সেলিম সভাপতি ও মঈন সম্পাদক করে আকবর শাহ থানা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন
সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব আবদুস সাত্তার সেলিমকে সভাপতি ও আলহাজ্ব মঈন উদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৮ সদস্য বিশিষ্ট আকবর শাহ থানা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর। আজ ১৩ আগস্ট সোমবার এ কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হচ্ছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আইয়ুব খান, সহ-সভাপতি মহসিন তালুকদার, শহিদুল্লাহ ভূঁইয়া, খাজা মো. মঈন উদ্দিন, আমিনুল হক, মমতাজ হাসান বাদল, জাহাঙ্গির আলম, রেহান উদ্দিন প্রধান, আবদুর রহমান খান, মো. ইসমাইল, এডভোকেট মো. আলা উদ্দিন, মো. জামাল উদ্দিন কোম্পানী, খোরশেদ আলম মাস্টার, আবুল কালাম আজাদ, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, নূর মোহাম্মদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. নূর চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মো. জাহেদ আলী, মো. ওয়াসিমুল গণি, নওশের দিদার, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আবদুর রহিম সজল, আলহাজ্ব আজহারুল ইসলাম বাচ্চু, মো. ইয়াকুব, মো. আলী আক্কাস, মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ, মো. নাসির উদ্দিন, পলাশ চৌধুরী, আকবর হোসেন ফরহাদ, কোষাধ্যক্ষ আবদুল মতিন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট কামরুল হাসানাত, ফজলুল হক মাস্টার, গোলাম কিবরিয়া গোলাপ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আয়াছ মিয়া, মো. জামাল হোসেন, মো. নুরুল ইসলাম, ইউনুস গাজী, দপ্তর সম্পাদক গোলাম মওলা পাভেল, প্রচার সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, আফতাব হোসেন, প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট মনজুরুল আলম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জেবুননেছা মুন্নি, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন সানি, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক কোরবান আলী ভুট্টু, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আজিজ উদ্দিন চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডা. কাজী লোকমান, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক খুরশিদ আহমদ কমল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন চৌধুরী বাবুল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আবদুল আজিজ, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, মানবাধিকার সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী মামুন, গণশিক্ষা সম্পাদক মো. ইলয়াছ লেদু, স্থানীয় সরকার সম্পাদক নাসির উদ্দিন সওদাগর, ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প মো. জাহাঙ্গির, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ, ক্রীড়া সম্পাদক কাউসার আহমদ হিমেল, সংস্কৃতি সম্পাদক নজরুল ইসলাম তুহিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মামুন, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাকিম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাস্টার শফিকুল আলম, সহকোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর মো. জাহাঙ্গির আলম, নুরুল আলম নুরু, আহসানুল হক হিরু, রফিকুল ইসলাম তোতা, মো. ফিরোজ খান, মো. মহিউদ্দিন, মো. শাহীন। এছাড়াও ২৬ জন সহ-সম্পাদক, ১৭ জন সম্মানিত সদস্য ও ৫২ জন কার্যরকী সদস্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দোকানে স্কুলছাত্রীসহ নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন এবং হাসপাতালে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে শিশুসহ আরও ৪ জন। আজ বুধবার সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ও স্থানীয় হামিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। নিহতদের মধ্যে একজন স্কুলছাত্রী আছে। তার নাম আনিকা (১২)। সে নগরীর নওদাপাড়ার ভাড়ালিপাড়া এলাকার রুস্তমের মেয়ে এবং শাহ মখদুম স্কুলের ছাত্রী। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলে নিহত অপর দুইজন হলেন শাহ মখদুম থানার মোড় এলাকার ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন পিংকু (২৪) ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে সবুজ ইসলাম (৩২)। তারা দুজন ডিসের লাইনের কাজ করতেন। শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মিতু নামের অপর এক স্কুলছাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নগরীর শাহ মখদুম থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান, বুধবার বেলা ১১ টার দিকে এ্যারো বেঙ্গল নামের একটি যাত্রীবাহী বাস রাজশাহী থেকে নওগাঁর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছিল। পথে নওদাপাড়া এলাকায় এসে পৌঁছালে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কায় দেয়। এরপর লাবিবা লাইব্রেরির মধ্যে ঢুকে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স নামের অপর একটি দোকান। এতে করে স্কুলছাত্রীসহ তিনজন নিহত এবং অন্তত ৪ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ সেখানে পৌঁছে বাসটি দোকান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। তবে এ ঘটনার পর বাস চালক ও হেলপার পলাতক আছে। ঘটনার পর নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা।
ভোলার মনপুরার মেঘনায় দুই ট্রলারডুবি- নিখোঁজ ৬
অনলাইন ডেস্ক: ভোলার মনপুরার মেঘনায় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে দুটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ৬ জেলে নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারে মেঘনায় ট্রলারে অভিযান পরিচালনা করছে মালিকপক্ষ। মঙ্গলবার মনপুরার ভাসানচর সংলগ্ন মেঘনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রলার দুটির মালিক হলেন বাছেদ মাঝি ও নোমান মাঝি।নিখোঁজ জেলেরা হলেন, বাছেদ মাঝি, রিপন, রাসেল, শামীম, জাকির, জান্টু। এদের সবার বাড়ি ভোলা সদর ইউনিয়নের কাচিয়া গ্রামে। এরা সবাই বাছেদ মাঝির ট্রলারে ছিলেন। নোমান মাঝির ট্রলারে সব জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন আড়তদার বাবুল মাতাব্বর। নিখোঁজ জেলেদের আড়তদার খালেক মাষ্টার জানান, ভাসানচর সংলগ্ন মেঘনার শেষ প্রান্তে ইলিশ শিকারের সময় প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে ডুবে যায় বাছেদ মাঝির ট্রলার। এতে দুই জেলে সাঁতরে উঠতে পারলেও ছয় জেলে নিখোঁজ রয়েছে । নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মনপুরা থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফোরকান আলী জানান, ট্রলার ডুবির ঘটনা আড়তদাররা জানায়নি। আমি শুনেছি। এ ব্যাপারে কোস্টগার্ডের দক্ষিণ জোনের অপারেশন অফিসার লে.কমান্ডার নুরুজ্জামান শেখ জানান, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের একটি টিম কাজ করছে।
আজ ১৫ আগস্ট বাঙালি ও বাংলাদেশের শোকের দিন
অনলাইন ডেস্ক: বাঙালি ও বাংলাদেশের শোকের দিন আজ। শোকাবহ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস আজ। ইতিহাসের মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫-এর এই কালো দিনটিতেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, আবহমান বাংলা ও বাঙালির আরাধ্য পুরুষ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের প্ররোচনায় মানবতার দুশমন, ঘৃণ্য ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। আর সেই থেকে ১৫ই আগস্ট এলেই কেঁদে ওঠে বাঙালি জাতির হৃদয়। প্রতি বছর ১৫ই আগষ্ট এই দিনে জাতির পিতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে শ্যামনগরে পালিত হলো জাতীয় শোক দিবস। জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ পালন উপলক্ষ্যে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ্যে থেকে নেওয়া হয় নানা উদ্দোগ। সকাল ৮ টায় উপজেলা প্রশাসন চত্বর থেকে বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী বৃন্দ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলিগ সহ অন্যান্য অংঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী বৃন্দ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ আপামর জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বিশাল শোক র্যালী বের করা হয়। র্যালী শেষে উপজেলা প্রশাসন হলরূমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরূজজামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি সুজন সরকার, শ্যামনগর থানার ওসি তদন্ত জিয়াউর রহমান,শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আতাউল হক দোলন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নূরজাহান পারভীন ঝর্ণা প্রমূখ।
সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জেলায় নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুর, সাতক্ষীরা ও সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আরও ৩ জন নিহত হয়েছে। সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গাজীপুর: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সালনা এলাকায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষে রাজু (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত রাজু শেরপুর সদর থানার দিঘলপাড়া এলাকার ওমর আলীর ছেলে। আজ মঙ্গলবার সকালে নাওজোর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. অহিদুজ্জামান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সালনা এলাকায় ঢাকাগামী একটি ট্রাকের পেছনে অপর আরেকটি ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এতে পেছনের ট্রাকে কেবিনেটে থাকা রাজু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ও ট্রাকটি জব্দ করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ট্রাকচাপায় তিথি মনি স্বর্ণকার (১২) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। এসময় ট্রাক ভাঙচুর ও চালককে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে চালককে পুলিশের জিম্মায় নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন আশাশুনি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ সানা। নিহত তিথি মনি স্বর্ণকার উপজেলার কাটাখালি গ্রামের পরিমল স্বর্ণকারের মেয়ে। সে বদরতলা হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বদরতলা-হাজীপুর সড়কের হাজীপুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, আজ সকালে তিথি স্কুলে যাওয়ার সময় সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটি ভাঙচুর ও চালককে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে আশাশুনি থানার এসআই প্রদীপ সানা ঘটনাস্থলে গিয়ে চালককে তাদের হেফাজতে নিতে চাইলে তাকেও লাঞ্ছিত করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে চালককে আটক করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাফফারা তাসনীন ও তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক খাদে পড়ে শামছুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের দুবলার বিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শামছুল ইসলাম একই ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হামিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, বালু ব্যবসায়ী শামছুল ট্রাকে বালু নিয়ে ঘাটিনা এলাকা থেকে মাটিকোড়ায় আসছিলেন। পথে দুবলার বিল এলাকায় এসে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি উল্টে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের ওপরে থাকা শামছুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার দিয়ানাতুল হক দিনার গণমাধ্যমকে জানান, খাদে পানি রয়েছে। ট্রাকের নিচে পানিতে আর কেউ আটকা পড়েছেন কিনা খুঁজে দেখা হচ্ছে।
ছাত্রলীগের মার খেয়ে ২৯ ঘণ্টা পর পুলিশের মামলা
অনলাইন ডেস্ক: উল্টোপথে মোটর সাইকেল ধরে ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাওয়ার ২৯ ঘণ্টা পর থানায় মামলা করলো ট্রাফিক পুলিশ। গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় সার্জেন্ট মাজহারুল আলম বাদী হয়ে পুলিশের কাজে বাধাদান, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে কোতোয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জানান, এজাহারে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের ধরতে রাতেই অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। ওসি বলেন হামলাকারীরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। তবে তারা ছাত্রলীগের কোনো পদে আছে কি না তা নিশ্চত হওয়া যায়নি। ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে রোববার দুপুর দেড়টায় নগরীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট মোড়ে সিটি কলেজের সামনে থেকে উল্টোপথে মোটর সাইকেলে আসছিল এক যুবক। উল্টোপথে হেলমেট ছাড়া আসা ওই যুবকের নাম মেহেরাজ। তাকে থামাতে গিয়ে কনস্টেবল মামুন মিয়া হামলার শিকার হন। মেহেরাজ মুহূর্তে তার বড় ভাইদের ডেকে এনে ওই কনস্টেবলের উপর হামলা করে। তাদের হামলা থেকে নিজেকে রক্ষায় দৌড়ে পুলিশ বক্সে আশ্রয় নেন ওই কনস্টেবল। একপর্যায়ে তারা নিউমার্কেট মোড়ের পুলিশ বক্সে হামলা করে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের রক্ষায় এগিয়ে আসে কোতোয়ালী থানা পুলিশের টহল দল। এ সময় তারা তাদের উপরও হামলা করে। বেপরোয়া হামলায় আহত হন সার্জেন্ট মাজহারুল আলম, কনস্টেবল মামুন মিয়াসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য। জানা যায়, হামলাকারীরা সবাই সিটি কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হওয়ায় পুলিশ তাৎক্ষণিক কোন অ্যাকশনে যায়নি। হামলাকারীদের একজনকে আটক করা হলেও তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মককর্তাদের জানালে তারাও নির্বিকার থাকেন। এ নিয়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করে। এ প্রেক্ষাপটে গতকাল দুপুরের পর থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে মাঠে নামে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশের উপর হামলাকারীদের পরিচয় জানিয়ে তাদের নাম-ঠিকানা দেয় পুলিশকে। হামলাকারীদের মধ্যে মেহেরাজ, আদর, এনাম, বরেন উদ্দিনসহ ছয়জনের নাম পেয়েছে পুলিশ। নিউমার্কেট এলাকায় থাকায় একটি সিসিটিভি ফুটেজ থেকেও ঘটনায় জড়িতদের ছবি সংগ্রহ করে পুলিশ। শীর্ষ নিউজ
বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ চালক নিহত নাটোরে
অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের গুরুদাসপুরে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাসের চালক নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরো অন্তত ১৫ জন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বনপাড়া-হাটিকমরুল মহাসড়কের কাছিকাটা টোলপ্লাজার এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাসচালকের নাম আজাদ হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া বলে জানা গেছে। আহতদের নাটোর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিএম শামসুন নুর ও নাটোর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোহাম্মদ মহাউদ্দিনসহ এলাকাবাসী জানান, ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস নাটোরের বনপাড়া-হাটিকমরুল মহাসড়কের কাছিকাটা টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহনের চালক আজাদ হোসেন গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
স্বামীকে হত্যা করল স্ত্রী-দেবরের সঙ্গে প্রেম
অনলাইন ডেস্ক: মাত্র ১৫ দিন আগে দুবাই থেকে দেশে ফিরেছিলেন আবুল হাসেম (৪০)। কিন্তু স্ত্রী ও চাচাতো ভাইয়ের পরকীয়ার বলি হয়ে চলে গেছেন পরপারে। স্বামীকে হত্যার কথা আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন ঘাতক স্ত্রী রুনা আকতার (২৮)। রোববার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল আলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রুনা আকতার বলেছেন, পরকীয়া প্রেমিক জাহেদের সঙ্গে নতুন ঘর বাঁধার স্বপ্নে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন তারা। রাউজান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন,রোববার দুই আসামি রুনা ও জাহেদকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদানের জন্য চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়েছিলে। দু জনেই হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামি রুনা আক্তার আদালতকে বলেছেন, শুক্রবার রাতে রুনা তার স্বামী আবুল হাসেমকে গরুর দুধের সঙ্গে দুটি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান। হাসেম ঘুমিয়ে পড়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহেদকে ঘরে ডেকে আনেন তিনি। রুনা আকতার আদালতকে আরও জানিয়েছেন, এরপর রাত ৩টার দিকে হাসেমের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি ও জাহেদ মিলে টান দেন। এর ৫ থেকে ১০ মিনিট পর জাহেদ নিজের ঘরে চলে যান। স্বামীকে হত্যার কারণ হিসেবে রুনা আদালতকে জানিয়েছেন, জাহেদ প্রতিশ্রতি দিয়েছিলে হাসেমকে মেরে ফেললে সে বিয়ে করবে। তাই নতুন করে বিয়ে করে সংসার করার আশায় হাসেমকে হত্যা করা হয়। এসআই সাইমুল বলেন,দেবর জাহেদের সঙ্গে নিহতের স্ত্রী রুনার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। গত ১৫ দিন আগে আবুল হাসেম দুবাই থেকে আসেন। স্বামী আসায় দু জনের মেলামেশায় বাধার সৃষ্টি হয়। এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল রোববার নিহত আবুল হাসেমের লাশ দাফন করা হয়েছে। এর আগে এই ঘটনায় শনিবার রাতে নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের স্ত্রী রুনা আকতার ও তার পরকীয়া প্রেমিক জাহেদুল ইসলাম জাহেদকে আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৩ বছর আগে নিহত আবুল হাশেমের সঙ্গে ফটিকছড়ি উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের ছগির আহমেদের মেয়ে রুনা আকতারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আবুল হাসেম দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে গত ১৫ দিন আগে দেশে ফিরেছেন। এদিকে আবুল হাসেম প্রবাসে থাকার সময় রুনার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে নিহতের চাচাতো ভাই জাহেদের। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার পারিবারিকভাবে কথাবার্তাও হয়। আবুল হাসেম বিদেশ থেকে ফেরার পরও বিষয়টি দৃশ্যমান থাকায় তিনি তা মেনে নিতে পারছিলেন না। এ নিয়ে আবুল হাসেমের সঙ্গে তার স্ত্রী রুনার প্রায়ই ঝগড়া হতো।

সারা দেশ পাতার আরো খবর