ক্রসফায়ারে দিতে চেয়েছিলেন ওসি : সমর চৌধুরী
অনলাইন ডেস্ক: ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার চেষ্টাও চালিয়েছিল বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রামের শিক্ষানবিশ আইনজীবী সমর কৃষ্ণ চৌধুরী। সদ্য জামিনে মুক্ত ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তি এই দাবি করার পাশাপাশি বোয়ালখালী থানা হাজতে তার উপর নির্যাতনের অভিযোগও তুলেছেন। বোয়ালখালীর ওসি হিমাংশু দাশ রানাসহ থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তার। সমর চৌধুরীকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ওসি হিমাংশু দাশ। গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে সোমবার রাতে হিমাংশু দাশের মোবাইলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই ধরনের অভিযোগ আমিও পেয়েছি। মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন সমর চৌধুরী। অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত এসপি (চট্টগ্রাম দক্ষিণ) এবং অতিরিক্ত এসপি (পটিয়া সার্কেল)কে দায়িত্ব দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমর চৌধুরী চট্টগ্রাম শহরে থাকলেও তার বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে। ওই গ্রামের লন্ডনপ্রবাসী সঞ্জয় দাশের সঙ্গে তার কাকা স্বপন দাশের জমি নিয়ে বিরোধ আছে। স্বপন দাশকে আইনগত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছিলেন সমর চৌধুরী। ওই ঘটনার জের ধরে সঞ্জয় দাশের প্ররোচনায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের তৎকালীন ডিআইজি মনির উজজামানের নির্দেশে সমরকে গত ২৭ মে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলার আসামি করা হয়। সমর চৌধুরীর ঘটনাটি প্রকাশ পেলে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এর মধ্যেই ডিআইজি মনির উজজামানকে চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে দুই মামলায় জামিন নিয়ে গত ১২ জুলাই কারাগার থেকে মুক্তি পান সমর চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম শহরের বাসায় সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তিনি জানান, গত ২৭ মে সন্ধ্যায় কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে আদালত ভবনের নিচে একটি হোটেলে ছিলেন তিনি। ওই সময় বোয়ালখালী থানার এসআই আরিফুর রহমান ও এসআই আতিক উল্লার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে ধরে নিয়ে যায়। প্রথমে থানায় নিয়ে পুলিশ তার হাতে থাকা একটি স্বর্ণের ও একটি রুপার আংটি, মোবাইল সেট, নগদ ১২ হাজার টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে হাজতে আটকে রাখে বলে জানান তিনি। সমর অভিযোগ করেছেন, ওই সময় তার কয়েকজন স্বজন থানায় গেলেও তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, রাতের বেলায় আমি ওসি হিমাংশু দাশকে দেখে তার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করি। তাকে বলি, তার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী স্বপন দাশের সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখিনি। এসময় ওসি হিমাংশু আমাকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলে মাথা ফেটে যায়। ওসি কবে স্বপন দাশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে মানা করেছিলেন, জানতে চাইলে সমর বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ওসি থানায় যোগদান করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় একটি কাগজ দেখিয়ে বলে,ডিআইজি আপনার নাম, স্বপন দাশ ও বাপন দাশের নাম দিয়েছে। সেখানে আপনার নাম লাল কালি দিয়ে দাগ দিয়েছে। আপনার নাম প্রথমে আছে। ২৭ মে রাত ১টার পর থানা হাজত থেকে তাকে বের করে নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে সমর বলেন, প্রথমে গামছা দিয়ে তার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে গালাগালি করা হয় তাকে। ওসি হিমাংশু বলে,শালাকে ফেলে দিয়ে আয়। এরপর হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়। ওইসময় আমি আমার মেয়ে ও স্ত্রীর কী হবে বলে আকুতি করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। গাড়িতে করে তাকে চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান সমর। চোখ বাঁধা অবস্থায় কী করে চরণদ্বীপ বুঝলেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,ড্রাইভার কোথায় যাবে জানতে চাইলে তাকে বলেছিল, চরণদ্বীপ নিয়ে যেতে।ওই গাড়িতে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ছিলেন বলে জানান তিনি।আমি হ্যান্ডকাফটা একটু হাল্কা করে দিতে বললে একজন বলে,আর দুই/তিন মিনিট আছে। তারপর তোকে তো বেহস্তে পাঠিয়ে দেব। চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে গিয়ে আমার চোখ খুলে দিয়ে চলে যেতে বলে। ওই সময় আমার মনের মধ্যে ভয় চলে আসে। আমি না গিয়ে তাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকি এবং ঠাকুরের নাম জপ করতে থাকি। না যাওয়ায় তখন এক পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করেন বলে জানান সমর। হাঁটুতে সেই জখমের চিহ্নও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেখান তিনি। সমর বলেন, ওই সময় এসআইর মোবাইলে একটি ফোন আসলে তিনি আমার কাছ থেকে দূর সরে গিয়ে ফোনে কথা বলেন। কথা শেষ করে এসে আবার চোখ বন্ধ করে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে গাড়িতে তোলেন। সেখান থেকে সরোয়াতলী এলাকায় বাড়িতে নিয়ে পুলিশ ইয়াবা উদ্ধারের গল্প সাজায় বলে সমর জানান। বাড়ি থেকে আবার থানায় নেওয়া হয় তাকে। সমর বলেন, থানা হাজতে নেওয়ার পর তিনি পানি চাইলে এক এসআই তাকে প্রস্রাব খাওয়াতে চেয়েছিলেন। হাজতে থাকা আরেকজন পানি দিতে চাইলে তাকেও মারধর করা হয় । থানায় নিয়ে যাওয়ার পরদিন বিকাল পর্যন্ত আদালতে না পাঠানোতে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওসিকে ফোন করে দ্রুত আমাকে চালান করার কথা বলেন। না করলে আইনজীবীরা থানায় যাবেন বলায় ওসি তড়িঘড়ি করে আমাকে চালান করে, বলেন তিনি। আদালতে নেওয়ার আগে হাজত থেকে বের করে একটি টেবিলে কিছু লাল রঙের ট্যাবলেট সাজিয়ে রেখে ছবি তোলা হয়েছিল বলে দাবি করেন সমর চৌধুরী। তিনি বলেন, এক যুবক সাংবাদিক পরিচয়ে ঢুকে তার ক্যামেরা দিয়ে এক এসআইকে ছবি তুলতে বলেন। এরপর অস্ত্র হাতে ধরিয়ে ছবি তোলা হয়। আমি পুলিশের কথা মতো হাতে অস্ত্র নিতে অপারগতা জানালে এক পুলিশ সদস্য আমাকে পায়ে লাথি পারে। তখন পাশে দাঁড়ানো দুই কনস্টেবল আমার হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার পর সে ছবিটি পুনরায় তোলে। পকেটে কলম, হাতে অস্ত্র নিয়ে সমর কৃষ্ণের ছবি গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়ে আসছিল চট্টগ্রামজুড়ে। অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় জামিন পেলেও সমর চৌধুরীর পুরো পরিবার এখন নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তার দুই মেয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের সমর্থন থাকায় এখনও পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ভবিষ্যত নিয়ে তারা শঙ্কিত। আজাদী
চট্টগ্রামে একজন ব্যবসায়ী সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ
রাজীব চক্রবর্তী ,চট্টগ্রাম :জুট কর্পোরেশন ও ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বেআইনী কার্যকলাপে এবং অবৈধ হস্তক্ষেপে চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট এর ৩১৩ রেলি কাঁচা কলোনী,স্ট্রান্ড রোড এর একজন ব্যবসায়ী ও গবেষক ক্ষতিগ্রস্ত ও সর্বশান্ত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আজ দুপুর ১ টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত জুট কর্পোরেশনের ভূমি ইজারা গ্রহণ করে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ইজারা বলবৎ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেআইনি ও অন্যায় ভাবে ভূমি অন্যজনকে ইজারা দেয়। এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরবর্তীতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়। হাইকোর্ট স্থিতি অবস্থা বজায় থাকার জন্য উভয়পক্ষকে জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে পরিকল্পিতভাবে আমার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কর্মকাণ্ডের প্রায় চার কোটি টাকার সম্পত্তি নিমিষেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ কালে কান্নাজড়িত কন্ঠে আরো বলেন, বর্তমান সরকার সংখ্যালঘু বান্ধব সরকার হওয়ার পরেও প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু দুষ্কৃতকারী সংখ্যালঘু নির্যাতন ও তাদের ভূমি দখল করে সরকারের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমি একজন গবেষক হিসেবে বাতাস চালিত ইঞ্জিন আবিষ্কারের গবেষণায় নিয়োজিত। গবেষণাগারের মেশিনারি যন্ত্রপাতি সহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম খরিদ করতঃ এযাবত ৪ কোটি টাকা খরচ করে প্রায় ৯৫শতাংশ গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছি এবং সুযোগের কারণে আমার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফসল গবেষণা কর্মকাণ্ড থেমে যাওয়ার পথে। এ ব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ১১ই জুলাই দুপুর ২ টার সময় ভূমি অধিগ্রহণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে সরকারের কিছু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে হাইকোর্টের রিট অমান্য করে বেআইনিভাবে জায়গা দখল পূর্বক আমাকে উচ্ছেদ করে এবং কারখানা ও গবেষণা কর্মকান্ডে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিমিষেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এতে আমার প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সুবিচার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে ভুক্তভোগী সন্তোষ কুমার চৌধুরী আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট দোর্দণ্ড প্রভাব খাটিয়ে হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে কিভাবে ধ্বংসযজ্ঞ কর্মকাণ্ড করতে পারে জাতি আজ তা জানতে চায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দ্রুত তার ক্ষতিপূরণ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান এবং এ ব্যাপারে তার সুদৃষ্টি কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন এর চট্টগ্রাম শাখা কমিটির মহাসচিব মৃদুল মজুমদার, মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলী, রতন সেনগুপ্ত, জিকু দত্ত, সুপ্রিয়া চৌধুরী,জয়ন্তী মজুমদার সহ আরো অনেকে।
মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় নিহত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে মহাসড়কে ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ফাহিমা আক্তার (০৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ফাহিমা উপজেলার মেখল ইউনিয়নের জাফর তালুকদার বাড়ির মো. সালাউদ্দিনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকা দিয়ে অটোরিকশায় মায়ের কোলে বসে হাটহাজারীর দিকে যাচ্ছিল শিশু ফাহিমা আক্তার। অসাবধানতার কারণে হঠাৎ মায়ের কোল থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যায় ফাহিমা। এ সময় রিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফাহিমার মৃত্যু হয়। তবে ঘাতক বাসটিতে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমির হোসেন বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি গাড়ি করে যাওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে একটি শিশু মহাসড়কে পড়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা বাসচাপায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়। শীর্ষ নিউজ
পেশাদার খুনি দিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড
অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের খুলশীতে মা ও মেয়েকে হত্যা করে পানির রিজার্ভ ট্যাংকে ফেলে দেয়ার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত ও পেশাদার হাতের কাজ বলে ধারণা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রাথমিক তদন্ত শেষে সম্পত্তির লোভে পরিচিতজনদের হাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডটিকে গুরুত্বে নিয়ে কাজ শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রোববার (১৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর খুলশী থানাধীন ফ্লোরা আটার মিল এলাকার নির্মাণাধীন একটি ভবনের পানির রিজার্ভ ট্যাংক থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মা মনোয়ারা বেগমকে (৯৭) গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চিহ্ন দেখা গেছে। মেয়ে শাহ মেহেরুন নেছা বেগম (৬৭) এর মাথার পেছনে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. নাসির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু চুরি বা ডাকাতির জন্য এ ঘটনা ঘটেছে- তা বলা যাবে না। এমনটা হলে লাশ গুম করার চেষ্টা হতো না, খুন করে লাশ পানির ট্যাংকে ফেলে দিত না। এর সঙ্গে অবশ্যই অন্য বিষয় জড়িত আছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঠান্ডা মাথার খুনিরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সম্পত্তির বিরোধের কারণে সাধারণত এ ধরনের ঘটনা ঘটে।’ এদিকে ঘটনাস্থল ঘুড়ে আসা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘মাকে শ্বাসরোধ এবং মেয়েকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর খুনিরা মেয়ে মেহেরুন নেছার দুটি মোবাইল সেট নিয়ে গেলেও রেখে গেছে সিম দুটি। এমনটা শুধু পেশাদার অপরাধীরাই করে থাকে। সিম নিয়ে গেলে তারা সহজে ধরা পড়বে, এটা তারা জানে।’ নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আবদুল ওয়ারিশ জানান, ঘটনার সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনাস্থল থেকে মেহেরুনের ব্যবহৃত দুইটি সিমকার্ড ও বাড়ির ছাদ থেকে একটি শাবল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া খুনিরা বাড়ির সামনের দরজা ব্যবহার করেনি। বাসায় দুটি দরজা আছে। একটি মূল দরজা অপরটি ছাদের। ছাদের দরজা দিয়ে ছাদ থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে বাসার ভেতরে আসা যায়। সম্পত্তির জন্য মা-মেয়ে খুন! মেহেরুন নেসার বোনের ছেলে বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। আমার খালা মেহেরুন নেসা ও নানু মনোয়ারা বেগম দুইজনেই বাসায় একা থাকতেন। তিন গন্ডা (৩.৬৩ কাঠা) জায়গার ওপর নিমার্ণাধীন চারতলা ভবনটি আমার খালার নামে। এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহল জায়গাটা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছে। সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার জন্য খালা-নানুকে হত্যা করেছে ওরা।’ ২০০৬ সালে বাড়ি তৈরির সময় থেকেই স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের কাছ থেকে হুমকি পেয়েছিলেন বলেও জানান বেলাল উদ্দিন। পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তার নাম না প্রকাশের শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, ‘সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে এ ঘটনা ঘটতে পারে। এবং তা পূর্বপরিচিত অথবা নিকট আত্মীয়দের হাতেই। খুব ঠান্ডা মাথায় মা ও মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।’ স্থানীয়রা জানান, মা-মেয়ে অনেক বছর ধরে এখানে থাকলেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের তেমন কোনো সম্পর্ক ছিল না। মনোয়ারা বেগমের পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলে। এর মধ্যে দুই ছেলে মারা গেছেন। দুই মেয়ে ও এক ছেলে দেশের বাইরে থাকেন। এক ছেলে থাকেন ঢাকায়, এক মেয়ে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে ও অন্য মেয়ে থাকেন ময়মনসিংহে। নয় ছেলেমেয়ের মধ্যে মেহেরুন নেছা বিয়ে করেননি। তিনি মাকে নিয়ে এই ভবনে থাকতেন। তারা আরও জানান, আটার মিল এলাকায় একটি পাহাড়ের ওপর দুটি বাড়ি। স্থানীয়দের কাছে এটি আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। নির্জন ইটের পথ পেরিয়ে প্রবেশ করতে হয় ভবন দুটিতে। এই দুটি ভবনের একটির মালিক মেহেরুন নেছা। মা মনোয়ারা বেগমকে নিয়ে নিজের ভবনের নিচতলায় থাকতেন তিনি। পুরো ভবনটি চারতলার কাঠামো হলেও কেবল নিচতলার কাজই শেষ হয়েছে।
স্কেল সমস্যা সমাধানকল্পে মেয়র বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান
চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বৈষম্য সৃষ্টিকারী বড় দারোগা হাট ও দাউদকান্দি ওজন পরিমাপক স্কেল সমস্যা সমাধানকল্পে খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশনসহ চট্টগ্রামের আরও ২৭টি ব্যবসায়ী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অদ্য ১৫ জুলাই সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মাননীয় মেয়র বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। উক্ত স্মারকলিপিতে বক্তারা বলেন, ওজন নিয়ন্ত্রন স্কেল প্রথা যদি থাকতে হয় তাহলে এটা সারা দেশব্যাপী থাকতে হবে, শুধু ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে থাকলে হবে না। চট্টগ্রামের বড় দারোগা হাটে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে ওজন পরিমাপক যন্ত্র স্থাপন করার কারণে পণ্য পরিবহনে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ১৩ টনের অধিক কোনো মাল পরিবহন করতে দেয়া হচ্ছে না। পূর্বে যেখানে এক গাড়ীতে ২৫,২০,৩০ টন পর্যন্ত পন্য বহন করা সম্ভব হতো সেখানে এখন দুই গাড়িতে করে পণ্য বহন করতে হচ্ছে। এর ফলে প্রবল যানজট সৃষ্টি হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যয় বৃদ্ধিসহ গণপরিবহন চলাচলে দুঃসহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামের আমদানি-রপ্তানীকারকগণদের দ্বিমুখী (চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম) দ্বিগুণ ভাড়া গুণতে হচ্ছে। যার ফলে চট্টগ্রামে উৎপাদিত পণ্য বাইরে যেতে পারছেনা, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামেও আনতে পারছে না এবং অসম প্রতিযোগিতার কারণে বাজার হারাচ্ছে। অপরদিকে গ্রাহক বা সাধারণ ডিলার বা পাইকারগণ চট্টগ্রাম থেকে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী বাজারজাত করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। একদিকে পরিবহণ খরচ বেশি অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে নানা জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশ আর কোথাও এ ধরণের গাড়ীর ওজন পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে না বিধায় ঢাকা বা আশেপাশের শিল্পাঞ্চল সমূহের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী স্বাচ্ছন্দ্যে ৩০টন, ৩৫ টন বা ৪০ টন পরিবহন করছে যার দরুণ চট্টগ্রামের উৎপাদিত পণ্য অসম প্রতিযোগিতায় মার খাচ্ছে বা পেছনে পড়ে যাচ্ছে। অথচ দেশের অন্য কোন জেলার মহাসড়ক এভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না যার ফলে বৈষম্য আরও তীব্রতর রূপধারণ করছে। বিগত প্রায় ৪ মাস পুর্বে মাননীয় সেতু মন্ত্রী উক্ত সমস্যা সমাধান করার প্রতিশ্র“তি প্রদান করলেও বিগত ৮ মাসের এ সমস্যা সমাধান করেননি। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সকল সংগঠন আরও কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সভাপতি মাহবুবুল আলম, সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগির আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র পাল সহ সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডটসিলিকনের বিরুদ্ধে ভোরের বাণী সম্পাদকের ১৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ
অনলাইন ডেস্ক :ওয়েব সাইট কোম্পনী ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে ভোরের বাণী সম্পাদক ও প্রকাশক নাসির উদ্দীন বুলবুল ১৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন। লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন,বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী আলহাজ্ব এম এ মজিদ। জানাযায়,গাজীপুরের টঙ্গী থেকে প্রকাশিত বিশিষ্ট সাংবাদিক, জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির প্রকাশনা সম্পাদক,ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক কার্য নির্বাহী সদস্য, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, বাংলাদেশ অন লাইন মিডিয়া এসোমিয়েশন ( বোমা )'র সদস্য নাসির উদ্দীন বুলবুল'র সম্পাদিত প্রকাশিত জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল ভোরের বাণী এর ওয়েব সাইট ( ডোমেইন প্যানেল ও হোস্টিং ) একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে ও চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ৩০ জুন ডটসিলিকনের কাছ থেকে ক্রয় করে পরিচালনা করে আসছে। ডটসিলিকনের সার্ভিস এক বছর পূর্ব পর্যন্ত মোটামোটি ভাল থাকলেও গত এক বছর ধরে ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসান নানা টালবাহানা ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে অধিক অর্থ গ্রহণ করছে।কিন্ত কোন কারণ না জানিয়ে ভোরের বাণী অনলাইন পত্রিকার ওয়েব সাইট গত ২৯-০৬-২০১৮ তারিখ থেকে বন্ধ করে দিয়েছে । এ ব্যাপারে ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসানের সাথে মোবাইল ফোনে অসংখ্যবার যোগাযোগ করা হলে রাশিদুল ফোন কেটে দেয়, অন্য কোন নাম্বার থেকে কল দিলে ভোরের বাণী সম্পাদক ও প্রকাশক নাসির উদ্দীন বুলবুল'র কন্ঠস্বর শোনামাত্রই লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এছাড়াও রাশিদুলকে ওয়েব সাইট ও ই-মেইলে ভোরের বাণী ওপেন করার জন্য বহুবার অনুরোধসহ তাগাদা প্রদান করেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। ভোরের বাণী অনলাইন পত্রিকাটি বিশ্বজুড়ে অসংখ্য পাঠক রয়েছেন , গত ২৯-০৬-২০১৮ তারিখ থেকে অনলাইনে পত্রিকাটি পাঠ করতে না পেরে ভোরের বাণী'র সম্পাদককে ই-মেইল ও মোবাইলে পত্রিকার পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, গোয়েন্দা বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রতিনিয়ত পত্রিকাটি ভোরের বাণী দেখতে না পাওয়ার কারণ জানতে চাচ্ছে। কিন্ত ভোরের বাণী'র সম্পাদক তাদেরকে কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারছে না। ভোরের বাণী'র ওয়েব সাইটটি আর কয়েকদিন বন্ধ থাকলে নিউজ পোর্টাল ভোরের বাণী অগনিত পাঠক হারাবেন। র্দীর্ঘদিন ওয়েব সাইটটি বন্ধ থাকার কারণে 'ভোরের বাণী' ওয়েব সাইটটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেলে অগনিত সম্মানীত পাঠক হারাবেন, যার ফলে 'ভোরের বাণী' সম্পাদক ও প্রকাশক নাসির উদ্দীন বুলবুল অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। দেশ ও বিদেশে ভোরের বাণী'র সাংবাদিকদের বেতন ভাতা এবং অফিস খরচ বাবদ বিশাল অংকের অর্থ ডটসিলিকনের অবৈধ ও বে-আইনি হটকারী সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। রাজধানীর ফার্মভিউ সুপার মার্কেটে ডটসিলিকনের অফিসটি দীর্ঘদিন অফিস তালা মারা অবস্থায় রয়েছে। অফিসটি বন্ধের কারণ দরজায় বা দেয়ালে কোন নোটিশও টাঙ্গানো নেই। আশেপাশের লোকজনদের জিজ্ঞাসা করলে তারা ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসানের সর্ম্পকে টাউট -বাটপারসহ আরো অনেক বাজে মন্তব্য করেন। ডটসিলিকনের বিরুদ্ধে পেরিত লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়,নোটিশ প্রাপ্তির ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভোরের বাণী অনলাইন পত্রিকার ওয়েব সাইট চালু না করলে ওয়েব সাইট কোম্পনী ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ, বিশ্বাস ভঙ্গক্রমে ভোরের বাণী অন লাইন পত্রিকার ক্ষতি সাধনের জন্য ফৌজদারী এবং সুনাম ও সম্মান হানীর জন্য ১৫ (পনের) কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে, যার সকল দায় ও দায়িত্ব ডটসিলিকনের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশিদুল হাসানের বহন করতে হবে।
চসিক মেয়রকে স্মারকলিপি দিয়েছে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা
অনলাইন ডেস্ক :ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এবং সীতাকুণ্ডে ওজন স্কেল অপসারণের দাবিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয় ঘেরাও করে মেয়রকে স্মারকলিপি দিয়েছে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। রোববার (১৫ জুলাই) সকালে মিছিল নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ ও আসাদগঞ্জের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী। পরে সেখানে মানববন্ধনে অংশ নেন তারা। সকালে চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, আসাদগঞ্জের অন্তত ৫ হাজার ব্যবসায়া প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে ব্যবসায়ীরা মিছিল নিয়ে করপোরেশন কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনের শেষ পর্যায়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাসির সেখানে উপস্থিত হলে ব্যবসায়ীরা তার হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। এ সময় ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, ওজন স্কেল বসানোর কারণে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন আর ১৩ মেট্রিক টনের বেশি পণ্য পরিবহন করতে পারে না। আগে, তারা এ সড়কে অন্তত ২০ টন পণ্য পরিবহন করতে পারতো। দেশের অন্যান্য মহাসড়ক বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ ধরনের ওজন স্কেল বসানোর কারণে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।