শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯
মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়ার মত বিশ্ব ও অভিভাবকতুল্য নেতা বর্তমানে বিরল : বক্তারা
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক উপদেষ্ঠা, গণপরিষদ ও সাবেক সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্ঠা, মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক স্মরণ আলোচনা, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও এতিম ছাত্রদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ অনুষ্ঠান গত ১৭ জুলাই বিকেল ৫টায় সংগঠনের সহ সভাপতি ডাঃ জামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি লায়ন মোঃ জাফর উলøাহ এম,জে,এফ,সাতকানিয়ার পৌরসভার মেয়র কবি মোঃ জোবায়ের, চসিক কাউন্সিলর ও মহানগর যুবলীগনেতা আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব, তনজিমুল মোছলেমিন এতিমখানার তত্ত¡াবধায়ক হাফেজ মোঃ আমান উলøাহ, সাবেকমন্ত্রী জহুর আহমদ চৌধুরীর কনিষ্ঠ সন্তান শরফুদ্দীন আহমদ চৌধুরী রাজু, ফুলকলির মহাব্যবস্থাপক এম,এ,সবুর,মাহবুবুর রহমান, জামাল উদ্দীন হেজাজী, হাফেজ ফজলুল কাদের, মো: সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়া ছিলেন একজন মহৎ প্রাণ রাজনীতিবিদ। যার সমগ্র জীবন জুড়েই ছিল মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বা¯Íবায়নে মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়া আজীবন অবিচল ছিলেন। চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতিতে ইসহাক মিয়া সবসময় অভিভাবকের মত সকল আন্দোলন, সংগ্রাম ও দলের কর্মসুচী পালনে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বাংলাদেশের মহান সংবিধানে যার স্বাক্ষর রয়েছে। আওয়ামী রাজনীতির চরম দুঃসময় তথা ৭৫ পরবর্তী রাজনীতিতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। গণপরিষদ সদস্য, সংসদ, সদস্য চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশাসক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২ বার উপদেষ্ঠা থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে তেমন কোন রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেনি। অত্যন্ত সাদামাটা জীবন ও কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি বলেন বলতে দ্বিধা নেই বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চসিক মেয়র আলহাজ্ব আ,জ ম,নাছির উদ্দীনকে আজকের অবস্থান তথা নেতত্বের আসনে বসাতে মরহুম ইসহাক মিয়া সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি আরো বলেন আমাদের একজন বিশ্ব¯Í নেতা ও অভিভাবক হিসেবে মরহুম ইসহাক মিয়া আজকে খুব প্রয়োজন। সামনে যে জাতীয় নির্বাচন সে নির্বাচনে ইসহাক মিয়ার শূন্যতা আমরা এখন থেকেই অনুভব করছি। রাজনীতির মাঠের, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন ত্যাগী ও মহৎ মনের অসাধারণ নেতা ইসহাক মিয়া চট্টগ্রামবাসীর সর্ব¯Íরের মানুষের মণিকোঠায় শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবে। আজকে মরহুম ইসহাক মিয়ার ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে এতিমছাত্রদের মাঝে বিভিন্ন মৌসুমী ফল বিতরণ একটি মহতি আয়োজন। সভায় মিলাদ, দোয়া ও মোনাজাত করেন হাফেজ ফজলুল কাদের। সভাশেষে এতিম ছাত্রদের মাঝে মৌসুমী ফল বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে ছাত্র-শিÿক অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন
ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী শিÿার প্রাণকেন্দ্র এফ.এ. ইসলামিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে অভিভাবক সমাবেশ ও ইসলামী জগতের অনন্য মনীষা হযরত সৈয়্যদানা ইমাম বুখারী (রা:) ওরসে পাক উপলÿে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল মাদ্রাসা সুপার মাওলানা ফজলুল বারির সভাপতিত্বে আজ সকাল ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরেণ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব এফ.এ ইসলামিক মিশন ওয়াক্ফ কমপ্লেক্স এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলøামা সৈয়দ মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। উদ্বোধক ছিলেন রাউজান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মুহাম্মদ। প্রধান বক্তা ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিÿানুরাগী মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। বিশেষ অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আলহাজ্ব ওসমান গণি, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। আরো উপস্থিত ছিলেন মারকাজ তাহফিজুল কোরআন ওয়াদারুল আইতাম হেফজ বিভাগের প্রধান আলহাজ্ব হাফেজ দিদারুল ইসলাম, মাওলানা কামরুল হুদা, মাওলানা আইযুব আনসারী, মাওলানা নঈমুল হক নঈমী, মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল, মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাস্টার মুহাম্মদ আলমগীর, মাস্টার মুহাম্মদ মাসুদ, মুহাম্মদ হায়দার, নানুপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সদস্য মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল মনসুর, আলহাজ্ব মুছা আহমেদ, ইলিয়াছ সওদাগর, হাফেজ মাওলানা আফাজ উদ্দিন, মাওলানা শাহাদাত হোসেন, হাফেজ মুহাম্মদ লোকমান, হাফেজ মুহাম্মদ মুহিবুলøাহ শায়ের মুহাম্মদ মনির উদ্দিন ও হাফেজ মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলøামা সৈয়দ মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির সময়ে ছাত্রছাত্রীদের সকল বিষয়ে জ্ঞানার্জনের লÿ্যে অত্র মাদ্রাসা যুগপোযোগী পদÿেপ গ্রহণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এÿেত্রে শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের স্কুল মাদ্রাসার শিÿক-শিÿিকাদের হাতে ছেড়ে না দিয়ে অভিভাবকদেরও এÿেত্রে ভূমিকা পালন করতে হবে। নচেৎ ছাত্রছাত্রীরা এলাকার বড় ভাই নামক বিপথগামীদের সাথে মিশে নিজেদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটাতে ছাত্র-শিÿক অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি সকলকে হযরতে সৈয়্যদানা ইমাম বুখারী (রা:) এর আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিÿক মÐলী ও আলেম-ওলামাদের প্রতি উদাত্ত আহŸান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পুলিশবাহী মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: টাঙ্গাইলে পুলিশবাহী একটি মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক কিশোরীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। নিহত কিশোরী জান্নাতুল ফেরদৌস বর্ণা (১৯) নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণ হওয়ার পর রাজশাহী থেকে উদ্ধারের পর ফেরার পথে শহরের কুমুদিনী কলেজ মোড়ে মঙ্গলবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অপর দু’জন হলেন তার খালাতো ভাই ফারুক (৪১) এবং মামা সিরাজুল ইসলাম (৫৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার এসআই তানভীর (৩৩), এএসআই হাবিব (৩০), কনস্টেবল আজাহার (৪৫) ও মাইক্রোবাসের চালক আকতার (৩৫)। আহত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার ভাটি বন্দর এলাকায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানা পুলিশের একটি দল অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে রাজশাহীর বাগমারায় গিয়েছিল। তাদের সঙ্গে ওই কিশোরীর স্বজনরাও ছিলেন। মেয়েটিকে উদ্ধার করে সোমবার রাতে তারা নারায়ণগঞ্জে ফেরার পথে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী কলেজ মোড়ে পৌঁছলে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয় এবং গাড়িতে আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুদফায় বিকাশ প্রতারক চক্রের ১০ সদস্য আটক
অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিকাশ প্রতারক চক্রের আরো ৫ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এ পর্যন্ত গত দুদিনে ১০ জনকে আটক করা হলো। এসময় তাদের কাছ থেকে সাত হাজার টাকা এবং বিপুল পরিমান মোবাইল সেট ও বিভিন্ন কোম্পানীর সিম উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ফরিদপুর র‌্যাব-৮ ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম ও আজিমনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঈশ্বর্দী গ্রামের মোঃ বাহার তালুকদার (২৬), মিলন তালুকদার (১৯), ফয়সাল তালুকদার (১৯), আরিফ মাতুব্বর (১৯) ও পার্শবর্তী চান্দ্রা ইউনিয়নের সলিলদিয়া গ্রামের লিয়াকত মাতুব্বর (৩৩)। ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে ভাঙ্গার মালিগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ প্রতারক চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার অসাধু বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে ভুয়া বিকাশ একাউন্ট খুলে প্রতারণা করে আসছে। রইছ উদ্দিন জানান, গত কয়েক দিন আগে ঢাকার জনৈক এরফানুল ইসলামের ব্যাক্তিগত বিকাশ একাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে র‌্যাব-৮ অফিসে অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে র‌্যাব। দীর্ঘদিন ধরে প্রতারক চক্রের সদস্যদের উপর নজরদারীর পর প্রথমে মালিগ্রাম বাজারের বিকাশ এজেন্ট আল মদিনা কসমেটিক্স এন্ড ভ্যারাইটিস স্টোরের সত্বাধিকারী লিয়াকতকে আটক করা হয়। এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর সদস্যদের আটক করা হয় বলে জানান র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সিইউজের স্মারকলিপি
অনলাইন ডেস্ক : রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত তিন চিকিৎসক এবং ম্যাঙ হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তিন দফা দাবিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। গতকাল সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি দেয়া হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান। এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, শিশু কন্যা রাইফা’র মৃত্যুর পর চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি রাইফার মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকের অদক্ষতা, দায়িত্ব অবহেলাকে দায়ী করে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। একইভাবে বেসরকারি হাসপাতাল ম্যাঙ’র বিরুদ্ধেও চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ তুলেন। একই ভাবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠিত তদন্ত কমিটিও ঘটনাটি তদন্ত করে ম্যাঙ হাসপাতালের বিরুদ্ধে ১১টি অনিয়ম চিহ্নিত করেন। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা হলেও তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সহযোগী। সরকার জনগণের দৌঁরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কতিপয় চিকিৎসক এবং ব্যাঙের ছাতার মত বেআইনি প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল–ক্লিনিক বাধাগ্রস্ত করছে। এর মধ্যে ম্যাঙ হাসপাতালটি অন্যতম। ওষুধ প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেও তা স্পষ্ট হয়েছে। ম্যাঙ হাসপাতালকে ১৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল বলা হলেও হাসপাতালটিতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিয়োগকৃত কোন চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং প্যাথলজিস্ট নেই। হাসপাতালে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের জন্য বৈধ কোন ড্রাগ লাইসেন্স নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর, ওষুধ প্রশাসন এবং র‌্যাবের পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানেও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার, অশিক্ষিতদের দিয়ে প্যাথলজি চালানো, অন্য প্যাথলজি ল্যাব থেকে টেস্ট করে এনে নিজেদের প্যাড ব্যবহার করে রোগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পেয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এতসব অনিয়ম থাকা সত্ত্বেও ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ না করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত তিন দফা দাবি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধিন সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন চট্টগ্রামের সকল সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিকদের সাথে নিয়ে রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত চিকিৎসক, ম্যাঙ হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া ও সাংবাদিকদের সাথে অশোভন আচরণকারী ডা. ফয়সাল ইকবালের বিচার দাবিতে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে বলে নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন। এসময় অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বিএফইউজের নব নির্বাচিত সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিইউজের সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম ইফতেখারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ কুতুব, নির্বাহী কমিটির সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত, আজাদী ইউনিট প্রধান খোরশেদ আলম, কর্ণফুলী ইউনিট প্রধান মোহাম্মদ আলী পাশা, প্রিয় চট্টগ্রাম ইউনিট প্রধান বিশু রায় চৌধুরী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ক্রসফায়ারে দিতে চেয়েছিলেন ওসি : সমর চৌধুরী
অনলাইন ডেস্ক: ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার চেষ্টাও চালিয়েছিল বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রামের শিক্ষানবিশ আইনজীবী সমর কৃষ্ণ চৌধুরী। সদ্য জামিনে মুক্ত ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তি এই দাবি করার পাশাপাশি বোয়ালখালী থানা হাজতে তার উপর নির্যাতনের অভিযোগও তুলেছেন। বোয়ালখালীর ওসি হিমাংশু দাশ রানাসহ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তার। সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ওসি হিমাংশু দাশ। গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে সোমবার রাতে হিমাংশু দাশের মোবাইলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আমিও পেয়েছি। মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন সমর চৌধুরী। অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত এসপি (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) এবং অতিরিক্ত এসপি (পটিয়া সার্কেল)কে দায়িত্ব দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমর চৌধুরী চট্টগ্রাম শহরে থাকলেও তার বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে। ওই গ্রামের লন্ডনপ্রবাসী সঞ্জয় দাশের সঙ্গে তার কাকা স্বপন দাশের জমি নিয়ে বিরোধ আছে। স্বপন দাশকে আইনগত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছিলেন সমর চৌধুরী। ওই ঘটনার জের ধরে সঞ্জয় দাশের প্ররোচনায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি মনির উজজামানের নির্দেশে সমরকে গত ২৭ মে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলার আসামি করা হয়। সমর চৌধুরীর ঘটনাটি প্রকাশ পেলে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এর মধ্যেই ডিআইজি মনির উজজামানকে চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে দুই মামলায় জামিন নিয়ে গত ১২ জুলাই কারাগার থেকে মুক্তি পান সমর চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম শহরের বাসায় সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তিনি জানান, গত ২৭ মে সন্ধ্যায় কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে আদালত ভবনের নিচে একটি হোটেলে ছিলেন তিনি। ওই সময় বোয়ালখালী থানার এসআই আরিফুর রহমান ও এসআই আতিক উল্লার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে ধরে নিয়ে যায়। প্রথমে থানায় নিয়ে পুলিশ তার হাতে থাকা একটি স্বর্ণের ও একটি রুপার আংটি, মোবাইল সেট, নগদ ১২ হাজার টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে হাজতে আটকে রাখে বলে জানান তিনি। সমর অভিযোগ করেছেন, ওই সময় তার কয়েকজন স্বজন থানায় গেলেও তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, রাতের বেলায় আমি ওসি হিমাংশু দাশকে দেখে তার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করি। তাকে বলি, তার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী স্বপন দাশের সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখিনি। এসময় ওসি হিমাংশু আমাকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলে মাথা ফেটে যায়। ওসি কবে স্বপন দাশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে মানা করেছিলেন, জানতে চাইলে সমর বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ওসি থানায় যোগদান করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় একটি কাগজ দেখিয়ে বলে,ডিআইজি আপনার নাম, স্বপন দাশ ও বাপন দাশের নাম দিয়েছে। সেখানে আপনার নাম লাল কালি দিয়ে দাগ দিয়েছে। আপনার নাম প্রথমে আছে। ২৭ মে রাত ১টার পর থানা হাজত থেকে তাকে বের করে নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে সমর বলেন, প্রথমে গামছা দিয়ে তার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে গালাগালি করা হয় তাকে। ওসি হিমাংশু বলে,শালাকে ফেলে দিয়ে আয়। এরপর হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়। ওইসময় আমি আমার মেয়ে ও স্ত্রীর কী হবে বলে আকুতি করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। গাড়িতে করে তাকে চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান সমর। চোখ বাঁধা অবস্থায় কী করে চরণদ্বীপ বুঝলেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,ড্রাইভার কোথায় যাবে জানতে চাইলে তাকে বলেছিল, চরণদ্বীপ নিয়ে যেতে।ওই গাড়িতে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ছিলেন বলে জানান তিনি।আমি হ্যান্ডকাফটা একটু হাল্কা করে দিতে বললে একজন বলে,আর দুই/তিন মিনিট আছে। তারপর তোকে তো বেহস্তে পাঠিয়ে দেব। চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে গিয়ে আমার চোখ খুলে দিয়ে চলে যেতে বলে। ওই সময় আমার মনের মধ্যে ভয় চলে আসে। আমি না গিয়ে তাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকি এবং ঠাকুরের নাম জপ করতে থাকি। না যাওয়ায় তখন এক পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করেন বলে জানান সমর। হাঁটুতে সেই জখমের চিহ্নও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেখান তিনি। সমর বলেন, ওই সময় এসআইর মোবাইলে একটি ফোন আসলে তিনি আমার কাছ থেকে দূর সরে গিয়ে ফোনে কথা বলেন। কথা শেষ করে এসে আবার চোখ বন্ধ করে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে গাড়িতে তোলেন। সেখান থেকে সরোয়াতলী এলাকায় বাড়িতে নিয়ে পুলিশ ইয়াবা উদ্ধারের গল্প সাজায় বলে সমর জানান। বাড়ি থেকে আবার থানায় নেওয়া হয় তাকে। সমর বলেন, থানা হাজতে নেওয়ার পর তিনি পানি চাইলে এক এসআই তাকে প্রস্রাব খাওয়াতে চেয়েছিলেন। হাজতে থাকা আরেকজন পানি দিতে চাইলে তাকেও মারধর করা হয় । থানায় নিয়ে যাওয়ার পরদিন বিকাল পর্যন্ত আদালতে না পাঠানোতে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওসিকে ফোন করে দ্রুত আমাকে চালান করার কথা বলেন। না করলে আইনজীবীরা থানায় যাবেন বলায় ওসি তড়িঘড়ি করে আমাকে চালান করে, বলেন তিনি। আদালতে নেওয়ার আগে হাজত থেকে বের করে একটি টেবিলে কিছু লাল রঙের ট্যাবলেট সাজিয়ে রেখে ছবি তোলা হয়েছিল বলে দাবি করেন সমর চৌধুরী। তিনি বলেন, এক যুবক সাংবাদিক পরিচয়ে ঢুকে তার ক্যামেরা দিয়ে এক এসআইকে ছবি তুলতে বলেন। এরপর অস্ত্র হাতে ধরিয়ে ছবি তোলা হয়। আমি পুলিশের কথা মতো হাতে অস্ত্র নিতে অপারগতা জানালে এক পুলিশ সদস্য আমাকে পায়ে লাথি পারে। তখন পাশে দাঁড়ানো দুই কনস্টেবল আমার হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার পর সে ছবিটি পুনরায় তোলে। পকেটে কলম, হাতে অস্ত্র নিয়ে সমর কৃষ্ণের ছবি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়ে আসছিল চট্টগ্রামজুড়ে। অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় জামিন পেলেও সমর চৌধুরীর পুরো পরিবার এখন নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তার দুই মেয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সমর্থন থাকায় এখনও পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ভবিষ্যত নিয়ে তারা শঙ্কিত। আজাদী
চট্টগ্রামে একজন ব্যবসায়ী সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ
রাজীব চক্রবর্তী ,চট্টগ্রাম :জুট কর্পোরেশন ও ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বেআইনী কার্যকলাপে এবং অবৈধ হস্তক্ষেপে চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট এর ৩১৩ রেলি কাঁচা কলোনী,স্ট্রান্ড রোড এর একজন ব্যবসায়ী ও গবেষক ক্ষতিগ্রস্ত ও সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আজ দুপুর ১ টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত জুট কর্পোরেশনের ভূমি ইজারা গ্রহণ করে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ইজারা বলবৎ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেআইনি ও অন্যায় ভাবে ভূমি অন্যজনকে ইজারা দেয়। এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরবর্তীতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়। হাইকোর্ট স্থিতি অবস্থা বজায় থাকার জন্য উভয়পক্ষকে জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে পরিকল্পিতভাবে আমার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কর্মকাণ্ডের প্রায় চার কোটি টাকার সম্পত্তি নিমিষেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে কান্নাজড়িত কন্ঠে আরো বলেন, বর্তমান সরকার সংখ্যালঘু বান্ধব সরকার হওয়ার পরেও প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু দুষ্কৃতকারী সংখ্যালঘু নির্যাতন ও তাদের ভূমি দখল করে সরকারের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমি একজন গবেষক হিসেবে বাতাস চালিত ইঞ্জিন আবিষ্কারের গবেষণায় নিয়োজিত। গবেষণাগারের মেশিনারি যন্ত্রপাতি সহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম খরিদ করতঃ এযাবত ৪ কোটি টাকা খরচ করে প্রায় ৯৫শতাংশ গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছি এবং সুযোগের কারণে আমার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফসল গবেষণা কর্মকাণ্ড থেমে যাওয়ার পথে। এ ব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ১১ই জুলাই দুপুর ২ টার সময় ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে সরকারের কিছু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে হাইকোর্টের রিট অমান্য করে বেআইনিভাবে জায়গা দখল পূর্বক আমাকে উচ্ছেদ করে এবং কারখানা ও গবেষণা কর্মকান্ডে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিমিষেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এতে আমার প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সুবিচার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দোর্দণ্ড প্রভাব খাটিয়ে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে কিভাবে ধ্বংসযজ্ঞ কর্মকাণ্ড করতে পারে জাতি আজ তা জানতে চায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দ্রুত তার ক্ষতিপূরণ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান এবং এ ব্যাপারে তার সুদৃষ্টি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন এর চট্টগ্রাম শাখা কমিটির মহাসচিব মৃদুল মজুমদার, মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলী, রতন সেনগুপ্ত, জিকু দত্ত, সুপ্রিয়া চৌধুরী,জয়ন্তী মজুমদার সহ আরো অনেকে।
মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় নিহত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে মহাসড়কে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ফাহিমা আক্তার (০৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফাহিমা উপজেলার মেখল ইউনিয়নের জাফর তালুকদার বাড়ির মো. সালাউদ্দিনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকা দিয়ে অটোরিকশায় মায়ের কোলে বসে হাটহাজারীর দিকে যাচ্ছিল শিশু ফাহিমা আক্তার। অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যায় ফাহিমা। এ সময় রিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফাহিমার মৃত্যু হয়। তবে ঘাতক বাসটিতে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমির হোসেন বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি গাড়ি করে যাওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে একটি শিশু মহাসড়কে পড়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা বাসচাপায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়। শীর্ষ নিউজ