১০ টাকা কেজি চাল কালো বাজারে, ৩ ইউপি সদস্যসহ আটক ৬
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও রায়গঞ্জে ১০ টাকা কেজি চালের (ফেয়ার প্রাইজ) কার্ড বিতরণে অনিয়ম ও কালো বাজারে চাল বিক্রির অভিযোগে তিন ইউপি সদস্যসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, কাজিপুর উপজেলার সোনামুখি ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য আমিনুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আসাদুল এবং ৪,৫ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য শরবানু বেগম এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউপির হাসিল গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে ফেয়ার প্রাইজ চালের ডিলার মোজাফফর আলম (৩৫), একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৫০) ও শাহজাহান আলী (৫২)। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, সরকারের খাদ্য বান্ধব ফেয়ার প্রাইজ কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণ না করে নিজেদের কাছে রেখেছিলেব তিন ইউপি সদস্য আমিনুল, আসাদুল, শরবানু বেগম। মঙ্গলবার তাদের কাছ থেকে ৫৩টি কার্ড উদ্ধার করা হয়। এর আগেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তারা তড়িঘড়ি করে কিছু কার্ড বিতরণ করেন। এসব অভিযোগে তিন ইউপি সদস্যকে আটকের পর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেকে ৮ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি উপকারীভোগীদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ডিলার আব্দুর রাজ্জাকের ডিলারশীপ বাতিলের আদেশ দেয়া হয়েছে।মানবজমিন। রায়গঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোরে উপজেলায় চান্দাইকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজিতে বিক্রির জন্য বরাদ্দকৃত ৬৫ বস্তা ফেয়ার প্রাইজের চাল কালো বাজারে বিক্রির সময় উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ডিলার মোজাফফর আলম, শফিকুল ইসলাম ও শাহজাহান আলী আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে আলো রক্তদান সংস্থার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
0৮এপ্রিল,বুধবার,দিলাল আহমদ ,সুনামগঞ্জ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থা সুনামগঞ্জ সদরের উদ্যোগে একশত নিম্নবিত্ত পরিবারকে উপহার স্বরূপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। চাল পেঁয়াজ আটা আলু তেল সাবান ডাল দেয়া হয়। সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সকল সদস্য মিলে এই উদ্যেগ গ্রহণ করেন। করোনার কারণে নিম্ন বিত্তলোক জন আয় রোজগার করতে পারছে না। সে জন্যই মূলত তাদের খাদ্য সহায়তা প্রদান। কোনও প্রকার ভিড় না করে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়েে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছা সেবীরা। তাদের উদ্দেশ্য হল কর্মের অভাবে কেউ যাতে উপোস না থাকে। কারণ এখন সরকার থেকে বলা হয়েছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করেত হলে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হতে। তাই যাতে কাউকে ঘর হকে বের হতে না হয় খোঁজ নিয়ে শ্রমিকসহ বিভিন্ন মানুষকে এ খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়। আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার এক নেতা বলেন,আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি মানুষকে সহযোগিতা করার। যারা বৃত্তবান আছেন আপনারা আপনাদের মতো মানবতার হাত বাড়িয়ে দিন। তাহলেই আমরা ৭১ সালের মহান মুক্তিযোদ্ধের মত এই যুদ্ধে জয়ী হতে পারব।
ত্রাণ দেয়ার নামে দিনমজুরের মেয়েকে ধর্ষণ করলো ইউপি সদস্য
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরগুনার তালতলীতে করোনা ভাইরাসের কারণে বেকার হয়ে খাদ্য সংঙ্কটে পড়ে একটি দিনমজুর পরিবার। ঐ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার নাম তালিকাভুক্তি করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান দিনমজুর সোবাহানের মেয়েকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়।মানবজমিন। ভুক্তভোগি পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়ের পূর্ব বাদুরগাছা এলাকার করোনা ভাইরাসের কারনে দিনমজুর সোবাহান কোনো কাজকর্ম না করতে পেরে বেকার হয়ে পড়ে তার পরিবারটি। এর জন্য তার পরিবার খাদ্য সংঙ্কটে পড়ে। বিষয়েটি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে গত ৬ এপ্রিল সোমবার জানালে তিনি তাদের নাম সরকারী সহায়তার তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীগের সভাপতি আনোয়ার খানে কাছে যায় সোবাহান। তিনি সেই সময় তার মেয়েকে ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলেন। পরেদিন ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ঐ দিনমজুর সোবাহানের বিবাহিত মেয়ে ইউপি সদস্যর বাড়িতে গেলে এই সুযোগে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ঐ মেয়ের স্বামী ইসরাফিল ইউপি সদস্যর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে ফেলে। এই ঘটনা কাউকে বললে খুন করার হুমকি দেওয়া হয়।পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ভুক্তভোগি দিনমজুর পরিবারকে থানায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরের দিন স্বামীকে তুলে নিয়ে যায় ইউপি সদস্য। আজ ৮ এপ্রিল বুধবার পর্যন্ত স্বামী ইসরাফিলের কোনো খোজখবর পাওয়া যায়নি আর ঐ দিনমজুর পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন বলেন জানান তারা। এদিকে ইউপি সদস্যর এমন কর্মকাণ্ডে হতবাক এলাকাবাসী। বিচারের দাবি করেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযুক্ত আনোয়ার খান তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি। বাবা সোবাহান বলেন আমি দিনমজুরের কাজ করি। এই করোনা ভাইরাসের কারনে আমি অসহায় দিনযাপন করছি। এর ভিতরে আমার মেয়ে তার স্বামী ইসরাফিল কে নিয়ে বেড়াতে আসেন বাড়িতে। এর ভিতরে আমার সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়। স্থানীয় মেম্বার আনোয়ার খানের কাছে গেলে সে আমার মেয়েকে তার ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে তার বাড়িতে যেতে বলেন। পরে বিকেলের দিকে তার বাড়িতে আমার মেয়ে গেলে বাড়িতে কেউ না থাকায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেন তিনি। এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আনোয়ার খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এগুলো সব মিথ্যা। এই মেয়ে যাকে স্বামী হিসেবে পরিচয় দেয় সে আসল স্বামী না। তাকে তুলে আনা হয়নি বরং ছেলের পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল বাশার বাদশা তালুকদার বলেন, নিউজ করার দরকার নেই আপনাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। তালতলী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে খোজখবর নিয়ে দেখছি এখনি। আর অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মিঞা বলেন,খাদ্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ বিষয়টি খুব দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চুপি চুপি রাতের আঁধারে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিচ্ছে ভালুকা ক্লাব
0৮এপ্রিল,বুধবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। দেশের বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার কর্তৃক লকডাওন ঘোষণা করায় বিপুল সংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে তাদের পরিবার নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সেই সব কর্মহীন অসহায় মানুষগুলোর কথা চিন্তা করে ভালুকা ক্লাবের এক ঝাক স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্যোগ নেয় তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ভালুকা'র বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিত্তশালী ও উদারমনা ব্যাক্তিগণের বিভিন্নধরনের সহযোগিতা নিয়ে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে ভালুকা ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীগন। দুর্যোগেই মনুষ্যত্বের পরীক্ষা হয়, এই দৃষ্টিকোন থেকে সকলের সহযোগিতায় এবং ভালুকা ক্লাব এর স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রথম পর্যায়ে ৮৫ টি অসহায় পরিবারকে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, লবণ এবং ১ টি সাবান কোন ধরনের জনসমাগম না করে রাতের আঁধারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভালুকা ক্লাব কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে ভালুকা ক্লাব এর সভাপতি মোঃ সুমন খান জানান, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে এবং ভালুকা'র বিত্তশালী ও উদারমনা ব্যাক্তিদের সহযোগিতায় আমরা প্রথম পর্যায়ে ৮৫ টি পরিবারের কাছে আগামী ১ সপ্তাহের খাদ্যসামগ্রী সহায়তা পৌঁছে দিতে পেরেছি, আমাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষের দিকে এবং যতদিন পর্যন্ত এই দুর্যোগকালীন অবস্থা থাকবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। আমি ভালুকা ক্লাব এর পক্ষ থেকে ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকা এবং অন্যান্য যারা বিভিন্ন সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সকলের প্রতি ভালুকা ক্লাব পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতেও আপনাদেরকে ভালুকা ক্লাবের পাশে আশা করছি। ক্লাবের সহ"সভাপতি খোরশেদ আলম ইমন বলেন, ব্যাক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই ত্রাণ দিচ্ছেন আপনাদের প্রতি ভালুকা ক্লাব এর পক্ষ থেকে আহবান জানাচ্ছি দয়া করে জনসমাগম করে ত্রাণ দিবেন না, আপনার ত্রাণ অসহায়দের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিন,কেউ যেন বাড়ি থেকে বের না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তাছাড়া কেউ যদি আমাদের কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা বা বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকতে ভালুকা ক্লাব ফেইসবুক পেইজে যোগাযোগ করতে আহ্বান করা হলো, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ আমরা সকলে মিলে জিতবো, ইনশাআল্লাহ। ১নং জয়েন সেক্রেটারি জালাল উদ্দিন রিয়াদ বলেন যেহেতু এটা মানুষের আমানত ও সঠিক গ্রহীতার হক অতএব আমরা যথেষ্ট সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে সঠিক প্রাপ্য ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিতে আমারা বদ্ধপরিকর। এবং ক্লাবের অন্যান্য আরো কয়েক সদস্য বলেন আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ভালুকা ক্লাব এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সকলের কাছে ভালুকা ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীগন দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে।
ময়মনসিংহে বখাটে কর্তৃক ত্রাণ ছিনতাইয়ের চেষ্টা
0৮এপ্রিল,বুধবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ,,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহ নগরীর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী মোবারক হোসেনকে (২৫) পিটিয়ে ত্রাণ ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। আহত মোবারক হোসেন ৩১ নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকরী করেন এবং তিনি ৩১নং ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সিটি কর্পোরেশন ৩১ নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ৫ জনের নামে ও ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। ৩১ নং ওয়ার্ড সেচ্ছাবেকলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক সোহাগ মিয়া বলেন, দেশে অঘোষিত লকডাউন চলছে। এ অবস্থায আমরা এলাকার গরিব দুঃখী, অসহায় মানুষের জন্য ময়মনসিংহ জেলার নেতৃবৃন্দের কাছে আবেদন করে কিছু ত্রাণ সহায়তা পাই। পরে এগুলো ক্লাবে নিয়ে আসতেই ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করেন তিনি। আহত মোবারক হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মহানগর আওয়ামীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীর খালপাড় কান্দাপাড়া এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের জন্য ত্রাণ সহায়তা আনতে তার বাড়িতে যেতে বলেন। পরে আমি তার বাড়িতে গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী ভ্যান গাড়িতে করে আমাদের ক্লাবের সামনে আসতেই পার্শ্ববর্তী এলাকার ১০/১২ জন বখাটে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে আমার উপর হামলা চালায়। এ সময় আমার ডাক চিৎকারে ৩১ নং ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহব্বায়ক সোহাগ মিয়া, রবিউল মিয়া, শাহেদ মিয়াসহ অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা কোতোয়ালী থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমাকে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেয়। পরে আমাকে আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছুটি দিয়ে দেয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, ৩১ নং ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে খালপাড় কান্দাপাড়া এলাকায় অসহায়দের জন্য কিছু ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছিলাম। ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার পর ছিনতাই চেষ্টার মত একটি জঘন্য ঘটনা ঘটে। যা খুব লজ্জার। তবে, যে বা যারাই এমন কাজ করেছে তাদের গ্রেপ্তারের দাবি করেন তিনি। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
মতলবে স্বেচ্ছায় অঘোষিত লকডাউন মধ্য ইসলামাবাদ
0৮এপ্রিল,বুধবার,ইমরান মাসুদ,বার্তা সম্পাদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামন প্রতিরোধে চাদঁপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ১৩ নং ইসলামাবাদ ইউনিয়নের মধ্য ইসলামাবাদ স্বেচ্ছায় অঘোষিত লকডাউন করেন ওই গ্রামের যুবসমাজ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে ওই গ্রামের ৪টি প্রবেশ পথ বন্ধ করে দিয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ গ্রামে প্রবেশ করতে পারবে না এবং অত্র গ্রামের কেউ অন্য গ্রামে প্রবেশ না করার ঘোষণা দেন । সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশের ন্যায় এ উপজেল যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু সেই বাধা অতিক্রম করে কিছু লোক অপ্রয়োজনে এই গ্রামে অবাধে বহিরাগতরা চলাফেরা করছে। ফলে করোনা সংক্রমানে ঝুঁকির কথা চিন্তা করে যুবসমাজরা বৈঠক করে এ গ্রামকে অঘোশিত লকডাউন ঘোষণা করেন। পাশাপাশি গ্রামের ৪টি প্রবেশ পথে বন্ধ রাখা হয় । জরুরী প্রয়োজনে কাউকে গ্রামে প্রবেশ করতে হলে তাকে জীবানুমুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। অত্র গ্রামের আক্তার দর্জি , ঈসমাইল প্রধান,হিমেল, মামুন,জজ মিয়া দর্জি,মিজান দর্জি,সিদ্দিক দর্জি, সাদ্দাম দর্জি, আল আমিন, শামীম,জাহিদ ,ইমরান দর্জি, ইব্রাহিম, মাহি মোল্লা সাংবাদিকদের জানান,আমরা নিজেকে ও গ্রামবাসিকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে এ উদ্যোগ নিয়েছি। তাঁরা আরো জনানা, জরুরী প্রয়োজনে ছাড়া আমরা নিজেদের সুরক্ষায় অন্য গ্রামে প্রবেশ করব না । এবং কেউ বাহিরে থেকে নিজ গ্রামে আসলে বাঁধা প্রদান করব । সেই সাথে আমরা নিজ গ্রামের মসজিদের মাইকে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেউ যেন বাড়ির বাহির না হয় সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। এ ব্যাপারে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব সাজেদুল হাসান বাবু (বাতেন ) জানান, করোনা মোকাবিলায় সরকার চাচ্ছে ঘর থেকে কেউ যেন বের না হয়। সে উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ ভালো হয়েছে। ওয়ার্ড মেম্বার দুলাল দর্জি আরো বলেন, কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত – সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে তাই আমরা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্র গ্রামে যেন করোনা ভাইরাস থেকে সবাই নিরাপত্তা পায় তাই আমার ওয়ার্ড এ অঘোষিত লকডাউন ।
১শ বস্তাচালসহ ৯টি খালি বস্তা উদ্ধার করেছে পুলিশ,আটক ২
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নরসিংদীর মনোহরদীতে এক রাইল মিল থেকে সরকারি খাদ্য গুদামের ১শ বস্তাচালসহ ৮৯টি খালি বস্তা উদ্ধার করেছে মনোহরদী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- মনোহরদী বাজারের চাল ব্যবসায়ী লাল মিয়া (৫৫) এবং রাইস মিলের মালিক আমিনুল ইসলাম যাদুর ছেলে ফেরদৌস আহমেদ সুমন (২২)। জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধায় মনোহরদী উপজেলা চন্দনবাড়ি এলাকার সরকারি স্বাস্থ্য কমপেক্সের উত্তর পাশে আমিনুল হক যাদুর রাইস মিলে খাদ্য অধিদপ্তরের ১০০টি চালের বস্তা খুলে রাইস মিলের মালিকের নিজস্ব তৈরি করা বস্তায় চাল ভরে বস্তাজাতকরন করা হচ্ছে। খবর পেয়ে মনোহরদী থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মিলের তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে সরকারি খাদ্য গুদামের ৫০ কেজি ওজনের ১শ বস্তাচালসহ ৮৯টি সরকারি চালের খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মনোহরদী থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম বলেন, করোনারভাইরাসে কর্মহীন মানুষের বিতরণের সরকারি চাল গোপনে বিক্রির জন্য একটি রাইস মিলে মজুদ করা হয়েছে খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালায়। পরে সেখান থেকে ১০০টি চালের বস্তাসহ ৮৯টি সরকারি চালের খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রাণ দিয়ে ছবি তোলার পর কেড়ে নিয়েছেন যুবলীগের নেতা
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এমপি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ত্রাণ দেয়ার পর যুবলীগের এক নেতা কেড়ে নিয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝড় তুলেছেন নেটিজেনরা। গত রোববার উপজেলার বলিদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই ঘটনা ঘটে। পরে আজ বুধবার গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি ফাঁস করে দেন সুফিয়া খাতুন নামে এক হতদরিদ্র মহিলা। তিনি অভিযোগ কওে বলেন, গত রোববার বিকালে তিনি ত্রাণ নিতে গিয়েছিলেন বলিদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে। ত্রাণের প্যাকেট সামনে নিয়ে ছবি তোলার পর তা আবার কেড়ে নেয়া হয়। এরপর খালি হাতে ফিরতে হয়েছে বাড়িতে। সুফিয়া বলিদাপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, ওইদিন বিকালে বলিদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ত্রাণ দেয়ার জন্য ডাকা হয়। পৌরসভার গাড়িতে করে ত্রাণ নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার, ইউএনও সুবর্ণা রানী সাহা ও পৌর মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ ত্রাণ বিতরণ করতে মাঠে আসেন। তারপর তাদের সামনে দেয়া হয় ত্রাণের প্যাকেট। এরপর ত্রাণ বিতরণের ছবি তোলা হয়। ত্রাণ বিতরণ শেষে মাগরিবের আযান দেয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পৌর মেয়র বিদ্যালয় মাঠ ত্যাগ করেন। এরপর অসহায় কয়েকজনকে বলা হয় আপনাদের নাম তালিকায় নেই। তাদের কাছ থেকে ত্রাণের প্যাকেট কেড়ে নেন বলিদাপাড়ার যুবলীগ নেতা সমীর হোসেন ও বাবরা গ্রামের লিটন। একই গ্রামের বাহাদুর ম-লের স্ত্রী সুন্দরী খাতুন অভিযোগ করেন, আমার স্বামীর বয়স প্রায় ৮০ বছর। একটা মাত্র ছেলে ভাংড়ির ব্যবসা করে। অনেকদিন ধরে কাজে যেতে পারছে না। গত রোববার চাল দেয়ার পর আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। সমীর নামের এক ছেলে চাল কেড়ে নেয় বলে সুন্দরী খাতুন অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগ নেতা সমীর হোসেন জানান, যাদেরকে ওই সময় ত্রাণ দেয়া হয়েছিল তাদের তালিকায় নাম ছিলো না। এ কারণে ত্রাণ নিয়ে তালিকা ভুক্তদের দেয়া হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবর্ণা রাণী সাহা বলেন, আমি সেখানে ত্রাণ দিতে গিয়েছিলাম। তবে ত্রাণ কেড়ে নেয়ার ব্যাপারে আমি তো কিছুই জানি না।
ত্রাণের জন্য শ্রমজীবি মানুষের বিক্ষোভ
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হাড়ীভাঙ্গা এলাকায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাড়িতে বসে থাকা কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষেরা এ পর্যন্ত কোন ধরনের সরকারী বেসরকারী খাদ্য সহায়তা না পেয়ে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা লালমনিরহাট--বুড়িমারী মহাসড়কে অবস্থান নেন। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতাকে ঘরে ফেরাতে পুলিশ ধাওয়া করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার রায় চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় ত্রান দেবার আশ্বাস দিলে বিক্ষুদ্ধ কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষেরা ঘরে ফিরে যান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর