পৃথক বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফে নিহত ৩
৩১মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে কথিত পৃথক বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নারীসহ তিন ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোররাতে সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার মৌলভীবাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ও একই উপজেলার দমদমিয়া নাফনদীর ওমরখাল এলাকায় বিজিবির সঙ্গে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল ৬টিএলজি বন্দুক, ২০ হাজার পিস ইয়াবা ও ১৮টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ ও বিজিবি। নিহত ইয়াবা কারবারিরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলী আকবর পাড়া এলাকার মিয়া হোসনের ছেলে মাহামুদুর রহমান (২৮) ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আফছার (২৫) এবং লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/৬ ব্লকের বদরুল ইসলামের স্ত্রী রুমানা আকতার (২০)। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একদল ইয়াবা কারবারি বিক্রির জন্য একত্রিত হচ্ছে এমন খবর পেয়ে রোববার রাতে টেকনাফ উপজেলার মৌলভীবাজার এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ঠোড়ে। এভাবে প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি চালায়। বেশ কিছুক্ষণ গুলি চালানোর পর ইয়াবা কারবারিরা পিছু হঠলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ দুইটি দেহ পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক কক্সবাজার রেফার করেন। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ দুইটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় টেকনাফ থানা পুলিশের একজন এসআইসহ তিন সদস্য আহত হয়েছে। এরা হলেন এস আই দীপক বিশ্বাস, সহকারি উপ-পরিদর্শক এএসআই আমির ও কনেষ্টবল শরিফুল। তাদের টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ ৫/৬টি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি। অপরদিকে, টেকনাফ ২নং বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানিয়েছেন, রোববার ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া ওমরখাল নাফনদী এলাকায় টহলে বের হন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির) সদস্যরা। এ সময় কিছু লোক মিয়ানমার থেকে ওমরখাল পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় থামার জন্য সংকেত দেয়। কিন্তু, বিজিবির সংকেত অমান্য করে উল্টো বিজিবির টহলদলের উপর অতর্কিতভাবে গুলি বর্ষণ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এতে বিজিবি টহলদলের একজন সদস্য আহত হয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবি টহলদল কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ১০-১৫ মিনিট গুলি বিনিময় চলে। অস্ত্রধারী চোরাকারবারীরা গুলি করতে করতে খালের কিনারা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলির শব্দ থামার পর ভোরের আলোতে টহলদলের সদস্যরা এলাকা তল্লাশী করে এক জন নারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নৌকার মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে। পরে স্থানীয়রা তাকে রোহিঙ্গা নারী বলে সনাক্ত করে। এ সময় ১০ হাজার পিস ইযাবা ও ৩টি লোহার ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহটি টেকনাফ থানার মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক বন্ধ,বাস খাদে পড়ে নিহত ৮
২৮মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুরে মাহফিলের যাত্রীবাহী বাস খাদে পরে ৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, ফরিদপুরের চন্দ্রপাড়া এলাকায় মাহফিল শেষে মাদারীপুর সদরের ভাংগ্রাবীজ এলাকায় ফিরছিলেন মুসল্লিরা। সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি বাসকে সাইড দিতে গিয়ে খাদে পড়ে যায় মাহফিলের যাত্রীবহনকারী বাসটি। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৭ জন নিহত হয়। আহত হয় অন্তত অর্ধশত। খবর পেয়ে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত্যু হয়েছে আরো একজনের। এ ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালাদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। দুর্ঘটনায় ৭জন নিহত হলেও এর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি। মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মেডিকেলে অফিসার অখিল সরকার নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বললেন ভিসি
২৭মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলার প্রতিবাদে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নিয়ে ভিসির ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন তারা। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। এছাড়া ক্লাস-পরীক্ষাও বর্জন করেছে তারা। একইসঙ্গে দাবি না মানা পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা থেকে বিরত থাকারও ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বক্তব্য প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছে আন্দোলনরতরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইমামুল হক স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নানা কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও ফুল দেয়া ছাড়া আর কোনো অনুষ্ঠানে (মধ্যাহ্নভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান) শিক্ষার্থীদের রাখা হয়নি। এর প্রতিবাদ করা হলে শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলেন ভিসি। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়। তার ধারাবাহিকতায় ভিসির ওই উক্তি প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।-আলোকিত বাংলাদেশ
কক্সবাজারে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৪
২৭মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি বন্দকযুদ্ধে দুজন করে চারজন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। বাকি দুজন জলদস্যু বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দাবি করেছে। এর মধ্যে আজ বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার খারাংখালী এলাকায় বিজিবির সঙ্গে রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ীদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এরপর সেখান থেকে দুজনের মরদেহ ও এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। এর ঠিক আধা ঘণ্টা পর ভোর ৫টার দিকে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ঘাট এলাকায় Rabর সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এরপর সেখান থেকে দুজনের মরদেহ এবং দেশীয় তৈরি আটটি বন্দুক ও ২৬টি গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহত জলদস্যুদের পরিচয় জানাতে পারেনি Rab। টেকনাফে বিজিবির ২ নম্বর ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানিয়েছেন, ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে খারাংখালী নাফ নদ সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দুজন ব্যক্তি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় কর্তব্যরত বিজিবির সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। এ ঘটনায় মিয়ানমারের দুজন রোহিঙ্গা নাগরিক ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। পরে তল্লাশি চালিয়ে এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। দুটি মরদেহ টেকনাফ থানা পুলিশের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে বিজিবি বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে একটি মামলার প্রক্রিয়া করছে বলে জানিয়েছেন শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার। Rab-15 কক্সবাজার কার্যালয়ের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে Rabর একটি দল পেকুয়া উপজেলার মগনামা এলাকায় অভিযানে যায়। ভোর ৫টার দিকে একটি জলদস্যু বাহিনীকে ধাওয়া করলে Rab কে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে জলদস্যুরা। Rab আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।RAb-জলদস্যু গোলাগুলির একপর্যায়ে জলদস্যুরা পিছু হটে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় তৈরি আটটি বন্দুক ও ২৬টি গুলিসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজন জলদস্যুকে পাওয়া যায়। তাদের উদ্ধার করে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পেকুয়া থানা পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত জলদস্যুদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ব্রাশফায়ারে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ নিহত ৫ রাঙামাটিতে
১৮মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে বাঘাইছড়ির নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। সোমবার সন্ধ্যার দিকে নয়মাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীরর সদস্য(ভিডিপি) মো. আল আমিন, বিলকিস (৩৫), মিহির কান্তি দত্ত ও কিশালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আমির হোসেন। রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাঘাইছড়ির কংলাক থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে পাঁচজন নিহত হন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন গুলিবিদ্ধ আছেন। আহতদের বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।
নরসিংদীতে মা-মেয়েকে গণধর্ষণ
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় মহাসড়কে বিকল হয়ে যাওয়া বাস থেকে মা ও মেয়েকে ফুসলিয়ে অন্য বাসে তুলে দেয়ার কথা বলে আটকে রেখে গণধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সৃষ্টিঘর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও আব্দুল বারেকের ছেলে শফিককে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৃষ্টিঘর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মা ও মেয়েকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার বিকেলে ঢাকা থেকে বাসে করে ধর্ষণের শিকার মা ও মেয়ে হবিগঞ্জ যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৃষ্টিঘর বাসস্ট্যান্ডের অদূরে বাসটি বিকল হয়ে যায়। এসময় গ্রেপ্তার দেলোয়ার ও শফিক মা ও মেয়েকে অন্য বাসে তুলে দেয়ার কথা বলে স্থানীয় একটি জুটমিলের পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে আলাদা দুটি কক্ষে আটকে রেখে মা ও মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। এসময় মা ও মেয়ের চিৎকারে আসামিরা পালিয়ে যায়। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মা বাদী হয়ে ছয়জনের নামে মামলা করেছেন। পরে পুলিশ রাতেই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুন মামলায় হাইকোর্টের দেয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে প্রধান চার আসামি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। রোববার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় দণ্ডিত আসামিদের পক্ষে পৃথক আপিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবীরা। আপিলকারীরা হলেন, Rab-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক মোহাম্মদ সাঈদ, সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন, লে. কমান্ডার (চাকরিচ্যুত) এম মাসুদ রানা, সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা নূর হোসেন। তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানা ও নূর হোসেনের পক্ষে আইনজীবী হলেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার, মাহবুবুর রহমান, এসএম শাহজাহান ও এসএম লুৎফুর রহমান আকন্দ। আর আরিফ হোসেনের পক্ষে রয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহান। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপর একই বছরের ২২ জানুয়ারি নিম্ন আদালত থেকে ডেথ রেফারেন্স তথা মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদনের জন্য পূর্ণাঙ্গ রায়সহ যাবতীয় নথি পাঠানো হয় হাইকোর্টে। পরে কারাবন্দি আসামিরা পর্যায়ক্রমে আপিল করেন। এ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট গতবছর ২২ আগস্ট রায় দেন। রায়ে ১৫ জনকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ১১ জনকে নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের সাজার পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া নিম্ন আদালতে ৯ জনকে দেয়া বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডের রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট। নিম্ন আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও কারাবন্দি আসামিপক্ষের করা আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ মামলায় রায় ঘোষণা করে। গত বছর ১৯ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তখনকার কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটন, তাজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন ও নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর এবং অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিমকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল আলাদা অভিযোগপত্র দেয়। দুই মামলারই অভিযোগপত্রে অভিন্ন আসামি উল্লেখ করা হয়।
নিপা ভাইরাসে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর জন্য নিপা ভাইরাসকে দায়ী করেছেন গবেষকরা। উপজেলার ভান্ডারদহ নয়াবাড়ি গ্রামের এলাকায় গবেষক দলের সরেজমিন তদন্ত এবং রোগের নমুনা পরীক্ষার পর রোববার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে। রোববার আইইডিসিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোগের কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, মৃত ব্যক্তিদের সকলের জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি ও মস্তিষ্কে ইনফেকশনের (এনসেফালাইটিস) উপসর্গ ছিল। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে একজনের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয় এবং উক্ত নমুনায় নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপরোক্ত আউটব্রেক ইনভেস্টিগেশনে প্রথম মৃত ব্যক্তির খেঁজুরের কাঁচা রস পান করার সুনির্দিষ্ট ইতিহাস না পাওয়া গেলেও অন্যান্য মৃত ব্যক্তিগণ প্রথম মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছিল বলে আইইডিসিআর ধারণা করছে। এছাড়া জীবিত সন্দেহাভাজন রোগীদের রক্তে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি না পেলেও বিভিন্ন সময়ে মৃত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নিপা ভাইরাস রোধে আইইডিসিআর সবাইকে খেঁজুরের কাঁচা রস পান না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের নিপা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা (মাস্ক ও গ্লাভস পরে) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সেবাদানের পরামর্শ দিয়েছে। আইইইডসিআর, আইসিডিডিআর,বি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত একটি দল ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি মরিচপাড়া গ্রাম ও হাসপাতালগুলোতে তদন্ত চালিয়েছিল। নয়াবাড়ি গ্রামে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে বাবা-মা ও দু সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল। এদের মধ্যে ৯ ফেব্রুয়ারি ফজর আলীর ছেলে তাহের আলী (৫৫) মারা যান। এ ঘটনার ১১ দিন পর ২০ ফেব্রুয়ারি একইভাবে মারা যান জামাতা হাবিবুর রহমান (৩৫) এবং পরের দিন মারা যান তাহের আলীর স্ত্রী হোসনে আরা (৪৫)। এর দু দিন পর ২৪ ফেব্রুয়ারি তার দুই ছেলে ইউসুফ আলী (৩০) ও মেহেদী হাসানও (২৪) মারা যান। মৃতদের বাড়ি থেকে আশপাশের এক কিলোমিটারে জনসাধারণের চলাচলে নিষেদজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন, অজ্ঞাত রোগের আতঙ্কে বন্ধ করে দেওয়া হয় দুটি বিদ্যালয়।
গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত
২মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গণপিটুনিতে এক ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ২টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের প্রতিরাজপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দীন ফারুকী জানান, শুক্রবার রাত ২টার দিকে মুলাডুলি ইউনিয়নের প্রতিরাজপুরে আওয়ামী লীগ নেতা তারা মালিথার বাড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সদস্যরা। বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করে একজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল উপস্থিত হয়ে আহতাবস্থায় ওই ডাকাতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর