বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জেলা আওয়ামীলীগের যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। শনিবার সকালের প্রথম প্রহরে থানা প্রশাসনের তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়ে সকাল আটটায় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য প্রদান, নিরবতা পালন ও বিজয় দিবসের আনন্দ র্যা লী অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সরকারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিজয় দিবসের সালাম গ্রহন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবু তাহের মিয়া। পরে কুচকাওয়াজ প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা ও বিশেষ সন্মাণনা প্রদান, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামণায় মন্দির-মসজিদ-গীর্জা-প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থণা ও দোয়া, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে সকল অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নয়নাভিরাম আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। শনিবার সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠের স্বাধীনতা বিজয় মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেলের সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার (প্রচার) আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ মো. লিটন, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পিয়ারা বেগম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরুর রাজ্জাক মোল্লা।
কেক কাটা সহ নানা আয়োজনে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতিতে বিজয় দিবস উদজ্জাপন
আজ আমরা স্বাধীন, আজ আমরা নিজেদের বাঙ্গালি ও বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতে পারি। এ বিজয় এমনি এমনি অর্জিত হয় নি। লক্ষ লক্ষ বাঙ্গালি ভাই বোনের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয়। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধেকরে প্রানের বিনিময়ে এ বিজয় এসেছে। যখন পূর্ব পাকিস্তান ছিলো আমাদের এ দেশের নাম তখন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সেই একমাত্র দল যে দল ৫২'র ভাষা আন্দোলন ৭১'এর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে ভাষা, স্বাধীনতা ও বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। জাতির জনক বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ যখন গোটা পৃথিবীতে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিতি পেতে চলেছে, যখন বিশ্বে নেতৃত্বদানে সক্ষমতা অর্জন করতে চলেছে। তখন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ৭১'এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ৭৫'এ জাতির জনক হত্যাকারি সেই পরাজিত শক্তি পাকিস্তানি দালাল, রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। জঙ্গী, নাশকতা ও পেট্রোল বোমা মেরে নিরিহ জনগনকে হত্যাকারিরা দেশের জনগন ও স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশকে নিয়ে নানা চক্রান্তে লিপ্ত। মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল কে একতাবদ্ধ হতে হবে। জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে আর কখনোই ক্ষমতা দখল করতে দেয়া যাবে না। যে কোন মুল্যে প্রতিহত করতে হবে। মাদার অফ হিউমেনিটি বাংলাদেশ তথা বিশ্বনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। শনিবার ১৬'ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের ৪৬'তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ময়নামতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য হাজী মোঃ তারিক হায়দার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের জন্য দোয়া ও মিলাদ, বিজয় মিছিল, কেক কাটা সহ বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতিতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় দিবসটি পালন করা হয়। বুড়িচং উপজেলা এবং ময়নামতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের শতশত নেতাকর্মী এতে অংশ গ্রহন করেন। ময়নামতি ইউ যুব ও ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ অলিউল্লাহ অলি। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা মোঃ গোলাম আব্বাস গনি, জহিরুল ইসলাম বাচ্চু, রতন দেবনাথ, আবুল কালাম আজাদ, দেলোয়ার হোসেন মেম্বার, আবুল বাশার মেম্বার, আবুল হাশেম শান্ত, খোকন মৃধা, তোফায়েল, মনি মৃধা, রবিউল। ছাত্রলীগ নেতা ফয়জুল হাসান বাবু, হাবিব, মনির, আরমান হোসেন রাজু, মাসুম, ইকবাল । শ্রমিকলীগ নেতা জাভেদ হোসেন, সোহেল, শাহিন প্রমুখ সহ আরো বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে বাংলাদেশের ৪৬তম বিজয় দিবস পালন করা হয়।
নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত
জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (ﷺ) উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার থিয়েটার হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় রাসূল (ﷺ) এর শিক্ষাঃ সমকালিন বিশ্বে বাস্তবতা শীর্ষক সেমিনার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে আয়োজন করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান আল্লামা প্রফেসর ড. আব্দুর রশীদ, প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আল্লামা ড. শাহ কাউসার মোস্তফা আবুলউলায়ী, বিশেষ আলোচক ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতীব আল্লামা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দীন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর মিরপুর ফকিরবাড়ী দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা ফকির মুসলেম উদ্দীন হানাফী কাদেরী উলুভী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার আল্লামা এস.এম মাসুম বাকি বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জননেতা অধ্যাপক এম এ মোমেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক জননেতা আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক যুবনেতা অধ্যক্ষ আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ছাত্রনেতা আবুল কালাম আযাদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছাত্রনেতা সাখাওয়াত হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর মাসুমিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা মুখতার রেজা মাসুমী ও এক্সপো গ্রুপের হেড অব কমপ্লায়েন্স জনাব আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সমন্বয়ক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা আহমদ রেজা ও মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ সিদ্দিকী। বক্তারা বলেন, আজ আমরা কোনো জায়গাই শান্তিতে নেই, যেখানে মুসলমান সেখানেই ইসলাম বিদ্বেষী সকল শক্তি এক হয়ে মুসলমানদের উপর নির্যাতন করছে দিবারাত। মুসলমানরা ছিল বীরের জাতি শাসন করার জাতি, আজ এ অবস্থার একটাই কারণ আমরা ও আমাদের পরিবার ইসলামের প্রকৃত ও মূল শিক্ষা নবীপ্রেম ও সূফীবাদ থেকে দূরে সরে গিয়েছি।নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ,Press Release
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমাদেরকে দৃঢ় ইস্পাত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে :আ.জ.ম. নাছির
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ যুবমহিলা লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল ১৩ ডিসেম্বর সংগঠনের আহবায়িকা অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনীর সভাপতিত্বে নগরীর মুসলিম ইন্সিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। যুবমহিলালীগ চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন আহবায়ক মমতাজ বেগম রুজির পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছাবের হোসেন সওদাগর, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বেলাল আহমদ, জামালখান ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম চৌধুরী,সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও কেন্দ্রীয় যুবমহিলালীগের সদস্য রেহেনা বেগম রানু ছড়াকার আ.ফ.ম. মোদাচ্ছের আলী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগনেতা সুমন দেবনাথ, সংগীত শিল্প অশোক সেন, ডাঃ আর. কে. রুবেল, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, কবি সজল দাশ, সেলিম আকতার পিয়াল, আসিফ ইকবাল, জাহানারা বেগম, লিপি আকতার সহ আরো অনেকে। সংবর্ধনা প্রদান করা হয় মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সরকারি কর্মকর্তা জাহানারা বেগম ও পুল্লুরাণী দাশকে। সভায় প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন মুক্তিযুদ্ধের শানিত চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও দেশপ্রেমের শিক্ষা আমাদের প্রজন্মকে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যে অভাবনীয় সাফল্য তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে অবশ্যই নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য এখন থেকে যুবমহিলালীগকে ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন আজকের যুবমহিলালীগ চট্টগ্রামের বিজয় দিবসের যে ঝাকযমকপুর্ণ বিশাল আয়োজন তাতে সত্যিকার অর্থে আমি আনন্দিত। সভার শুরুতে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। উদ্ভোধনশেষে প্রধান অতিথিসহহ সকলে সমবেতকন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।Press Release
বিজয় র;্যালীকে সর্ববৃহৎ, বর্নাঢ্য ও দৃষ্টিনন্দন করতে হবে
১৬ ডিসেম্বর বিজয় র;্যালীকে সফল করার জন্য আজ ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভিন্ন বাহিনী ও সরকারী সংস্থা সমূহের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তাগণ বলেন, বিজয় দিবস বাঙালি জাতীয় জীবনের একটি অনন্য সাধারণ শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনটিকে উদযাপনে সকল প্রকার কার্পন্যতা পরিহার করে সর্ব্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে আমাদের সকল আয়োজনকে সফল করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার পরিষদের বিজয় র;্যালী দীর্ঘদিন থেকে সমহিমায় সমাদ্রিত। নবপ্রজন্মকে বিজয় র;্যালীর মধ্য দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করা আমাদের দায়িত্ব, নচেৎ ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। বক্তাগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে এই জাতি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। এই ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কয়েকটি ভাষণের মধ্য অনন্য সাধারণ। একজন সেনানায়ক হিসেবে যুদ্ধে বিজয় অর্জনের জন্য যত প্রকার নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুুর রহমান ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তা দিয়েছিলেন। পৃথিবীর কোন সেনানায়ক যুদ্ধক্ষেত্রে বা যুদ্ধের পূর্বে এই জাতীয় দিকনির্দেশনা মূলক বা চূড়াত নির্দেশনা দিয়েছেন এমন দৃষ্টাত খুজে পাওয়া যাবে না। এই ভাষণকে নিয়েও অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রাত হয়েছিল। আনন্দের বিষয় যে, দীর্ঘদিন পরে হলেও আজ সঠিক ইতিহাস বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আতর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই স্বীকৃতির দাবিদার সমগ্র বাঙালি জাতির। সভায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় শিখা প্রজ্জ্বলনের পাদদেশ থেকে সর্ববৃহৎ বিজয় র;্যালী করার নীতিগত সিদ্ধাত গৃহিত হয়। প্রতিটি ইউনিফর্মধারী সংস্থার পক্ষ থেকে বাদক দলসহ নিরস্ত্রভাবে র;্যালীতে অংশগ্রহণ করবেন। সরকারী সংস্থা সমূহ তাদের উন্নয়ন কর্মকান্ড সংবলিত প্লে-কার্ড ও ট্রাক সাজিয়ে জনবল সহ অংশগ্রহন করবেন। বিজয় র;্যালীতে অগ্রভাগে বাহিনী সমূহ থাকবে, বাদক দল নিয়ে এগিয়ে যাবেন তাদের পেছনে চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব, স্বেচ্ছাসেবক, শ্রমিক, মহিলা, সংগঠন এবং পেশাজীবি, সামাজিক সংগঠন সহ অন্যান্যরা যোগ দিবেন। বিজয় র;্যালীতে সাইকেল, মোটর সাইকেল, স্কুটি, টমটম, ঘোড়ার গাড়ী, ব্যক্তিগত ঘোড়াসহ বিভিন্ন রং-ঢং এ সেজে অংশগ্রহণ করার জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়। সভায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার র;্যালী পরিষদের আহবায়ক এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপ পুলিশ কমিশনার এস.এম. মোস্তাইন হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, মহাসচিব (অর্থ) বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্টু লাল সাহা, বিজয় মেলা ক্রীড়া উপ-পরিষদের উপদেষ্টা চন্দন ধর, বিজয় র;্যালী পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওসমান গণি। এছাড়া সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিস্কৃতি চাকমা, আর্মড ব্যাটালিয়নের আব্দুল ওহাব, রেলওয়ে পুলিশের মোহাম্মদ হোসেন সরকার, সিএসবির মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর মোহাম্মদ হাসান ইমাম, ১২ ব্যাটালিয়ন আনসারের আশরাফ হোসেন সিদ্দিক, র;্যাব-৭ চট্টগ্রামের লে.কমান্ডার আশেকুর রহমান, শিল্প পুলিশের মোহাম্মদ আবুল হাশেম, পি.বি.আই এর জাহিদ হোসেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ইকবাল সাব্বির চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আনসারর মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, রেলওয়ের মোহাম্মদ আশাবুল ইসলাম, আর.আর.এফ এর মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বিটিএসএল এর একেএম বজলুর রশিদ, ওয়াসার নুর মোহাম্মদ আবুল বাশার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মোহাম্মদ ওমর ফারুক, আয়কর প্রশাসনের মোহাম্মদ নেফাউল ইসলাম সরকার, কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশনের মোহাম্মদ নুরুল আবছার সিকদার প্রমুখ।Press Release
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে-ডা. শাহাদাত , নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ছাড়া সর্ব
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ছাড়া সর্বক্ষেত্রে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে আওয়ামী লীগ। ব্যর্থতার এই চুলকানি রোধ করার জন্য একের পর এক জনগণের স্বার্থ পরিপন্থি পদক্ষেপ গ্রহণ করে ক্ষমতায় আসার পূর্বে দেওয়া ওয়াদাকে ভঙ্গ করে সমস্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে স্বৈরতন্ত্রের নবতর ঘৃণিত ইতিহাস সংযোজন করেছে। ডা. শাহাদাত বলেন, শেখ হাসিনা দেশে কোন ঘাটতি নেই-সর্বদিকে সমৃদ্ধি আছে বলে প্রচার করে যে মিথ্যাচার করছে, প্রকৃতপক্ষে দ্রব্যমূল্যের চরম মূল্য বৃদ্ধির যে আগুন বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত দ্রব্যাদি দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে এমন উচুতে অবস্থান করছে সেই আগুন রাজপথে বাস্তবায়িত হলে আওয়ামীলীগের পতন ঠেকাতে পারবে না। জনগণের ব্যালেট-এর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আওয়ামীলীগ এর সবচেয়ে ভীতির জায়গা। এই অবৈধভাবে জনগণের ভোটাধিকারের প্রয়োগকে হত্যা করে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার চেষ্ঠা করছে। দীর্ঘায়িত ক্ষমতার এই অগণতান্ত্রিক নজির আওয়ামীলীগের ইতিহাসগত নোংরা রাজনীতির ধারাবাহিকতা। তিনি অদ্য ১৩ ডিসেম্বর, বুধবার বিকালে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে কেন্দ্র ঘোষিত বিদ্যুৎ গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে অবৈধ সরকার দেশব্যাপী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ অবৈধ ফ্যাসিষ্ট সরকার জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করছে। এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যসহ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত করে জনজীবনকে আরেক ধাপ বিপর্যস্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেেছ। দেশের মানুষ এমনিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের উর্দ্ধগতিতে দিশেহারা। যেখানে জনগণের দুঃখ লাগব করার লক্ষে বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস করার কথা সেখানে আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় এদেশে জনগনের কোন সরকার নাই। দেশে লুটেরা সরকারের শাসন চলছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ গণধিকৃত ও অবৈধ সরকারের এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নিবে না। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও জণস্বার্থ বিরোধী। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার জনজীবনে দুর্ভোগ ডেকে আনবে। তিনি সরকারকে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরে বেহাল রাস্তাঘাট দিয়ে সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাফেরা করছে। চট্টগ্রাম এখন অপরিচ্ছন্ন জলাবদ্ধ ও যানজটের নগরীতে পরিনত হয়েছে। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার না থাকার করণে চট্টগ্রামে এই বেহাল দশা। দেশের বেশীর ভাগ রাজস্ব চট্টগ্রাম থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়। এরপরও চট্টগ্রামের উন্নয়ন হয় না। জনবিচ্ছিন্ন এই সরকার জনগনের পাশে নেই। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, হাজী মোহাম্মদ আলী, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইস্কান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, টিংকু দাশ, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর মহিলাদলের সভানেত্রী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ ছাদেক, সহ-সম্পাদক আবু জহুর, সম্পাদকবৃন্দ শিহাব উদ্দিন মুবিন, মোহাম্মদ আলী মিঠু, এম.আই. চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসেন, ডা. এস.এম. সরওয়ার আলম, আব্দুন নবী প্রিন্স, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আব্দুল বাতেন, থানার সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, কাউন্সিলর মোঃ আজম, সহ-সম্পাদক এ.কে.এম. পেয়ারু, রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইদ্রিস আলী, মোঃ শাহজাহান, আজাদ বাঙ্গালী, আরিফ মেহেদী, আবু মুছা, শফিক আহমেদ, মোঃ হাশেম সওদাগর, আবদুল মতিন, ফয়েজ আহমদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আলী আজম, থানার সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, নগর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মামনুর রশিদ শিপন, ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ হানিফ সওদাগর, এস.এম. মফিজ উল্লাহ, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কাজী সামশুল আলম, আলাউদ্দিন আলী নুর, আব্দুল্লাহ আল ছগির, জমির আহমেদ, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক এম.এ. হালিম বাবলু, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ আবুল বশর, জাহেদুল্লাহ রাশেদ, ফয়েজ আহমদ, হাজী মোঃ এমরান, হাসান ওসমান প্রমুখ। Press Release
হেফাজত ইসলামের ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড
পুলিশের বাধায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড হয়ে গেছে হেফাজত ইসলামের। আজ বুধবার হেফাজতের মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধা দেয়।এ সময় হেফাজত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সংগঠনের ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে রওয়ানা দেন। অন্য সদস্যরা হলেন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি মাওলানা মাহাফুজুল হক, মাওলানা মুজিবুল রহমান হামিদী, ড. আহমেদ আব্দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম কাশেমী।এর আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলমানদের পবিত্র নগরী জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতের সমাবেশ শুরু হয়।মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের মুসলমানরা রাজপথে থাকবে।তারা বলেন, এই ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প গোটা পৃথিবীতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমরা বিশ্ব মুসলিম নেতাদের হুমুকের অপেক্ষায় আছি। আমরা কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় নামতে বাধ্য হব।সমাবেশ শেষে দুপুর ১২ টায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও উপলক্ষে মিছিল নিয়ে বের হয় হেফাজত। মিছিলটি দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে শান্তিনগর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশি বাধা পণ্ড হয় তাদের ঘেরাও কর্মসূচি।
বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান
বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে ২০১৮ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুরে চন্দনাইশ বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার। প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া উপজেলা আলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, উদ্বোধক ছিলেন কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন আলীগের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কালাম। বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ তাসিনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লি. এর পটিয়ার ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদ উলহ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারী নাজিম উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল শুক্কুর, বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নয়ন, আলিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব, দপ্তর সম্পাদক বাবলু, সদস্য আবুল হাসনাত, জমির উদ্দীন, উপস্থিত ছিলেন কামরুল হাসান শুভ, তৌহিদুল ইসলাম, নবকৃষ্ণ রুদ্র, জাহেদুল আজিম, মিশু গুপ্ত, রেজাউল করিম, মামুন শুভ্রজিৎ বড়য়া, শান্ত হায়দা, প্রভ, তারেক, তীর্থ, আহাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করেন অতিথি বৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দিদারুল আলম দিদার বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত হতে হবে। দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য তথ্য প্রযুক্তির আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ভাল ফলাফল করা জরুরী। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। একারণে শিক্ষার হার বেড়েছে কয়েকগুন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দ্রবমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে উত্তর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
অদ্য ১৩ ডিসেম্বর১৭ইং বুধবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় চত্বরে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কর্তৃক আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব ছালাউদ্দিনর সভাপতিত্বে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এড. মো: আবু তাহের এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হালিম, সাবেক সহ সভাপতি ইছহাক কাদের চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন, সেকান্দর চৌধুরী, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি কামাল উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, উত্তর জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফী, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা নবাব মিয়া চেয়ারম্যান, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, রাউজান উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল আলম চৌধুরী, এইচ এম নুরুল হুদা, ফজলুল হক, এম আর চৌধুরী মিল্টন, বদরুল আলম বদরু, সাহাব উদ্দিন রাজু, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ওমর শরীফ, জসিম উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন লিটন, রফিকুল ইসলাম, উত্তর জেলা ছাত্রদল নেতা মো: জিয়াউদ্দিন ফরহাদ, জাহিদুল ইসলাম রুবেল, তানভীর আহমেদ, সৌরভ ভূইয়া, সাগর হোসেন রুবেল, আমজাদ হোসেন, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আলাউদ্দিন, কাউসার, মোতাহের হোসেন রানা, তারেকুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বর্তমান অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সরকার দ্রব্যমূল্য যেভাবে উর্দ্ধগতিতে নিয়ে গেছে মানুষের চলাফেরায় নাবিশ্বাস উঠে গেছে। মানুষ আজ কষ্টে আজ দিনতিপাত করতেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছে। কোন গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে হামলা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাই আগামীতে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন হবে স্বৈরাচার বিরোধী যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন হবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান। Press Release

সারা দেশ পাতার আরো খবর