কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক কারবারি নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সাথে মাদক কারবারিদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০)। পুলিশের ভাষ্য, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদ, কনস্টেবল রুবেল শরর্মা ও সেকান্দার আহত হয়েছেন। এসময় বেশকিছু ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফরিদ দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামের আবদুল খাদের ওরফে পেরান খাদেরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দুইটি ইয়াবা, দুইটি অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি তালিকাভুক্ত শীর্ষ ডাকাত ও মাদক কারবারি এবং বহুল আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবুল হাকিমের সহযোগী। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, শনিবার সকালে পুলিশের একটি দল টেকনাফের দক্ষিণ নেঙ্গুরবিল গ্রামে অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে ফরিদ আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪০) গ্রেপ্তার করে। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন তার নেতৃত্বে ভুল মাঝি নামে এক বাহিনী মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবা চালান এনে ওই এলাকায় দিয়ে খালাস করেছিলেন। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে অভিযানে গেলে ভুলু বাহিনী পুলিশকে লক্ষ্যে করে গুলি বর্ষণ করতে থাকে। তারা ডাকাত আলমকে ছিনিয়ে নেওয়া চেষ্টা করে। এসময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত আলমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় আহত তিন পুলিশ সদস্যকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক দেওয়া হচ্ছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ৫ রাউন্ড গুলি ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে ।
প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে আলোকিত জাতি গঠনের প্রধান ভিত্তি :মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী’র সহধর্মিনী ও কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, গত এক দশকে শিক্ষার সর্বস্তরেই চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার এই ব্যাপক অগ্রগতি ও সক্ষমতা অর্জন অর্থনীতির ভিত্কেও করেছে মজবুত ও টেকসই এবং দেশকে বিশ্বের বুকে দিয়েছে পৃথক পরিচিতি। সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে আলোকিত জাতি গঠনের প্রধান ভিত্তি। বঙ্গবন্ধু ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত তৈরী করেছিলেন, আর পূর্ণতা দিয়েছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি সাধনে ভৌত অবকাঠামোসহ বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। যার সুফল জাতি ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছে। তিনি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার অবকাঠামোগত উন্নয়নে গত ৫ বছরে ২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের ক্ষুদ্র মতপার্থক্যতা ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার কোন বিকল্প নেই। তিনি গত ১৩ নভেম্বর ২০১৮ ইং সাতকানিয়া পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের গোয়াজর পাড়া দক্ষিণ ঢেমশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তির প্রস্তর স্থাপন, মা সমাবেশ, পুরস্কার বিতরন ও বিদায় অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফয়েজ আহমদ লিটনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি মোহাম্মদ নুরুল হক, প্রধান শিক্ষিকা খালেদা আক্তার, কাউন্সিলর শিকু আরা ব্গেম প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি
সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে (সন্ত্রাসী ভাইদের রক্ষায় পেশকার ভাইয়ের ক্যারিশমা) নামক প্রকাশিত সংবাদটির আমি আবুল কালাম আজাদের দৃষ্টি গোচর হওয়ায় আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাটির তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত সংবাদে উল্লেখিত ঘটনাবলী বা বিষয়াবলী সম্পূর্ন কাল্পনিকজনক অভান্তর,উদ্দেশ্য প্রনোদিত,মনগড়া,ভুল তথ্য নির্ভর , প্রভাবিত ও মান হানিজনক বটে। উক্ত সংবাদে আমাকে হেয় করা,আমার ভাইদেরকে সন্ত্রাসী বানানো সম্পূর্ন অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের ও বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন মামলায় অবৈধ হস্তক্ষেপের লক্ষন। মূলত আমার গ্রামের বাড়ীতে আমাদের পৈতৃক জায়গা সম্পত্তি নিয়ে দির্ঘদিন যাবত এলাকার কিছু ভূমিদস্যু ও সন্ত্রসীদের সাথে আমাদের বিরোধের কারনে উক্ত সন্ত্রাসীদের সন্ত্রসী হামলায় আমার এক ভাই আবদুস ছালাম সিকদার ২০১২ ইং সালে মারাত্বক আহত হলে ও আমার আপন ভাই মোঃ আলমগীরের স্কুল পড়য়া মেয়েকে উক্ত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রসীরা অপহরন করিয়া নিয়ে যাবার পর ধর্ষন করার কারনে সংশ্লিষ্ট থানা ও বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়। উক্ত মামলা গুলো এখনো বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধিন রয়েছে। এলাকার ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের দ্বারায় তাদের অসৎ উদ্দেশ্যে আমার ভাইদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মিথ্যা মামলা হইতে আমার ভাইগন আইনগত ভাবে খালাশ পেয়েছেন। বিজ্ঞ আদালতের নথী গায়েব বা তদবির বাজী করা সম্পূর্ন কাল্পনিক। বর্তমান সময়ে সরকারের তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মুষ্ঠিমেয় কিছু ভুইফোর ও অনিবন্ধীত অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ব্যক্তিদের হয়রানীতে চট্টগ্রামের আদালত ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা অতিষ্ঠ। উক্ত কথিত সাংবাদিকদের অনৈতিক দাবী না মেটালে তারা যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মনগড়া ও তথ্য বিহিন সংবাদ প্রকাশ করে সম্মান নষ্ট করে থাকেন। উক্ত প্রকাশিত সংবাদটি ও ঠিক একই রকম এবং আমার প্রতিপক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে উক্ত মিথ্যা সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। আমি আমার চাকুরী জীবনে যথটুকু সম্ভব সততা ও স্বচ্চতার মাধ্যমে দায়ীত্ব পালন করেছি এবং আমার পরিবার সহ যে কোন ব্যক্তির অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি। অতএব, আমি ইতি মধ্যে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তিব্র প্রতিবাদ জানাই। উক্ত সংবাদে উল্লেখিত ঘটনাবলীর যাবতীয় কাগজ পত্র আমার কাছে রক্ষিত আছে। বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির আনন্দ মিছিল
বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারিদের জন্য বৈশাখী ভাতা ও ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেয়ার ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আন্দরকিল্লাস্থ চত্বরে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সিমিতি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা। আজ মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সকালে নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ চত্বরে এ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশ শেষে আনন্দ মিছিলে মহানগর ও জলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। বাশিস, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ লকিতুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাশিস কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রনজিৎ কুমার নাথ। মুখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক অঞ্চল চৌধুরী। সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিমুল মহাজনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে শান্তিরঞ্জন চক্রবর্ত্তী, আকম শহীদুল্লাহ মানিক, সৃষ্টিব্রত পাল, মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কানুনগো, দেবেশ দাস, ভানু দে, বিচিত্রা চৌধুরী, উপজেলা/থানা নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উত্তম দাশ, আব্দুল মালেক, আমির হোসেন, মাকসুদুল করিম, মুকুল ভট্টাচার্য, মোঃ আহসান প্রমুখ। সভায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বর্তমান শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনায় শিক্ষক সমিতির দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল। তিনি সঠিক সময়ে এ ঘোষণা প্রদান করেছেন। বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণে এক ধাপ এগিয়ে গেলো বলে উল্লেখ করেন। তাছাড়া জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ বাস্তবায়ন ও মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ নির্বাচনি ইশতেহারে সংযোজনের আহ্বান জানান। আন্দরকিল্লা চত্বরে সমাবেশ শেষে আনন্দ মিছিল নগরীর রাজপথ প্রদক্ষিণ শেষে প্রেস ক্লাব চত্বরে সম্পন্ন হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মানুষের কল্যাণই বড় সমাজসেবা :ড. নিছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে ফুলকলির জেনারেল ম্যানেজার সমাজসেবক এম,এ,সবুরের মাতা মরিয়ম খাতুন স্মরণ এক স্মরণ আলোচনা, দোয়া মাহফিল ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ডাঃ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে সম্প্রতি বিকেলে নগরীর তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ড. নিছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আজাদ খান, সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু, তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানার তত্ত্বাবধায়ক হাফেজ মোঃ আমানউল্লাহ, লেখক এম,এ,সবুর, রাজনীতিবিদ জসিম উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল, জাকির হোসেন, মোঃ রানা প্রমুখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ ফজলুল হক। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে মরহুম মরিয়ম খাতুন আজ আমাদের মাঝে নেই কিন্তু তার পরকালের আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য আমাদেরকে ভালো ও কল্যাণমূলক কাজ করতে হবে। তিনি বলেন মরহুমা মরিয়ম খাতুন তাঁর সুযোগ্য সন্তানরা রেখে গেছেন। যারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠিত ও শিক্ষিত। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন মরহুমের স্বজন আজকে সেলাই মেশিন বিতরণের মত যে মহৎ উদ্যোগ নিয়েছে তা ভবিষ্যতে আর বৃহত্তরভাবে করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, মানুষের কল্যাণই বড় সমাজসেবা, বড় কর্ম। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এভাবে আমাদেরকে বিশেষ সংগঠনসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি সেলাই মেশিন বিতরণের মহৎ উদ্যোগের জন্য চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্র ধন্যবাদ ও এরকম কার্যক্রম চালু রাখার আহবান জানান। সভা শেষে একজন দুঃস্থ এতিম পরিবারের মাঝে একটি সেলাই মেশিন বিতরণ করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় চালকের দুই চোখ উপড়ে অটোরিকশা ছিনতাই
অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় দুই চোখ উপড়ানো অবস্থায় শাকিল (১৮) নামে এক অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের গজারিয়াপাড়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শাকিল আড়াইহাজার উপজেলার বালিয়াপাড়ার আবু বকরের ছেলে। নিহতের বড় ভাই শরিফ জানান, শাকিল প্রতিদিনের মতো রোববার বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়। সোমবার সকালে ফেসবুকে তার লাশের ছবি দেখে তালতলা ফাঁড়িতে গিয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন তারা। সোনারগাঁ তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আহসান উল্লাহ জানান, সোমবার সকালে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের গজারিয়াপাড়া কবরস্থানের পাশে একটি লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা চালকের দুই চোখ উপড়ে ফেলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পাবনায় পুকুরের পানি থেকে ভাইকে তুলতে গিয়ে ডুবে গেল আরেক ভাই
অনলাইন ডেস্ক: পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশু দুটি সম্পর্কে চাচাতো ভাই। রোববার দুপুরে উপজেলার খাগরবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুর পরিবার জানায়, খাগরবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে তামিম (৭) তার ভাই সাইফুল ইসলামের ছেলে সিয়াম (৭) এবং তাদের ভাগ্নে শিপন (৪) দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির বাইরে পুকুর পাড়ে খেলা করছিল। এ সময় তামিম পা পিছলে পুকুরের পানিতে পড়ে গেলে তাকে তুলতে গিয়ে সিয়ামও ডুবে যায়। দুপুর ২টার দিকে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা পুকুরে নেমে তামিম ও সিয়ামকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুই শিশুর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্তমান সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গিকারবদ্ধ :মঈনুদ্দিন খান বাদল এম.পি
চট্টগ্রাম- ৮আসনের সংসদ সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল এম.পি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গিকারবদ্ধ। বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতিকে প্রাধান্য দেয় এবং একে অপরের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখছে। প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবে একে অপর আনন্দ ভাগাভাগি করে। ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ সম্প্রদায় সম্প্রীতির মিলবন্ধন এটি আজ বিশ্বে স্বীকৃত। তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় নিয়মনীতির মধ্যে থাকলে সমাজে শান্তির পূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে। আমি মনে করি যুব সমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে আমাদের সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা বার্ধত্যমূলক করতে হবে। তিনি গত ৯ নভেম্বর ৫নং মোহরা ওয়ার্ড আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) কর্তৃক আয়োজিত শ্রীশ্রী রাধাগৌবিন্দ মন্দির ও শিব মন্দিরের অন্নকূট মহোৎসবে প্রধান অতিথির ভাষণে উপরোক্ত কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের চান্দগাঁও থানার সভাপতি মতিলাল দেওয়ানজী। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীল ধর্মানুরাগী সুকুমার চৌধুরী। আশির্বাদক ছিলেন ইস্কন বাংলাদেশ এর সহ-সভাপতি শ্রীমৎ ভক্তিপ্রিয়ম গদাধর গোস্বামী মহারাজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইস্কন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দির ও গৌর নিতাই আশ্রম, নন্দনকানন, চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ শ্রীমান পন্ডিত গদাধর দাস ব্রহ্মচারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, মহানগর যুবলীগের সদস্য নঈম উদ্দিন খান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোহরা ওয়ার্ড ইস্কন শ্রীশ্রী রাধাগৌবিন্দ মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমান সর্বমঙ্গল গৌরহরি দাস ব্রহ্মচারী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থাশীল যুবকদের নিয়েই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষি
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্দোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ মহানগর যুবলীগ সদস্য কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব এর সভাপতিত্বে এবং মহানগর যুবলীগ সদস্য বেলায়েত হোসেন বেলাল ও শাখাওয়াত হোসেন শাকু এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শেষে কেক কাটা ও বেলুন উড়ানোর মাধ্যমে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানের পর বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠি হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাবেক সভাপতি নোমান আল মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য বিজয় কিষাণ চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উপ-সমবায় সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগ সদস্য আবুল কালাম আবু, মহানগর যুবলীগের সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, এডভোকেট আরশাদুল আলম আসাদ, সাবেক ছাত্রনেতা দিদারুল আলম দিদার, সুমন দেবনাথ, জহির উদ্দিন আহমেদ বাবর, ওয়াহিদুল আলম শিমুল, মহানগর যুবলীগ সদস্য খোরশেদ আলম রহমান, নঈম উদ্দিন খান, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা জাকির মিয়া, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, আতিকুর রহমান, বেলাল হোসেন, ইকবাল জনি। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ সদস্য মোহাম্মদ লোকমান হাকিম, সাবেক ছাত্রনেতা এস এম আলম, পুলক খাস্তগীর, মহানগর যুবলীগ সদস্য লিটন রায় চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন রুবায়েত, তারেক সুলতান, আবদুল হাই, মোস্তাক আহমেদ টিপু, জাবেদুল আলম সুমন, শহিদুর রহমান, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আইয়ুব, হাজী আবদুল মান্নান, আবদুর রহিম, আনিসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম শহিদ, গিয়াস উদ্দিন, জাবেদুল আলম সিপন, সাকিব হোসেন, আহমেদ নুর, তাজউদ্দিন রিজভি, আবদুল হালিম, সাহাবউদ্দিন সজিব, মনছুর আলী, নাজমুল আলম খান, জামশেদুল আলম চৌধুরী, মাসুদ আকবরী, মোঃ ইসমাইল, এস এম নাছির, শাহেদ হোসেন টিটু, জেড এম খসরু, এডভোকেট মোহাম্মদ কায়সার, কায়সার আহমেদ, ফজলে হাসান, ইসতেহার উদ্দিন পারভেজ, সিজার বড়–য়া, জসিম উদ্দিন, আবদুল মান্নান, সুমন চৌধুরী, মামুনুর রশিদ, এডভোকেট মঞ্জুরুল আজম চৌধুরী, এডভোকেট নজরুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, ফয়সাল বাপ্পি, আবু সুফিয়ান, রিদোয়ান ফারুক, সাইফুল আলম লিমন, শেখ নাসির উদ্দিন আরজু, লায়ন সালাউদ্দিন সামির, সৈয়দুল ইসলাম, তানজিরুল হক, রবিউল আলম, রুপম চক্রবর্তী, অভিজিৎ দে ঝুমুর, আরশাদ কিবরিয়া, অঞ্জন সিকদার, শাহিন, মিন্টু, ওয়াসিম আকবরী, শাওন, কামরুল, কাজী রুবেল, ইসমাইল সিকদার রুবেল, সোহেল রহমান, আশা, পুতুল, নাছরিন, পারভিন। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বলেন ১৯৭২ সালে ১১ নভেম্বর, দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ যুবসংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রথিতযশা সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মনির সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সংগ্রামে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করতে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থাশীল যুবকদের নিয়েই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। নেতৃবৃন্দ বলেন রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশ গঠনে গঠনতান্ত্রিক ভাবে যুব সমাজকে সংঘবদ্ধ করে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে প্রগতিশীল যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর