ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আগের দিন গ্রেফতার-পরের দিন বন্দুকযুদ্ধে নিহত
আগের দিন গ্রেফতার হয়ে পরের দিন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে খোকন সূত্রধর (৩০) নামে ছিনতাই মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ এপ্রিল) দিনগত রাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাইপাস রেল গেট এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও চাপাতি উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে বেসরকারি কোম্পানির এক প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত করে ১৮ লাখ টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন খোকন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন তারা। ওইদিনই তার বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলা করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, খোকনের দেওয়া তথ্য মতে রাতে তাকে নিয়ে ছিনতাইকারী দলের অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযানে যাচ্ছিল পুলিশ। পথে রেল গেট এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকা তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হন খোকন। এ অবস্থায় খোকনকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে একই কোম্পানির ১৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের একটি মামলা রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।
অনলাইন গনমাধ্যম এখন জীবনের অংশ
চট্রগ্রাম জুনিয়ার চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রাম কসমোপলিটনের সাধারন সম্পাদক- সৈয়দ ইরফানুল আলম বলেন, অনলাইন গনমাধ্যম এখন কেবল চাহিদা নয় বরং জীবনের অংশ। তিনি উল্লেখ করেন- গত ফেব্রুয়ারী মাসের ৩ তারিখ আমাদের চেম্বারের কমিটি ঘোষিত হয়। আমরা সভা থেকে বের হওয়ার পূর্বেই অনেকগুলো পোর্টালে নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় বন্ধু বান্ধবসহ ব্যবসায়ীদের ফোন পাওয়া শুরু করি। সেই এক অন্যরকম অনুভুতি। এটাই অনলাইন গনমাধ্যম। তিনি প্রসঙ্গক্রমে বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন বিস্তৃতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে অনলাইন গনমাধ্যম। আজ ১৫ এপ্রিল রবিবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে উপরিউক্ত তিনি কথাগুলো বলেন। মতবিনিময়ে প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান, যুগ্ম সম্পাদক স ম জিয়াউর রহমান, উপ-অর্থ সম্পাদক রুপন দত্ত, আজীবন সদস্য সাংবাদিক মো: ফিরোজ, উপ- প্রচার সম্পাদক রাজিব চক্রবর্তী, ক্রাইম ডায়রি বিডি ডটকমের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হোসাইন মিন্টু প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অনলাইন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান
চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান এই অনলাইন। অনলাইন গনমাধ্যমের জয় জয়কার সর্বত্র। অনলাইনের কল্যানে আমরা আজ মুহুর্তের খবর মুহুর্তে পাওয়ার পাশাপাশি সংবাদ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে সেকেন্ডেই। তিনি অনলাইন সংবাদকর্মীদের সংবাদ প্রকাশে আরো যত্নশীল হওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি আজ ১৬ এপ্রিল সোমবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে উপরিউক্ত কথাগুলো বলেন। মতবিনিময়ে প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান, যুগ্ম সম্পাদক স ম জিয়াউর রহমান, উপ-অর্থ সম্পাদক রুপন দত্ত, উপ- প্রচার সম্পাদক রাজিব চক্রবর্তী প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সয়াবিন চাষে লক্ষ্মীপুরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি
অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর ,মেঘনার উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর। অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটির কারণে এ অঞ্চলে সয়াবিনের বাম্পার ফলন হয়। দেশে উৎপাদিত সয়াবিনের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ সয়াবিন লক্ষ্মীপুরে উৎপাদিত হয়ে থাকে। যে কারণে এ জেলা সয়াবিনের রাজধানী হিসেবে খ্যাত। কিন্তু চলতি মৌসুমে সয়াবিন আবাদের সময় জমি স্যাঁতসেঁতে থাকায় চাষিরা কাঙ্খিত জমিতে সয়াবিন আবাদ করতে পারেনি। ফলে এবার জেলার সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। গত বছর সয়াবিন আবাদ হয়েছিল ৫৩ হাজার ৫৩৮ হেক্টর জমিতে। এবার সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে তার মধ্যে অর্জন হয়েছে ৪১ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে। তাতে গত বারের তুলনায় ১২ হাজার ২৬৮ হেক্টর জমিতে কম সযাবিন আবাদ হয়েছে। আর এবারের লক্ষ্যমাত্রা তুলনায় ৯ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে কম সয়াবিন আবাদ হয়েছে। কৃষিবিভাগ বলছে ডিসেম্বর মাসের ৯, ১০ ও ১১ তারিখে বৃষ্টি হওয়ায় জেলায় এবার সয়াবিনে আবাদ কম হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের কাছে সয়াবিন শস্যটি ‘সোনা ফসল’ হিসাবে পরিচিত। এখন রবি মৌসুম। এ সময়ে সয়াবিন আবাদ হয়। তাইতো সোনা ফলাতে বিস্তির্ণ মাঠজুড়ে বীজ বুনেছেন কৃষকরা। উপকূলের বুক ঝুড়ে মাইলের পর মাইল এখন কচি সবুজ সয়াবিন গাছে বরে গেছে। বাম্পার ফলনের আশায় সারাদিন চলছে সয়াবিন খেতের পরিচর্যা। প্রয়োগ করছেন সার ও কীটনাশক। আর এভাবেই একটু একটু করে বেড়ে উঠছে সয়াবিন গাছ। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কৃষকের স্বপ্ন। জেলার সয়াবিন চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৃষ্টির কারনে বীজ বপনের সময় জমি স্যাঁতসেঁতে ছিল। তাই অধিকাংশ জমিতে সয়াবিন আবাদ করতে পারেনি তারা। এ ছাড়াও গত কয়েক বছরের লোকসানের ফলেও অনেক চাষি সয়াবিন আবাদ করেনি। তারপরেও সয়াবিন চাষে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয়। চাষাবাদ পদ্ধতি সহজ। সয়াবিনে ধানের চেয়ে বেশি দাম পাওয়া যায়। বিক্রি করলে আর্থিকভাবে লাভবান হয় কৃষক। যে কারণে কৃষকদের সয়াবিন চাষে আগ্রহ বেশি। বর্তমানে চাষিরা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাঠে সয়াবিন খেত পরিচর্যা করছে ভালো ফলনের প্রত্যাশায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের ক্ষতি কিছুটা পুশিয়ে নিতে পারবেন তারা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি লক্ষ্মীপুর অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে লক্ষ্মীপুর জেলার ৫ উপজেলায় ৪১ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে রামগতিতে ১৬ হাজার ৫০০ হেক্টর, কমলনগরে ১৩ হাজার ৫০০ হেক্টর, সদরে ৫ হাজার ৯৫০ হেক্টর, রায়পুরে ৫ হাজার ৫৪০ হেক্টর ও রামগঞ্জ উপজেলায় ৮১ হেক্টর । উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ৯৫ হাজার ৪৫৪ মেট্রিক টন। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলাল হোসেন খান জানান, বীজ বপনের সময় বৃষ্টি হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন জমি স্যাঁতসেঁতে ছিল। তাই চাষিরা অধিকাংশ জমিতে সয়াবিন আবাদ করতে পারেনি। যার ফলে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের বাম্পার ফলন হবে। ভালো ফলন পেতে কৃষি অফিস ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধাগণের স্মারকলিপি প্রদান
সুদীর্ঘ আট মাস আগে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ড এর দায়িত্ব চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে অর্পণ করার ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধ্যাদেশ জারি থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নিকট বিদায়ী জেলা ইউনিট কমান্ড দায়িত্ব হস্তান্তর না করায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলাধীন বিভিন্ন উপজেলার বিপুল সংখ্যক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জনাব মো: ইলিয়াছ হোসেন এর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে তারা পৃথকভাবে ভারপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জনাব শংকর রঞ্জন সাহা এর নিকট স্মারকলিপি পেশ করেন। স্মারকলিপিতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বিগত ১৭ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখের পত্র মূলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত অফিস আদেশ মোতাবেক জেলা ইউনিট কমান্ডের দায়িত্বে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা কমান্ডের দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণকে গ্রহণ করার সুর্নিদিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অদ্যাবধি জেলা ও উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়নি, যার ফলে সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাগণ নানাবিধ বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন। উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পত্র নং: ০৫.৪২.১৫০০.২০২.১২.০১৮.১৭-১২৫৩ মূলে ২২ অক্টোবর ২০১৭ইং তারিখে তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো: জিল্লুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক জেলা কমান্ডের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিদাীয় জেলা ইউনিট কমান্ডকে দায়িত্ব হস্তান্তর করার নির্দেশ প্রদান করা সত্ত্বেও আজ অবদি (১২.১০.২০১৮ইং) সেই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়নি। এখানে আরো উল্লেখ থাকে যে, বিগত ১৭ জানুয়ারি‘১৮ইং সনে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ইউনিট কমান্ড বিলুপ্ত করার বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ ও রুলনিশি জারি করা হয় যা চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী কর্মকর্তাগণ অবগত আছেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে মুক্তিযোদ্ধারা বিশ্বাস করেন। এমতাবস্থায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের এবং জেলাধীন সকল উপজেলা কমান্ডের প্রশাসনিক দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে আজ ১২ এপ্রিল দুপুরে তাদের অফিস কক্ষে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। এ সময় অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক দক্ষিণ জেলা কমান্ডার মো: ইদ্রিস, পংকজ কুমার দস্তিদার, সাবেক কমান্ডার আবদুস সালাম, সুভাষ চন্দ্র চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, ফজল আহমদ, রমিজ উদ্দিন আহমদ, মো: আবুল বশর, নূর মোহাম্মদ, মো: আইয়ুব চৌধুরী, কবির আহমদ, যুগল সরকার, আবদুল মান্নান, সুধীর চক্রবর্ত্তী, জামাল উদ্দিন খান, এস এম নুরুল আমিন, মো: বাহাদুর আলম, মো: ইসলাম খান, মাওলানা মোস্তফা কামাল সিকদার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আসবেন মন্ত্রী সেজেছে শহর , রাণীশংকৈলে দলীয় নেতা কর্মিরা উজ্জীবিত
সমাজ কল্যান মন্ত্রীর আগমন কে ঘিরে রাণীশংকৈলে বিভিন্ন রাস্তায় তোরণ ফেন্টুন ও পোষ্টার লাগিয়েছে ওয়ার্কাস পাটির নেতা কর্মিরা। চলছে প্রস্তুতি মূলক সভা সমাবেশ।এ অঞ্চলে দৈন্যদিন গরীব অসহায় ও কৃষকের সমস্যা গুলো নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পাটি। এজন্য দুইবার এমপি নির্বাচিত হয়েছে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর সরকারের দেওয়া আইনে বলা ছিল ১০০বিঘা জমির উপরে কোন ব্যাক্তি জমির মালিক হতে পারবেন না। তাই এ অঞ্চলে মানুষের জন্য সরকারের পক্ষে ভূমিহীনদের সাড়ে আটশত বিঘা খাস জমি বন্দোবস্তের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছিল ওয়ার্কাস পাটি। এসময় ৬৪ জনের বিরুদ্ধে ৭৬ টি মামলা করা হয়। ১৯৯৮ সালে আদালত দলীয় নেতা কর্মি কমরেড মরহুম সোহরাব হোসেন, কমরেড মরহুম আসির উদ্দীন,কমরেড মরহুম হায়দার আলী কমরেড আনোয়ারুল ইসলাম কমরেড ফইপাহান কমরেড মজাই পাহান সহ ৮জনকে যাবৎজীবন,মরহুম আজিজুল হক মজু মুন্সি সহ ৪৪ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। মামলাটি শেষে দলীয় প্রধান রাশেদ খান মেননের সহায়তায় আপিল বিভাগে নিম্পতি হয়। বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম করেই ১৯৮৬ সালে ১৫দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে এ আসনে ওয়ার্কাস পাটির শহীদুল্লাহ শহীদ এমপি নির্বাচিত হয়। ১৯৯১ সালে আ’লীগের মকলেসুর রহমান, ১৯৯৬ সালে আ’লীগের ইমদাদুল হক, ২০০১ সালে জাতীয় পাটির প্রেসিডিযাম সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ ও ২০০৮ সালে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে আবার ও হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ এমপি নির্বাচিত হয়। ২০১৪ সালে মহাজোটের প্রার্থী হাফিজ উদ্দীন আহম্মদ কে পরাজিত করে ওয়ার্কাস পাটির দলীয় প্রতিক হাতুরি নিয়ে অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এমপি নির্বাচিত হয়। এ প্রসঙ্গে জেলা কমিটির সদস্য কমরেড তাজুল ইসলাম বলেন, যে এলাকায় দলীয় প্রধানরা বেশি বেশি আসেন সে এলাকার উন্নয়ন তত বেশি হয়। ১৯৭৬ সালে মৌলানা ভাসানির ফারাক্কা থেকে যাত্রা শুরু করে ওয়ার্কাস পাটির দলীয় প্রধান কমরেড রাশেদ খান মেনন অসংখ্যবার পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈলে এসেছেন। এজন্য সাবেক এমপি শহীদুল্লাহ শহীদ অল্প সময়ে বাংলাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ২টি স্কুলকে সরকারি করণ করেছিলেন। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জেলা ওয়ার্কাস পাটির সভাপতি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী বলেন, ১৭ এপ্রিল কেন্দ্রিয় মাধ্যমিক স্কুল মাঠে দলীয় সমাবেশে ওয়ার্কাস পাটির সভাপতি বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যান মন্ত্রী কমরেড রাশেদ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন এজন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। দলীয় কর্মকান্ড প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন উপজেলা ও শাখা কমিটি সক্রিয় রয়েছে। ৪ বছরের মেয়াদ উত্তীন কংগ্রেস ভেঙ্গে নতুন কমিটি করা হয়েছে। এজন্য সমাবেশকে ঘিরে দলীয় নেতা কর্মিরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাগীশিক উত্তর জেলা সংসদের মতবিনিময় সভা
বাংলাদেশ বাগীশিক উত্তর জেলা সংসদের এক মতবিনিময় সভা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যালয় আন্দরকিল্লায় সংগঠনের সভাপতি শ্রী অমৃত লাল দে এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় আগামী ২০ এপ্রিল বার্ষিক গীতা পরীক্ষা ২০১৭ উত্তর জেলার আওতাধীন রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া ছাড়া মীরসরাইর তিনটি কেন্দ্রে, সীতাকুন্ড একটি কেন্দ্রে, সন্দ্বীপ একটি কেন্দ্রে, হাটহাজারী একটি কেন্দ্র, ফটিকছড়ি ২টি কেন্দ্রে সকল উপজেলা বার্ষিক গীতা পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের জন্য দায়িত্ব বন্টন ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শুভাশীষ চৌধুরী, এডভোকেট অমল চৌধুরী, অর্থসম্পাদক টিটু মহাজন, সংগঠনের প্রকাশনা সম্পাদক লায়ন ডাঃ বরুণ কুমার আচার্য বলাই, প্রিয়াশীষ চক্রবর্তী, সুজন চক্রবর্তী, সুমন দেবনাথ মিন্টু, বিপ্লব পাল চৌধুরী, রূপক পাল। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, পণ্ডিত তরুণ কুমার আচার্য কৃষ্ণ, বিজন শীল, নিলু দাশ, সাংবাদিক সমীর কান্তি দাশ, ঝন্টু শীল, রুবেল শীল, দয়াল দত্ত প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
হাইদ চকিয়া মৈত্রী সংঘের বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত
ফটিকছড়ি হাইদচকিয়াস্থ ১৪২৫ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্তী ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হাইদ চকিয়া মৈত্রী সংঘের সভাপতি বিপ্লব বড়–য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম. সরোয়ার হোসেন (স্বপন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইদ চকিয়া গৌতমাশ্রম বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী প্রবেশ বড়–য়া (রাশু), হাইদ চকিয়া গৌতমাশ্রম বিহার পরিচালনা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি অঞ্জন বড়–য়া, ফটিকছড়ি পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর গোলাপর রহমান গোলাপ। বর্ষবরণ উৎসবের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং পাইন্দং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গৌতম সেবক বড়–য়া, ধর্মপাল বড়–য়া জাপান, সূর্যগিরি আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ বিশিষ্ট মরমী গবেষক লায়ন ডাঃ বরুণ কুমার আচার্য বলাই, রজত বড়–য়া, সৈকত বড়–য়া, লিটন বড়–য়া, স্বদেশ বড়–য়া, স্বপন বড়–য়া রুনু, সত্যজিৎ বড়–য়া, বীরসেন বড়–য়া, অনুপম বড়–য়া, দিপক বড়–য়া, কান্টু বড়–য়া, পণ্ডিত তরুণ কুমার আচার্য কৃষ্ণ, মোজাম্মেল হোসেন মানিক, হাইদ চকিয়া মৈত্রী সংঘের সাধারণ সম্পাদক বনতোষ বড়–য়া (শিবু), বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের আহবায়ক সনজীব কুমার বড়–য়া (তিনু), অর্চনা রাণী আচার্য, ৭১বাংলা টিভির প্রতিনিধি সাংবাদিক আলমগীর নিশান, সিপ্লাস টিভির প্রতিনিধি সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম, এসএনএন এর প্রতিনিধি সাংবাদিক এম.টি সুজন, সাংবাদিক সমীর কান্তি দাশ, বিজন শীল, ঝন্টু শীল, রুবেল শীল, বাবুল নাথ, রূপক বড়–য়া, পংকজ বড়–য়া, লিটন বড়–য়া, সৈকত বড়–য়া, রনজয় বড়–য়া, শান্ত বড়–য়া, সৈজত বড়–য়া, বিটন বড়–য়া, নান্টু বড়–য়া, নয়ন বড়–য়া, প্রদীপ বড়ুয়া, রাসের বড়–য়া, রাহুল বড়–য়া, সুপন বড়–য়া, সলিল বড়–য়া, রীতেশ বড়–য়া, বাঁধন বড়–য়া, অভি বড়–য়া, অয়ন বড়–য়া প্রমূখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন প্রবন বড়–য়া পঙ্কজ ও নান্টু বড়–য়া। অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন বর্ণাঢ্য র‌্যালী, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা, নৃত্য প্রতিযোগীতা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, মেধা পুরস্কার ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠন। বক্তারা বলেন, মুছে যাক গ্লানি, গুচে যাক জরা, অগ্নিম্লানে শুচি হোক ধরা। বাংলা নববর্ষ বাঙালির সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব। পুরাতন বছরের পাওয়া না পাওয়ার হিসেব চুকিয়ে নতুন আলোর প্রত্যশায় সুন্দর ও স্বার্থক আগামীর স্বপ্নযাত্রায় আমরা হই মহাযাত্রী এই প্রত্যাশায়। উক্ত অনুষ্ঠানে ১৩ জন গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিরতণ করেন ১২০ জনকে। বৃত্তির নগদ অর্থ প্রদান করেন ৫ জনকে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে লাখ ২৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারী গ্রেফতার
এক লাখ ২৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব- ৭। রোববার (১৫ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার নিজামপুর রেদোয়ান ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে একটি মাইক্রোবাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঢাকার সাভারের আমিন মিয়ার ছেলে মো. বিপ্লব (৩২) ও কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর এলাকার আবু তাহেরের ছেলে সুমন মিয়া (২৮)। র‍্যাব- ৭'র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরসরাই উপজেলার নিজামপুরে একটি মাইক্রোবাসে অভিযান চালানো হয়েছে। র‍্যাবের স্কোয়াড্রন লিডার সাফায়েত জামিল ফাহিমের নেতৃত্বে অভিযানে এক লাখ ২৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার এবং মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়। তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে এসব ইয়াবা নিয়ে তারা ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মিরসরাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর