ঝিনাইদহে লালনগীতি ও আঞ্চলিক গানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহে লালনগীতি ও আঞ্চলিক গানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দিনব্যাপী শহরের পবহাটিতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সৃজনী বাংলাদেশ নামের একটি সংস্থার। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৪০ জন প্রতিযোগি লালনগীতি ও আঞ্চলিক গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বুধবার সন্ধ্য্য়া সৃজনী ভবনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সৃজনী বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ড. এম হারুন-অর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুজ্জামান, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রোনকুজ্জামান রানু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি একরামুল হক লিকু, সৃজনীর সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, কন্ঠশিল্পী সোহেল রিজভী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রেডিও ঝিনুকের স্টেশন ম্যানেজার পারভীন নাহার। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাণীশংকৈলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত
ঠাকুরগাঁয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আফরিদা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক, সাবেক প্রধান শিক্ষক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আঃ হামিদ, পৌর আলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার, রাণীশংকৈল অনলাইন প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সেতাউর রহমান, উপজেলা পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল হাসান,পরিবার পরিকল্পনা সহকারী শিরিন সুলতানা, নার্গিস আক্তার প্রমুখ। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এ সময় পরিবার কল্যাণ সহকারী নাজিরা খাতুন, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রেনুকা বেগম, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক নার্গিস আক্তার, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার সাদিয়া আফরিন, ধর্মগড় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং শ্রেষ্ঠ সেবাকেন্দ্র ধর্মগড় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ধর্মগড় কে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য ধর্মগড় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র জেলা পর্যায়েও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা নিবেদন
অদ্য ১১ জুলাই সকাল ১০টায় রাঙ্গুনীয়াস্থ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে নবনির্বাচিত সভাপতি সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলম তালুকদারের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি নেতা আবদুর রহিম, নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি এড. আবদুর রশিদ দৌলতী, সহ-সভাপতি এড. মহিউদ্দিন সিকদার, যুগ্ম সম্পাদক আবদুস সবুর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ফৌজুল কবির ফজলু, যুগ্ম সম্পাদক শফিউল করিম শফি, সালাউদ্দিন সুমন, পটিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ, সাতকানিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, আনোয়ারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু তৈয়ব চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী মুকুল, কামাল উদ্দিন, জাকির হোসেন, বাবুল আহমেদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেওয়াজ হোসেন নিষাদ, ছাত্রদল নেতা সোয়াইবুল ইসলাম, মুছাদ্দেক হাসান ফালু, সালমান ইফতেখার, এনামুল হক, মো: জনি, আবদুল আহাদ, মো: ফয়সাল, মো: জয়নাল, নুরুল আলম, ইলিয়াছ প্রমুখ। রাঙ্গুনীয়াস্থ শহীদ জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধভাবে বর্তমান অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবী এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সকল ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবী জানান। অন্যথায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চকরিয়ায় বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে নিহত ২
অনলাইন ডেস্ক :কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার খুটাখালীর ফুলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—যশোর সদর উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মুকছেদ আহমদের ছেলে সাইদুর রহমান (৩২) ও একই উপজেলার পাগলাদহ গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ লিটন (২৮)। ডুলাহাজারা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জসিম উদ্দিন জানান, চিংড়ি পোনাবাহী মাইক্রোবাসটি যশোর থেকে পোনা নিয়ে কক্সবাজারে যাচ্ছিল। পথে চকরিয়ার খুটাখালী এলাকায় চট্টগ্রামমুখী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ওই মাইক্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। আহত আবদুল হালিম (২৮) ও রশিদ বাবুকে (৩০) মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানান এসআই।
ঢাকায় শাহ আমানত হজ্ব কাফেলার হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা, আর্থিক ধকল থেকে হজ্বযাত্রীদের ব
শাহ আমানত হজ্ব কাফেলার ব্যবস্থাপনায় এবছর সহস্রাধিক হজ্ব গমনেচ্ছুদের জন্য হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও হাজী সমাবেশ গত ১০ জুলাই ঢাকা বাংলা মোটর ইসকাটনস্থ এ্যাবাকাস কনভেনশন সেন্টারে অডিট অধিদপ্তর এর সাবেক উপ-পরিচালক আলহাজ্ব সৈয়দ আবদুস সালাম এর সভাপতিত্বে কাফেলার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মুহাম্মদ আবদুল মান্নান ও মুয়াল্লিম শায়ের এনামুল হক এনাম এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও হাজী সমাবেশে বক্তারা বলেন, আর্থিক ব্যয়সাপেক্ষ ও শারীরিক কষ্টসাধ্য ইসলামের ফরজ বিধান হলো পবিত্র হজ্ব। আল্লাহর মেহমান এই হাজীদের জন্য উপমহাদেশসহ বিভিন্ন দেশ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। হজ্বযাত্রীদের জন্য বহু দেশ ভর্তুকি দেয় ও বিমান ভাড়ায় ছাড় দেয়। অথচ ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ। বক্তারা বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ ও সৌদি এয়ারলাইন্স ছাড়া অন্য কোনো এয়ারলাইন্স হাজী পরিবহনের সুযোগ না পাওয়ায় মনোপলি সিস্টেমের কারণে তিন গুণ বেশি বিমান ভাড়া গুনতে হচ্ছে হাজীদের। আর্থিক ধকল থেকে হজ্বযাত্রীদের বাঁচাতে সকল এয়ারলাইন্সকে হজ্বযাত্রী পরিবহনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। বক্তারা বলেন, ওপেন স্কাই তথা আকাশ খুলে দিতে হবে। সকল এয়ারলাইন্স হাজী পরিবহনের সুযোগ পেলে বিরাট আর্থিক ধকল থেকে হজ্বযাত্রীরা রেহাই পেতো বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন। বক্তারা হাজীদের সেবায় শাহ আমানত হজ্ব কাফেলার নানামুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন এবং কম টাকায় হজ্ব করার ফাঁদে পা না দিতে হাজীদের সচেতনতা কামনা করেন। কর্মশালা ও হাজী সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ এর যুগ্ন-সচিব ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল। প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকার হাজীদের সেবায় নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। আগের চেয়ে অনেক সহজে হজ্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন হাজীরা। এবারের পবিত্র হজ্ব গরম মৌসুমে হবে বিধায় হজ্বকালীন সময়ে হাজীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা, শৃংখলা ও নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। শাহ আমানত হজ্ব কাফেলা মানসম্মত প্রত্যাশিত সুযোগ নিশ্চিত করায় হাজীদের আস্থা ও ভালোবাসার ঠিকানা হয়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কাফেলার পরিচালক আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহিউদ্দীন বলেন, হাজীরা আল্লাহ পাকের মেহমান। তাই তাদেরকে বিশেষ সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখতে হবে। নিছক ব্যবসা নয়, হাজীরা কতটুকু সেবা পাচ্ছেন সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা চাই। দুই দশক ধরে শাহ আমানত হজ্ব কাফেলা হাজীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি হাজীদের সেবায় নেয়া নানা উদ্যোগের কথা জানান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অডিট অধিদপ্তর এর সাবেক উপ-পরিচালক আলহাজ্ব সৈয়দ আবদুস সালাম। হজ্বের সামগ্রিক বিষয়ে তথ্য ও দিক নিদের্শনা প্রদান করেন কাফেলার পরিচালক আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈম উদ্দীন জহুর। মুখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এর চেয়ারম্যান ড. এ এস এম বোরহান উদ্দীন। অনুষ্ঠানে পুরুষ ও মহিলা হজ্বযাত্রীদেরকে বড় প্রজেক্টরের মাধ্যমে হজ্বকালীন করণীয় নিয়ে কাফেলার মুয়াল্লেমদের মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল হাসান মুহাম্মদ ওমাঈর রজভি, আলহাজ্ব মাওলানা সেকান্দর হোসাইন আল কাদেরী, আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ ইকবাল হোসেন আল-কাদেরী, আলহাজ্ব মাওলানা নূর মোহাম্মদ আল কাদেরী, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ ইউনুস, আলহাজ্ব মাওলানা হাফেজ মাহবুবুর রহমান কাদেরী, আলহাজ্ব মাওলানা তারেক আবেদীন কাদেরী, আলহাজ্ব মাওলানা এনামুল হক আতিকী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ শেখ, আলহাজ্ব মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন, মাওলানা আবু ইউছুফ চৌধুরী, আজগর হাসান রাজু, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মির্জা ফরহাদ হোসেন, মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান রাজু, তৌকির আহমেদ প্রমুখ। সালাত সালাম শেষে হাজীদের কল্যাণ, দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সেকান্দর হোসেন আল কাদেরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আধুনিক শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় না হলে আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা অসম্ভব :রিজিয়া রেজা চৌধুর
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী’র সহধর্মীণি, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় না হলে আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নৈতিক শিক্ষা অর্জনের জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সুনাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিটি জেলা-উপজেলা মডেল মসজিদ কাম ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গ্রামে গঞ্জে গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশন উপরোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিগত প্রায় দুই দশক ধরে সাতকানিয়া-লোহাগাড়াসহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ ১০ জুলাই ২০১৮ইং বেলা ১২টায় সাতকানিয়া সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা রুবেল রাজ, সাতকানিয়া পৌর কাউন্সিলর মোজাম্মেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান, সাতকানিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কামাল, উপজেলা যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, খন্দকার মোহাম্মদ পারভেজ, মোহাম্মদ আসাদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিচ, মোহাম্মদ আয়াজ, মোহাম্মদ জাহেদ, মহিলা নেত্রী নার্গিস আক্তার মুন্নী, জিনিয়া আক্তার, হামিদা আক্তার, রেহেনা আক্তার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৫নং ওয়ার্ড মোহরা বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের কমিটি গঠন
৬ জুলাই শুক্রবার বাদে আসর থেকে মোহরায় বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের ৫নং ওয়ার্ড মোহরা কমিটি গঠনকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার জন্যে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের প্রচার-প্রচারণা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমার এই সংগঠন জোরদার ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। এবং সেই সাথে নতুন কমিটিকে তিনি অভিনন্দন জানাই। মো. হোসনকে সভাপতি, মো. কফিন উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন যথাক্রমে মো. মঈনুদ্দীন মুজিব, মো. ইয়াছ, কাজী মামুন, জসীম উদ্দীন-১, নুরুল আবছার, মো. তছলিম, মো. শফি, মো. সরোয়ার, মো. জসীম উদ্দীন-২, মো. জাফর, মো. পারভেজ, মো. খোকা, মো. আরজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইছহাক, সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ কায়সার লিটন, মো. হারুনুর রশিদ, মো. চাঁন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. ফারুক, মো. আজম, ইফতেকার আবেদীন রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. আলী আকবর, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজাহান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম সাকিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. হায়দার খান, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন, অর্থ সম্পাদক মো. আজম, সহ-অর্থ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সুরুজ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম-১, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কাইছার উদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মহিন গাজী, ক্রীড়া সম্পাদক মিশু দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মুন্না, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এন. মো. রুবেল, ধর্ম সম্পাদক মো. ফারুক, আপ্যায়ন সম্পাদক মো. ইমাম উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য মো. সৈয়দ আরিফ, মো. গিয়াস উদ্দিন, নাজের তালুকদার, সদস্য মো. সালাউদ্দিন, নুর মো. বাদশা, মো. জিমি, মো. নুরুল কবির, মো. সিদ্দিক, মো. ওয়াহিদ মুরাদ মানিক, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. ফোরকান, পঙ্কজ চৌধুরী, দিদারুল আলম, মো. তারেক, মো. শেখ ফোরকান, সৌরভ, মো. নোমান, মো. কামাল, ডি. কে. দোলন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রথযাত্রা উৎসবে সরকারি ছুটি ঘোষণাসহ ৬ দফা দাবি
পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ মানুষের মিলনোৎসব হল রথযাত্রা উৎসব। রথযাত্রা উৎসবের উৎপত্তি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের অন্তর্গত শ্রীজগন্নাথ পুরীধাম। পুরীধামে বিরাজিত আছেন জগতের অধীশ্বর, পরম দয়ালু, জীবের পরম আশ্রয়দাতা পরমেশ্বর ভগবান জগন্নাথ। জগন্নাথদেবের বিভিন্ন বিস্ময়কর ও অদ্ভুতলীলা থেকে উপলদ্ধি করা যায় তিনি মন্দিরে স্বয়ং বিরাজিত। কলিযুগের অধঃপতিত ধর্মবিমুখ জীবদের যারা মন্দিরে যেতে সময় পায় না তাদের দর্শন দানের মাধ্যমে জগন্নাথদেব তার অহৈতুকী কৃপা বিতরণ করেন। রথযাত্রা হল পৃথিবীর একমাত্র উৎসব যেখানে ভগবান মন্দির থেকে বের হয়ে এসে রথে আরোহন করে নগর পরিক্রমা করেন। এই হল জগন্নাথদেবের মহিমা। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এর প্রতিষ্ঠাতা আচার্য্য জগৎগুরু শ্রীল প্রভুপাদের কল্যাণে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব জগতের নাথ জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব আজ সারা বিশ্বের পায় ১২৭টি দেশের সব বড় বড় শহরে সারা বৎসরব্যাপী হাজার হাজার বিদেশী ধর্মপ্রাণ নরনারীর অংশগ্রহণে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার মাধ্যমে এই বাংলার কৃষ্টি, প্রথা, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য সারা বিশ্বের প্রতি নগরাদি গ্রামে প্রচারিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার গর্ভভূমি এই দেশে ধর্মীয় উৎসবসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় সবার অংশগ্রহণের উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হওয়ার ফলশ্রুতিতে জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ ও সর্বপ্রকার অশুভশক্তি শতবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করেও বার বার দমিত হয়েছে। বর্তমান সরকার ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এর স্থলে ধর্ম যার যার উৎসব সবার সংযোজন করেছেন। সংখ্যালঘুদের উপর বার বার পরিকল্পিত হামলা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিচ্ছে না। তাই প্রতিনিয়ত মঠ-মন্দিরে হামলা, গুম হত্যা ও ধর্ষন বেড়েছে। এসব গুপ্ত হত্যা করে দেশ থেকে সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করার একটা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকার যদি এসব হত্যকারীদের এবং মূল হোতাদের গ্রেপ্তারপূর্বক শাস্তি প্রদান না করে তাহলে দেশ অনেক দূর পিছিয়ে যাবে। আজ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আন্তজার্তিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) চট্টগ্রাম আয়োজিত শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের ২১তম রথযাত্রা‘১৮ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় নন্দনকানন ইস্কন মন্দিরের সভাপতি প-িত গদাধর দাস ব্রহ্মচারী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্ম প্রচারে অগ্রগামী সংগঠন ইস্কনের বিভিন্ন মঠ, মন্দির ও ভক্তদের উপর হামলা বাংলাদেশের ধর্ম নিরপেক্ষ শান্তিপ্রিয় মানুষের হৃদয়কে বিদীর্ণ করেছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে সেই স্বাধীন বাংলাদেশে এইসব ঘটনা নিশ্চয়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যে বাংলাদেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনাকালে ভক্তদের উপর হামলা করা হয় তা কি কোনো স্বাধীন বাংলাদেশের চিত্র হতে পারে না। সাংবাদিক সম্মেলনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রাম ইস্কন নেতৃবৃন্দ রথযাত্রা উৎসবের দিন রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা, সনাতন ঐতিহ্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ বিলুপ্ত প্রায় মন্দির স্থাপনা, স্মৃতি স্থান ও তীর্থস্থান সমূহ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে সংরক্ষণ ও রক্ষণা-বেক্ষণ ও প্রসারের জন্য সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত করা, নন্দনকাননস্থ রাধামাধব মন্দির, লোকনাথ মন্দির ও বিদ্যালয়ের অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্ত করা, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে রূপদান করা, রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারী জনগণের ভোগ্য খাদ্যবস্তু সমূহ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করা, প্রত্যেক মঠ, মন্দির ও দেবোত্তর সম্পত্তি সমূহের নিñিদ্র নিরাপত্তা প্রদান করার দাবি জানান। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন চট্টগ্রাম ইস্কনের বিভাগীয় রিজিওন্যাল সেক্রেটারী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী ,পু-রীক বিদ্যানিধি স্মৃতি সংসদের সভাপতি প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন তালুকদার, চট্টগ্রাম মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তপন কান্তি দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার,ইসকন নন্দনকানন সাধারণ সম্পাদক তারণ নিতানন্দ দাস ব্রহ্মচারী, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরবিন্দ পাল অরুণ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় গৃহস্থ কাউন্সিল সদস্য বলরাম করুনা দাস,গৌর পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন চৌধুরী। উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইস্কন ন্যাশনাল কমিটির সদস্য সর্বমঙ্গল গৌর দাস, যুগ্ম সম্পাদক মুকুন্দ ভক্তি দাস ব্রহ্মচারী, কোষাধ্যক্ষ সুবলসখা দাস ব্রহ্মচারী, শেষরূপ দাস ব্রহ্মচারী, অপূর্ব মনোহর দাস ব্রহ্মচারী, লীলেশ্বর গোবিন্দ দাস প্রমুখ। ইসকন নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও শান্তিকামী ধর্মনিরপেক্ষ সাধারণ মানুষ এ দেশের সরকারের উপর আস্থাশীল। তাদের বিশ্বাস সরকার যেকোনো মুহূর্তে অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবেন এবং বাংলাদেশের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বাংলাদেশে সকল ইস্কন মন্দিরে নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সাংবাদিক সম্মেলনে আগামী ১৪ জুলাই থেকে ২২ জুলাই‘১৮ পর্যন্ত নন্দনকানন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দির এবং ডিসি হিল প্রাঙ্গন থেকে বিভাগীয় কেন্দ্রীয় ইস্কনের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম ইসকন আয়োজিত ২১তম রথযাত্রা উৎসব আড়ম্বরভাবে উদযাপন করা হবে এবং ৯ দিনব্যাপী জে. এম সেন হলে ভাগবদ সপ্তাহ পালন হবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আগামী ১৪ জুলাই হতে ২২ জুলাই পর্যন্ত ৯ দিন ব্যাপি বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার শুভ সুচনা করার জন্য ইসকনের হেডকোয়ার্টার মায়াপুর ভারত হতে আগত ইসকনের অন্যতম সন্যাসী শ্রীমৎ অমিয় বিলাস স্বামী মহারাজ, বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি শ্রীমৎ ভক্তিপ্রিয়ম্ গদাধর গোস্বামী মহারাজ, ৭দিন ব্যাপি ভাগবতম সপ্তাহ প্রদান করবেন সংকীর্তন ও প্রচার বিভাগের পরিচালক শ্রীপাদ বেণুধারী দাস ব্রহ্মচারী, মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দিরের জেনারেল ম্যানেজার জগৎগুরু জয়দেব দাস ব্রহ্মচারী চট্টগ্রামে শুভ আগমন করবেন। অনুষ্ঠানমালায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, মেয়র, সংসদ সদস্য, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন । মহাশোভাযাত্রা নন্দনকানস্থ শ্রী শ্রী রাধামাধব মন্দির সম্মুখে ডিসি হিল প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে চেরাগী পাহাড় - আন্দরকিল্লা - লালদিঘীর পাড় - কোতোয়ালী - নিউ মার্কেট - বোস ব্রাদার্স মোড় - নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রম এসে শেষ হবে। ২২জুলাই উল্টো রথযাত্রা নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রম হতে শুরু করে উল্টো পথে নন্দনকানন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরে এসে শেষ হবে। সেখানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার নরনারীসহ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানার, প্ল¬্যাকার্ড, ফেস্টুন, পৌরাণিক সাজ ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে যোগদান করবেন। সর্বোপরি উক্ত রথযাত্রায় কঠোর নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর