সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা
সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের ২০১৮-২০ইং সেশনের কার্যকরী কমিটি ঘোষনাকরা হয়েছে। শনিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়া সি-বীচ এ বর্ষবরণ ও প্রীতি সন্মিলনে মাধ্যমে এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন,শিক্ষানুরাগী, বাদশা ফেয়ার ল্যান্ডের স্বত্বাধিকারী ডক্টর মোঃ শাহীদুল আলম মিন্টু। নতুন কমিটিতে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সীতাকুণ্ড নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সীতাকুণ্ড টাইমস.কম এর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিএসসি। কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা হলেন সহ-সভাপতি সিটিজি সংবাদ প্রতিনিধি কাইয়ুৃম চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক নিউজ বিএনএ প্রতিনিধি সবুজ শর্মা শাকিল, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ খবর প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিল, অর্থ সম্পাদক পাঠক ডট নিউজ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম দুলু, ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক সীতাকুণ্ড নিউজ প্রতিনিধি দিদারুল আলম, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক সিটিজি বাংলা প্রতিনিধি নাছির উদ্দীন শিবলু, নির্বাহী সম্পাদক চলমান সীতাকুণ্ড ডটকম এর সম্পাদক লিটন কুমার চৌধুরী, বিএনএস নিউজ প্রতিনিধি খায়রুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড প্রতিদিন ডটকম এর সম্পাদক মীর মামুন। . নির্বাচিতরা আগামী দুইবছর সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের দায়িত্ব পালন করবেন। পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ ও প্রীতি সন্মিলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা কামাল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিশিষ্ট সাংস্কুতিক ও নারী নেত্রী সুরাইয়া বাকের, বাঁশবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত আলী জাহাঙ্গীর, শিক্ষানুরাগী, বাদশা ফেয়ারল্যান্ডের স্বত্বাধিকারী ডক্টর মোঃ শাহীদুল আলম মিন্টু, ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান, অধ্যাক্ষ নাছির উদ্দিন, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টি সভাপতি লায়ন কাজী আলী আকবর জাসেদ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সারওয়ার উদ্দিন লাভলুসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন তাদের লিখুনী মাধ্যম ছাড়াও বিগত দুই বছর বহু উন্নয়নমুলক, সামাজিক কর্মকান্ডে যেভাবে অবদান রেখেছে তা ঈর্ষানীয়।নতুন কমিটিও ঠিক একইভাবে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবেন ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষ বরণ
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন বাঁশবাড়িয়া সী বিচে আয়োজন করেছে ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের। ১৪২৫ বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে আজ সকাল থেকে শুরু হয় নানান আয়োজন। প্রথমেই গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো হয় অনুষ্ঠানে আগত শতাধিক মেহমানদের। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা অতিথিসহ একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। দূপুরে শুরু হয় পদ্মার ইলিশ আলু বর্তা, ছাটনিসহ বিভিন্ন প্রকারের দেশীয় সমন্বয়ে মধ্যহ্নভূজের। মধ্যহ্নভুজের উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল চৌধুরী। বিকালে আলোচনা সভা শেষে ঘুড়ি উড়িয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন সুরসইয়া বাকের। পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ উপলক্ষে বিকাল তিনটায় শুরু হয় এক প্রীতি সন্মিলন। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রীতি সম্মিলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা কামাল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও নারী নেত্রী সুরাইয়া বাকের, বাঁশবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত আলী জাহাঙ্গীর, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বাদশা ফেয়ারল্যান্ডের স্বত্বাধিকারী ডক্টর মোঃ শাহীদুল আলম মিন্টু। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বিএসসির সঞ্চালনে অনুষ্টিত সভায় আলোচনা রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইঞ্জিনিয়ার কামরুদ্দৌজা, অধ্যক্ষ নাছির উদ্দিন, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টি সভাপতি লায়ন কাজী আলী আকবর জাসেদ, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সারওয়ার উদ্দিন লাভলু,সাংবাদিক লিটন চৌধুরী,খায়রুল ইসলাম,ইমাম হোসেন স্বপন,সমাজ সেবক ইকরাম উল্লাহ নয়ন,পৌর ছাত্রলীগ নেতা আমজাদ হোসেন,ছাত্রনেতা কামরুল,তবরেজ,হিরু প্রমুখ। বক্তারা বলেন, সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন তাদের লিখুনী মাধ্যম ছাড়াও বিগত দুই বছর বহু উন্নয়নমুলক, সামাজিক কর্মকান্ডে যেভাবে অবদান রেখেছে তা ঈর্ষানীয়।নতুন কমিটিও ঠিক একইভাবে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে। অনুষ্ঠানে আজকের সূর্যোদয়ে সেরা সাংবাদিক নির্বাচিত হওয়ায় কামরুল ইসলাম দুলুকে ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মাননা জানান বাঁশবাড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীরসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। সভা শেষে সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের ২০১৮-২০ইং সেশনের ১১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। শনিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়া সিবীচে বর্ষবরণ ও প্রীতি সন্মিলনের মাধ্যমে এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষনা করেন সীতাকুণ্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী বাদশা ফেয়ার ল্যান্ডের স্বত্বাধিকারী ডক্টর মোঃ শাহীদুল আলম মিন্টু। নতুন কমিটিতে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সীতাকুণ্ড নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সীতাকুণ্ড টাইমস.কম এর সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিএসসি।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম সিআরবিতে সাহাবউদ্দিনের বলীখেলা
নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নগরীর সিআরবিতে আয়োজিত সাহাবউদ্দিনের বলীখেলায় হঠাৎ দুই ফরাসী যুবক রিংয়ে (বলীদের প্রস্তুতকৃত মাটির মাঠ) ওঠে পড়েন। বলীখেলা আয়োজক উপ-কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিনের কাছে গিয়ে খেলায় অংশ নেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন ফ্রান্সের নাগরিক জুমার্কা ও জুসিকা। শনিবার (১৪ এপ্রিল) নগরীর সিআরবির সাত রাস্তার মোড়ে অনুষ্ঠিত সাহাবউদ্দীনের বলীখেলার দৃশ্যপট এটি। ওই ফরাসী ২ যুবক বলীখেলায় অংশ নিতে রিংয়ে উঠতেই উপস্থিত দর্শনার্থীরা কলতালিতে মুখরিত করে তুলেন সিআরবি প্রাঙ্গন। এসময় ২ ফরাসী যুবক নানা ভঙ্গিমায়, হাত নাড়িয়ে শ্রোতাদের আরও উৎসাহিত করে তোলেন। অনুমতি পেয়েই কাঁধ থেকে ব্যাগ নামিয়ে দুইজনই বলীখেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে নিতেই দশনার্থীরা করতালির মাধ্যমে তাদের অভিবাদন জানান। পরে বলীখেলার রেফারি মো. মালেক তাদের বলীখেলার কিছু নিয়মকানুন সম্পর্কে ধারণা দেন। এরপর শুরু হয় দুই ফরাসীর বলীযুদ্ধ। মিনিট তিনেকের লড়াইয়ে জুসিকাকে পরাস্ত করে বিজয় ছিনিয়ে নেন জুমার্কা। সাথে সাথে দর্শনার্থীরা করতালির মাধ্যমে তাদের আবারও স্বাগত জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বৈশাখী বর্ণিল উৎসবে প্রাণে প্রাণে বাজে নবআনন্দ :ড. অনুপম সেন
মহান স্বাধীনতার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা নবপ্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যেশ্যে আজ ১লা বৈশাখ ১৪২৫ বাংলা কর্ণফুলী তীরবর্তী প্রাঙ্গণে ফিশারীঘাট, মেরিনড্রাইভ রোডে বৈশাখী মিলন মেলায় ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এর পৃষ্ঠপোষকতায় ইউনিটেড এর উদ্যোগে উদ্বোধকের বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, একুশে পদকপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, হাজার বছরের গর্ব গৌরব বাঙালি আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিপুল রক্তক্ষরণে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের দিয়েছে যে অহংকার ও মানুষের প্রত্যাশিত অধিকার, সেই ঐতিহ্য-ইতিহাসকেই আমরা দাঙ্গাবাজ দিনগুলোর চেয়ে অন্যরকম, আরও বেশি কিছু। বিশেষ করে নতুন বছরের প্রথম সকলটা, ঠিক অষ্টাদশী সুম্রী মুখের হাসির মতো। বাংলা নববর্ষ বরণ করতে নারীরা নিজেকে আরও সুন্দর করে সাজান। তাদের কালো খোঁপায় ঝোলে শুভ্র সাদা বেলি ফুলের মালা, চঞ্চলা হাতের মুঠোয় মাথা দোলায় রজনীগন্ধা। ছোট-বড়, নারী পুরুষ, বার রঙিন কাপরে মনেতেও লাগে রঙ। বর্ণিল উৎসবে প্রাণে প্রাণে বাজে নবআনন্দ। প্রত্যাশার আলোয় উদ্বাসিত হয়ে ওঠে চারদিক। আজ সেই দিন, স্বাগত ১৪২৫, শুভ নববর্ষ। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণ। এই ভাষণের মধ্য দিয়ে নিরস্ত্র বাঙালি একটি সশস্ত্র জাতিতে পরিণত হয় এব বাঙালি স্বাধীনতা অর্জনে অভীষ্ট লক্ষ্যের পথে এগিয়ে যায়। উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আব্রাহাম লিঙ্কন, উইনসন চার্চিল ও মাটি লুখার কিং জুয়িরের ঐতিহাসিক তিনটি ভাষণের চেয়েও বঙ্গববন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় অসাধারণ। রেসকোর্স ময়দানে ১০ লক্ষ মানুষের সমাবেশে পৃথিবীর ইতিহাসে নজীর বিহীন ঘটনা। এই ভাষণটিতে মূর্ত হয়েছে বাঙালির হাজার বছরের শোষণ বঞ্চনার করুণ চিত্র এবং বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির আকাক্সক্ষা। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির লড়াইয়ের রেলচিত্র বর্ণনা করে বলেন, স্বাধীনতার পর পরই এদেশে ৭০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে ছিল। এখন তা ২২ শতাংশে মানুষ সেই সময় মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ৬০ ডলার। বর্তমানে তা ১৪০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষে কমপক্ষে আরো দু দফা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে। বৈশাখী মিলনমেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের চিরন্তন উৎসব। বাঙালির সংস্কৃতির ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখ আমাদের আপন শিখরে প্রেম শক্তিতে উজ্জীবিত হওয়ার দিন। বাঙালির প্রাণের উৎসবের দিন। লোক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, বর্ষবরণ ১৪২৫ উৎসবে মেতে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, অনেক বাঁধা ও প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগুচ্ছে। এই অভিযাত্রা অব্যাহত রাখতে ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে এখন থেকেই নির্বাচনমুখী কার্যক্রম শুরু করতে হবে। বঙ্গবন্ধু শুধু ভৌগলিক স্বাধীনতা নয়, বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তি তাঁর প্রধান আকাক্সক্ষা ছিল। তাই তিনি স্বাধীনতার পর দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু বাঙালিকে শৃঙ্খলিত করার জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে হয়েছিল। তিনি আলো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশেষ উন্নয়নের রোল মডেল। এই অর্জনকে ধরে রাখার জন্য জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্ণফুলী তীরবর্তী ফিশারীঘাট, মেরিন ড্রাইভ রোডের বৈশাখী মিলন মেলায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু , চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জি: মানস রক্ষিত, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আঞ্জুমান আরা চৌধুরী আঞ্জি, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, উপ দপ্তর সম্পাদক জহুর লাল হাজারী, আওয়ামী লীগ নেতা বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, কার্যনির্বাহী সদস্য সৈয়দ আমিনুল হক, অমল মিত্র, মহবক্ষত আলী খান, নুরুল আমিন শান্তি, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, থানা আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল, সাহাব উদ্দিন আহমেদ, আনসারুল হক, রেজাউল করিম কায়সার, মহানগর যুবলীগের আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু, দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুল হক সুমন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নুরুল আজিম নুরু, আবুল কাশেম, শেখ সরোওয়ার্দ্দী, দিলদার খান দিলু, আবদুস সবুর লিটন, আবদুর রহমান, মোহাম্মদ ওসমান গণি, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডিসি হিলে আগের মত যেকোন উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে :মেয়র আ.জ.ম নাছির
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বাঙালিরা সাতচল্লিশ বছর পূর্ণ করেছে। রাজনৈতিক বিপর্যয় এবং নানা চড়াই-উতড়াই পার হয়ে বাঙালি আজ উন্নয়নের সড়কে অবস্থান করছে। এখানকার লোকেরা পেছনের দারিদ্র্য, দু:খ-গ্লানিকে জয় করে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বের এক আদর্শিক স্মারক হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন সামনে এগিয়ে যাবার সময়। নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ফলে জীবনাচরণে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। ফলে পরিবর্তিত হচ্ছে মানসপথ। পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। এর জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই প্রকৃত উন্নয়নের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ে উঠবে। তাতে করে নববর্ষের তাৎপর্য প্রস্ফুটিত হবে। গতকাল ১৪ এপ্রিল ১৪২৫ বঙ্গাব্দ নগরীর নজরুল স্কোয়ার ডিসি হিল প্রাঙ্গণে সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন পরিষদ আয়োজিত ৪০তম বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ডি.সি হিলে উপস্থিত নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর সময় তিনি একথা বলেন। মেয়র চট্টগ্রামের ঐতিহ্য সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র ডি.সি হিলে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চলমান রাখার এ আন্দোলনে সংস্কৃতিকর্মীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ডিসি হিলে আগের মত যেকোন উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন। মেয়র সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, চট্টগ্রামের সংস্কৃতি চর্চার সাথে ডিসি হিল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সত্য কথাটি প্রশাসন জানেন। আমার জানামতে এখানে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড আয়োজনের ব্যাপারে সরকারি কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন হওয়ায় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনে সৃষ্ট শব্দ কম্পনের কারণে ওনাদের সামান্য অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু এ সমস্যা তো সহজেই সমাধান যোগ্য। তিনি আরো বলেন, ডিসি হিলে বিগত ৪০ বছর ধরে নববর্ষের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে আসছে। নববর্ষের উৎসব বলতে চট্টগ্রামের মানুষ ডিসি হিলের অনুষ্ঠানকেই বুঝেন। সুতরাং চট্টগ্রামের নববর্ষ পালনের ইতিহাসের সাথে ডিসি হিল ও জড়িয়ে গেছে। এখানে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বন্ধ করা যাবে না। প্রয়োজনে আমি বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের সাথে বসব আলোচনা করব। এ ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। ওনাদের অসুবিধাগুলো পর্যালোচনা করা হবে। অনুষ্ঠান আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তাদের যাতে কোন সমস্যা সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে আলোচনা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে যাতে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয় বা নিয়ন্ত্রিত কর্মসূচী পালন করা হয় সে বিষয়েও পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংস্কৃতি কর্মীদের অনুরোধ জানানো হবে। সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আহমেদ ইকবাল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, চ.সি.ক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, নগর আওয়ামীলীগের সদস্য বেলাল আহমেদ, মোরশেদুল আলম, সংস্কৃতি কর্মী অলোক ঘোষ পিন্টু, পঞ্চানন চৌধুরী, সুচরিত দাশ খোকন, মোহাম্মদ আলী টিটু, আবদুল হাদী, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, রিপন বড়–য়া প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো নববর্ষ ১৪২৫
বাগেরহাটেআজপহেলা বৈশাখ! ৪৩৬ বছরেরঐতিহ্য অনুযায়ীবাংলাবছরেরপ্রথমদিন। বিশ্বেরসকলবাঙালিরমুখেমুখেআজ এই শব্দদু’টি। অতীতেরহতাশা-গ্লানিভুলেনতুনবছরকেবরণকরারপ্রত্যয়নিয়েপ্রতিবছরেরমতোই এ দিনটিউদযাপনকরছেবাংলাদেশ। আজ ভোরেসূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রাশুরু করেছেনতুন বঙ্গাব্দ ১৪২৫।বর্ষবরণ অনুষ্ঠানেরমধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখীগান ও সাংস্কৃতিকঅনুষ্ঠান। জেলাপ্রশাসনের উদ্যোগেএসবকর্মসূচিপালিতহয়েছে।নতুনবছরের মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে সব বয়স ও শেণী-পাশারমানুষ। শনিবারসকালসাড়ে ৮টায় বাগেরহাটে জেলাপ্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণিল মঙ্গল শোভাযাত্রা বেরহয়। শোভাযাত্রাটিশহরেরপ্রধানপ্রধানসড়ক প্রদক্ষিণকরেবিভিন্নসড়ক প্রদক্ষিণকরে শেষ হয়। এ সময়বাঙালিরবিভিন্নঐতিহ্য তুলেধরাহয়। জেলাপ্রশাসনের উদ্যোগে বেরহওয়া শোভাযাত্রায় অংশ নেন বাগেরহাট-৪ আসনেরসংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন, বাগেরহাট-২ আসনেরসংসদ সদস্য অ্যাডভোকেটমীরশওকাতআলীবাদশা, সংরক্ষিতমহিলাআসনেরসংসদ সদস্য হ্যাপিবড়াল, বাগেরহাটের জেলাপরিষদ চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, বাগেরহাটের জেলাপ্রশাসকতপনকুমারবিশ্বাস, বাগেরহাটসিভিলসার্জনডাঃঅরুন চন্দ্র মন্ডলপুলিশসুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়,বাগেরহাট পৌরসভার মেয়রখানহাবিবুররহমান. বাগেরহাটেরসদরউপজেলাপরিষদের চেয়ারম্যানখানমুজিবররহমান, প্রমুখ, শিশুএকাডেমীশিশুদেরনিয়েপহেলা বৈশাখেরঅনুষ্ঠানমালারআয়োজনকরে। আপরদিকেবাগেরহাটের মোরেলগঞ্জেআয়োজনকরাহয়েছেবর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, রুই-পান্তা, সাংস্কৃতিকঅনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলা।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
খেলাধুলা মন ও শরীরকে প্রফুল্ল রাখে, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা মেধাকে বিকশিত করে :ড আবু রেজা নদভ
১৪ এপ্রিল শণিবার ২০১৮ ইং বিকেল তিনটায় সাতকানিয়া উপজেলা ছদাহা কেফায়েত উল্লাহ কবির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, খেলাধুলা মানুষের মন ও শরীরকে প্রফুল্ল রাখে, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা মেধাকে বিকশিত করে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রেখে সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চায় ছাত্র-ছাত্রীদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারলে আমরা সুশিক্ষার পাশাপাশি স্বশিক্ষিত জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারব। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড-ই পারে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। বহু ধর্ম-বর্ণের জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে অভিন্ন সাংস্কৃতিক চর্চা মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। স্কুল পরিচালনা ককমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইসহাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান দুলাল,ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ হোসেন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য খানে আলম মিন্টু, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক হারেজ মোহাম্মদ, স্থানীয় সাংসদের সহকারী একান্ত সচিব এস এম সাহেদ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মাদ জুনায়দ,সাতকানিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল,সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, দিদারুল আলম শিপন,ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রীছ প্রমুখ । প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বেনাপোল বলফিল্ড মাঠে,কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্ত মঞ্চ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন
বাংলা নববর্ষের দিনে ঐতিহ্যবাহি বেনাপোল বলফিল্ড মাঠে বেনাপোল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও মুক্ত মঞ্চ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। শনিবার সকাল ৯ টার সময় বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনে দলীয় নেতা কর্মী ও স্কুল কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে তিনি বলফিল্ডের পূর্ব দক্ষিন পাশে বেনাপোল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষায়ক সম্পাদক আসিফ উদ দৌলা সরদার অলোক, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, বেনাপোল পৌর প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু, কমিশনার মিজানুর রহমান, রাশেদ আলী, বেনাপোল পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আহসান উল্লাহ, সাবেক শিক্ষক শহিদুল্যাহ, মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক হাছিনারা বেগম প্রমুখ।
দুই বাঙালিদের মিলন মেলা,পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও সীমান্তে
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও সীমান্তে প্রতিবছরের মতো এবারও হয়ে গেলো বাংলাদেশি ও ভারতে বসবাসরত বাঙালিদের 'মিলন মেলা'। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দু'দেশের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেয়া হয় তাদের। দীর্ঘদিন পর নিকট আত্মীয়কে কাছ থেকে দেখতে পেয়ে খুশি তারা। পঞ্চগড় নতুন বছরে পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ২ বাংলার মানুষ মিলিত হয়। সকালে অমরখানা, শুকানি, ভুটিপুকুরি ও মাগুরমারী সীমান্তে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের ঢল নামে। অনেকদিন পর আপনজনদের কাছ থেকে দেখতে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তারা। কাঁটাতারের বেড়ার উপর দিয়েই উপহার সামগ্রী বিনিময় করে দুই বাংলার মানুষ। এসময় আনন্দে অশ্রুসিক্ত হয় অনেকেই। দেখা করতে আসা এক বয়স্ক ব্যক্তি জানান, বিশ বছর পর আমার সাথে দেখা হইছে। ওনার সাথে দেখা হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। অন্য আরেক জানান, এই উদ্যোগে আমরা খুবই খুশি। সরকারের কাছে অনুরোধ প্রতিবছরই যেন এটিই অব্যাহত থাকে। বিজিবি ও বিএসএফ এর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর