৫ জানুয়ারী বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিকগণতন্ত্র হত্যা ও কালো দিবস
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ৫ জানুয়ারী বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক গণতন্ত্র হত্যা ও কালো দিবস। বিগত ৫ জানুয়রী একদলীয় ও ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দেশে একটি ফ্যাসিষ্ট সরকারে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয় ১৫৪ জন বিনা ভোটে সংসদ সদস্য নিয়ে সরকার গঠন করে এ দেশের ইতিহসাকে কলংকিত করেছে। যা বিদেশে আমাদের দেশের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে। তিনি আজ ৫ জানুয়ারী বিকালে নগরীর কাজীর দেউড়ীস্থ ভিআইপি টাওয়ার সম্মুখে গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কলো পাতাকা মিছিল ও বিক্ষোভ সভাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন। ডা. শাহাদাত বলেন, রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্টিত হয়ে ফ্যাসিষ্ট কায়দায় গুম, খুন, নির্যাতন নিপীড়নের মাধ্যমে বিরোধী দলকে দমন করছে সরকার। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকার নীল নকশা বাস্তবায়ন করেছে। তাই গণতন্ত্র পুন:রুদ্ধার ভোটাধিকার, বাক স্বাধীনতা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় চট্টগ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। ডা. শাহাদাত আরো বলেছেন, এ অবৈধ সরকার জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তাদেরকে এদেশের জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তারা তথ্য সন্ত্রাস চালিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু কোন মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এ সরকারের দুর্নীতি দু:শাসন, অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে পদত্যাগে বাধ্য করবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, দেশ ব্যাপি গুম, খুন, অপহরণ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের নারকীয় কর্মযজ্ঞে তো মনে হয় সরকারের এক ধরনের খেলা হয়ে গেছে। মানুষের রক্তে হাত রঞ্জিত করে উল্লাস প্রকাশ করা যেন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এক ধরনের নেশা। এ সব ঘৃণ্য অপকর্মের উদ্দেশ্যই হল দেশের জনগণকে ভীতির মধ্যে রেখে বিএনপিকে নিশ্চিন্ন করা। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী বাংলাদেশে হয়েছিলো একটি তামাশার নির্বাচন। যে নির্বাচনে দেশের ৫% জনগণও ভোট দেয়নি। সেদিন আওয়ামী মহাজোটের শরীকদের মধ্যে ক্ষমতার ভাগাভাগি হয়েছিলো। তিনি বলেন, অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিএনপিসহ সকল বিরোধী দলকে নিশ্চিন্ন করতে নীল নকশার রোড ম্যাপ বাস্তবায়নে অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় আগামীতেও ৫ জানুয়ারী মার্কা ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে আদালতের মাধ্যমে মিথ্যা সাজা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পাঁয়তারা করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারী মার্কা আর কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আজম উদ্দিন, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, হারুন জামাল, কমিশনার মাহবুবু আলম, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহআলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, কাউন্সিলর আবুল হাশেম, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মোহাম্মদ সিরাজউল্লাহ, উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, হাজী বাবর মিয়া, হাজী নবাব খান, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুর আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, হাজী মো. তৈয়ব, কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক জহির আহমেদ, ইব্রাহিম চৌধুরী, মো. শাহআলম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শিহাব উদ্দিন মুবিন, মোহাম্মদ আলী মিঠু, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, মাঈনুদ্দিন মোহাম্মদ শহীদ, এম আই চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসাইন, দিদারুল আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন, আবদুল নবী প্রিন্স, আবদুল বাতেন, থানার সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, হাজী বাবুল হক, মোশারফ হোসেন ডেপতী, আবদুল্লাহ আল হারুন, সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, মো. সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, আজাদ বাঙালী, আরিফ মেহেদী, ইউনুস চৌধুরী হাকিম, আবু মুছা, সফিক আহমেদ, আলমগীর নূর, নকীব উদ্দিন ভূঁইয়া, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, থানার সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, হাজী মো. বাদশা মিয়া, মনির আহমদ চৌধুরী, নূর হোসেন, আবদুল কাদের জসিম, জাহাঙ্গির আলম, বেলায়েত হোসেন ভুলু, ডা. মো. ছাদেক প্রমুখ।
বিএনপির ক্ষমতার উৎস বন্দুকের নল: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, গণতন্ত্র রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সুদৃঢ় করতে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। মনে রাখতে হবে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি এখনো তৎপর। এই অশুভ শক্তির কালো হাত ভেঙে দিতে হবে। আজ বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ শহীদ মিনার চত্বরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা দিবসে আনন্দ সম্মিলনী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, কোন ভাবেই প্রতিপক্ষ অপশক্তিকে দুর্বল ভাবা যাবে না। কারণ তাদের পেট্রোডনার আছে। এরা আগুনে সন্ত্রাস চালিয়ে নিরীহ বাঙালিকে হত্যঅ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমার বাবা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। এই যুদ্ধ অব্যাহত রাখাতে দলীয় শ্রদ্ধেয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়রের সাথে নিজেকে নিবেদিত করবো। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচন না হলে গণতন্ত্র ও সংবিধান মুছে যেত। তখন অগণতান্ত্রিক সরকার আসতো এবং জাতিকে অপশক্তি গ্রাস করতো। আমরা সেই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি। তিনি আরো বলেন, বিএনপি আজ গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন করছে। জাতি জানে বিএনপি গণতন্ত্রের দুষমন। তারা বন্দুকের নলের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ছিনতাই করেছিল। এই জাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম অব্যাহত রেখে সামনের জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। সভাপতির ভাষণে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন- কঠিন চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলার শক্তি আওয়ামী লীগ রাখে। গণতন্ত্র স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতীতের মত রাজপথে থাকবো। তিনি দলীয় পদ-পদবী নিয়ে যারা নিষ্ক্রিয় হয়ে আছেন তাদের সক্রিয়ভাবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান। সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.এ. রশীদ, উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগ নেতা আলহাজ্ব সফর আলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, নির্বাহী সদস্য এম.এ. জাফর, থানা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ ইয়াকুব। সমাবেশে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, অর্থ সম্পাদক সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, উপদেষ্টা শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, মোহাম্মদ হোসেন, হাজী জহুর আহমদ, দেবাশীস গুহ বুলবুল, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, আবদুল আহাদ, আবু তাহের, হাজী শহিদুল আলম, নির্বাহী সদস্য হাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব, আবুল মনসুর, মোহাম্মদ নুরুল আলম, কামরুল হাসান বুলু, গাজী শফিউল আজিম, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, ছৈয়দ আমিনুল হক, বখতেয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, অমল মিত্র, আবদুল লতিফ টিপু, নেছার উদ্দিন মনজু, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ জাবেদ, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, হাজী বেলাল আহমেদ, থানা আওয়ামী লীগের ছিদ্দিক আলম, হারুনুর রশীদ, আবু তাহের, আলহাজ্ব ফিরোজ আহমেদ, এম.এ. হালিম, মোমিনুল হক, অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন, আনছারুল হক সহ ৪৪টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাদ্যবাদন সহযোগে একটি আনন্দ র্যাসলী পুরাতন রেল স্টেশন হয়ে দারুল ফজল মার্কেট চত্বরে এসে শেষ হয়।
তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত ঘন কুয়াশায় যান চলাচল
জনজীবন বিপর্যস্ত ঘন কুয়াশায় যান চলাচল, ফেরি পারাপার ব্যাহত এ মাসে আরও শৈত্যপ্রবাহ শীতে কাঁপছে সারাদেশ। অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল। এতে যান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। হিমেল হওয়ায় হাড় কাঁপিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার আগের দিনের চেয়ে তাপমাত্রা একটু বেড়েছে। কিন্তু শীতের তীব্রতা কমেনি এতটুকুও। এদিনে দেশের সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এদিকে ঘন কুয়শার কারণে ফেরি পারাপার এবং বিমান ওঠানামাও ব্যাহত হয়। আবহাওয়া অধিফতর জানিয়েছে, দুদিনের উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের কারণে মেঘ কেটে গেছে। ফলে শীতল বায়ু দেশের অভ্যন্তরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তাই হঠাৎ করে শীত বেড়ে গেছে। এই অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে। তারা আরও জানায়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আভাস দেয়া হয়েছে। তা দেশের কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, শ্রীমঙ্গল ও বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগসমূহের ওপর দিয়ে হাল্কা থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বইলেও এই মাসে আরও একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যা তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। আবহাওয়াবিদরা উল্লেখ করেন, শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.২ ডিগ্রী পর্যন্ত নেমে এসেছে। সাধারণত মাঝারি মানের শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা এই পর্যায়ে নেমে আসে। তবে ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করবে। এদিকে অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহের কারণে উত্তরের পাশাপাশি সারাদেশে শীতের তীব্রতা অনেক বেড়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ বলছেন শীত নয়, বরফ পড়ছে। গরম কাপড়েও শীত মানছে না। তীব্র শীতের কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছে না বেশিরভাগ মানুষ। গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলো বেশি বিপদে পড়েছে। শ্রম দিয়ে যাদের জীবন চলে তাও যেন স্থবির করে দিয়েছে শীত। রাস্তার মোড়ে মোড়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা দেখা গেছে অনেকের। কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষসহ প্রাণিকুলও। দেশের অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। কুয়াশায় ঢেকে আছে রাজপথ। যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এবারের শীতের প্রকোপ এতই বেশি যে খোদ রাজধানীবাসীও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। অফিস-আদালতের জরুরী তাড়া ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সন্ধ্যা হলেও রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীতে সকাল থেকে রোদের দেখা মিললেও তাতে উত্তাপ যেন একটু কমই ছিল। সকাল এবং সন্ধ্যায় শীত যেন ঘিরে ধরছে। ফলে সন্ধ্যা হলেও ঘরে ফেরার তাড়া বাড়ছে মানুষের। শিশু এবং বৃদ্ধরা পড়েছে সব চেয়ে বেশি বিপদে। নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে তারা। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে যান চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি বিমান ওঠানামাও বন্ধ রাখতে হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাড়ে ৭ ঘণ্টা সব আন্তর্জাতিক বিমান ওঠানামা বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। তারা জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৪৫ মিনিট থেকে শুক্রবার সকাল ১০টা ১১ মিনিট পর্যন্ত বিমান ওঠানামা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সময় শারজাহ থেকে এয়ার এরাবিয়ার দুটি এবং বাংলাদেশ বিমানের একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কলকাতায় পাঠানো হয়। এছাড়া দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি এবং কুয়ালালামপুর থেকে আসা ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। তারা জানান অবস্থা একটু ভাল হলে সকাল ১০টা ১১ মিনিটে অভ্যন্তরীণ এবং ১০টা ৩৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়। বিমান চলাচল বাতিল করায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট কলকাতা ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট ব্যাঙ্কক যেতে দেরি হয়। ঘন কুয়াশার কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ছাড়াও নভোএয়ারের চারটি, ইউএস বাংলার তিনটি, বাংলাদেশ বিমানের দুটি ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়েছে এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। ভোর ৬টা থেকেই ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া মাঝ পদ্মায় আটকে পড়ে ৫টি ফেরি। তীব্র শীতে ফেরিতে আটকে থাকা যাত্রীরা পড়ে চরম দুর্ভোগে। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র শীতে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে সারাদেশ শীতে কাঁপলেও আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে শুক্রবার দেশের অনেক স্থানে আগের চেয়ে তাপমাত্রা বেড়েছে। কিন্তু শীতের তীব্রতা আগের মতো রয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৫.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সেখানে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭. ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এছাড়া শুক্রবার ঢাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে। আগের দিন ঢাকায় তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার ঢাকায় তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা এক লাফে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রী পর্যন্ত কমে গেছে। এ কারণে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। এর আগে শীত আছে তো শীত নেই অবস্থা বিরাজ করছিল। আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, সাধারণত কয়েকটি কারণে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে তাপমাত্রা কমে যায়। গত দুই দিনে উপমহাদেশীয় উচ্চ চাপবলয়ের কারণে মেঘ কেটে গেছে। ফলে শীতল বায়ু দেশের বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তাই হঠাৎ শীত বেড়ে গেছে। আগামী দু-এক দিন এ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের জনজীবন। গত দুদিন ধরে কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষসহ প্রাণিকুল। সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ড বাতাসে হাড় কাঁপিয়ে দিচ্ছে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে। এদিন এ জেলায় ৭ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। যশোরসহ খুলনাঞ্চলে দুদিন আগে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। কমতে শুরু করে তাপমাত্রা। যশোর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছিল যশোরে। এদিন যশোরে সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ তাপমাত্রার সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় এবং বাতাসের কারণে শীত অনুভূতও হচ্ছে খুব বেশি। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, খুলনা বিভাগজুড়ে এখন হাল্কা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। শুক্রবার ভোরও ছিল কুয়াশায় ঘেরা। সকালে কুয়াশা ভেদ করে ওঠে সূর্য। ক্ষীণ আলো কুয়াশাকে ভেদ করে মাটি ছুঁয়ে নিলেও গায়ে উষ্ণতা জাগাতে পারেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা সরে যায়। রোদের দেখা দেয়। কিন্তু তাতে ছিল না তেজ। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যাহত হয়। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। খুব সকালে ক্ষেতে প্রতিদিনের মতো চাষীদের দেখা মেলেনি। বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোকে। প্রতিদিন শহরের লালদীঘির পাড়ে শ্রমিক জনগোষ্ঠীর বহর বসলেও, কাল তা ছিল কম। বিকেলের দিকেও শীতের প্রকোপ দেখা দেয়। রোদ পড়ে যাওয়ায় সৃষ্টি হয় অসহ্য শীতের কাঁপুনি। রাস্তায় রিক্সা, অটোরিক্সা কম থাকায় অফিস থেকে ঘরে ফেরা মানুষগুলোর অনেককেই ধীর পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরতে দেখা যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ে শীতের তীব্রতা। শহরের রেলস্টেশন, বাসটার্মিনাল, অফিস-আদালতের বারান্দায় রাত কাটানো মানুষগুলো জবুথবু পড়ে থাকতে দেখা যায়। শীতের জাঁতাকলে এসব মানুষ এখন তাকিয়ে আছেন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও প্রশাসনের দিকে। প্রতিবারের মতো হয়ত সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় তাদের গায়ে চড়বে গরম কাপড়, কম্বল। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ড বাতাসের দাপটে জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অনেকেই প্রচ- শীতের কারণে ঘরের বাইরে কাজে যেতে পারছে না। বাড়ির বাইরে রাস্তায় বা খলিয়ানে মানুষ খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে শরীর তাপাতে চোখে পড়ে। এই কনকনে ঠান্ড বাতাসের সঙ্গে ঘন কুয়াশাও চারদিকে আচ্ছন্ন করে আছে। গত ৩/৪ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে বিকেলে। টানা শৈত্যপ্রবাহ আর কনকনে শীতে আর ঘন কুয়াশায় ঢাকা সড়কে যানবাহন চলাচল করতে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। শিশু-বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহে তৃতীয় দিনের মতো জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে। ফলে যানবাহন চলাচলে মারত্মক ব্যাঘাত হচ্ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, জর ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শিশু রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১০ বেডের মাগুরা সদর আধুনিক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শতাধিক শিশুরোগী ভর্তি রয়েছে। বোরো বীজতলা ও বোরো চাষে ব্যাঘাত ঘটছে। শীতের কারণে কৃষক ও শ্রমিকরা সকালে জমিতে প্যাক দিতে পানিতে নামতে পারছেন না।
ডিজিটাল বাস টিকেট সিস্টেম-৬ লেন ফ্লাইওভার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফেনীর মহিপালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আজ বৃহস্পতিবার ছয় লেনের উড়াল সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এই উড়াল সেতু উদ্বোধন করেন। এরপরই যানবাহন চলাচলের জন্য উড়াল সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। সকাল থেকে উদ্বোধনের অপেক্ষায় উড়াল সেতুর দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হয়। মহিপাল উড়াল সেতু ছয় লেনের হলেও দুপাশে দুই লেন করে সার্ভিস লেন চালু থাকবে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট মহিপালে বস্তুত ১০ লেন সড়কই হচ্ছে। ২০১৫ সালের পয়লা এপ্রিল উড়াল সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ৩০ জুন কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছয় মাস আগেই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। মূল উড়াল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৬০ মিটার, প্রস্থ ২৪ দশমিক ৬২ মিটার। এতে ১১টি স্প্যান ও ১৩২টি গার্ডার রয়েছে। আছে সংযোগ সড়কও। ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ছয় লেন উড়াল সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ (সদর) আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ জাহান আরা বেগম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মনির উজজামান, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল আহমেদ জামিউল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মনোজ কুমার রায়, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী সংগঠন ও পরিবহন সমিতিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নেতারা। একইসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল এলাকায় উড়াল সেতুর দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে কোব্বাদ আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে স্থাপিত নামফলকের মোড়কও উন্মোচন করা হয়। সেখানে উড়াল সেতু নির্মাণকাজে সেনাবাহিনীর সহযোগী প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্র কুমার দাস, ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও মহিপাল এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম মিয়াজি উপস্থিত ছিলেন। ফ্লাইওভারটি উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী অন্তঃজেলা পরিবহন যাত্রীদের কাছে মহীপাল এক সময় একটি দুঃখের স্থান ছিল উল্লেখ করে বলেন, এই এলাকার যানজটে সকলকেই ভোগান্তী পোহাতে হত। সেই ভোগান্তী লাঘবের জন্যই এই ফ্লাইওভারটি করা হয়েছে। এই ফ্লাইওভারটি ফেনী হয়ে ঢাকা, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, পার্বত্য জেলাসমূহ, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, ফরিদপুর, সিলেট অঞ্চলে যাতায়াতকারী বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে, স্বস্তি পাবেন যাত্রীরাও।
মানুষে মানুষে সমতা ও গণ অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার,সদরঘাট থানা আওয়ামী লীগের শোকসভায় নওফ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মানুষে মানুষে সমতা ও গণ অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার জনকল্যাণমুখী। বাংলাদেশ ২০২১ সালে অবশ্যই মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে। এ জন্য প্রয়োজন একটি বৈষম্যমূলক সমাজ গঠন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আজ বিকেলে সদরঘাট থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রয়াত জননেতা এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চেšধুরী’র শোকসভায় এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমার বাবার স্বপ্ন ও সাধনা ছিলো গুমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা। আমি তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে গুমানুষের পাশে থাকবো। শ্রমিক শ্রেণী ও কর্মজীবীদের পাশে থেকে আমার লক্ষ্য বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বহুমাত্রিক বড় দল। আমাদের মধ্যে ছোট-খাটো ভুল ও ভিন্নতা থাকতে পারে। এক সাথে বসে এর সমাধান করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এষনও দেশে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় আমাদের সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রধান বক্তার ভাষণে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমার রাজনৈতিক গুরু মহিউদ্দিন ভাইয়ের নির্দেশিত চিন্তা-দর্শন অনুসরণ করে যাবো। এ জন্য প্রয়োজন ঐক্য। এই ঐক্যই আমাদের শক্তি। সদরঘাট থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিইনসি স্পেশাল এর সভাপতিত্বে ও বেলাল নূরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোকসভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, উপ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, মরহুমের কনিষ্ঠ পুত্র বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ ইউনুছ, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, থানা আওয়ামী লীগের হাজী আলী বক্স, মো: জহির আহমদ, সালাউদ্দিন ইবনে আহমদ, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, মো: আওরঙ্গজেব চৌধুরী প্রিন্স, ললিত কুমার দত্ত, নুরুল আবছার, শওকত আলী, হাজী মনির, আফছার উদ্দিন, শাহীন সরওয়ার, আজিজুর রহমান আজিজ, মো: ইকবাল, গোলাম মোস্তফা মোস্তাইন প্রমুখ।
একাত্তরের পরাজিত অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে শোকসভায় ব্যারিস্টার নওফেল
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি জাতির উপর ভর করে আছে। এদেরকে নির্মূল করার জন্য আমাদের সাংগঠনিক ঐক্যের প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, পদ-পদবীধারীরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করুন, তাহলেই দল শক্তিশালী হবে। মনে রাখতে হবে আমরা কঠিন সময়ের মুখোমুখি। চারিদিকে বিষাক্ত নাগিনীরা ফেলেছে নিঃশ্বাস। এই রাহুগ্রাস মুছনে আমাদেরকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগে যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আমি তাঁদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। গতকাল বিকেলে ঘাটগড়স্থ আজিজ উদ্যানে প্রয়াত জননেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী’র স্মরণে শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দলকে ছোট-খাটো বিভেদ ভুলে সংগঠিত করুন। ঐক্যই শক্তি এটাই আমাদের প্রধান মনোবল। ঐক্য বিনাশী অপশক্তির বিরুদ্ধে আমি সচেতন। আমি আপনাদের আবেগ-অনুভূতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তুলে ধরবো- এটাই হবে দলীয় সিদ্ধান্ত। বিশেষ অতিথির ভাষণে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী সারাদেশের মাটি ও মানুষের নেতা। তাঁর স্মৃতি ও আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে এদেশকে এবং চট্টগ্রামকে ভালোবাসতে হবে। তাই আমাদেরকে যার যার অবস্থান কাজ করে যেতে হবে। ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী বারেক কোম্পানী। সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, জহরলাল হাজারী, মরহুমের কনিষ্ঠ পুত্র বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আবদুল হালিম, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের, এ.এস.এম ইসলাম, কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, শ্রমিক লীগের মোহাম্মদ ইউনুছ, মোহাম্মদ হোসেন, মো: শামসুদ্দিন, যুবলীগের নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, রাজু চৌধুরী প্রমুখ।
খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ৫৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
কুমিল্লার আদালতে খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ৫৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় যাত্রীবাহী নৈশকোচে পেট্রোল বোমা হামলায় ৮ যাত্রী নিহত হওয়ার মামলায় এ আদেশ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৫ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক বেগম জয়নব বেগম ওই গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর জেলা ডিবি’র ইন্সপেক্টর ফিরোজ হোসেন ওই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরসহ ৭৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে ওই ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস সা’দাত জানান, মঙ্গলবার আদালতে শুনানিকালে জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহজাহানসহ বিএনপি-জামায়াতের স্থানীয় ২০ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। খালেদা জিয়াসহ কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতারা আদালতে উপস্থিত না থাকায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশ কোচ চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার সংলগ্ন জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছুলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর ১জনসহ মোট ৮ যাত্রী মারা যান। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি ও বিস্ফোরক আইনে একটিসহ থানায় পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৮ যাত্রী হত্যা মামলাটি কুমিল্লা ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়। গত বছরের ১৬ নভেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়।
চরণদ্বীপ রজভীয়া ফাযিল মাদ্রাসায় বই উৎসব ২০১৮ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ
১ জানুয়ারী ২০১৮ইং সরকার ঘোষিত বই উৎসব ২০১৮ইংউপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলার প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরণদ্বীপ রজভীয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসায় ১ জানুয়ারী সোমবার শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয় সকাল ১০টায় মাদ্রাসা মিলনায়তনে। নতুন বই বিতরণ করেন চরণদ্বীপ রজভীয়া ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও ৭নং চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব রেজা। মাওলানা জিল্লুর রহমান হাবিবীর পরিচালনায় নতুন বই বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ওবাইদুল্লাহ, অধ্যাপক শাব্বির আহমদ, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন, আরবী প্রভাষক মাওলানা নিজাম উদ্দিন নোমানী, মঈনুদ্দিন মোহাম্মদ ওসমান, অধ্যাপক এনামুল হক, অধ্যাপিকা মোরশেদা বেগম, মাওলানা আব্দুল মালেক, সহকারী শিক্ষক রিটু কুমার বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, জুলেখা বেগম, আব্দুল হালিম অহিদী, মাওলানা মোহাম্মদ শাহ আলম, মাওলানা নুর মোহাম্মদ, আরজু মরিয়ম মনি, ফারজানা সেহেলী, রহিমা আক্তার, আনু আক্তার প্রমুখ।
মেরিট বাংলাদেশ-এ বই বিতরণ উৎসব সম্পন্ন
নগরীর স্বনামধন্য ও সফল ক্লাসনির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজে আজ ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে বই বিতরণ উৎসব সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী লায়ন সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক ও পরিবেশ গবেষক অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ্। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মেরিট বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ উৎপল পাল, একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ শওকত ওসমান, শিক্ষক বিপ্লব সরকার, প্রদীপ বড়য়া, উম্মে সামিহা রহমান, সোমা দত্ত, সৌরভ চৌধুরী প্রমুখ। বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীরা বিপুল আনন্দে মেতে ওঠে। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারকে অসংখ্য ধন্যবাদ শিক্ষার্থীদের হাতে বছরের প্রথম দিনেই নতুন পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার জন্য। নিঃসন্দেহে এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অসামান্য অবদান । তাই বছরের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে লেখাপড়ার মাধ্যমে প্রত্যাশিত সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই কামনা করছি এবং এক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক এই ত্রিমাত্রিক সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সম্মানিত অভিভাবকদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ শিক্ষার্থীর মানসম্মত লেখাপড়া নিশ্চিত করতে এই প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়ার মাধ্যমে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য। আশা করব, পিতা-মাতা ও শিক্ষকের প্রতি অনুগত ও কৃতজ্ঞ থেকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষিকা উম্মে সামিহা রহমান ও শিক্ষক রুবেল শীল। অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক-অভিভাবিকা ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর