মঞ্চ ভেঙ্গে পড়ে গেলেন আহমদ শফী
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী নারায়ণগঞ্জে ইসলামী মহাসম্মেলনের মঞ্চ ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেছেন। এ সময় মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনিও নিচে পড়ে যান। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভাঙা মঞ্চেই তারা আবার আলোচনা শুরু করেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্য নেতারা। ঘটনাস্থলে ছিলেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, মঞ্চ ভেঙে গেলেও কেউ গুরুতর আহত হননি। প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়, আহমদ শফী বিকাল চারটার আগে মঞ্চে ওঠেন। এ সময় আসরের নামাজের বিরতি দিলে বাহিরের ঈদগাহ মাঠে জায়গা না হওয়ায় অনেকে মঞ্চে উঠে নামাজ আদায় করে। কিন্তু পরবর্তীতে কেউ আর মঞ্চ থেকে নামেন নাই। ফলে কিছুক্ষণ পরই অতিরিক্ত ভারে মঞ্চটি ভেঙে পড়ে। এ সময় আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্যরা পড়ে যান। পরবর্তীতে আহমদ শফির বক্তব্যের মাধ্যমেই মাহফিলের কার্যক্রম শেষ হয়।- একুশে টেলিভিশন
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে টাকা আদায়,ডিবি পুলিশের ৭ সদস্যকে বরখাস্ত
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসায়ীকে ধরে হ্যান্ডকাপ পড়ানো হয়। চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। হুমকি দেয়া হয় হত্যার। ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করে ডিবি পুলিশ। টাকা আদায় করে তবেই ছেড়ে দেয়া হয় ওই ব্যবসায়ীকে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জড়িতদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ ঢাকা জেলার ডিবি পুলিশের সাত সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সর্দার জানান, একজন ব্যবসায়ীকে হয়রানি করার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। বরখাস্তকৃতরা হচ্ছে, ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক এবং পাঁচজন কনস্টেবল রয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সূত্রাপুর থানাধীন লালকুঠি নৌকাঘাট থেকে সোহেল আটক করা হয়। পাঁচ-ছয় জন ব্যক্তি নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে হাতকড়া পড়িয়ে, চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সোহেলের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এসময় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং মামলার ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দেয়া হয় সোহেলকে। একপর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে তাদের কথামতো টাকা দিতে রাজি হয় সোহেল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বসিলা ব্রিজের কাছাকাছি একটি স্থানে সোহেলের স্ত্রীর কাছ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। এরপর এ ব্যাপারে গতকাল সোহেল ঢাকা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে তদন্ত করা হচ্ছে।সূত্রে মানবজমিন
গোপালগঞ্জে মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের শাখা গঠন
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমাজের অসহায়, অসুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে পুলিশের অহংকার ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় গঠন করা হয় একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবা মূলক সংগঠন মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যে ফাউন্ডেশনের তিনটি বিভাগীয় শাখা, চৌদ্দটি জেলা শাখা ও বাইশটি উপজেলা শাখা গঠন করে অসহায় ও অসুস্থ মানুষের কল্যাণে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের গোপালগঞ্জ জেলা শাখা গঠন করা হলো। মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নাট্যনির্মাতা জি.এম সৈকতের স্বাক্ষরিত ফাউন্ডেশনের প্যাডে সাত সদস্যের নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভাপতি- নাাট্যনির্মাতা ও অভিনেতা আকাশ রঞ্জন, সহ-সভাপতি সংগীত শিল্পী এ্যাডঃ দয়াল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক- নাট্যব্যবস্থাপক অসীম সরকার, অর্থ সম্পাদক- অভিনেত্রী দিপান্বীতা রায়, নির্বাহী সদস্য- এ্যডঃ কামাল হোসেন, সাংবাদিক শেখ মোস্তফা জামান ও ব্যবসায়ী মোঃ মনির শরিফ। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জি.এম সৈকত বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র হাবিবুর রহমান স্যারের অনুপ্রেরণায় মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। সর্বক্ষেত্রে স্যারের উপদেশ ও নির্দেশনা নিয়ে আমরা কাজ করে চলেছি। গোপালগঞ্জ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্রীয় কমিটির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
কে আমাদের খাবার দিবে? আমাদের যে আর কিছুই রইলো না
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নাছিম আহম্মেদ,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: কে আমাদের ওষুধ কিনে দিবে? কে আমাদের খাবার দিবে? আমাদের যে আর কিছুই রইলো না। আমাদের ছেলের লাশটা যেন তাড়াতাড়ি দেশে আনা হয় এজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই। এই আহাজারি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের আউলাতৈল গ্রামের আল আমিনের বাবা বাবা ফরহাদ আলী ও মা খাতু বেগমের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় আল আমিনের বাবা-মা। দুই ভাই-বোনের মধ্যে আল আমিন ছিলেন ছোট। পাঁচ বছর আগে স্থানীয় আউলিয়াবাদ গ্রামের বাবুলের মেয়ে বিলকিসকে বিয়ে করেন তিনি। অভাবের সংসারের হাল ধরতে প্রায় এক যুগ আগে সৌদি আরবের জেদ্দায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে প্রথমে আল ওয়ান কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন আল আমিন। পরবর্তীতে তিন বছর আগে সেখান থেকে জেদ্দার ইয়ামামা নামের একটি ক্লিনিং কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে যোগ দেন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার দুপুরে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে জেদ্দার হাইআল সামির এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে একটি বড় লরি ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান আল আমিন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসার কথা ছিল তার। সরেজমিনে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন অসুস্থ বাবা ফরহাদ আলী ও মা খাতু বেগম। ছেলেকে দেখার আকাঙ্ক্ষায় তাদের আহাজারি যেন কিছুতেই থামছে না। এলাকার শত শত নারী পুরুষ ছুটে এসেছেন তাদের সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। আল আমিনের স্ত্রী বিলকিস বেগম বলেন, বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তার সাথে আমার শেষ কথা হয়। পরে বিকালেই তার মৃত্যুর খবর শুনতে পাই। আমাদের কোনও সন্তান নেই এখন আমি কি নিয়ে বাঁচব। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, আল আমিন অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে হারিয়ে পরিবারটি এখন দিশেহারা। সরকার যেন এ পরিবারটির দিকে নজর দেন। আর তার লাশটি যেন দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।
গোপালগঞ্জে ইউপি সদস্যের গুলিতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আব্দুল লতিফ,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোপালগঞ্জে সাবেক এক ইউপি সদস্যের গুলিতে রনি হাওলাদার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বনগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় দু-পক্ষের সংঘর্ষের সময় রনি নিহত হয়। নিহত রনি ওই এলাকার আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে। আগামি ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় বলাকইড় আজাহারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তার অংশ নেয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় শেখ বংশের নতুন শেখকে ৪ থেকে দিন আগে মোল্লা বংশের রহিম মোল্লা ও ভুলু মোল্লা মারধর করে। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে নতুন শেখ রহিম মোল্লাকে মারধর করলে দুই বংশের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় সাবেক ইউপি মেম্বার আজিজুর শেখ গুলি ছুড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রনি হাওলাদার ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মোল্লা বংশের ইউসুফ মোল্লা ও সাবেক ইউপি মেম্বার শেখ বংশের আজিজুর শেখের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ৪ থেকে ৫ দিন আগে শেখ বংশের নতুন শেখকে মোল্লা বংশের রহিম মোল্লা ও ভুলু মোল্লা মারপিট করে। এ ঘটনার জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন শেখ রহিম মোল্লাকে মারধর করে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংষর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় সময় করপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আজিজুর শেখ গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে রনি হাওলাদার ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মামলাবাজ সিন্ডিকেটের ভুয়া মামলায় বিপাকে সাধারণ মানুষ
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভুয়া মামলায় ফাঁসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। রোববার (২৬ জানুয়ারি) ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবার প্রতিকার চেয়ে উচ্চ আদালতে মানববন্ধন করেছেন। হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির। হয়রানিমূলক মামলা থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগী পরিবারের এই মানববন্ধন। উচ্চ আদালতে এমন প্রতিবাদ এর আগে কখনো দেখা যায়নি। ভুক্তভোগী কয়েকজনের দাবি, মামলাবাজ সিন্ডিকেটকে কয়েক লাখ টাকা দিয়েও এই চক্র থেকে মুক্তি মেলেনি। তাই সর্বোচ্চ আদালতে এই প্রতিবাদ। তারা বলেন, বিভিন্ন জেলা থেকে কোর্টে বিভিন্ন মামলা দেয়া হচ্ছে। বাদী সাক্ষীকে চেনে না, সাক্ষী বাদীকে চেনেনা। অনেকে বলেন, এই লোকটাকে টাকা দিয়ে ৫ বছরের জন্য কিনে নিলাম। যত মামলা হবে, ৫ বছর সে জেল খাটবে। প্যাকেজ সিস্টেমে টাকা দিয়ে মানুষ কিনে নেয়। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান তারা। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা বিচার চাই। আমাদের বাবাকে আমরা বাঁচাতে চাই। আইনজীবীরা বলছেন, মামলার তদন্ত ঠিকমত হলে এবং বিচারক আরো সচেতন হলে দৌরাত্ম কমবে মামলাবাজ সিন্ডিকেটের। অ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে বলেন, মামলা নিয়ে সন্দেহ থাকলে পুলিশের উচিত মামলা গ্রহণের আগেই প্রাথমিক একটি তদন্ত করা। তদন্তের পর মামলা গ্রহণ করা উচিত। কোর্টেও পিটিশন মামলা হলে প্রাথমিক তদন্তের পর মামলা নেয়া উচিত। এ বিষয়ে বিচারবিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।somoynews.tv ।
কুতুববাগ পীরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি করা হয়েছে। চেক জালিয়াতি মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে বন্দরের এক ব্যবসায়ীর দায়েরকৃত মামলায় নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক-অঞ্চল) আদালত রোববার এ পরোয়ানা জারি করেন। পীর জাকির শাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী শহরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী মো. ফজর আলী। এদিকে পরোয়ানা জারির খবর ছড়িয়ে পড়ায় গত দুইদিন ধরে শহর ও বন্দর এলাকায় তোলপাড় চলছে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, পারস্পরিক সুসম্পর্কের সুবাদে এক সঙ্গে ব্যবসা করার লক্ষ্যে পীর জাকির শাহ ব্যবসায়ী মো. ফজর আলীকে ৮ কোটি টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১৩ সালের ১১ই র্ফেরুয়ারি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ৮ কোটি টাকা দেয়ার বিপরীতে ব্যবসায়ী মো. ফজর আলীর কাছ থেকে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা এবং ৬টি চেক গ্রহণ করেন জাকির শাহ। কিন্তু ব্যবসায়ী মো. ফজর আলী ৮ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ও চেক দিলেও তার বিপরীতে বিভিন্ন সময়ে পীর জাকির শাহ তাকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রদান করে। পরবর্তীকালে পীর জাকির শাহ জানিয়ে দেন আর কোনো টাকা দিতে পারবেন না তিনি। এরপর ব্যবসায়ী ফজর আলী ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে দেন জাকির শাহকে। ওই সময় স্ট্যাম্প ও ৩টি চেক পীর জাকির শাহ ফেরত দিলেও বাকি ৩টি চেক খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানিয়ে দেন ব্যবসায়ী ফজর আলীকে। ওই সময়ে স্ট্যাম্পের পেছনে চেক নম্বর উল্লেখ করে হারানো ৩টি চেক বাবদ কোনো দাবি-দাওয়া নেই মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন জাকির শাহ। পরবর্তীকালে খুঁজে পেলে ফেরত দেবেন বলে অঙ্গীকারও করেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন পর ব্যবসায়ী ফজর আলী জানতে পারেন- ওই চেক হারানো যায়নি এবং এগুলো নিয়ে পীর জাকির শাহ টাকা দাবি করার ষড়যন্ত্র করে আসছেন। ২০১৯ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী ফজর আলী নিজ বাড়িতে দাওয়াত দেন পীর জাকির শাহ এবং সহযোগি ইসমাইল হোসেন বাবুকে। এ সময় চেক ফেরতের বিষয়ে কথা বললে পীর জাকির শাহ ও সহযোগি বাবু ৫ কোটি টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেন। এ ঘটনায় চলতি বছরের ৭ই জানুয়ারি ব্যবসায়ী ফজর আলী বাদী হয়ে কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহ ও তার সহযোগি ইসমাইল হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ক অঞ্চল) আদালতে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। ২৬শে জানুয়ারি (রোববার) আদালত পীর জাকির শাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ভুক্তভোগী মামলার বাদী ব্যবসায়ী ফজর আলী জানান, একজন পীর হিসেবে আমি তাকে যথেষ্ট বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা করতাম। সরল বিশ্বাসে আমি কোনো টাকা না পেয়েই ৮ কোটি টাকার স্ট্যাম্প ও চেক ওনাকে দিয়েছি। পরে উনি ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়ে তিনি আর দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। তখন এই টাকায় ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য সফল হবে না বলে টাকা ফেরত দিয়ে দেয়া হয়। তিনি আমাকে স্ট্যাম্প ও ৩ কোটি টাকার ৩টি চেক ফেরত দিয়ে বাকি ৫ কোটি টাকার ৩টি চেক খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানিয়ে দেন। বন্দর এলাকায় অবস্থিত কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহর বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ায় গত দুদিন ধরে শহর ও বন্দর এলাকাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।মানবজমিন ।
মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,আমিনুল ইসলাম,মৌলভীবাজার,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌলভীবাজার শহরের সাইফুর রাহমান রোডে পিংকি সু স্টোরে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ জন নিহত হয়েছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) পরিমল দেব জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একটি পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনো কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনো পরিমাণ জানা যায়নি বলে জানান ওসি পরিমল দেব। স্থানীয়রা জানান, সুভাষ রায় নামে এক ব্যক্তি দোকানটি পরিচালনা করতেন; তার বাসাও ছিল দোকান লাগোয়া। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়। আগুনে দোকান ও বাসা দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। পরে নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যায় পুলিশ। মৌলভীবাজার ফায়ার স্টেশনের ম্যানেজার জানান, আগুনে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। সদর থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
মৌলভীবাজারে সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ৪
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,আমিনুল ইসলাম,মৌলভীবাজার,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিনজন। মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার বাউরভাগ এলাকায় কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার বাউরভাগ গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মোজাহিদুর রহমান (৩৫) ও পাবনা জেলার ইশ্বরদী গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে আল আমিন (২৫)। আহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলার উত্তর কুশিপাড়া গ্রামের মৃত মছদ্দির মিয়ার ছেলে শাহানুর রহমান (৩০), সদর উপজেলার দুগর গ্রামের মৃত রাজেন্দ্র সূত্র ধরের ছেলে নগেন্দ্র সূত্র ধর (৫০) ও একই গ্রামের মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে মো. আরমান মিয়া (৩৬)। তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৌলভীবাজার ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. শাহীন আহম্মদ নিউজ একাত্তরকে জানান, শেরপুর থেকে একটি সিএনজি যাত্রী নিয়ে মৌলভীবাজারের দিকে আসছিল। পথে বাউরভাগ এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে অটোরিকশা যাত্রী মুজাহিদুর রহমান মারা যান। আহতদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আল আমিন নামের আরও একজন মারা যান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর