চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় শিবির ক্যাডার মাসুম গ্রেফতার
জামায়াত নেতা ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ন ম শামসুল ইসলামের দেহরক্ষী, শিবির ক্যাডার মো. মাসুমকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হোসেনের নেতৃত্বে রোববার (১১ মার্চ) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়ামিন সুমন, এএসআই মো. মিজানুর রহমান, এএসআই মো. মোবারক হোসেন, এএসআই মো. জিহাদ আলী, এএসআই মো. আরিফুল ইসলাম ভূঁঞাসহ আমরা সাতকানিয়া থানাধীন হাশমতের দোকান এলাকায় অভিযান চালাই। এ সময় সাতকানিয়ার ৮ নম্বর ঢেমশা ইউনিয়নের হাজারীখীল এলাকার খুইল্যা মিয়া প্রকাশ টুনু মিয়ার ছেলে মো. মাসুমকে (৩০) গ্রেফতারে সক্ষম হই। আটক মাসুমের বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট, বিস্ফোরক দ্রব্য, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করাসহ ডজনখানেক মামলা রয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, এ দুর্ধর্ষ জামায়াত-শিবির ক্যাডার ২০১৩ ও ২০১৪ সালে জামায়াত-শিবিরের দেশব্যাপী তাণ্ডবকালে সাতকানিয়ায় অঘোষিত সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। গ্রেফতারকালে তার বিরুদ্ধে থানায় ১০টি পরোয়ানা মুলতবি ছিল।
চট্টগ্রামের সদরঘাটে জুট কর্পোরেশনের জায়গা নিয়ে বিরোধ,হাইকোর্টে রিট
নিজেস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম :চট্টগ্রামের সদরঘাট থানাধীন জুট কর্পোরেশনের বিজেসির এপিসি রযালী প্রেস হাউজের আটারো শতক জমি নিয়ে পূর্বের বরাদ্ধ প্রাপ্ত ব্যক্তির সহিত বর্তমানে বরাদ্ধ প্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে পূর্বের বরাদ্ধ প্রাপ্ত ব্যক্তি মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট মামলা করেন। সূত্র মতে, বাংলাদেশ জুট কর্পোরেশনের পরিত্যক্ত জমি বিজেসির এপিসি রযলী প্রেস হাউজের আটারো শতাংশ জমি দেশ স্বাধীননের পর অস্থায়ী বরাদ্ধ পান-মৃত শামসু মিয়া উক্ত। তখন উক্ত জমি ডোবা হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। মৃত শামসু মিয়া উক্ত জমি বরাদ্ধ পাওয়ার পর মেসার্স খাজা ইঞ্জিনিয়ারীং ওয়ার্কস এর মালিক সন্তোস চৌধুরীকে ভাড়ায় প্রদান করিলে উক্ত সন্তোস চৌধুরী তাহায় মাটি ভরাট করিয়া মেসার্স খাজা ইঞ্জিনিয়ারীং ওয়ার্কস নামক প্রতিষ্ঠানটি উক্ত জমিতে প্রতিষ্ঠা করে দির্ঘ দিন যাবত ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতেছেন। জুট কর্পোরেশনের নিয়ম মোতাবেক মৃত শামসু মিয়া প্রতি বৎসর তার বরাদ্ধ পত্র নবায়ন করেন। এরই মধ্যে গত বৎসর একই এলাকার ব্যবসায়ী বুলবুলের নামে উক্ত জমি অস্থায়ী বরাদ্ধ প্রদান করেন জুট কর্পোরেশন। তাতেই উভয়ের মধ্যে দন্ধের সৃষ্ঠি হয়। দন্ধের এক পর্যায়ে মৃত শামসু মিয়ার পুত্র মোঃ নাসের চলিত মাসের আট তারীখে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করেন। রিট মামলা নং-৩৪৩৪। উক্ত মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট গত বৎসর জুট কর্পোরেশন কতৃক বরাদ্ধ পাওয়া বুলবুলের বরাদ্ধ পত্র আগামী তিন মাসের জন্য স্থগীত করেন। অপর দিকে বিরোধীয় জমিতে শান্তি শৃংঙ্খলা রক্ষার্থে মৃত শামসু মিয়ার পুত্র উক্ত জমিতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে ও জানা যায় উক্ত প্রসংঙ্গে উক্ত জমিতে দির্ঘ দিনের ভোগ দখলকার ও মেসার্স খাজা ইঞ্জিনিয়ারীং ওয়ার্কস এর মালিক সন্তোস চৌধুরী বলেন,১৯৭০ সাল থেকে আমি মৃত শামসু মিয়ার নিকট থেকে উক্ত জমি ভাড়ায় নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। শামসু মিয়া মারা গেলে তার ওয়ারীশরা উক্ত জমি বরাদ্ধ পাওয়ার হকদার যদি তারাও না নেয় তাহলে দির্ঘদিনের দখলকার হিসেবে আমিও উক্ত জমি বরাদ্ধ পাওয়ার দাবীদার কিন্তু জুট কর্পোরেশন কতৃপক্ষ কেন অতি গোপনে বুলবুলকে উক্ত জমি অস্থায়ী বরাদ্ধ প্রদান করেছেন তা আমার বোধগম্য নয়। এদের দুই পক্ষের বিরোধের কারণে আমি নিজেও এখন ক্ষতিগ্রস্ত এবং নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। এই বিষয়ে আমি প্রশাসন সহ সকলের আইনগত সহায়তা কামনা করি।
চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নির্বাচন উপলক্ষে আলোচনা
চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নির্বাচন-২০১৮ উপলক্ষে চট্টগ্রামে কর্মরত অনলাইন সাংবাদিকদের এক উম্মুক্ত আলোচনা সভা অনুস্ঠিত হয়েছে। নগরীর এশিয়ান এস.আর হোটেলে ১০ মার্চ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা অবধি চলে এ উম্মুক্ত আলোচনা। এসময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও অনলাইন সাংবাদিকতা বিষয়ে সমৃদ্ধ আলোচনায় উঠে আসে নানা আশার কথা। আলোচনা হয় এ মাধ্যমে কর্মরত সংবাদকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাবকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়েও। এছাড়া আগামী ৭ এপ্রিল নির্বাচন উপলক্ষ্যে সদস্য ভর্তি, ভোটার তালিকা প্রকাশ, প্রার্থীতার জন্য নমিনেশন, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও নির্বাচন সংক্রান্ত সার্বিক আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান, বনপা চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা, সহ-সভাপতি বাবলু দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হামিদুর রহমান, কাজী মিনহাজ উদ্দীন রুদভী, মো. ফোরকান, কে.এম মঞ্জুরুল হক জাহেদ, বাবলু বড়ুয়া, জিয়া উদ্দিন কাদের, এম.আই মারুফ পাটোয়ারী, এম.এ হাশেম আকাশ, মোহাম্মদ কায়সার, আব্দুল কাদের রাজু, এম আর আমিন, মো. কামাল উদ্দিন, আবু শাহেদ, মো. ইলিয়াছ, মোবারক হোসাইন ভূঁইয়া, আবু সাহিদ, মো. দেলোয়ার হোসাইন, মাসুদ আজহার, নেজাম উদ্দিন সোহান, মো. রফিক উদ্দিন । অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন বনপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, বনপা চট্টগ্রাম জেলার সহ-সভাপতি শাহজাহান সাজু। উল্লেখ্য, আগামী ৭ এপ্রিল, ২০১৮ইং চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবের আসন্ন নির্বাচনকে নিরপেক্ষ ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে জাতীয় অনলাইন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। অনলাইন সাংবাদিকদের উদীয়মান নেতা ফখরুল ইসলাম পরাগ, সিনিয়র সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন আশরাফ ও বনপা চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি, চট্টগ্রাম অনলাইন আন্দোলনের পুরোধা মো: এয়াকুবকে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে জাতীয় অনলাইন প্রেস ক্লাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফয়জুর ১০ দিনের রিমান্ডে
বিশিষ্ট লেখক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুর রহমান ফয়জুলের ১০ দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (০৮ মার্চ) দুপুর সোয়া ১টায় সিলেট মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম (তৃতীয় আদালত) হরিদাস কুমার ফয়জুলের এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম স্বপন আদালতে ফয়জুলের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক হরিদাস কুমার তার আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালতের অতিরিক্ত পিপি নিরঞ্জন চন্দ্র সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, শনিবার (০৩ মার্চ) বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী এবং পুলিশের উপস্থিতিতে জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় উপস্থিত শিক্ষার্থী তাকে পিটুনি নিয়ে প্রশাসনের কাছে তুলে দেয়। ফয়জুর ছাড়াও তার মা-বাবা-ভাইসহ ছয়জন এ ঘটনায় আটক আছেন। মামলায় শুধু ফয়জুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামের ভূ-খন্ড বিশ্ব মানচিত্রে খোদিত হত না
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশে নামের ভূ-খন্ড বিশ্ব মানচিত্রে খোদিত হত না। যাঁর বজ্র কণ্ঠের নির্দেশ না পেলে এদেশের মানুষের হাজার বছরের নিদ্রা ভাঙতো না, জাগ্রত হত না আত্মত্যাগের প্রেরণা। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা একটি ধারাবাহিকতা সংগ্রামের ফসল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা এবং জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্যদিয়ে সৈনিক লীগের নেতাকর্মীদের একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি অদ্য ৭ মার্চ বিকাল ৫টায় পাহাড়তলী থানা সৈনিক লীগের উদ্যোগে ইদগাহ্ কাঁচা রাস্তার মোড়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি মো: ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আবুর সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন সৈনিক লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজাদা মাসুদ আকবরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক রায়হান নেওয়াজ সজীব, কক্সবাজার জেলা সভাপতি হারুনুর রশিদ মোল্লা। বক্তব্য রাখেন মহানগর দপ্তর সম্পাদক দিদার মির্জা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বদিউল আলম বাবুল, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবু তাহের, আইন সম্পাদক ইলিয়াছ আহমদ চৌধুরী, সহ-সম্পাদক ইয়াছিন হিরো, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মো: ইলিয়াছ, মোহাম্মদ আলী টিটু, আবু তাহের, মুজিবুল হক, মোস্তফা কামাল, মোহসেনা আক্তার, নুর হোসেন, মো: জুনায়েদসহ পাহাড়তলী থানা সৈনিক লীগের নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে গতকাল বুধবার বিকেলে নাসিরাবাদস্থ সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব মামুনুর রশিদ মামুনের বাসভবন সম্মুখে ঢাকার ৩২নং ধানমন্ডীর আদলে নির্মিত জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এসময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে এক সংক্ষিপ্ত সভা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ওয়ারিশ আলীর খানের সভাপতিত্বে ও মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ও ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব মামুনুর রশিদ মামুন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতি মুক্তির দিক-নির্দেশনা। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের ফলে বাঙালি জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই ভাষণ বাঙালি জাতি সংকটে এবং দেশ গঠনে অনুপ্রেরণা যোগাবে যুগের পর যুগ। সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আশরাফ উদ্দিন শাহীন, মো: জালাল মিয়া, মো: সিরাজুল ইসলাম, মহসীন মোরশেদ টিপু, মো: আলী সরওয়ার, খুরশিদ হাসান, শাহাদাত আল মনসুর টিটু, যীশু নাথ, এম.কে আলম বাসেদ, আবদুল নুর, আবদুর রাজ্জাক বাবু, সজীব দাশ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সত্যের নিশানার দিনব্যাপী বিনামূল্যে ঔষধসহ চক্ষু ক্যাম্প সম্পন্ন
সমাজ ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত সংগঠন সত্যের নিশানার ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপি বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাপ গত ৬ মার্চ ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ের নীচ তলায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় পাঁচশতাধিক রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঔষধসহ চোখের চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, সত্যের নিশানার উপদেষ্টা বিবি জান্নাত জাকারিয়া জিশা, মো সৈয়দ হোসেন জনি, সভাপতি মোঃ ইব্রাহীম খলিল, সাবেক সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি মোঃ আবদুল জব্বার,সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিব, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ তুহিন, সাংগঠনিক আবদুর রাজ্জাক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজান, মোঃ ফারুক, সমাজসেবা সম্পাদক মোঃ রাসেল, ধর্ম বিষয়ক সম্পদক মোঃ কাউছার আলম রেজভী, সদস্য মোঃ আমির ফাহাদ আদর, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আসলাম, সহ ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সাবের, সদস্য মোঃ সায়েম, কার্যকরি সদস্য মুন্না, রুবেল, জাফর, বাবলু, আজিজ, অনিক, প্রমুখ। লায়ন্স চক্ষু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম-এর বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞগণ দ্বারা এ ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়। উল্লেখ্য এ ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা নেয়া কয়েকজন দুঃস্থ রোগীর ছানির অপারেশন এর সম্পূর্ণ খরচ সত্যের নিশানার পক্ষ থেকে বহন করা হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের অবস্থান র্কমসূচিতে বক্তারা,অবিলম্বে দে�
বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, নগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক ও কেন্দ্রিয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলীর মুক্তির দাবীতে এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে নগরীতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে এক অবস্থান র্কমসূচি জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী রানার সভাপতিত্বে এবং ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহ নেওয়াজ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা কামাল হোসেন, বাঁশখালী আলাওয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জাবেদুল আলম সুমন, মহসিন কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শফিউল আলম, জেলা ছাত্রদলের সদস্য আনিছুর রহমান বাবুল, বাঁশখালী পৌরসভা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ইউছুফ, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মোঃ জয়নাল, মোঃ জনি, মোঃ ফখরুল, মোঃ রুবেল, মোঃ নোমান, ছাত্রদল নেতা শাহাদত হোসেন মিশু, মোঃ আরফাতুর রহমান সানি, মোঃ সোহেল, মোঃ মনির, মোঃ কামরুল প্রমুখ। অবস্থান র্কমসূচিতে বক্তারা বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ও যেই অন্যায় রায় দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করেছে তা দলের নেতাকর্মী ও দেশের সাধারণ মানুষ মেনে নেননি এবং এই রায় তাদেরকে খুব বেশি ক্ষুব্ধ ও ব্যতিত করেছে। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে যদি মুক্তি দেওয়া না হয় তাহলে দেশের যে কোন ভয়ানক পরিস্থিতির জন্য সরকার দায়ি থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৫০ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশ রুবেল আটক
রাত তখন ১২টা। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্তব্যরত ছিলেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহরাওয়ার্দী রুবেল। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ তার শরীর তল্লাশি করে প্যান্টের পকেট থেকে পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এসময় তাকে আটক করা হয়। পুলিশ রুবেলের স্বীকারোক্তিতে বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকাতে তার ভাড়া বাসা থেকে আরো ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে সম্প্রতি এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল একজন নারীকে আটকে রেখে প্রায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করেছিলেন। তার স্বজনরাও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। তিনি বিভিন্ন লোককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করতেন বলে তথ্য বেরিয়ে আসছে। জানা গেছে, পুলিশের এএসআই সোহরাওয়ার্দী রুবেল নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও এলাকার লোকজন জানার পরও কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। তিনি বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকার সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কামরুল ইসলামের বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে থাকেন। বন্দর থানা থেকে বদলি হয়ে কিছুদিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগদান করেন তিনি। এএসআই রুবেলের বন্দরের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার জিয়াউল জানান, প্রায় সময় এএসআই রুবেল বিভিন্ন ধরনের লোকজনকে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় আটক করে এনে ফ্ল্যাটে রাখতেন। ওনাকে জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতেন না। নারায়ণগঞ্জ ডিবির ওসি মাহাবুবুর রহমান ও বন্দর থানার ওসি শাহীন মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় এএসআই রুবেলের পকেট থেকে পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। পুলিশের এই দুই কর্মকর্তা জানান, এরপর তার স্বীকারোক্তিতে বন্দর থানায় রূপালী আবাসিক এলাকাতে ভাড়া ফ্ল্যাট বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আরো ৪৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তার পকেট থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিনিয়ার অফিসারদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। এ ব্যাপারে পরে ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে জানান ওসি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর