সরকার ভোটার শূণ্য একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতেই বেগম জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে :ডা. শাহাদাত হোস
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শহীদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনাই স্বাধীনতাকামী মানুষ যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সরকারের নির্দেশে আদালত কর্তৃক সাজা দিয়ে দিনের পর দিন কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন। সরকারি বহু তালবাহানার পর সেই মামলায় বেগম খালেদা জিয়া উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও সরকারি কারসাজিতে তার জামিন আটকে দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের কোন মামলায় জামিন দেওয়ার পর আপিল বিভাগ কারো জামিন স্থগিত করে এমন নজির বাংলাদেশে আর একটিও নেই। ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার মামলাগুলো নিম্ন আদালতেই জামিনযোগ্য। অথচ এতে প্রমাণিত হয় সরকার সকল স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় এনে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। ডা. শাহাদাত আরো বলেন, ভোটারশূন্য একটি নির্বাচন নিশ্চিত করতেই দুইশ বছরের পুরানো একটি ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। স্যাতস্যাতে, জরাজীর্ণ, বালিধুলোর আক্রান্ত হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সারাক্ষণ কাশি ও জ্বর আক্রান্ত হচ্ছে। হাত ও পায়ের প্রচন্ড ব্যথায় তার হাটাচলাতেও কষ্ট হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা জেনেও তাঁর উপর এই অবৈধ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে লালন করে কারাগারে আটকে রেখেছে যা অমানবিক ও মানবতাবিরোধী। তিনি আজ ৪ জুন সোমবার বিকেলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কোতোয়ালী থানা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে স্বনির্ভর একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর বিএনপির সহ সভাপতি হারুন জামান, উপদেষ্টা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, জাহেদুল করিম কচি, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি এম এ হাশেম, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আরো বক্তব্য রাখেন গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন নবীন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সরওয়ার আলম, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক হাজী বেলাল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন কায়সার লাবু, আবদুল হালিম স্বপন, এ কে এম পেয়ারু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ডা: লুসি খান, চকবাজার থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুফিজ উল্লাহ, আলাউদ্দিন আলী নুর, আখতার খান, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুর রহমান রিপন, সাব্বির আহমেদ, সৈয়দ আবুল বশর, আবু আহম্মদ মুহসিন, তৌহিদুর সালাম নিশাত, এম এ হালিম বাবলু, জসিম মিয়া, আবুল ফয়েজ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের নেতা রনি কারাগারে
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষকে মারধর ও ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওসমান গণির আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন রনি। আদালত তা না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। গত ৩১ মার্চ নগরীর চকবাজার থানাধীন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খানকে প্রকাশ্যে মারধর করেন রনি। তাকে কলার চেপে ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে চড়-থাপ্পড় মারেন।
সাতকানিয়ার বাটা আজিজ গ্রেফতার
রোববার (০৩ জুন) রাতে সাত মামলার আসামি জামায়াত ক্যাডার আজিজুল হক প্রকাশ ওরফে বাটা আজিজকে (৪৬) সাতকানিয়ার থানার কেরানীহাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে সাতকানিয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া আজিজ সাতকানিয়া উপজেলার ১০ নম্বর কেওচিয়া ইউনিয়নের কেওচিয়া ডেলিপাড়া সাকিন এলাকার কালু মিয়ার ছেলে। সাতকানিয়া থানার ওসি মো. রফিকুল হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জামায়াতের কুখ্যাত এক ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানার এসআই মো. ইয়ামিন সুমনের নেতৃত্বে এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান চালানো হয়। ওসি জানান, বাটা আজিজের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনসহ সাতকানিয়া থানায় সাতটি মামলা রয়েছে। এছাড়াও ২০১৩-১৪ সালে জামায়াত-শিবিরের দেশব্যপী তাণ্ডবকালে সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অঘোষিত সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আজ সোমবার (০৪ জুন) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।
দেশের শান্তি রক্ষায় যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে: মিজানুর রহমান চৌধুরী
দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম ও লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের সহ-সম্পাদক রিমন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম, দৈনিক আমাদের বাংলা'র সম্পাদক ও প্রকাশক, লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাহমুদুল হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মো. আজিজুল হক, এডভোকেট মো. আনিছ, মো. নুরুল আলম, একেএম আবু ইউসুফ, আনোয়ারা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুর নূর চৌধুরী, লাভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বজলুল হক, অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. আলী হোসেন, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের চীফ রিপোর্টার আবুহেনা খোকন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, 'রমজান মাস হচ্ছে মুসলমানের জন্য আত্ম-পরিশুদ্ধির মাস, এই মাসে মুমিনরা ধৈর্য্যের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করে থাকে। তিনি মুসলমান যুবকদের একত্রিত হয়ে ধৈর্য্যধারণের মধ্য দিয়ে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করার আহ্বান জানান।" ইফতার মাহফিলের সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাগফেরাতের এই রমজান মাসে আল্লাহ দেশের সমগ্র মানুষকে মাগফেরাত কামনা করুক। তিনি বলেন, "মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আল্লাহ পাক মানুষকে অতি সুন্দর আকৃতি ও মেধা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমান মানুষরা তাদের কাজ ও কর্মের মধ্য দিয়ে অমানবিকতার পরিচয় দিয়ে থাকে। তাই সর্বপ্রথম সবাইকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশের শান্তি রক্ষায় যুবকদের এগিয়ে আসারও আহবান জানান তিনি। এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন আবছার রশিদ আইয়ুব, ইফতার মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক যায়িদ এম তারিখ, দৈনিক আমাদের চট্টগ্রামের স্টাফ রিপোর্টার ও লাভ বাংলাদেশের সমন্বয়ক এম. সাদ্দাম হোসাইন সাজ্জাদ, আবু সালেহ, হাবিব রহমান, মিজানুর রহমান, আরাফাত হোসাইন, মো. কামরুদ্দিন, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, শওকত হোসেন, আতাউল করিম রাসেল, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মীর মামুন, ফরহাদ মাহমুদ, আব্দুল মামুন ফারুকী, মো. তারেকুর রহমান, মিজানুর রহমান, রুবায়েত আদনান, মো. এহাসানুল হক প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গিকা চৌধুরীকে গ্রেফতারের দাবীতে নগর ছাত্রলীগের মিছিল ও সমাবেশ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রকাশ্যে হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে যুদ্ধাপরাধে দন্ডিত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অদ্য ০৩ জুন বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের এক মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি নগরীর হালিশহর নয়াবাজার প্রদক্ষিণ করে বড়পোল মোড়ে এসে নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানি জনি’র সঞ্চালনায় এবং নগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফররুখ আহমেদ পাভেল এর সভাপতিত্বে সমাপ্ত হয়। এতে বক্তারা বলেন- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী গিকা চৌধুরীর পরিবার স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত সাকা চৌধুরী আমৃত্যু দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। চট্টগ্রামের অসংখ্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী হত্যাকা-ের হোতা এ পরিবারের সদস্যরা সুযোগ পেলেই রাষ্ট্র ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। অতি সম্প্রতি ফটিকছড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ইঙ্গিত করে গিয়াস কাদেরের হুমকি জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমরা মনে করি। বক্তারা আরো বলেন-কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীর ভাই গিয়াস কাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যে ঔদ্ধর্ত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য নিবেদিত প্রাণ লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর অন্তরে আঘাত করেছে। আমরা চাই, গিয়াস কাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক। তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, উপ দপ্তর সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন টিটু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য নাদিম উদ্দিন, জি এস আমিনুল করিম, উপ সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হাসান রনি, আবু হানিফ রিয়াদ, মিজানুর রহমান মিজান, এম আর হৃদয়, কার্যনির্বাহী সদস্য ইসমাইল হোসেন বাথেন প্রমুখ।
শেরপুরের পানাইতেবাড়ীপাড়ায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূণ্য
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূণ্য হয়ে পড়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানাইতেবাড়ীপাড়া। দিনের বেলা দুই-একজন পুরুষের দেখা মিললেও সন্ধ্যা নামলেই পুরুষশূণ্য হয়ে পড়ে ওই গ্রামটি। ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজনসহ অজ্ঞাত স্থানে আশ্রয় নেন তারা। আবার অনেকেই ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অজানা স্থানে। উল্লেখ্য, গত ২০ মে রবিবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১১৫ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করার ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু অপরাধীর কারণে গ্রামের প্রায় সব পুরুষদের আসামি করা হবে এবং গ্রেফতার আতঙ্কে পুরো গ্রাম পুরুষশূণ্য হয়ে যাবে এটা কোন সভ্য সমাজের চিত্র নয় বলে মন্তব্য করছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে শনিবার রাত ৯ টার দিকে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী পানাইতেবাড়ি মোড় বাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫৫ পিছ ইয়াবাসহ সুমন মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ খবর শুনে সুমনের চাচা ও ভাইয়েরাসহ বেশ কিছু লোকজন গোয়েন্দা পুলিশ দলের উপর হামলা চালিয়ে সুমনকে ছিনিয়ে নেয়। ওই হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং এএসআই হাবিবুর রহমানের ব্যবহৃত একটি এনড্রোয়েড মোবাইল ও ৪ হাজার ৩০০ টাকা এবং এএসআই শামীমের ২ হাজার ৫০০ টাকা খোয়া যায়। এদিকে মামলার আসামি শফিকুল ইসলাম ছুডু অভিযোগ করে জানান, এ মামলায় তার বাবা, ভাগ্নে উজ্বল, জুয়েল ও তাকে আসামি করা হয়েছে, অথচ ঘটনার সাথে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। তাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এখন গ্রেফতার এড়াতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অপর আসামি সফিকুল ইসলামের স্ত্রী মাসুরা জানান, ঘটনার সময় তার স্বামী তারাবীহ নামাযে ছিলেন। শিশু মেয়ে দোকানে বসা ছিল। হইচই শুনে নামাজ শেষ না করেই করে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে আসেন। শুভ নামের এক ডিভি পুলিশ সদস্য তাদের ঘরে আশ্রয় নেয়। পরে তারাই ডিভির সদস্য শুভ-কে কালিবাড়ী নামক স্থানে পৌঁছে দিয়ে আসে। অথচ তাদেরকেও আসামি করা হয়েছে। তারাও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এখন সফিকুল ইসলামের স্ত্রী মাসুরা ও তাদের শিশু মেয়েকে নিয়ে দোকান চালাতে হচ্ছে। এতে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে বলে তারা জানান। স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুল্লাহ বলেন, ডিবি পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় কিছু নির্দোষ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এখন এলাকার ভিতরে একজন পুরুষ মানুষও নেই। গ্রাম পুরুষশূণ্য হয়ে গেছে। এমনকি মসজিদে নামায পড়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া এলাকার সব বয়সের মহিলা ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা আতঙ্কের মধ্যে বাস করছেন বলে তিনি জানান। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার এবং দ্রুত তদন্ত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের বিষয়েও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। তাছাড়া সাহরী, ইফতার কেনাকাটা করার মতো কোনো লোক না থাকায় খুব কষ্ট করে রোজা রাখতে হচ্ছে বলে অনেক মহিলা জানান। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সজীব খান বলেন, এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সুজন ও সাইফুল নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এ ওই ঘটনায় কোন নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হবে না বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত
বগুড়ার শেরপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছে। আজ রোববার উপজেলার ছোনকা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তিনজনই দিনমজুর। নিহতরা হলেন ছোনকা দক্ষিনপাড়া গ্রামের মৃত: শাবান আলীর ছেলে মহসিন আলী (৬০), মৃত ইমান আলীর ছেলে শাহ মাহমুদ (৫০) ও মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে সাদেক আলী (৫৫)। আরেকজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) স্থানান্তর করা হয়েছে। জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার ভোর ৬টার দিকে ছয়জন দিনমজুর দলবেঁধে পার্শ্ববর্তী আম্বইলে ওয়েস্টার্ন মিলে কাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে ছোনকা মজুমদার মোড়ে পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বগুড়াগামী কাভার্ড ভ্যান (যার নং ঢাকা মেট্রো ম ১১-৪০০৮) তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিন দিনমজুরের মৃত্যু হয়। পুলিশ কাভার্ড ভ্যানটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিহতদের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। এ ব্যাপারে শেরপুর থানার ওসি তদন্ত বুলবুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি ওই এলাকায় হওয়ায় সাথে সাথে তারা লাশ নিয়ে গেছে। কেউ এখনো থানায় অভিযোগ দাখিল করেনি।
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো : কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
চট্টগ্রামে সমর চৌধুরী নামে ষাটোর্ধ্ব এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে পুলিশ। লন্ডন প্রবাসী সঞ্জয় দাশের ইন্ধনে অস্ত্র ও ইয়াবা দিয়ে পুলিশ সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। জায়গা দখলে নিতে সঞ্জয় দাশ পুলিশের সঙ্গে ৮০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকার চুক্তির পর ইতোমধ্যে ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। সমর চৌধুরীকে ফাঁসানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ চট্টগ্রামের সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ন্যক্কারজনক এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন জেলা বার আইনজীবী সমিতিসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা। তবে সঞ্জয় সমর চৌধুরীকে চেনেন না দাবি করে তাকে ফাঁসানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সমর চৌধুরীকে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় চট্টগ্রাম আদালত অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুলিশের এমন কাজে বিস্মিত, বিরক্ত আইনজীবীরা। গত বুধবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের আদালতে সমর চৌধুরীর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সমর চৌধুরীর পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সমিতির সিনিয়র সদস্য রণাঙ্গ বিকাশ চৌধুরী, সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশীদ এবং সমর চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের সময়ে প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী জুয়েল দাশ, গৌতম চৌধুরী পার্থ, আরশাদুর রহমান রিটু জামিন শুনানিতে অংশ নেন। এ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক আইনজীবী জামিন শুনানিতে সমর চৌধুরীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। যদিও আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। চট্টগ্রাম জেলা বার আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল ভোরের কাগজকে বলেন, ‘একজন প্রবীণ লোকের পক্ষে অস্ত্র ও ইয়াবা রাখাটা বেমানান। উনাকে দেখলে অপরাধী বলে মনে হয় না। দৃষ্টিশক্তি নেই বললেই চলে। তিনি অস্ত্র দিয়ে কী করবেন? এলাকায় জায়গার বিরোধে উনাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আমরা সবসময় নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকি। উনি যেহেতু আমাদের এখানে শিক্ষানবিশ আইনজীবী। তাই আমরা সমর চৌধুরীর সঙ্গে আছি। সমর চৌধুরীর মেয়ে অলকানন্দা বলেন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সঞ্জয় দাশের সঙ্গে আমার বাবার বন্ধু স্বপন দাশের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে স্বপন দাশ আমার বাবার সহায়তা চাইলে তিনি একজন ভালো আইনজীবী দেখিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সঞ্জয় দাশ পুলিশকে দিয়ে আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। এর আগেও বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এবং সমর চৌধুরীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন, মিছিল, সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, লোভের বশবর্তী হয়ে পুলিশ এক প্রবাসীর ইশারায় সমর চৌধুরীর মতো একজন সহজ-সরল বয়স্ক মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নগরী থেকে জোরপূর্বক তুলে এনে বোয়ালখালীর তার পরিত্যক্ত বাড়িতে অস্ত্র ও ইয়াবা দিয়ে আটক করেছে, যা কারো কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়। তারা সমর চৌধুরীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সারোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন ভোরের কাগজকে বলেন, ‘সমর চৌধুরী এলাকায় থাকেন না। তিনি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকতে পারেন না। জায়গা-জমি সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে সঞ্জয় দাশের সঙ্গে তার ঝামেলা চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সঞ্জয় এলাকায় এক ডিআইজির কাছের মানুষ হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। তিনি বাড়িতে এলে পুলিশ তাকে এস্কর্ট দেয়। স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুরেশ চৌধুরী বলেন, ‘সঞ্জয় দাশের যোগসাজশে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলায় থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে আমার বাসায় গিয়ে আমাকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলা দিয়ে চালান করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। পুলিশের ভয়ে আমি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।’ সুরেশ চৌধুরী বলেন, ‘সঞ্জয় দাশ তার চাচা স্বপন দাশের ছেলেকে অপহরণ করে তার কাছ থেকে ১১ কানি জমি নিজের নামে লিখে নেয়। কিন্তু তার আগে আবু তাহের নামে একজনের নামে জায়গাটি রেজিস্ট্রি থাকায় ওই জমি সঞ্জয় দখল করতে পারছেন না।’ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মানুষটিকে ফাঁসানো হয়েছে। উনি আওয়ামী লীগের অন্তঃপ্রাণ একজন প্রবীণ নেতা। উনাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছিল বলে শুনেছি। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তিকে ব্যবহার করে উনাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ সমরকে ফাঁসানোর অভিযোগ নাকচ করে বোয়ালখালী থানার ওসি হিমাংশু দাশ রানা ভোরের কাগজকে বলেন, সঞ্জয় নামে কাউকে আমি চিনি না। কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে মামলা নেয়া বা ফাঁসানোর প্রশ্নই আসে না। টাকা লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। টাকা লেনদেনের প্রশ্নই আসে না। এসব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন। রবিবার তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তার বাড়িতে অস্ত্র ও ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করলে তাকে নিয়ে অভিযানে গিয়ে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এখন বাঁচার জন্য তার পরিবার নানা ধরনের কথা বলবে, এটা স্বাভাবিক।সুত্র ভোরের কাগজ
চট্টগ্রামে ১৫ লাখ ইয়াবাসহ বিপুল মাদক ধ্বংস
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযানকালে আটককৃত প্রায় ১৫ লাখ ৩৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে। শনিবার নগরীর লালদিঘীস্থ পুলিশ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার, বিপিএম, পিপিএম, চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওসমান গনি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) কুসুম দেওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হারুন-উর-রশিদ হাযারী, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. আব্দুল ওয়ারীশ, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস.এম. মোস্তাইন হোসেন, বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. ফারুক উল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) সৈয়দ আবু সায়েম, উপ-পুলিশ কমিশনার (এমটি ও সরবরাহ) মো. মারুফ হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. মোখলেছুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) হাসান মো. শওকত আলী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) ফাতিহা ইয়াছমিন, সকল অতি. উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার সময় পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশের শত্রু। মাদকের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাংবাদিকদের কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা জানানোর অনুরোধ করেন পুলিশ কমিশনার। ধ্বংসকৃত মাদকের মধ্যে ছিল ইয়াবা ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ পিস, গাঁজা ৯ কেজি ৮০০ গ্রাম।