বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
সুনামগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
0৮এপ্রিল,বুধবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় করোনারভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, গলা ব্যাথা ও শ্বাশকষ্ট নিয়ে মো. সালাম (২২) নামে এক শ্রমিক মারা গিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর পর মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, মারা যাওয়া মো. সালাম সিলেটের একটি ইটভাটায় কাজ করতো। করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু বন্ধ ঘোষনা করায় বিগত ১০ দিন আগে সে বাড়িতে আসে। বাড়ির আসার পর সে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হলেও সে সুস্থ হয়ে উঠে। কিন্তু পরবর্তীতে পুরনায় জ্বর দেখা দিলে ও সাথে গলা ব্যাথা এবং শ্বাশকষ্ট দেখা দেয় এবং মঙ্গলবার রাতে বাড়িতেই মারা যায়। এঘটনা পুরো উপজেলায় জানাজানি হলে সবার মধ্যে একটি আত্মঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে প্রশাসন মাইকিং করে নিহত বাড়িসহ আশে আশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করার ঘোষনা প্রদান করে এবং নিহত ব্যক্তিসহ তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলেও জানায় উপজেলা প্রশাসন। দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা বলেন, যেহেতু সে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গিয়ে তাই আমরা মৃত ব্যক্তির ও তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য পাঠাবো। তাছাড়া সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে এবং সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশে ১০টি বাড়ি লোকডাউন করা নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করিয়েছি। তিনি আরো বলেন, নিহতর ভাই আমাদের জানিয়েছেন সে আগে থেকেই শ্বাশকষ্টের রোগী ছিলো এবং সে প্রায় সময় অসুস্থ থাকতো। তবুও আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন হবে।
নিউজ সুনামগঞ্জ'র উদ্যেগে অর্ধশতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সুনামগঞ্জ শহরে প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তার উদ্যেগ নিয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল- নিউজ সুনামগঞ্জ ডট কম। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে সহায়তা দেয়া শুরু হয়। শহরের দুই জন সমাজ সেবক কার্যক্রমে সহায়তা করেছেন। চাল, ডাল, তেল, আলু, বিস্কুট, সাবান প্যাকেজাত করে অসহায় মানুষের হাতে তোলে দেয়া হচ্ছে। বড়পাড়া এলাকার সহায়তা পাওয়া রিকশা চালক(৪৫) বলেন, গত কয়েক দিন ধরে ঘর থেকেই বের হতে পারছি না। রিকশা চালানো বন্ধ, ঘরেও খাওয়ার তেমন কিছু নাই। আপনারা সহায়তা দেয়ায় কিছুটা উপকার হয়েছে। নিউজ সুনামগঞ্জ ডট কম-এর বার্তা সম্পাদক মোশাইদ রাহাত বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো উচিত। আমাদের পক্ষ অল্প কিছু মানুষকে সহায়তার উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। আমাদের উদ্যেগ চলমান থাকবে।
মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্র
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তজাতিক সেচ্চাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপু্এর উদ্যোগে সেবাকার্যক্রমের অংশ হিসেবে করোনা ভাইরাসজনিত মহামারীর কারণে কর্মহীন কম ভাগ্যবান, মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বাড়ী বাড়ী গিয়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করেন।গত শুক্রবার ৩ এপ্রিল থেকে পর্যায় ক্রমে ময়মনসিংহ শহর ও ভালুকা পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় ১৩০ টি পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, লবন,আটা,মুড়ি,ডিম, তৈল,সাবান বিতরন করেন। এসময় এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের ফাউন্ডার ও চ্যাটার্ড প্রেসিডেন্ট এপেক্সসিয়ান এ এফ এম এনামুল হক মামুন,এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সভাপতি এপেক্সিয়ান আলী ইউসুফ,এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সেক্রেটারী এপেক্সিয়ান মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন, এপেক্সিয়ান ফজলুল করিম রাজা এপেক্সিয়ান আশরাফ উদ্দিন, এপেক্সিয়ান মাজেদুল ইসলাম পিতুন, এপেক্সিয়ান রাসেদ সহ ক্লাবের অনান্য সদস্যরা উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের ফাউন্ডার এন্ড চ্যাটার্ড প্রেসিডেন্ট এ এফ এম এনামুল হক মামুন বলেন, এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুএের উদ্যোগে করোনায় কর্মহীন মানুষের জন্য কিছু করতে পারা এটি আমাদের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।আসুন আমরা যার যার অবস্থান থেকে দেশের দুর্যোগময় সময়ে সমাজের কম ভাগ্যবান মানুষের পাশে দাড়াই। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সভাপতি এপেক্সিয়ান আলী ইউসুফ বলেন,এইটা আমাদের চলমান কার্যক্রম।তিনি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন,যদি কোন ব্যাক্তি খাদ্যের সমস্যায় থাকেন, কাওকে লজ্জায় বলতে পারছেন না, তাহলে আমাকে জানাবেন আমরা তা গোপনে আপনার কাছে পৌঁছে দিব।আমরা এান দেওয়ার সময় কোন ছবি তুলি নাই।গোপনীয় তা অবশ্যই বজায় থাকবে। বিওবান ও ক্লাব সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই সেবা কার্যক্রম করা সম্ভব হয়ছে।আসুন আমরা সবাই মিলে কম ভাগ্যবানদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সেক্রেটারী মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন জানান আমাদের ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের সেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে। সেই সাথে অতীতের ন্যায় দেশের যেকোন দুর্যোগে মানবতার সেবায় আর্ন্তজাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের প্রতিটি সদস্য মানুষের কল্যানে প্রস্তুত রয়েছে।
ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে কাউন্সিলর উধাও!
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা-মুহূর্তে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অঘোষিত লকডাউন ও মানুষকে ঘরে রাখতে সারাদেশেই সরকারিভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে লোক জড়ো করে ত্রাণ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। উপস্থিত লোকদের দাবি, তালিকায় নাম দেওয়ার কথা বলে আইডি কার্ড নিলেও ত্রাণ না দিয়ে কাউন্সিলর আত্মগোপন করেছে। রোববার সকালে শ্রীপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড মাওনা চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন এমন সংবাদে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে মাওনা চৌরাস্তার রিয়াজ সরকার সুপার মার্কেটে লোকজন জড়ো হতে থাকে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে প্রায় হাজার খানেক লোক সমবেত হয়। এত লোকের খবর পেয়ে ওই কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে না এসে অন্যত্র সরে পড়েন। এদিকে করোনা-মুহূর্তে লোক সমাগমের খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার, মেয়রসহ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ব্যাপারে ওই ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইজ্জত আলী ফকির জানান, তিনি সরকারিভাবে সীমিত কিছু ত্রাণ পেয়েছেন যা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে কাউকে ওই মার্কেটে ত্রাণ দেবেন এমন কথা বলেননি। এটা তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত বলে তিনি জানান।যায়যায়দিন। শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এখলাছ উদ্দিন জানান, লোক জড়ো হয়েছে এমন সংবাদে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকশ মানুষকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠান। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা নাসরীন জানান, দুপুরে লোক সমাগম সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে লোকজনকে বুঝিয়ে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও শেখ শামছুল আরেফীন জানান, এভাবে লোক জড়ো করার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।
ভালুকায় বেতনের দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ ব্যাপক সংঘর্ষ, ট্রাক চাপায় নিহত ২
0৬এপ্রিল,সোমবার,মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মাস্টারবাড়িতে অবস্থিত ক্রাউন ওয়্যার লিমিটেডে বেতন না দিয়ে ফ্যাক্টরীতে ছুটির নোটিশ টানিয়ে মেইনগেইট বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে। এ সময় রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকালে উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায়। শ্রমিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ক্রাউন ওয়্যার এ্যাপারেল লিমিটেডের শ্রমিকরা কাজে যোগদান করতে যান। এ সময় শ্রমিকরা দেখতে পান তাদের বেতন না দিয়েই ছুটির নোটিশ টানিয়ে ফ্যাক্টরীর মোইনগেইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এরই প্রতিবাদে ফ্যাক্টরীর শতশত শ্রমিক ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নেমে এসে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও শিল্পপুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শ্রমিকরা তাতে শান্ত না হওয়ায় পুলিশ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ শুরু করেন। এ সময় রাবার বুলেটের আঘাতে জানালা ভেঙ্গে স্থানীয় আব্দুর রহিমের বাসার তিনতলার ভাড়াটিয়া আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের মাস্টারবাড়ি ব্র্যাঞ্চের ম্যানেজার মিজানুর রহমান সহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। ক্রাউন ওয়্যার এ্যাপারেল লিমিটেডের এডমিন ম্যানেজার সোহেল আহাম্মেদ জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আগামী ৮ এপ্রিল বেতন দেয়ার নোটিশ টানিয়ে ফ্যাক্টরী বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। শিল্পপুলিশ ময়মনসিংহ অঞ্চল-৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এসপি) নুরুন্নবী জানান, শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে ৩৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৩০ রাউন্ড কাঁদানী গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহা সড়কে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ডিভাইডারের উঠে উল্টে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়।নিহতরা হলেন, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার হারুন অর রশিদ (৩২) এবং গৌরিপুরের জুয়েল(৩৫)। ভালুকা মডেল থানার ওসি মাঈন উদ্দিন জানান, শ্রমিক -পুলিশ সংঘর্ষ ও দুইজন নিহতের ঘটনা দুটি আলাদা। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে মডেল থানায় রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।
সুনামগঞ্জে জনসমাগম ঠেকাতে রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্ট
0৬এপ্রিল,সোমবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ ,নিউজ একাত্তর ডট কম:সুনামগঞ্জ শহরে গত দুই দিন ধরে জনসমাগম বেড়ে গিয়েছিল। প্রশাসন ও পুলিশ জনসাধারণকে বার বার অনুরোধ, মাইকিং করার পরও শহরে জনসমাগম ছিল। তবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সোমবার অনেকটা কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে জনসমাগম ঠেকাতে চেক পোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শহরের কাজিরপয়েন্ট, হোসেন বখত চত্বর, ট্রাফিক পয়েন্ট, পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় রোড ডিভাইডার দিয়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। জরুরি কাজ ছাড়া বের হলেই সাধারণ মানুষকে আটকে দিচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। যানবাহনও আটক করেছে এসময় পুলিশ। শহরের জামতলা এলাকার ওয়েছ আহমেদ বলেন, পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। কিন্তু পুলিশ কিভাবে কাজ করছে এটা দেখতেও রাস্তায় আসছে মানুষ। মানুষ সচেতন না হলে এই মহামারি কিভাবে মোকাবেলা সম্ভব। পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, দিন দিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। জনসাধারণকে ঘরে রাখতে পুলিশ কিছুটা কঠোর হয়েছে। জনসমাগম ঠেকাতেই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।
সুনামগঞ্জে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু
0৬এপ্রিল,সোমবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ ,নিউজ একাত্তর ডট কম:সুনামগঞ্জের ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে।রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্টেশনে ডিলার কেবি রশিদের বিক্রয় কেন্দ্রে চাল বিক্রির মাধ্যমে জেলায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোস্তফা কামাল, সদর মডেল থানার পরিদর্শক সানজুর মোর্শেদসহ আরো অনেকে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জানান, করোনার সক্রমণরোধে মানুষকে ঘরে রাখা নিশ্চিত করতে ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এ চাল বিক্রি হচ্ছে। এ কার্যক্রমে কোনো অনিময় হলে সহ্য করা হবে না। ডিলার যথাযথভাবে বিক্রয় না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলার ১১ উপজেলার ৮৮ ইউনিয়নে ১৮০ জন ডিলারের মাধ্যমে ৯১ হাজার ৯৫০ জন কার্ডধারী এই চাল ক্রয়ের সুযোগ পাবেন। একটি হতদরিদ্র পরিবার প্রতি মাসে ১০ টাকা দরে সর্বোচ্চ ৩০ কেজি চাল নিতে পারবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এস এম ইউসুফের ইন্তেকাল
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম ইউসুফ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না..রাজিউন)।তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।তিনি আজ সকাল ৭টায় ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন । তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।আজ এক শোক বার্তায় তিনি মরহুম এস এম ইউসুফ-এর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।বাসস
নারায়ণগঞ্জে করোনায় আরোও ২ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১২
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘন্টায় করোন আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে চারজনে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম। এদিকে গত চব্বিশ ঘন্টায় ১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৩। করোনায় মৃতরা হলেন- দেওভোগ আখড়া মোড়ের বাসিন্দা চিত্তরঞ্জন ঘোষ (৫৮) এবং জামতলা হাজী ব্রাদার্স রোডের বাসিন্দা গিয়াসউদ্দিন (৬০) তারা দুজনই রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। চিত্ত ঘোষের ভাতিজা সঞ্জয় ঘোষ জানান, গত ২৭ মার্চ থেকে জ্বর, কাশি ছিল তার চাচার। পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। শুক্রবার সারাদিন নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করলেও কোনো হাসপাতালেই তাকে ভর্তি নিতে রাজি হয়নি। উপায় না দেখে রাতে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। করোনা উপসর্গ থাকায় পরদিন সকালে তার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর। শনিবার রাত ১০টায় চিত্ত ঘোষ মারা যান। নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা পজেটিভ আসে। সঞ্জয় ঘোষ বলেন, তাদের পরিবারের কেউই বিদেশ ফেরত কিংবা প্রবাসী নন। সম্প্রতি কেউ বিদেশেও জাননি। কীভাবে তিনি সংক্রমিত হলেন তা জানেন না। তবে তিনি শহরের বর্ষণ সুপার মার্কেটের বিনিময় বস্ত্র বিতান নামে একটি দোকানে কাজ করতেন। ওই মার্কেটেরই এক ব্যবসায়ী সম্প্রতি করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। এদিকে গিয়াসউদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়ে নাসিক ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি গত ৪ এপ্রিল অসুস্থবোধ করায় তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৫ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান। হাজী ব্রাদার্স রোডের একটি বহুতল ভবনের ৮টি পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাউকে ওই বাড়িতে প্রবেশ না করার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে। এদিকে জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নারায়ণগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা ৪। উল্লেখ্য গত ৩০ মার্চ বন্দর রসুলবাগ এলাকার বাসিন্দা শিউলী ওরফে পুতুল (৫০) নামে এক নারী করোনা উপসর্গ নিয়ে প্রথম মারা যান। পরে আইইডিসিআর ওই নারীর নমুনা সংগ্রহ করলে ২ এপ্রিল করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। এ ঘটনায় রসুলবাগ এলাকা লকডাউন করে প্রশাসন। এখানে শতাধিক পরিবার রয়েছে। এছাড়াও তার সংস্পর্শে আসায় এক চিকিৎসক, নার্স ওয়ার্ডবয়, ল্যাব টেকনিকশিয়ান এবং ওই নারীর আত্মীয় সজনসহ তাকে গোসল করানো দুই নারী নিয়ে মোট ৪১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরমধ্যে ওয়ার্ডবয় রয়েছেন আইসোলেশনে। এছাড়া শনিবার সকালের দিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মারা যান কাশিপুর বড় আমবাগান এলাকার বাসিন্দা হাজী আবু সাঈদ (৬০)। তাকে আগের দিন মিটফোর্ড ঘুরে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হয়ে সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় ভর্তি করা হলে শনিবার সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান। পরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় খিলগাঁও তালতলা এলাকায় নিহতের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় বাংলাবাজার বড় আম বাগান এলাকা লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর