বুধবার, জানুয়ারী ২০, ২০২১
সালিশ মিমাংসা করতে গিয়ে প্রধান আসামী হলেন শাহাদাত সরদার
০৮আগস্ট,শনিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: কালকিনি উপজেলার দক্ষিন কানাইপুর গ্রামের বোরহান সরদার ও স্বজল সরদারের সঙ্গে গত মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) আনুমানিক সাড়ে ১২টায় পূর্ব শত্রুতার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫টি বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনসহ যুবলীগ নেতা মোঃ শাহাদাত সরদার উভয় পক্ষের মধ্যে সালিস মিমাংসার জন্য এগিয়ে আসলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রদান আসামী করে ২৪জনের বিরুদ্ধে আকলিমা বেগম (৪০) নামের এক নারী কালকিনি থানায় ওই দিনে একটি ঘর পোড়া মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গত বুধবার (৫ আগষ্ট) গভীর রাতে ওই সমন্বয়কারীসহ ৩ জনকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন থানা পুলিশ। তবে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় সাধারন জনগন। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, কালকিনি উপজেলার দক্ষিন কানাইপুর গ্রামের বোরহান সরদারের সঙ্গে একই গ্রামের স্বজল সরদারের দীর্ঘদিন থেকে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উভয় পক্ষের লোকজন নিয়ে সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এসময় গিয়াসউদ্দিন, জামাল রাঢ়ী, বাদশা সরদার ও হারুন সরদারসহ উভয় পক্ষের ৫টি বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় মাতুব্বর ও যুবলীগ নেতা মোঃ শাহাদাত সরদার উভয় পক্ষের মাঝে শালিস মিমাংসার জন্য এগিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শালিস মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারীসহ ২৪ জনকে আসামী করে আকলিমা বেগম (৪০) নামের এক নারী বাদী হয়ে কালকিনি থানায় একটি ঘর পোড়া মামলা দায়ের করেন। পরদিন রাতে মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহাদাত হোসেন সরদার ও তাহার ভাই সেলিম সরদার ও তাহার চাচা আবুবকর সরদারকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন কালকিনি থানা পুলিশ । এ আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সাধারন জনগন। এদিকে এ বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে চড়ম উত্তেজনা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শাহাদাত সরদারের সমর্থক গোষ্ঠীর এক নেতা বলেন, গ্রেফতারের ঘটনায় আমি বিস্মিত হয়েছি। যুবলীগের এই নেতা আসন্ন কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছিলেন। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুকের অনুসারী। সরদার মো. শাহাদাত হোসেন বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করছেন। যুবক শ্রেণীর কাছে তার একটা জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রবাসী এই নেতা অর্জিত টাকা খরচ করছেন, কেউ এখনো তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তুলতে পারেননি। কিন্তুু দক্ষিন কানাইপুর গ্রামে বাড়িঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় শাহাদাত সরদারের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় মামলা রুজু মাত্রই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় শাহাদাত সরদারের সমর্থক গোষ্ঠী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয় একজন শিক্ষক বলেন, শালিস জদি মামলার আসামী হয়ে আটক হয় তাহলে কোন লোক ভাল কাজ করার জন্য এগিয়ে আসবেনা। আসলে এটা একটা দুঃখ জনক ঘটনা। মামলার আসামী ও সালিশ মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহাদাত সরদার বলেন, আমি এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সালিস মিমাংসা করতে আসি। তাই আমাকে আজ আসামী হতে হয়েছে। আসলে এটা একটা রাজনৈতীক ষরযন্ত্র বলে আমি মনে করি। আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এ ষরযন্ত্র করা হয়েছে। এ বিষয়ে কালকিনি থানার ওসি মোঃ নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, ঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় শাহাদাত সরদারসহ ২৪জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা হয়েছে। তাই তাকে সহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় নিহত ৬
০৮আগস্ট,শনিবার,ইসমা আরা জুলি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় শ্যালোইঞ্জিনচালিত আলমসাধু ও পাখিভ্যানের ছয় যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন। হতাহতরা সবাই দিনমজুর। শনিবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার খাড়াগোদা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মিলন হোসেন (৪০), তিতুদহ গ্রামের আব্দুর রহিম মণ্ডলের ছেলে শরীফ উদ্দিন (৩০), একই গ্রামের পিয়ত আলীর ছেলে রাজু আহমেদ (৪৫), তাহাজ্জত হোসেনের ছেলে সোহাগ আলী (২৫), হায়দার আলীর ছেলে কালু মণ্ডল (৪০) ও বসু ভাণ্ডারদহ গ্রামের নিতাই চন্দ্রের ছেলে ষষ্ঠী চন্দ্র (৪৫)। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে বাবলুর রহমান, তিতুদহ গ্রামের খোদারত মণ্ডলের ছেলে আকাশ আলী, যুগিরহুদা গ্রামের নাঈম আহমেদ ও সরোজগঞ্জ বাজারের আলমগীর হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-২১৬১) শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে ছাড়ে। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসটি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়। এ সময় বাসটি প্রথমে একটি আলমসাধু, পাখিভ্যান, মোটরসাইকেল এবং পরে আরও একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ভ্যানের দুই যাত্রী ও পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও চারজন মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন। চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আবদুস সালাম বলেন, আমরা সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাই। অন্যদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে হাসপাতালে নিলে আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। এছাড়া রাজশাহী নেয়ার পথে আরও একজন মারা যান। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, হতাহতরা সবাই আলমসাধু ও নসিমনের যাত্রী। তারা সবাই দিনমজুর। তিনি আরও বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক লীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
০৭আগস্ট,শুক্রবার,মো.ইসমাইল,গাইবান্ধাপ্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু’র নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহায়তায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগ দৈব দূর্বিপাকে অসহায় দুস্থ বিপন্ন মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে। শান্তি প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের সেবার ব্রত নিয়ে অসহায় দুস্থ বিপন্ন মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা আশিষ কুমার মজুমদার, নাফিউল করিম নাফা, নাজমুল ইসলাম লিটন, হারুন অর রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, মির্জা মুরশেদুল আলম মিলন, গাইবান্ধা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু এবং ফুলছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এরআগে, গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া, সুন্দরগঞ্জে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ। লালমনিরহাটের খুনিয়াগাছ, কালমাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বন্যা দুর্গত বানবাসী অসহায় মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তাও দেয় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার রাতে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহর দেওয়া আদেশের কপি, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টসসহ টেকনাফ মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়। মোহাম্মদ ফারুক নামে আদালতের একজন বাহককে দিয়ে বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আদালতের পরোয়ানার আদেশসহ অন্যান্য কাগজপত্র টেকনাফ মডেল থানায় পৌঁছানো হয়। জানা গেছে, মেজর সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলাটি আদালতের আদেশ মতে টেকনাফ মডেল থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলাটি রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মো. মোস্তফা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা আগের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার হয়ে এখন পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন। টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক তামান্না ফারাহর দেওয়া আদেশ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করায় মামলাটি এখন তদন্তের জন্য টেকনাফ মডেল থানা থেকে Rab-15 এর কাছে পাঠাতে হবে। Rab-15 মামলাটি তদন্ত করে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রাশেদ খানের বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার সকালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মেজর সিনহার সঙ্গী ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে সাংবাদিক আবেদ মাহমুদ স্মরণে প্রেস ক্লাবের শোকসভা
০৫আগস্ট,বুধবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক দৈনিক আজকের সুনামগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং আর টিভির স্টাফ রিপোর্টার আবেদ মাহমুদ চৌধুরী স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৫ আগস্ট) রাতে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে এ শোকসভা হয়। সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে'র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তারেক ও বিন্দু তালুকদারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক একে এম মহিম। পরে আবেদ মাহমুদ চৌধুরী 'র বড় ভাই খালেদ মাহমুদ চৌধুরী'র কাছে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক বার্তা হস্তান্তর সহ -সভাপতি ও কালের কণ্ঠে'র জেলা প্রতিনিধি শামস শামীম ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তারেক। পরে আবেদ মাহমুদকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কলামিস্ট অ্যাডভোকেট হোসেন তওফিক চৌধুরী, , দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ রেজা চৌধুরী, জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আইনুল ইসলাম বাবলু, আবেদ মাহমুদ চৌধুরী'র বড় ভাই খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, এনাম আহমদ, খলিল রহমান, এমরানুল হক চৌধুরী, দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, আবেদ মাহমুদ চৌধুরী একজন ভাল সাংবাদিক ছিলেন। সব সময় সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন। তিনি শুধু সাংবাদিক ছিলেন না সমাজ সেবক হিসেবেও তার অনেক নাম ছিল। তিনি সর্বশেষ সুনামগঞ্জ শহরের বুলচান্দ হাই স্কুলের গর্ভনিংবডির সভাপতি ছিলেন। তিনি বিগত প্রায় ২৫ বছর যাবৎ সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন। কিন্তু তার অকাল প্রয়ানে সুনামগঞ্জের মিডিয়া অঙ্গনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সকল বক্তারা এ সময় প্রতিশ্রুতি দেন প্রয়াত আবেদ মাহমুদের পরিবারের পাশে থাকার। উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই হৃদয় রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় মারা যান। তিনি সর্বশেষ সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
শংখনদীর ভাঙ্গনে হুমকির মুখে ধোপাছড়ী
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। শংখনদীর ভাঙ্গনে হুমকির মুখে ধোপাছড়ী খালের শংখকূলের অংশ। এদিকে, শংখ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে পানি উন্নয়নের শংখ নদী বাঁধ রক্ষার বাঁধ। অন্যদিকে, ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে নদীর তীরবর্তী জনপদ। এছাড়া, ধোপাছড়ীর বিভিন্ন অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলি জমি। ঝুঁকিতে রয়েছে স্কুল ভবন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। পানিতে তলিয়ে গেছে বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলী জমি। পানি উন্নয়ন র্বোড বলছে, ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের চিন্তা করা হচ্ছে। ধোপাছড়ীতে শংখনদীর ভাঙন তীব্র হয়ে ওঠেছে। প্রতিদিনই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, গাছপালা, ফসলি জমি।
কক্সবাজারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত: তদন্ত কমিটির কাজ শুরু
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ রোডে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজানুর রহমান কক্সবাজারে এসে পৌঁছলে বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে এক সমন্বয় সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয়। মুঠোফোনে তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান জানান, এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত করা হবে। তবে তিনি তদন্ত কমিটির কাজের বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পুনর্গঠিত এই তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এই কমিটিতে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডারের মনোনীত একজন প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে রয়েছে। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শকের মনোনীত অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাকির হোসেন। এর আগে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাং শাজাহান আলিকে এই তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছিল। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে ধরলায় ঝাঁপ দিয়ে তরুণের আত্মহত্যা
০৩আগস্ট,সোমবার,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদের দাওয়াত খেতে শ্বশুর বাড়ী যাওয়ার পথে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে সেতুর ওপর থেকে ধরলা নদীতে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণ। রোববার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় শেখ হাসিনা ধরলা সেতুতে। ওই তরুণের নাম জোবায়ের আলম জয় (২২)। তিনি ফুলবাড়ী আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চন্দ্রখানা কলেজপাড়ার বসবাসকারী আমীর হোসেনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলা হারাটি এলাকায় দুপুরে স্ত্রীসহ অটোবাইক যোগে শ্বশুড়বাড়ি যাচ্ছিলেন। অটোবাইকটি ধরলা সেতুর মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছিলে স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আকস্মিকভাবে অটো থেকে নেমে দৌড় দেন জয়। এ সময় স্ত্রী তাকে আটকানোর জন্য চিৎকার করেন। লোকজন বুঝে ওঠার আগেই সেতুর রেলিংয়ের উপর উঠে যান জয় । চোখের সামনে লাফ দিয়ে ধরলার গভীর পানিতে ডুবে যান জয়। তীব্র স্রোতের কারণে সঙ্গে সঙ্গে তিনি তলিয়ে যান। এই দৃশ্য দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়েন স্ত্রী শিউলি বেগম। পরে পরিবারের লোকজন এসে তাকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ও নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। দীর্ঘক্ষণ অভিযান চালিয়ে বেলা ৩টার দিকে জয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয় । ফুলবাড়ী থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, যদিও নদীর গভীরতা ও স্রোত বেশি তারপরও পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ প্রচেষ্টায় খুব দ্রুত মরদেহ উদ্ধার করা গেছে।
টেকনাফ চেকপোস্টের সকল পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
০২আগস্ট,রবিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে শামলাপুর চেকপোস্ট পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়ার ঘটনায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জসহ সকল পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তাদের প্রত্যাহার করে কক্সবাজার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবি এম মাসুদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলিকে আহ্বায়ক করে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এ কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন কক্সবাজার জেলার একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডারের একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি। পুলিশ সুপার এবি এম মাসুদ হোসেন জানান, অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। ঘটনার তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার করা পুলিশ সদস্যদের ইতিমধ্যে কক্সবাজার পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নতুন করে আরও ২০ পুলিশ সদস্যকে বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।