সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৪২ মণ ভেজাল ঘি জব্দ
১১মে,সোমবার,মো.মনিরুজ্জামান,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ভেজাল ঘি তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়ে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ওই কারখানায় ঘি তৈরিতে ব্যবহৃত ৩শ ৬০ কেজি ডালডা, ৩শ ৫০ কেজি পামওয়েল, রং, কেমিক্যাল ও ৪২ মণ ভেজাল ঘি জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৬ লাখ টাকা। উল্লাপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে উল্লাপাড়া পৌর শহরের ঘোষগাতি মহল্লায় ঘি ব্যবসায়ী সুজন ঘোষের বাড়িতে ঘি তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল ঘি তৈরির সময় তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়। এ সময় ঘি তৈরির কাজে ব্যবহৃত ডালডা, পামওয়েল, রং ও কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়। পরে ব্যবসায়ীর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও ৯ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জব্দকৃত ৪২ মণ ঘি ও ব্যবহৃত কাঁচামাল জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয় ।
ফরিদপুরে হাসপাতালে অভিযান, চার দালালকে জরিমানা
১০মে,রবিবার,আব্দুল্লাহ আল নোমান,ফরিদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফরিদপুর শহরে অবস্থিত জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে দালালদের দৌড়াত্ম্য চরম আকার ধারণ করায় রোববার (১০ মে) সেখানে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় হাসপাতাল চত্বর থেকে চার দালালকে আটক করা হয়। পরে তাদের জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ জাকির হোসেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে দালালেরা রোগী ও তাদের স্বজনদের নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। এমন খবরের ভিক্তিতে সকালে হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, এ সময় দালালির সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আলমগীর হোসেন, রিপন শেখ, তারা মিয়া ও আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। পরে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করা হয়। তিনি জানান, আটক দালালেরা শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের ভুল বুঝিয়ে কমিশনের ভিক্তিতে বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
নেত্রকোনায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক
১০মে,রবিবার,মো.হিরণ,নেত্রকোনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নেত্রকোনা পৌরসভার বাহির চাপড়া গ্রামে পপি আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম জানান, বাহির চাপড়া নামক স্থানে নিজ বাড়িতে ভোরে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে এমন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (১০ মে) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের বিছানা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে গৃহবধূর মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পপি আক্তারের স্বামী উজ্জল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। আপাতত থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
ভালুকায় করোনা আক্রান্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন
১০মে,রবিবার,মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভালুকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পাঁচ রোগীর পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামালের পক্ষ থেকে ওই খাদ্য সহায়তা রোগীদের বাড়িতে পৌঁছে দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোমেন শর্মা। জানা যায়, উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের রান্দিয়া গ্রামে প্রধানমন্ত্রী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, ফলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে যার যার বাড়িতে বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়। এসময় অন্যান্নদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন, ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসুদ কামাল বলেন, উপজেলার ধীতপুরে ১জন, হবিরবাড়ীতে ২ জন, বিরুনীয়ায় ১ জন ও পৌরসভার ০১ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিবারে এই বিশেষ মানবিক সহায়তা প্রেরণ হয়েছে। তারা সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত পুরোপুরি আইসোলেশন নিশ্চিত করতে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিবার কোন ভাবেই যেন সামাজিকভাবে হেয় না হয় সে বিষয়ে আমরা সব সময় খেয়াল রাখছি।
অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন জাককানইবি পরিবার
০৯মে,শনিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ফলে বিরাজমান সংকটময় পরিস্থিতিতে ত্রিশালের কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পর্ষদ, বঙ্গবন্ধু-নীলদল (শিক্ষকদের সংগঠন), কর্মকর্তা পরিষদ, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের উদ্যোগে স্থানীয় প্রায় ৩৫০ অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে সামাজিক ও স্বাস্থবিধি মেনে আজ ০৯ মে ২০২০ শনিবার ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এএইচএম মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় উপাচার্য বলেন ,মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আজ আমরা সকলের পাশে দাড়িয়েছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে সবাই সাধ্য মতো মানুষের পাশে দাঁড়াবে এটা আহ্বান করি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে দেশকে ঘুরে দাড়াতে দেখেছি। বিশ্বাস করি তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবারও ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা আহসান হাবীব, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) সোহেল রানা, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আল্ জাবির, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আসিফ ইকবাল আরিফ, সহকারী প্রক্টর ড. মো. কামাল উদ্দিন সহ অন্যান্য শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকিবুল হাসান রনি। তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হক রাজু। উল্লেখ্য ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকদের প্রদত্ত ১ দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করেছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তদের আরো ১ দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিলে প্রদান করেছে। জাককানইবি শিক্ষক সমিতি দেশের চলমান এই ক্রান্তি লগ্নে সকল অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
চিকিৎসা সেবকরা করোনাভাইরাস জয় করে অভিজ্ঞতা শেয়ার
০৯মে,শনিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহামারী করোনাভাইরাস জয় করে ঘরে ফিরেছেন মুক্তাগাছার ৪ জন চিকিৎসা সেবক। শনিবার বিকালে তারা ৩ জন ও এর আগে আরেকজন পুরোপুরি সুস্থতার সনদ নিয়ে উপজেলা হাসপাতালের আইসোলেশন থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিতে যান। করোনা বিজয়ি চার চিকিৎসা সেবক হচ্ছেন- মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ এম জি মোস্তাফা, স্বাস্থ্য সহকারী তারিকুল ইসলাম ছোটন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব এটেইনডেন্ট আশরাফুল ইসলাম। এর আগে করোনায় আক্রান্ত হাসপাতালের নার্স আনার কলি পাপিয়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন। এরা সবাই মাঠ পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কাজে নিয়োজিত থেকে করোনায় আক্রান্ত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। সুস্থ্য হবার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তারা কোভিড-১৯ ভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ার পর থেকে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত নানা অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। স্বাস্থ্য সহকারী তারিকুল ইসলাম ছোটন তার ফেসবুক পেইজে লেখেন- আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে উপসর্গ ছাড়াই করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আইসলোশনে ভর্তি হই। তবে আক্রান্ত হওয়ার পরে সামাজিক গুজবের চাপে ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে খানিকটা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরি। তবে মনোবলকে শক্ত করে লেগে পড়ি করোনা তাড়ানোর চেষ্টায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীরে অবশ্য অনেক লক্ষণই প্রকাশ পায়। মনে সাহস সঞ্চয় করে এগিয়ে যাই। প্রাণপনে লড়ে যাই। আমাকে সুস্থ্য হতেই হবে। সুস্থ্য হয়ে অসহায় মানুষের সেবায় আবার করোনার যুদ্ধের ময়দানে নামতে হবে। করোনার কারাগারে বন্দি যোদ্ধাহত সৈনিক। যুদ্ধ ক্ষেত্রে আহত হয়ে ক'দিন আগেই বন্দি হয়েছিলাম। করোনার স্পর্শে খুব সহজেই অচেনা হয়ে উঠে চির চেনা মুখগুলো। নিষ্ঠুরতা তীর অনেকের চোখে। নিজেকে বাঁচাতে, সমাজকে পরিশুদ্ধ রাখতে, দেশ বাঁচাতে, প্রিয়জন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্যতামুলকভাবে করোনার কারাগারে বন্দি হতেই হয় প্রতিটি যোদ্ধাকে। আমাদের পরিনতি খুব ভালেভাবেই জানি। হয় মৃত্যু অথবা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বাঁচতে পারলে আবার যুদ্ধের ময়দানে শক্রুর মোকাবেলা করা। করোনা মোকাবেলায় মনোবলই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। তবুও ভয় না পেয়ে সহযোদ্ধা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ এম জি মোস্তাফা স্যারের উৎসাহে মনোবল আরো দৃঢ় করে নির্দেশমতো প্রাণপনে লড়ে যাই দিন রাত। যেখানে প্রতিটি নি:শ্বাসে নিয়েছি গরম বাষ্প। পানির বদলে এক ঘন্টা পরপর লেবুর রস মেশানো হালকা গরম পানি পান করেছি। কখনো কখনো আদা চিবিয়ে গিলে বুকজ্বলা ব্যথা নিয়ে করোনা তাড়াতে ব্যস্ত থেকেছি। নিয়মিত শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করেছি। ঘন্টায় ঘন্টায় চা পান করেছি। গরম পানি গলায় ঢেলে গাড়গিল করেছি। এসব করতে করতে কেটেছে দিন রাত। দীর্ঘ শ্বাস টেনে আস্তে আস্তে ছেড়েছি। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আরএমও স্যার আমাদের নীতি, নৈতিকতা ও কুরআন হাদিসের আলোকে আদর্শের কথা শুনাতেন মনোবল চাঙ্গা রাখার জন্য। এর মধ্যেই ৪ তারিখে পাপিয়ার পরপর দু'বার নেগটিভ আসায় ৫ তারিখে তার রিলিজ হয়। নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। তারপর ৭ তারিখে আমাদের বাকি তিনজনের নমুনা পরীক্ষায় পরপর দু'বার নেগেটিভ আসলে ৮ তারিখে আমাদের রিলিজ হয়। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার আদা, লেবু, লং, কালোজিরা, এলাচ, সরিষার তৈল একসাথে মিশিয়ে গরম করে গলা আর নাক দিয়ে বাষ্প নিয়েছি। পরে সেই পানির দ্রবণও পান করেছি। দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। আমি এখন সুস্থ।। করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিটি মানুষেরই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা উচিত। উপরে উল্লেখিত উপাদানগুলো বাসায় বসে করা যেতে পারে। অন্যানরাও শেয়ার করেছেন তাদের করোনা জয়ের কাহিনী।
ভালুকায় শেফার্ড গ্রুপে জীবাণুনাশক স্প্রে গেইট
০৯মে,শনিবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভালুকায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শেফার্ড গ্রুপের কর্মচারী, কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক ডিজিটাল সিকিউরিটি স্প্রে গেইট স্হাপন করলেন ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি,এম শ্রমিকবান্ধব শিল্প কর্মকর্তা মোকলেসুর রহমান। গত ২৯ এপ্রিল জীবাণুনাশক স্প্রে গেইট টি স্হাপন করা হয়।এটি উদ্বোধন করেন ডি,জি,এম মোকলেসুর রহমান।এই গেইট দিয়ে প্রবেশ করার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করবে এবং প্রবেশকারীকে জীবাণুমুক্ত হবে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভালুকার শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি,এম মোকলেসুর রহমান ফ্যাক্টরীর কর্মচারী,কর্মকর্তাদের জন্য ব্যাপক সর্তকতা মুলক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন।১৫০০ শ্রমিকের হাত ধোয়ার ব্যাবস্হা এবং ফ্যাক্টরীর সকলকে মাস্ক,স্যানিটাইজার ও সচেতনামূলক ফেষ্টুন,লিফলেট, পোষ্টার দিয়ে সচেতন করেছেন। ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের শ্রমিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন,প্রবেশের সময় হাত ধোয়ার পাশাপাশি জীবানুমুক্ত গেইট দিয়ে প্রবেশ করায় পা থেকে মাথা পর্যন্ত জীবাণুমুক্ত হচ্ছে।এখন আমরা আগের মত আতংকিত নয়। এই বিষয়ে ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি এম মোকলেসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে,তিনি বলেন,বিশ্বব্যাপি প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসের জন্য সাধারন মানুষ যেমন আতংকিত ঠিক তেমনি ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরাও আতংকিত।শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে আসতে ভয় পায়।করোনা ভাইরাসের কারনে সৃষ্ট এই সংকটকালে জীবাণুনাশক ছিটানো গেইটটি স্হাপনের মধ্য দিয়ে শ্রমিক,কর্মচারী,কর্মকর্তাদের জীবাণুমুক্ত করার চেষ্টা করছি।
ভালুকায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের কৃষকের জমির ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ
০৯মে,শনিবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতির কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় এ বছর বোরো ফলন সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। তার উপর রয়েছে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা। তবে সংকটময় সময়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীবের উদ্যোগে এক ঝাকঁ তরুন উধ্যমী ছাত্রলীগের কর্মী বাহিনী নিয়ে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা'র আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দরিদ্র কৃষক মোঃ শহীদ মিয়ায় ৪০শতাংশ জমির ধান কেটে, বাড়ীতে পৌছিয়ে মাড়াই করে দিলেন। এতে সহযোগিতা করেন উথুরা ইউনিয়নের ছাএলীগের নেতাকর্মীরা। কৃষক মোঃশহিদ জানান, আমি মানুষের বাড়ীতে কাজ করে নিজের সংসার চালাই। নিজের পরিবারের বছরের চাল সংগ্রহের জন্য এই জমি টুকু আবাদ করি। কিন্তু শ্রমিক সংকট ও আমার কাছে টাকা না থাকায় ক্ষেতের ধান কাটতে পারছি না। এ সংবাদ সজীব ভাই কারও মাধ্যমে জানতে পারেন এবং নিজে এসে তার নেতাকর্মীদের নিয়ে আমার ধান কেটে দিলেন। এতে আমার অনেক উপকার হয়ছে। আল্লার কাছে তাঁর জন্য দোয়া করি। ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীব জানান,করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায়ার কারণে বেশ কিছু অঞ্চলে কৃষকেরা পাকা ধান কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমতাবস্থায় বাংলার দুঃখী অসহায় মানুষের শেষ ঠিকানা কৃষিবান্ধব নেত্রী, দেশ রত্ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিচ্ছি। এবং আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।মানবতার পাশে ছাত্রলীগ। এই স্লোগান কে সামনে রেখে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগরে নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি
ফেনীতে আগুনে পুড়ল ৮টি ঘর
০৯মে,শনিবার,তামজীদ হোসাইন,ফেনী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর আলোকদিয়ায় একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি বসতসহ ৮টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লক্ষাধিক টাকা। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে ফেনীর কালিদহ ইউনিয়নের আলোকদিয়া চৌধুরী বাড়ীর জয়নাল আবেদীনের পরিত্যক্ত রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় প্রবাসী মহি উদ্দিন, নূর হোসেন ও অহিদের রহমান মাস্টারের বসত ঘরসহ ৮টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এ সময় বিকট শব্দে রান্নায় ব্যবহৃত ২টি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফারিত হলে জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়ায় পাশের আরও ১০টি ঘর রক্ষা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত নূর হোসেন ঘটনাটি রহস্যজনক দাবি করে জানান, জয়নাল আবেদীন পরিবার নিয়ে ফেনী শহরে বসবাস করেন। যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত সেই রান্না ঘর ব্যবহার হয় না। সেখানে বিদ্যুতও নেই। ফেনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ফেনী মডেল থানার পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর