জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, বঙ্গবন্ধু- জাতির পিতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদের মহান
চট্টগ্রাম কলেজ প্রাক্তন ছাত্রলীগ পরিষদের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে এক স্মরণালোচনা সভা পরিষদের সভাপতি ও বিএমএ এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা: শেখ শফিউল আজমের সভাপতিত্বে গত ৪ আগস্ট বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক অলিদ চৌধুরী ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আনজুমান আরার পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিভিল সার্জন ডাঃ সরফরাজ খান বাবুল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর শহীদুল আলম, পরিষদের সহ সভাপতি ও দক্ষিণজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা শামীমা হারুন লুবনা, সাবেক প্যানেল মেয়র রেখা আলম চৌধুরী, নিবেন্দু বিকাশ চৌধুরী, পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক লিয়াকত আলী খান, সৈয়দ মোহাম্মদ মুসা, নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, মহিম উদ্দীন মহিম, সৈয়দ দিদার আশরাফী, এম.হামিদ হোসাইন, এম. এসকান্দর আলী, অধ্যাপিকা নিশাত হাসিনা শিরিন প্রাণেশ বড়ুয়া, আসিফ ইকবাল, আবদুর রহমান, এম. আনোয়ার আজম, আবদুল হালিম, রুমকি সেনগুপ্তা, নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, জানে আলম, দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম. বোরহান উদ্দীন, শাহজাহান শেলী, আ.ম হেদায়ত হোসাইন সোহেল, আবদুল মোনাফ, এস.এম. কাদের প্রমুখ। কুরআন তেলওয়াত করেন সৈয়দ আবদুল খালেক। বঙ্গবন্ধুকে নিবেদন করে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন অধ্যাপিকা নিশাত হাসিনা শিরিন ও জসিম উদ্দীন চৌধুরী। প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব আ. জ. নাছির উদ্দীন বলেন, বঙ্গবন্ধু- জাতির পিতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদের মহান স্থপতি ও বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারি। হাজার বছরের বাঙালি জাতির আরাধনার ধন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালির এ জনপদে বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেই বাঙালিরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছে। এ স্বাধীনতাকে যারা ব্যর্থ করতে চায় তারা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ভিশন ২০২১-২০৪১ বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে সতের শতাব্দীর মীর জাফরের কারণে যে স্বাধীনতা অস্তমিত হয়েছিল সেই স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ফিরে ফেলেও উনবিংশ শতাব্দীর মীর জাফরের উত্তরসূরি উনবিংশ শতাব্দীর মীর জাফর জিয়া খন্দকার মোশতাক ও স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যার মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার বিলুপ্তি ঘটাতে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি। আজ প্রমাণিত হয়েছে জীবিত মুজিবের চেয়ে মৃত মুজিব অনেক শক্তিশালী। বাঙালি জাতির হৃদয়ের মুজিবকে মুছে ফেলার ক্ষমতা কারো নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু মুজিবের স্বপ্ন পূরণ হবে। বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে মর্যাদাশীল ও উন্নত দেশ গঠনে জাতীয় শোককে শক্তিতে রূপান্তরিতকরতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু এমন একটি নাম যার তুলনা শুধুই তিনি। বাঙালি জাতি ও জাতীযতাবাদের উন্মেষের পর থেকে বাঙালিরা শাসিত, শোষিত, নির্যাতিত ও নিষ্পেশিত হয়ে আসছিল, হাজার হাজার বিপ্লবী সৃষ্টি হলেও বাঙালির স্বাধীনতা ও আত্ম পরিচয়ে স্বীকৃতি কেউ এনে দিতে পারেনি। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বাঙালিরা সামনের কাতারে থেকে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেও স্বাধীনতা পায়নি। বরং পাকিস্তানের অধীনস্থ একটি কলোনী রাষ্ট্র সৃষ্টি করতে পেরেছিল, কিন্তু বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনা থেকে এ জাতিকে উদ্ধারে সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে জনগণেকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিল বলেই তারই নেতৃত্ব আমরা বাঙালিরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছিলাম এ স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অব্যাগত প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্য বদ্ধ হতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থারেখে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে অগ্রণি ভূমিকা পালন করতে হবে জাতীয় শোক দিবসে এটা শোক আমাদের শপথ। সভাপতির বক্তব্যে ডা: শেখ শফিউল আজম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাশিয়া বিপ্লবের মহান নেতা ভøাদিমি ইলিচ লেলিনের বিপ্লবী চেতনা আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী ‘লীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাকিস্থানের শামন ও শোষনের বিরুদ্ধে সঠিক সময়ে সঠিক কর্মসূচী দিয়ে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছিলেন বলে বাংলাদেশ আজ স্বাধীন ত্রিশলক্ষ শহীদের আত্মদানকে সম্মান করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের যোগার বাংলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ আত্মনিভরশীলতা লাভ করতে সক্ষম, হবে এজন্য প্রতিটি নাগরিকে শেখ হামিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থাকতে হবে, স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্য বদ্ধ থেকে দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে। এটায় থেকে শোক দিবসের এ মাসের শপথ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাতকানিয়া সতি পাড়ায় মতবিনিময় সভায় ড. আবু রেজা নদভী এমপি, ধর্মের নামে উচ্ছৃঙ্খল ও উগ্র জীবন পরিহার
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ অনেক এগিয়েছে, দেশে চলমান মেগা প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করতে এবং সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ গড়তে, দেশের চলমান উন্নয়ন ধরে রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে জয়যুক্ত করার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বিগত সাড়ে চার বছর ধরে সাতকানিয়া লোহাগাড়াবাসীর কল্যাণে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়েছি। নির্বাচনের পূর্বে জনগণের কাছে দেয়া অধিকাংশ অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা পূরণের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরেন এবং আগামী নির্বাচনে এলাকাবাসী উন্নয়নের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে সাতকানিয়া লোহাগাড়ায় চলমান ব্যাপক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট থাকবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আওয়ামীলীগ সরকারকে দেশের ইসলামের প্রকৃত সেবক উল্লেখ করে প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, ইসলাম ধর্মে জঙ্গীবাদ ও আত্মহননের কোন সুযোগ নেই। ইসলাম ও জঙ্গীবাদ সম্পূর্ণ পরস্পর বিরোধী। যারা জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করছে তারা ইসলাম কি তাও জানেনা। তিনি ধর্মের নামে উচ্ছৃঙ্খল ও উগ্র জীবন পরিহার করে দেশের শান্তি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আজ ৪ জুলাই ২০১৮ইং শনিবার সকাল ১১টায় সাতকানিয়া পৌরসভাস্থ সতি পাড়ায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভোলা মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র-সহ সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোজাম্মেল হক, লায়ন ওসমান গণি চৌধুরী, প্রফেসর মো: ইদ্রিছ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, যুগ্ম আহবায়ক চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক, চেয়ারম্যান নেজাম উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম ফারুক রুবেল, সাবেক ছাত্রনেতা সালাউদ্দিন হাসান চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ ওসমান, রকিবুল হক দিপু, নাজিমুদ্দিন লালু, মামুনুল হক, মোহাম্মদ লিটন, শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহ আলম, দিদারুল আলম, মীর আহমদ, নুরুল আলম, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুশ শুক্কুর, সাবেক আহ্বায়ক হারেজ মোহাম্মদ, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান, স্থানীয় সাংসদ এর সহকারী একান্ত সচিব এস এম সাহেদ, উপজেলা যুবলীগের নেতা দিদারুল ইসলাম শিপন, দেলোয়ার হোসেন বেলাল,মোহাম্মদ আসাদ, ছাত্রলীগ নেতা জোনায়েদ, মো: ইদ্রিছ, জাহেদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শ্রমিক নেতাদের বাধায় বেনাপোল বন্দরে আটকে গেলো যাত্রীরা
অনলাইন ডেস্ক: বেনাপোল বন্দর থেকে দেশের অভ্যন্তরে পরিবহন ছাড়ার প্রস্তুতি থাকলেও শেষ পর্যন্ত শ্রমিক নেতাদের বাধায় বাস ছাড়তে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এর ফলে তিনদিন ধরে বন্দরে আটকা পড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। রোববার (৫ আগস্ট) সকালে স্থানীয় শ্রমিক নেতারা বেনাপেলে অবস্থিত সব পরিবহন কাউন্টারে গিয়ে বাস ছাড়তে নিষেধ করেন। আগে বাস চলাচল করবে বলে পরিবহন ব্যবসায়ীরা শনিবার (৪ আগস্ট) ভারত থেকে ফিরে আসা যাত্রীদের কাছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করেন। সকালে বেনাপোল বাজারে অবস্থিত বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, অসহায়ের মতো সাধারণ যাত্রীরা আটকা পড়ে কাউন্টারের সামনে বাসের আশায় প্রতীক্ষার প্রহর গুনছে। কাছাকাছি গন্তব্যের যাত্রীরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায়, মোটরসাইকেল যেতে পারলেও দূরের যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। অন্যদিকে বেনাপোল বন্দর এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আবাসিক হোটেল না থাকায় ভারত ফেরত যাত্রীদের সমস্যায়ও পড়তে হয়েছে। কয়েকটি হোটেলে সিট পাওয়া গেলেও পূর্বের চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হোটেল মালিকদের বিরুদ্ধে। ভারত ফেরত ফাইভ স্টার পরিবহনের যাত্রী জেবা বলেন, তিনি গতকাল ভারত থেকে ফেরার আগে বাস কাউন্টারে যোগাযোগ করলে তারা জানায় গাড়ি ছাড়া হবে। পরে বাস ছাড়ার আগ মুহূর্তে কাউন্টার থেকে বলা হয়, শ্রমিক ইউনিয়নের চাপে গাড়ি ছাড়তে পারছেন না তারা। কবে নাগাদ ছাড়বে তার বিষয়েও মুখ খুলছেন না। সঙ্গে খরচের টাকাও শেষের দিকে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকবেন কীভাবে চলবেন বুঝতে পারছেন না তিনি। বেনাপোল ফাইভ স্টার পরিবহনের ম্যানেজার আশা জানান, শ্রমিক ও মালিক পক্ষের নিষেধাজ্ঞায় তারা বাস ছাড়তে পারছেন না। যাত্রীদের কাছে বিক্রিত টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে প্রায়ই বাস-ট্রাক চাপায় প্রাণ হারায় পথচারীরা। তাই নিরাপদ সড়কের দাবিতে এখানে ছাত্ররা রাস্তায় না নামলেও এখানকার সড়ক সংস্কার ও শৃঙ্খলা রক্ষা জরুরি। এদিকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন হলেও বন্দর নগর বেনাপোলে এ পর্যন্ত কোনো ছাত্র-ছাত্রীরা দাবি আদায়ে রাস্তায় নামেনি। জানা গেছে, ছাত্র-ছাত্রীদের ইচ্ছা থাকলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের চাপে তারা নামতে পারছেন না।
কোরবানিতে ৫০ হাজার পশু আমদানির টার্গেট
অনলাইন ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে ৫০ হাজার গরু-মহিষ আমদানির টার্গেট নিয়েছে টেকনাফের পশু আমদানিকারকরা। সেই টার্গেট পূরণের জন্য মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে পশু রাখার স্থান। কিন্তু বাধ সেধেছে প্রতিকূল আবহাওয়া আর বাজার দর। ভারত থেকে কোরবানি উপলক্ষে পশু আমদানি বেড়ে যাওয়ায় বাজারে দরপতন ঘটেছে। এ কারণে ঈদের আগেও টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানিতে আগ্রহ পাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। জুন মাসে মিয়ানমার থেকে প্রায় ১৫ হাজার গরু-মহিষ আমদানি করা হয়েছে। এর বিপরীতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে জুলাই মাসে এসেছে ৬ হাজার পশু। আর আগস্টের প্রথম চারদিনে এসেছে ১ হাজার ৬৮০টি গবাদি পশু। টেকনাফ পশু আমদানিকারক সমিতি সূত্র জানায়, শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে জুন মাসে ১২ হাজার ৭৪০টি গরু ও ২ হাজার ৩৭২টি মহিষ আমদানি করা হয়। এরপরের মাসের বাজার দরের কারণে আমদানি অর্ধেকে কমে গেছে। জুলাই মাসে তা কমে ৪ হাজার ৬০১টি গরু ও ১ হাজার ৫০৫টি মহিষ আনা হয়েছে। আর চলতি মাসের প্রথম দুইদিন প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কোনো পশু আমদানি হয়নি। তবে ৩ ও ৪ আগস্ট দুইদিনে ১ হাজার ১৩২টি গরু ও ৫৪৮টি মহিষ এসেছে এপারে। শাহপরীর দ্বীপ করিডোর ঘুরে দেখা গেছে, করিডোর সংলগ্ন নানা জায়গায় হাজারও গরু-মহিষ মজুদ রয়েছে। তবে তা অপ্রতুল। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী এই হাটে এসেছেন। ঝিনাইদহ জেলার মহেষপুর এলাকার গরু ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন বলেন, গরুর বাজার দর এখানে কম শুনেই এসেছিলাম। কিন্তু এসে দেখছি দর অনেক বেশি। এখান থেকে গরু নিয়ে আমার জেলায় যেতে গড়ে গরুর দাম পড়বে ৬০ হাজারের উর্ধ্বে। কক্সবাজারের গরু ব্যবসায়ী সালাম বলেন, বেচা কম ও আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় গরু কম আসছে। শাহপরীর দ্বীপের ব্যবসায়ী মো. ইসমাইল বলেন, ব্যবসায়ীরা সরকারকে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব দিলেও করিডোর ও পশু রাখার স্থান নিয়ে নানা সমস্যা রয়েছে। মনের মতো করে পশুগুলো রাখা যাচ্ছে না। শাহপরীর দ্বীপের স্থানীয় মেম্বার ও গরু ব্যবসায়ী মো. শরীফ বলেন, বাজার দর কম থাকায় পশু মজুদ করা হচ্ছে। আর মজুদ করা কিছু পশুর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দেখার জন্য পশু বিভাগের পরীক্ষাগার থাকলেও সংশ্লিষ্ট কাউকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে দেখা যায়নি। টেকনাফ উপজেলা পশু আমদানিকারক সমিতির সভাপতি আব্দুল্লাহ মনির জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার পশু আমদানির টার্গেট রয়েছে। সেভাবে টার্গেট নিয়ে পশু আমদানিকারকরা শত কোটি টাকা অগ্রিম দাদন ইতোমধ্যে পাঠিয়েছেন। কিন্তু বর্ষার মূল সময় হওয়ায় বৈরী আবহাওয়া ও অন্যদিকে কেনাবেচায় পশুর দামে তারতম্য হওয়ায় আমদানিও আগের চেয়ে কম। দাম যা-ই হোক আমদানিকারক হিসেবে দায়িত্বের খাতিরে হলেও লক্ষ্য পূরণে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। কেনার সঙ্গে বেচা সমান্তরাল হলেও নিত্যদিন ট্রলার বোঝাই আমদানি পশু আসবে। আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় পশু কম আসছে জানিয়ে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী বলেন, এখন পশু আসা শুরু হয়েছে। আমরা ব্যবাসয়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। পশু আমদানি বাড়াতে বিজিবির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। টেকনাফ শুল্ক স্টেশন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদের আর মাত্র বাকি ১৭/১৮ দিন। ঈদের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত পশু আমদানি হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এ সময়ে যে পরিমাণ পশু আমদানি হয়েছিল চলতি বছরে তার সিঁকি ভাগও এখনও হয়নি। আমদানি পশুর বাজারে বিক্রয় মূল্য কম থাকায় হতাশায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা।
চট্টগ্রামে সকাল থেকে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রামে সকাল থেকে বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই নগরীর নিউ মার্কেট মোড়, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট এবং ওয়াসার মোড়ে অবস্থান নিয়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিল। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে প্রায় সবগুলো সড়ক থেকে শিক্ষার্থীরা সরে গিয়ে ওয়াসার মোড় এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্সসহ যাত্রীবাহী যেসব যানবাহানের কাগজপত্র ঠিক আছে সেগুলোকে ছেড়ে দিচ্ছে। এদিকে গণপরিবহন সঙ্কটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নগরীর সব সড়কেই রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রীদের। বাস চলাচল না করায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে শত শত মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
নগরীতে চেক প্রতারকের সম্পত্তি ক্রোকে জেলা প্রশাসনের অভিযান
সুজন আচার্য্য,চট্টগ্রাম :নগরীর আকবর শাহ থানা এলাকায় চেক প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আবদুর রহিমের সম্পত্তি ক্রোক করতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রঞ্জন চন্দ্র দে। তিনি বলেন, আদালতে নির্দেশে আকবর শাহ থানার ইস্পাহানি সি গেট আবদুল নবীর বাড়ী এলাকায় একটি চার তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট সিলাগালা করা হয়েছে। বাড়িটির মালিক আবদুর রহিম চেক প্রতারণা মামলায় ২২ লাখ টাকা অর্থ দন্ডিত। আদালতে ওই অর্থ আদায়ের জন্য আবদুর রহিমের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকবদ্ধ করার নিদের্শ দিয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রঞ্জন চন্দ্র দে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আসামিকে একাধিকবার নোটিশ দেয়া হয়। এরপর অভিযানের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। উল্লেখ্য, যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত ৫ম ও ৭ম আদালত চট্টগ্রামের দায়রা মামলা নম্বর ২৬০৬/২০১৫ ও ২৬০১/২০১৫ এর আদেশে চেক প্রতারণা মামলায় আকবর শাহ থানার ইস্পাহানি সি গেট এলাকার বাসিন্দা আবদুল নবীর ছেলে মো. আবদুর রহিমকে ২২ লাখ টাকা অর্থ দন্ড প্রধান করা হয়। এরপর আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত আসামির সম্পত্বি ক্রোকবদ্ধ করার জন্য অভিযান চালায়।
সোলার প্যানেল বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নের পল্লীবন্ধুর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে
চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাকলিয়া থানা আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ জাতীয় পার্টির ৯ বছরের শাসনামলে মসজিদ-মন্দির-গীর্জা-প্যাগোডার পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল মওকুফ করেছিলেন। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি ও জন্মাষ্টমীর ছুটি ঘোষণা করেছিলেন যা আজও বহাল রয়েছে। বাংলার মানুষ জাতীয় পার্টির ৯ বছরের উন্নয়নের কথা আজও স্মরণ করে। তিনি পল্লীবন্ধুর দক্ষ নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিকে পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে যেতে তৃণমূলের পার্টিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি আজ ৩ আগস্ট বাদ জুমা ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের চৌধুরী জামে মসজিদ ও হাসান জামে মসজিদে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জননেত্রী মাহজাবীন মোরশেদ এম.পি কর্তৃক প্রদত্ত সোলার প্যানেল বিতরণকালে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগর ছাত্র সমাজের সভাপতি রাশেদুল হক খোকনের সভাপতিত্বে বউ বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর জাপার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, নগর জাপা নেতা মো: আক্কাস, নগর ছাত্র সমাজ এর সাবেক আহ্বায়ক ইরশাদুল হক সিদ্দিকী, বাকলিয়া থানা জাপা যুগ্ম আহ্বায়ক মো: মহিউদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর ছাত্র সমাজ সহ-সভাপতি একরামুল হক টিটু, মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, নগর ছাত্র সমাজ এর সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবুল হাসান, ছাত্র সমাজ নেতা আকিবুল হক, সৌরভ দাশ, ছোটন মিয়া, সমাজসেবক আবু কামাল, মো: জামাল, ইউনুসুর রহমান, জাপা নেতা কালু মিয়া, ছোটন মিয়া প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পা
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভীর সহধর্মিণী ও বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, সন্তানদের মানুষ করতে হলে অভিভাবকদের অবশ্যই আত্মসচেতন হতে হবে। সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য অভিভাবকদের ভূমিকা অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন,যে সকল শিক্ষার্থী স্কুলে আসতে চায় না তাদেরকে স্কুলমুখী করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে মূলতঃ অভিভাবকদের। তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিতে শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন,অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি গতকাল ২ আগস্ট ২০১৮ ইং সকাল ১১ টায় সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা খুর্দ কেওচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্তকথা গুলো বলেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ওসমান গণি চৌধুরীর সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাদ হোসাইন চৌধুরী,সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য খানে আলম মিন্টু, ছদাহা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি জনাব নুরুচ্ছফা সওদাগর। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সাহেদ হোসেন,নজরুল ইসলাম,মহিলা নেত্রী হামিদা আক্তার, সম্পা দেবী সোমা,রেহেনা আক্তার, যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, আব্দুর রহিম, ছদাহা ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সভাপতি মো: জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম,ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজর রহমান সজল,মোহাম্মদ সোহান,নয়ন,সিফাত,তৌহিদ, হামিদ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি