মঙ্গলবার, মার্চ ৯, ২০২১
গ্রামবাসীর জন্য কলেজ ছাত্রদের কাঠের সেতু তৈরি
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,মাকসুদুর রহমান,হিলি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় দিনাজপুরের হিলিতে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্ররা। এমন অবস্থায় নিজেরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ও গ্রামের মানুষের সহযোগীতায় গ্রামবাসীর জন্য ২৫০ফিট লম্বা একটি কাঁঠের সেতু তৈরি করেছেন ছাত্ররা। সেতু হওয়ায় নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারায় কয়েক গ্রামের মানুষ খুশি। স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণের দাবী ছাত্র ও গ্রামবাসীদের। হিলির আলিহাট ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামে তুলশিগঙ্গা নদীর উপরে ছাত্ররা এই কাঠের সেতু নির্মাণ করেন। হিলির আলিহাট ইউনিয়নের শেষ প্রান্তের গ্রাম কাশিয়াডাঙ্গা। পার্শ্বেই রয়েছে একই ইউনিয়নের বাশমুড়ি গ্রাম। দুই গ্রামের মাঝে সংযোগ স্থলে রয়েছে তুলশিগঙ্গা নদী যেখানে দীর্ঘদিনেও ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় দুটি গ্রামের ৩০ হাজার মানুষজনকে পানি কাদা ভেঙ্গে কিংবা অনেক দুর দিয়ে ঘুরে বিপরীত সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করতে হতো। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো মানুষকে। কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের প্রবীন ব্যাক্তি আব্দুল করিম বলেন, সেই দাদার আমল থেকে শুনে আসছি এখানে ব্রীজ হবে হবে। ব্রীজ হতে হতে ৭০ থেকে ৮০ থেকে দাদারা বিদায় নিয়ে চলে গেলো। এর পর আমার বাবারা আসলো উনিও বললো ব্রীজ হবে এখানে এই এমপি না হয় ওই এমপি এটা করতে করতে বহুদিন এযাবৎ আসছে আর যাচ্ছে এমন কথা শুনতে শুনতে বাবাও চলে গেলো। এর পর আমরাও শুনে আসছি কিন্তু আজো এখানে ব্রীজ হচ্ছেনা। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী কষ্টভোগ করছি, ব্রিটিশ আমলে কাঠের সেতু দিলেও সেটিও নষ্ট হয়ে যায় যার কারনে বহুত কষ্ট। কখনও চাড়িত করে পার হয়, কখনও কলার গাছের ভোর দিয়েসহ বিভিন্নভাবে পার হয়ে খুব কষ্ট করে চলাচল করি যা আজো করতেই আছি। স্থানীয় এলাকাবাসী সিদ্দিক হোসেন ও রহিমা বিবি বলেন, আগে নদী ভরা ছিলো, কোন নৌকা ছিলনা, মানুষের অনেক অসুবিধা হচ্ছিল, নদী পারাপার হতে পারছিলনা যারকারনে তাদের যাতায়াতে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। একইভাবে পার্শ্বের গ্রামে স্কুল মাদ্রাসা থাকায় বন্যা হলে ছেলে মেয়েদের স্কুল মাদ্রাসায় যেতে খুব সমস্যা হতো। ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি কোন লোকজন এখানে আসেনা কোন ব্রীজ হয়না। কেউ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে যে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাবো তাও সম্ভব হচ্ছিলনা। এখন কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের ছেলেরা যারা বিভিন্ন স্থানে পড়ালেখা করতো তারা উদ্যোগ নিয়ে গ্রামের মানুষের সহযোগীতায় সেখানে একটি কাঠের সেতু নির্মান করেছে এতে করে অত্র অঞ্চলের রোগী নিয়ে যাওয়াসহ জনগনের যাতায়াতের অনেক সুবিধা হয়েছে। এছাড়া আগে আমরা খুব বিপদগ্রস্থ অবস্থার মধ্যে ছিলাম, এখনও যে ব্রীজের দুই পার্শ্বে সড়কে কাঁদা রয়েছে চেয়ারম্যান মেম্বার কেউ তা দেখেনা। ব্রীজ নির্মানের উদ্যোক্তা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত নাসির উদ্দিন, নাসির উল্লাহ ও চীনে অধ্যায়নরত আনাছ আহমেদ জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘ ৬মাসের মতো সময় ধরে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। যার কারনে আমরা যারা এই গ্রামের ছেলেরা বাহিরে পড়ালেখা করতাম সকলেই ছুটি পেয়ে বাড়িতে বসে ছিলাম। আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুনে আসছিলাম আমাদের এই গ্রামের তুলশিগঙ্গা নদীর উপরে ব্রীজ নির্মান হবে হচ্ছে কিন্তু তারপরেও হয়না। এমন অবস্থায় আমরা উদ্যোগ নেয় এখানে একটি ব্রীজ নির্মান করতে পারলে আমাদের এলাকাবাসীর অনেক উপকার হবে। আমরা শুরুতেই গ্রামবাসী বিত্তবান থেকে শুরু করে সকলের কাছে গিয়েছি সহযোগীতা চেয়েছি। তারা আমাদের অর্থ দিয়ে বুদ্ধি দিয়ে গাছ দিয়ে সহযোগীতা করেছে। এই ব্রীজটি নির্মান করতে আমাদের ২৫০টির মতো গাছের গুড়ি লেগেছে, এর সাথে কাঠ দিয়ে আমরা দীর্ঘ ৪৫দিন ধরে কাজ করে সেখানে একটি কাঠের ব্রীজ নির্মান করতে সক্ষম হয়। তবে এই ব্রীজটি যেহেতু ক্ষনস্থায়ী তাই উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নিকট দাবী এখানে যেন একটি স্থায়ী ব্রীজ নির্মান করা হয়। হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, হিলির কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামে যে নদী রয়েছে সেখানে দীর্ঘদিন ধরেই ব্রীজ নেই। যার কারনে মানুষজন অনেক কষ্ট করে যাতায়াত করতো। কিন্তুু করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় ওই এলাকার ছেলেরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন মানুষজনের সহযোগীতায় একটি কাঠের সেতু নির্মান করেছেন। এটি আসলেই একটি সুন্দর উদ্যোগ, এমন উদ্যোগকে সাধুবাধ জানাই। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সেই সকল যুবকদের ও ব্রীজ করতে যারা সহযোগীতা করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে অতিসত্বর এমপি মহোদয় আমাদের কথা দিয়েছেন ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে, আমরা আশা করছি অচিরেই সেখানে একটি স্থায়ী ব্রীজ স্থাপন করা হবে এলজিইডির মাধ্যমে।
নোয়াখালী পৌরসভার দুটি রাস্তার সংস্কার শুরু
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,মল্লিক উদ্দিন,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালী পৌরসভার ৩ ও ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের ২টি রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে কোদাল ধরে মাটি কেটে এ কাজের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদ উল্লাহ খান সোহেল। পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর ফকিরপুর এলাকার চাইল্ড কেয়ার সড়কটি দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারের অভাবে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে এলাকাবাসীর। তাই প্রায় ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সড়কটি পাকাকরণে উদ্যোগ নেয়া হয়। এছাড়াও দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর ৩নং ওয়ার্ডের প্রেট্রোল পাম্প থেকে এম এ রশিদ স্কুলের সামনের সড়কের কাজও শুরু হয়। এ সময়ে রাস্তার প্রস্থ ১০ ফিট থেকে ১৬ ফিটে উন্নীত করা হয়। পৌর মেয়র শহীদ উল্লাহ খান সোহেল বলেন, নোয়াখালী পৌরসভার প্রতিটি এলাকার সমানভাবে উন্নয়ন করা হচ্ছে। তাই যেখানেই কোন সমস্যা দেখা দিবে সেখানেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে জনসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হবে। এ সময় তিনি আরও কিছু উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন এবং সড়কগুলো ভালো মানে কাজ করার জন্য পৌর প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন। এ সময় নোয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুর রহমান মঞ্জু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কমিশনার আজাদ চৌধুরী, মহিলা কমিশনার লিলি রহমান, কমিশার আহসান হাবীব হাসান, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল আলম মঞ্জু, আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন টোকনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পটিয়ার আলমদার পাড়া শাহ্ জব্বারিয়া ব্লাড ব্যাংকর উদ্বোধন
৩১আগস্ট,সোমবার,পটিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের আলমদারপাড়া শাহ জব্বারিয়া ব্লাড ব্যাংক গত ৩০ আগস্ট (রবিবার) উদ্বোধন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে থ্যালাসেমিয়া রোগের প্রতিরোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। রাশেদ ফারুক আলমদারের সভাপতিত্বে ও শাখাওয়াত হোসেন রিয়াজের পরিচালনায় আলমদারপাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের সভাপতি কাজী জসীম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক মাকসুদ আলমদার, মাওলানা আবদুর রহিম, আবদুল গফুর, ইসমাইল চৌধুরী, রহমত উল্লাহ চৌধুরী, আরিফ উদ্দিন নয়ন, আলমগীর ইসলাম বাবু, হোসেন আলমদার, সাহেদুল ইসলাম মনির, রেজাউল হাসান রেজা, লোকমান হাকিম ফরমান, সায়েম মাহমুদ, কাজী জসীম উদ্দিন, কাজী জনি, কাজী সিরাজ, হাসান চৌধুরী, কাজী রিফাত, কাজী নাঈম, মো. আতাউল্লাহ, ইমন আলমদার, কাজী হেলাল,মো. হৃদয়। চট্টগ্রাম টেরিবাজার ব্লাড ব্যাং পরিবারের সহযোগিতায় ৪০০ লোকের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।
নড়াইলে সুলতান চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
৩১আগস্ট,সোমবার,মো.উসমান গনি,নড়াইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: এস এম সুলতান বেঙ্গল চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ার এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আনজুমান আরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, কলেজ অধ্যক্ষ অনাদী বৈরাগী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য শেখ হানিফসহ শিক্ষক-কর্মচারীরা। চারতলা ভীত বিশিষ্ট ভবনটি প্রায় ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রথম পর্যায়ে একতলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। দীর্ঘ ১০ বছর পর মহাবিদ্যালয়টি এবার এমপিওভুক্ত হয়েছে। বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের নামে ২০০৯ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভালুকায় সরকারি রাস্তা কেটে দখলের অভিযোগ
৩০আগস্ট,রবিবার,মামুন সরকার,ভালুকা,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহের ভালুকায় সরকারি হালটের রাস্তা কেটে ধান ক্ষেত রোপণ করে দখলের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়াগাঁও নামক এলাকায়। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় ২০টি পরিবার। এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিগণের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা পায়নি ভুক্তভোগীরা। জানা যায়, উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়াগাঁও নামক এলাকায় মৃত আব্দুস ছাত্তার ওরফে সন্নত আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামসহ কয়েকটি পরিবার দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে ওই এলাকায় থাকেন। উপজেলা সদর বা বাজারে যাওয়ার তাদের এটাই একমাত্র রাস্তা। গত মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে আব্দুল করিম, তার ছেলে বাদল মিয়া, পল্লী চিকিৎসক মজিবুর রহমান তাদের লোকজন নিয়ে চলাচলের ওই রাস্তাটি কেটে ধান ক্ষেত রোপণ করে দেয়। এ সময় সাইদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিনসহ কয়েকজন রাস্তা কাটতে বাঁধা দিলে বাদল মিয়া তাদের নানা রকম হুমকি প্রদান করেন। ভুক্তভোগী সাইদুল ইসলাম জানান, আমাদের বাড়ির চলাচলের এটাই একমাত্র রাস্তা। এটি বিআরএস রেকর্ডে সরকারি রাস্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে আমরা ৩ পুরুষ চলাচল করছি। এই সড়ক বাদে চলাচলের আমাদের আর কোনও রাস্তাও নেই। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েও কোনো প্রকার সমাধান পাইনি। ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিন নামের এক অটোরিকশা চালক জানান, অটোরিকশা চালিয়ে আমি আমার পরিবারের সকলের জীবিকা নির্বাহ করি। রাস্তাটি কেটে ফেলার পর অটোরিকশা নিয়ে বাড়িতে যেতে পারি না। মানুষের দোকানে চার্জ দিয়ে কোনো মতে অটো চালাচ্ছি। রাস্তাটি বন্ধ হওয়াতে আমি খুব বিপদে পড়ে গেছি। অভিযুক্ত বাদল মিয়া জানান, এটা আমাদের পুরাতন বাড়ির রাস্তা, আমরা এখন ওই বাড়িতে থাকি না। তাই রাস্তা কেটে ফেলেছি। অভিযুক্ত বাদল সাবেক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। স্থানীয় ইউপি সদস্য বুলবুল ইসলাম জানান, রাস্তাটি দিয়ে বহু বছর যাবৎ মানুষ চলাচল করে। রাস্তা কাটাতে তাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি। কিন্তু সমাধান হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোন পাইনি। অভিযোগ পেলে তদস্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাদক, ইভটিজিং, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে চন্দনাইশের নতুন ওসির জিরো টলারেন্স
৩০আগস্ট,রবিবার,চন্দনাইশ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চন্দনাইশ থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. নাছির উদ্দিন সরকার বলেছেন, মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিষয়ে আমার নীতি জিরো টলারেন্স। মাদকের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইজিপি মহোদয় ও ডিআইজি মহোদয়ের নিকট হতে আগে থেকে জিরো টলারেন্সের নির্দেশনা দেয়া আছে। যতদিন চন্দনাইশে থাকব তত দিন চেষ্টা করে যাব এ এলাকার মানুষকে ভাল রাখার। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আমার কাছে কোন খারাপ মানুষের স্থান হবে না। এ এলাকার মানুষকে ভাল রাখতে সাধারন মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আমার থানা এলাকার সড়ক মহাসড়কে কাউকে যানজট সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। সড়ক মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি করে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকর কাজ সহ্য করা হবেনা। শনিবার সকাল ১১টার সময় চন্দনাইশ থানার তার দপ্তরে চন্দনাইশের বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও অন লাইন পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিক ও দোহাজারী প্রেস ক্লাবের সদস্যদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চন্দনাইশ প্রেস ক্লাব সভাপতি মাষ্টার নুরুল আলম (আমাদের নতুন সময়), দোহাজারী প্রেস ক্লাব সভাপতি এম. এ. রাজ্জাক রাজ (আলোকিত বাংলাদেশ), সাধারন সম্পাদক এস.এম. নাসির উদ্দিন বাবলু (আমাদের সময়), সাতকানিয়া প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক ও দোহাজারী প্রেস ক্লাবের সদস্য মো. জাহেদ হোসাইন (সুপ্রভাত বাংলাদেশ/দি নিউ এইজ/সিভয়েস), আজগর আলী সেলিম (জাগো বাংলাদেশ), এম. এ. মহসিন (দৈনিক ইনকিলাব), আবু তোরাব চৌধুরী (দৈনিক ইত্তেফাক), আবদুল গফুর রব্বানী (আলোকিত দোহাজারী), গোপাল ঘোষ মানিক (দৈনিক খবর), কামরুদ্দিন (মানব জমিন), মোহাম্মদ রোবেল (সকালের সময়) ও মোহাম্মদ শুভ (দিন প্রতিদিন) প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় চন্দনাইশ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মজনু মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
বেনাপোলে সোয়া ৬ কোটি টাকার স্বর্ণসহ নারী আটক
২৯আগস্ট,শনিবার,এম.জাবেদ,যশোর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৯ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ৫৭টি সোনার বারসহ বানেছা খাতুন (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আটক বানেছা ওই গ্রামের দুঃখে মিয়ার স্ত্রী। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্বর্ণের বারসহ তাকে আটক করা হয়। ভারত সীমান্ত সংলগ্ন বাড়ি হওয়ায় ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণসহ মাদক পাচারের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় সাদিপুর গ্রামের বানেছা নামে এক নারী স্বর্ণ পাচারকারী বিপুল পরিমাণ সোনার একটি চালান ভারতে পাচার করবে। এমন খবরে বেনাপোল বিজিবি কোম্পানী সদরের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে উক্ত স্বর্ণের বারসহ বানেছাকে হাতেনাতে আটক করা করে। যশোর ৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানান, আটককৃতকে স্বর্ণ পাচারের মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রাজশাহীতে আনসার-আল ইসলামের সদস্য গ্রেফতার
২৮আগস্ট,শুক্রবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল ইসলামের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে Rab। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত ১০টার দিকে জেলার পুঠিয়া উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে Rab এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন (২৪) খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার পলাশপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। Rab-5 এর জনসংযোগ দপ্তর থেকে ই-মেইলে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী Rab এর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি দল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে জেলার পুঠিয়া উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইসমাইলকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে সাতটি উগ্রবাদী বই ও একটি লিফলেট উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সকালে তার বিরুদ্ধে পুঠিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
রাজবাড়ীতে বটম ক্লিন রেসওয়ে পদ্ধতিতে হচ্ছে মাছ চাষ
২৬আগস্ট,বুধবার,মো.ইমামুল হোসেন,রাজবাড়ী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অল্প জমিতে বেশি উৎপাদনের লক্ষ্যে রাজবাড়ীতে বটম ক্লিন রেসওয়ে পদ্ধতিতে করা হচ্ছে মাছ চাষ। এ পদ্ধতিতে স্বাভাবিকের চেয়ে চার গুণ বেশি মাছ উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বটম ক্লিন রেসওয়ে পদ্ধতি। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে পরামর্শ নিতে আসছেন নতুন উদ্যোক্তারা। রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র শেখ মো. নিজাম, রিয়াজউদ্দিনপাড়ায় ২৫০ বিঘা জমিতে তৈরি করেছেন গোয়ালন্দ হ্যাচারি অ্যান্ড ফিশারিজ। এতদিন সনাতন পদ্ধতিতে এখানে মাছ চাষ করেছেন তিনি। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এক বন্ধুর পরামর্শ নিয়ে এখানে সংযোজন করেন মাছ চাষের আধুনিক ও নতুন এক পদ্ধতি, যার নাম বটম ক্লিন রেসওয়ে। এ পদ্ধতিতে পুকুরের তলদেশে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার হবে। আবার রেসওয়ে মাধ্যমে তৈরি হবে অক্সিজেন, যা মাছকে দ্রুত বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। পরীক্ষামূলকভাবে একটি পুকুরে চাষ করে লাভবান হওয়ায় আরো তিনটি পুকুরে এ পদ্ধতিতে শুরু করেছেন মাছ চাষ। গত সোমবার সকালে গোয়ালন্দ উপজেলার রিয়াজউদ্দিনপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। পৃথকভাবে প্রত্যেকটি পুকুরের যত্ন নিচ্ছেন শ্রমিকরা। কেউ খাবার দিচ্ছেন আবার কেউ রেসওয়ে মেশিন পরিচালনা করছেন। এ সময় গোয়ালন্দ ফিশারিজ ও হ্যাচারির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা মো. নুরুল ইসলাম জানান, সনাতন পদ্ধতিতে মাছ চাষে লোকসানের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আধুনিক এ পদ্ধতিতে লাভের সম্ভাবনা শতভাগ। বর্তমানে কার্পজাতীয় মাছের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির, টেংরা, শিং, বাইন ও পাবদা মাছের চাষ করা হচ্ছে এখানে। আর মাছের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সার্বক্ষণিক নজরদারি। এখানে প্রতিটি পুকুরের জন্য আলাদাভাবে শ্রমিক নিয়োগ করা আছে। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ১০০ শ্রমিক কাজ করেন এখানে। এদিকে গোয়ালন্দ ফিশারিজ অ্যান্ড গোয়ালন্দ হ্যাচারিকে গোয়ালন্দ এগ্রি ট্যুরিজম হিসেবে রূপ দিতে চলমান রয়েছে কাজ। এ কাজের দায়িত্বে থাকা কুদ্দুস আলম জানান, গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়রের ইচ্ছা শুধু ব্যবসা নয়। পাশাপাশি এলাকার মানুষকে বিনোদন দেয়া। মানুষ যাতে একটু ভালো পরিবেশে হাঁটাচলা করতে পারে, দূর থেকে মানুষ এসে একটু বিনোদন উপভোগ করতে পারে, সেজন্যই গোয়ালন্দ ফিশারিজকে গোয়ালন্দ এগ্রি ট্যুরিজম হিসেবে রূপ দেয়ার কাজ চলছে। এছাড়া গোয়ালন্দ ফিশারিজের নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করায় এলাকার শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র ও গোয়ালন্দ ফিশারিজ অ্যান্ড হ্যাচারির মালিক শেখ মো. নিজাম বলেন, রিয়াজউদ্দিনপাড়ার ২৫০ বিঘা জমিতে আমাদের হ্যাচারি ও ফিশারির ব্যবসা চলছিল। ফিশারিজ সেক্টরের পরিবর্তন আনতে আমি প্রথমে ১০০ শতাংশের একটি পুকুরে বটম ক্লিন রেসওয়ে পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করি। পুকুর তৈরিতে একটু বেশি খরচ হলেও সেটি করতে হয় একবারই। তবে এ পদ্ধতিতে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। সফলতা পাওয়ায় আমি এখন চারটি পুকুরে এ পদ্ধতি অবলম্বন করছি। এতে মেশিনের সাহায্যে পুকুরের তলদেশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করছি। আবার পানির উপরে রেসওয়ে পদ্ধতির কারণে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন তৈরি হচ্ছে, যে কারণে মাছের বৃদ্ধি হচ্ছে দ্রুত। তিনি আরো বলেন, গোয়ালন্দ ফিশারিজকে আমি এগ্রো ট্যুরিজম সেন্টারে রূপ দেব। সেই জন্য এখানে সাড়ে চার কিলোমিটার এলাকায় রাবার বট গাছ লাগানো হয়েছে। এখানে সড়কের দুই পাশে থাকবে দৃষ্টিনন্দন ফুলের গাছ। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে বয়স্করা হাঁটার সুযোগ পাবেন। থাকবে বসার ব্যবস্থা ও ক্যান্টিন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর