ম্যাক্স হসপিটালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা
অনলাইন ডেস্ক: চিকিৎসার ‘অবহেলায়’ শিশু রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় নগরীর ম্যাক্স হসপিটালে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইভাবে এই হাসপাতাল অন্য ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগীদের নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষা করিয়ে এনে নিজেদের নামে রিপোর্ট দিত বলে প্রমাণও পেয়েছে। শুধু তাই নয়, এ হাসপাতালের বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব চলছিল কোনো ধরনের বায়োকেমিস্ট বা মাইক্রোবায়োলজিস্ট ছাড়াই। হাসপাতালের ফার্মেসির দুই বছর ধরে নেই কোনো অনুমোদন। অপারেশন থিয়েটারে মিলেছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও সার্জিক্যাল উপকরণ। গতকাল রবিবার সকাল ১১ থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে এই অভিযানে পরিচালিত হয়। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি হিসেবে ডা. দেওয়ান মাহমুদ মেহেদি হাসানও উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে ম্যাক্সের বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাবে ব্যবহৃত উপকরণ, ওষুধ এবং হাসপাতালের নথিপত্র ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগপত্র পরীক্ষা করে দেখা হয় বলে র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মিমতানুর রহমান জানান। অভিযান শেষে ওইদিন বিকালে ম্যাক্স হাসপাতালের নিচতলায় এক ব্রিফিংয়ে সারোয়ার আলম বলেন, অভিযানে তারা ম্যাক্স হাসপাতালে বিভিন্ন রকমের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির প্রমাণ পেয়েছেন। এ জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দশ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে এসব অনিয়ম ঠিক করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ম্যাক্স হাসপাতালের প্যাথলজি ল্যাবে যথেষ্ট দক্ষ জনবল নেই। “বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাবে এইচএসসি পাস লোকজন চাকরি করছে। এখানে মিনিমাম স্নাতক ডিগ্রিধারী বা বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্নদের কাজ করার কথা। এখানে বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্টও নেই। একটি হাসপাতাল চালাতে হলে নমুনা পরীক্ষার নিজস্ব ব্যবস্থা থাকার নিয়ম থাকলেও মাক্সে সে নিয়ম অনুসরণ করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, “রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন স্যাম্পল কালেকশন করে তারা চট্টগ্রাম ও দেশের বাইরের বিভিন্ন ল্যাবে পাঠিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিজেদের নামে রিপোর্ট দেয়। অনেকটা কমিশন এজেন্টের মত তারা কাজ করে।” ম্যাক্সের ল্যাবে এপিক হেলথ কেয়ার, ল্যাব এইড, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডা. লাল প্যাথ ল্যাব, প্যাথ কেয়ার ল্যাব ও সিগমা ল্যাব লিমিটেডে করানো বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে বলেও জানান এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সরোয়ার বলেন, দেশের বাইরে স্যাম্পল পাঠাতে সরকারি অনুমোদন লাগে। ম্যাক্স কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই নমুনা বিদেশে পাঠিয়ে আসছিল। এসময় ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, মাক্সের বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাবে কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট পওয়া গেছে; আর অপারেশন থিয়েটারে মিলেছে কিছু অনুমোদনহীন ওষুধ। কিছু সার্জিক্যাল আইটেমেরও মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। ম্যাক্সের ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে গেলেও তারা নিয়ম ভেঙে ওষুধ বিক্রি করে আসছিল বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ডা. দেওয়ান মাহমুদ মেহেদি হাসান ব্রিফিংয়ে বলেন, “তদারকি একটি আইনি প্রক্রিয়া। এটা চলমান থাকবে।” বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পলিসি লেভেলে আলোচনা করতে চাইলে সরকারের সাথে করতে পারেন। কিন্তু আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। তদারকিতে বাধা দিতে চাইলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাউকে সরকার ছিনিমিনি খেলতে দেবে না। এদিকে নগরীর বেসরকারি হাসপাতাল সিএসসিআরের অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনস্ট্রুমেন্ট, লাইন্সেসবিহীন ফার্মেসি পরিচালনাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ভবিষ্যতের জন্য সতর্কও করা হয়েছে এ হাসপাতালকে। গতকাল রবিবার (০৮ জ্লুাই) বিকালে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করে। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, সিএসসিআর হাসপাতালের বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে। অপারেশন থিয়েটারে কিছু সার্জিকাল ইনস্ট্রুমেন্ট পাওয়া গেছে যেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ। কিছু কিছু ইনস্ট্রুমেন্টের মেয়ার শেষ হয়েছে ২০১২ সালে। তাই হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের দুইটি ফার্মেসির মধ্যে একটির লাইসেন্স নেই বলে জানায় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধায়ক গুলশান জাহান। পূর্বদেশ
ম্যাক্স হাসপাতালে অভিযান
ভুল চিকিৎসায় সাংবাদিকের মেয়ে রাফিদা খান রাইফার মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব। রবিবার (০৮ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে র‌্যাবের একটি দল এই অভিযান শুরু করে। র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মিমতানুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে মিমতানুর বলেন, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ম্যাক্স হাসপাতালে অভিযান শুরু হয়েছে। ওই হাসপাতালে এখন অভিযান চলছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন বিকালে গলা ব্যাথার কারণে রাফিদা খান রাইফাকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ২৯ জুন রাতে রাইফার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে রাইফার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে ম্যাক্স হাসপাতালে গিয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্সদের শাস্তি দাবি করেন সাংবাদিক নেতারা। সাংবাদিক নেতাদের দাবির মুখে পুলিশ কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে বিএমএ নেতাদের চাপের মুখে ওই দিন রাতেই তাদের ছেড়ে দেয় থানা পুলিশ। এরপর দুই পক্ষের সমঝোতায় ঘটনার তদন্তে ওইদিন রাতেই সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই তদন্ত কমিটি শনিবার (৭ জুলাই) রাতে তাদের প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে। প্রতিবেদনে তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৬
মৌলভীবাজারের সদরে প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শনিবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার মনুরমুখ ইউনিয়নের নাদামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত তিনজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন- হলেন সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার আব্দুল গনি তালুকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর তালুকদার (৩৮), নাহিদ তালুকদার (২৬), মেয়ে সাজনা বেগম (২৮) ও তার ছেলে সাইফ আহমদ (১২)। তারা সবাই একই পরিবারে সদস্য। নিহত অন্য দু'জন হলেন- করিমপুর এলাকার ছাতিব মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক শাহাদাৎ মিয়া (২৪) ও সিলেট জেলার উসমানীনগর থানার তাজপুর এলাকার তছদ্দর মিয়ার ছেলে লায়েশ মিয়া (২৮)। নিহত সাজনা বেগমের আরেক ছেলে সায়েম আহমদ জানান, আত্মীয়দের বাড়ি থেকে তার মা ও ভাই এবং দুই মামা বাড়ি ফিরছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনায় তারা সবাই নিহত হয়েছেন। মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাশেদুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে অটোরিকশা চালকসহ যে পাঁচজন যাত্রী ছিল, তাদের সবাই নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একই পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন। এছাড়া প্রাইভেট কারের এক যাত্রী নিহত হয়েছে।
মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন খুন
মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. সুজন নামের এক যুবক খুন হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। আহতদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার দুর্গম নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল এলাকা কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর গ্রামে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহত সুজন উপজেলার কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাপাহাড়িয়া মধ্যারচর এলাকায় মাছ ধরা নিয়ে সুজনের সঙ্গে একই এলাকার হজরত আলীর বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জের ধরে হজরত আলী, তার ছেলে ও তাদের লোকজন ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সুজনের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় সুজনসহ ১০ জন আহত হন। পরে আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত অন্যান্যদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আড়াইহাজার থানার ওসি এম এ হক জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। নিহত সুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতিসহ হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
৫৯টি ভারতীয় গরু জব্দ পাটগ্রামে
শনিবার (৭ জুলাই) দিনগত মধ্যরাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার রসুলগঞ্জ বাজার এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে ৫৯টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা। পাটগ্রাম থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, চোরাকারবারীরা সীমান্ত অতিক্রম করে চোরাইপথে ভারত থেকে গরু নিয়ে এসেছে। এমন খবরে রসুলগঞ্জ বাজারের বাইপাস রোডের পাশে সোবহান ও আজগার আলীর বাড়িতে অভিযান চালায় টাস্কফোর্স কমিটি। এসময় গরু ও বাড়ির মালিক পালিয়ে গেলেও ৫৯টি গরু জব্দ করা হয়। এসব গরু রোববার সকালে পাশেই রসুলগঞ্জ হাটে বিক্রি করা হতো। যা অভিযানের কয়েক ঘণ্টা আগে ভারত থেকে পাচার করে ওই বাড়িতে মজুদ করা হয়। টাস্কফোর্সের এ অভিযানে অংশ নেন বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর-৬১ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মো. মহিউস সুন্নাহ, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর কুতুবুল আলম, পাটগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউনুস আলী, মোস্তাক হোসেন, পাটগ্রাম পৌরসভার কাউন্সিলর মজিদুল ইসলাম প্রমুখ। পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম জানান, জব্দ করা গরুগুলো কাস্টমসের মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হবে।
কোটি টাকার ইয়াবাসহ হানিফ পরিবহনের বাস জব্দ ফেনীতে
ফেনীতে কোটি টাকা ইয়াবাসহ হানিফ পরিবহনের একটি বাস জব্দ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পশ্চিম রামপুর এলাকা থেকে বাসটি জব্দ করা হয়। এসময় চালক জাহাঙ্গীর আলমকে (৫০) আটক করেছেন র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে- চট্টগ্রাম থেকে একটি বাস বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী র‌্যাব ক্যাম্পের একটি দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর পশ্চিম রামপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশি করে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের বাস তল্লাশি করে সুকৌশলে লুকানো অবস্থায় ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি মোবাইল সেট, ২টি সিম কার্ড ও নগদ ৯ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় বাসের চালক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে (৫০) আটক করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা। ফেনীস্থ র‌্যাব-৭ অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম পিপিএম হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লায় শিশু আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন বিষয়ে সেমিনার
কুমিল্লায় শিশু আইন-২০১৩ এর কার্যকর বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্বিতীয় অংশের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টায় কুমিল্লা বার্ডে সুপ্রিমকোর্ট স্পেশ্যাল কমিটি অন চাইল্ড রাইটস ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি অন চাইল্ড রাইটসের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিমকোর্ট স্পেশাল কমিটি অনচাইল্ড রাইটস-এর সদস্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান মাধুরী ব্যানার্জী। সেমিনারে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিজ্ঞ জেলা জজ, শিশু আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগণ এবং শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তারা এবং সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
দুই চিকিৎসককে বরখাস্ত করলো ম্যাক্স
অনলাইন ডেস্ক :বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে সাংবাদিক রুবেল খানের অাড়াই বছরের মেয়ে রাইফা খানের মৃত্যুর পেছনে তিন চিকিৎসকের অবহেলা প্রমাণিত হওয়ার পর দুই চিকিৎসককে ওই হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন, ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেব। অবহেলায় এই দুজন সরাসরি জড়িত ছিলেন। ডা. বিধান রায় চৌধুরীর নাম সিভিল সার্জনের তদন্তে আসায় ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে কল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. লিয়াকত আলী খান বলেন, অবহেলায় সাংবাদিক রুবেল খানের মেয়ের মৃত্যুর অভিযোগ আসার পর আমরাও নিজস্ব একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। ওই তদন্তে ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবের অবহেলার বিষয়ে প্রমাণ পাই। তাই ওই দুজনকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ না (বহিষ্কার ) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিভিল সার্জনের তদন্ত প্রতিবেদনে ডা.বিধান রায়েরও নাম আসায় তাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
সন্দ্বীপ সারিকাইত ৮ নং ওয়ার্ড, শিবেরহাটের ব্যস্ত সড়ক যেন মরণফাঁদ
সন্দ্বীপের শিবেরহাট। সন্দ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ও বড় কয়েকটি হাট-বাজারের মধ্যে এটি একটি। বাজারের পশ্চিম মাথায় রয়েছে দক্ষিণ সন্দ্বীপের সর্ব প্রথম প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সাউথ সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। উত্তর মাথায় রয়েছে সাউথ সন্দ্বীপ ডিগ্রী কলেজ ও বহু পুরানো একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মগধরা, মাইটভাঙ্গা ও সারিকাইত ইউনিয়নের চারদিকের অন্তত পাঁচ কিলোমিটারের প্রায় ত্রিশ হাজার বাসিন্দাদের সকাল-সন্ধ্যা আনাগোনা এই শিবেরহাটে। সারিকাইত ৮নং ওয়ার্ড বলিরপুলের এই সড়ক দিয়ে সাতঘরিয়া-সারিকাইত ও মগধরা ইউনিয়নের সকল বাসিন্দাদের শিবেরহাট, স্কুল, কলেজ ও যাবতীয় কাজে যাতায়াত করতে হয়। বর্তমানে পুলটির প্রায় অর্ধেক ভেঙ্গে গেছে। রিক্সা-টেক্সি পারাপার করে কোনভাবে ঝুঁকি নিয়ে। তাও শংকায় থাকে পার হতে ভেঙ্গে খাদে পড়ে যায় কিনা। ভারি ও বড় যানবাহন এখন এই সড়ক দিয়ে চলতে পারেনা। এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলটির সামনেও নেয়া হয়নি কোন প্রকার উদ্যোগ। এতে দিনে দুর্ঘটনার আশংকা কিছুটা কম থাকলেও রাতের আঁধারে যে কোন পথচারি ভুলক্রমে বা না জেনে চলাচল করতে গেলে তার ভাগ্যের নির্মম পরিণতি ঘটতে পারে এখানে। পঙ্গুত্ববরণ কিংবা মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার আশংকাও রয়েছে। দিনের পর দিন কিংবা মাসের পর মাস নয় বরং এই অবস্থায় আছে পুলটি প্রায় চার বছর ধরে। এলাকাবাসী বলেন, স্থানীয় সারিকাইত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম পনির, ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড (সংরক্ষিত) মহিলা মেম্বার তাছলিমা বেগমকে পুলটি সংস্কারের ব্যাপারে তারা বার বার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এব্যাপারে এখনো কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে উপরোক্ত চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে মহিলা মেম্বার তাছলিমা বেগম ছাড়া চেয়ারম্যান ও মেম্বার ফোন রিসিভ করেন নি। তাছলিমা বেগম বলেন, বিষয়টি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সভায় বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছেন। আগামী সভায় আবারও বিষয়টি জোরালোভাবে তার আলোচনায় রাখবেন বলে জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর