সাভারে পিকআপ ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: সাভারে পিকআপ ও ট্রাকের সংঘর্ষে তিন জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে অন্তত ৫ জন। সোমবার ভোরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে এঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মির আখতার গ্রুপের ডাবল পিকআপে করে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন ওই তিনজন। এসময় তাদের বহনকারী ডাবল পিকআপটি ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এস এন সিএনজি পাম্পের সামনে পৌছলে সামনে থাকা দ্রুত গতির একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায় ডাবল পিকআপটি। এসময় ঘটনাস্থলেই ডাবল পিকআপে থাকা মির আখতার গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার জহুরুল ইসলাম (৫৫), ড্রাইভার খলিলুর রহমান (৬৫) ও নুরন্নবীসহ তিন জন মারা যায়। পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এদিকে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই আজগর আলী বলেন, এঘটনায় সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী আর নেই
অনলাইন ডেস্ক: একাত্তরের বীরাঙ্গনা ও জননীখ্যাত লেখিকা রমা চৌধুরী আর নেই। সোমবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। রমা চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহচর ও তার বইয়ের প্রকাশক আলাউদ্দীন খোকন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার সন্ধ্যায় রমা চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে রাতেই তাকে লাইফসাপোর্ট দেয়া হয়। সেখান থেকেই ভোর ৪টার দিকে দিদি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এদিকে রমা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চট্টগ্রামে। তার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। রমা চৌধুরী ১৯৩৬ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে- তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর (এমএ)ডিগ্রিধারী। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। রমা চৌধুরী ১৯৬২ সালে কক্সবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর্মজীবন শুরু করেন। পরে দীর্ঘ ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন। চার ছেলে সাগর, টগর, জহর এবং দীপংকরকে নিয়ে ছিল তার সংসার। কিন্তু একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীর গুলিতে দু'পুত্র নিহত ছাড়াও দৈহিক নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন তিনি। পুড়িয়ে দেয়া হয় তার ঘরবাড়ি। তবু জীবনযুদ্ধে হার মানেননি এ বীরাঙ্গনা। শুরু করেন নতুনভাবে পথচলা। লিখে ফেলেন একে একে ১৮টি বই। এসব বই বিক্রি করেই চলত তার সংসার। কোমরের আঘাত, গলব্লাডার স্টোন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রমা চৌধুরী ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এর পর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
চলনবিলে নৌকাডুবি: ৫ লাশ উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: চলনবিলের পাবনা চাটমোহর অংশে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ৫ জনেরই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দমকল বাহিনীর ডুবুরিদল রোববার সকালে হান্ডিয়াল এলাকার সমাজ ঘাট থেকে বাকি দু’জনের লাশ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন, ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন গণি (৫২) ও ঈশ্বরদী আমবাগান এলাকার সাইদুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে ক্রীড়া সামগ্রী ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম স্বপন বিশ্বাস (৪৫)। নৌকাডুবিতে নিহত সাদিয়া ও তার বাবা স্বপন বিশ্বাস, সলিমপুর ইউপি সচিবের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পারুল (মাঝে) এবং ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন গণি নৌকাডুবিতে নিহত সাদিয়া ও তার বাবা স্বপন বিশ্বাস, সলিমপুর ইউপি সচিবের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন পারুল (মাঝে) এবং ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন গণি এর আগে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত দুই নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছিল ডুবুরিদল। তারা হলেন, ঈশ্বরদীর কলাম লেখক ও সলিমপুর ইউপি সচিব মোশাররফ হোসেন মুসার স্ত্রী শাহানাজ পারভীন পারুল (৪৫), ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন গণির স্ত্রী মমতাজ পারভীন শিউলী (৪৫) ও ব্যবসায়ী স্বপন বিশ্বাসের শিশুকন্যা সাদিয়া খাতুন (১০)। জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কেএম সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। শুক্রবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ২৪ জনের একটি দল চলনবিলে নৌকা ভ্রমণে যায়। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থেকে ফেরার পথে চলনবিলের চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল পাইকপাড়া ঘাট এলাকায় তাদের নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় ১৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ৫ জন নিখোঁজ ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে তিন দিনে তাদের সবার লাশ উদ্ধার করল।
গাজীপুরের টঙ্গীতে আনসার সদস্যের গুলিবিদ্ধ লাশ
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গীতে জুনায়েদ (২৫) নামে এক আনসার সদস্যের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জুনায়েদ টঙ্গীর মরকুনে জাতীয় শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের গুদামে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশের ধারনা তিনি আত্মহত্যা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে টঙ্গী থানার এসআই আশরাফুল জানান, শনিবার দিবাগত ১০টার দিকে জুনায়েদ তার কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে যান। রাত ১১টার দিকে তিনি গুদামের বাথরুমে গেলে সেখানে একটি গুলির শব্দ শুনতে পান তার সহকর্মীরা। পরে সহকর্মীরা সেখানে ছুটে গিয়ে জুনায়েদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কেন্দুয়ায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪
অনলাইন ডেস্ক: নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার মাশকা কাঁঠালতলা এলাকার এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। হতাহতরা সবাই সিএনজির যাত্রী বলে জানা গেছে। কেন্দুয়া থানার ওসি ইমারত হোসেন গাজী সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার দুপুরে উপজেলার মাসকা কাঁঠালতলা এলাকায় কেন্দুয়া থেকে আঠারোবাড়িগামী সিএনজি অটোরিকশাকে ঢাকা থেকে কেন্দুয়াগামী মায়ের দোয়া নামে একটি বাস চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সিএনজির চালক জামাল উদ্দিনসহ চার জন নিহত হন। গুরুতর আহত তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাতক্ষীরায়
অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরার দক্ষিণ পলাশপোল এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি রহমতুল্লাহ পলাশসহ ৭৭ জন জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সদর থানার উপপরিদর্শক কবির হোসেন বাদী হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় এই মামলা দায়ের করেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে দক্ষিণ পলাশপোলের প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে ৭০/৮০ জন বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র নেতাকর্মী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার অভিপ্রায়ে জড়ো হন। তারা সমবেত হয়ে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র করাকালে পুলিশ সেখানে হাজির হলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশও পাল্টা লাটিচার্জ করলে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় সেখান থেকে সদর থানার ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ওবায়দুল্লাহসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপপরিদর্শক কবীর হোসেন বাদী হয়ে ৭৭ জন বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীর নামে শুক্রবার মামলা করেছেন। জেলা বিএনপির সভাপতি রহমতুল্লাহ পলাশ জানান, তিনি ঈদের আগে থেকেই ঢাকাতে অবস্থান করছেন। অথচ সাতক্ষীরায় তার নামে মামলা হচ্ছে। যেটা হাস্যকর ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের কোণঠাসা করার পাঁয়তারা বলে মনে করেন তিনি। কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সারাদেশে চলমান আন্দোলন বানচাল করতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গণহারে মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। তিনি সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
জয়পুরহাটের আউশগাড়া এলাকা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: জয়পুরহাটের সদর উপজেলার আউশগাড়া এলাকা থেকে শনিবার সকালে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কলা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম সাইফুল ইসলাম (৪৫)। তিনি একজন কলা ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহত সাইফুল ইসলাম সদর উপজেলার আউশগাড়া গ্রামের সামির উদ্দিনের ছেলে। জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুমিনুল হক জানান, শুক্রবার রাতে সবার অজান্তে সাইফুল ইসলাম বাসা থেকে বের হয়ে যায়। তার স্বজনরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও পায়নি। শনিবার সকালে আউশগাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে গাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে ওসি জানিয়েছেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর