কবিয়াল ফণী বড়ুয়ার স্মরণসভায় বক্তারা,কবিয়াল ফণী বড়ুয়ার গান শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রেরণা
রাজীব চক্রবর্তী ,চট্টগ্রাম :অসাম্প্রদায়িক শোষণমুক্ত ও ধনী-গরিব বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন কবিয়াল ফণী বড়ুয়া। যেখানে মানুষ শোষিত ও অধিকার বঞ্চিত সেখানেই কবিয়াল ফণী বড়ুয়া কবিগানের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদে জেগে উঠতেন। আজীবন ধর্মান্ধতা কুসংস্কার ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যিনি সব সময় প্রতিবাদী ও সোচ্চার ছিলেন তিনি উপমহাদেশের খ্যাতনামা কবিয়াল ফণী বড়ুয়া। ইতিহাসের পথ পরিক্রমায় বলা চলে কবিয়াল ফণী বড়ুয়ার গান শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রেরণার উৎস। কবিয়াল ফণী বড়ুয়ার ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিলের উদ্যোগে শনিবার ৩০ জুন নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমী মিলনায়তনে উপমহাদেশের খ্যাতনামা কবিয়াল চট্টল মনীষী ফণী বড়ুয়ার ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএসটিসি চট্টগ্রাম উপাচার্য প্রফেসর ডাক্তার প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফুলকলির জি এম এম এ সবুর। চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান। সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মৃণাল কান্তি বড়ুয়া। বিশিষ্ট নাট্যজন ও সাংবাদিক সুজিত কান্তি দাস। সজল চৌধুরী, বিশিষ্ট সাংবাদিক সমীরণ বড়ুয়া ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডাক্তার মোঃ জামাল উদ্দিন, রাউজান ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মহিলা সদস্য লাকী চৌধুরী। সভার উদ্বোধন করেন সাবেক সিনিয়র সহকারী জজ এডভোকেট মনজুর মোহাম্মদ খান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ইতিহাস গবেষক সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন। রাজনীতিবিদ স্বপন সেন,কবিপুত্র ডাক্তার সন্তোষ বড়ুয়া, ডাক্তার পরিতোষ বড়ুয়া, কবিয়াল কল্পতরু ভট্টাচার্য, শিল্পী মানস পাল, শিল্পী শেখ নজরুল ইসলাম মাহমুদ। অধ্যক্ষ রতন দাস গুপ্ত চন্দন পালিত মুক্তিযোদ্ধা এসএম লিয়াকত হোসেন, এমএ জাফর, সৈয়দা শাহনাজ বেগম, রুমকি সেনগুপ্ত, শবনম ফেরদৌসী, রাজীব চক্রবর্তী , কুতুব উদ্দিন রাজু, সিআর বিধান বড়ুয়া জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, কবি আসিফ ইকবাল, ইমরান সোহেল, রায়হান মাহফুজ, হোসেন মিন্টু প্রমুখ।
শুধু শিক্ষিত নয় সুশিক্ষিত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে :মনজুর আলম
সারাদেশের মত উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজেও গতকাল শুরু হয়েছে এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস। উদ্বোধনী ক্লাসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এম মনজুর আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এম মনজুর আলম এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্যেশ্যে বলেন, ‘তোমরা দীর্ঘ দশ বছর স্কুল জীবনের পড়াশোনা শেষ করে নতুন আর একটি শিক্ষাজীবনে পদার্পণ করেছো। নতুন শিক্ষাঙ্গনে তোমাদেরকে কলেজের পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। সাথে সাথে তোমাদের কলেজ জীবনের যাত্রা শুভ হোক আমি সেই কামনা করছি। একটি কথা মনে রাখবে, এই নতুন পরিবেশে আসছো পড়াশোনা করার জন্য। এখানে পড়াশোনা করবে। এর বাইরে কোন কিছু আমরা আশা করবনা। ১৯৯৪ সালের ২৭ মে এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলেজে কোন রাজনীতি চর্চা হয় না। এটি সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত কলেজ। সার্টিফিকেট আর পাশ করার জন্য পড়াশুনা নয়, পড়াশুনা হতে হবে জ্ঞান অর্জনের জন্য। সাথে সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও সমাজ সেবায় অবদান রাখতে হবে। পড়াশোনা মানুষকে শুধু শিক্ষিত করেনা। সাথে সাথে একজন বড় মাপের মানুষও হতে শেখায়। টাকার অভাবে কোন শিক্ষার্থী এই কলেজে পড়াশোনা করতে পারেনি এমন কোন নজির এই কলেজে নেই। সবাই যাতে ঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারে সেই ব্যাপারে কলেজ কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকে। প্রভাষক লায়লা নাজনীন রব এর সঞ্চালনায় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপাধ্যক্ষ বাদশা আলম, অধ্যাপক অসীম চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুল হক চৌধুরী, মোঃ আবু ছগির ও কাজী মাহবুবুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রোহিঙ্গাদের কথা শুনতে কক্সবাজারে গুতেরেস-জিম
কক্সবাজার পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনি গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। সোমবার সকাল নয়টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মুসলিম রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দেখতে ও দুর্দশার কথা তাদের মুখ থেকে শুনতেই গুতেরেস এবং জিম কক্সবাজার সফর করছেন। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে তাদের দু’জনকে হোটেল সায়মনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল পরিবর্তন ডটকমকে জানান, হোটেল সায়মন থেকে সকাল ১০টার পরে জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট উখিয়ার টিভি টাওয়ার এলাকার রোহিঙ্গা ট্রানজিট পয়েন্ট পরির্দশন করবেন। সেখান থেকে তারা কুতুপালংয়ের ডি ৪ ও ডি ৫ রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও সরাসরি তাদের দুর্দশার কথা শুনবেন। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থার ত্রাণ কেন্দ্র, চিকিৎসা সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ঘুরে দেখবে গুতেরেস ও জিম। এরপর বিকেলে তারা ঢাকায় ফিরবেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট এমন এক সময়ে বাংলাদেশ সফর করছেন, যখন রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ নিয়ে মিয়ানমার সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমশ বাড়ছে। বিগত কয়েক দশকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে চার লাখের মতো রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। আর গতবছরের ২৫ আগস্ট এমনই এক অভিযানের মুখে রাখাইন থেকে নতুন করে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে আসছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সংকটকে এশিয়ার এ অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকার গত বছরের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করলেও তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। এর আগে ২০০৮ সালের ২৭ মে গুতেরেস কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছিলেন। তখন তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের প্রধান ছিলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব নেয়ার পর বাংলাদেশে এটাই তার প্রথম সফর। তবে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম দুই বছর আগেই একবার বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। এর আগে দুদিনের সফরে শনিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। আর তিনদিনের সফরে শনিবার বিকেলে ঢাকায় আসেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।
ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২ এর সদস্যরা। রোববার বিকেল ৫টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ও ৪ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষের নারায়ন চন্দ্র দাসের ছেলে জীবন চন্দ্র দাস (৩৫), আকুর টাকুর পাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (২৭) এবং একই এলাকার বাদল আকন্দের ছেলে তোহিদ লিখন (২৮)। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে র‌্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার রবিউল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। কোম্পানী কমান্ডার রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪০ পিস ইয়াবা ও ৪ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো বলেন, গ্রেফতাররা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক টাঙ্গাইল জেলার সদর থানা এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে থাকে। এলাকায় বিভিন্ন মাদকসেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ এবং যুবকদের মাদকসেবনে উদ্বুদ্ধ করে আসছে। এ ব্যাপারে মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভবন নির্মাণের ঘোষণা এসএমএসে ফেনীতে প্রাইমারি স্কুলে বাঁধভাঙ্গা আনন্দ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নতুন ভবন নির্মাণ ঘোষণার পর বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ারে ভাসছে ফেনীর পাঁছগাছিয়া ইউনিয়নের রতনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কোহিনুর আক্তার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিদ্যালয়টির ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেয়ায় এলাকাবাসী দারুণ খুশি।’ তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবনের শুরুতে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন আফজালুর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলেও সনদের জন্য আগ্রহ দেখাননি। অসুস্থতাজনিত কারণে চাকরি ছেড়ে এলাকায় চলে আসেন। স্বাধীনতা পরবর্তী দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৭২ সালে বাড়ির পাশেই ৪৫ শতাংশ জায়গায় প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমান। ৭৪ সালে তৎকালীন জেলা গভর্নর খাজা আহম্মদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। ওই স্কুলে আধাপাকা টিনশেড ভবনের তিনটি কক্ষে শ্রেণি কার্যক্রম চলত। ওই ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়লে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে আরেকটি ভবন নির্মাণ করা হলেও সেটিতেও শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান হয় না। ছাদের পলেস্তরা খসে পড়েছে। বৃষ্টিতে ছাদ ছুইয়ে পানি পড়ে। বর্ষায় দুই ক্লাসের শ্রেণি কার্যক্রম চলে একসাথে। এনিয়ে দীর্ঘদিন নানা চেষ্টা করেও ফল হয়নি। জীবদ্দশায় দেখে না গেলেও তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলের ভবনের ব্যবস্থা হয়েছে। তার ছেলের এসএমএস পেয়ে স্কুলভবন নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই ঘোষণায় পুরো এলাকায় খুশির জোয়ার বইছে। এলাকাবাসী এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে ছুটে যান। আফজালুর রহমানের একমাত্র সন্তান সৌদি প্রবাসী আনোয়ার হোসেন খোকন ২২ জুন প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল ফোন নম্বরে একটি এসএমএস পাঠান। খোকন স্কুলটির কোড নম্বর পাঠিয়ে জানান, স্কুলটি মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমানের জায়গাতে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষের অভাবে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনা করতে পারছে না। এসএমএসটি পাওয়ার পর ওই দিন ভোর সাড়ে ছয়টায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর একান্ত সচিব (১) তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। আর স্কুলটির কোড নম্বর মিলিয়ে একান্ত সচিব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এর সাথে যোগাযোগ করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পৌঁছে দেন। এরপর ৩০ জুন শনিবার বিকালে পাঁচ শ্রেণিকক্ষের একটি ভবনের অনুমোদন দেয়া হয়। স্কুল ভবনটিকে পর্যায়ক্রমে বহুতল করা যাবে। শিগগিরই এই ভবনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মারজাহান আক্তার বলেন, ‘এ বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধকতার কারণে ভবন নির্মাণ হয়নি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট করতে হয়।
ম্যাক্স হাসপাতাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কোনো লাইসেন্স নেয়নি
চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতাল পরিচালনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কোনো লাইসেন্স নেয়নি। নেয়নি পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই হাসপাতাল পরিচালনা করা হচ্ছে। এমন কথা জানালেন ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় সাংবাদিক কন্যা শিশু রাইফা নিহতের ঘটনা তদন্তে আসা স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, 'ম্যাক্সের লাইসেন্সে ভেজাল আছে। একটি হাসপাতাল করতে যে পরিমান জায়গা থাকার কথা আমি দেখলাম তার অনুপাতে অনেক কম। আপনারা ধৈর্য্য ধারণ করেন, আমি যেখানে গেছি হাসপাতাল বা ক্লিনিক, সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। এখানেও আপনাদের জন্য সুসংবাদ আছে।' সমকাল সাংবাদিক রুবেল খানের শিশুকন্যা রাইফা নিহতের ঘটনায় রোববার রাত পৌনে বারটায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আসে তদন্ত টিম। এ সময় সাংবাদিকদের কাছ থেকে রাইফা হত্যার বিবরণ শুনেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের গঠিত তদন্ত টিমের প্রধান এই কর্মকর্তা। কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, 'রাইফা হত্যায় ঘটনায় মন্ত্রী মহোদয় আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনের মধ্যে এটাই আমার প্রথম ভিজিট। তবে সরকারি অনেক হাসপাতাল আমি পরিদর্শন করেছি। যেখানে গিয়েছি সোজা হয়ে যেতে হয়েছে।' তিনি বলেন, 'আমি ঢাকায় গিয়েই প্রথমে ম্যাক্স হাসপাতালকে নোটিশ করবো। এরপর জওয়াব দেযার পরই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মনে রাখবেন, কেউ কাওকে মন্দ বললো, আর সরি বলে পার পাবে সেটা সম্ভব না। সেটা ব্যক্তিবিশেষ হতে পারে। এখানে অপরাধ করার পর সরিতে মুক্তি দেয়ার সুয়োগ নেই।' বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সম্পর্কে তিনি বলেন,'দেশের কতটি হাসপাতাল অনুমোদিত তা ঘরে বসেই দেখা যাবে। এখন আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যেতে হবে না। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিবন্ধিত (সরকার অনুমোদিত) সরকার হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগস্টিক সেন্টারের তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেয়া হবে। এরপরই দেশের সরকারি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ওই তালিকা দেখে দেখে এ্যাকশনে যাবে। এছাড়া পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে সরকার অনুমোদিত (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত) হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগস্টিক সেন্টারের তালিকা দিয়ে দেয়া হবে।' নতুন লাইসন্সে সম্পর্কে তিনি বলেন, 'একটি হাসপাতাল অনুমোদন নিতে হলে কমপক্ষে তিনজন স্থায়ী চিকিৎসক ও ৬ জন সনদধারী নার্স থাকতে হবে। এছাড়া একজন চিকিৎসক একটি হাসপাতালেই নিবন্ধিত হতে পারবেন। একাধিক হাসপাতালে নিবন্ধিত হওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। যার কারণে ব্যাংগের ছাতার মতো গড়ে ওঠা হাসপাতাল ক্লিনিক এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।' উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সম্পর্কে তিনি বলেন,'আমাকে তালিকা দেন আমি কি এ্যাকশন নেই দেখুন। ডায়াগস্টিক সেন্টারের অনেক চিকিৎসক স্বাস্থ্য বাণিজ্য করেন। দেখা গেছে চিকিৎসক হজে বা অন্য কোনো স্থানে, অথচ তার স্বাক্ষরে ল্যাব পরীক্ষার সনদ দেয়া হচ্ছে। এসব আর চলবে না।' পরে রাত সাড়ে বারটার সময় নিহত শিশু রাইফার বাবা সাংবাদিক রুবেল খানের বাসায় যায় ঢাকার থেকে আসা এই তদন্ত কমিটি। সেখানে গিয়ে তদন্ত কমিটির প্রদান কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিক রুবেল খান দম্পত্তিকে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এরপর শিশু রাইফাকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি থেকে শুরু করে মৃত্যুর পর বিএমএ নেতাদের উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বর্ণনা করেন। এই সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন সাংবাদিক রুবেল খান । মুহূর্তেই পুরো পরিবেশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়। কান্না করেন উপস্থিত সবাই। পরে কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিক রুবেল খানকে আশ্বস্ত করে বলেন, 'আমি যেটা দেখেছি ও শুনেছি সেটাই লিখবো। আমি চেয়েছিলাম পাঁচজন সাংবাদিক নেতা ও পাঁভ জন বিএমএ নেতার বক্তব্য শুনবো। কিন্তু সেটা হলো না।' এর আগে রাত নয়টার দিকে নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় আড়াই বছরের শিশু রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় সাংবাদিক ও বিএমএ নেতাদের সাথে ম্যাক্স হাসপাতালে বৈঠকে বসেন ঢাকা থেকে তদন্তে আসা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। ম্যাক্স হাসপাতালের সভাকক্ষে বৈঠকে প্রথমমে বিএমএ নেতারা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। এরপর সাংবাদিক নেতারা রাইফার চিকিৎিসা অবহেলা ও ভুল চিকিৎসা প্রদানের কথা তুলে ধরতে গেলে বাধা দেন বিএমএর কিছু নেতা। এসময় সাংবাদিকদের থামিয়ে দিয়ে তদন্তকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। তৎক্ষনাৎ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বৈঠক বয়কট করে হাসপাতাল প্রবেশমুখে অবস্থান নেন এবং দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। ওই সময় তারা অবৈধ ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ ও ভুল চিকিৎসা দিয়ে রাইফাকে হত্যায় জড়িত চিকিৎসকদের শাস্তি দাবি জানান। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি ম্যাক্স হাসপাতাল থেকে বের হয়ে নগরের কাজির দেউড়ি গিয়ে শেষ হয়। এরপরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে তদন্তে আসা টিমের প্রধান সাংবাদিক নেতাদের সাথে কথা বলতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এবং সন্তানহারা সাংবাদিক রুবেল খানের বাসায় গিয়ে বক্তব্য শুনেন। তদন্তে আসা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্য রতিনিধিরা হলেন, শেখ মো. মনজুরুল রহমান, মাকসুদুর রহমান ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। সূত্র: পরিবর্তন
ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু, সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ
নগরের বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকের অবহেলায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার রুবেল খানের আড়াই বছরের শিশু রাইফা খানের মৃত্যুর প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে সাংবাদিকরা। শনিবার (৩০ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামলের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌসের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল ভুইয়া, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরোয়ার, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সুর্য, সাবেক সভাপতি শাবান মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া কাজল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, যুগ্ম সম্পাদক তপন চক্রবর্তী, নির্বাহী সদস্য আসিফ সিরাজ, সিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাঈনুদ্দীন দুলাল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের অর্থ সম্পাদক কাশেম শাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ কুতুব, নির্বাহী সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হওয়া শিশু রাইফার বাবা সাংবাদিক রুবেল খান,নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্পাদক মো: নাছির উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ। ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর প্রতিবাদে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি: উজ্জ্বল ধরসাংবাদিক নেতারা বলেন, চট্টগ্রামের অধিকাংশ ডাক্তার সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। কিন্তু কিছু ডাক্তার নামের কলঙ্ক। এ পেশার অবমাননা করছেন। তারা চিকিৎসার নামে বাণিজ্য করছে। তারা সামান্য অসুস্থ মানুষকে অর্থের লোভে লাশ করে ফেলছে। বিএমএ’কে বিক্রি করে চিকিৎসক নামধারী ডাক্তার ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী চট্টগ্রামে বদলি বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্য, চাঁদাবাজি করছে। ফয়সাল ইকবাল নিজে আওয়ামী লীগের পরিচয় দিলেও জামায়াতের হাসপাতালের পরিচালক। তিনি মেডিকেলে তিন খুন মামলার আসামি পরিচয় দিয়ে গর্ববোধ করেন। ফয়সাল ইকবালকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেওয়া মহানগর আওয়ামী লীগ নেতাদেরও হুশিয়ার করে দেন চট্টগ্রামের সাংবাদিক নেতারা। সাংবাদিক রুবেল খান বলেন, রাইফার ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যথা শুরু হয়। এতে খাওয়ার বন্ধ করে দেয় রাইফা। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ওই রাতে চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক দিলে রাইফা অস্বস্তিবোধ
দৈনিক সমকালের রিপোর্টার রুবেল খানের মেয়ের চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ
নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে রাইফা খান (০৩) নামে এক শিশু কন্যার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৯ জুন) রাতে এ লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। রাইফা খান দৈনিক সমকালের স্টা্ফ রিপোর্টার রুবেল খানের মেয়ে। সাংবাদিক রুবেল খানের পরিবারের অভিযোগ, শিশু রাইফার গলার ব্যথাজনিত কারণে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সদের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে শিশু রাইফার মৃত্যু হয়। পরে তাৎক্ষনিকভাবে রাতেই চট্টগ্রামের সাংবাদিকনেতারা একত্রিত হয়ে ম্যাক্স হাসপাতালে অভিযুক্ত ডাক্তারসহ ৩ জনকে থানায় সোপর্দ করে। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম বাংলানিউজকে বলেন, ম্যাক্স হাসপাতালের ঘটনায় রাতেই এক চিকিৎসকসহ ৩ জনকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সাংবাদিক ও চিকিৎসক নেতাদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। কমিটিতে জেলা সিভিল সার্জন, সাংবাদিক ও পুলিশের প্রতিনিধি থাকবেন। তদন্তে কমিটির প্রতিবেদনে চিকিৎসায় কোন অবহেলা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বাংলানিউজকে বলেন, সাংবাদিক কন্যার মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। ঘটনার বিস্তারিত জানতে আমি এখন ম্যাক্স হাসপাতালে এসেছি। সূত্র: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সারা দেশ পাতার আরো খবর