৪ জন অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে RAB-৪
২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে ১৬৬ গ্রাম হেরোইন, ১ টি ওয়ান শুটার গান এবং ২ রাউন্ড রাবার বুলেটসহ ৪ জন অস্ত্রধারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে RAB-৪। আটককৃতরা হলেন- আল আমিন (৩৫), আলম (৪২), সালাউদ্দিন (৩৯) এবং সালামত (৩৫)। বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার নরেশ চাকমার নেতৃত্বে একটি দলের অভিযানে ওই চার জনকে আটক করা হয়। শুক্রবার ব্যাটালিয়নের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, আটককৃতরা পারষ্পারিক যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করছিলো। অস্ত্রধারী হওয়ায় সাধারণ জনগণ তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতেন না। কেউ অভিযোগ করলেও অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখানো হতো। আটক আল আমিনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় খুন, অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং মারামারির মোট ১৭ টি মামলা রয়েছে। যা আদালতে বিচারাধীন।
ফেনীতে অস্ত্রসহ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে RAB
২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী মডেল থানাধীন র্ধমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে RAB-৭। আজ শুক্রুবার ২৭শে ডিসেম্বর দুপুর ১২:৩০ মিনিটের সময় ফেনী জেলার ফেনী সদর মডেল থানাধীন ধর্মপুর ইউনিয়নের হাজী সাদেক মিয়ার বাড়ী সামনে অভিযান চালিয়ে এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে RAB-৭। আটককৃত আসামী মোঃ নুরুদ্দীন জাহাঙ্গীর (৪৯) ধর্মপুর গ্রামের (৮নং ওয়ার্ড আরিন্দা বাড়ী) এলাকার হাজী মোঃ সাদেক এর ছেলে। RAB-৭ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পা্রি যে, ফেনী জেলার ফেনী সদর মডেল থানাধীন ধর্মপুর সাকি্ন, আরিন্দা বাড়ী হাজী সাদেক মিয়ার বাড়ী সামনে কতিপয় সন্ত্রাসী নাশকতার উদ্দেশ্যে অবিস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ RAB-৭ এর একটি টহল দল সেখানে অভিযান পরিচালনা চালায়। এ সময় RAB এর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ নুরুদ্দীন জাহাঙ্গীর কে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত বাড়ীর সেমি পাকা গুদাম ঘরের দক্ষিন পশ্চিমে কোনে একটি কালো বর্নের রেকেটের কভারের ভিতরে সুকৌশলে লুকানো অবিস্থায় ০১ টি বিদেশী পিস্তল, ০১ টি দেশী পাইপগান, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০২ রাউন্ড গুলি/কার্তুজ, ০১ টি রামদা এবং ০২ টি ছোরা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত মাদক, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত রয়েছে। তাকে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নোয়াখালীতে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত
২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মোখলেছুর রহমান সুবিল্লা (৩৯) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর রাতে উপজেলার পূর্ব নাটেশ্বর ইউনিয়নের আবদুল্লাপুর গ্রামের বদ্ধ বাড়ির কাঁচা রাস্তার উপর এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপ গান, ৩ রাউন্ড কার্তুজ, ৪টি রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহত মোখলেছুর রহমান সুবিল্লা বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ইসহাক মিয়ার ছেলে। তিনি ১১ মামলার আসামি ছিলেন বলে জানা গেছে।সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুস সামাদ জানান, পুলিশ রাত্রিকালীন রণপাহারা দেওয়ার সময় একটি ডাকাত দল পুলিশের মুখোমুখি হয়ে যায়। পরে প্রথমে পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাকাত দল গুলি ছুঁড়ে। পুলিশ পাল্টা ১৭ রাউন্ড গুলি চালালে ডাকাত সুবিল্লা ঘটনাস্থলে নিহত হন।
কিশোরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে
২৭ ডিসেম্বর,শুক্রবার,কিশোরগঞ্জ রিপোর্টার ,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে দু’জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক সড়কে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কামালিয়ারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সিলেট জেলার কানাইঘাটের ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী (৬০) ও ময়মনসিংহ সদরের জিনাত খান (৫০)। তাদের মধ্যে জিনাত খান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন স্টাফ নার্স বলে জানা গেছে। কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ সার্জেন্ট ডিএম জহিরুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ থেকে বিশাল পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি নাইট কোচ ময়মনসিংহ যাচ্ছিল। পথে ভোরে কামালিয়ারচর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক যাত্রী নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হতাহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহতরা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে। এদিকে সকাল সোয়া ১০টার দিকে একই স্থানে যাত্রবাহী বাস ও তেলবাহী লড়ির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহত হয়নি।।
আজও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
২৬ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,সালাউদ্দিন বাবু,নিউজ একাত্তর ডট কম: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, পঞ্চগড়ে ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এদিকে তেঁতুলিয়ায় শীতের প্রভাবে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ঠিক সময়ে কাজে যেতে না পেরে, বিপাকে পরেছেন শ্রমজীবীরা। শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছেন সর্দি, কাশি, জ্বর, নিমোনিয়াসহ ডায়েরিয়ায়।
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে
২৫ডিসেম্বর,বুধবার,সালাউদ্দিন বাবু,পঞ্চগড়,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আজ বুধবার থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর আগামী রোববার থেকে আরেক দফা তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। মধ্যরাত থেকে সারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কুষ্টিয়া ও টাঙ্গাইল অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গের গাঙ্গেয় উপকূল এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে আর দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুষ্টিয়া ও টাঙ্গাইল অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা সারাদেশের মধ্যে এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৯টায় দেশের মধ্যে আবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। তবে ডিসেম্বরের শেষ দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম জানান, আজ (বুধবার) থেকে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর রোববার থেকে আরেক দফা তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে। শুষ্ক পশ্চিমা লঘুচাপ ও জলীয় বাষ্পপূর্ণ পূবালী বায়ুর মিশ্রণের ফলে এই বৃষ্টি শুরু হতে পারে। বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টাকা ছাড়া গ্রাম আদালতেও বিচার নেই
২৫ ডিসেম্বর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে গত শুক্রবার রাতে এক প্রেমিক যুগলকে প্রেমিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে এলাকাবাসী। পরে তারা স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের খবর দিলে দু জনকে একই ঘরে আটকে রেখে বাহিরে গ্রাম পুলিশের পাহারা বসায়। এভাবেই কেটে যায় গোটা রাত। আটক হওয়া মেয়ের বাবা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাইলে সকালে তাদের খানমিরচ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আটক ছেলে ও মেয়ের পরিবারের সদস্যদেরকে পরিষদে ডেকে পাঠান। শনিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে উভয় পরিবারের সদস্যরা পৌঁছালে সালিশ বসায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রাম্য আদালতের বিচারকরা। সালিশে মেয়ের বাবাকে বাদী ও ছেলের পরিবারকে বিবাদী করা হয়। এ সময় সালিশের খরচ বাবদ গোপনে মেয়ের বাবার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়।সূত্র-মানবজমিন। দরিদ্র রিকশাচালক মেয়ের বাবা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তখন গ্রাম্য আদালতের একাধিক বিচারক সালিশের রায় বিপক্ষে দেয়া হবে বলে মেয়ের বাবাকে হুমকি দেন। এতে বাধ্য হয়ে আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে টাকা এনে প্রথমে পনের হাজার ও বিকেলে দশ হাজার টাকা হুমকিদাতা বিচারকদের হাতে দেন মেয়েটির বাবা। পরে সন্ধ্যায় সালিশের রায় দেয়া হয়। সালিশে ওই প্রেমিক যুগলকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রায়ে ছেলের পরিবার দ্বিমত করলেও মামলার ভয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাধ্য হয় ছেলে। শনিবার রাতে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। পরে শালিসের নামে হতদরিদ্র মেয়ে বাবার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ায় বিষয়টি জানাজানি হলে বিচারকদের নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে এলাকায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে যে কোন ধরনের বিচার পেতে বাদী পক্ষকে টাকা দিতেই হয়। আর এই কাজ করে গ্রাম আদালতের সাথে সম্পৃক্ত কয়েকজন অসাধু গ্রাম প্রধান। তাদের চাহিদা মত টাকা দিতে না পারলে সালিশের রায় আটকে রেখে বাদী পক্ষকে ঘুরাতে থাকে। যদি কখনও রায় দিতেই হয় তখন তা বাদির বিপক্ষে যায়। এদিকে অভিযুক্ত গ্রাম আদালতের সাথে সম্পৃক্ত একজনের দাবি, সালিশের জন্য নেয়া টাকা তারা ভোগ করেন না। সালিশ পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন খাতে যে খরচ হয় সেই পরিমাণ টাকা বাদী পক্ষের কাছ থেকে নেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই অনাচার চললেও প্রভাবশালী প্রধানদের ভয়ে কেউই প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। এভাবেই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে উপজেলার অবহেলিত খানমরিচ ইউনিয়নের এই জনপদের সামাজিক বিচার ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অথবা প্রশাসনের কোনো দপ্তরের সাথে পরিচয় নেই উপজেলার এই বিশাল জনগোষ্ঠীর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অথবা প্রশাসনের কোনো দপ্তরের সাথে পরিচয় নেই উপজেলার এই বিশাল জনগোষ্ঠীর। প্রত্যন্ত এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ হতদরিদ্র ও অশিক্ষিত। মাতব্বরদের অনাচারের শিকার মেয়ের বাবা বলেন, আমি একজন দরিদ্র কৃষক। প্রেমের ফাঁদে পড়ে মেয়ে লাঞ্চিত হয়েছে। তার জন্য বিচার চেয়েছি। বিচার পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু ধারদেনা করে মাতব্বরকে ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এখন এ টাকা পরিশোধ করব কিভাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। অভিযুক্ত গ্রাম্য মাতব্বর ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল লতিফ সালিশের নামে ২৫ হাজার টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আদায় করা টাকার একটি টাকাও তারা নিজেরা নেয়নি। আটক ছেলে ও মেয়ের বিয়ে দিতে কাজী ও মৌলানা বাবদ ৭০০০ টাকা খরচ হয়। এছাড়া গ্রাম পুলিশের খরচ সহ আরো কয়েকটি খাতে বাকি টাকা খরচ হয়ে যায়। টাকাটা নেয়া অবৈধ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রাম অঞ্চলের সালিশ পরিচালনা করতে গেলে কিছু টাকা খরচ বাদী পক্ষকে দিতেই হয়। এ বিষয়ে খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আসাদুর রহমান বলেন, সালিশ করে বিয়ে দিয়েছি ঠিক আছে। কিন্তু কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। কেউ নিয়ে থাকলেও সেটা আমার জানা নাই। জানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। ভাঙ্গুড়া উপজেলার গ্রাম্য আদালত সক্রিয়করণের সমন্বয়কারী বিপ্লব হোসেন বলেন, ছেলে-মেয়ে আটক হওয়ার ঘটনায় বিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল গ্রাম্য আদালতের বিচারকদের। আর টাকা নেওয়া তো বড় অন্যায় কাজ। বিষয়টি জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এব্যাপারে ভাঙ্গুরা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম হাফিজ বলেন, গ্রাম্য সালিশে বিচারকদের টাকা নেওয়ার বিষয়টি খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা। পরবর্তীতে এমন ঘটনা আর যেন না ঘটে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হবে।
কুষ্টিয়ায় ট্রেনের সঙ্গে ট্রলির সংঘর্ষে নিহত দুই
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,সৈয়দ নুর,কুষ্টিয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কাঠদহ এলাকায় অরক্ষিত রেলগেটে অবৈধ রেলক্রসিংকালে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে একটি ট্রলির ধাক্কা লেগে ট্রলির চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ট্রেনের ফ্রন্ট প্লেটের সঙ্গে ট্রলি আটকে যাওয়ায় সেখানেই ট্রেনটি আটকে আছে। পোড়াদহ রেল স্টেশন মাস্টার শরিফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আপ ট্রেনটি পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের অদূরে কাঠদহ অরক্ষিত রেল গেটে পৌঁছালে স্থানীয় একটি ইটভাটার মাটিভর্তি ট্রলি রেললাইন পার হচ্ছিল। সেই মুহূর্তে দ্রুতগামী ট্রেনটি ঢুকে পড়ে। ট্রেনের ধাক্কায় ট্রলিটি ট্রেনের সামনেই আটকে যায়। কিছুদূর গিয়ে ট্রেনটি থেমে যায়। এ সময় ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে দুইজন মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শী আজিবর জানান, ট্রেন আসার সময় চিৎকার করে থামতে বলতে বলতেই মাটি ভর্তি ট্রলিটা লাইনের ওপর ওঠে পড়ে। চোখের পলকে ট্রলিটা ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে আটকে যায়। ট্রলির ভটভট শব্দে সম্ভবত ট্রলিচালক ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পায়নি। এদিকে, ট্রেনের সঙ্গে ট্রলি আটকে যাওয়ায় আপ লাইনে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, ট্রলিটি রেলক্রসিং পাড় হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে রেলওয়ে শ্রমিকরা কাজ করছে।
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীসহ প্রেমিক আটক
২২ডিসেম্বর,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পরকীয়ার জেরে স্বামী তোফাজ্জল হোসেন তোতাকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী সাথী ও পরকীয়া প্রেমিক উজ্জ্বলকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার পাথালিয়া এলাকা থেকে প্রথমে সাথী খাতুনকে পরে প্রেমিক উজ্জ্বলকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন তোতার ছোট ভাই তারা মিয়া বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রী সাথী খাতুন, তার প্রেমিক উজ্জ্বল এবং তার সহযোগী আব্দুল জলিলকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী সাথী খাতুনের সাথে উজ্জ্বলের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। শুরু হয় অবৈধ মেলামেশা। বিষয়টি তোফাজ্জল হোসেন তোতা জানার পর উভয়কেই নিষেধ করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজমিস্ত্রির কাজ করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় সাথী খাতুন শুক্রবার কালিহাতী থানায় একটি নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরী করেন। এ খবর শুনে তোতার স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে জানতে পারে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাথালিয়া বাজারে ঘোরাফেরা করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল তোতা। এদিকে আসামী জলিলের বাড়ির পাশে তোতার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়। অপরদিকে ওইদিন দুপুরে ওই গ্রামের মোকছেদ আলী তার বাড়ির পূর্ব পাশে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের মাটির পাট ভাঙ্গা এবং স্লাপ পরিবর্তন করা দেখতে পান। এই বিষয়টি তিনি স্থানীয় মেম্বার ও এলাকাবাসীদের জানান। পরে তোতার নিখোঁজ হওয়ার খবর শুনে স্থানীয়রা ওই ঘটনাটি আমলে নিয়ে কালিহাতী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে শনিবার বিকেলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে একটি লাশ উদ্ধার করে। লাশটি দেখে স্থানীয় লোকজন নিখোঁজ তোতার লাশ বলে সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাথালিয়া এলাকা থেকে স্ত্রী সাথী খাতুন ও প্রেমিক উজ্জ্বলকে আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ। এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, তোফাজ্জল হোসেন তোতা রাজমিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি নিখোঁজ হয়। সেই প্রেক্ষিতে তার স্ত্রী সাথী থানায় এসে প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। সেই ডায়েরীর সূত্রধরে তোতা মিয়াকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাই। একপর্যায়ে জানতে পারি তার স্ত্রীসহ পরকীয়ার প্রেমিক উজ্জ্বল দু’জন মিলে তোতাকে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য পার্শ্ববর্তী এক পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে ফেলে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে।খবর আরটিভি অনলাইন । এ ঘটনায় নিহত তোফাজ্জল হোসেন তোতার ছোট ভাই তারা মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তোতার স্ত্রীসহ পরকীয়ার প্রেমিক উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর