সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০
বিয়ের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা দাবি,পুড়িয়ে দেয়া হল যুবকের যৌনাঙ্গ
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নরসিংদীতে এক যুবককে প্রেম-বিয়ের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে নিপীড়ণের ঘটনা ঘটেছে। অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে এসে নির্যাতিত যুবক নিজেই সময় সংবাদকে এ তথ্য ও ভিডিও দিয়েছেন। রাসেল জানান, তিনি একজন সৌদি প্রবাসী। তিন মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। বিদেশে থাকাকালীন তার শ্বশুর নয়ন ইসলাম ব্যবসা করার কথা বলে তার কাছ থেকে দু লাখ টাকা ধার নেন। তিনি দেশে ফেরার পর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শ্বশুর তালবাহানা করতে থাকেন। পরে তার স্ত্রী মন্টির সহায়তায় মিথ্যা মামলায় রাসেলসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে মামলা করেন। রাসেল আরো জানান, জামিনে বেরিয়ে এলে একপর্যায়ে বিবাদ মিমাংসা করার কথা বলে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর তাকে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় ডেকে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ভুয়া পুলিশ সাজিয়ে গ্রেফতারের নামে অপহরণ করে তাকে। রাসেল অভিযোগ করেন, অপহরণের পর তার উপর নির্যাতন করা হয়। তার বড় শ্যালক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পাপ্পু ও তার বন্ধুরা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পাপ্পু ও তার বন্ধুরা শ্বশুর নয়ন ইসলামের নির্দেশে আবারো নির্যাতন করে। রাসেল অভিযোগে জানান, এসময় তাকে বিবস্ত্র করে তার পুরুষাঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দিয়ে ছবি তোলে, মোবাইলে ভিডিও করে। রাসেলের উপর নির্যাতনের ভিডিও তার মাকে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। আইনের সহায়তা না নেয়ার জন্য হুমকিও দেয়া হয়। এতে তার মা হার্ট অ্যাটাক করেন বলে জানান রাসেল। তিনি অভিযোগ করেন, চক্রের মূল হোতা তার কথিত স্ত্রী মন্টি। প্রতারণার জন্য সে অন্তত ৮/১০টি বিয়ে করেছে। পরে, কৌশলে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে আসেন রাসেল। নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে অস্ত্র হাতে তোলা সেসব ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে মামলা না করেই ফেরত আসেন রাসেল।সময় সংবাদ
দিনাজপুরে গৃহশিক্ষক হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে। দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আনোয়ারুল হক আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এসময় সব আসামি আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার মির্জাপুর খয়েরবাড়ি গ্রামের মোসলেম উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও মামুনুর রশিদ। আর যাবজ্জীবন পাওয়া সোহেল রানাও ওই গ্রামের বাসিন্দা। ওই আদলতের এপিপি আজিজুর রহমান জানান, ২০১১ সালের ২৫ জুন তালতলি গ্রামের একটি পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে খয়েরবাড়ি গ্রামের লোকজনের সঙ্গে তালতলি গ্রামের লোকজনের সংঘর্ষ হয়। ওই সময় ওয়াকিল উদ্দিন (৬২) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওয়াকিল তার এলাকায় গৃহশিক্ষকতা করে জীবিকা চালাতেন। হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী বিলকিস বেগম বিরামপুর থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় আদালতে। অন্য এক আসামি পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই মারা যান। এছাড়া এক আসামি খালাস পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৮
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাহেবপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের শিশুসহ আটজন দগ্ধ হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- নূরজাহান (৬০), কিরণ (৪৩) হিরণ (২৫) ও তার স্ত্রী মুক্তা (২০) মেয়ে লিমা (৩), আবুল হোসেন (২২), কাওসার (১৬) ও আপন (১০)। নূরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই ইলিয়াস মিয়া জানান, তাদের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। পরিবারটি বর্তমানে সাইনবোর্ড সাহেবপাড়া এলাকায় একটি পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকে। রাতে ওই এলাকায় গ্যাসের চাপ কম ছিল। ফলে চুলা বন্ধ না করেই ঘুমিয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ভোরে রান্নার জন্য আগুন ধরাতেই বিকট শব্দে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়। সেই আগুনে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের মেয়েসহ আটজন দগ্ধ হয়েছে। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়েছে। আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহজাহান বলেন, ওই বাসায় গ্যাসের চুলা সারারাত চালু থাকায় চারটি রুমে গ্যাস জমে ছিল। সকালে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে চার রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একই পরিবারের শিশুসহ আটজন দগ্ধ হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
গাজীপুরে বাস-কার্ভাডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২
১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,আকবর হোসেন,গাজীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরে যাত্রীবাহী বাস ও কার্ভাডভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। শনিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ন্যাশনাল পার্কের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাওয়াল উদ্যানের সামনে এনা পরিবহনের একটি বাস সামনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যানটির পেছনের অংশ ভেঙে যায়। দুমড়েমুচড়ে যায় বাসটির সামনের অংশও। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিমল বিশ্বাস বলেন, কাভার্ডভ্যানের ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ সরিয়ে রাস্তা সচল করা হচ্ছে।
বিয়ের আগে প্রেম না করার শপথ ভালোবাসা দিবসে
১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিয়ের আগে প্রেম না করার শপথে বিশ্বভালোবাসা দিবসে জীবনকে ভালোবাসার অঙ্গীকার করলেন যশোরের এন্টি লাভ অর্গানাইজেশনের সদস্যরা। সেই সঙ্গে প্রেমিক যুগলদের প্রতারণা, নস্টামির প্রেম ছেড়ে আদর্শভিত্তিক জীবন গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। আজ বিশ্বভালোবাসা দিবস। দিবসটি যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এ দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান এমনকি বন্ধুর জন্যও ভালোবাসার জয়গানে আপ্লুত হতে পারে সবাই। চলবে উপহার দেয়া-নেয়া। তাই যশোরের বিভন্ন বিনোদন কেন্দ্রে নানা সাজে সজ্জিত হয়ে জড়ো হয়েছেন। চলছে ফুল বিনিময়। সেইসাথে যুগলদের চুপকথা। কিন্তু সেই নীরবতা ভেঙে জীবনকে ভালোবাসার আহ্বান জানাতে বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে নীরব মানববন্ধন করছে যশোরের এন্টি লাভ অর্গানাইজেশন। এ সময় তাদের হাতে দেখা যায়, বিয়ের আগে প্রেম নয় পড়াশুনায় মন চাই; প্রেম করুন কিন্তু মানুষকে ভালোবাসুন; নষ্ট প্রেম করবেন না, মাদক ধরবেন না সহ নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড। সংগঠনটির সদস্য ফাতেমাতুজ জোহরা স্বর্ণা বলেন, প্রেম, ভালোবাসা বিরোধী নই আমরা। আমাদের যুব সমাজ প্রেমের নামে প্রতারণা, নোংরামিতে জড়িয়ে পড়েছে। তারা ব্যর্থ হয়ে, প্রতারিত হয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। এমনকি আত্মহত্যার পথও বেছে নিচ্ছেন। অথচ পিতামাতার অনেক স্বপ্ন ছিল তাদের নিয়ে। এজন্য আমরা ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষার কথা জানাতে আজ পার্কে পার্কে যাচ্ছি। প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বলেন, আজ আমরা বিয়ের আগে প্রেম না করার, জীবনকে ভালোবাসার, মাদক না গ্রহণের শপথ নিয়েছি। প্রেমে প্রতারণার শিকার হয়ে আমাদের এক মেধাবী বন্ধুর অকাল মৃত্যুর কারণে ২০১৫ সাল থেকে ভালোবাসা দিবসে এন্টি লাভ অর্গানাইজেশনেরর ব্যানারে জীবনকে ভালোবাসার প্রচারণা চালাচ্ছি আমরা।somoynews.tv
প্রেমিকার কবরে প্রেমিকের বিষপান
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আব্দুল ইউসুফ,গোপালগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছেলেটি খ্রিস্টান আর মেয়েটি হিন্দু সম্প্রদায়ের। তাদের দু জনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু তাদের এ অসম প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ায়েছিলো পরিবার। তাই বিষপানে আত্মহত্যা করেছিলা পঞ্চাদশী কিশোরী। এ ঘটনার ১০ দিন পর প্রেমিকার কবরে গিয়ে বিষপানে প্রেমিকও আত্মহুতি দিয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রামে। মুকসুদপুর উপজেলার সিন্দিয়াঘাট ফাঁড়ির এসআই আবুল বাশার জানান, পুলিশ বুধবার ওই কিশোরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। জলিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনন্দ মল্লিক জানান, ওই গ্রামের এক হিন্দু পরিবারের পঞ্চদশী কিশোরীর সঙ্গে প্রতিবেশী খ্রিস্টান পরিবারের অষ্টাদশী কিশোরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিলো। কিন্তু পরিবারের লোকজন ভিন্ন ধর্মে প্রেম মেনে নিতে পারেনি। এই অবস্থায় মেয়েটি গত ৩১শে জানুয়ারি বিষপানে আত্মহত্যা করে। মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় তার কবরে গিয়ে ছেলেটাও বিষ পান করে। খোঁজ পেয়ে স্থানীয়রা ওই কিশোরকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজৈর ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে আনন্দ মল্লিক জানান। তিনি বলেন, বুধবার সকালে ছেলেটির লাশ বাড়িতে নিয়ে আসার পর থানায় খবর দেয়া হয়। তখন পুলিশ এসে লাশ মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
খাগড়াছড়িতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ১জনকে আটক করেছেন RAB
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:খাগড়াছড়ি সদর থানাধীন স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ মো. রবিউল ইসলাম (৩২) নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে Rapid Action Battalion ( RAB-7)। বুধবার ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম সংলগ্ন খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন RAB-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া)এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত মো. রবিউল ইসলাম খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির দমদম এলাকার মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। RAB-7 এর অপারেশন অফিসার মো. মাশকুর রহমান নিউজ একাত্তরকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে কতিপয় অস্ত্র ব্যাবসায়ী খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ মো. রবিউল ইসলাম নামে এক অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচটি ম্যাগাজিন ও ৪৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত মো. রবিউল ইসলামকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন শেষে খাগড়াছড়ি সদর থানায় সোপর্দ করা হবে।
রাবি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে অর্থ আদায়ের জন্য আগের রাতেই নগরের একটি চায়ের দোকানে পরিকল্পনা করা হয়। রিমান্ডে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রাবি ছাত্র মাহফুজুর রহমান সারদ এ তথ্য দিয়েছে। এর আগে একই তথ্য দিয়ে তার দুই সহযোগি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল। মতিহার থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, গত রোববার বিকেলে এ মামলার দুই আসামি জীবন ও জয় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাঁদের রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই করতে গত সোমবার মামলার মূল আসামি মাহফুজুর রহমান সারদকে দুই দিনের রিমান্ড নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতের কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়াও মঙ্গলবার আসামি প্লাবন তালুকদার ও রাফসানকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারাও একই তথ্য দিয়েছে। মামলার ছয় আসামির মধ্যে এজাহারনামীয় বিশাল এখনো পলাতক বলে জানান ওসি। আসামিদের মধ্যে মাহফুজুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর প্লাবন তালুকদার, তারেক মাহমুদ জয় ও রাফসান বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আর জীবন ও বিশাল স্থানীয় তরুণ। মাহফুজুর রহমানের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম মাহবুবুর রহমান। প্লাবন তালুকদারের বাড়ি জয়পুরহাট সদরে। রাফসানের বাড়ি রাজশাহী নগরের বহরমপুরে। জয়, জীবন ও বিশালের বাড়ি রাজশাহীর মতিহারে। জানা যায়, মাত্র কয়েক মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজের সম্পর্ক হয়। ঘটনার আগে মাহফুজ মেয়েটিকে নিয়ে রাবি ক্যাম্পাসে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরাও করত। ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার ওই ছাত্রী তার কয়েকজন বান্ধবীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মির্জাপুর এলাকার হানুফার মোড়ের একটি মেসে থাকে। ওই মেসের বাইরে মাহফুজ মাঝে মাঝেই মেয়েটির সঙ্গে দেখা করত। মাঝে মাঝে ধারের নাম করে মেয়েটির কাছ থেকে টাকা-পয়সাও নিত মাহফুজুর। ৫/৬ মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজের সম্পর্ক হয়। মাহফুজ মেয়েটিকে নিয়ে রাবি ক্যাম্পাসে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরাও করত। ২৭ জানুয়ারি এ ঘটনায় ওই ছাত্রী মতিহার থানায় মামলা করেন। ওই রাতেই মতিহার থানা-পুলিশ মাহফুজুর, প্লাবন ও রাফসানকে এবং ৭ ফেব্রুয়ারি জীবন ও জয়কে গ্রেফতার করে। মতিহার থানার ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, জয় ও জীবন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার সময় বলেছে, তারা ঘটনার আগের দিন রাজশাহী নগরের তালাইমারীর মোড়ের একটি চায়ের দোকানে বসে পরিকল্পনা করেন। মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন- তারেক মাহমুদ জয়, জীবন, রাফসান ও প্লাবন তালুকদার। পরে তারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করে নেয় আসামি বিশালকে। মাহফুজুর তখন বন্ধুদের জানিয়েছিল ওই ছাত্রীটি তাঁকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু তিনি চান না। তাই তাঁকে (ছাত্রী) দূরে সরিয়ে দিতে ও তাঁর ধনী পরিবার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করার পরিকল্পনা সাজায়। মাহফুজুর রহমান দুই দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও একই তথ্য দিয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়, পাঁচ মাস আগে ওই ছাত্রীর সঙ্গে মাহফুজুর রহমানের বন্ধুত্ব হয়। গত ২৪ জানুয়ারি রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল স্কুলের পাশে বসে ওই ছাত্রী ও মাহফুজুর গল্প করছিলেন। এ সময় প্লাবন ফোনে মাহফুজুরকে তাঁদের ভাড়া বাসায় আড্ডা দিতে যেতে বলেন। রাত সাড়ে আটটার দিকে মাহফুজুর ওই ছাত্রীকে নিয়ে প্লাবনের ভাড়া বাসায় যান। কিছুক্ষণ পর প্লাবন তাঁদের দুজনকে গল্প করতে বলে বাইরে চলে যান। তখন মাহফুজুর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় জীবন ও অজ্ঞাতনামা দুজন এসে তোরা অসামাজিক কাজ করেছিস বলে সাদা কাগজে তাঁদের দুজনের সই নেন এবং ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। তাঁদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় চার হাজার টাকা আদায় করেন। এ অভিযোগে এই ছাত্রী যাতে মামলা করতে না পারে সে জন্য তাঁরা তাঁদের দুজনকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন এবং সেগুলোর ছবি তোলেন ও ভিডিও করেন।- একুশে টেলিভিশন
আপত্তিকর অবস্থায় নারীসহ পুলিশ সদস্য আটক
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে নাসির হোসেন নামে পুলিশের এক কনস্টেবলকে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে। এ সময় নাসির নামের ওই পুলিশ কনস্টেবল ও গৃহবধূকে মারধর করে পরিবারের অন্য সদস্যরা। এরপর কালীগঞ্জ থানার তদন্ত ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন। পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন কালীগঞ্জ থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত। ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবার বাড়ি কাশিপুর। সেখান থেকেই নাসিরের সঙ্গে আমার পরিচয়। আজ নিয়ে উনি আমার বাড়িতে দুই দিন এসেছেন। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় তাকে আমি নাস্তা করতে দেই। উনি নাস্তা করার সময় হঠাৎ কয়েকজন ঘরের মধ্যে ঢুকে আমাদের মারধর শুরু করেন। তিনি আরও জানান, আমার স্বামী চিনিকলে চাকরি করেন। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। আমার শ্বশুরবাড়ির অনেকেই আমাকে দেখতে পারে না। এজন্য আমাকে নিয়ে এমন চক্রান্ত করছে। ওই পুলিশের সঙ্গে আমার শারীরিকভাবে কোনোকিছুই হয়নি। আপত্তিকর অবস্থায় দেখা জুয়েল নামের এক যুবক বলেন, তিনি আমার ভাইয়ের বউ। আমি বাড়িতে ভাত খাচ্ছিলাম। এ সময় আমার স্ত্রী বলে, দেখো ওই ঘরে কে যেন এসেছে। অনেক সময় হয়ে গেছে এখনও বের হয়নি। এরপর আমি ভাত খেয়ে আমার চাচাকে সঙ্গে নিয়ে দেখি দুইজনই উলঙ্গ। এরপর তাদের আমরা আটক করি। ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নাসির হোসেন বলেন, ওই মহিলা পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। এজন্যই মূলত আসা। আসার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছুই না। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান মিয়া বলেন, নাসির নামে ওই পুলিশ সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর