ফণীর প্রভাবে সারাদেশে নিহত ১৩
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে এরই মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনা অঞ্চল এবং এদের পাশ্ববর্তী এলাকায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি।এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় ভারতের ওড়িশায় আঘাত হেনে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে সেখানকার উপকূল এলাকা পুরী, গোপালপুরসহ বিভিন্ন জনপদ।এরপর কলকাতায় আঘাত হানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি। সেখান থেকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হয় ফণী। তবে এরই মধ্যে এর গতি অনেকটা কমে গেছে। ওড়িশায় আঘাত হানার সময় এর গতি ছিল ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২১০ কিলোমিটার।আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কি. মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে শুক্রবার রাত থেকেই ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব পড়তে থাকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। এরই মধ্যে পটুয়াখালী, বরগুনায় বাধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে অনেক গ্রাম।আর সারাদেশে বজ্রপাত ও ঝড়ের তাণ্ডবে ঘর চাপা পড়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত হয়েছে অন্তত ১৩ জন।এর মধ্যে নোয়াখালীতে ঘর চাপা পড়ে ১ জন নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন অন্তত ৩০।বরগুনার পাথরঘাটায় খলিফার হাটে ঘর চাপা পরে ২ জন নিহত হয়েছেন।বাগেরহাটের থানপুরে গাছের ডাল পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার দরুণ বজ্রপাতে কিশোরগঞ্জে ৬, নেত্রকোণায় ২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বরগুনার পাথরঘাটায় দাদি ও নাতির মৃত্যু
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ঘরচাপা পড়ে দাদি ও নাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি বাধঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- দাদি নূরজাহান (৬০) ও নাতি জাহিদুল (৮)। আর আহত হলেন- মোহাম্মদ ইউনুস।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন মিয়া জানান, চরদুয়ানি বাধঘাটা এলাকায় মৃত আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া তার পরিবার নিয়ে বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যা থেকে পাথরঘাটা উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়ায় প্রভাব শুরু হলে রাত ২টার দিকে হঠাৎ ফণী টর্নেডোর রুপ নিলে ৫০টির মতো ঘর ভেঙ্গে পড়ে যায়। এ সময় চাপা পড়ে ইব্রাহিমের মা নূরজাহান ও ছেলে জাহিদুল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী ঘরের মোহাম্মদ ইউনুস গুরুতর আহত হন।স্থানীয় সিপিপি টিম লিডার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, তাদেরকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বললেও তারা তাদের কথা গুরুত্ব না দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নোয়াখালীতে নিহত ১
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:নোয়াখালীর সদর ও উপকূলীয় উপজেলা সূর্বণচরে ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।শনিবার ভোর রাতে সুবর্ণচরে ঝড়ে ঘরের মধ্যে চাপা পড়ে চর আমানউল্লাপুর ইউনিয়নে এক শিশু নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। বিষয়টি জানান স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়রা। নিহত শিশুর নাম ইসমাইল হোসেন (২)। তার পিতার নাম আবদুর রহমান।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এখনো ঝড়ো বাতাস বইছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।ইতিমধ্যে দেশের দুই সমুদ্রবন্দর মোংলা ও পায়রা বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে বজ্রপাতে কিশোরগঞ্জ জেলার তিন উপজেলায় এক শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ১ জন ও নেত্রকোনায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রপাতে দিনে মারা গেছে ৬ জন
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে একই দিনে মারা গেছে ছয়জন। আজ শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার পাকুন্দিয়ায় তিনজন, মিঠামইনে দুইজন ও ইটনায় একজন নিহত হয়েছেন।নিহতরা হলেন, পাকুন্দিয়ার আসাদ মিয়া(৪৫), মুজিবুর রহমান(৩৫) নুরুন নাহার(৩২), মিঠামইনের মহিউদ্দিন(২২), সুমন মিয়া (৭) এবং ইটনার রুবেল দাস (২৬)।পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামে আসাদ মিয়া নামে এক কৃষক নিজ বাড়ির সামনের জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আসাদ মিয়া নিহত হন। নিহত আসাদ মিয়া কোষাকান্দা গ্রামের মৃত আয়েছ আলীর ছেলে।ওসি ইলিয়াস আরো জানান, বিকেল সাড়ে চারটায় পাকুন্দিয়ার চর পাড়াদি ইউনিয়নের চর আলগি গ্রামে বজ্রপাতের শিকার হয়ে মুজিবুর রহমান এবং নুরুন নাহার মারা যান। মুজিবুর মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে ধান ভাঙাতে যাওয়ার সময় বৃষ্টির মুখে পড়ে গাছতলায় আশ্রয় নিয়েছিলেন নুরুন নাহার। বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।দুপুর একটার দিকে মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের হাওরে বৃষ্টিপাতের মধ্যে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন মিয়া নামে সাত বছরের এক শিশু নিহত হয়। এ সময় শিশুটির আনতে যাওয়া ষাঁড় বাছুরটিও বজ্রপাতে মারা যায়। এছাড়া বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের নিকটবর্তী হাওরের জমিতে বোরো ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মহিউদ্দিন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রাব্বানী জানান, নিহত সুমন মিয়া উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে এবং নিহত মহিউদ্দিন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে।ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রাম সংলগ্ন হাওরে রুবেল দাস (২৬) নামে এক যুবক জমিতে ধান কাটা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আচমকা বৃষ্টিপাত শুরু হয় এবং সংঘটিত বজ্রপাতে রুবেল দাস গুরুতর আহত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রুবেল দাস কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে।
বিদ্যুতের ফাঁদে প্রাণ গেল মা-মেয়ে-নাতনীর
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রংপুরে চুরি ঠেকাতে ছাদের রেলিংয়ে দেয়া বিদ্যুৎ সংযোগে স্পৃষ্টে হয়ে শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩ মে) বেলা সোয়া ১টায় রংপুর মহানগরীর চারতলা মোড় বনানীপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাড়ির মালিককে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, নগরীর বনানীপাড়ায় এলাকায় ৩ তলা ভবনের ছাদে র‌্যালিংয়ে কাপড় শুকাতে যান ভাড়াটিয়া তানিয়া। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে চিৎকার দেন তিনি। পরে তার শিশুকন্যা তাজমিয়া মাকে স্পর্শ করলে সেও বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়। তাদের দু’জনকে বাঁচাতে তানিয়ার মা তাজমহল বেগম এগিয়ে গেলে একইভাবে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হন তিনি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাদের উদ্ধার রংপুর মেডিকেলে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। চুরি ঠেকাতে ছাদের র‌্যালিংয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক সৈয়দ আলীকে আটক করেছে পুলিশ।রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএমও ডা. দেবব্রত কুমার রায় বলেন, হাসপাতালে আনার পর তাদেরকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। তিনজন ছিল যার মধ্যে দুইজন নারী ও একজন শিশু। রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট মারা যাওয়ার ঘটনায় আমাদের তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় বাড়ির মালিককে আমরা আটক করা হয়েছে।
রাজশাহীর বাঘায় বাস-নসিমন সংঘর্ষে নিহত ৩
০২ মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীর বাঘায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে বাঘা-রাজশাহী সড়কের মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বাঘা থেকে রাজশাহীগামী রজনীগন্ধা-সিরাজগঞ্জ-ব-০৫ নামের যাত্রীবাহী বাস মীরগঞ্জ মোড়ে ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- বাঘা উপজেলার ছাতারী গ্রামের শমসের আলীর ছেলে আবু হানিফ (২৩), মনিগ্রাম বান্দাবটতলা গ্রামের মুনছার আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪৫) ও হরিরামপুর দাঁড়পাড়া গ্রামের নিয়াত আলীর স্ত্রী বাদলা বেগম (৪২)। নিহতরা সবাই রজনীগন্ধা বাসের যাত্রী ছিলেন। আহতরা হলেন- ছাতারী গ্রামের সজল আলী, নারায়ণপুর গ্রামের কার্তক হালদার, চকনারায়ণপুর গ্রামের প্রসান্ত কুমার, চকছাতারী গ্রামের শরিফুল ইসলাম, হেলালপুর গ্রামের লালন উদ্দিন, চকছাতারী গ্রামের জিল্লুর রহমান, লালপুর ঘোষপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন। তাদের বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১৩ যাত্রীকে চারঘাট ও রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। বাসচালক বাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকার নুরুল হক নামের এক যুবক। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাসের যাত্রী মনিহারপুর গ্রামের রাহাদুল ইসলাম বলেন, একটি ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। তবে অল্পের জন্য আমি বেঁচে গেছি। মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী নবী বিশ্বাস বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির বাইরে আসি। এ সময় একটি বাস ভটভটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাঘা স্ট্যান্ডের বাস মাস্টার আবদুল হক বলেন, বাসটি ৩৫ যাত্রী নিয়ে সকাল ৫টা ৪৫ মিটিটে বাঘা বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়। সকাল ৬টার দিকে মনিগ্রাম ইউনিয়নের মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকায় পৌঁছলে ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। মনিগ্রাম ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। বাঘা থানার ওসি মহসীন আলী ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা জানার পরপর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা,স্বামী আটক
০১মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সোহেলী বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে নন্দলালপুর এলাকায় এঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ গোপালগঞ্জ জেলার তিলছড়া গ্রামের ভ্যানচালক সিরাজ সিকদারের মেয়ে ও রাব্বির স্ত্রী। নিহতের পরিবার জানায়, সোহেলী ও রাব্বি মিয়া নন্দলালপুর এলাকায় অবস্থিত প্রাইম টেক্সটাইলের শ্রমিক। তারা নন্দলালপুর হানিফ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বিয়ের পর থেকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। রাতে কোনও এক সময় সোহেলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাব্বি। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের গলায় ও গালে আঘাতের দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রথমে মারধর করে পরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী রাব্বি মিয়াকে আটক করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে নববধূকে ধর্ষণ
০১মে ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চিকিৎসার নামে ভণ্ডপীর আ. মজিদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে জনৈক নববধূ (২০)। খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই নববধূকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই ভণ্ডপীরের ছেলে শাহদত হোসেনকে (৩০) আটক করেছে। তবে এ ঘটনার নায়ক ভণ্ডপীর আ. মজিদ (৫০) পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পৌরসভাধীন হবিপুর গ্রামের সম্প্রতি বিয়ে হওয়া জনৈক নববধূকে (২০) পাশের বাড়ির ভণ্ডপীর আ. মজিদ ভূঁইয়া চিকিৎসার নামে একাধিকবার ধর্ষণ করে। বিষয়টি ওই নববধূ প্রথম দিকে লোকলজ্জার ভয়ে চেপে গেলেও পরবর্তীতে তার স্বামী ও শাশুড়িকে জানায়। এর পর ধর্ষণের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে আ. মজিদ ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ধনবাড়ী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. হাই বলেন, বিষয়টি আপসযোগ্য না হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে। ধনবাড়ী থানার ওসি খান হাসান মোস্তফা জানান, পলাতক আ. মজিদকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর