বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ নিহত
০১সেপ্টেম্বর,রবিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও ওমর ফারুক হত্যার প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদ (৩৪) নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৪টি এলজি, ১টি থ্রি কোয়াটার, ১৮ রাউন্ড গুলি, ২০ রাউন্ড গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাকে নিয়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া ২৭ নম্বর ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত নুর মোহাম্মদ জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত কালা মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, ওমর ফারুক হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ও আরসা বা আল ইয়াকিনের অন্যতম নেতা নুর মোহাম্মদকে আটক করা হয়েছে। তাকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তার গড়ে তোলা নিজস্ব বাহিনীর আস্তানায় বিপুল সংখ্যক অস্ত্র মজুদ রয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ওসি তদন্ত এবিএস দোহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা নুর মোহাম্মদ ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে ওসি তদন্ত, কনস্টেবল রাশেদল, অন্তর চৌধুরী আহত হলে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। বেশ কিছু সময় গুলি বিনিময় হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে নুর মোহাম্মদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী নুর মোহাম্মদ নিহত হন। তার বিরুদ্ধে সরকারি অস্ত্র লুট, হত্যা ও ইয়াবার মামলা রয়েছে। সম্প্রতি ২২ আগস্ট স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যার প্রধান আসামি তিনি। ওইদিন থেকে তাকে পুলিশ খুঁজছিল। তার মরদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সাতকানিয়ায় পিকনিকের বাসে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকার ইয়াবা
৩১আগস্ট,শনিবার,স্টাফ রির্পোটার,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া কেরানীহাট এলাকায় একটি পিকনিকের বাসে অভিযান চালিয়ে ৫৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে Rab। Rab জানায়,উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে Rab-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা বহনকারী বাসটিও। Rab-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মাশকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে রাঙামাটি অভিমুখী একটি পিকনিকের বাসে অভিযান চালিয়ে বিশেষ কৌশলে বাসে লুকিয়ে রাখা ৫৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় বাসের চালক মোহাম্মদ রহিম (২৯) এবং হেলপার মোহাম্মদ রফিককে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে পিকনিকের বাসটিও। এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানায় মামলা হবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলোর আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং জব্দকৃত বাসের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি টাকা।
যৌন হয়রানির অভিযোগে এক পুলিশকে গণপিটুনি
৩০আগস্ট,শুক্রবার,রাজশাহী রির্পোটার,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজশাহীতে নারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে গণপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। গণপিটুনির শিকার ওই পুলিশ সদস্যের নাম সাব্বির হোসেন। তিনি রাজশাহীর পবা থানায় কর্মরত। তবে তিনি লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। রাজপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হায়দার আলী খান জানান, পুলিশ কনস্টেবল সাব্বিরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাব্বির রাত দশটার দিকে লক্ষীপুর কাঁচাবাজার এলাকায় গিয়ে একজন নারীর শরীরে হাত দেন। এ সময় ওই নারী গরমের কারণে বাইরে ঘুরাফেরা করছিলেন। কিন্তু সাব্বির তার শরীরে হাত দেন।এরপর ওই নারী চিৎকার শুরু করেন। এক পর্যায়ে আশেপাশের নারী ও পুরুষরা জড়ো হয়ে সাব্বিরকে ধরে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন। খবর পেয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশ সাব্বিরকে উদ্ধার করে। পরে তাকে নগরীর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একজন চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সেখান থেকে সাব্বিরকে রাজপাড়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পতিতাবৃত্তির অপরাধে ৪নারীসহ ৬জনকে দণ্ড
৩০আগস্ট,শুক্রবার,স্টাফ রির্পোটার,নারায়ণগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অপরাধে ৪নারীসহ ৬জনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা(ভূমি) তরিকুল ইসলাম এ দণ্ড প্রদান করেন। ভোলাব উপ-পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কাঞ্চন জামাইপাড়া এলাকার রতনের ভাড়াবাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বেপারীপাড়া এলাকার সেলিম মিয়ার স্ত্রী রেখা বেগম অসামাজিক কার্যকলাপ (পতিতাবৃত্তি)করে আসছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রেখা বেগম(৪০), তার মেয়ে মীম আক্তার(১৮), সিলেটের গোয়াইঘাট থানাধীন আলমনগর এলাকার মনিরের মেয়ে লিপি আক্তার(১৮), কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থানাধীন ভির্নিভাড়া এলাকার সাগরের স্ত্রী আরিফা আক্তার(২২), রেখার স্বামী সেলিম সিকদার(৪৪) ও কুড়িগ্রামের থানাধীন কাচারীপাড়া এলাকার সাইফুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম(২৭)কে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতদের রাতে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে সকলে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রত্যেককে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২
৩০আগস্ট,শুক্রবার,স্টাফ রির্পোটার,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গায় Rab ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক জলদস্যু ও ১০ মামলার আসামি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ও বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম: জেলার বাঁশখালীতে Rabর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক জলদস্যু নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে পূর্ব চাম্বল এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. ইরান। তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। Rabর দাবি তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, অস্ত্র আইনে ১০টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ ১৩টি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি এবং বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। Rab-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান জানান, পূর্ব চাম্বল এলাকায় ইরান ও তার সহযোগীরা জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। Rabর টহল দল দেখে তারা গুলি চালায়। এ সময় Rab ও পাল্টা গুলি চালালে অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ইরানের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় পুলিশসহ দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার জয়রামপুর কাঁঠালতলা গ্রামের একটি বাঁশবাগানের মধ্যে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম রোকনুজ্জামান রোকন (৩৫)। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুরের আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে। পুলিশের দাবি রোকন মাদক ব্যবসায়ী ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), দুইটি কার্তুজ, এক বস্তা ফেনসিডিল ও দুইটি রাম দা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে কাঁঠালতলা গ্রামের করিম মণ্ডলের বাঁশবাগানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের দুটি পক্ষই পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। শুরু হয় পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধ। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী গুলিবিনিময়ের পর মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রোকনুজ্জামান নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মশিউর রহমান মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত রোকন নিহত হয়েছেন। নিহত রোকনুজ্জামানের নামে দামুড়হুদা মডেল থানায় পুলিশের ওপর হামলা, মামলা, মাদক, চোরাচালান, ডাকাতি ও অপহরণসহ ১০টি মামলা রয়েছে।
চাদাঁবাজী মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী
২৯আগস্ট,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিরপুর থানার কথিত চাদাঁবাজীর মামলায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে আদালত। আজ ২৯ আগস্ট সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পনপূর্বক জামিনে আবেদন করলে আদালত তাকে স্থায়ী জামিন দেন।গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় দিনের বেলায় এক চাঞ্চল্যকর মিথ্যা চাদাঁবাজীর মামলা দায়ের ও ঠিকানাবিহীন ঐ মামলায় গভীর রাতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় ঐ মামলার কথিতবাদী দুলাল একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধির কাছে প্রদত্ত স্বাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন তিনি এই মামলা করেন নি। তিনি কোন দিন মিরপুর থানায় যায়নি। প্রজাপতি পরিবহনের লাইনম্যান দুলালকে নেতা বানানোর জন্য সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছে দেলোয়ার নামে এক পরিবহন শ্রমিক নেতা। পরে সেই কাগজকে পরিবহন মাফিয়াদের নির্দেশে মামলার এজাহার বানানো হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে দেশজুড়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠে। পরবর্তীতে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর জামিন নিয়ে ঢাকা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী। জামিন লাভের পর কাফরুল থানায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক আইনে আরেক মামলায় ফাসাঁনোর চেষ্টা করা হলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। মিরপুর থানার এসআই সরোয়ার জাহান গত ৩১মে চাদাাঁবাজীর মামলায় কতিপয় ভূয়া ব্যাক্তিকে স্বাক্ষী বানিয়ে আদালতে চার্জশিট প্রদান করলে আজ বিজ্ঞ আদালতে বিষয়টির চার্জ সুনানির দিন ধার্য করে। একই দিনে মোজাম্মেল চৌধুরীর আইনজীবী আসামীর স্থায়ী জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে স্থায়ী জামিন দেন। উল্লেখ্য যে, এদেশে সড়কে নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে সাংগঠনিকভাবে কাজ করে আসছে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী। এই সংগঠনের বিশ্লেষণধর্মী একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশের মধ্য দিয়ে পরিবহন সেক্টরের অনিয়ম-দুর্নীতি ও অব্যস্থাপনার স্বরূপ উম্মোচিত হতে থাকে। ফলে সরকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। এসব উদ্যোগ থামিয়ে দিতে এই চাঞ্চল্যকর মিথ্যা চাদাঁবাজীর মামলা দেয়া হয়েছে বলে দাবী বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির।
দুবাইয়ে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা জিতলেন সোনাগাজীর আরাফাত
২৮আগস্ট,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর সোনাগাজীর উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের আমিরাত প্রবাসী আল আরাফাত মোহাম্মদ মহসিন দেশে মাত্র ২৬২১ দিরহাম পাঠিয়ে এক মিলিয়ন দিরহাম পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন। দুবাইভিত্তিক আল আনসারী একচেঞ্জ রিওয়ার্ডসর গ্রীষ্মকালীন গ্রান্ড ড্রতে তিনি এই অর্থ জেতেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকারও বেশি। আল আনসারী হলো দুবাইভিত্তিক আমিরাতের একটি ফরেন একচেঞ্জ ও মানি ট্রান্সফার ফার্ম। দুবাইয়ের নায়েফ শাখা থেকে প্রবাসী আরাফাত দেশে ২৬৬১ দিরহাম পাঠিয়ে এই পুরস্কার জিতেছেন। তার পিতা সোনাগাজী আল হেলাল একাডেমির শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন হামিদি জানান, মঙ্গলবার দুবাইয়ের মেট্রোপলিটন হোটেলে ড্র অনুষ্ঠিত হলে প্রথম পুরস্কার হিসেবে নগদ এই অর্থ পান তার ছেলে আরাফাত। ড্রতে আরও দশজনকে পৃরস্কৃত করা হয়েছে, যাদের দুজন পেয়েছেন বিলাসবহুল গাড়ি। বিষয়টি তার ছেলে পুরস্কারপ্রাপ্ত আরাফাত টেলিফোনে (মুঠোফোনে) নিশ্চিত করেছেন। এ খবরটি জানার পর তার পরিবারের সদস্যদের মাঝে আনন্দের বন্যা নেমে আসে। আরাফাত নয় বছর ধরে আমিরাতে বসবাস করছেন। তিনি সেখানে মুঠোফোন বিক্রেতা একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। প্রসঙ্গত; গ্রান্ড ড্রতে ভারত ও জর্ডানের দুজন প্রবাসী একটি করে নতুন (ব্র্যান্ড নিউ) বিএমডব্লিউ গাড়ি জিতেছেন। পুরস্কার পাওয়ার পর আরাফাত মুঠোফোনে জানান, আমি সত্যিই খুবই বিস্মিত। নগদ এই অর্থ আমার পরিবারের অনেক সাহায্য করবে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা (পরিবার) যে জীবনের স্বপ্ন দেখছি তা এর মাধ্যমে পূরণ হবে। আমি এ পুরস্কার না পেলে এটা কখনোই হয়তো সম্ভব হতো না। এজন্য তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। আরাফাত ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে সবার বড়। সে সোনাগাজী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের মেঝ মৌলভী বাড়ির মোহাম্মদ মহসিন হামিদির বড় ছেলে।-আলোকিত বাংলাদেশ
দিনাজপুরে বাসচাপায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
২৮আগস্ট,বুধবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরে ফুলবাড়ীতে বাসচাপায় তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এতে আরও ৬ জন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুলবাড়ী উপজেলার বাজিতপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল হাসান। নিহতরা হলেন- জেলার চিরির-বন্দর উপজেলার আমবাড়ী দৌলতপুর গ্রামের আবেদুল মেম্বারের ছেলে ফরহাদ (৩৫) ও রোকনুজ্জামানের ছেলে অন্তর (৩২) এবং দিনাজপুর সদর উপজেলার আসিক (২৮)। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাতক বাসসহ চালককে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল হাসান।
অসুস্থতার জন্য ছুটি নিয়েছেন জামালপুরের ডিসি অফিসের সেই নারীকর্মী
২৬আগস্ট,সোমবার,জামালপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি)সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সেই নারী অফিস সহকারী অসুস্থতার জন্য ছুটি নিয়েছেন। আজ সোমবার তিনি অফিসে এসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ সময় তার হাতে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটির আবেদনপত্র পাওয়া যায়। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলে কিছুক্ষণ পর অফিস থেকে বাড়ি ফিরে যান। ছুটির আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অফিস চলাকালীন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আগামীকাল ২৭ আগস্ট থেকে তিনদিনের ছুটির প্রয়োজন। জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজীব কুমার সরকার সাংবাদিকদের বলেন, অফিস সহকারীর ছুটির আবেদনপত্র পাওয়া গেছে। ওই অফিস সহকারী ছুটির আবেদন করেছেন। তার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন জেলা প্রশাসক কর্মস্থলে যোগদান করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। সম্প্রতি জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে ওই নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

সারা দেশ পাতার আরো খবর