শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯
মিনি এভিয়ারির শুভ উদ্ধোধন
অনলাইন ডেস্ক :অদ্য ২১/১১/২০১৮ খ্রি. তারিখ বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ন্যাচারাল মিনি এভিয়ারির (ছোট্ট পক্ষীশাল) শুভ উদ্ধোধন করেন চট্টগ্রাম জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মাদ ইলিয়াস হোসেন ।৬ প্রজাতির ৩৪২ টি পাখি নিয়ে যাত্রা শুরু এই এভিয়ারির (লাভ বার্ড ২০ জোড়া,লাফিং ডাভ ৫০ জোড়া, ফিজেন্ট ১০ জোড়া,রিংনেড পারোট ১০ ,কোকাটেইল ৫০,ম্যাকাও ১ জোড়া)।এভিয়ারির আয়তন দৈঘ্যে ৬০ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট এবং উচ্চতা ৩০ ফুট।উদ্ধোধনকালে উপ পরিচালক,স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ এবং প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে জোট নেতার আসনে আ. লীগের দলীয় প্রার্থীর আলোচনায় যারা
সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি: একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ৪টি আসনে মহাজোট নেতাদের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার এক প্রকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র প্রকাশ। এ চার আসনের মধ্যে উত্তরের দুটি, দক্ষিণের একটি এবং নগরের একটি আসন রয়েছে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ চার আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি থাকলেও জোটের সমিকরণ ও জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জোট নেতাদের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে, এসব আসনে আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। সূত্রমতে, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও তরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বর্তমান বন, পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যকরী সভাপতি মাঈনুদ্দীন খান বাদল এবং চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু। এসব আসনে আওয়ামী লীগ ডামি প্রার্থী ঘোষণা করবে। পরে, জোট প্রার্থীর পক্ষে ডামি প্রার্থীদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে নিদের্শ দেয়া হবে। একটি সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে নতুন মুখ ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ ও চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী বা উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মন্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে শিল্পপতি মুজিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।
চট্টগ্রামে জোট নেতার আসনে আ. লীগের দলীয় প্রার্থীর আলোচনায় যারা
সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি: একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ৪টি আসনে মহাজোট নেতাদের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার এক প্রকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সূত্র প্রকাশ। এ চার আসনের মধ্যে উত্তরের দুটি, দক্ষিণের একটি এবং নগরের একটি আসন রয়েছে বলেও সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। এ চার আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি থাকলেও জোটের সমিকরণ ও জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জোট নেতাদের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে, এসব আসনে আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। সূত্রমতে, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পাচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও তরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বর্তমান বন, পরিবেশ ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যকরী সভাপতি মাঈনুদ্দীন খান বাদল এবং চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু। এসব আসনে আওয়ামী লীগ ডামি প্রার্থী ঘোষণা করবে। পরে, জোট প্রার্থীর পক্ষে ডামি প্রার্থীদেরকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে নিদের্শ দেয়া হবে। একটি সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম-২ আসনে নতুন মুখ ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ ও চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী বা উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মন্জুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সিডিএ চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে শিল্পপতি মুজিবুর রহমান এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।
আজ লেলাং গণহত্যা দিবস
সজল চক্রবর্ত্তী,ফটিকছড়ি: আজ ২১ নভেম্বর ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক হানাদার বাহিনী তাদের এ দেশিয় দোসর রাজাকারদের সহযোগিতায় লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা ও শাহনগর গ্রামে হানা দিয়ে ২৯জন নিরপরাধ মানুষকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। সেদিন ছিল মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিন। হানাদারদের আক্রমনে ঈদের আনন্দ মাটি করে দিয়ে এলাকায় নেমে আসে শোকের বিভীষিকা। দেশ মাতৃকার মুক্তির সোপানে যাঁরা সেদিন প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন,তাদের নামটিও শহীদের তালিকায় এখনো স্থান পায়নি। যা ভাবলে সেসব শহীদের স্বজনদের মনে আজো পীড়া দেয়। সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন সকাল ১০টার দিকে পাক বাহিনীর ২০/৩০ জনের একটি অস্ত্র সজ্জিত দল পার্শ্ববতী কর্ণফুলী চা বাগানের দিক থেকে প্রথমে গোপালঘাটা গ্রামে হানা দেয়। তখন মানুষ সবে মাত্র ঈদের নামাজ সেরে পরিবার পরিজনের সাথে কোলাকুলিতে ব্যস্ত। এমন সময় হানাদারের দল গোপালঘাটা গ্রাম থেকে বেশ কয়েকজনকে ধরে গোপালঘাটা আর পাশের গ্রাম শাহনগরের মাঝখানে মনাইছড়ি খালের পাড়ে নিয়ে আসে। অতপর শাহনগর গ্রাম থেকে আরো বেশ কয়েকজনকে ধরে খালের পাড়ে নিয়ে এসে সেখান থেকে বেছে বেছে ৩০ জনকে রেখে বাকীদের ছেড়ে দেয়। এ ৩০ জনকে মনাইছড়ি খালের পাড়ে হাত বেঁধে দাড় করিয়ে এক পাঞ্জাবী ক্যাপ্টেন ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে খালের পাশে একটি ডোবার মধ্যে ফেলে মাটি চাপা দিয়ে চলে যায়। হত্যাযজ্ঞ শেষ করে পাক আর্মিরা চলে গেলে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছৈয়দুল হক নামে একজনকে জীবিত পাওয়া যায়। তাকে গ্রামবাসী উদ্ধার করে গোপনে চিকিৎসা দিয়ে ভালো করে তোলে। এসব শহীদদের নাম শহীদি তালিকায় এখনো অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি। এদের জন্য হয় না কোন স্মরন সভা। শুধু চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। এদিকে, আজ ২১নভেম্বর গণহত্যা দিবস স্বরণে কোন কর্মসুচী পালনের উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সেদিন পাক বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিলেন- মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউনুস, নুর আহমেদ, আফসার আহমেদ, নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ এয়াকুব, মুহাম্মদ নুরুল আলম,মুহাম্মদ রুহুল আমিন, মুহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ, ফয়েজ আহমদ, জগির আহমেদ, চিকন মিয়া, জনুর আহমেদ, মুহাম্মদ ইদ্রিস, মুহাম্মদ সোলেমান, বজল আহমদ, জমিল উদ্দিন, রফিকুল আলম, রমেশ চন্দ্র নাথ,সুরেশ লাল নাথ,গৌরহরি নাথ, কৃষ্ণহরি নাথ, সুধাংশু বিমল নাথ, হরিপদ নাথ, বিপিন চন্দ্র নাথ, নগরবাসী নাথ, হরিলাল নাথ, হরিধর নাথ, ক্ষেমেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য্য নাথ।
বান্দরবানে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১
অনলাইন ডেস্ক :বান্দরবান শহরের বাসস্টেশন এলাকায় পর্যটকবাহী একটি বাস দুর্ঘটনায় বাসের সহকারী চালক নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন পর্যটক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা থেকে পর্যটক নিয়ে আসা একটি বাস শহরে প্রবেশের সময়ে বাস স্টেশন এলাকায় পাহাড়ি ঢালু সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বড় লোহার খুঁটির সাথে ধাক্কা লাগলে এ ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে বাসের সহকারী চালক মোহাম্মদ রাজু (৩৬) নিহত হন। এছাড়া বাসটিতে থাকা ২০ জনের বেশি পর্যটক আহত হয়। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান ঘটনার খবর পেয়ে দমকল বাহিনী পুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্থানিয়রা বাসটি থেকে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে- শরিফুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, মো: সবুজ, মো: শামিম, রুবেল শেখ, মো: সিরাজ, অনিকেত, মো: সৈয়দ। আহত মো: শরিফুল ইসলাম জানান খুলনার তেরখেদা এলাকার একতা সমিতি থেকে সেতু ডিলাক্স নামের একটি বাস নিয়ে তারা গত ১৫ নভেম্বর বেড়াতে বের হন। পরে ১৭ নভেম্বর কক্সবাজার বেড়ানোর পর তারা মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজার থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে বান্দরবান শহরের বাস স্টেশন এলাকায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এটি ঢালু সড়কে বড় লোহার খুটির সাথে মারাত্মক ভাবে ধাক্কা লাগে। বাসটিতে ৫৭ জন যাত্রী ছিল বলে আহতরা জানায়। এতে সবাই কমবেশি আহত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সিরাজগঞ্জে
অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসাথে ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশও দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মহির উদ্দিন (৪৬) শাহজাদপুর উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের আবু আক্কাছের ছেলে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. আনোয়ার পারভেজ লিমন জানান, ওই গ্রামের মহির উদ্দিন ১৯৯৭ সালে শেষ দিকে একই উপজেলার প্রাণনাথপুর গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে আম্বিয়া খাতুন ওরফে দুলিকে বিয়ে করে। বিয়ে অনুষ্ঠানে এক লাখ টাকা যৌতুক দেয়া হলেও বিয়ের পর আরও যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করেন মহির। সে এক সময় নিজের বাড়িঘর বিক্রি করে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করে। সেখানে থাকাবস্থায় ২০১২ সালের ২৪ অক্টোবর রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ওইদিন ভোরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মহির। ওই সময় আম্বিয়ার মা রোকেয়া গোঙানির শব্দ শুনে মেয়ের ঘরে গেলে মহির ছুরি দিয়ে তার গলাতেও আঘাত করে। এ সময় তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য লোকজন ছুটে এসে মহিরকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় নিহত আম্বিয়ার ভাই সেরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে মহির উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা। মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে স্বারক লিপি প্রদান
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও চট্টগ্রামে সরকারি দলের নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের পুলিশের হয়রানি বিষয়ে অবহিত করতে রবিবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনির হোসাইন খানকে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে স্বারক লিপি প্রদান করা হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে স্বারক লিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি এ্ডভোকেট আব্দুস সত্তার, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, উপদেষ্টা সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আব্দুল মান্নান, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী, নগর মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী। এ সময়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনির হোসেন খান বিএনপি নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ধর্য সহকারে শুনেন। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মধ্যম বিনাজুরী মিলনারাম বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পন্ন
রাউজানের মধ্যম বিনাজুরী গ্রামে মিলনারাম বিহার প্রাঙ্গণে গত ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ইং, বৃহস্পতিবার, উদ্যাপিত হয় থেরবাদী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দান-শ্রেষ্ঠ, দান-রাজা, দান-উত্তম শুভ কঠিন চীবর দান। সকালে আনন্দমুখর ও মনোরম পরিবেশে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে উদ্বোধক ভদন্ত বিনয়পাল মহাথের দিনের কর্মসূচী শুরু করেন। সারাদিন ব্যাপি এই কর্মসূচীর মধ্যে সকালে ছিল সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, ত্রিপিটক উৎর্স্বগ, মঙ্গলসূত্রপাঠ, পূজনীয় ভিক্ষু সংঘের ধর্ম দেশনা প্রদান, ভিক্ষু সংঘের পিন্ডদান গ্রহণ ও দুরদুরান্ত হতে আগত অতিথিবৃন্দদের আপ্যায়ন। বিকালে নবগঠিত বিহার কমিটি ও বিশিষ্ট ছড়াকার সুকুমার তরুণ সংঘের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে সম্পাদিত হয় মহৎ পুণ্যময় অনুষ্ঠান কঠিন চীবর দান ও কল্পতরু উৎর্স্বগ এতে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত বিজয় রক্ষিত মহাথের, প্রধান সর্দ্ধমদেশক ভদন্ত সুমন জ্যোতি থেরো, বিশেষ সর্দ্ধমদেশক ভদন্ত শাসনশ্রী থেরো ও ভদন্ত বুদ্ধরতœ থেরো, প্রধান আলোচক ভদন্ত ড. বুদ্ধপাল থেরো এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং বিনাজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু সুকুমার বড়–য়া, ইউপি সদস্য বাবু দেবপ্রিয় বড়–য়া দেবু সহ অন্যান্য গুণী ব্যক্তিবর্গ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)। পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।