার (২৬ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড় ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন চট্টগ্রামের আইনজীবীরা। সোমবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতির। জানতে চাইলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হানিফ বলেন, আজ (রোববার) আমরা দেড় ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছি। আগামীকাল (সোমবার) পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় কোন আইনজীবী আদালতের কোন কার্যক্রমে অংশ নেবে না। বাপ্পীর হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। এর আগে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কয়েক হাজার আইনজীবী আদালত প্রাঙ্গনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এসময় বার কাউন্সিলের সদস্য ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, বর্তমান সভাপতি রতন রায় ও আবু হানিফসহ জেষ্ঠ্য আইনজীবীরা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশের পর আদালত প্রাঙ্গনে প্রয়াত বাপ্পীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে নগরীর চকবাজার থানার কে বি আমান আলী রোডে বড় মিয়া মসজিদের সামনে একটি ভবনের নিচতলার বাসা থেকে বাপ্পীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হাত-পা বাঁধা ও মুখ টেপ দিয়ে মোড়ানো এবং পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। এই ঘটনায় বাপ্পীর বাবা বাদি হয়ে নগরীর চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
চট্টগ্রামে ভর্তি বানিজ্যে অভিযুক্ত বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামাজিক ভাবে বয়কটে প্রচ
জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, জেলা শিক্ষা অফিস, শিক্ষা বোর্ড ও ক্যাব প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং টিমের তদন্তে প্রাথমিক ভাবে ৪৬টি প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত হয়ে পরবর্তীতে তারা অতিরিক্ত অর্থ ফেরত/সমন্বয় করতে রাজি হলেও ভর্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ না করে অতিরিক্ত ফিস আাদায়, পূনঃ ভর্তিতে বিপুল পরিমান অর্থ আদায়, টিসি গ্রহনে পুরো বছরের ফিস আদায়সহ নামে-বেনামে বিপুল পরিমান অর্থ আদায়ে অভিযোগ প্রমানিত ০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সর্বশেষ পর্যায়ে একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল ও ০৫টিকে কারন দর্শানো প্রদান করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা বোর্ডের একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলকৃত প্রতিষ্ঠানগুলো হলোঃ মেরন সান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চকবাজার, মেরিট বাংলাদেশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চিটাগাং আইডিয়াল স্কুল, জামালখান, চিটাগাং ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল(চকবাজার), মির্জা আহম্মেদ ইস্পাহানী উচ্চ বিদ্যালয়, পাহাড়তলী, এলিমেন্টারী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দামপাড়া এবং চট্টগ্রাম ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চিটাগাং ক্যান্টমেন্ট ইংলিশ স্কুল, হালিশহর ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজকে স্বীকৃতি কেন বাতিল হবে না তার ব্যাখ্যা জানানোর জন্য কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন। পরবর্তীতে এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের মুল্যবান শিক্ষা জীবনের কথা বলে মাননীয় হাইকোর্টে গিয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন। হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন সময়ে এসমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১৮ শিক্ষা বর্ষে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর উদ্যোগ নিতে পারেন। ভর্তি বানিজ্যে অভিযুক্ত ও এ বিষয়ে হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন প্রতিষ্ঠানে আপনার সন্তান ভর্তি হলে আপনার সন্তানের শিক্ষা জীবন হুমকিতে পতিত হতে পারেন। একই সাথে এসমস্ত অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানানো হয়েছে। ২৫ নভেম্বর ২০১৭ইং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ভর্তি বানিজ্যে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামাজিক ভাবে বয়কটে প্রচারণা কর্মসুচি ্উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ আহবান জানান দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের জাতীয় প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) চট্টগ্রাম নগর ও বিভাগীয় কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাব মহানগর কমিটির সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, ক্যাব দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, ক্যাব মহানগর সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক এ এম তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব নেতা জান্নাতুল ফেরদৌস, ফারহানা জসিম, হারুন গফুর ভুইয়া, সেলিম জাহাঙ্গীর, সেলিম সাজ্জাদ, জানে আলম, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কিছু কিছু গণমাধ্যম, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট হাউজ ও এনজিও কর্তৃক বিজ্ঞান উৎসব, ভাষা উৎসব, বির্তকসহ নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘটনা দুঃখ ও উদ্বেগ জনক। অনিয়মে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন, পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান, প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিভিন্ন কর্মসুচিতে সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, মন্ত্রী, সাংসদ, শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, গণমাধ্যম ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতির অর্থ দাঁড়ায় তাঁরা এ ধরনের অনিয়ম ও পুকুর চুরিকে স্বীকৃতি প্রদান করা। কারন অভিযুক্ত এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলি সরকারী নির্দেশনা না মেনে চাল-ডালের ব্যবসায়ীদের মতো জনগনের পকেট কাটছে। আর তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে যারা শিক্ষা জীবন শেষ করে বের হবে তারাও কোন নিয়ম শৃংখলা মানতে আগ্রহী না হয়ে সত্যিকারের মানুষ হবার পরিবর্তে অমানুষ হয়ে গড়ে উঠতে পারে, যা পুরো জাতির জন্য ভয়ংকর হতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শিক্ষায় পচনরোধে ভর্তি বানিজ্যে অনিয়মে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সামাজিক ভাবে বর্জন করা, আগামী শিক্ষা বর্ষে আপনার সন্তানকে ভর্তি করাতে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া, প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, শিক্ষার মান, প্রতিষ্ঠানটি সরকারী নিয়ম-নীতি মেনে চলার ইতিহাস ইত্যাদি খোঁজ না নিয়ে ভর্তি করালেই আপনার সন্তানের শিক্ষা জীবন মাজপথে থেমে যেতে পারে। তাই সম্মানিত অভিভাবকমন্ডলী, শিক্ষক/শিক্ষিকা, সমাজের সচেতন জনগোষ্ঠি, ছাত্র, যুবগোষ্ঠি, গণমাধ্যম, নারী, মানবাধিকার, পেশাজীবিসহ সকল মহলকে সচেতন করার লক্ষ্যে ভর্তি বানিজ্যে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সামাজিক ভাবে বয়কটে প্রচারণা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। কর্মসুচির আওতায় ক্যাব প্রতিনিধিদল অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তর, সিটিকর্পোরেশন, শিক্ষক সমিতি, গণমাধ্যম, পেশাজীবি, রাজনৈতিক দল, নারী ও মানবাধিকার সংগঠন, ছাত্র ও যুব সংগঠনগুলির সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন, স্মারকলিপি প্রদান, প্রচারপত্র বিলি, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসুচি আয়োজন করা হবে। এ প্রচারনা কর্মসুচিকে সফল করতে গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সক্রিয় সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঝিনাইদহে ৭ই মার্চের স্বীকৃতি উদযাপনে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আনন্দ উৎসব ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষন ইউনেস্কোর বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষে ঝিনাইদহে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অপর্ণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে উজির আলী স্কুল মাঠে এসে শেষ হয়। পরে উজির আলী স্কুল মাঠে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর সভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সরকারি-কর্মকর্তা-কর্মচারি, শিশু-কিশোর, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠক, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুসজ্জিত বাদক দল, সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি এবং সর্বস্তরের জনতা অংশগ্রহণ করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাপাহারে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর "মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার" এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করায় সারা দেশের ন্যায় সাপাহারে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ নভেম্বর শনিবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ২৪ নভেম্বর সকাল ৮ টা হতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এর মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সূধীবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনসাধারনের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমি শুনেছি”শীর্ষক গণস্বাক্ষর,রচনা,গান,কুই্্জ প্রতিযোগীতা ও একটি বিশাল শোভাযাত্রা উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্তরে মিলিত হয়। পরে উপজেলা হলরুম চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়ার সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ৪৬ নওগাঁ ১ ও নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি,অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাপাহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শামসুল আলম , নওগাঁ জেলা মহিলা আওয়ামীযুবলীগের সভাপতি নাতিশা আলম, বদলগাছী উপজেলা মহিলা আওয়ামীযুবলীগের আহবায়ক সভাপতি ফেন্সী মেডাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওয়াহেদ আলী মাষ্টার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদা পারভীন , সদর ইউ পি চেয়ারম্যান আকবর আলী ,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব উমর আলী,নওগাঁ জেলা পরিষদের সদস্য মন্মত সাহা, সাপাহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শাহজাহান হোসেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএফএম গোলাম ফারুক,থানার অফিসার ইনর্চাজ(তদন্ত) মনিরুজ্জান, সহ উপজেলার কর্মকর্তা গন উপজেলা আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগনের নেতাকর্মিরা,ওভার স্কাউট দল প্রমুখ। শেষে বিষয় ভিত্তিক চলচিত্র প্রদর্শন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর