ময়মনসিংহে আরও পাঁচজন করোনা আক্রান্ত
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত সন্দেহে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে নতুন করে এ আক্রান্ত ধরা পড়ে বলে জানান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ চিত্ত রঞ্জন সাহা। আক্রান্তদের মাঝে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার একজন, জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলার দুইজন এবং শেরপুরের শ্রীবর্দী ও ঝিনাইগাতির দুইজন বলে জানা গেছে। এর আগে পিসিআর ল্যাবে ৫০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে দুজনের দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা সাত জনে দাড়ালো।
নুসরাত হত্যার এক বছর
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার এক বছর আজ। ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে গেলে হল থেকে ডেকে পাশের ভবনের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা তুলে নিতে বললে, রাজি না হওয়ায় তাকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে হত্যার চেষ্টা চালায় আসামিরা। এতে তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। মৃত্যুর এক বছর পরেও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় তিনজন পুলিশ পাহারায় রয়েছেন। নুসরাতের মা বলেন, করোনা রোগে মারা গেলে মনকে সান্তনা দেয়া যেতো। কিন্তু খুনিরা কত নির্মমভাবে হাত বেধে জীবিত অবস্থায় হত্যা করেছে। তাদের ফাঁসির দণ্ড দ্রুত কার্যকর করা হোক। মামলার বাদি নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান জানান, আমরা বিচারিক আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। উচ্চ আদালতেও আমরা ন্যায় বিচার প্রত্যাশী। গত বছরের ২৪ অক্টোবর রায়ে ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে একলাখ টাকা করে জরিমানাও করেন। আসামিরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ-দৌলা (৫৭), নুর উদ্দিন (২০), শাহাদাত হোসেন শামীম (২০), কাউন্সিলর ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম (৫০), সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের (২১), জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন (১৯), হাফেজ আব্দুল কাদের (২৫), আবছার উদ্দিন (৩৩), কামরুন নাহার মনি (১৯), উম্মে সুলতানা পপি (১৯), আব্দুর রহিম শরীফ (২০), ইফতেখার উদ্দিন রানা (২২), ইমরান হোসেন মামুন (২২), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদরাসার সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন (৫৫), মহিউদ্দিন শাকিল (২০) ও মোহাম্মদ শামীম (২০)। ২৯ অক্টোবর আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) মামলার যাবতীয় কার্যক্রম হাইকোর্টে পৌঁছে। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক (মামলার যাবতীয় নথি) ছাপানো শেষ করা হয়েছিলো। পরে প্রয়োজনীয় কাজ শেষে শুনানির জন্য মামলাটি প্রধান বিচারপতি বরাবর উপস্থাপন করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি। করোনা ভাইরাসের সংকটময় পরিস্থিতি কেটে গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি হবে। করোনা সংক্রমণে রাষ্ট্র কিছু আসামীদের সাধারণ ক্ষমা করলোও নুসরাত মামলার আসামিরা সে ক্ষমার আওতায় আসবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। এই মামলায় ২৮ মে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০ জুন অভিযোগ গঠন করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মামলাটিতে মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্ততর্ক গ্রহণ করা হয়।
চিকিৎসকের অবহেলায় ওসির স্বামীর মৃত্যুর অভিযোগ
১০এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলায় নড়াইলের নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুনের স্বামী আহসানুল ইসলাম এর মৃত্যু অভিযোগ উঠেছে ।বৃহস্পতিবার সকালে যশোর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে তার মৃত্যু হয়। তবে চিকিৎসকদের দাবি, কার্ডিয়াক অ্যাটাকে মারা যাওয়া ওই রোগীর চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয়নি। নড়াইলের নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে বেনাপোলে পি ম্যান হিসেবে কর্মরত। তিনি যশোর কোতয়ালী থানার স্টাফ কোয়ার্টারে থাকেন। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ করে স্বামী আহসানুলের বুকে ব্যথা ওঠে, দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। কিছু সময়ের মধ্যে তিনি যশোর কোতয়ালী থানার ওসিকে ফোন দিয়ে তার স্বামীকে হাসপাতালে পাঠান। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ তাকে ভর্তি নিয়ে করোনারি কেয়ার ইউনিটের সিসিইউ ওয়ার্ডে পাঠায়। সেই সময় দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসক ওষুধ লিখে রোগীর পায়ের কাছে স্লিপ রেখে চলে যান। শ্বাসকষ্ট হলেও তাকে অক্সিজেন দেয়া হয়নি।মানবজমিন। পরে ফোন দিলে তার স্বামী ফোন রিসিভ করেননি। পাশের বেডের রোগীর স্বজনরা ফোন ধরে চিকিৎসায় অবহেলার কথা জানান এবং বলেন, রোগীর অবস্থা খুব খারাপ। ওষুধ আনতে হবে। এ সময় পাশের বেডের রোগীর স্বজনদের তিনি ওষুধ কিনে আনতেও অনুরোধ করেন। পরে তিনি স্বামীর মৃত্যুর খবর পান। হাসপাতালের রেজিস্ট্রার অনুযায়ী সকাল ১০টার দিকে ওই রোগী মারা যান। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের থানাগুলোর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রথম এই নারী কর্মকর্তা অশ্রুশিক্ত হয়ে বলেন, আমি এত লোকের সেবা করে বেড়াচ্ছি, অথচ শুধু ডাক্তারের অবহেলায় আমার স্বামী মারা গেল। আমার সন্তানরা এতিম হলো। পুলিশ এত সেবা দিচ্ছে অথচ পুলিশ পরিবার আজ সেবা পাচ্ছে না। বলেও অভিযোগ করেন তিনি । তবে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো তার স্বজনদের গাফিলতির দিকে আঙুল তুলছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তির পর চিকিৎসক তাকে দেখে চিকিৎসাপত্র দেন। হাসপাতাল থেকে যা সরবরাহ করার, তা রোগীকে দেয়া হয়। কিন্তু বাইরে থেকে ওষুধ আনার দরকার ছিল। তবে রোগীর পাশে তার কোনো লোক না থাকায় সেটা আনা হয়নি। তাছাড়া রোগী মাত্র ১০ মিনিট সময় দিয়েছে। ফলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
অনির্দিষ্টকালের জন্য চাঁদপুর জেলা লকডাউন
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য চাঁদপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে লকডাউন কার্যকর হবে। জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দেয়া হয়। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবেলা, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির চাঁদপুরের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক চাঁদপুর জেলাকে অবরুদ্ধ (লকডাউন) ঘোষণা করা হল। এ জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থানের নিষিদ্ধ করা হল। এতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সড়ক ও নৌপথে অন্য কোনো জেলা হতে কেউ এ জেলায় প্রবেশ করতে বা জেলা হতে অন্য কোনো জেলায় গমন করতে পারবেন না। জেলার অভ্যন্তরে আন্তঃউপজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রে একই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হবে। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সব ধরনের গণপরিবহন জনসমাগম আগের মতো বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা যেমন চিকিৎসা খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, সংগ্রহ ইত্যাদি এর আওতা বহির্ভূত থাকবে। জেলায় এখনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোয় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী থাকায় এবং নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন আসায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
ভালুকা পৌরসভার তোতাখার ভিটা স্বেচ্ছায় লকডাউনের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবার বহিরাগতদের গমন ঠেকাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ভালুকা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের তোতাখার ভিটা।প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামন প্রতিরোধে স্বেচ্ছায় লকডাউন করেন তোতাখার ভিটার যুবসমাজ।গত ৭এপ্রিল রাত থেকে এই মহল্লার ৪টি প্রবেশ পথ বন্ধ করে দিয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ এ মহল্লায় প্রবেশ করতে পারবে না এবং অত্র মহল্লার কেউ অন্য মহল্লায় প্রবেশ না করার ঘোষণা দেন । সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশের ন্যায় এ উপজেল যানবাহন ও লোকজনের চলাচল সীমিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু সেই বাধা অতিক্রম করে কিছু লোক অপ্রয়োজনে এই মহল্লায় অবাধে চলাফেরা করে, ফলে করোনা সংক্রমানে ঝুঁকির কথা চিন্তা করে যুবসমাজরা বৈঠক করে এ মহল্লাকে সেচ্ছায় লকডাউন ঘোষণা করেন। পাশাপাশি এ মহল্লার ৪টি প্রবেশ পথে বন্ধ রাখা হয় । জরুরী প্রয়োজনে কাউকে প্রবেশ করতে হলে তাকে জীবানুমুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে হচ্ছে। অত্র মহল্লার লুৎফর, রাকিব,রুমেল,তানভির,তসলিম,জিল্লু,আহাদ,শাওন, বাবু,অন্তর,মুক্তার মাষ্টার,ছোট মামুন,বড় মামুন,সাংবাদিকদের জানান,আমরা নিজেকে ও মহল্লার মানুষদের কে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করার জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছি। তাঁরা আরো জনানা, জরুরী প্রয়োজনে ছাড়া আমরা নিজেদের সুরক্ষায় অন্য মহল্লায় প্রবেশ করব না । এবং কেউ বাহিরে থেকে আমাদের মহল্লায় আসলে বাঁধা প্রদান করব । সেই সাথে আমরা নিজ মহল্লার মসজিদের মাইকে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেউ যেন বাড়ির বাহির না হয় সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। এ ব্যাপারে অত্র পৌরসভার প্যানেল মেয়র আনছারুল ইসলাম (সবুজ) জানান, করোনা মোকাবিলায় সরকার চাচ্ছে ঘর থেকে কেউ যেন বের না হয়। সে উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ ভালো হয়েছে। আমরা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্র মহল্লায় যেন করোনা ভাইরাস থেকে সবাই নিরাপত্তা থাকতে পারে সে জন্য আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীত থাকবে।
মাদারীপুরে ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যা নিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:মাদারীপুরে ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যা নিয়ে কিশোর কুমার দাস (২৬) নামের এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার (০৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের সময় ঢাকায় কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত কিশোর কুমার দাসের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে, তিনি মাদারীপুর জেলা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন।মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান জানায়, গত ৭ এপ্রিল শিবচরে ডিউটি থাকা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে ২৬ বছর বয়সী কনস্টেবল কিশোর কুমার। পরে সেখান থেকে তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে ওইদিনই ভর্তি করা হয় ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত দেড়টায় মারা যান তিনি। কিশোর কুমারের ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত সমস্যা ছিলো বলে জানায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান।
সুনামগঞ্জে করোনা রোগীদের বিনামূল্যে এ্যম্বুলেন্স দিলেন ব্যারিষ্টার ইমন
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,দিলাল আহমদ, সুনামগঞ্জ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা উপসর্গ বা করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিনামুল্যে জরুরী স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে, নান্দনিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নান্দনিক হেলথ সাপোর্ট নামে এ্যম্বলেন্স প্রদান করেন নান্দনিকের প্রতিষ্ঠাতা ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মুখে সিভিল সার্জন ডা: শামস উদ্দিনের হাতে এ্যাম্বলেন্সের চাবি তুলে দেন ব্যারিস্টার ইমন। ব্যারিষ্টার ইমন বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আমাদের দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। করোনা আক্রান্ত বা করোনা উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের হাসপাতালে আনা নেয়া করতে জরুরী প্রয়োজনে একটি এ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের সৈনিক হিসেবে এই করোনা ভাইরাস উপেক্ষা করে মাঠে আছি, ঘরবন্দি মানুষের সাহায্য সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা করছি। এই এ্যাম্বলেন্সটি কাভার না হলে আরও দেয়ার চেষ্টা করব। সিভিল সার্জন ডা: শামস উদ্দিন বলেন, জরুরী প্রয়োজনে একটি এ্যাম্বুলেন্স পাওয়া গেলে। এই এ্যাম্বুলেন্স এর কোন ভাড়া নেয়া হবে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: আশরাফুল ইসলাম, ইমনের সহধর্মীনি ব্যারিস্টার ফারজানা আক্তার শীলা, দৈনিক হাওরাঞ্চলের কথার সম্পাদক ও প্রকাশক, এসএ টিভি জেলা প্রতিনিধি মাহতাব উদ্দিন তালুকদার, সদর হাসপাতালের আরএমও ডা: রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
১০ টাকা কেজি চাল কালো বাজারে, ৩ ইউপি সদস্যসহ আটক ৬
0৯এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও রায়গঞ্জে ১০ টাকা কেজি চালের (ফেয়ার প্রাইজ) কার্ড বিতরণে অনিয়ম ও কালো বাজারে চাল বিক্রির অভিযোগে তিন ইউপি সদস্যসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, কাজিপুর উপজেলার সোনামুখি ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য আমিনুল ইসলাম, ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আসাদুল এবং ৪,৫ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য শরবানু বেগম এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রহ্মগাছা ইউপির হাসিল গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে ফেয়ার প্রাইজ চালের ডিলার মোজাফফর আলম (৩৫), একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৫০) ও শাহজাহান আলী (৫২)। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, সরকারের খাদ্য বান্ধব ফেয়ার প্রাইজ কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড বিতরণ না করে নিজেদের কাছে রেখেছিলেব তিন ইউপি সদস্য আমিনুল, আসাদুল, শরবানু বেগম। মঙ্গলবার তাদের কাছ থেকে ৫৩টি কার্ড উদ্ধার করা হয়। এর আগেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তারা তড়িঘড়ি করে কিছু কার্ড বিতরণ করেন। এসব অভিযোগে তিন ইউপি সদস্যকে আটকের পর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেকে ৮ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি উপকারীভোগীদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও ডিলার আব্দুর রাজ্জাকের ডিলারশীপ বাতিলের আদেশ দেয়া হয়েছে।মানবজমিন। রায়গঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার ভোরে উপজেলায় চান্দাইকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজিতে বিক্রির জন্য বরাদ্দকৃত ৬৫ বস্তা ফেয়ার প্রাইজের চাল কালো বাজারে বিক্রির সময় উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ডিলার মোজাফফর আলম, শফিকুল ইসলাম ও শাহজাহান আলী আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে আলো রক্তদান সংস্থার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
0৮এপ্রিল,বুধবার,দিলাল আহমদ ,সুনামগঞ্জ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থা সুনামগঞ্জ সদরের উদ্যোগে একশত নিম্নবিত্ত পরিবারকে উপহার স্বরূপ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। চাল পেঁয়াজ আটা আলু তেল সাবান ডাল দেয়া হয়। সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সকল সদস্য মিলে এই উদ্যেগ গ্রহণ করেন। করোনার কারণে নিম্ন বিত্তলোক জন আয় রোজগার করতে পারছে না। সে জন্যই মূলত তাদের খাদ্য সহায়তা প্রদান। কোনও প্রকার ভিড় না করে সকলের বাড়ি বাড়ি গিয়েে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছা সেবীরা। তাদের উদ্দেশ্য হল কর্মের অভাবে কেউ যাতে উপোস না থাকে। কারণ এখন সরকার থেকে বলা হয়েছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করেত হলে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হতে। তাই যাতে কাউকে ঘর হকে বের হতে না হয় খোঁজ নিয়ে শ্রমিকসহ বিভিন্ন মানুষকে এ খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়। আলো রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার এক নেতা বলেন,আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি মানুষকে সহযোগিতা করার। যারা বৃত্তবান আছেন আপনারা আপনাদের মতো মানবতার হাত বাড়িয়ে দিন। তাহলেই আমরা ৭১ সালের মহান মুক্তিযোদ্ধের মত এই যুদ্ধে জয়ী হতে পারব।

সারা দেশ পাতার আরো খবর