জয়পুরহাটের আউশগাড়া এলাকা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: জয়পুরহাটের সদর উপজেলার আউশগাড়া এলাকা থেকে শনিবার সকালে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কলা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম সাইফুল ইসলাম (৪৫)। তিনি একজন কলা ব্যবসায়ী ছিলেন। নিহত সাইফুল ইসলাম সদর উপজেলার আউশগাড়া গ্রামের সামির উদ্দিনের ছেলে। জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুমিনুল হক জানান, শুক্রবার রাতে সবার অজান্তে সাইফুল ইসলাম বাসা থেকে বের হয়ে যায়। তার স্বজনরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও পায়নি। শনিবার সকালে আউশগাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে গাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে ওসি জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহে যুবলীগ নেতা হত্যায় ধর্মমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহে যুবলীগ নেতা আজাদ শেখের হত্যাকাণ্ডের এক মাস পর থানায় মামলা হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের ছেলে ও ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তসহ ২৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার গভীর রাতে এই মামলা গ্রহণ করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। নিহত যুবলীগ সদস্য সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদ ওরফে আজাদ শেখের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার দিলু মামলার মামলার বাদী। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম। ময়মনসিংহের আকুয়ায় গত ৩১ জুলাই কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয় যুবলীগ নেতা আজাদকে। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হলেও অধিকতর তদন্ত ছাড়া মামলা গ্রহণ সম্ভব নয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়। মামলার বাদীর পক্ষে হাইকোর্টে রিট করেন আ্যাডভোকেট আফিল উদ্দিন। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ মামলার এজাহার গ্রহণ করতে আদেশ দেন কোতয়ালী পুলিশকে। স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুলও জারি করেন। আদেশ বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়। এ আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে এই মামলা গ্রহণ করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, রাস্তা অবরোধ, মৌন মিছিল, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন আজাদের সমর্থক ও পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি, নিহত আজাদ শেখ আগে ধর্মমন্ত্রীপুত্র আজাদের সমর্থনে রাজনীতি করতেন। কিন্তু শান্ত তাকে টেন্ডারবাজি ও মাদক ব্যবসা করতে বললে আজাদ গ্রুপ বদল করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং পৌরসভার মেয়র ইকরামুল হক টিটু গ্রুপে যোগ দেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে শান্ত তাকে হত্যা পরিকল্পনা করেন এবং তার নির্দেশেই সমর্থক সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। মামলার বাদী আজাদের স্ত্রী দিলারা আক্তার বলেন, নিজ দলের নেতার নির্দেশেই আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আজ মামলা করতে পেরে স্বস্তি পাচ্ছি। তবে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় বোধ করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের নিরাপত্তাসহ আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। মামলার আসামি ধর্মমন্ত্রীর পুত্র মোহিত উর রহমার শান্ত বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যকাণ্ড ঘটেছে। কারা কী করেছে পুলিশ সব জানে। এ মামলায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগরের সিনেমা প্যালেস এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালি থানার সিনেমা প্যালেস এলাকা থেকে ৩ হাজার ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করেছে মাদকদ্রব্য অধিদফতর চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা। শনিবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে থাকা মাদক দ্রব্য অধিদফতর চট্টগ্রামের কর্মকর্তা তপন কান্তি শর্মা এই খবর নিশ্চিত করেছেন। আটক যুবকরা হলেন, ইয়াবা ইন্ডাস্ট্রি খ্যাত কক্সবাজার জেলার টেকনাফের বাহারছড়া এলাকার আলী হোসেনের ছেলে মো. ফরিদ মিয়া (২২) ও একই এলাকার ফরিদ আহমদের ছেলে মো. আবদুল্লাহ (২০)। তপন কান্তি শর্মা বলেন, র্সোসের মাধ্যমে গোপন খবর পেয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের সিনেমা প্যালেস এলাকায় ভোর ৫টার দিকে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় ৩ হাজার ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মো. ফরিদ মিয়া ও মো. আবদুল্লাহকে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে সিএমপির কোতোয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অবশেষে বাঁচানো গেল না কলেজছাত্রী মুক্তিকে
অনলাইন ডেস্ক: টানা ৯দিন যন্ত্রণা ভোগ করে অবশেষে মারা গেলেন পেট্রলের আগুনে দগ্ধ কলেজছাত্রী মুক্তি খাতুন (২২)। সোমবার রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। মুক্তির ভাই নাছির উদ্দিন আজ মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজই ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মুক্তির লাশ পাবনায় আনা হবে। এদিকে, দীর্ঘ ৯ দিনেও প্রধান আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পেট্রলের আগুনে নিহত মুক্তি খাতুনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বলেন, তার মেয়েকে হত্যাচেষ্টার মামলা করায় বিভিন্নভাবে আসামিরা তাকে হুমকি দিচ্ছে। আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে দেখে নেবে বলেও প্রচার করে আসছে। তিনি বাড়ি থেকে সাঁথিয়া থানা পুলিশের পাহারায় পুলিশের ভ্যানে যাতায়াত করছেন। মামলার প্রধান আসামি নাগডেমরা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে সালাম ও কেসমত আলীর ছেলে জাহিদ গ্রেফতার না হওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মোজাম্মেল হক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি এবং আমার পরিবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। স্থানীয় এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা সালামের পক্ষে থানায় তদবির করছে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হক এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আবদুস সালামের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ১৯ আগস্ট দিনের বেলায় সালাম ও জাহিদের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জনের একদল সন্ত্রাসী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় মোজাম্মেল হক বাড়ি না থাকায় সন্ত্রাসীরা তার মেয়ে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দর্শন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মুক্তি খাতুনকে পেট্রল ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-উর রশিদ বলেন, ‘শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালানো ঘটনাটি জঘন্য ও বর্বরতা।’ ন্যক্কারজনক এই ঘটনার তিনি তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। সাঁথিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কয়েকজন সদস্য বলেন, সালামের সমর্থকদের সঙ্গে মোজাম্মেলের সমর্থকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। থানা পুলিশ শক্ত হাতে সঠিক দায়িত্ব পালন করলে এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত না। অন্যদিকে, এলাকায় আর কোনো সংঘর্ষ যাতে না হয়, সে জন্য মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেলের বাড়িতে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে থানা পুলিশ। সাঁথিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মজিদ জানান, মুক্তি মারা যাওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। তবে নিশ্চিত নয়। তিনি বলেন, যদি মারা যায়, তবে আগে দায়ের করা মামলা এখন হত্যা মামলায় রূপ নেবে। ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল আসামি সালাম ও জাহিদ পালিয়ে থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে শিগগির তারা গ্রেফতার হবে। ওসি তদন্ত আরো বলেন, এলাকায় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সেজন্য সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন আছে। বাদীপক্ষ সম্পূর্ণ নিরাপত্তায় রয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৫
অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৫ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা এলাকা থেকে ২০ জন, কলারোয়া থেকে ১০ জন, তালা থেকে ১২ জন, কালিগঞ্জ থেকে ৯ জন, শ্যামনগর থেকে ১১ জন, আশাশুনি থেকে ৭ জন, দেবহাটা থেকে ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ৩৩ বোতল ফেনসিডিল ও ২২ পিচ ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, আটক অনেকের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। এছাড়া নতুন করে ১২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে গাজীপুরে ব্যবসায়ী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উত্তর সালনা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা বালুর ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ফজলুর রহমান বাদল (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফজলুর রহমান বাদল নওগাঁর পরশা থানার ঘাটনগর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় সবজি ব্যবসায়ী। নাওজোর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ পরিদর্শক মো. অহিদুজ্জামান জানান, উত্তর সালনা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বালু বোঝাই ট্রাকের পেছনে ময়মনসিংহগামী সবজি (টমেটো) বোঝাই একটি পিকআপ ধাক্কায় দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই পিকআপের সামনে বসে থাকা সবজি ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান বাদলের মৃত্যু হয়। এ সময় আহত হন আরও দুজন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কুমিল্লার মহেষপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার আশকোনা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম ও তার ছেলে ওয়াফি ইসলাম নাবিল নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও কন্যা। মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা-বুড়িচং সড়কের জেলার সদর উপজেলার মহেষপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতয়ালী মডেল থানার এসআই তপন বাগচী জানান, জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সিদলাই গ্রামে শ্বশুর বাড়ি থেকে ঈদের নিমন্ত্রণ খেয়ে ঢাকার আশকোনা এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সিএনজি চালিত অটোরিক্সাযোগে কুমিল্লায় ফিরছিলেন। সকাল সোয়া ৬টার দিকে জেলার সদর উপজেলার মহেষপুর এলাকায় তাদের বহনকারী সিএনজিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই আমিনুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী ইয়াসমিন (৩২), ছেলে ওয়াফি ইসলাম নাবিল (৪) ও কন্যা আফসানা (১২) আহত হয়। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর আমিনুল ইসলাম ও তার ছেলে ওয়াফির মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রাম মহানগরীর সিটি গেট এলাকায় চলন্তবাস থেকে ফেলে দিয়ে যুবককে হত্যা-সড়ক অবরোধ
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগরীর সিটি গেট এলাকায় চলন্তবাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনার পরপরই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে। নিহত আশরাফুজ্জামান রনি (৩০) উত্তর কাট্টলী এলাকার অলি আহমদের ছেলে। আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবক মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার লোকজন কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করেছে। এক প্রশ্নে জবাবে ওসি জসিম বলেন, এলাকাবাসীর দাবি নিহত যুবককে চালকের সহকারী বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। বাসটি আটক করা হলেও এর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানায়, নিউ মার্কেট থেকে ভাটিয়ারীর মধ্যে চলাচলকারী ৪ নং বাসে কথাকাটাকাটির জেরে চালকের সহকারী চলন্তবস্থায় যাত্রী আশরাফুজ্জামান রণিকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই চালক ও সহকারী পালিয়ে যায়। পরে ক্ষুব্ধ এলাবাকাসী চালক ও সহকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সিটি গেটের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে আকবরশাহ থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অবরোধ তুলে দেয়।

সারা দেশ পাতার আরো খবর